Tag: Election Commission

Election Commission

  • Final Phase Of SIR: দেশজুড়ে ভোটার তালিকার বড়সড় সংশোধন! এপ্রিল থেকেই শুরু শেষ পর্যায়ের এসআইআর

    Final Phase Of SIR: দেশজুড়ে ভোটার তালিকার বড়সড় সংশোধন! এপ্রিল থেকেই শুরু শেষ পর্যায়ের এসআইআর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের আরও ২২টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলকে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (Special Intensive Revision বা SIR)-এর চূড়ান্ত পর্যায়ের প্রস্তুতি দ্রুত শেষ করার নির্দেশ দিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। এর আগে ১৩টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধন (Final Phase Of SIR) সম্পন্ন হয়েছে। বাকি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলি এই নতুন পর্যায়ে অন্তর্ভুক্ত হবে। প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হলে দেশের সমস্ত রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল এই কর্মসূচির আওতায় আসবে। কমিশন (Election Commission Of India) সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী এপ্রিল মাস থেকে এই প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    কোন কোন রাজ্যে শুরু হবে এসআইআর

    বৃহস্পতিবার কমিশন অন্ধ্রপ্রদেশ, অরুণাচল প্রদেশ, চণ্ডীগড়, দাদরা ও নগর হাভেলি এবং দমন ও দিউ, হরিয়ানা, হিমাচল প্রদেশ, জম্মু ও কাশ্মীর, ঝাড়খণ্ড, কর্নাটক, লাদাখ, মহারাষ্ট্র, মণিপুর, মেঘালয়, মিজোরাম, নাগাল্যান্ড, দিল্লি, ওড়িশা, পাঞ্জাব, সিকিম, ত্রিপুরা, তেলঙ্গানা ও উত্তরাখণ্ডের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদের চিঠি পাঠিয়ে দ্রুত প্রস্তুতি সম্পন্ন করার নির্দেশ দিয়েছে। কমিশন জানিয়েছে, গত বছরের জুন মাসেই সারা দেশে এসআইআর চালুর নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। ইতিমধ্যে বিহারে এই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হয়েছে এবং ১২টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে প্রায় ৬০ কোটি ভোটারকে নিয়ে কাজ চলছে। বাকি প্রায় ৪০ কোটি ভোটারকে এই ১৭টি রাজ্য ও ৫টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। অসমে এসআইআর-এর বদলে ‘বিশেষ সংশোধন’ প্রক্রিয়া ১০ ফেব্রুয়ারি শেষ হয়েছে।

    বাংলায় কোন পর্যায়ে এসআইআর

    এসআইআর-এর (Final Phase Of SIR) এই প্রক্রিয়া নিয়ে বিতর্কও কম নয়। তবে, বিহারে প্রস্তুতি চলাকালীনই কমিশনের কিছু আধিকারিক দাবি করেছিলেন, তৃণমূল স্তরে কাজ করতে গিয়ে বাংলাদেশ, নেপাল ও মায়ানমারের কয়েকজন অনুপ্রবেশকারী নাগরিকের নাম ভোটার তালিকায় পাওয়া গিয়েছে। সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গেও সেই ধরনের নাগরিকের খোঁজ মিলেছে। সীমান্তে ভিড়ও চোখে পড়েছে। যদিও পরবর্তীতে কমিশন এই সংক্রান্ত নির্দিষ্ট সংখ্যা বা প্রমাণ প্রকাশ করেনি। পশ্চিববঙ্গ-সহ ১২ রাজ্যে চলছে ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর প্রক্রিয়া। ২৮ ফেব্রুয়ারি বাংলায় চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের কথা। কিন্তু তালিকা প্রকাশের দিন নিয়ে ইতিমধ্যেই তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। সূত্রের খবর, নির্ধারিত ২৮ ফেব্রুয়ারিতেই তালিকা প্রকাশ নাও হতে পারে। বাড়তে পারে সময়সীমা। মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়াল স্পষ্ট জানিয়েছেন, ‘‘যদি অভিযোগ নিষ্পত্তি শেষ না হয়, যদি কাজ না শেষ হয় সেক্ষেত্রে সময় বাড়বে। আগে তো ইআরও এইআরও, জেলাশাসকরা বলুক কাজ শেষ হয়ে গিয়েছে। সময়ের মধ্যে কাজ শেষ না হলে সময় বাড়বে।”

  • Rajya Sabha: রাজ্যের ৫ সহ দেশের ৩৭টি রাজ্যসভা আসনে ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা নির্বাচন কমিশনের

    Rajya Sabha: রাজ্যের ৫ সহ দেশের ৩৭টি রাজ্যসভা আসনে ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা নির্বাচন কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংসদের ৩৭টি রাজ্যসভা আসনের জন্য নির্বাচন কমিশন দিন ঘোষণা করেছে। পশ্চিমবঙ্গের জন্য মোট ৫টি রাজ্যসভার (Rajya Sabha) আসনে ভোট গ্রহণ হবে। আগামী ১৬ মার্চ পশ্চিমবঙ্গের পাঁচ আসন-সহ দেশের মোট ৩৭টি রাজ্যসভার আসনে ভোট হবে। আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি রাজ্যসভা ৩৭টি আসনে নির্বাচনের (Election Commission) জন্য ভোটের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন আগামী ৫ মার্চ। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই ৬ মার্চ, এবং প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ৯ মার্চ। ভোটগ্রহণ ১৬ মার্চ। সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৪টে পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। এর পরে, ফলাফল ঘোষণা করা হবে। ভোট গণনা একই দিনে বিকেল ৫টা থেকে শুরু হবে। নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার সময়সীমা ২০ মার্চ।

    পাঁচের বেশি মনোনয়ন হলে ভোটাভুটি হবে (Election Commission)

