Tag: Election Commission

Election Commission

  • Election Commission: “এরকম মিথ্যেবাদী কমিশন কখনও দেখিনি”, বললেন মমতা

    Election Commission: “এরকম মিথ্যেবাদী কমিশন কখনও দেখিনি”, বললেন মমতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “এরকম মিথ্যেবাদী কমিশন আমি কখনও দেখিনি। বহু ধিন ধরে রাজনীতি করছি, এরকম ঔদ্ধত্য আমি আগে দেখিনি (Election Commission)।” এক নিঃশ্বাসে কথাগুলি বলে খানিক থামলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। তাঁর অভিযোগ, বিজেপির অঙ্গুলি হেলনেই কাজ করছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। প্রসঙ্গত, এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ জানাতে সদলে দিল্লি গিয়েছিলেন মমতা। সেখানে তাঁর বৈঠক হয় মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানের কুমারের সঙ্গে। সেই বৈঠক থেকে বেরিয়েই কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন তিনি।

    ভোটার তালিকা সংশোধনের নামে রাজ্যে অনিয়ম! (Election Commission)

    জানা গিয়েছে, বেঁচে থাকতেও নির্বাচন কমিশনের নথিতে মৃত বলে চিহ্নিত এমন ৫০জন ভোটারকে দিল্লিতে নিয়ে গিয়েছেন মমতারা। শুধু তা-ই নয়, এসআইআর প্রক্রিয়ার কারণে পরিবারের কোনও না কোনও সদস্যের মৃত্যু হয়েছে, এমন অভিযোগ থাকা আরও ৫০জনকেও দিল্লিতে নিয়ে গিয়েছেন তৃণমূলের ভোট ম্যানেজাররা। এদিন নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে বৈঠক শুরু হয় তৃণমূলের প্রতিনিধি দলের (Mamata Banerjee)। সেখানেই ভোটার তালিকা সংশোধনের নামে রাজ্যে অনিয়ম, হয়রানি এবং মানবিক বিপর্যয়ের অভিযোগ তুলে ধরে কমিশনের কাছ থেকে সরাসরি ব্যাখ্যা ও পদক্ষেপ দাবি করে তৃণমূল। যদিও খানিক পরে নির্বাচন সদন থেকে বেরিয়ে মমতা অভিযোগ করেন, বৈঠকের আগেই তাঁদের অসম্মান ও অপমান করা হয়েছে। তাঁর আরও অভিযোগ, ভোটার তালিকা সংশোধনের নামে বাদ দেওয়া হয়েছে ৫৮ লাখ ভোটারের নাম। ভোটার তালিকা সংশোধনকে ঘিরে সাম্প্রদায়িক মেরুকরণের অভিযোগও করেন মমতা।

    হিন্দু-মুসলমান

    তাঁর দাবি, “যাঁরা হিন্দু-মুসলমান করেন, তাঁরা বুঝতে পারছেন? এখানে দু’জন মুসলিম রয়েছেন (Election Commission)। ক’জন হিন্দু?” তাঁর আরও প্রশ্ন, “বিজেপি শাসিত অসমে কেন এই প্রক্রিয়া করা হল না?” মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, এসআইআরের নামে রাজ্যে ৫৮ লাখ ভোটারের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে এসব করা হয়েছে। তার নেপথ্যে রয়েছেন সীমা খন্না। কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “এত বড় সংখ্যায় ভোটার বাদ পড়ার পরেও নির্বাচন কমিশন কোনও ব্যাখ্যা চাইছে না।”

    প্রধানমন্ত্রীকে নিশানা

    এদিন আরও একবার প্রধানমন্ত্রীকে নিশানা করেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, “আপনারা প্রধানমন্ত্রীকে জিজ্ঞেস করুন। ওঁর বাবা-মায়ের জন্ম-কুন্ডলী বের করতে বলুন।” তিনি বলেন, “লালকৃষ্ণ আডবাণীর নাগরিকত্ব এবং জন্মস্থান সংক্রান্ত প্রশ্নও এক সময় উঠেছিল।” এদিনের বৈঠকের স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন মমতা। বলেন, “বৈঠকের সময় কমিশনের নিজস্ব ক্যামেরাম্যানরা উপস্থিত ছিলেন, অথচ বাইরের ক্যামেরাম্যানদের সেখানে ঢোকার অনুমতি দেওয়া হয়নি।” মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আপনাদের যা ইচ্ছে, তাই করবেন, তা তো হয় না! বহুদিন ধরে রাজনীতি করছি, মন্ত্রীও ছিলাম (Election Commission)। এরকম অহঙ্কারী নির্বাচন কমিশন কখনও দেখিনি (Mamata Banerjee)।”

  • SIR in Bengal: রাজ্যে আসছেন আরও ২৯৪ সিনিয়র মাইক্রো অবজারভার, কী ভাবছে নির্বাচন কমিশন?

    SIR in Bengal: রাজ্যে আসছেন আরও ২৯৪ সিনিয়র মাইক্রো অবজারভার, কী ভাবছে নির্বাচন কমিশন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে এসআইআর-এর (SIR in Bengal) কাজে স্বচ্ছতা ও দ্রুততা আনতে ওড়িশা, ঝাড়খণ্ড এবং বিহার থেকে ২৯৪ জন সিনিয়র মাইক্রো অবজারভার আসছেন বাংলায়। রাজ্যের কাজে আর কোনওরকম ভরসা করতে চাইছে না নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। অগত্যা তাই স্ক্রুটিনি ও নিখুঁত ভোটার তালিকা তৈরি করার জন্য নির্বাচন কমিশন এমনই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে খবর।

