Tag: Electoral Rolls

  • ECI: ভোটার তালিকা সংশোধনে বড় পদক্ষেপ, ১২ রাজ্য-কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বাদ ১.৫৮ কোটিরও বেশি নাম

    ECI: ভোটার তালিকা সংশোধনে বড় পদক্ষেপ, ১২ রাজ্য-কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বাদ ১.৫৮ কোটিরও বেশি নাম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটার তালিকা আপডেট এবং অযোগ্য ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার লক্ষ্যে বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) তৃতীয় পর্যায়ে ১২টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের খসড়া ভোটার তালিকা (ECI) থেকে এখনও পর্যন্ত ১ কোটি ৫৮ লক্ষ ৫৯ হাজার ৮৩৪টি নাম বাদ দিয়েছে (SIR) ভারতের নির্বাচন কমিশন। কমিশনের প্রকাশিত তথ্য বিশ্লেষণ করে এই হিসেব সামনে এসেছে। এই ১২টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে সংশোধন প্রক্রিয়া শুরুর আগে মোট ভোটার ছিলেন ১৩ কোটি ৭৭ লাখ ২৭ হাজার ৮০৭ জন। বাড়ি বাড়ি গিয়ে যাচাই এবং অন্যান্য পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তাঁদের মধ্যে ১১.৫১ শতাংশের নাম খসড়া তালিকা থেকে বাদ পড়েছে।

    যাঁরা বাদ গেলেন (ECI)

    বাদ পড়া নামগুলির মধ্যে রয়েছেন এমন ভোটার, যাঁদের দেওয়া ঠিকানায় গিয়ে খুঁজে পাওয়া যায়নি, অন্যত্র চলে গিয়েছেন, মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে অথবা একাধিক জায়গায় তাঁদের নাম ভোটার তালিকায় ছিল। ভোটার তালিকাকে নির্ভুল ও আপডেট রাখাই এই প্রক্রিয়ার মূল উদ্দেশ্য। তবে এখনও চূড়ান্ত ভোটার সংখ্যা নির্ধারিত হয়নি। খসড়া তালিকায় নাম সংযোজন বা বাদ দেওয়া নিয়ে দাবি ও আপত্তি জানানোর সুযোগ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। যোগ্য নাগরিকেরা নতুন করে ভোটার হিসেবে নাম নথিভুক্ত করার আবেদনও করতে পারবেন। ফলে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের আগে সংখ্যায় আরও পরিবর্তন হতে পারে।

    অন্ধ্রপ্রদেশে সবচেয়ে বেশি নাম বাদ

    পরম সংখ্যার বিচারে অন্ধ্রপ্রদেশে সব চেয়ে বেশি ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। সেখানে ৪৪.৮৯ লাখ নাম বাদ দেওয়া হয়েছে, যা সংশোধনের আগে থাকা মোট ভোটারের ১০.৭৮ শতাংশ। এর ফলে খসড়া ভোটার তালিকায় ভোটারের সংখ্যা ৪ কোটি ১৬ লাখ থেকে কমে প্রায় ৩ কোটি ৭১ লাখ হয়েছে। অন্ধ্রপ্রদেশে বাদ পড়া ৪৪.৮৯ লাখ নামের মধ্যে ২২.৩০ লাখ ভোটার অন্যত্র চলে গিয়েছেন অথবা তাঁদের ঠিকানায় গিয়ে খুঁজে পাওয়া যায়নি। ১৫.২২ লাখ ভোটারের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। এছাড়া ৭.৩৭ লাখ ভোটারের নাম একাধিক জায়গার ভোটার তালিকায় ছিল। নাম বাদ পড়ার সংখ্যায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে হরিয়ানা। সেখানে ৩৩.৮৩ লাখ নাম বাদ পড়েছে। ওড়িশায় বাদ পড়েছে ২০.১২ লাখ নাম। এদিকে, সিকিমে সবচেয়ে কম নাম বাদ পড়েছে—৩৭ হাজার ৭২৪টি। মিজোরামে বাদ পড়েছে ৪৬ হাজার ১৬২টি নাম।

