Tag: Elon Musk

Elon Musk

  • Swadeshi Jagran Manch: জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্নে স্টারলিঙ্ককে ভারতে অনুমতি না দেওয়ার দাবি স্বদেশি জাগরণ মঞ্চের

    Swadeshi Jagran Manch: জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্নে স্টারলিঙ্ককে ভারতে অনুমতি না দেওয়ার দাবি স্বদেশি জাগরণ মঞ্চের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাতীয় নিরাপত্তা ও অভ্যন্তরীণ আইনশৃঙ্খলার প্রশ্ন তুলে ইলন মাস্কের সংস্থা স্টারলিঙ্ককে ভারতে বাণিজ্যিক স্যাটেলাইট ইন্টারনেট পরিষেবা চালুর অনুমতি না দেওয়ার দাবি জানাল রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (আরএসএস)-এর আদর্শে অনুপ্রাণিত সংগঠন স্বদেশি জাগরণ মঞ্চ (Swadeshi Jagran Manch)। গত ১৩ অক্টোবর এই বিষয়ে কেন্দ্রের কাছে নিজেদের আপত্তির কথা জানায় সংগঠনটি। স্বদেশি জাগরণ মঞ্চের জাতীয় সহ-আহ্বায়ক অশ্বিনী মহাজনের দাবি, স্টারলিঙ্কের প্রযুক্তি ভারতের নিরাপত্তা সংক্রান্ত নিয়মকানুন কার্যকর করার ক্ষেত্রে বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে, স্যাটেলাইটের মধ্যে লেজার-ভিত্তিক যোগাযোগ ব্যবস্থার মাধ্যমে সরাসরি তথ্য আদানপ্রদান হওয়ায় সেই তথ্য ভারতীয় গ্রাউন্ড স্টেশনে পৌঁছনোর আগে সরকারি নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি।

    ‘জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে ইন্টারনেট নিয়ন্ত্রণ জরুরি’

    এসজেএমের বক্তব্য, বর্তমানে ভারতে বিভিন্ন ধরনের আইনশৃঙ্খলাজনিত চ্যালেঞ্জ রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ইন্টারনেটভিত্তিক সামাজিক মাধ্যমের মাধ্যমে গুজব ও দেশবিরোধী প্রচার ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকে। বিচ্ছিন্নতাবাদ, সন্ত্রাসবাদ, দাঙ্গা, বিক্ষোভ-সহ বিভিন্ন পরিস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে অনেক সময় ইন্টারনেট পরিষেবা নিয়ন্ত্রণ বা সাময়িকভাবে বন্ধ করা জরুরি হয়ে পড়ে। অশ্বিনী মহাজনের বক্তব্য, স্টারলিঙ্কের মতো স্যাটেলাইট ইন্টারনেট পরিষেবার ক্ষেত্রে সরকার নির্দেশ দিলে দ্রুত ও নির্দিষ্ট এলাকায় পরিষেবা বন্ধ করা সম্ভব কি না, তা নিয়ে স্পষ্ট নিশ্চয়তা প্রয়োজন। তাঁর অভিযোগ, স্টারলিঙ্ক এখনও এই শর্ত পূরণে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়নি। অথবা সংস্থাটির প্রযুক্তিগত কাঠামোতেই এই ধরনের নিয়ন্ত্রণের সীমাবদ্ধতা থাকতে পারে।

    ইলন মাস্কের অভিযোগ ঘিরে বিতর্ক

    ভারতে স্টারলিঙ্কের পরিষেবা চালুর অনুমতি নিয়ে ইতিমধ্যেই বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ইলন মাস্ক অভিযোগ করেছিলেন, ভারতের কিছু প্রভাবশালী ব্যবসায়িক গোষ্ঠী স্টারলিঙ্কের পরিষেবা চালুর পথে বাধা সৃষ্টি করছে। তবে কেন্দ্র সেই অভিযোগ খারিজ করে জানিয়েছে, ভারতের স্যাটেলাইট যোগাযোগ পরিষেবার নিয়ন্ত্রক কাঠামো ন্যায্য ও বৈষম্যহীন। মাস্কের এই মন্তব্যের সমালোচনা করে মহাজনের দাবি, ভারতের নির্দিষ্ট নিরাপত্তা সংক্রান্ত শর্ত পূরণ করার পরিবর্তে জনমতকে কাজে লাগিয়ে সরকারের উপর চাপ তৈরির চেষ্টা করছে স্টারলিঙ্ক। তাঁর মতে, সংস্থাটি যদি ভারতীয় নিয়ম মেনে চলতে প্রস্তুত না থাকে, তা হলে পরিষেবা চালুর অনুমতি দেওয়া উচিত নয়।

    ইউক্রেন থেকে তাইওয়ান—বিভিন্ন দেশের অভিজ্ঞতার উল্লেখ

    স্টারলিঙ্কের নিরাপত্তা সংক্রান্ত ঝুঁকি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে ইউক্রেন, ইরান, রাশিয়া, চিন, তাইওয়ান, দক্ষিণ আফ্রিকা, ব্রাজিল, ভেনেজুয়েলা ও সুদানের মতো বিভিন্ন দেশের অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করেছে স্বদেশি জাগরণ মঞ্চ। সংগঠনটির দাবি, এই দেশগুলির অভিজ্ঞতা থেকে স্যাটেলাইট ইন্টারনেট পরিষেবার কৌশলগত ও নিরাপত্তাগত প্রভাব খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। মহাজনের বক্তব্য, দেশের নিজস্ব স্যাটেলাইট-ভিত্তিক ইন্টারনেট পরিষেবা চালু হতে সামান্য দেরি হলেও তাতে সমস্যা নেই। বরং দেশীয় প্রযুক্তির মাধ্যমে স্টারলিঙ্কের তুলনায় কম খরচে পরিষেবা দেওয়ার পাশাপাশি জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হতে পারে বলে দাবি তাঁর।

    লাইসেন্স পেলেও বাণিজ্যিক পরিষেবা শুরুর ছাড়পত্র মেলেনি

    উল্লেখ্য, ভারতে স্যাটেলাইট ব্রডব্যান্ড পরিষেবা চালুর জন্য স্টারলিঙ্ক আবেদন করেছে। রিলায়েন্স জিও এবং ভারতী গোষ্ঠী-সমর্থিত ইউটেলস্যাট ওয়ানওয়েবও এই পরিষেবা চালুর ক্ষেত্রে অনুমোদন পেয়েছে। তবে লাইসেন্স থাকলেই বাণিজ্যিক পরিষেবা চালু করা যাবে না। স্পেকট্রাম বরাদ্দ ও পরিষেবা চালুর আগে নির্দিষ্ট নিরাপত্তা সংক্রান্ত শর্ত পূরণ করতে হবে। কেন্দ্রীয় যোগাযোগ মন্ত্রকের বক্তব্য অনুযায়ী, তিনটি সংস্থারই নিরাপত্তা সংক্রান্ত মূল্যায়ন চলছে এবং নিয়ন্ত্রক প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে তারা মোটামুটি একই পর্যায়ে রয়েছে। কেন্দ্রীয় যোগাযোগমন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়াও জানিয়েছেন, নিরাপত্তা সংক্রান্ত ছাড়পত্র দেওয়ার বিষয়টি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের আওতাধীন। ফলে স্টারলিঙ্কের ভারতে বাণিজ্যিক পরিষেবা চালুর ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে নিরাপত্তা সংক্রান্ত শর্ত পূরণ এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি অনুমোদনের উপর। স্বদেশি জাগরণ মঞ্চের আপত্তি এই বিতর্ককে আরও জোরালো করল।