    কেন এই পদক্ষেপ

    পশ্চিমবঙ্গ-সহ মোট ১২টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে (State and Union Territory) এই মুহূর্তে ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধনের কাজ চলছে, যাকে বলা হচ্ছে স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন বা এসআইআর (SIR in Bengal)। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, কমিশনের থেকে নির্দেশ পাওয়ার পরেই রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়াল তিন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদের চিঠি পাঠিয়েছিলেন ২৯৪ জন আধিকারিককে এই রাজ্যে পাঠানোর জন্য। যাদের সিনিয়র মাইক্রো অবজারভার হিসেবে কাজে ব্যবহার করা হবে রাজ্যের এসআইআর এর চূড়ান্ত পর্যায়ে। আগামী সোমবারের মধ্যে এই ২৯৪ জন আধিকারিক রাজ্যে এসে পৌঁছে যাবেন এবং প্রত্যেকেই ২৯৪ টি এলাকার ইআরওদের সঙ্গে মিলে কাজ করবেন। একদিকে স্ক্রুটিনি, অন্যদিকে নিখুঁত ভোটার তালিকা তৈরি করার জন্য জাতীয় নির্বাচন কমিশন এই রাজ্যের ওপর আর কোনওরকমেই ভরসা করতে পারছে না। সেই কারণেই নির্বাচন কমিশন এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে খবর।

    সিনিয়র মাইক্রো অবজারভার নিয়োগের নির্দেশ

    রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর থেকে রাজ্য সরকারের কাছে ডেটা এন্ট্রি অপারেটরের জন্য বারংবার চিঠি দিলেও পর্যাপ্ত সংখ্যক লোক দিতে পারেনি রাজ্য সরকার। সেই কারণেই রাজ্যে চলা এসআইআর (SIR in Bengal) এর কাজে অনেক বড় সমস্যার মধ্যে পড়তে হয়েছে নির্বাচন কমিশনকে। তাই আর সময় নষ্ট না করে এবং কোনওভাবেই রাজ্যের ওপর ভরসা না করে নির্বাচন কমিশন (Election Commission) সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্যের ২৯৪ টি বিধানসভা ক্ষেত্রে ২৯৪ জন সিনিয়র মাইক্রো অবজারভারকে নিয়োগ করার। অন্যদিকে সুপ্রিম কোর্ট যে নির্দেশ দিয়েছে শনিবার লজিক্যাল ডিস্ক্রিপেন্সির তালিকা প্রকাশ করতে হবে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরকে। সেখানেও দেখা দিয়েছে বড় সমস্যা। এখনও পর্যন্ত সব তালিকা প্রস্তুত নেই জেলা নির্বাচনী আধিকারিকদের কাছে। খুব স্বাভাবিকভাবেই তাই রাজ্যের প্রত্যেকটি জেলায় এই তালিকা শনিবার কতটা প্রকাশ পায় সেটাও একটা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের কাছে।

  • Election Commission: গাফিলতি দেখলেই পদক্ষেপ করতে পারবেন সিইও! বিএলও-দের কড়া হুঁশিয়ারি নির্বাচন কমিশনের

    Election Commission: গাফিলতি দেখলেই পদক্ষেপ করতে পারবেন সিইও! বিএলও-দের কড়া হুঁশিয়ারি নির্বাচন কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুথ লেভেল অফিসারদের (BLO) কড়া বার্তা দিল দিল্লির নির্বাচন সদন (Election Commission of India)। পশ্চিমবঙ্গকে (West Bengal) সামনে রেখেই এই হুঁশিয়ারি বলে মনে করছে প্রশাসনিক মহল। মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক অর্থাৎ সিইও-দের ভূমিকা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠল। বিধি মেনেই সব রাজ্যের সিইও-দের সেই এক্তিয়ার দিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। ইতিমধ্যেই সব রাজ্যের সিইও-দের কাছে চিঠি করেছেন। কোনও বিএলও-র বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে আইন অনুযায়ী দ্রুত পদক্ষেপ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    বিএলও-দের গাফিলতিতেই ভুল

    বিএলও-দের বিরুদ্ধে আরও কড়া কমিশন (Election Commission)। নির্বাচন কমিশনের পর্যবেক্ষণ, পশ্চিমবঙ্গে একাধিক ক্ষেত্রে বিএলওদের ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃত ভুলের কারণে সাধারণ মানুষের কাছে কমিশনকে দোষী হতে হচ্ছে। ভোটার তালিকা সংশোধন ঘিরে বিভ্রান্তি, অভিযোগ আর অসন্তোষ বাড়ছে পাল্লা দিয়ে। এই পরিস্থিতিতে আর নরম মনোভাব নয়, স্পষ্ট নির্দেশ পাঠানো হল দিল্লি থেকে। নির্দেশিকায় পরিষ্কার করে বলা হয়েছে, ১৯৫০ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আইন (Representation of the People Act, 1950) অনুযায়ী বিএলওরা সম্পূর্ণভাবে নির্বাচন কমিশনের অধীনস্থ কর্মচারী। তাঁদের দায়বদ্ধতা একমাত্র কমিশনের প্রতিই। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, অনেক জায়গায় কমিশনের নির্দেশিকা উপেক্ষা করে নিজের মতো করে কাজ করছেন তাঁরা। এই প্রবণতা কোনওভাবেই মেনে নেওয়া হবে না।