    শতাংশের হিসাবে শীর্ষে দাদরা ও নগর হাভেলি

    মোট ভোটারের তুলনায় নাম বাদ পড়ার হারে সব চেয়ে এগিয়ে রয়েছে দাদরা ও নগর হাভেলি এবং দমন ও দিউ। সেখানে ২৯.৬৪ শতাংশ নাম বাদ পড়েছে। এর পরেই রয়েছে অরুণাচল প্রদেশ, যেখানে বাদ পড়ার হার ১৯.০৯ শতাংশ। হরিয়ানায় এই হার ১৬.৩৮ শতাংশ এবং চণ্ডীগড়ে ১২.৮ শতাংশ। মিজোরামে নাম বাদ পড়ার হার সবচেয়ে কম—৫.২ শতাংশ। অন্যান্য রাজ্যের মধ্যে ওড়িশায় ৬.০২ শতাংশ, মণিপুরে ৭.৫ শতাংশ, উত্তরাখণ্ডে ১০.৩৯ শতাংশ, মেঘালয়ে ৭.৬৭ শতাংশ এবং ঝাড়খণ্ডে ১৬.৪৮ শতাংশ নাম বাদ পড়েছে। সিকিমে আগের তালিকার ৮ শতাংশ নাম বাদ গিয়েছে (ECI)।

    ১৬ রাজ্য ও ৩ কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে চলছে তৃতীয় পর্যায়

    বিশেষ নিবিড় সংশোধনের তৃতীয় পর্যায়ের কাজ চলছে মোট ১৬টি রাজ্য ও ৩টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে। এগুলি হল দিল্লি, ওড়িশা, মিজোরাম, সিকিম, মণিপুর, উত্তরাখণ্ড, অন্ধ্রপ্রদেশ, অরুণাচল প্রদেশ, হরিয়ানা, চণ্ডীগড়, তেলঙ্গনা, পাঞ্জাব, কর্নাটক, মেঘালয়, মহারাষ্ট্র, ঝাড়খণ্ড, নাগাল্যান্ড, ত্রিপুরা এবং দাদরা ও নগর হাভেলি ও দমন ও দিউ। এর মধ্যে ১২টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের খসড়া ভোটার তালিকা ইতিমধ্যেই প্রকাশিত হয়েছে। দিল্লি, পাঞ্জাব, তেলঙ্গনা, কর্নাটক ও মহারাষ্ট্রে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের তথ্য যাচাই ও গণনার কাজের সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে। ফলে ওই রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের খসড়া ভোটার তালিকা এখনও প্রকাশিত হয়নি। ত্রিপুরা ও নাগাল্যান্ডের খসড়া তালিকাও (SIR) এখনও প্রকাশের অপেক্ষায়।

    একাধিক রাজ্যে ইতিমধ্যেই শেষ সংশোধন

    এর আগেই বিহার, পশ্চিমবঙ্গ, তামিলনাড়ু, কেরল, পুদুচেরি, উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, গুজরাট, ছত্তিশগড়, গোয়া, আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ এবং লক্ষদ্বীপে বিশেষ নিবিড় সংশোধনের কাজ শেষ হয়েছে। অসমে অবশ্য নাগরিকদের জাতীয় পঞ্জি সংক্রান্ত আইনি বিষয় বিবেচনা করে পৃথকভাবে বিশেষ সংশোধন করা হয়েছে (ECI)। বিশেষ নিবিড় সংশোধন নিয়ে নির্বাচন কমিশন এবং বিরোধী দলগুলির মধ্যে মতপার্থক্য তৈরি হয়েছে। বিষয়টি আদালতেও চ্যালেঞ্জ করা হয়। চলতি বছরের মার্চে সুপ্রিম কোর্ট সর্বসম্মতভাবে বিশেষ নিবিড় সংশোধন পরিচালনার বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের সাংবিধানিক বৈধতা বহাল রাখে।

    তৃতীয় পর্যায়ের কাজ চলাকালীন নির্বাচন কমিশন ভোটারদের তথ্য যাচাই এবং ভোটার তালিকা আপডেটের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। যোগ্য ভোটারদের নাম যাতে তালিকায় থাকে এবং একই ব্যক্তির একাধিক নাম বা পুরনো ও অযোগ্য নাম যাতে তালিকায় না (SIR) থাকে, তা নিশ্চিত করাই এই প্রক্রিয়ার লক্ষ্য। চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের আগে দাবি ও আপত্তি জানানোর সুযোগ থাকায় যোগ্য নাগরিকেরা নিজেদের নাম সংশোধন, সংযোজন বা পুনরায় অন্তর্ভুক্তির (ECI) আবেদন করতে পারবেন।

     