  • Ambani: ‘ভারতের আসল বস কে?’ আম্বানিকে খোঁচা মাস্কের, স্যাটেলাইট ইন্টারনেট চালু করতে ফের সরব ধনকুবের

    Ambani: ‘ভারতের আসল বস কে?’ আম্বানিকে খোঁচা মাস্কের, স্যাটেলাইট ইন্টারনেট চালু করতে ফের সরব ধনকুবের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে স্যাটেলাইটের মাধ্যমে ইন্টারনেট পরিষেবা চালু করার প্রতিযোগিতা ক্রমশ তীব্র হচ্ছে (Ambani)। এই আবহে ফের সরব হলেন প্রযুক্তি দুনিয়ার ধনকুবের ইলন মাস্ক। সোশ্যাল মিডিয়া ‘এক্স’ হ্যান্ডেলে ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে কটাক্ষের সুরে তিনি লিখেছেন, “প্রিয় প্রধানমন্ত্রী আম্বানি, আপনিই যে ভারতের প্রকৃত বস, তা বুঝতে না পারার জন্য আমার বিনম্র ক্ষমাপ্রার্থনা গ্রহণ করুন।” বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাতা টেসলা এবং মহাকাশ গবেষণা সংস্থা স্পেসএক্সের প্রধানের এই মন্তব্য ঘিরে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে (Elon Musk)।

    ভারতে নিজের সংস্থা স্টারলিঙ্ককে পরিষেবা চালানোর সুযোগ দেওয়ার দাবি জানিয়ে মাস্ক লিখেছেন, “স্বাভাবিকভাবেই, আপনি ভারতের সাধারণ মানুষের উপর নিজের একচেটিয়া শোষণ বজায় রাখতে চাইবেন। তা সত্ত্বেও, স্টারলিঙ্ককে প্রতিযোগিতায় নামার অনুমতি দেওয়ার কথা কি বিবেচনা করবেন?”

    তিনি আরও লিখেছেন, “অন্যান্য দেশের মতো ভারতেও এমন বহু এলাকা রয়েছে, যেখানে ইন্টারনেট পরিষেবা নেই। এর ফলে শিশুরা শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা বিশ্ববাজারে নিজেদের পণ্য বিক্রির সুযোগ পাচ্ছেন না। স্টারলিঙ্ক তাদের জীবনকে আরও উন্নত করে তুলতে পারে।”

    ভারতে স্যাটেলাইট ইন্টারনেট পরিষেবা ঘিরে প্রতিযোগিতা (Ambani)

    স্পেসএক্সের মালিকানাধীন স্টারলিঙ্ক-সহ মোট তিনটি সংস্থা ভারতে স্যাটেলাইটের মাধ্যমে যোগাযোগ পরিষেবা দেওয়ার জন্য কেন্দ্রের কাছ থেকে টেলিযোগাযোগের অনুমোদন পেয়েছে। অন্য দু’টি সংস্থা হল ভারতী গোষ্ঠীর সমর্থনপুষ্ট ইউটেলস্যাট ওয়ানওয়েব এবং জিও স্যাটেলাইট কমিউনিকেশনস লিমিটেড। শেষের সংস্থাটি জিও প্ল্যাটফর্মসের সম্পূর্ণ মালিকানাধীন সহযোগী সংস্থা।

    তবে অনুমোদন পেলেই পরিষেবা চালু করা সম্ভব নয়। সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলিকে নির্দিষ্ট নিরাপত্তা সংক্রান্ত শর্ত পূরণ করতে হবে। স্যাটেলাইট পরিষেবার জন্য বেতার তরঙ্গ বরাদ্দ এবং বাণিজ্যিক পরিষেবা শুরুর আগে এই শর্তগুলি মেনে চলার বিষয়টি নিশ্চিত করা জরুরি। কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে, এই প্রক্রিয়ার অন্তর্গত নিরাপত্তা সংক্রান্ত মূল্যায়ন বর্তমানে চলছে (Ambani)।

    ‘একচেটিয়া আধিপত্য বজায় রাখতেই বাধা’

    বিতর্কের সূত্রপাত বুধবার। সোশ্যাল মিডিয়ায় এক ইউজারের পোস্টের জবাব দিতে গিয়ে মাস্ক অভিযোগ করেন, ভারতের কয়েক জন একচেটিয়া ক্ষমতাধর ব্যক্তি স্টারলিঙ্কের প্রবেশে বাধা সৃষ্টি করছেন।

    তিনি লেখেন, “দুর্ভাগ্যবশত, ভারতীয় জনগণের উপর নিজেদের একচেটিয়া আধিপত্য বজায় রাখার জন্য কয়েক জন ক্ষমতাধর ব্যক্তি আমাদের আটকে দিচ্ছেন। তাঁরা কারা, তা আপনারা অনুমান করতে পারেন… এটি ভারতের মানুষের বিরুদ্ধে অপরাধ!” মাস্কের এই অভিযোগের পর বৃহস্পতিবার সকালে বিবৃতি প্রকাশ করে কেন্দ্রীয় যোগাযোগ মন্ত্রক। সেখানে অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে উল্লেখ করা হয়।

    মন্ত্রকের বিবৃতিতে বলা হয়, “স্যাটেলাইট যোগাযোগ পরিষেবার ক্ষেত্রে ভারতের নিয়ন্ত্রক কাঠামোর নিরপেক্ষতা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে ইঙ্গিত করা হয়েছে যে, এই কাঠামো বৈষম্যমূলকভাবে প্রয়োগ করা হচ্ছে। স্যাটেলাইট যোগাযোগ পরিষেবা-সহ সমস্ত ধরনের টেলিযোগাযোগ পরিষেবার জন্য সরকার একটি ন্যায্য ও বৈষম্যহীন অনুমোদন কাঠামো চালু করেছে।”

    ‘সব আইন মেনেও কেন অনুমোদন মেলেনি?’

    কেন্দ্রের বিবৃতির পর বৃহস্পতিবার ফের সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব হন মাস্ক। তাঁর দাবি, ভারতের সমস্ত আইন ও সরকারি শর্ত মেনে চলার পরেও স্টারলিঙ্ক এখনও পরিষেবা চালুর চূড়ান্ত অনুমোদন পায়নি।

    তিনি লেখেন, “১৬৫টিরও বেশি দেশে স্টারলিঙ্ক অনুমোদিত। ভারতের সরকারের প্রতিটি আইন ও শর্ত মেনে চলার জন্য গত পাঁচ বছর ধরে আমরা কাজ করেছি। তা হলে এখনও অনুমোদন মিলছে না কেন? আম্বানিই কি ভারতের প্রকৃত বস?”

