Tag: Emmanuel macron

Emmanuel macron

  • PM Modi: জয়পুরে রোড শো মোদির, দোসর প্রজাতন্ত্র দিবসের অতিথি মাক্রঁ

    PM Modi: জয়পুরে রোড শো মোদির, দোসর প্রজাতন্ত্র দিবসের অতিথি মাক্রঁ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দোরগোড়ায় লোকসভা নির্বাচন। তার আগে রাজস্থানের জয়পুরে রোড-শো করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তাঁর সঙ্গে ছিলেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রঁ। দু’ দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে ভারতে এসেছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট। মোদি ও মাক্রঁর যুগলবন্দি দেখতে রাস্তার দু’পাশে তিল ধারণের জায়গা ছিল না। জনতার উদ্দেশে হাত নাড়েন ফরাসি প্রেসিডেন্ট। রোড-শোর পুরো রাস্তাটায় তাঁদের ওপর পুষ্পবৃষ্টি করে জনতা।

    যন্তর-মন্তরে মাক্রঁ

    রোড-শোর পরে দুই রাষ্ট্রপ্রধান চলে যান হওয়া মহল দর্শন করতে। ১৭৯৯ সালে তৈরি হয় এই মহল। জয়পুরের রয়্যাল সিটি প্যালেসেই রয়েছে এই মহল। এখানে বসেই বায়ুসেবন করতেন রাজ পরিবারের সদস্যরা। রোড শো শুরুর আগে ফরাসি প্রেসিডেন্ট চলে আসেন জয়পুরের যন্তর-মন্তরে। সেখানে তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। দু’জনেই দু’জনকে শুভেচ্ছাও জানান। তার পরেই তাঁরা চলে যান যন্তর-মন্তর দর্শনে। ২০১০ সালের জুলাই মাসে যন্তর-মন্তরকে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট ঘোষণা করে ইউনেসকো। যন্তর-মন্তর প্রতিষ্ঠা করেছিলেন মহারাজ সাওয়াই জয় সিংহ। এটি একটি বিখ্যাত সোলার অবজার্ভেটরি।

    অম্বর দুর্গে মাক্রঁ

    জয়পুরের অম্বর দুর্গ আগেই দেখেছিলেন মাক্রঁ।  সেখানে উপস্থিত স্কুল পড়ুয়াদের সঙ্গেও আলাপ করেন তিনি। অম্বর দুর্গেই তিনি সাক্ষাৎ করেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে। রাজস্থানের উপ মুখ্যমন্ত্রী দিয়া কুমারীও উপস্থিত ছিলেন সেখানে। ছবি তুলতে দিয়া কুমারী ও জয়শঙ্করের সঙ্গে পোজও দেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট। পায়ে হেঁটে পুরো রাজপ্রাসাদটি ঘুরে দেখেন মাক্রঁ। জানেন দুর্গের ইতিহাস। রাজস্থানী পেন্টিং এবং শিল্পকীর্তিরও প্রশংসা করেন মাক্রঁ। অম্বর দুর্গ যাঁরা তৈরি করেছিলেন, সেই সব শিল্পীদেরও ভূয়সী প্রশংসা করেন তিনি।

    প্রসঙ্গত, ৭৫তম প্রজাতন্ত্র দিবসে প্রধান অতিথি এবার মাক্রঁ। শুক্রবার নয়াদিল্লির অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন তিনি। প্রসঙ্গত, ফ্রান্সই একমাত্র দেশ, যেখান থেকে প্রধান অতিথি হিসেবে এই অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ভারতে এসেছেন সে দেশের ৫ জন রাষ্ট্রপ্রধান। যদিও এসেছেন ছ বার (একজন প্রেসিডেন্ট এসেছিলেন দু’ বার)। গত বছর ১৪ জুলাই বাস্তিল দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ফ্রান্সে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। গত বছরই ঠিক হয়, প্রজাতন্ত্র দিবসেব অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হবে ফরাসি প্রেসিডেন্টকে। সেই মতো জানানো হয় আমন্ত্রণ। এ বছর ভারত-ফ্রান্স কৌশলগত অংশীদারিত্বের ২৫ বছর পূর্তি (PM Modi)।

      

    আরও পড়ুুন: মেডিকেলে ভর্তি দুর্নীতির তদন্ত করবে সিবিআই, জানালেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Republic Day: প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ফরাসি প্রেসিডেন্ট মাক্রঁ!