  • Hindus Under Attack: দেশে-বিদেশে হিন্দুদের উপর হামলা, ধর্মান্তর ও বৈষম্যের অভিযোগ

    Hindus Under Attack: দেশে-বিদেশে হিন্দুদের উপর হামলা, ধর্মান্তর ও বৈষম্যের অভিযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত ও বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে হিন্দু এবং হিন্দু ধর্মের উপর হামলা, ধর্মীয় বিদ্বেষ, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, মন্দির ও মূর্তির অবমাননা, উৎসবে বাধা, হিংসা এবং (Hindus Under Attack) প্রাতিষ্ঠানিক বৈষম্যের অভিযোগ ক্রমেই সামনে আসছে। অভিযোগকারীদের দাবি, বহু ক্ষেত্রে এই ঘটনাগুলি বিচ্ছিন্ন নয়, বরং হিন্দু পরিচয় ও ধর্মীয় স্বাধীনতার বিরুদ্ধে দীর্ঘমেয়াদি বৈষম্যের বৃহত্তর চিত্রের অংশ (Roundup Week)। ১ থেকে ৮ অগাস্ট ২০২৬ সময়ের ঘটনাগুলির একটি সাপ্তাহিক সংকলনে এমনই কয়েকটি অভিযোগ ও বিতর্কের কথা তুলে ধরা হয়েছে।

    বিবিসির সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ (Hindus Under Attack)

    বিবিসির সাংবাদিক সৌতিক বিশ্বাসের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি মুঘল শাসকদের অত্যাচারকে আড়াল করা থেকে শুরু করে দোষী সাব্যস্ত তথ্য-জালিয়াতদের পক্ষ নেওয়া পর্যন্ত এমন এক ধরনের বয়ান প্রচার করেছেন, যা ধারাবাহিকভাবে হিন্দুদের নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করে এবং ইসলামপন্থী চরমপন্থাকে আড়াল করে। প্রতিবেদনে তাঁর সাংবাদিকতার ধরনকে হিন্দুবিদ্বেষী মানসিকতার সঙ্গে যুক্ত বলে দাবি করা হয়েছে। হায়দরাবাদের দুধবাউলি এলাকার শান্তিনিকেতন হাইস্কুলে একটি অনুষ্ঠানকে ঘিরে গুরুতর বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ, বাধ্যতামূলক প্রাতঃকালীন সমাবেশে কয়েকশো অপ্রাপ্তবয়স্ক পড়ুয়ার সামনে একটি বিদেশি রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট-সম্পর্কিত বক্তব্য তুলে ধরা হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার বহিরাগত অতিথিকে বিদ্যালয়ের নির্ধারিত সময়ে পড়ুয়াদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখার সুযোগ দেওয়া হয়। পরে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ছবি ও ভিডিয়োকে ঘিরে অভিযোগ ওঠে, পড়ুয়াদের মধ্যে ইরানের জাতীয় পতাকা বিলি করা হয়েছিল এবং বিদ্যালয় চত্বরে আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের ছবি-সহ একটি পোস্টার প্রদর্শিত হয়েছিল। স্কুলের পরিবেশে এমন কর্মসূচির যথার্থতা নিয়ে এরপর প্রশ্ন ওঠে।

    ইসলাম ধর্ম গ্রহণে বাধ্য করার অভিযোগ

    সংসদে কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বঢরা আইআইটি মাদ্রাজের পরিচালক অধ্যাপক ভি কামাকোটিকে গোমূত্র বিশেষজ্ঞ বলে কটাক্ষ করার ঘটনাও বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। সমালোচকদের দাবি, এটি নিছক একটি রাজনৈতিক কটাক্ষ নয়, বরং ভারতের ধর্মনিরপেক্ষ রাজনৈতিক পরিসরের একটি অংশে হিন্দু ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক পরিচয়ের প্রতি দীর্ঘদিনের অবজ্ঞার প্রকাশ। তাঁদের আরও অভিযোগ, হিন্দু ঐতিহ্যের বৈচিত্র্যময় বিশ্বাস ও আচারকে বিদ্রূপ করার প্রবণতাও এর মধ্যে প্রতিফলিত হয়েছে। পাঞ্জাবের মোহালি জেলায় দীর্ঘদিন ধরে যৌন নির্যাতন, শারীরিক অত্যাচার এবং জোরপূর্বক ধর্মান্তরের অভিযোগ সামনে এসেছে। অভিযোগকারী মোহালির ধাকোলি এলাকার এক হিন্দু মহিলা। তিনি মোহালির পুলিশ সুপারের দফতরে লিখিত অভিযোগে দাবি করেছেন, বিহারের আরারিয়া জেলার বাসিন্দা মীর আরফাক আলি বিয়ের প্রতিশ্রুতির নামে প্রায় পাঁচ বছর ধরে তাঁকে একটি জবরদস্তিমূলক সম্পর্কে আটকে রাখেন। অভিযোগ অনুযায়ী, তাঁকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয় এবং তড়িঘড়ি বিয়ের পর ইসলাম ধর্ম গ্রহণে বাধ্য করা হয় (Hindus Under Attack)। অভিযুক্ত যুবক বর্তমানে বিহারের নিজের গ্রামে পালিয়ে গিয়েছেন বলে অভিযোগ।

