Tag: Election Commisson

  • SIR: সাপ্লিমেন্টারি তালিকায় কীভাবে খুঁজবেন নিজের নাম? নাম না থাকলে কি করবেন?

    SIR: সাপ্লিমেন্টারি তালিকায় কীভাবে খুঁজবেন নিজের নাম? নাম না থাকলে কি করবেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসআইআর (SIR) লিস্টে কি আপনার নাম আছে? থাকলে কীভাবে দেখবেন? আবার যদি নাম বাদ যায়, তাহলে কীভাবে কোথায় আবেদন করবেন জানেন? রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের (Election Commission) দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, সাপ্লিমেন্টারি ভোটার তালিকায় নাম রয়েছে কিনা, তা দুই রকম ভাবে জানা যাবে। অনলাইনে দেখার সুযোগ থাকবে বলে জানা গিয়েছে। আর যদি নাম বাদ যায় তাহলে জেলা শাসকের ট্রাইব্যুনালে কীভাবে আবেদন করবেন তাও বলা হয়েছে। আসুন এক নজরে দেখে নিই।

    নাম আছে কিনা কীভাবে দেখবেন (SIR)?

    প্রথমে https://voters.eci.gov.in ওয়েব সাইটে গিয়ে West Bengal Election 2026 অপশনে ক্লিক করতে হবে। এরপর SIR Supplementary Roll অপশনে ক্লিক করতে হবে। এরপর নিজের জেলা, বিধানসভা এবং বুথের নাম বা নম্বর দিয়ে সার্চ করতে হবে। এরপর তালিকা বের হবে এবং পিডিএফ ডাউনলোড করতে হবে। তারপর ভোটাররা (Election Commission) নিজেদের নাম খুঁজতে পারবেন। যদি কোন ব্যক্তির নাম বাদ যায়, তাহলে নামের পাশে ডিলিট লেখা থাকবে। আর নিষ্পত্তি না হলে নামের পাশে বিচারাধীন লেখা থাকবে।

    দ্বিতীয় পদ্ধতি হিসেবে ECI NET APP ব্যবহার করে সেখানে সরাসরি এপিক নম্বর ব্যবহার করে সার্চ করলেই জানা যাবে। ভোটার লিস্টে নাম আছে কিনা সম্পূর্ণ তথ্য দেখে বুঝতে হবে। ভোটারের নাম Supplementary Voter List খুঁজলেই বোঝা যাবে। আর যদি এপিক নম্বর দিয়ে সার্চ করা হয় আর No Result Found দেখায় তাহলে বুঝতে হবে নাম বাদ পড়েছে। ওয়েব সাইটে প্রকাশিত হওয়ার পাশাপাশি সব ডিইও বা জেলা নির্বাচনী আধিকারিকদের কাছে পৌঁছে যাবে সাপ্লিমেণ্টারি তালিকা। বিএলও পরবর্তী সময়ে বুথে টাঙিয়ে দেওয়া দেবে। ভোটাররা নিজেদের নাম দেখাতে পাবেন।

    ট্রাইব্যুনালে কীভাবে আবেদন করবেন?

    নাম বাদ গেলে অফলাইনে জেলাশাসকের অফিসে গিয়ে আবেদন জানাতে পারেন ট্রাইব্যুনালে। এছাড়া, অতিরিক্ত জেলাশাসক এবং মহকুমাশাসকের কাছে অফলাইনে আবেদন করা যাবে। তবে প্রশাসন এই আবেদন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে (SIR) আপলোড করবে। এদিকে আবার ট্রাইব্যুনাল গঠন নিয়ে রাজ্যের মুখ্যসচিবকে চিঠি লিখেছেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (Election Commission)। ট্রাইব্যুনাল গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো প্রস্তুত করার জন্য চিঠি দেওয়া হয়েছে। ১৯ জন প্রাক্তন বিচারক-বিচারপতির অফিস ও বাড়ি-সহ প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো প্রস্তুত করার নির্দেশ দিয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে। প্রাক্তন বিচারক-বিচারপতিদের জন্য কর্মচারী নিয়োগ নিয়েও দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    কত বাদ নাম