    কমিশনের কাছে দায়বদ্ধ

    যদি কোনও বিএলও কোনও ধরনের অনিয়ম বা গাফিলতিতে যুক্ত থাকেন, তাহলে সংশ্লিষ্ট জেলা নির্বাচনী আধিকারিক বা ডিইও (District Election Officer), যিনি পদাধিকার বলে জেলাশাসক (District Magistrate), তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজন হলে ওই বিএলওর বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কমিশনের বক্তব্য, ভোটার তালিকা সংশোধনের মতো সংবেদনশীল কাজে কোনও ঢিলেমি নয়। নিয়ম ভাঙলে তার দায় নিতে হবে সংশ্লিষ্ট আধিকারিককেই। এবার থেকে সিইও-রা নিজে থেকেই স্বতঃপ্রণোদিতভাবে পদক্ষেপ করতে পারেন। এর মধ্যে সাময়িক বরখাস্ত, বিভাগীয় তদন্ত শুরু করা বা এফআইআর দায়ের করার নির্দেশ দিতে পারেন সিইও। এত দিন সিইও-কে বাদ রেখে জাতীয় কমিশন সিদ্ধান্ত নিত৷ এবার সেই স্বাধীনতা দেওয়া হল সিওকে। চিঠিতে উল্লেখ রয়েছে, কোনও বিএলও-র বিরুদ্ধে দায়িত্বে অবহেলা, গাফিলতি, অসদাচরণ, কমিশনের (Election Commission) নির্দেশ ইচ্ছাকৃতভাবে অমান্য করা, কিংবা ভোটার নিবন্ধন বিধি অমান্য করলে, তাঁর বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করতে পারেন সিইও। পাশাপাশি, কোনও এসআইআর-এর কাজে বিএলও-দের ওপর হামলার অভিযোগ উঠলেও তৎক্ষণাৎ এফআইআর দায়ের করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

  • Election Commission: ইসিআইনেট ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম চালু করল নির্বাচন কমিশন, কোন কোন পরিষেবা দেওয়া হবে?

    Election Commission: ইসিআইনেট ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম চালু করল নির্বাচন কমিশন, কোন কোন পরিষেবা দেওয়া হবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের নির্বাচন কমিশন (Election Commission) বৃহস্পতিবার ইসিআইনেট (ECINET) চালু করেছে। এটি হল এমন একটি বিস্তৃত ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম যা নির্বাচন সম্পর্কিত সমস্ত তথ্য এবং পরিষেবাগুলিকে এক ছাতার তলায় নিয়ে এসেছে। নয়াদিল্লির ভারত মণ্ডপে আয়োজিত একটি আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র ও নির্বাচন ব্যবস্থাপনা সম্মেলন ২০২৬-এর অনুষ্ঠানে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার এই অ্যাপটি উন্মোচন করেন। তিনি এই অ্যাপ পরিষেবাকে বিশ্বের বৃহত্তম নির্বাচনী পরিষেবা প্ল্যাটফর্ম হিসেবে উল্লেখ করেন।

    কী কী পরিষেবা পাওয়া যাবে (Election Commission)?

    নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) ৪০টিরও বেশি বিদ্যমান অ্যাপ এবং পোর্টালকে একসঙ্গে সমাহিত করে তৈরি করা হয়েছে এই নয়া ইসিআইনেট অ্যাপ। এর মধ্যে রয়েছে— ভোটার হেল্প লাইন অ্যাপ, সিভিআইজিআইএল, ভোটার টার্নআউট অ্যাপ, সক্ষম এবং নো ইওর ক্যান্ডিডেট প্ল্যাটফর্ম, যা সম্মিলিত ভাবে ৫.৫ কোটিরও বেশি বার ডাউনলোড হয়েছে।

    নির্বাচন কমিশনের অ্যাপ ইসিআইনেট (ECINET) একসঙ্গে একাধিক পরিষেবা দিয়ে থাকে। যেমন- নাগরিক, প্রার্থী, রাজনৈতিক দল এবং নির্বাচনে কর্মীদের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করে। একইভাবে ভোটার নিবন্ধন, ভোটার তালিকা, অনুসন্ধান, আবেদন ট্র্যাকিং, প্রার্থীর তথ্য, ই-এপিক ডাউনলোড, ভোট দানের প্রবণতা এবং অভিযোগ নিষ্পত্তি প্রক্রিয়ার মতো পরিষেবা প্রদান করতে পারবে।

    ১০ কোটির বেশি নিবন্ধিকরণের কাজ

    ইসিআইনেট (ECINET) প্ল্যাটফর্মটি ভারতের সংবিধান ১৯৫০ এবং ১৯৫১ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আইন, ১৯৬০ সালে ভোটার নাম নিবন্ধিকরণ আইন, ১৯৬১ সালের নির্বাচন পরিচালনার বিধিকে মান্যতা দিয়েই তৈরি করা হয়েছে। এতে ২২টি তফশিলি এবং ইংরেজি ভাষা ব্যবহারের কথাও জ্ঞানেশ কুমার জানিয়েছেন। মোট ১০ কোটির বেশি নিবন্ধীকরণের কাজ করতে পারবে বলে আরও জানা গিয়েছে। তবে দৈনিক গড় সংখ্যা হবে অনুমানিক ২ লক্ষ ৭০ হাজার। এখনও পর্যন্ত ১১ লক্ষের বেশি বুথ লেভেল অফিসার এখানে কাজ করেছেন। ১৫০ কোটিরও বেশি নথি ডিজিটাইজ (Election Commission) করার কাজ হয়েছে।

  • SIR: বঙ্গের ভোটার তালিকায় মেশানো হয়েছিল জল? এক ব্যক্তির সন্তান সংখ্যা ৩৮৯!

    SIR: বঙ্গের ভোটার তালিকায় মেশানো হয়েছিল জল? এক ব্যক্তির সন্তান সংখ্যা ৩৮৯!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এ যেন কলিযুগের ধৃতরাষ্ট্র! ব্যক্তি একজনই। অথচ তাঁর সন্তান-সন্ততির সংখ্যা শত শত। আজ্ঞে হ্যাঁ, এমনই আজবকাণ্ড ধরা পড়েছে পশ্চিমবঙ্গে এসআইআরের (SIR) ছাঁকনিতে। জানা গিয়েছে, এ রাজ্যে গত কয়েকটি নির্বাচনে এমন একাধিক উদাহরণ সামনে এসেছে, যেখানে শত শত ভোটারের নথিতে একজন ব্যক্তিকেই তাঁদের পিতা হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়েছে (Election Commission)। ২০২৫ সালের ভোটার তালিকায়, বিধানসভা কেন্দ্র নম্বর ২৮৩ (আসানসোল জেলার বারাবনি), এক ব্যক্তিকে ৩৮৯ জন ভোটারের পিতা হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়েছে বলে সোমবার সুপ্রিম কোর্টকে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