    শপিং মলে একী কাণ্ড!

    উত্তরপ্রদেশের ইন্দিরাপুরমের একটি শপিং মলে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনার ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। প্রায় ২১ সেকেন্ডের ওই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, হাতে বড় একটি ছুরি নিয়ে এক যুবক ক্যালিফোর্নিয়া বুরিটো খাবারের দোকানের এক হিন্দু মহিলা কর্মীকে পরপর চড় মারছেন। এক মহিলা সহকর্মী তাঁকে থামানোর চেষ্টা করলে তাঁকেও ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দেওয়া হয় বলে দাবি করা হয়েছে। রাজস্থান-হরিয়ানা সীমান্তে গবাদি পশু পাচারচক্রের বিরুদ্ধে অভিযানের সময় নুহ পুলিশ ৩০ বছর বয়সি জাবির নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে। পুলিশের দাবি, জাবির দীগ জেলার পাহাড়ি থানার ঘাটমিকা গ্রামের বাসিন্দা এবং গরু পাচারের সঙ্গে যুক্ত। পুলিশের পাল্টা গুলিচালনার সময় তাঁর বাঁ হাঁটুতে গুলি লাগে। পরে তাঁকে নালহারের শহিদ হাসান খান মেওয়াতি সরকারি মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করা হয়। তাঁর সহযোগী সাহুন পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়ে পালিয়ে যান বলে অভিযোগ। তাঁকে ধরতে শুরু হয়েছে (Roundup Week) তল্লাশি। বেঙ্গালুরুর দেবরা জীবনহল্লি এলাকায় ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ার দায়িত্বে থাকা এক সরকারি আধিকারিক কর্তব্যরত অবস্থায় আক্রান্ত হন বলে অভিযোগ। ঘটনায় দস্তগীর, ইয়ারব এবং ইকবালের বিরুদ্ধে পুলিশ ফৌজদারি মামলা দায়ের করেছে।

    বিদেশের ছবি

    ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন চিকিৎসক করিশ্মা রেড্ডির অভিযোগ, তাঁর নিজের কপালের টিপ নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও প্রকাশ করার পর তিনি বর্ণবিদ্বেষী ও বিদেশিবিদ্বেষী আক্রমণের শিকার হন। পেশায় প্লাস্টিক সার্জন করিশ্মা জানান, ভিডিওটিতে তিনি এক রোগীর সঙ্গে একটি হালকা মেজাজের কথোপকথনের ঘটনা তুলে ধরেছিলেন। কিন্তু তার পরেই তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক বিদ্বেষমূলক মন্তব্য আসতে শুরু করে। কয়েকজন ইউজার তাঁকে ভারতে ফিরে যেতে বলেন। উল্লেখ্য, করিশ্মার জন্ম ও বেড়ে ওঠা (Hindus Under Attack) যুক্তরাষ্ট্রেই।