    এ রাজ্যের মোট ভোটার ছিল ৭ কোটি ৬৬ লক্ষ। এসআইআর-এর খসড়া তালিকায় বাদ পড়েছে ৫৮ লক্ষের নাম। ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত তালিকা বেরিয়েছিল। তাতে বাকি ৭ কোটি ৮ লক্ষ ভোটারেরই নাম রয়েছে। কিন্তু রাজ্যের ৬০ লক্ষ ভোটারের নাম এখনও ‘বিবেচনাধীন’ তালিকায়। অর্থাত্‍ তাঁদের তথ্য খতিয়ে দেখছেন জুডিশিয়াল অফিসাররা। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক জানিয়েছেন, বিধানসভা ভোটের মনোনয়ন পেশের শেষদিন পর্যন্ত যতজন ছাড়পত্র পাবেন, শুধুমাত্র তাঁরাই ভোট দিতে পারবেন’।

  • SIR: এসআইআর-এ গাফিলতি! সাত এইআরও-র পর এবার ৩ মাইক্রো অবজার্ভারকে বরখাস্ত করল নির্বাচন কমিশন

    SIR: এসআইআর-এ গাফিলতি! সাত এইআরও-র পর এবার ৩ মাইক্রো অবজার্ভারকে বরখাস্ত করল নির্বাচন কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসআইআর-এ (SIR) গাফিলতি! সাত এইআরও-র পর এবার ৩ মাইক্রো অবজার্ভারকে বরখাস্ত করল নির্বাচন কমিশন (Election Commisson)। ভোটের আগে নির্বাচন কমিশন ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে কোনও ভাবেই আপসের রাস্তায় হাঁটছে না। অভিযুক্ত আধিকারিকদের বিরুদ্ধে অসাধু উপায়ে ভোটার তালিকা সংশোধনে হস্তক্ষেপ নিয়ে অভিযোগ রয়েছে। ঘটনা ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনা জেলায়। নিজের দায়িত্বকে অন্যের হাতে দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ রয়েছে।

    তিনজনের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত শুরু (SIR)

    মুখ্যনির্বাচনী আধিকারিকের (Election Commisson) এক্স হ্যান্ডল থেকে একটি পোস্টে জানা গিয়েছে, কমিশন জেলা থেকে রিপোর্টের ভিত্তিতে বিশেষ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নির্বাচনে ভোটার তালিকা সংশোধন করার কাজে আধিকারিকদের নিজ নিজ দায়িত্ব অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করা উচিত। এই কাজ কোনও ভাবেই অন্যের মাধ্যমে করা যাবে না। মাইক্রো অবজার্ভার হিসেবে নিযুক্ত বঙ্গীয় গ্রামীণ বিকাশ ব্যাঙ্কের ম্যানেজার, ইউকো ব্যাঙ্কের সিনিয়র ম্যানেজার এবং ইন্সপেক্টর অফ সেন্ট্রাল ট্যাক্স সিজিএসটি অ্যান্ড সিএক্সকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। এই তিনজনের (SIR) বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত শুরু করার নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