    ‘লজিক্যাল ডিসক্রেপ্যান্সি’ (SIR)

    এই ধরনের ভুল তথ্যকে ‘লজিক্যাল ডিসক্রেপ্যান্সি’ বা যুক্তিগত অসঙ্গতি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়, যা সংশোধনের প্রয়োজন রয়েছে বলে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত ও জয়মাল্য বাগচির  বেঞ্চের সামনে নির্বাচন কমিশনের পক্ষে এই তথ্য তুলে ধরেন আইনজীবী রাকেশ দ্বিবেদী। তিনি বলেন, “এই ধরনের ভোটারদের যে নোটিশ পাঠানো হচ্ছে, তার উদ্দেশ্য হল নথি সংশোধন করা। সঠিকভাবে পিতা-মাতার নাম নথিভুক্ত করার জন্য প্রাসঙ্গিক নথি পেশ করার দায় সংশ্লিষ্ট ভোটারেরই।”

    নির্বাচন কমিশনের হলফনামা

    নির্বাচন কমিশনের হলফনামা অনুযায়ী, বিধানসভা কেন্দ্র নম্বর ১৬৯ (হাওড়া জেলার বালি)-তেও এক ব্যক্তিকে ৩১০ জন ভোটারের বাবা হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়েছে। হলফনামায় আরও বলা হয়েছে, সাতজন ব্যক্তিকে ১০০ জনের বেশি ভোটারের অভিভাবক হিসেবে দেখানো হয়েছে, ১০ জনকে ৫০ জন বা তার বেশি ভোটারের অভিভাবক হিসেবে, আরও ১০ জনকে ৪০ জন বা তার বেশি ভোটারের পিতা হিসেবে, ১৪ জনকে ৩০ জন বা তার বেশি সন্তানের পিতা হিসেবে, ৫০ জনকে ২০ জনের বেশি সন্তানের পিতা হিসেবে, ৮,৬৮২ জনকে ১০ জনের বেশি সন্তানের পিতা হিসেবে, ২,০৬,০৫৬ জনকে ছ’জনের বেশি সন্তানের পিতা হিসেবে এবং ৪,৫৯,০৫৪ জনকে পাঁচ জনের বেশি সন্তানের পিতা হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়েছে (SIR)।

    ভারতে গড় পারিবারিক সদস্য সংখ্যা

    হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে, ন্যাশনাল ফ্যামিলি হেলথ সার্ভে (২০১৯–২১) অনুযায়ী, ভারতে গড় পারিবারিক সদস্য সংখ্যা ৪.৪। দ্বিবেদী বলেন, “এর অর্থ, গড়ে প্রতিটি পরিবারে ২–৩ জন সন্তান রয়েছে। কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, একজন অভিভাবকের সঙ্গে ৫০ জনেরও বেশি ভোটার যুক্ত। এ ক্ষেত্রে ভোটারদের কাছ থেকে ব্যাখ্যা চাওয়া জরুরি।” নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, “যেসব ক্ষেত্রে ছ’জন বা তার বেশি ভোটার নিজেদের একজন ব্যক্তিকেই অভিভাবক হিসেবে যুক্ত করেছেন, সেসব ক্ষেত্রে ওই সম্পর্কের বৈধতা নিয়ে বাড়তি যাচাই প্রয়োজন। এই কারণে, ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসাররা নোটিশ জারি করছেন, যাতে যাচাই করা যায় এই মিল সঠিকভাবে হয়েছে কি না এবং কোনও প্রতারণামূলক ম্যাপিং হয়েছে কি না, যা বাদ দেওয়া যায়।”

    ‘লজিক্যাল ডিসক্রেপ্যান্সি’ বিভাগে আরও চারটি কারণে ভোটারদের নোটিশ পাঠানো হয়েছে। সেগুলি হল, ২৭ অক্টোবর, ২০২৫ তারিখের ভোটার তালিকায় ভোটারের নাম ২০০২ সালের এসআইআর তালিকায় থাকা নামের সঙ্গে না মেলা, ২০২৫ সালের তালিকা অনুযায়ী ভোটারের (Election Commission) বয়স ও ২০০২ সালের এসআইআর তালিকা অনুযায়ী গণনা করা অভিভাবকের বয়সের পার্থক্য ১৫ বছরের কম হওয়া, ভোটারের বয়স ও অভিভাবকের বয়সের পার্থক্য ৫০ বছরের বেশি হওয়া, ভোটারের বয়স ও দাদু-ঠাকুমার বয়সের পার্থক্য ৪০ বছরের কম হওয়া (SIR)।

  • SIR in Bengal: সুপ্রিম নির্দেশে ১ কোটি ৩৬ লক্ষ ভোটারকেই এসআইআর শুনানিতে ডাক নির্বাচন কমিশনের

    SIR in Bengal: সুপ্রিম নির্দেশে ১ কোটি ৩৬ লক্ষ ভোটারকেই এসআইআর শুনানিতে ডাক নির্বাচন কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশকে মান্যতা দিতে গিয়ে এবার লজিক্যাল ডেসক্রিপেন্সিতে থাকা ১ কোটি ৩৬ ভোটারকেই শুনানিতে ডাকার সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন। সম্প্রতি কমিশনের তরফে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল যে, নামের বানানের ছোটখাটো ভুলের ক্ষেত্রে বিএলওরাই তা ঠিক করে দেবেন। এই ধরনের কেসে শুনানিতে ডাকা হবে না। এমনকি যাদের নামে শুনানির নোটিশ তৈরি হয়ে গিয়েছিল, সেই নোটিশও স্থগিত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কমিশনের তরফে জানানো হয়েছিল, সে ক্ষেত্রে ১ কোটি ৩৬ লক্ষকে নয়, শুনানিতে শুধুমাত্র ডাকা হবে ৯৪ লক্ষকে। এর ফলে পিছিয়ে যেতে পারে এসআইআর-এর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের দিন। কমিশন সূত্রে খবর, ৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে শুনানি শেষ করা সম্ভব নয় বলে আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। সেক্ষেত্রে ১৪ ফেব্রুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা নাও যেতে পারে।

    সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ

    শুধু ৯৪ লক্ষকে নয়, এরই মধ্যে লজিক্যাল ডেসক্রিপেন্সির তালিকা প্রকাশের আবেদন করে আদালতে যায় রাজ্যের শাসক দল। এরপরেই সুপ্রিম কোর্টের তরফে নির্দেশ দেওয়া হয় লজিক্যাল ডিষ্কৃপেন্সির তালিকা প্রকাশ করার। সূত্রের খবর, সেক্ষেত্রে তালিকা প্রকাশ করার সময় ১ কোটি ৩৬ লক্ষের তালিকায় প্রকাশ করতে হবে কমিশনকে। ফলতো আর ৯৪ লক্ষকে নয়, এই ১ কোটি ৩৬ লক্ষকেই শুনানিতে ডাকা হবে। সুপ্রিম কোর্ট মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডকে এসআইআর-এর বৈধ নথি হিসেবে বিবেচনা করার নির্দেশ দিয়েছে কমিশনকে।

    কী কী করতে হবে ভোটারকে

    এসআইআর (SIR in Bengal) ঘিরে বিভিন্ন জায়গা থেকে অশান্তির খবর এসেছে। সেই নিয়ে আপাতত সিইও দফতরের কাছ থেকে কোনও তথ্য চায়নি নির্বাচন কমিশন। সংশ্লিষ্ট এলাকা থেকে জেলাশাসকরাও কোনও অভিযোগ জানাননি। শুনানি সম্ভব না হলে, কী করণীয়, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। সেই মতো গাইডলাইন ঠিক করতে হবে নির্বাচন কমিশনকে। এখনও পর্যন্ত প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী, প্রায় ১ কোটি ৩৬ লক্ষ মানুষকে নোটিস দেওয়া হয়েছে নথি যাচাইয়ের। ২০০২ সালের তালিকায় নাম রয়েছে যাঁদের, যাঁদের নাম নেই সেই তালিকায়, এবং যাঁদের তথ্য়ে অসঙ্গতি রয়েছে, এমন তিনটি গোষ্ঠীতে ভাগ করা হয়েছে ভোটারদের। নথি জমা দিতে বিএলএ সহ কাউকে পাঠানো গেলেও, শুনানিতে ভোটারকে থাকতেই হবে। শুনানিতে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড বয়সের জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে। সেই সঙ্গে লাগবে সার্টিফিকেটও। রিসিভ কপি সিল লাগিয়ে দিলেই হবে, কোন আলাদা ফরম্যাট নেই। ডমিসাইল সার্টিফিকেট নিয়ে এখনও এরাজ্যের জন্য কোন নির্দেশিকা আসেনি।

  • SIR in Bengal: এসআইআরে ভুল সংশোধন আবেদনের সময়সীমা বাড়াল কমিশন, কতদিন পর্যন্ত করা যাবে?

    SIR in Bengal: এসআইআরে ভুল সংশোধন আবেদনের সময়সীমা বাড়াল কমিশন, কতদিন পর্যন্ত করা যাবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশেষ নিবিড় সংশোধন অর্থাৎ এসআইআর (SIR in Bengal)-এর খসড়া তালিকা প্রকাশিত হওয়ার পরে তাতে কোনও ভুল বা আপত্তি থাকলে তা সংশোধন করার আবেদনের মেয়াদ ছিল ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত। সেই সময়সীমা আরও আরও ৪ দিন বাড়াল নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। তথ্য সংশোধনের আবেদন জানানো যাবে আগামী ১৯ জানুয়ারি, সোমবার পর্যন্ত। পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও এই অতিরিক্ত সময় দেওয়া হয়েছে গোয়া, লাক্ষাদ্বীপ, রাজস্থান ও পুদুচেরিকে।

    কোন কোন দলের কত তরফে আবেদন

    কমিশন (Election Commission) সূত্রে খবর, তালিকা সংশোধনের জন্য বিভিন্ন দলের তরফে এখনও পর্যন্ত কমিশনের কাছে মাত্র আটটি অভিযোগ জমা পড়েছে। সবচেয়ে বেশি অভিযোগ জমা পড়েছে তৃণমূলের তরফে। তালিকায় তিন জন ভোটারের নাম তোলার আবেদন জানিয়ে তৃণমূল ৩টি অভিযোগ জানিয়েছে। তৃণমূলের দাবি, খসড়া তালিকা থেকে ওই সব ভোটারের নাম বাদ দেওয়া হয়েছিল। সিপিএম দু’টি, ফরওয়ার্ড ব্লক ও বিজেপি একটি করে এবং বহুজন সমাজ পার্টির তরফে ১টি অভিযোগ রয়েছে। প্রত্যেক দলই তালিকায় নাম নথিভুক্তির আবেদন জানিয়েছে। নাম বাদ দেওয়ার আবেদন কোনও দলের তরফেই জানানো হয়নি।

    পাঁচ রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে সময়সীমা বৃদ্ধি

    এসআইআর-এর (SIR in Bengal) পর চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হবে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি। উল্লেখ্য, গত ১৬ ডিসেম্বর বিশেষ নিবিড় সংশোধনের খসড়া তালিকা প্রকাশ করেছিল নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। ওই তালিকা থেকে ৫৮ লক্ষের বেশি নাম বাদ যায়। তবে ওই তালিকা চূড়ান্ত ভোটার তালিকা নয়। সেখানে ভুল থাকতে পারে। আপত্তি বা অভিযোগের জন্য এক মাস সময় দেওয়া হয়েছিল। সেই সময়সীমা আরও চার দিন বাড়ানো হল। সমস্ত অভিযোগ দেখে সেগুলি যাচাই ও সংশোধন করার পরে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে। সব মিলিয়ে পাঁচ রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও)-কে চিঠি দিয়ে কমিশন জানিয়েছে সময়সীমা বৃদ্ধির কথা।