    রাজ্যের রাজ্যসভার (Rajya Sabha) সাংসদের মধ্যে তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেসে যোগদান করেছেন মৌসুম বেনজির নূর। তৃণমূলের এখন রাজ্যসভায় সাংসদ রয়েছেন সাকেত গোখলে, ঋতব্রত বন্দ্যপাধ্যায়, সুব্রত বক্সী। যাদের মেয়াদ শেষ হবে আগামী ২ এপ্রিল। সেই সঙ্গে রাজ্যসভার সাংসদ হিসেবে কার্যকালের মেয়াদ দেশ করবেন সিপিএমের নেতা বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। বিধানসভার প্রেক্ষিতে ৫ আসনের মধ্যে ৪টিতে তৃণমূল কংগ্রেসের জয় খুব পাকা। বিধানসভায় বিজেপির সমীকরণ অনুযায়ী একটি আসনে জয়ী (Election Commission) হওয়ার কথা বিজেপির। তবে পাঁচের বেশি মনোনয়ন হলে ভোটাভুটি হবে।

    কোন রাজ্যে কটা আসন?

    ১০টি রাজ্য থেকে মোট ৩৭টি রাজ্যসভার (Rajya Sabha) আসন খালি হচ্ছে। মহারাষ্ট্রে সর্বাধিক সংখ্যক আসন রয়েছে ৭টি, তামিলনাড়ু-বিহারে মোট ৬টি করে, পশ্চিমবঙ্গে ৫টি, ওড়িশায় ৪টি, আসামে ৩টি, তেলেঙ্গানায়-ছত্তিশগড়-হরিয়ানায় ২টি করে, হিমাচল প্রদেশে ১টি করে। তবে রাজ্যভার এই আসনগুলিতে এপ্রিল মাসে সদস্যদের অবসর গ্রহণের সময়সীমা নির্ধারিত রয়েছে। বুধবার জাতীয় নির্বাচন কমিশন (Election Commission) একটি বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়েছে, “আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি রাজ্যসভার ৩৭টি আসনে নির্বাচনের জন্য ভোটের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন আগামী ৫ মার্চ। মনোনয়ন যাচাই করা হবে ৬ মার্চ। মনোনয়ন প্রত্যহারের শেষদিন ৯ মার্চ। তবে একটি আসনে যদি মাত্র একজন মনোনয়ন জমা করেন তাহলে নির্বাচনের প্রয়োজন হবে না।

  • Election Commission: ‘‘আপনার বাবা-মা ও ভাই কে, সেটা স্থির করি?’’ মামলাকারীকে নির্বাচন কমিশনে যেতে বলল সুপ্রিম কোর্ট

    Election Commission: ‘‘আপনার বাবা-মা ও ভাই কে, সেটা স্থির করি?’’ মামলাকারীকে নির্বাচন কমিশনে যেতে বলল সুপ্রিম কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকার (SIR) বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ায় তথ্যগত অসঙ্গতি সংক্রান্ত নির্দেশিকার বিরুদ্ধে একটি আবেদন খারিজ করে দিল সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি, এবং বিচারপতি বিপুল পাঞ্চোলির বেঞ্চ আবেদনকারী জিমফারাহাদ নওয়াজের আবেদন বাতিল করে দেন। কোর্ট বলেছে, “আপনি কি চান যে আমরা ৩২ অনুচ্ছেদের একটি আবেদনের প্রেক্ষিতে আপনার বাবা, আপনার মা এবং আপনার ভাই কে, তা স্থির করি? নির্বাচন কমিশনে (Election Commission) যান।”

    কেন আবেদন খারিজ (Election Commission)

    ভারতীয় সংবিধানের ৩২ নম্বর অনুচ্ছেদে তথ্যগত অসঙ্গতি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করা যায় কিনা তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। আবেদনকারী নাওয়াজের অভিযোগ ছিল, এসআইআর-এ (SIR) তথ্যগত অসঙ্গতি সংক্রান্ত পদক্ষেপ সংবিধানের ১৪ নম্বর অনুচ্ছেদ এবং ৩২৪ নম্বর অনুচ্ছেদের অর্থাৎ নির্বাচন কমিশনকে সংসদ, রাজ্য আইন সভা, রাষ্ট্রপতি, উপ রাষ্ট্রপতির নির্বাচনে ভোটার তালিকা (Election Commission) তৈরি তদারকি, নির্দেশিকা এবং নিয়ন্ত্রণের চূড়ান্ত ক্ষমতা প্রদানকারী আইন পরিপন্থী।

    কোর্টের বক্তব্য

    আর এই জন্যই খারিজ করেছে দেশের শীর্ষ আদালত। প্রধান বিচারপতি জানিয়েছেন, রাজ্যের সমস্ত গ্রাম পঞ্চায়েত দফতর, ব্লক অফিস এবং ওয়ার্ড অফিসে তথ্যগত অসঙ্গতির তালিকা টাঙাতে হবে কমিশনকে। প্রত্যকে ব্লকে আলদা করে কাউন্টার খুলতে হবে। সেখানে সাধারণ মানুষ নথি জমা করতে পারবে। এলাকা সংক্রান্ত আপত্তিও জানাতে পারবে। তবে কমিশনের তরফে জানা গিয়েছিল, তথ্যগত অসঙ্গতির কারণে ১ কোটি ৩৬ লক্ষ ভোটারকে চিহ্নিত করা হয়েছে। তাঁদের শুনানির জন্য তলব করা হয়েছে। পরে এই সংখ্যাটা দাঁড়িয়েছে ৯৪ লক্ষে। সেই তালিকা ধরে শুনানির নোটিশ পাঠানো হয়েছে যা চলেছে গত ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর (SIR) পর্বের চূড়ান্ত ভোটার তালিকা (Election Commission) প্রকাশিত হবে।