    হিন্দুবিদ্বেষ নিয়ে উদ্বেগ

    বিভিন্ন ধর্মীয় শিক্ষা ও রাজনৈতিক মতাদর্শে নিহিত হিন্দুবিদ্বেষ বহু ঘৃণাজনিত অপরাধের অন্যতম চালিকাশক্তি। ইসলামি দেশগুলিতে হিন্দুবিদ্বেষের প্রকাশ তুলনামূলকভাবে স্পষ্ট হলেও, ধর্মনিরপেক্ষ বলে দাবি করা দেশগুলির প্রতিষ্ঠান ও জনপরিসরেও হিন্দুদের প্রতি অপেক্ষাকৃত সূক্ষ্ম বৈষম্য দেখা যায় বলেই অভিযোগ। এই ধরনের দৈনন্দিন বৈষম্য অনেক সময় সরাসরি চোখে পড়ে না। তাই সংশ্লিষ্ট আইন, সরকারি নীতি এবং দীর্ঘমেয়াদি সামাজিক প্রবণতা বিশ্লেষণ করলে এর প্রকৃতি আরও স্পষ্ট হয় বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। উদাহরণ হিসেবে দীপাবলিতে আতশবাজি নিষিদ্ধ বা সীমিত করার প্রবণতার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। বাইরে থেকে দেখলে এর কারণ পরিবেশদূষণ নিয়ন্ত্রণ বলে মনে হতে পারে। কিন্তু প্রতিবেদনের বক্তব্য, বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে হিন্দু উৎসবগুলির উপর বিভিন্ন বিধিনিষেধ এবং সেগুলির ক্ষেত্রে নীতির সমতা নিয়ে প্রশ্ন তুললে বিষয়টি অন্যভাবে দেখা যায় (Hindus Under Attack)।

    মনে রাখতে হবে, ওপরের ঘটনাগুলির বেশিরভাগই অভিযোগ, দাবি কিংবা বিতর্কের ভিত্তিতে উপস্থাপিত, সংশ্লিষ্ট সব অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা যায়নি, আদালতেও চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হয়েছে—এমন দাবিও এই প্রতিবেদনে করা হচ্ছে (Roundup Week) না।

     

  • West Bengal Elections 2026: নির্বাচন বিঘ্নহীন করতে বাংলায় হবে আরও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন

    West Bengal Elections 2026: নির্বাচন বিঘ্নহীন করতে বাংলায় হবে আরও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গে এবার সব চেয়ে বেশি কেন্দ্রীয় আধাসামরিক বাহিনী মোতায়েন করা হতে পারে (West Bengal Elections 2026) বলে মনে করা হচ্ছে। নির্বাচন কমিশন এমন এক রাজ্যে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে ভোটগ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছে। ভোটার তালিকায় এসআইআর নিয়ে তীব্র প্রতিবাদ দেখা গিয়েছে (Central Forces)।

    ২,০০০-এর বেশি কোম্পানি (West Bengal Elections 2026)

    নির্বাচন কমিশনের এক প্রবীণ আধিকারিক বলেন, “ব্যাপক কেন্দ্রীয় বাহিনীর মোতায়েন শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে এবং যে কোনও ধরনের অশান্তি রোধ করতে সাহায্য করবে।” প্রধান নির্বাচনী আধিকারিকের (CEO) দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, ভোট গণনা শেষ হওয়া পর্যন্ত রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ২,০০০-এর বেশি কোম্পানি প্রয়োজন হতে পারে। ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় সরকার ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়ার আগে পশ্চিমবঙ্গে প্রায় ৪৮০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠিয়েছে। এই মোতায়েনের পরিমাণ ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। সেই নির্বাচনে ভোটের আগে এবং ভোটের সময় মোট প্রায় ৭০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল, যার মধ্যে ৩৫০-৩৭০ কোম্পানি ছিল সিআরপিএফ। আধিকারিকদের মতে, এবার বাহিনীর সংখ্যা বাড়ানোর কারণ হল আরও ভালো পরিকল্পনা এবং প্রস্তুতি নেওয়া, যাতে পুরো নির্বাচনী প্রক্রিয়া বিঘ্নহীন হয়।

    ওয়েবকাস্টের মাধ্যমে নজরদারি

    বাহিনী মোতায়েনের পাশাপাশি নির্বাচন কমিশন নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতার দিকেও বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। রাজ্যের সব ভোটকেন্দ্র সম্পূর্ণ ওয়েবকাস্টের মাধ্যমে নজরদারিতে থাকবে, যাতে আধিকারিকরা রিয়েল-টাইমে ভোটগ্রহণ পর্যবেক্ষণ করতে পারেন। আধিকারিকদের মতে, এর ফলে নির্বাচন প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ হবে এবং ভোটারদের আস্থা বাড়বে (Central Forces)।আরও একটি বড় পার্থক্য রয়েছে ভোটগ্রহণের ধাপের সংখ্যায়। ২০২১ সালে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার নির্বাচন হয়েছিল আট দফায়। এবার নির্বাচন হবে মাত্র দু’দফায়। কর্তাদের ধারণা, কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতির জেরে নির্বাচন হবে শান্তিপূর্ণ (West Bengal Elections 2026)।