    শুক্রবারের পোস্টে মাস্ক আরও দাবি করেন, প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের সময়, যখন অন্যান্য যোগাযোগ ব্যবস্থা কাজ করা বন্ধ করে দেয়, তখন মানুষের জীবন বাঁচাতে স্টারলিঙ্ক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। তাঁর বক্তব্য, ভারতে স্টারলিঙ্ককে পরিষেবা চালানোর অনুমতি দেওয়া হলে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বহু পুরুষ, মহিলা ও শিশুর জীবন রক্ষা করতেও তা সাহায্য করতে পারে (Elon Musk)।

    সব মিলিয়ে, ভারতে স্যাটেলাইট ইন্টারনেট পরিষেবা চালুর অনুমোদন ঘিরে স্টারলিঙ্কের দাবি, কেন্দ্রের নিরাপত্তা সংক্রান্ত মূল্যায়ন এবং মাস্কের একচেটিয়া আধিপত্যের অভিযোগকে ঘিরে বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে। এহেন আবহে স্টারলিঙ্কের পরিষেবা কবে চালু হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয় (Ambani)।

     

  • Star link Elon Musk: স্টারলিঙ্ক নিয়ে মাস্কের দাবি ঠিক নয়! ‘ভারতীয় ব্যবস্থায় নেই কোনও বৈষম্য’ জানাল মোদি সরকার

    Star link Elon Musk: স্টারলিঙ্ক নিয়ে মাস্কের দাবি ঠিক নয়! ‘ভারতীয় ব্যবস্থায় নেই কোনও বৈষম্য’ জানাল মোদি সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্টারলিঙ্ককে (Star link Elon Musk) ভারতীয় বাজারে প্রবেশে ‘বাধার’ অভিযোগ উড়িয়ে দিল দিল্লি। স্পষ্ট করে দেওয়া হল, এ দেশে স্যাটেলাইট যোগাযোগ পরিষেবা-সহ সব ধরনের টেলিযোগাযোগ পরিষেবার জন্য একটি সুষ্ঠু এবং বৈষম্যহীন ব্যবস্থা রয়েছে। যদিও কেন্দ্রের বিবৃতিতে স্টারলিঙ্ক বা সংস্থার মালিক ইলন মাস্কের নামোল্লেখ করা হয়নি। তবে ভারতের যোগাযোগ মন্ত্রক জানিয়েছে, বৈষম্যের যে দাবি সমাজমাধ্যমে করা হচ্ছে তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।

    কী বলল যোগাযোগ মন্ত্রক

    এক বিবৃতিতে যোগাযোগ মন্ত্রক বলেছে, “সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি পোস্টে স্যাটেলাইট যোগাযোগ পরিষেবার ক্ষেত্রে ভারতের নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থার নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। এই ব্যবস্থার বৈষম্যমূলক প্রয়োগ হচ্ছে বলে দাবি করা হয়েছে।” এর পরেই দিল্লির স্পষ্ট বার্তা, “স্যাটেলাইট যোগাযোগ-সহ সব ধরনের টেলিযোগাযোগ পরিষেবা প্রদানকারীদের জন্য ভারতে একটি সুষ্ঠু এবং বৈষম্যহীন কাঠামো রয়েছে।” বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, পরিষেবার প্রদানের লাইসেন্স পাওয়া প্রতিটি সংস্থাকে নিরাপত্তা সংক্রান্ত শর্তাবলি মেনে চলতে হয়। সাধারণ ব্যবহারকারী এবং তাঁদের তথ্যের সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য নির্ধারিত মানদণ্ড রয়েছে, তা-ও বলা হয়েছে বিবৃতিতে। ২০২২ সাল থেকে অপেক্ষা করার পর গত বছরের জুনে ভারতীয় যোগাযোগ মন্ত্রকের ছাড়পত্র পায় স্টারলিঙ্ক। কেন্দ্র জানিয়েছে, স্যাটেলাইট-নির্ভর ইন্টারনেট পরিষেবার জন্য তিনটি সংস্থাকে লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে লাইসেন্সপ্রাপ্ত তিনটি সংস্থারই নিরাপত্তা সংক্রান্ত ব্যবস্থা যাচাইয়ের কাজ চলছে। এই প্রক্রিয়া শেষ হলেই কোনও লাইসেন্সপ্রাপ্ত সংস্থা স্পেকট্রাম বরাদ্দের জন্য পরবর্তী ধাপে এগোতে পারবে।

    মার্কিন ধনকুবের মাস্কের দাবি

    বুধবার রাতে এক্স হ্যান্ডলে একটি পোস্ট করেন মার্কিন ধনকুবের মাস্ক। সেখানে তিনি দাবি করেন, কিছু গোষ্ঠী তাঁর কৃত্রিম উপগ্রহভিত্তিক ইন্টারনেট পরিষেবা সংস্থা স্টারলিঙ্ককে ভারতীয় বাজারে প্রবেশে বাধা দিচ্ছে। কাদের বিরুদ্ধে তাঁর ‘অভিযোগ’, তা ওই পোস্টে স্পষ্ট করেননি মাস্ক। হেঁয়ালি করে লেখেন, “আপনারাই বুঝে নিন কারা বাধা দিচ্ছে।” মার্কিন ধনকুবেরের ওই পোস্টের পর পরই এ বার নিরপেক্ষ সরকারি কাঠামো স্পষ্ট করে দিল ভারত। বুধবার অপর এক পোস্টে মাস্ক লেখেন, “যে ভারতীয়রা বর্তমান বাজারদরে ইন্টারনেট পরিষেবা কিনতে পারছেন না, বা যাঁদের কাছে কোনওরকম ইন্টারনেট পরিষেবাই পৌঁছোচ্ছে না, ভারতে তাঁদের জন্য স্বল্প খরচে হাই-স্পিড ইন্টারনেট পরিষেবার ব্যবস্থা করবে স্টারলিঙ্ক।”

  • Trump: ফের মুখ ফসকে ভুল! প্রতিপক্ষকে কটাক্ষ করতে গিয়ে এবার নিজেই বিদ্রুপের নিশানায় ট্রাম্প

    Trump: ফের মুখ ফসকে ভুল! প্রতিপক্ষকে কটাক্ষ করতে গিয়ে এবার নিজেই বিদ্রুপের নিশানায় ট্রাম্প

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের ভুলত্রুটি তুলে ধরে জনসমর্থন আদায় করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Trump)। প্রতিপক্ষের সামান্য ভুল বা বিতর্কিত মন্তব্যকেও তিনি রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করেছেন বহুবার (Leon Musk)। অবশ্য সম্প্রতি উল্টে গিয়েছে পাশা! একের পর এক বক্তব্যে ট্রাম্প নিজেই একাধিক তথ্যগত বিভ্রান্তি ও মুখ ফসকে ভুল মন্তব্য করে সমালোচনার মুখে পড়েছেন। তাঁর এই ধারাবাহিক ভুলই এখন রাজনৈতিক মহলে জন্ম দিয়েছে নয়া বিতর্কের।

    ভুল নিয়ে বিরোধীদের করতেন কটাক্ষ (Trump)

    নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে ট্রাম্প জো বাইডেনের বিভিন্ন ভুলের একটি সংকলিত ভিডিও পর্যন্ত দেখিয়েছিলেন। ২০২৪ সালের নির্বাচনী প্রচারে বাইডেন একবার ট্রাম্প ও কমলা হ্যারিসের নাম গুলিয়ে ফেললে ট্রাম্প সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছিলেন, “দারুণ কাজ, জো!” আবার ওবামা একবার ভুল করে বলেছিলেন তিনি ৫৭টি অঙ্গরাজ্য সফর করেছেন। সেই সময় ট্রাম্প মন্তব্য করেছিলেন, “আমি যদি এমন কথা বলতাম, সেটাই বছরের সবচেয়ে বড় খবর হয়ে যেত।”

    একাধিক ভুলের জন্য খবরে ট্রাম্প

    এবার সেই একই ধরনের একাধিক ভুলের জন্য আলোচনায় উঠে এসেছেন ট্রাম্প নিজেই। সম্প্রতি ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির পাশে বসে মাত্র দশ মিনিটের মধ্যেই তিনি তিনটি উল্লেখযোগ্য ভুল করেন। ইরানের প্রসঙ্গ তুলতে গিয়ে দেশটিকে “জাপানের ইসলামি প্রজাতন্ত্র” বলে উল্লেখ করেন। এরপর ইরানের পরমাণু চুক্তির সংক্ষিপ্ত রূপও ভুল উচ্চারণ করেন। সবশেষে সাংবাদিকদের উদ্দেশে প্রশ্ন করেন, “প্রেসিডেন্ট পুতিনের জন্য কোনও প্রশ্ন আছে?” অথচ তাঁর পাশেই বসে ছিলেন জেলেনস্কি। উল্লেখযোগ্যভাবে, ২০২৪ সালের ন্যাটো সম্মেলনে বাইডেনও জেলেনস্কি এবং পুতিনের নাম গুলিয়ে ফেলেছিলেন। সেই ঘটনায় তখন সব চেয়ে বেশি সমালোচনা করেছিলেন ট্রাম্পই।

    ট্রাম্পের ভুল

    এর আগেও একাধিক অনুষ্ঠানে একই ধরনের ভুল করতে দেখা গিয়েছে ট্রাম্পকে। জুনে সংস্কার হওয়া রাষ্ট্রপতির বিশেষ বিমান পরিদর্শনের সময় শিল্পপতি ইলন মাস্ককে ভুল করে “লিয়ন” বলে ফেলেছিলেন ট্রাম্প। যদিও কিছুক্ষণ পরেই ভুল শুধরে নেন। ন্যাটো সম্মেলনের কয়েক দিন আগে হোয়াইট হাউসের এক অনুষ্ঠানে তিনি ক্ষুদ্র ব্যবসা প্রশাসনের প্রধান কেলি লফলারকে পরিচয় করাতে গিয়ে দু’বার জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী নিকি মিনাজের নাম উচ্চারণ করেন। একবার ভুলবশত এবং পরে আবার যেন ইচ্ছাকৃতভাবেই সেই নাম ব্যবহার করেন। মে মাসে ইন্ডিয়ানা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফুটবল দলের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ট্রাম্প জানতে চান দলের প্রধান প্রশিক্ষক কার্ট সিগনেটি কোথায়। অথচ সিগনেটি তখন তাঁর একেবারে পাশেই দাঁড়িয়ে ছিলেন (Trump)। ওই মাসে আফগানিস্তান থেকে ২০২১ সালে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার এবং কাবুল বিমানবন্দরে ১৩ জন মার্কিন সেনার মৃত্যুর জন্য তিনি প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাকে দায়ী করেন। যদিও ওবামা সরে গিয়েছিলেন ২০১৭ সালেই, সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছিল বাইডেনের আমলে (Leon Musk)।

    ভুল, আরও ভুল

    মে মাসেই তাইওয়ানকে ঘিরে চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের মন্তব্য সম্পর্কে এক প্রশ্নের উত্তরে ট্রাম্প সেটিকে ইরান সংক্রান্ত প্রশ্ন ভেবে উত্তর দেন এবং “তাদের (হরমুজ) প্রণালী” নিয়ে মন্তব্য করেন। এপ্রিলে এক সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেছিলেন, “ইউক্রেন সামরিকভাবে পরাজিত।” কিন্তু পরে বক্তব্যের প্রেক্ষাপট থেকে স্পষ্ট হয়, তিনি আসলে ইরানের নৌবাহিনী ও যুদ্ধজাহাজের সংখ্যা নিয়ে কিছু বলতে চেয়েছিলেন (Trump)। ওই মাসেই নারী ইতিহাস মাস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র ক্যারোলাইন লেভিটকে পরিচয় করাতে গিয়ে তাঁর পরিবর্তে কেলিয়ান কনওয়ের নাম বলেছিলেন ট্রাম্প। জানুয়ারিতে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের দাভোস বৈঠকে ট্রাম্প বারবার গ্রিনল্যান্ডের পরিবর্তে আইসল্যান্ডের নাম উচ্চারণ করেন। অথচ গ্রিনল্যান্ড নিয়েই তিনি দীর্ঘদিন ধরে নিজের ভূ-রাজনৈতিক পরিকল্পনার কথা বলে আসছেন। গত নভেম্বরে মায়ামিতে এক ভাষণে ট্রাম্প শহরটিকে “দক্ষিণ আফ্রিকা” থেকে পালিয়ে আসা মানুষের আশ্রয়স্থল বলে উল্লেখ করেছিলেন। পরে অবশ্য নিজেকে শুধরে নিয়ে “দক্ষিণ আমেরিকা” বললেও, আবারও ফিরে যান “দক্ষিণ আফ্রিকা” প্রসঙ্গে।

    প্রতিপক্ষকেই অস্ত্র তুলে দিচ্ছেন ট্রাম্প!

    গত বছরই দু’বার ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, আজারবাইজান ও আলবেনিয়ার মধ্যে সংঘাত মেটানোর কৃতিত্ব তাঁর। যদিও ওই দুই দেশের মধ্যে এমন কোনও যুদ্ধই হয়নি। বাস্তবে তিনি যে সংঘাতের কথা বলতে চেয়েছিলেন, সেটি হয়েছিল আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার মধ্যে (Trump)। এদিকে, এই অগাস্টেই রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠকের আগে ট্রাম্প দু’বার প্রকাশ্যে বলেন, তিনি রাশিয়ায় যাচ্ছেন। যদিও বৈঠকটি হওয়ার কথা আলাস্কায়, যা উনিশ শতকের ছয়ের দশক থেকে আর রাশিয়ার অংশ নয় (Leon Musk)। ট্রাম্প অতীতে প্রতিপক্ষদের একই ধরনের ভুল নিয়ে তীব্র কটাক্ষ করলেও, সাম্প্রতিক ধারাবাহিক এই বিভ্রান্তিকর মন্তব্য ও নাম গুলিয়ে ফেলার ঘটনাগুলি এখন নতুন নতুন অস্ত্র তুলে দিচ্ছে তাঁর রাজনৈতিক সমালোচকদের হাতেই (Trump)।