    তৃণমূলের বিরোধিতা

    খসড়া (Election Commission) ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত কিছু নামকে ‘লজিক্যাল ডিসক্রেপেন্সি’ বিভাগে রাখা হয়েছে। তার মধ্যে রয়েছে বানান বিভ্রাট, বয়স বা পিতামাতার তথ্যের অসঙ্গতি কিংবা তথ্যভিত্তিক অমিল। এধরনের কারণ দেখিয়ে সিস্টেম-জেনারেটেড অ্যালগরিদমের ভিত্তিতে ওই শ্রেণিবিন্যাস করা হয়। এরপর সংশ্লিষ্ট ভোটারদের শুনানির জন্য ডাকা হচ্ছে। যদিও এই নিয়ে এই রাজ্যের শাসকদল এসআইআর (SIR) ইস্যুতে প্রথম থেকেই বিরোধিতা করে আসছে। বিজেপির অভিযোগ চূড়ান্ত পরিমাণে অসহযোগিতার কারণে কমিশনের কাজে অসুবিধার সৃষ্টি করছে তৃণমূল।

  • Election Commission: রাজ্যের ৭ এইআরওকে সরাসরি সাসপেন্ড করল কমিশন, ‘‘অ্যাকশন শুরু’’ বললেন শুভেন্দু

    Election Commission: রাজ্যের ৭ এইআরওকে সরাসরি সাসপেন্ড করল কমিশন, ‘‘অ্যাকশন শুরু’’ বললেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিন কয়েক আগেই রাজ্যের চার আধিকারিককে সাসপেন্ড করে তাঁদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করার নির্দেশ দিয়েছিল জাতীয় নির্বাচন (Election Commission) কমিশন। তার পরেও এফআইআর দায়ের করা হয়নি তাঁদের বিরুদ্ধে। সেই কারণেই শুক্রবার দিল্লিতে কমিশনের দফতরে তলব করা হয়েছিল রাজ্যের মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীকে। সেখানে কার্যত প্রশ্নবাণে বিদ্ধ হতে হয় তাঁকে (AEROs)। রাজ্য অভিযুক্ত আধিকারিকদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করতে গড়মসি করছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। ওই চার আধিকারিকের বিরুদ্ধে যাতে এফআইআর দায়ের করা হয়, সেজন্য মঙ্গলবার পর্যন্ত সময় বেঁধে দেয় কমিশন।

    বিধানসভা নির্বাচন (Election Commission)

    মধ্য-মার্চেই শুরু হয়ে যেতে পারে এ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে ভোটার তালিকা ঝাড়াই-বাছাই করতে শুরু হয়েছে এসআইআর প্রক্রিয়া। এহেন আবহে বাংলার আরও সাত আধিকারিককে দ্রুত সাসপেন্ড করার নির্দেশ দিল কমিশন। এই মর্মে রাজ্যের মুখ্যসচিবকে পদক্ষেপ করতে নবান্নে একটি চিঠিও দিয়েছে নয়াদিল্লি। জানা গিয়েছে, এই সাত আধিকারিকও বাংলার এসআইআর প্রক্রিয়ায় যুক্ত ছিলেন। তাঁরা পালন করছিলেন এইআরও-র দায়িত্ব। তাঁদের বিরুদ্ধেই কাজে অসদাচরণ, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগ তুলেছে নির্বাচন কমিশন। রবিবারই এই মর্মে দিল্লি থেকে নির্দেশ এল রাজ্যে (Election Commission)। এই নির্দেশে অভিযুক্ত সাত আধিকারিকের নাম, কর্মস্থলের উল্লেখ করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

    সাসপেন্ড করার নির্দেশ

    জানা গিয়েছে, মুর্শিদাবাদ জেলা থেকে সাসপেন্ড করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সামশেরগঞ্জের এইআরও শেফাউর রহমান, ফরাক্কার এইআরও নীতীশ দাস, সূতির এইআরও শেখ মুর্শিদ আলম। সাসপেন্ড করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার দুই আধিকারিক ক্যানিং পূর্বের এইআরও সত্যজিৎ দাস এবং জয়দীপ কুণ্ডুকে (AEROs)। পশ্চিম মেদিনীপুর থেকে সাসপেন্ড করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ডেবরার বিডিও তথা এইআরও দেবাশিস বিশ্বাসকে। সাসপেন্ড করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে জলপাইগুড়ি জেলার ময়নাগুড়ির এইআরও ডালিয়া রায়চৌধুরীকে।

    চার আধিকারিকের বিরুদ্ধে এফআইআরের নির্দেশ

    জানা গিয়েছে, গত বছরই দুই জেলার চার আধিকারিকের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করার নির্দেশ দিয়েছিল কমিশন। পূর্ব মেদিনীপুরের ময়না এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুর পূর্বের ইআরও এবং এইআরওদের বিরুদ্ধেও অভিযোগ উঠেছে। তাঁরা ভূতুড়ে ভোটারদের নাম তালিকায় বেআইনিভাবে তুলেছেন বলে অভিযোগ। ওই চার আধিকারিক হলেন তথাগত মণ্ডল, দেবোত্তম দত্তচৌধুরী, বিপ্লব সরকার এবং সুদীপ্ত দাস। সুরজিৎ হালদার নামে ডেটা এন্ট্রির কাজে যুক্ত এক কর্মীর বিরুদ্ধেও এফআইআর করার নির্দেশ দিয়েছিল কমিশন। এই সুরজিৎ বারুইপুর পূর্ব বিধানসভা কেন্দ্রের ডেটা এন্ট্রি অপারেটর। তাঁকে নির্বাচন সংক্রান্ত দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে বলে কমিশনকে জানালেও, নবান্ন সাফ জানিয়ে দেয়, বাকিদের বিরুদ্ধে এখনই কোনও পদক্ষেপ করা হচ্ছে না।