  • SIR: এসআইআরের নথি হিসাবে গ্রহণযোগ্য নয় মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড, জানিয়ে দিল কমিশন

    SIR: এসআইআরের নথি হিসাবে গ্রহণযোগ্য নয় মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড, জানিয়ে দিল কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসআইআরের (SIR) নথি হিসেবে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডকে গ্রহণ না করার কথা সিও-কে চিঠি দিয়ে জানিয়ে দিল কমিশন। এসআইআর-এর নথি বিষয়ে নির্বাচন কমিশন রাজ্যের নির্বাচন আধিকারিক সিইও মনোজ আগারওয়ালাকে শুক্রবার চিঠি দিয়ে এই বিষয়টি স্পষ্ট ভাবে জানিয়ে দিয়েছে। যদিও কমিশন আগে ১৩টি বৈধ নথির কথা জানিয়েছিল। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধকারিকের (Election Commission) সঙ্গে জেলা নির্বাচনী আধিকারিকেরদের আগে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। এরপর প্রস্তাব দিলে কমিশন খারিজ করে দেয়।

    জন্মতারিখের তথ্য হিসেবে বৈধতা দেখাতে হবে (SIR)

    ভোটার তালিকায় নিবিড় সংশোধন মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডকে কোনও ভাবেই নথি হিসেবে, জন্মতারিখের তথ্য হিসেবে বৈধতা দেওয়া হবে না। ফলে এতে নতুন করে বিভ্রান্তি তৈরি হওয়ার একটা আশঙ্কা রয়েছে। এসআইআর-এর অনেকেই নথি হিসেবে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড জমা করেছেন। এখন সেই অ্যাডমিট কার্ড নথি হিসেবে গৃহীত হবে না বলায় অনেকের মধ্যেই উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তবে কমিশন (Election Commission) ভোটারদের এই নিয়ে ১৩টি নথির মধ্যে যেকোনও একটি দেখানোর কথাই বলেছে।

    ১৩টি নথি কী কী

    সিইও দফতর (SIR) থেকে নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) সদর দফতরে প্রস্তাব পাঠনো হয়েছিল। অবশেষে নির্বাচন কমিশন বৈধ নথি হিসেবে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডকে গ্রহণ করার আবেদন বাতিল করে দিয়েছে। কমিশন ঘোষিত যে ১৩টি নথির কথা বলা হয়েছে, সেগুলি হল—

    • ১) কেন্দ্র বা রাজ্য সরকারের দেওয়া পরিচয়পত্র, পেনশন পেমেন্ট অর্ডার
    • ২) ১৯৮৭ সালের ১ জুলাইয়ের আগের নথি
    • ৩) জন্মের শংসাপত্র
    • ৪) পাসপোর্ট
    • ৫) শিক্ষাগত শংসাপত্র
    • ৬) ডোমিসাইল শংসাপত্র
    • ৭) বনাধিকার শংসাপত্র
    • ৮) জাতিগত শংসাপত্র
    • ৯) জাতীয় নাগরিক পঞ্জিতে নাম
    • ১০) বংশলতিকার শংসাপত্র
    • ১১) সরকারের দেওয়া জমির নথি
    • ১২) আধার কার্ড
    • ১৩) বিহারের এসআইআর নথি।

    নো-ম্যাপিং এবং এনুমারেশন ফর্মে (SIR) তথ্যগত অসঙ্গতির জন্য খসড়া ভোটার তালিকায় নাম থাকা ভোটারদের একাংশকে শুনানির জন্য ডেকেছে কমিশন। তবে শুনানির জন্য যাদের কমিশন ডেকেছে তাদের নির্ধারিত নথির মধ্যে যে কোনো একটি দেখালেই হবে।

  • SIR in Bengal: মাইক্রো অবজারভারদের জন্য কড়া বার্তা! নজরদারিতে নজিরবিহীন হুঁশিয়ারি কমিশনের

    SIR in Bengal: মাইক্রো অবজারভারদের জন্য কড়া বার্তা! নজরদারিতে নজিরবিহীন হুঁশিয়ারি কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাইক্রো অবজারভারদের কঠোর নির্দেশ দিলেন রাজ্যের চিফ ইলেক্টোরাল অফিসার। দায়িত্বে উদাসীন হলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে, বলেও জানায় কমিশন। রাজ্যে প্রায় ৪,০০০ মাইক্রো অবজারভার নিযুক্ত করেছে কমিশন। এই অবজারভাররা বিভিন্ন কেন্দ্রীয় সরকারি অফিস এবং রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক থেকে আসে। সিইও অফিসের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন, “অনেক ক্ষেত্রে দেখা গেছে, মাইক্রো অবজারভাররা তাদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করছেন না। তাদের কাজ হল সমস্ত শুনানি পর্যবেক্ষণ করা এবং যেকোনো ম্যানুয়াল ত্রুটি চিহ্নিত করা। এটি চূড়ান্ত নির্বাচনী তালিকাকে নিখুঁত করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।” ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR in Bengal)-এর শুনানি পর্বে কাজের জন্য পশ্চিমবঙ্গে আরও প্রায় দু’হাজার মাইক্রো অবজারভার নিয়োগ করতে চলেছে নির্বাচন কমিশন।