     

  • Elon Musk: বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নেয়ার ইলন মাস্ক, রেকর্ড গড়ে শেয়ার বাজারে পা রাখল স্পেসএক্স, মূল্যায়ন ছাড়াল ২ লক্ষ কোটি ডলার

    Elon Musk: বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নেয়ার ইলন মাস্ক, রেকর্ড গড়ে শেয়ার বাজারে পা রাখল স্পেসএক্স, মূল্যায়ন ছাড়াল ২ লক্ষ কোটি ডলার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহাকাশ গবেষণা ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) খাতের শীর্ষ জায়ান্ট ‘স্পেসএক্স’ (SpaceX) বিশ্ব শেয়ার বাজারে তাদের প্রথম পা রেখেই এক ঐতিহাসিক মাইলফলক তৈরি করেছে। বৃহস্পতিবার ইতিহাসের বৃহত্তম ‘আইপিও’ (Initial Public Offering) বা প্রাথমিক গণপ্রস্তাব সম্পন্ন করে নাসদাক (Nasdaq) এবং নাসদাক টেক্সাসে এসপিসিএস্ক (SPCX) টিকারে তালিকাভুক্ত হয়েছে ইলন মাস্কের এই প্রতিষ্ঠানটি।

    শেয়ারের দাম ২২ শতাংশেরও বেশি বেড়ে ১৬৫ ডলারে পৌঁছায় (Elon Musk)

    আইপিও-তে প্রতিটি শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছিল ১৩৫ ডলার। এর মাধ্যমে রেকর্ড ৭৫ বিলিয়ন ডলার পুঁজি সংগ্রহ করে স্পেসএক্স (SpaceX), যার ফলে শুরুতেই কোম্পানির মোট বাজার মূল্যায়ন দাঁড়ায় প্রায় ১.৭৭ ট্রিলিয়ন ডলার।

    শুক্রবার সকালে বাজার খোলার পর থেকেই স্পেসএক্সের শেয়ারের ব্যাপক চাহিদা দেখা যায়। প্রথম দিনেই শেয়ারের দাম ২২ শতাংশেরও বেশি বেড়ে ১৬৫ ডলারে পৌঁছায়। এর ফলে কোম্পানির সামগ্রিক বাজার মূল্য ২ ট্রিলিয়ন (২ লাখ কোটি) ডলারের গণ্ডি ছাড়িয়ে যায়, যা বিশ্বের একাধিক বড় বড় কর্পোরেট সংস্থাকে পেছনে ফেলে দিয়েছে। আর এই অভাবনীয় সাফল্যের হাত ধরেই স্পেসএক্সের প্রধান ইলন মাস্ক (Elon Musk) বিশ্বের প্রথম অফিশিয়াল ‘ট্রিলিয়নেয়ার’ (১ লাখ কোটি ডলারের মালিক) হিসেবে ইতিহাসে নাম লেখালেন।

    শুক্রবার সকালে শেয়ার বাজারের উদ্বোধনী ঘণ্টা বাজিয়ে এই ঐতিহাসিক যাত্রার সূচনা করেন ইলন মাস্ক এবং স্পেসএক্সের প্রেসিডেন্ট ও সিওও (COO) গোয়েন শটওয়েল। এ সময় মাস্ক টেক্সাস থেকে এবং শটওয়েল নিউ ইয়র্কের নাসদাক কেন্দ্র থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত ছিলেন।

    মোট রাজস্ব আয় ১৮.৭ বিলিয়ন ডলার

    ২০০২ সালে যখন স্পেসএক্স যাত্রা শুরু করেছিল, তখন মানবজাতিকে বহু-গ্রহের বাসিন্দা (multiplanetary) করার স্বপ্নকে অনেকেই দুঃসাহসিক বা অসম্ভব বলে মনে করেছিলেন। গত দুই দশকে পুনর্ব্যবহারযোগ্য রকেট তৈরি, লাখ লাখ গ্রাহকের কাছে স্টারলিংক স্যাটেলাইট ইন্টারনেট পৌঁছে দেওয়া এবং মার্কিন সরকারের লাভজনক সব চুক্তি হাতিয়ে নিয়ে মহাকাশ শিল্পকে সম্পূর্ণ বদলে দিয়েছে এই সংস্থা (Elon Musk)। যদিও সাম্প্রতিক ত্রৈমাসিকগুলোতে কোম্পানিটি কিছুটা পরিচালন লোকসানের মুখোমুখি হয়েছিল, তবুও মূলত স্টারলিংক এবং রকেট উৎক্ষেপণ সেবার অভাবনীয় বৃদ্ধির ওপর ভর করে গত বছর তাদের মোট রাজস্ব আয় ১৮.৭ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছিল।

    দ্বিতীয় শীর্ষ ধনীর তুলনায় প্রায় তিন গুণ বেশি সম্পত্তির মালিক মাস্ক

    ১২ জুন শেয়ার বাজারে লেনদেন শুরু হতেই ইলন মাস্কের সম্পদ এক ধাক্কায় ট্রিলিয়ন ডলারের সীমা অতিক্রম করে। স্পেসএক্সের (SpaceX) সিংহভাগ মালিকানার পাশাপাশি টেসলা এবং অন্যান্য লাভজনক সংস্থায় মাস্কের যে শেয়ার রয়েছে, তা মিলিয়ে বর্তমানে কাগজে-কলমে তাঁর মোট সম্পদের পরিমাণ ১ ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি। এই বিশাল অঙ্কের সম্পদ বিশ্বের অধিকাংশ দেশের মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপির (GDP) চেয়েও বেশি। বর্তমানে বিশ্বের দ্বিতীয় শীর্ষ ধনী গুগলের প্রতিষ্ঠাতা ল্যারি পেজ যার সম্পদ প্রায় ৩০০ বিলিয়ন ডলার। সেই হিসাবে মাস্ক (Elon Musk) এখন দ্বিতীয় শীর্ষ ধনীর তুলনায় প্রায় তিন গুণ বেশি সম্পদের মালিক।

    মঙ্গলে মানব অভিযান ও স্যাটেলাইট প্রযুক্তি প্রধান উদ্দেশ্য

    আন্তর্জাতিক বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, সাধারণ বিনিয়োগকারী ও বড় বড় প্রাতিষ্ঠানিক ফান্ডের তুমুল আগ্রহের কারণেই স্পেসএক্সের আইপিও এতটা সফল হয়েছে। কোম্পানির শেয়ারের আবেদন বা সাবস্ক্রিপশন নির্ধারিত সীমার চেয়ে কয়েক গুণ বেশি ছিল। এই লিস্টিংয়ের ফলে স্পেসএক্সের শুরুর দিকের কর্মকর্তা ও কর্মীরাও বিপুল আর্থিক রিটার্ন পেতে চলেছেন, যা কোম্পানির ভেতরেই হাজার হাজার নতুন মিলিওনেয়ার তৈরি করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    তবে ইলন মাস্কের (Elon Musk) লক্ষ্য কেবল বাণিজ্যিক মুনাফায় সীমাবদ্ধ নয়। তিনি স্পষ্ট বলেছেন, “মঙ্গলে মানব অভিযান এবং স্যাটেলাইট প্রযুক্তির আরও আধুনিকায়নের জন্য বিপুল পুঁজি সংগ্রহ করতেই স্পেসএক্সকে শেয়ার বাজারে আনা হয়েছে। আগামী দিনে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতির জন্য মহাকাশের কক্ষপথে ১ লাখেরও বেশি স্যাটেলাইট স্থাপন এবং মহাশূন্যেই ‘আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ডেটা সেন্টার’ গড়ে তোলার মতো বড় সব পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর। শেয়ার বাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ায় একদিকে যেমন স্পেসএক্সের (SpaceX) তহবিল শক্তিশালী হলো, অন্যদিকে পাবলিক কোম্পানি হিসেবে এখন থেকে তাদের ব্যবসায়িক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতাও অনেক বৃদ্ধি পাবে।