     

  • Bihar Electoral Rolls: “আধার কার্ড নাগরিকত্বের প্রমাণ নয়, রেশন কার্ড বোগাস,” সুপ্রিম কোর্টে জানাল নির্বাচন কমিশন

    Bihar Electoral Rolls: “আধার কার্ড নাগরিকত্বের প্রমাণ নয়, রেশন কার্ড বোগাস,” সুপ্রিম কোর্টে জানাল নির্বাচন কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আধার কার্ড নাগরিকত্বের প্রমাণ নয়, রেশন কার্ড বোগাস, সচিত্র ভোটার পরিচয়পত্রও ভারতীয় নাগরিকত্বের প্রমাণ নয়।” বিহার বিধানসভা নির্বাচনের (Bihar Electoral Rolls) আগে তালিকা সংশোধনের কাজ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টকে (Supreme Court) সাফ জানিয়ে দিল ভারতের নির্বাচন কমিশন। কমিশনের মতে, সেই কারণে এই সব নথি ভোটার তালিকায় নাম থাকার জন্য বাধ্যতামূলক প্রমাণ হতে পারে না।

    নাগরিকত্বের প্রমাণ চাওয়ার অধিকার আছে কমিশনের (Bihar Electoral Rolls)

    শীর্ষ আদালতকে নির্বাচন কমিশন এও জানিয়েছে, বিহারের বিশেষ ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজে নাগরিকত্বের প্রমাণ চাওয়ার অধিকার ও কর্তৃত্ব তাদের আছে। একগুচ্ছ আবেদনের প্রেক্ষিতে শীর্ষ আদালতের তলব করা প্রতি-হলফনামায় একথা জানিয়েছে কমিশন। আবেদনকারীদের দাবি ছিল, ভোটার তালিকা সংশোধনের নামে কমিশন নিজের এক্তিয়ারের বাইরে গিয়ে কাজ করছে। তার জবাবে কমিশন বলেছে, একমাত্র ভারতীয় নাগরিকরাই ভোটার তালিকায় নাম তুলতে পারবেন এবং তা দেখা, পর্যালোচনার একমাত্র বিধিবদ্ধ দায়বদ্ধতা রয়েছে কমিশনেরই।

    ভোটার তালিকায় নাম থাকার ন্যূনতম যোগ্যতা

    কমিশন দেশের শীর্ষ আদালতকে এও জানিয়েছে, দেশের ভোটার তালিকায় নাম থাকার (Bihar Electoral Rolls) ন্যূনতম যোগ্যতা হচ্ছে তাঁকে ভারতের নাগরিক হতে হবে। যে কারণে কমিশনের কর্তব্য ও দায়িত্ব হল, সেই শর্ত পূরণ হচ্ছে কিনা, তা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বিচার করা। ভোটার তালিকা সংশোধনের নামে বহু নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। এই অভিযোগের জবাবে কমিশন আদালতকে জানিয়েছে, ভোটার রেজিস্ট্রেশন অফিসার যখন দেখছেন কোনও ব্যক্তির নাম তালিকায় থাকার কোনও যোগ্যতা নেই, তখনই তাঁদের নাম বাদ যাচ্ছে। তাই এক্ষেত্রে বৈষম্যের যে অভিযোগ উঠছে, তার কোনও ভিত্তিই নেই।

    দেশের শীর্ষ আদালতে কমিশন সাফ জানিয়ে দিয়েছে, তাদের একমাত্র লক্ষ্য হল ভারতের নাগরিক নন, এমন ব্যক্তির নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া। এই কাজের জন্য নাগরিকত্ব আইন, ১৯৫৫ মোতাবেক তাদের সেই ক্ষমতা রয়েছে। ভোটার কার্ড সম্পর্কে নির্বাচন কমিশন সাফ জানিয়ে দিয়েছে, “সচিত্র পরিচয়পত্র তার স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী, কেবলমাত্র ভোটার তালিকার বর্তমান অবস্থা প্রতিফলিত করে এবং এটি নিজে থেকে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তির আগের যোগ্যতা প্রমাণ করতে পারে না।”

    কমিশনের সওয়াল শোনার পর সুপ্রিম কোর্ট এই (Supreme Court) মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেছে ২৮ জুলাই (Bihar Electoral Rolls)।

LinkedIn
Share