    রাজ্যকে চিঠি কমিশনের

    এই বিষয়ে গত বছর ৫ অগাস্ট প্রথমে রাজ্যকে চিঠি পাঠিয়েছিল কমিশন। এর ঠিক তিনদিন পরেই ফের পাঠানো হয় চিঠি। তার পরেও নির্দেশিকা কার্যকর না হওয়ায় রাজ্যকে আবারও চিঠি দেয় কমিশন। জেলাশাসকদের তরফে দু’বার রিমাইন্ডারও দেওয়া হয়। পরে রাজ্যের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়, ওই চার আধিকারিকের বিরুদ্ধে (AEROs) অপরাধ এফআইআর করার মতো যথেষ্ট নয়। লঘু পাপে গুরু দণ্ড দেওয়াও ঠিক নয় (Election Commission)।

    কী বললেন শুভেন্দু

    এদিকে, কমিশনের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার এ ব্যাপারে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে তিনি বলেন, এই প্রথম সরাসরি সাসপেন্ড করার ক্ষমতা দেখাল নির্বাচন কমিশন। এতদিন কমিশন কেবল পরামর্শ দিচ্ছিল, এবার অ্যাকশন শুরু হয়েছে। কমিশন চাইলে এদের বিরুদ্ধে এফআরআরও করতে পারে। শুভেন্দুর অভিযোগ, এই আধিকারিকরা তৃণমূলের নির্দেশে ভুয়ো স্কুল সার্টিফিকেট নিয়ে কমিশনের গাইডলাইন লঙ্ঘন করেছেন। তাঁর (Election Commission) দাবি, এই গোটা প্রক্রিয়ার নেপথ্যে রয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মদত এবং মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীর প্রত্যক্ষ ভূমিকা।

     

  • SIR: রাজ্যে চলছে এসআইআর, তলব পেয়েও শুনানিতে আসেননি ৫ লাখ ভোটার!

    SIR: রাজ্যে চলছে এসআইআর, তলব পেয়েও শুনানিতে আসেননি ৫ লাখ ভোটার!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত ৫০ দিন ধরে রাজ্যে চলেছে এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়া। এই সময়সীমার মধ্যে শুনানির জন্য হাজির হননি প্রায় ৫ লাখ ভোটার। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, শনিবার দুপুর ২টো পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য থেকেই এমনটা জানা গিয়েছে (Election Commission)।খসড়া তালিকা প্রকাশের পরে মূলত দু’ধরনের ভোটারের নথিপত্র যাচাইয়ের জন্য শুনানিতে ডেকেছিল কমিশন। ২০০২ সালের ভোটার তালিকার সঙ্গে যাঁরা নিজেদের কোনও যোগসূত্র দেখাতে পারেননি, তাঁদেরই ডাকা হয়েছিল শুনানিতে। ওই তালিকার সঙ্গে যোগসূত্র রয়েছে, এমন অনেক ভোটারকেও তথ্যগত অসঙ্গতির কারণে শুনানিতে ডাকা হয়েছিল।

    তলব পেয়েও গরহাজির প্রচুর ভোটার (SIR)

    কমিশন সূত্রে খবর, শুনানিতে হাজির হননি এমন ভোটারের সংখ্যা সব চেয়ে বেশি উত্তর ২৪ পরগনা জেলায়। এদিন দুপুর ২টো পর্যন্ত পাওয়া খবরে জানা গিয়েছে, ওই জেলায় নোটিশ পেয়েও শুনানি কেন্দ্রে হাজির হননি ১ লাখ ৩৮ হাজার ভোটার। পড়শি জেলা দক্ষিণ ২৪ পরগনায় শুনানিতে হাজির হননি ৪৬ হাজার ভোটার। দক্ষিণ কলকাতায় নোটিশ পেয়েও আসেননি হাজার বাইশেক ভোটার। উত্তর কলকাতায় এই সংখ্যাটি হাজার দুয়েকের কাছাকাছি। কালিম্পঙেও ৪৪০ জন ভোটার হাজিরা দেননি শুনানিতে। শনিবার সন্ধে পর্যন্ত যা খবর, তাতে দেখা যাচ্ছে, এ পর্যন্ত প্রায় ৪ লাখ ৯৮ হাজার ভোটারের নাম বাদ যাচ্ছে। অযোগ্য হিসেবে বাদ যাচ্ছে ১ লাখ ৬৩ হাজারের কিছু বেশি ভোটারের নাম (SIR)। সব মিলিয়ে এ পর্যন্ত বাদ যেতে পারে ৬ লাখ ৬১ হাজার ভোটারের নাম।

    রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের বক্তব্য

    রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল বলেন, “কতজন শুনানিতে অংশ নেননি, সেই সঠিক তথ্য আমার কাছে নেই। কিন্তু যাঁর নাম খসড়া তালিকায় ছিল, কিন্তু চূড়ান্ত তালিকায় নেই, তাঁদের আবেদন করার সুযোগ থাকছে। কোথাও কোনও ভুলভ্রান্তি হয়ে থাকলে, তাঁরা ফের আবেদন করতে পারবেন। এটি শেষও নয়, আবার শুরুও নয়। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ হওয়ার পরেও যোগ-বিয়োগ চলতেই থাকবে।” প্রসঙ্গত, এসআইআর শুনানি প্রক্রিয়ায় এ রাজ্যে প্রায় দেড় কোটি ভোটারকে নোটিশ পাঠায় কমিশন। এর মধ্যে ‘আনম্যাপড’ থাকায় নোটিশ পাঠানো হয় প্রায় ৩২ লাখ (Election Commission) ভোটারকে। তথ্যগত অসঙ্গতির কারণে শুনানিতে তলব করা হয় ১ কোটি ২০ লাখ ভোটারকে (SIR)।

     

  • Assembly Elections 2026: এসআইআর-বিধানসভা নির্বাচনের জন্য বঙ্গে নিয়োগ বিশেষ পর্যবেক্ষক