  • India’s GDP: বিশ্ব অর্থনীতিতে চিনের পরই ভারত, তিনে আমেরিকা! মাস্কের মন্তব্য নিয়ে বিরোধীদের কটাক্ষ নির্মলার

    India’s GDP: বিশ্ব অর্থনীতিতে চিনের পরই ভারত, তিনে আমেরিকা! মাস্কের মন্তব্য নিয়ে বিরোধীদের কটাক্ষ নির্মলার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্ব অর্থনীতিতে আমেরিকার একছত্র আধিপত্য আর নয়! সদ্য প্রকাশিত বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধির রিপোর্ট সামনে আসার পর তেমনই ইঙ্গিত দিলেন ধনকুবের ইলন মাস্ক। ইন্টারন্যাশনাল মনিটরি ফান্ডের (IMF) রিপোর্টে দেখা গিয়েছে, বিশ্বের আর্থিক প্রবৃদ্ধিতে আমেরিকাকে ছাপিয়ে গিয়েছে ভারত। এই ঘটনায় প্রশংসার সুরেই টেসলা ও স্পেসএক্স প্রধান ইলন মাস্কের দাবি, ‘অবশেষে ক্ষমতার ভারসাম্য বদলাচ্ছে।’ মাস্কের মতে বিশ্ব অর্থনীতিতে এক গভীর পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে। ২০২৬ সালে গোটা বিশ্বের সম্ভাব্য আর্থিক প্রবৃদ্ধি ও তাতে সবচেয়ে বেশি যোগদান রাখা ১০টি দেশের তালিকা প্রকাশ করে আইএমএফ। সেই রিপোর্টেই দেখা গিয়েছে, ডলারের দেশ আমেরিকাকে ছাপিয়ে বিশ্ব তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে ভারত। বিশ্বের জিডিপিতে ভারতের অংশীদারিত্ব হতে চলেছে ১৭.০ শতাংশ। এই তথ্য সামনে রেখে বাজেট অধিবেশনের পর বিরোধীদের এক হাত নিয়েছেন নির্মলা।

    আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF)-এর সাম্প্রতিক তথ্য

    আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF)-এর সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালে বৈশ্বিক প্রকৃত জিডিপি বৃদ্ধিতে অবদানের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রকে পেছনে ফেলেছে ভারত। আইএমএফ-এর পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৬ সালে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ১৭ শতাংশ অবদান রাখবে ভারত। আমেরিকার (৯.৯ শতাংশ) ঠাঁই হয়েছে তালিকার তৃতীয় স্থানে। এই তালিকায় সবার উপরে রয়েছে চিন। বিশ্ব জিডিপিতে তাদের যোগদান হতে চলেছে ২৬.৬ শতাংশ। পাশাপাশি এই তালিকায় রয়েছে ইন্দোনেশিয়া (৩.৮%), তুরস্ক (২.২%), নাইজেরিয়া (১.৫%), ব্রাজিল (১.৫%), ভিয়েতনাম(১.৬%), সৌদি আরব (১.৭%), জার্মানি (০.৯%)। অর্থাৎ রিপোর্টে স্পষ্ট যে বিশ্ব অর্থনীতিতে সবচেয়ে বেশি আর্থিক যোগদান হতে চলেছে এশিয়ার দুই দেশ চিন ও ভারতের। যৌথভাবে দুই দেশের যোগদান হতে চলেছে ৪৩.৬ শতাংশ। অর্থাৎ গোটা বিশ্বের প্রায় অর্ধেক আর্থিক কার্যকলাপ পরিচালিত হচ্ছে চিন ও ভারতে। দীর্ঘ বছর ধরে যার কেন্দ্র ছিল আমেরিকা ও ইউরোপ বেষ্টিত।

    আমেরিকার দাদাগিরি আর কতদিন

    সোশাল মিডিয়ায় এই রিপোর্ট তুলে ধরেই ইলন মাস্ক লেখেন, ‘অবশেষে বিশ্বে পরিবর্তিত হচ্ছে ক্ষমতার ভারসাম্য।’ উল্লেখ্য, ইলন মাস্কের এহেন মন্তব্য এমন সময়ে সামনে এল যখন শুধুমাত্র আমেরিকার দাদাগিরির জেরে গোটা বিশ্বের অর্থনীতি চরম অস্থিরতার মধ্যে রয়েছে। নানা কূটনৈতিক সংঘাতের জেরে বিশ্বের দেশগুলির উপর আরোপ করা হচ্ছে কড়া শুল্ক। চিন ও ভারতের উপর সবচেয়ে বেশি শুল্ক আরোপ করেছে আমেরিকা। এবার আইএমএফের রিপোর্টেই জানা গেল, গোটা বিশ্বে আর্থিক প্রবৃদ্ধিতে সবচেয়ে বেশি যোগদান সেই চিন ও ভারতের।

    ইলন মাস্কের মন্তব্যের তাৎপর্য

    ইলন মাস্কের এই মন্তব্যকে নিছক প্রতিক্রিয়া হিসেবে দেখছেন না বিশ্লেষকরা। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে তিনি দু’বার ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন, ভারতে টেসলার উৎপাদন কেন্দ্র স্থাপনের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখেছেন এবং ১৪০ কোটির বাজারে চীনের মতো সাফল্যের পুনরাবৃত্তির সম্ভাবনা পর্যবেক্ষণ করছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এমন সময়েই মাস্ক ভারতের অর্থনৈতিক উত্থানের দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন, যখন টেসলার পশ্চিমি বাজারে বিক্রি শ্লথ। চিনে টেসলার গতি কমেছে, ইউরোপ জটিল নিয়ন্ত্রক সমস্যায় আটকে। এই প্রেক্ষাপটে আইএমএফ কর্তৃক ভারতের ৬.৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি পূর্বাভাস মাস্কের মতো শিল্পপতিদের কাছে স্বাভাবিকভাবেই আকর্ষণীয়।