    অনলাইনে ভোটারের নাম অনলাইনে তোলা হয়নি

    অপর দিকে নিবিড় তালিকা সংশোধনের (SIR) শুনানি শেষ হয়ে গিয়েছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত বিপুল সংখ্যক ভোটারের নাম অনলাইনে তোলা হয়নি। সেই সংখ্যাটা প্রায় ১ লক্ষ ১৪ হাজার ৭৭২ জন। এই সমস্ত নথি আপলোড হয়নি বলে সংশ্লিষ্ট ইআরও-দের শোকজ করবে নির্বাচন কমিশন। জেলা ভিত্তিক তথ্যের ভিত্তিতে বলা হয়েছে, কোচবিহারে ১০,৪৭৯, দক্ষিণ দিনাজপুরে ১০২৮৫, উত্তর কলকাতায় ১৫০৩১, উত্তর ২৪ পরগনা ২০৭০৭ নথি এখনও সিস্টেমে তোলা হয়নি। ফলে কাজের গতি এবং রিপোর্টের ভিত্তিতে আরও আধিকারিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ হওয়ার সম্ভাবনা ব্যাপক ভাবে রয়েছে। হাওড়াতেও বাকি ১০,৪৯৯। এছাড়া দার্জিলিং, হুগলি এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় পাঁচ হাজারের বেশি নথি আপলোডের অপেক্ষায়। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে ইআরও-এইআরও-দের শোকজ করা হবে বলে সিইও দফতর সূত্রে খবর।

  • SIR: রাজ্যে শুরু হল এসআইআর, এনুমারেশন ফর্ম নিয়ে বাড়ি বাড়ি যাচ্ছেন বিএলওরা, চলছে হাতে-কলমে কাজ

    SIR: রাজ্যে শুরু হল এসআইআর, এনুমারেশন ফর্ম নিয়ে বাড়ি বাড়ি যাচ্ছেন বিএলওরা, চলছে হাতে-কলমে কাজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার থেকেই পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধনের কাজ শুরু হল। একসঙ্গে দেশের মোট ১২টি রাজ্যে এই এসআইআরের কাজ শুরু হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের (Election Commisson) বিএলওরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে এনুমারেশন ফর্ম দিতে শুরু করেছেন। সেই সঙ্গে শুরু হয়েছে ভোটারদের তথ্যসংগ্রহের কাজও। তবে এসআইআরকে ঘিরে বিএলওদের ‘প্রকাশ্যে হুমকি’ দিয়েছিলেন খোদ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। পাল্টা কমিশনও বিএলওদের সবরকম নিরাপত্তা এবং সুরক্ষার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। অপর দিকে অবৈধ অনুপ্রবশকারীদের নাম যেন ভোটার লিস্টে না থাকে তা নিয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছে বঙ্গ বিজেপি। ফলে নির্বাচনের আগেই এসআইআর (SIR) ইস্যুতে রাজনৈতিক উত্তাপ নরমে-গরমে চরম আকার নিয়েছে রাজ্যে।

    ম্যাপিং-এ আড়াই লক্ষ ভোটারের মিল (SIR)

    পশ্চিমবঙ্গের ২৯৪টি বিধানসভার ভোট কেন্দ্রে মোট ভোটার রয়েছে সাড়ে সাতকোটির বেশি। নির্বাচন কমিশন (Election Commisson) দফতর সূত্রে খবর, বাংলায় এসআইআর ম্যাপিংয়ের ক্ষেত্রে সোমবার পর্যন্ত ২ কোটি ৪৫ লক্ষ ৭১ হাজার ১১৪ জন ভোটারের তথ্য মিলেছে। শতাংশের বিচার করলে বাংলায় ৩২.০৬ শতাংশ ভোটারের তথ্য ম্যাপিংয়ে (SIR) মিলেছে। এই বর্তমান তালিকার সঙ্গে ২০০২ সালের তালিকার কতজন ভোটারের নাম রয়েছে এটা যেমন দেখা হয়েছে, ঠিক তেমনি বর্তমান ভোটারদের বাবা-মায়ের নাম ২০০২ সালে রয়েছে কিনা তাও মিলিয়ে দেখা হয়েছে।

    এনুমারেশন কী?