    Assembly Elections 2026: এসআইআর-বিধানসভা নির্বাচনের জন্য বঙ্গে নিয়োগ বিশেষ পর্যবেক্ষক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে দুয়ারে বিধানসভা নির্বাচন। তার আগেই এ রাজ্যের জন্য এসআইআর এবং বিধানসভা নির্বাচনের জন্য বিশেষ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হল (Assembly Elections 2026)। রাজনৈতিক মহলের সিংহভাগের মতে, এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পরেই ঘোষণা করা হবে বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট। তার আগেই নিয়োগ করে দেওয়া হল পর্যবেক্ষক। কমিশনের তরফে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বিশেষ পর্যবেক্ষক নিয়োগের বিষয়টি জানানো হয়েছে। জানা গিয়েছে, অবসরপ্রাপ্ত আইপিএস অফিসার এনকে মিশ্রকে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের জন্য বিশেষ পর্যবেক্ষক (Special Observers) নিয়োগ করা হচ্ছে। তাঁকে কী কী দায়িত্ব পালন করতে হবে, তাও জানানো হয়েছে।

    জনপ্রতিনিধি আইনের ১৩ সিসি ধারা (Assembly Elections 2026)

    কমিশনের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, তিনি মূলত এসআইআর এবং আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি এবং পরিচালনা তদারকি করবেন। ভারতীয় সংবিধানের ৩২৪ অনুচ্ছেদ এবং ১৯৫০ সালের জনপ্রতিনিধি আইনের ১৩ সিসি ধারা অনুযায়ী এনকে মিশ্রকে পশ্চিমবঙ্গের আসন্ন ভোটের বিশেষ পর্যবেক্ষক হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে। কমিশন জানিয়েছে, বিশেষ পর্যবেক্ষক হিসেবে তিনি প্রয়োজনে এ রাজ্যে আসবেন। নির্বাচন সংক্রান্ত কমিশনের নির্দেশাবলী সঠিকভাবে পালন করা হচ্ছে কিনা, তা নিশ্চিত করার দায়িত্বও তাঁর। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়ালের সঙ্গে সমন্বয় রেখে ভোটের কাজ দেখাশোনা করবেন ওই বিশেষ পর্যবেক্ষক। বিশেষ পর্যবেক্ষক হলেও, এনকে মিশ্র কোনও নির্বাচনী আধিকারিককে সরাসরি শংসাপত্র দিতে পারবেন না। এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে, বিষয়টি প্রস্তাব আকারে জানাতে কমিশনকে। এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে কমিশনই।

    বাংলার নয়া স্পেশাল অবজার্ভার

    প্রসঙ্গত, প্রশাসনিক স্তরে সম্ভবত এই প্রথম দায়িত্ব পালন করতে চলেছেন বাংলার নয়া স্পেশাল অবজার্ভার মিশ্র। নির্বাচনী কাজে তাঁর দক্ষতা রয়েছে। তবে তা নিরাপত্তার দিক থেকে। শেষ লোকসভা নির্বাচনে মহারাষ্ট্রে পুলিশের বিশেষ পর্যবেক্ষকের (Assembly Elections 2026) দায়িত্ব নিয়েছিলেন তিনি। নিজের কর্মজীবনে দায়িত্ব সামলেছেন সিকিমের ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর স্পেশাল ডিরেক্টর হিসেবে। পরে হয়েছিলেন সেই রাজ্যের ডিজিপিও। গত জানুয়ারি মাসেই এ রাজ্যে এসআইআরের কাজে নতুন করে আরও ১২ জন স্পেশাল অবজার্ভার পাঠানোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। তবে এখনও পর্যন্ত আসা কমিশনের প্রত্যেক প্রতিনিধি শুধুমাত্র এসআইআরের জন্যই (Special Observers) ছিল। কিন্তু এই প্রথমবার বাংলার ভোট প্রস্তুতি বুঝে নিতে অবজার্ভার পাঠাচ্ছে নয়াদিল্লি (Assembly Elections 2026)।

     

  • SIR: সম্পর্কের যোগসূত্র প্রমাণে ব্লাড রিলেশন সার্টিফিকেট! সেটা আবার কী? তাজ্জব রোল অবজার্ভাররা

    SIR: সম্পর্কের যোগসূত্র প্রমাণে ব্লাড রিলেশন সার্টিফিকেট! সেটা আবার কী? তাজ্জব রোল অবজার্ভাররা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর-এর (SIR) শুনানি শেষ হয়েছে। বৈধ ভোটাররা নিজেদের নথিপত্র জমা দিয়েছেন। এবার চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের অপেক্ষা মাত্র। সব নথি ভালো করে খতিয়ে দেখার জন্য আরও এক সপ্তাহ সময় দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের আগে চলছে সুপার চেকিং (Election Commission)। আর তাতেই উঠে এসেছে বিরাট চাঞ্চল্যকর তথ্য। বাবা অথবা মায়ের সঙ্গে ছেলে-মেয়ের সম্পর্কের যোগসূত্র প্রমাণের জন্য জমা নেওয়া হয়েছে ব্লাড রিলেশন সার্টিফিকেট বা রক্তের সম্পর্কের শংসাপত্র!