    মাইক্রো অবজারভারদের দায়িত্ব

    সিইও একটি চিঠিতে উল্লেখ করেছেন, “মাইক্রো অবজারভারদের নিযুক্তি কালে তাদের শৃঙ্খলা ও নিয়ন্ত্রণ সিইও-এর অধীনে থাকবে। নির্বাচনী শুনানি চলাকালীন উপস্থিতির স্বাক্ষরও সঠিকভাবে যাচাই করা হচ্ছে না। তাদেরকে তাদের নির্ধারিত কাজ খুবই গুরুত্ব সহকারে করতে হবে। দায়িত্বে অবহেলার ক্ষেত্রে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” মাইক্রো অবজারভারদের বুথ লেভেল অফিসার (BLO) দ্বারা ডিজিটাল করা এন্ট্রিগুলো যাচাই করতে হবে। মৃত্যুহার ও জন্মহারের সাথে নির্বাচনী তালিকার মিল যাচাই করতে হবে। নির্বাচনী নিবন্ধন কর্মকর্তা (ERO) এবং সহকারী ইআরও (AERO)-এর নোটিশ প্রাপ্তদের কাগজপত্র যাচাই করতে হবে। নির্বাচনী শুনানি পর্যবেক্ষণ করা ও ইলেক্টরদের স্বাক্ষর এবং আঙুলের ছাপসহ ছবি তুলতে হবে। দিন দুয়েক আগেই মাইক্রো অবজারভারদের কাজে সন্তুষ্ট নয় বলে জানিয়েছিল কমিশন। নির্দেশিকা জারি করে কমিশন জানিয়েছিল, শুনানি কেন্দ্রে মাইক্রো অবজারভারেরা নিজেদের দায়িত্ব ঠিকঠাক পালন করছেন না। ভবিষ্যতে কাজে গাফিলতি হলে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ করা হবে।

    অতিরিক্ত মাইক্রো অবজারভার

    কমিশন সূত্রে খবর, আগামী বৃহস্পতিবার প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে নবনিযুক্ত মাইক্রো অবজারভারদের। কমিশন সূত্রে খবর, পশ্চিমবঙ্গে তথ্যগত অসঙ্গতির (লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি) তালিকায় রয়েছে ৯৪ লক্ষ। এ ছাড়াও, ‘নো ম্যাপিং’ তালিকায় রয়েছে ৩২ লক্ষ। অর্থাৎ, এক কোটি ২৬ লক্ষ জনের শুনানি হওয়ার কথা। শুনানি পর্ব চলছে ১৫-২০ দিন। এখনও পর্যন্ত শুনানির জন্য ৭০ লক্ষ নোটিস তৈরি করা হয়েছে। তার মধ্যে ৩৪ লক্ষ নোটিস পাঠানো হয়েছে ইতিমধ্যেই। আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে শুনানির কাজ। হাতে বাকি মাত্র ২৫-২৬ দিন। তার মধ্যে গোটা কাজ শেষ করতে আরও লোকের প্রয়োজন। সেই সব বিবেচনা করেই অতিরিক্ত মাইক্রো অবজারভার নিয়োগের প্রয়োজন। শুধু অতিরিক্ত মাইক্রো অবজারভার নিয়োগ নয়, বাড়ানো হবে শুনানি কেন্দ্রও। শুনানির কাজ করছেন এইআরও-রা (সহকারী নির্বাচনী নিবন্ধন আধিকারিক)। শুনানিকেন্দ্র বাড়লে এইআরও বৃদ্ধি করা হবে। সেই সব কেন্দ্রের জন্য মাইক্রো অবজারভারদের সংখ্যা বাড়বে।

  • SIR in Bengal: তথ্যে অসঙ্গতি রাজ্যের ৯৪ লক্ষ ৫০ হাজার ভোটারের! সবার কাছেই নোটিস পাঠাচ্ছে কমিশন

    SIR in Bengal: তথ্যে অসঙ্গতি রাজ্যের ৯৪ লক্ষ ৫০ হাজার ভোটারের! সবার কাছেই নোটিস পাঠাচ্ছে কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR in Bengal) প্রক্রিয়ায় ৯৪ লক্ষ ভোটারের দেওয়া তথ্যে ব্যাপক অসঙ্গতি। বাংলার এসআইআর পর্বে তথ্য বিভ্রাটের নজির জনসম্মুখে তুলে ধরল নির্বাচন কমিশন। কারওর বাবার নাম নেই, কারওর আবার বাবাই বদলে গিয়েছে। কারওর আবার বাবা-মায়ের সঙ্গে বয়সের ফারাক মাত্রাতিরিক্ত। কমিশন সূত্রে খবর, যাঁদের তথ্যগত অসঙ্গতি বা লজিক্যাল ডিস্ক্রিপেন্সি ধরা পড়েছে, সেই ৯৪ লক্ষ ৫০ হাজার ভোটারের কাছে নোটিস পাঠানো হচ্ছে । সেই মতো কাজও করছে সিইও দফতর (CEO West Bengal)।

    কাদের কোথায় গরমিল

    কমিশনের অভ্যন্তরীণ পর্যালোচনায় উঠে এসেছে, এসআইআর-এ (SIR in Bengal) অসঙ্গতিগুলি এক ধরনের নয়। তার মধ্যে রয়েছে পারিবারিক সম্পর্ক, বয়সের ব্যবধান ও উত্তরাধিকার সংক্রান্ত তথ্যের গরমিল। হিসেব বলছে—বাবার নামের গরমিল রয়েছে ৫০ লক্ষ ৯৩ হাজার ভোটারের। মা–বাবার সঙ্গে সন্তানের বয়সের ব্যবধান ১৫ বছরের কম ৪ লক্ষ ৭৪ হাজার ভোটারের। মা–বাবা ও সন্তানের বয়সের ব্যবধান ৫০ বছর বা তার বেশি ৭ লক্ষ ৮৫ হাজার ভোটারের। ঠাকুরদা ও নাতি–নাতনির বয়সের ফারাক মাত্র ৪০ বছর ২ লক্ষ ৫০ হাজার ভোটারের। ‘প্রোজেনি ৬’ (একজন ভোটারের সঙ্গে ছয় জন উত্তরাধিকারীর নাম যুক্ত) ২৮ লক্ষ ৪৮ হাজার ভোটারের। সহজ কথায়, এসআইআর তালিকায় নিজের নাম তুলতে ছয় জনের নাম ব্যবহার করেছেন এই ভোটাররা। নির্বাচন কমিশনের এক সূত্রের বক্তব্য, এই ২৮ লক্ষ ৪৮ হাজারের মধ্যেই রয়েছেন সেই সব ভোটার, যাঁদের বয়স ৪৫ হলেও ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম নেই।