    এনুমারেশন হল শুমারি বা গণনা বা পরপর উল্লেখ। এই ফর্মের মাধ্যমে ভোটার গণনা করা হবে। একজন ভোটারের স্বাক্ষর থাকলে তবেই খসড়া ভোটার হিসেবে গণনা করা হবে। ২৭ অক্টোবর ২০২৫ সাল পর্যন্ত নির্বাচনী খসড়া তালিকায় যাদের নাম রয়েছে তাদের বাড়িতে বাড়িতে যাবে এনুমারেশন ফর্ম। দুটি করে ফর্ম দেওয়া হবে। একটিতে সই করে বিএলওকে দেওয়া হবে অপর আরেকটি ভোটারের কাছে থাকবে।

    ২-১ দিন পর অনলাইনে আবেদন

    যেসব নাগরিক অন্যরাজ্য বা বাইরে থাকেন তাদের জন্য অনলাইনে এনুমারেশন ফর্ম পূরণের (Election Commisson) ব্যবস্থা করেছে কমিশন। তবে তা আজ থেকেই কার্যকর হবে না। কাজের প্রক্রিয়াকে সহজ করতে দ্রুত পরিষেবা উপলব্ধ করবে। কমিশনের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, অনলাইনে শুরু করতে আরও ২-১ দিন সময় লাগবে। কমিশন এসআইআর-এ যে ম্যাপিং কাজ করেছে তা ভোটার তালিকার সঙ্গে চলতি বছরের সর্বশেষ প্রকাশিত তালিকাকে মিলিয়ে দেখছে। বাংলায় শেষ নিবিড় তালিকা সংশোধনের কাজ হয়েছে গত ২০০২ সালে। ইতিমধ্যে মুখ্য নির্বাচন আধিকারিকের নতুন ওয়েবসাইটেও (SIR) তুলে ধরা হয়েছে।

    ২৯৪টি আসনে যাবে এনামুরেশন ফর্ম

    কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, ম্যাপিংয়ের সময় যে যে ভোটারদের তথ্যে মিল রয়েছে তাদের এনুমারেশন ফর্ম পূরণ করলেই হবে। আলাদা করে কোনও নথি দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। তবে যাদের ২০০২ সালের তালিকায় যোগসূত্র পাওয়া যাবে না তাদের ক্ষেত্রে তথ্য ভেরিফিকেশন করতে হবে। তবে সকল ভোটারদের কাছেই যাবে এনুমারেশন ফর্ম। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, রাজ্যের ২৯৪টি আসনে ৭ কোটি ৬৬ লক্ষ ৩৭ হাজার ৫২৯ জন ভোটারের কাছে এনামুরেশন ফর্ম যাবে। ইতিমধ্যে দ্বিগুণ সংখ্যক ফর্ম ছাপানো হয়েছে।

    আসছে দিল্লির প্রতিনিধি দল

    এদিকে রাজ্যে এসআইআর (SIR) কেমন ভাবে কাজ করছে তা পরিদর্শন করতে বুধবার দিল্লি থেকে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের এক প্রতিনিধিদল আসছে। এই দলে থাকবেন ডেপুটি নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ ভারতী, ডেপুটি সেক্রেটারি অভিনব আগরওয়াল এবং প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি এসবি যোশী। শুক্রবার পর্যন্ত রাজ্যে নানা প্রকার কাজ খতিয়ে দেখবেন। এখন উত্তরবঙ্গের কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ারে কাজ পরিচালনার কাজে যুক্ত থাকবেন। বিএলওদের (Election Commisson) কাজগুলিকে পর্যালোচনা করবেন।

    ৪ নভেম্বর থেকে ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়ি বাড়ি গিয়ে দেওয়া হবে এনুমেরেশন ফর্ম। খসড়া প্রকাশিত হবে ৯ ডিসেম্বর থেকে ৮ জানুয়ারি সময়ে। ৯ ডিসেম্বর থেকে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত পর্যন্ত চলবে অভিযোগ শোনা এবং খতিয়ে দেখার কাজ। চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশিত হবে ৭ ফেব্রুয়ারি।

LinkedIn
Share