    রোল অবজার্ভাররা তাজ্জব (SIR)

    একজন বললেন, “বার্থ সার্টিফিকেটর নাম শুনেছি আমরা, তবে ব্লাড রিলেশন সার্টিফিকেট আবার কী?” এই নিয়ে ওয়াকিবহাল মহলে ব্যাপক শোরগোল পড়েছে। এবার এই সার্টিফিকেট ইস্যু করে এসআইআর–এর তালিকায় গ্রহণ করার কথা জানা গিয়েছে। সুপার চেকিং করতে গিয়ে এই তথ্য সম্পর্কে জানা গিয়েছে। রোল অবজার্ভাররা (SIR) তাজ্জব। ব্লাড রিলেশন সার্টিফিকেট কী? উত্তর খুঁজছেন অবজার্ভাররা। দক্ষিণ ২৪ পরগনার মোহনপুর গ্রাম পঞ্চায়েত থেকে এক ব্যাক্তিকে দেওয়া হয়েছে এই ব্লাড রিলেশন সার্টিফিকেট। এই ধরনের সার্টিফিকেটের কোনও বৈধতা আদৌ রয়েছে কিনা? না থাকলে কেন জমা নেওয়া হয়েছে এই সার্টিফিকেট। তবে এখানেই নয়, সুপার চেকিং করতে গিয়ে এমন কিছু কিছু তথ্য এসেছে যার কোনও বাস্তব ভিত্তি নেই। কোথাও বার্থ সার্টিফিকেট ইস্যুর (Election Commission) মতো অনেক ঘটনা সামনে এসেছে। কোথাও দেখা যাচ্ছে ভাই-বোনের বয়সের ফারাক মাত্র ১ মাস।

    দুই সন্তানের বয়সের ফারাক ২৭ দিন

    উল্লেখ্য সরকারি সংবাদ মাধ্যম ‘টাইমস অব ইন্ডিয়া’র একটি প্রতিবেদনে এসআইআর (SIR)  নিয়ে কিছু অসঙ্গতির তথ্য সামনে এসেছে। যেমন মেটিয়াবুরুজে ১০ জন ভোটার নিজের বাবার নাম হিসেবে আবদুল হায় নামে এক ব্যক্তির নাম উল্লেখ করেছেন। ফর্ম খতিয়ে দেখে জানা গিয়েছে, দুই সন্তানের বয়সের ফারাক ২৭ দিন, আর দুজনেরই বাবা-মায়ের নাম আব্দুল হায় ও আনোয়ারা বিবি।

    এসআইআরের শুনানিতে কমিশনের বেঁধে দেওয়া নথির তালিকায় রয়েছে জন্মের শংসাপত্র, পাসপোর্ট, মাধ্যমিক বা উচ্চ মাধ্যমিক পাশের শংসাপত্র, ড্রাইভিং লাইসেন্স, জাতিগত শংসাপত্রের মতো নথি। অনেক নথিতে অনেক গরমিল খুঁজে পাচ্ছেন কমিশন নিযুক্ত পর্যবেক্ষকেরা। কোথাও দেখা যাচ্ছে, জন্মের আগেই জন্মের শংসাপত্র দিয়ে দেওয়া হয়েছে। কোথাও আবার এনুমারেশন ফর্মে (Election Commission) জন্মের তারিখই লেখেননি ভোটার। কী ভাবে সেই ফর্ম জমা নেওয়া হল, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

  • Suvendu Adhikari: “এসআইআর ইস্যুতে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ভেস্তে গিয়েছে তৃণমূলের বড় প্ল্যান”, আক্রমণ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “এসআইআর ইস্যুতে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ভেস্তে গিয়েছে তৃণমূলের বড় প্ল্যান”, আক্রমণ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “এসআইআর (SIR) নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ভেস্তে গিয়েছে তৃণমূলের বড় প্ল্যান,” রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঠিক এই ভাবেই আক্রমণ করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সুপ্রিম কোর্ট রাজ্যের ভোটার তালিকায় নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়াকে সমর্থন করেছে। কমিশনের গাইডলাইন অনুযায়ী কাজ চালিয়ে যাওয়ার বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছে। তমলুক কার্যালয়ে সাংবাদিক বৈঠক করে তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক হয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

    বহু ক্ষেত্রে নির্দেশিকা লঙ্ঘন (Suvendu Adhikari)

    কমিশনের নির্দেশ অক্ষরে অক্ষরে পালন করতে হবে রাজ্য সরকারকে। সাংবিধানিক উপায়ে ভোটার তালিকা (SIR) সংশোধনে কোনও বাঁধাকে অমান্য করতে করতে পারবে না রাজ্য প্রশাসন। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে আদালতে জমা দেওয়া তালিকায় বহু ক্ষেত্রে নির্দেশিকা লঙ্ঘন করে প্রকৃত গ্রুপ-বি কর্মীদের পরিবর্তে অন্যান্য স্তরের কর্মচারীদের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, কিছু কিছু জায়গায় অবসর প্রাপ্ত পঞ্চায়েত স্তরের কর্মচারীদের নামও তালিকায় যুক্ত করা হয়েছে। এই তথ্য আদালতে জমা দেওয়া হলে আদালত অবমাননার পর্যায়ে পড়তে হবে। দরকার হলে আইনি পদক্ষেপও গ্রহণ করা হবে।”

    “নির্বাচন কমিশন বিশেষ নির্দেশিকা দিয়ে জানিয়েছে, ভোটার তালিকা সংশোধনের ক্ষেত্রে ইআরও ও এআরও-দের আইন ও কমিশনের নির্দেশিকা মেনে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। এই প্রক্রিয়ায় কোনও রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক চাপে প্রভাব পড়া উচিত নয়। সংশ্লিষ্ট আধিকারিকরা নির্দেশিকা উপেক্ষা করে সিদ্ধান্ত নিলে আইনি জটিলতা তৈরি হবে। এই ক্ষেত্রে আদালতের নজর দারিতে আসবে সম্পূর্ণ বিষয়টি।”

    সুপ্রিম কোর্ট তৃণমূলের প্রচেষ্টায় সায় দেয়নি

    তৃণমূল সরকারকে তোপ দেগে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়া বন্ধ করার উদ্দেশে বিভিন্ন স্তরে চাপ সৃষ্টি করা হলেও সুপ্রিম কোর্ট সেই প্রচেষ্টায় সায় দেয়নি। নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা ও কর্তৃত্ব পুনরায় নিশ্চিত করেছে। ভোটার তালিকায় ছোট খাটো ত্রুটি দেখিয়ে সাধারণ মানুষকে শুনানি কেন্দ্রে আনিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি করার চেষ্টা করছে। অবশ্য এর মূলকারণ নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে জনমত গঠন করা, কিন্তু আদালতের নির্দেশে এই অপচেষ্টা সঠিক ভাবে সফল হয়নি।”