    লজিকাল ডিসক্রেপেন্সি মানেই নাম বাতিল নয়

    কমিশন স্পষ্ট করেছে, লজিকাল ডিসক্রেপেন্সি মানেই নাম বাতিল, এমন নয়। তবে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তথ্য যাচাই না হলে চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় তার প্রভাব পড়তে পারে। সেই কারণেই নোটিস পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট ভোটারদের প্রয়োজনীয় নথি জমা দিয়ে জবাব দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) চলাকালীন নির্বাচন কমিশনের চিহ্নিত তথাকথিত ‘লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি’র তালিকায় শুরুতে নাম ছিল প্রায় ১ কোটি ৩৬ লক্ষ ভোটারের। তবে সংশোধিত তথ্য অনুযায়ী, তথ্যগত ‘অসঙ্গতি’র সংখ্যা আর ১ কোটি ৩৬ লক্ষ নেই। তা নেমে এসেছে ৯৪ লক্ষ ৫০ হাজারে।

    এখনও পর্যন্ত অবৈধ কতজন

    এখনও পর্যন্ত রাজ্যের ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর)-এর যে শুনানি হয়েছে, তাতে চূড়ান্ত তালিকা থেকে বাদ পড়ছে ১১,৪৭২ জন ভোটারের নাম। এমনটাই বলছে কমিশনের সূত্র। সেই সূত্র অনুসারে, এখনও পর্যন্ত ৯,৩০,৯৯৩ জন ভোটারের শুনানি সম্পন্ন হওয়ার পরে তথ্য আপলোড করা হয়েছে। তার মধ্যে ‘অবৈধ’ বলে চিহ্নিত হয়েছেন ১১,৪৭২ জন ভোটার। কমিশন সূত্রে খবর, ইআরও-রা শুনানি ও নথি যাচাই করে দেখেছেন, ওই ভোটারেরা ‘অবৈধ’। ফলে তাঁদের নাম চূড়ান্ত তালিকা থেকে বাদ যাচ্ছে। এখনও পর্যন্ত যে শুনানি হয়েছে, তাতে সবচেয়ে বেশি ‘অবৈধ’ ভোটার মিলেছে নদিয়ায়। এখনও পর্যন্ত শুনানির পরে দেখা গিয়েছে, সেখানে ‘অবৈধ’ ভোটারের সংখ্যা ৯,২২৮। এখনও পর্যন্ত যে শুনানি হয়েছে, কলকাতা দক্ষিণ এবং বাঁকুড়ায় এক জন ভোটারও ‘অবৈধ’ বলে চিহ্নিত হননি।

    ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত রাজ্যে এসআইআর শুনানি

    এর আগে খসড়া তালিকা প্রকাশের সময় ৫৮ লক্ষের বেশি ভোটারের নাম বাদ গিয়েছে। কমিশন জানিয়েছিল, ‘নো ম্যাপিং’ তালিকায় থাকা প্রায় ৩০ লক্ষ ভোটারকে শুনানির জন্য ডেকে পাঠানো হবে। এ ছাড়া, আরও লক্ষাধিক ভোটারকে সন্দেহজনক হিসাবে চিহ্নিত করা হয়। তাঁদেরও শুনানিতে হাজির হতে হবে বলে জানায় কমিশন। তাঁদের তথ্য যাচাই করে দেখে কমিশন। গত ২৭ ডিসেম্বর থেকে শুনানি শুরু হয়েছে এখনও পর্যন্ত ৯ লক্ষের উপর ভোটারের শুনানি হয়েছে। কমিশন সূত্রে খবর, তাঁদের মধ্যে ১১,৪৭২ জন ভোটার ‘অবৈধ’। তাঁদের নাম চূড়ান্ত তালিকা থেকে বাদ পড়তে পারে। নির্বাচন কমিশনের বিবৃতিতে আরও জানানো হয়েছে, আনম্যাপড শুনানি পর্ব ইতিমধ্যেই সম্পূর্ণ হয়েছে। এই পর্বে যাঁদের শুনানি হওয়ার কথা ছিল, সেই ৩২ লক্ষ ভোটারের মধ্যে প্রায় ২৪ লক্ষ ব্যক্তি সরাসরি শুনানি প্রক্রিয়ায় উপস্থিত হয়েছেন। তবে বাকি প্রায় ৮ লক্ষ ভোটার শুনানিতে হাজির হননি। তাঁদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ যাবে কি না, সে বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানায়নি কমিশন। আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত রাজ্যে এসআইআর (SIR in Bengal) শুনানি চলবে, বলে জানায় কমিশন।

    বাড়ছে মাইক্রো অবজার্ভারদের সংখ্য়া

    শুনানি-পর্ব দ্রুত সারতে  রাজ্য়ে বাড়তে চলেছে মাইক্রো অবজার্ভারদের সংখ্য়াও। কমিশন সূত্রে খবর, বর্তমানে রাজ্য়ে রয়েছে প্রায় ৪ হাজার ৬০০ মাইক্রো অবজার্ভার। এসআইআর (SIR in Bengal) প্রক্রিয়ায় গতি বাড়াতে দিল্লি থেকে আরও দু’হাজার মাইক্রো অবজার্ভার আসবেন। আগামী ১৫ জানুয়ারি হবে তাঁদের প্রশিক্ষণ। ফলত, মোট মাইক্রো অবজার্ভারের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াবে ৬ হাজার ৬০০ জন।

LinkedIn
Share