    পশ্চিমি অর্থনীতির স্থবিরতা, উদীয়মান দেশের উত্থান

    আইএমএফ-এর তথ্য বলছে, ২০২৬ সালে জার্মানির অবদান বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধিতে মাত্র ০.৯ শতাংশ। গোটা ইউরোজোন মিলিয়ে অবদান মাত্র ২ শতাংশ। উন্নত অর্থনীতিগুলির গড় প্রবৃদ্ধি যেখানে ১.৮ শতাংশ, সেখানে উদীয়মান বাজারগুলির প্রবৃদ্ধি হার ৪.২ শতাংশ—যা বছর বছর ব্যবধান আরও বাড়াচ্ছে। ভারতের পাশাপাশি ইন্দোনেশিয়া (৩.৮%), তুরস্ক (২.২%), ভিয়েতনাম (১.৬%) এই তালিকায় উল্লেখযোগ্য স্থান দখল করেছে। আশ্চর্যজনকভাবে, নাইজেরিয়ার ১.৫ শতাংশ অবদান অনেক ইউরোপীয় দেশের সম্মিলিত অবদানকেও ছাড়িয়ে গেছে।

    জনসংখ্যা নয়, উৎপাদনই চালিকাশক্তি

    আইএমএফ জানিয়েছে, ভারতের প্রবৃদ্ধির মূল চালিকা শক্তি রফতানি নয়, বরং অভ্যন্তরীণ চাহিদা ও উৎপাদন। ২০২৫ সালে দেশের পরিকাঠামো খাতে বিনিয়োগ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বৈশ্বিক বাণিজ্য শ্লথ থাকলেও ভারতের উৎপাদন খাত গতি ধরে রেখেছে। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রিত থাকায় ভোক্তা চাহিদাও স্থিতিশীল। অর্থনীতিবিদদের মতে, মাস্কের মন্তব্য আসলে দীর্ঘদিন ধরে চলা এক নীরব বাস্তবতার প্রকাশ—বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধির কেন্দ্র ধীরে ধীরে পশ্চিম থেকে সরে এশিয়া ও উদীয়মান অর্থনীতির দিকে যাচ্ছে।

    বিরোধীদের সচেতন করলেন অর্থমন্ত্রী

    বিশ্ব অর্থনীতিতে ভারতের (India) ক্রমবর্ধমান ভূমিকা নিয়ে জোর দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনও (Nirmala Sitharaman)। বাজেট ২০২৬-২৭ (Budget 2026-27) পেশের পর সংসদ ভবনে যুব সংলাপের (Youth Dialogue) মঞ্চে ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি তুলে ধরলেন আন্তর্জাতিক মুদ্রা ভাণ্ডারের (IMF) সাম্প্রতিক হিসেব। ‘ওয়াও’ মন্তব্য করলেন ইলন মাস্ক। উদ্ধৃত করে বক্তব্য রাখলেন অর্থমন্ত্রী। তিনি জানান, সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকে হয়তো দেখেছেন, মাস্ক আইএমএফ–এর ডেটা শেয়ার করে আশ্চর্য হয়ে লেখেন, “ওয়াও, এটা সত্যি?” অর্থমন্ত্রী বলেন, “আমি ঠিক মনে করতে পারছি না তিনি ‘ওয়াও’ বলেছেন, না অন্য কিছু বলেছেন। কিন্তু আইএমএফ–এর তথ্য তুলে তিনি ভারতের অবদান নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন।” মাস্কের মন্তব্যকে উদ্ধৃত করে বিরোধীদের একহাত নেন অর্থমন্ত্রী। তাঁর সাফ বক্তব্য, “আমি তো সংসদে বলবই। কিন্তু দেশের বিরোধীদের (Opposition) বোঝা উচিত, এখন ভারত যে জায়গায় দাঁড়িয়ে— তা শক্তির পরিচয়। আমরা চিনের পরেই। ব্যবধান হয়তো একটু বেশি— ২৬ আর ১৭। কিন্তু আমরা এটা কমিয়ে আনব।”

  • Elon Musk: ইতিহাসের সামনে মাস্ক! ট্রিলিয়নিয়ার হওয়ার দোরগোড়ায় টেসলার সিইও

    Elon Musk: ইতিহাসের সামনে মাস্ক! ট্রিলিয়নিয়ার হওয়ার দোরগোড়ায় টেসলার সিইও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইতিহাস গড়ার পথে ইলন মাস্ক। বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তিদের তালিকার শীর্ষে থাকা টেসলার সিইও এবার ট্রিলিয়নিয়ার হওয়ার দোরগোড়ায় পৌঁছে গিয়েছেন। টেসলার শেয়ারহোল্ডাররা সম্প্রতি মাস্কের জন্য এক বিশাল বোনাস পরিকল্পনা অনুমোদন করেছেন, যা তাঁকে বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়ন ডলারের ব্যক্তি করে তুলতে পারে। বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত বৈঠকে প্রায় ৭৫ শতাংশ শেয়ারহোল্ডার এই পরিকল্পনাকে সমর্থন করেন। বৈঠকে মাস্ক বলেন, “আমরা যে পর্যায়ে পৌঁছতে যাচ্ছি, তা শুধু টেসলার ভবিষ্যতের একটি নতুন অধ্যায় নয়, বরং একটি সম্পূর্ণ নতুন বই।”

    কর্পোরেট ইতিহাসের সবচেয়ে বড় প্যাকেজ

    টেসলার এই নতুন বেতন কাঠামো অনুযায়ী, যদি মাস্ক কোম্পানির নির্ধারিত দীর্ঘমেয়াদি কর্মক্ষমতা লক্ষ্য অর্জন করতে পারেন, তাহলে তিনি ১ ট্রিলিয়ন ডলার পর্যন্ত আয় করতে পারবেন। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, মাস্ক কোনো নিয়মিত বেতন গ্রহণ করেন না — তার আয় পুরোপুরি স্টক অপশনের ওপর নির্ভরশীল। নতুন এই প্যাকেজের আওতায় আগামী দশকে তিনি টেসলার প্রায় ৪২৩.৭ মিলিয়ন শেয়ার পেতে পারেন। যদি কোম্পানির বাজারমূল্য ৮.৫ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছে যায়, তাহলে মাস্কের আয় প্রায় ১ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছবে।

    টেসলার কাছে চ্যালেঞ্জ

    চলতি আর্থিক বছরে (পড়ুন ২০২৫-’২৬) এখনও পর্যন্ত টেসলা যে দুর্দান্ত ব্যবসা করেছে, এমনটা নয়। কারণ সাম্প্রতিক সময়ে নানা কারণে কমেছে ইলেকট্রিক ভেহিকেল বা ইভির চাহিদা। এর প্রভাব টেসলার ব্যবসায় পড়েছে। সেখান থেকে সংস্থাকে কী ভাবে মাস্ক সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যান, সেটাই এখন দেখার। বিশেষজ্ঞদের মতে, টেসলার এই লক্ষ্য পূরণ করতে হলে কোম্পানির শেয়ারমূল্য বর্তমান স্তর থেকে প্রায় ৪৬৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেতে হবে। যদি সেটাই ঘটে, তাহলে টেসলা এনভিডিয়াকে ছাড়িয়ে বিশ্বের সবচেয়ে মূল্যবান কোম্পানির আসনে বসবে। অর্থাৎ, মাস্কের সম্পদও নতুন উচ্চতায় পৌঁছবে। অনুমান করা হচ্ছে, যদি মাস্ক এই প্যাকেজের ১২টি কিস্তির সবকটিই পান, তাহলে তার দৈনিক আয় হবে প্রায় ২৭৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এই বেতন পরিকল্পনাকে ইতিমধ্যেই কর্পোরেট ইতিহাসের সবচেয়ে বড় প্যাকেজ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