    স্থায়ী সমাধানের কোনও রোড ম্যাপ নেই

    ভোটের আগে মমতা সরকার অন্তর্বর্তী বাজেট বরাদ্দ করেছে। শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বাজেটের সমালোচনা করে শুভেন্দু বলেন, “চার মাসের এই অসম্পূর্ণ বাজেটে কর্মসংস্থান বা শূন্যপদের পূরণের কোনও সুস্পষ্ট বাজেট নেই। রাজ্যের বিপুল পরিমাণে শূন্যপদ থাকলেও নিয়োগ নিয়ে কোনও সম্পূর্ণ ইঙ্গিত নেই। কাজ না দিয়ে ১৫০০ করে ভাতা দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে সরকার। এই রাজ্যে দীর্ঘ মেয়াদি পরিকল্পনার কোনও ইঙ্গিত নেই। স্থায়ী সমাধানের কোনও রোড ম্যাপও নেই।”

    রাজ্যের মমতা সরকার আগেও বেকার ভাতা বা যুবকল্যাণ প্রকল্পের অনেক যোজনাকে বাস্তবায়ন করতে পারেনি। ফলে নতুন করে ভোটের আগে ভাতার নামে প্রলোভন এবং যুব সমাজকে বিভ্রান্ত করছে। সরকারের তরফে শূন্যপদ পূরণ এবং যোগ্যতার ভিত্তিতে চাকরির কথা বলা হচ্ছে না। তবে বিজেপি বিরোধী দল হিসবে কর্মসংস্থান, নিয়োগ প্রক্রিয়া, প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিয়ে আগামী দিনেও গণতান্ত্রিক আন্দোলন চালিয়ে যাবে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ (SIR) সঠিক ভাবে কার্যকর হচ্ছে কিনা তাও নজরে রাখবে বলে দাবি করেছে বিজেপি।

  • Election Commission: সোমবারের মধ্যেই জবাব তলব, নবান্নকে কড়া চিঠি নির্বাচন কমিশনের, কেন জানেন?

    Election Commission: সোমবারের মধ্যেই জবাব তলব, নবান্নকে কড়া চিঠি নির্বাচন কমিশনের, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবারই এসআইআর মামলার শুনানিতে সুপ্রিম কোর্টে নিজেই সওয়াল করেছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Election Commission)। গায়ে কালো গাউন চাপিয়ে আদালতে হাজির হয়েছিলেন তিনি (Mamata Banerjee)। সাংবিধানিক একটি প্রক্রিয়ার জন্য কোনও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সটান সুপ্রিম কোর্টে চলে গেলেন দেখে, হইচই পড়ে যায় গোটা দেশে। সোমবার ফের শুনানি হবে এসআইআর মামলার। তার আগেই বুধবার সন্ধ্যায় নবান্নকে কড়া চিঠি দিল নির্বাচন কমিশন। কমিশন সাফ জানিয়ে দিয়েছে, সোমবারের মধ্যেই তাদের চিঠির জবাব দিতে হবে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, নির্বাচন কমিশনের এই চিঠির বার্তাটি পরিষ্কার। মমতা যেমন নির্বাচন কমিশনকে ‘হোয়াটসঅ্যাপ কমিশন’ বলে খোঁচা দিয়ে এসআইআরের উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন, তেমনি কমিশনও পাল্টা জবাবে যেন বলতে চাইছে, তাঁর সরকারও সমানে অনিয়ম চালিয়ে যাচ্ছে। রাজ্যের মুখ্যসচিবকে পাঠানো চিঠিতে নির্বাচন কমিশন সাফ জানিয়ে দিয়েছে, একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ এখনও মানেনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার।

    পাঁচটি গুরুতর অসহযোগিতা (Election Commission)

    কমিশনের ওই চিঠিতে সব মিলিয়ে পাঁচটি গুরুতর অসহযোগিতার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। কমিশনের অভিযোগ, দুজন ইআরও, দুজন এইআরও এবং একজন ডেটা এন্ট্রি অপারেটরের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এক এইআরও এবং বিডিওর বিরুদ্ধে অননুমোদিতভাবে অতিরিক্ত এইআরও নিয়োগের অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও তাঁকে এখনও সাসপেন্ড করা হয়নি। তিন জন ইলেক্টোরাল রোল অবজার্ভার বদলির সিদ্ধান্ত বাতিল করা হয়নি, যা কমিশনের নির্দেশের পরিপন্থী (Election Commission)। কমিশনের নির্ধারিত নিয়ম না মেনে এসডিও বা এসডিএম স্তরের আধিকারিকদের ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে। একইভাবে, রিটার্নিং অফিসার নিয়োগেও নির্দেশিকা মানা হয়নি বলে অভিযোগ। কমিশনের ওই চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, এই সব ক্ষেত্রে সুপ্রিম কোর্টের একাধিক নির্দেশ ও নির্বাচন কমিশনের পূর্ববর্তী চিঠি উপেক্ষা করা হয়েছে। ফলে বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে কমিশন।

    সমসসীমাও বেঁধে দিয়েছে কমিশন

    এজন্য কমিশন সমসসীমাও বেঁধে দিয়েছে। জানিয়ে দিয়েছে, ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, সোমবার দুপুর ৩টের মধ্যে এই সব বিষয়ের বিস্তারিত কমপ্লায়েন্স রিপোর্ট জমা দিতে হবে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জবাব না এলে পরবর্তী কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে বলেও ইঙ্গিত। নির্বাচন কমিশনের দফতরের (Election Commission) এক আধিকারিক বলেন, “নির্বাচন কমিশনের জারি করা গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ লিখিত বা বিজ্ঞপ্তি দিয়েই জানানো হয়। কিন্তু প্রতিটি কাজের জন্য লিখিত নির্দেশ পাঠানো যায় না। এখন তথ্য এবং বার্তা দ্রুত পাঠানোর অন্যতম মাধ্যম হোয়াটসঅ্যাপ (Mamata Banerjee)। কাজের সুবিধার্থে জেলার আধিকারিকদের হোয়াটসঅ্যাপে কোনও কিছু বলা হয়। এর মধ্যে অনিয়মের কিছু নেই।” তিনি বলেন, “সব জেলাশাসককে বলা হয়েছে, তাৎক্ষণিক কাজের সুবিধার জন্য হোয়াটসঅ্যাপে কিছু নির্দেশ দেওয়া হয়। কারও কোনও আপত্তি থাকলে তিনি জানাতে পারেন। তবে নিয়ম মোতাবেক প্রথমে তাঁকে নির্দেশ পালন করতে হবে। তার পরে তিনি লিখিত নির্দেশ চাইতে পারবেন।” তবে এখনও পর্যন্ত কোনও জেলাশাসক বা জেলা আধিকারিক এই নির্দেশের বিরোধিতা করেননি বলেই সূত্রের খবর (Election Commission)।

     

  • Election Commission: “এরকম মিথ্যেবাদী কমিশন কখনও দেখিনি”, বললেন মমতা

    Election Commission: “এরকম মিথ্যেবাদী কমিশন কখনও দেখিনি”, বললেন মমতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “এরকম মিথ্যেবাদী কমিশন আমি কখনও দেখিনি। বহু ধিন ধরে রাজনীতি করছি, এরকম ঔদ্ধত্য আমি আগে দেখিনি (Election Commission)।” এক নিঃশ্বাসে কথাগুলি বলে খানিক থামলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। তাঁর অভিযোগ, বিজেপির অঙ্গুলি হেলনেই কাজ করছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। প্রসঙ্গত, এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ জানাতে সদলে দিল্লি গিয়েছিলেন মমতা। সেখানে তাঁর বৈঠক হয় মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানের কুমারের সঙ্গে। সেই বৈঠক থেকে বেরিয়েই কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন তিনি।

    ভোটার তালিকা সংশোধনের নামে রাজ্যে অনিয়ম! (Election Commission)

    জানা গিয়েছে, বেঁচে থাকতেও নির্বাচন কমিশনের নথিতে মৃত বলে চিহ্নিত এমন ৫০জন ভোটারকে দিল্লিতে নিয়ে গিয়েছেন মমতারা। শুধু তা-ই নয়, এসআইআর প্রক্রিয়ার কারণে পরিবারের কোনও না কোনও সদস্যের মৃত্যু হয়েছে, এমন অভিযোগ থাকা আরও ৫০জনকেও দিল্লিতে নিয়ে গিয়েছেন তৃণমূলের ভোট ম্যানেজাররা। এদিন নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে বৈঠক শুরু হয় তৃণমূলের প্রতিনিধি দলের (Mamata Banerjee)। সেখানেই ভোটার তালিকা সংশোধনের নামে রাজ্যে অনিয়ম, হয়রানি এবং মানবিক বিপর্যয়ের অভিযোগ তুলে ধরে কমিশনের কাছ থেকে সরাসরি ব্যাখ্যা ও পদক্ষেপ দাবি করে তৃণমূল। যদিও খানিক পরে নির্বাচন সদন থেকে বেরিয়ে মমতা অভিযোগ করেন, বৈঠকের আগেই তাঁদের অসম্মান ও অপমান করা হয়েছে। তাঁর আরও অভিযোগ, ভোটার তালিকা সংশোধনের নামে বাদ দেওয়া হয়েছে ৫৮ লাখ ভোটারের নাম। ভোটার তালিকা সংশোধনকে ঘিরে সাম্প্রদায়িক মেরুকরণের অভিযোগও করেন মমতা।

    হিন্দু-মুসলমান

    তাঁর দাবি, “যাঁরা হিন্দু-মুসলমান করেন, তাঁরা বুঝতে পারছেন? এখানে দু’জন মুসলিম রয়েছেন (Election Commission)। ক’জন হিন্দু?” তাঁর আরও প্রশ্ন, “বিজেপি শাসিত অসমে কেন এই প্রক্রিয়া করা হল না?” মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, এসআইআরের নামে রাজ্যে ৫৮ লাখ ভোটারের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে এসব করা হয়েছে। তার নেপথ্যে রয়েছেন সীমা খন্না। কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “এত বড় সংখ্যায় ভোটার বাদ পড়ার পরেও নির্বাচন কমিশন কোনও ব্যাখ্যা চাইছে না।”

    প্রধানমন্ত্রীকে নিশানা

    এদিন আরও একবার প্রধানমন্ত্রীকে নিশানা করেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, “আপনারা প্রধানমন্ত্রীকে জিজ্ঞেস করুন। ওঁর বাবা-মায়ের জন্ম-কুন্ডলী বের করতে বলুন।” তিনি বলেন, “লালকৃষ্ণ আডবাণীর নাগরিকত্ব এবং জন্মস্থান সংক্রান্ত প্রশ্নও এক সময় উঠেছিল।” এদিনের বৈঠকের স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন মমতা। বলেন, “বৈঠকের সময় কমিশনের নিজস্ব ক্যামেরাম্যানরা উপস্থিত ছিলেন, অথচ বাইরের ক্যামেরাম্যানদের সেখানে ঢোকার অনুমতি দেওয়া হয়নি।” মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আপনাদের যা ইচ্ছে, তাই করবেন, তা তো হয় না! বহুদিন ধরে রাজনীতি করছি, মন্ত্রীও ছিলাম (Election Commission)। এরকম অহঙ্কারী নির্বাচন কমিশন কখনও দেখিনি (Mamata Banerjee)।”

LinkedIn
Share