    লগ্নিকারীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা

    গত বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর স্টকে লগ্নিকারীদের নিয়ে বার্ষিক সভার আয়োজন করে টেসলা। সেখানে মাস্কের স্টক-ভিত্তিক ক্ষতিপূরণ পরিকল্পনার পক্ষে ভোট দেন ৭৫ শতাংশ শেয়ার হোল্ডার। বাকি ১৫ শতাংশ শেয়ারের মালিকানা অবশ্য রয়েছে টেসলার সিইও-র হাতেই। এই ভোটাভুটির পর তাঁর বিপুল বেতনে সংস্থার পরিচালন গোষ্ঠীর যে সিলমোহর পড়তে চলেছে, তা একরকম স্পষ্ট হয়ে যায়। ভোটাভুটি শেষ হতেই মাস্কের নামে জয়ধ্বনি দেন টেসলার শেয়ার হোল্ডারেরা। আর তাই সভাশেষের ভাষণে তাঁদেরও কৃতজ্ঞতায় ভরিয়ে দেন মার্কিন ধনকুবের।

    আগামী এক দশকে আরও কয়েকজন ট্রিলিয়নিয়ার

    বিশ্বে আগামী এক দশকে আরও কয়েকজন ট্রিলিয়নিয়ার উঠে আসতে পারেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য নামগুলো হল—

    এনভিডিয়া সিইও জেনসেন হুয়াং, যার কোম্পানি সম্প্রতি ৫ ট্রিলিয়ন ডলার মার্কেট ক্যাপ ছুঁয়েছিল,

    ভারতের গৌতম আদানি,

    ইন্দোনেশিয়ার প্রাজোগো পাংগেস্তু,

    অ্যামাজনের জেফ বেজোস,

    অরাকলের ল্যারি এলিসন,

    মেটার মার্ক জাকারবার্গ,

    এবং এলভিএমএইচের বার্নার্ড আরনল্ট।

     

  • Elon Musk: পক্ষপাতদুষ্ট উইকিপিডিয়া থেকে মুক্তি! এলন মাস্ক আনলেন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাযুক্ত ‘গ্রোকিপিডিয়া’

    Elon Musk: পক্ষপাতদুষ্ট উইকিপিডিয়া থেকে মুক্তি! এলন মাস্ক আনলেন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাযুক্ত ‘গ্রোকিপিডিয়া’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাইক্রো-ব্লগিং প্ল্যাটফর্ম এক্স (সাবেক ট্যুইটার)-এর এআই চ্যাটবট ‘গ্রোক’ দ্বারা অনুপ্রাণিত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন অনলাইন এনসাইক্লোপিডিয়া ‘গ্রোকিপিডিয়া’ বাজারে আনলেন সংস্থার কর্তা বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি এলন মাস্ক (Elon Musk)। এই গ্রোকিপিডিয়াকে বহুল-প্রচলিত উইকিপিডিয়ার একটি বিকল্প হতে চলেছে বলে মনে করা হচ্ছে। এলন মাস্ক বলেছেন, ‘‘গ্রোকিপিডিয়া (Grokipedia) কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি সত্য-নির্ভর প্ল্যাটফর্ম হবে। উইকিপিডিয়ার মতো পক্ষপাতদুষ্ট নয়।’’

    ৮৮ হাজার ৫০০টি নিবন্ধ উপলব্ধ (Elon Musk)

    এক অভিযোগের প্রেক্ষিতে উইকিপিডিয়ার বিরুদ্ধে এলন মাস্ক (Elon Musk) বলেন, “অনলাইন বিশ্বকোষটি হতাশাজনক ভাবে পক্ষপাতদুষ্ট। যদিও গ্রোকিপিডিয়ার (Grokipedia) বিষয়বস্তু উইকিপিডিয়া এবং ব্রিটানিকার মতো বিশ্বকোষের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। বর্তমানে আমাদের প্রযুক্তি উক্ত বিষয়বস্তুর একটি অংশকেই ধারণ করে। এই প্ল্যাটফর্মে প্রায় ৮৮ হাজার ৫০০টি নিবন্ধ উপলব্ধ রয়েছে। আগামী দিনে এই পরিসর আরও বাড়বে।

    উইকিপিডিয়া-গ্রোকিপিডিয়ার ফলাফলে পার্থক্য

    সাধারণত, উইকিপিডিয়ায় অত্যন্ত পক্ষপাতদুষ্ট এবং বামপন্থী, সেকুলারপন্থী মতাদর্শকে এর বিষয়বস্তুতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এই পদ্ধতি বিশ্বকোষ হওয়ার নীতির বিরুদ্ধে যায়। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, উইকিপিডিয়া অনুসারে, লিঙ্গ হল একজন পুরুষ (বা ছেলে), মহিলা (বা মেয়ে), বা তৃতীয় লিঙ্গ হওয়ার সামাজিক, মানসিক, সাংস্কৃতিক এবং আচরণগত দিকগুলির পরিসরে মানুষ। অপর দিকে গ্রোকিপিডিয়া (Grokipedia) এটিকে যেমনটি হওয়া উচিত তেমন সংজ্ঞায়িত করে। তাতে বলে এটি জৈবিক লিঙ্গের উপর ভিত্তি করে পুরুষ বা মহিলা হিসাবে বংশবিস্তার এবং সন্তান ধারণের বাস্তব জ্ঞানে সংজ্ঞায়িত। উভয়ের বিশ্লেষণ পদ্ধতির মধ্যে পার্থক্য হল, উইকিপিডিয়া ফলাফল দেখায় মত ও আদর্শ মেনে। অপরে গ্রোকিপিডিয়া ফলাফল দেখায় তথ্যের উপর ভিত্তি করে।

    গ্রোকিপিডিয়ার (Grokipedia) কন্টেন্টগুলি একই বৃহৎ ভাষা মডেল দ্বারা তৈরি করা হয়েছে যা এক্স-এ গ্রোক চ্যাটবট দ্বারা নির্ভর করে তৈরি হয়। লাইভ ব্যবহারকারীর ডেটা অ্যাক্সেস করতে পারে, যা ক্রমাগত আপডেটের অপশনও দেবে। তবে বর্তমান ব্যবহারকারীরা উইকিপিডিয়ার মতো গ্রোকিপিডিয়ার কন্টেন্ট সম্পাদনা করতে পারবেন না। ত্রুটিযুক্ত লেখা নির্বাচন করতে পারবে। ব্যবহারকারীরা ত্রুটি বা ভুল বোতামে ক্লিক করতে পারবেন। সঠিক তথ্য এবং উৎসসূত্র সহ নানা তথ্য প্রদান করা যাবে। কন্টেন্টের পরিবর্তন তাৎক্ষণিক হবে না। তবে বর্তমানে গ্রোকিপিডিয়ার কেবলমাত্র পরীক্ষার পর্যায়ে রয়েছে।

LinkedIn
Share