    Republic Day: প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ফরাসি প্রেসিডেন্ট মাক্রঁ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার প্রজাতন্ত্র দিবসের (Republic Day) অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হচ্ছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রঁ। আগে এই প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে। তবে জানুয়ারিতে ভারতে আসতে পারবেন না বলেই জানিয়েছেন তিনি। তার পরেই আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে মাক্রঁকে।

    প্রজাতন্ত্র দিবসে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট

    এর আগে আরও পাঁচবার প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হয়ে এসেছিলেন ফ্রান্সের বিভিন্ন প্রেসিডেন্ট। ১৯৭৬ সালে এসেছিলেন ফ্রান্সের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জ্যাক শিরাক। ১৯৮৮ সালেও এসেছিলেন তিনি। ১৯৮০ সালে এসেছিলেন তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ভ্যালেরি গিসকার্ড ডি’ইস্টাইং। ২০০৮ সালে প্রধান অতিথির সম্মান দেওয়া হয়েছিল তৎকালীন ফরাসি প্রেসিডেন্ট নিকোলাস সারকোজিকে। ২০১৬ সালে এসেছিলেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ফ্রাঁসোয়া ওলাঁদে। মাক্রঁ এলে তিনি হবেন ফ্রান্সের পঞ্চম প্রেসিডেন্ট, যিনি সম্মানিত হবেন প্রজাতন্ত্র দিবসের (Republic Day) অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির পদ অলঙ্কৃত করে।  

    ‘সারে জাঁহা সে আচ্ছা’  

    প্রসঙ্গত, নতুন বছরের গোড়ার দিকে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেও। সম্ভবত সেই কারণেই ভারতে আসতে পারছেন না বলে জানিয়েছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট।জুলাই মাসে মুখোমুখি হয়েছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী ও ফরাসি প্রেসিডেন্ট। ‘বাস্তিল ডে প্যারেডে’ যোগ দিতে ফরাসি সরকারের আমন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী গিয়েছিলেন ফ্রান্সে। ওই প্যারেডে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর সম্মানে ‘সারে জাঁহা সে আচ্ছা’ গানের সুর বাজানো হয়েছিল। এই প্যারাডে ভারতীয় বায়ুসেনার এক রাফাল যোদ্ধাও অংশ নিয়েছিলেন। ফ্রান্স সফরের পরে মাক্রঁকে ভারতে আসার আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী।

    আরও পড়ুুন: “ভারতে নিরাপদ স্বর্গ খুঁজে পেয়েছেন মুসলমানেরা”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    বাস্তিল দিবসের পাশাপাশি এবছর ছিল ভারত-ফ্রান্স স্ট্র্যাটেজিক অংশীদারিত্বের ২৫ বছর পূর্তি। সেই সম্পর্ক উদযাপন করতেও ফ্রান্সে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সূত্রের খবর, ফ্রান্স থেকে ৫০ হাজার কোটি টাকা মূল্যের ২৬টি রাফাল যুদ্ধ বিমান কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রক। অতি সম্প্রতি এই সিদ্ধান্ত গ্রহণের পরে পরেই ফরাসি প্রেসিডেন্টকে আমন্ত্রণ জানানোকে যথেষ্ঠ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্টমহল।

    জি২০ সম্মেলনে যোগ দিতে সেপ্টেম্বর মাসেই ভারতে এসেছিলেন মাক্রঁ। সেই সময় মোদির সঙ্গে মাক্রঁও দ্বিপাক্ষিক বৈঠকও হয়েছিল। প্রসঙ্গত, ফি বার প্রজাতন্ত্র দিবসে কোনও না কোনও রাষ্ট্রপ্রধানকে প্রধান অতিথি হিসেবে আমন্ত্রণ জানায় ভারত সরকার। তবে করোনা অতিমারির কারণে ২০২১ ও ২২ সালে প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি কোনও রাষ্ট্রপ্রধানকে। এ বছর, প্রজাতন্ত্র দিবসে (Republic Day) প্রধান অতিথি হয়ে এসেছিলেন মিশরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাতাহ এল-সিসি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • G20 Summit: জি২০ সম্মেলনের ফাঁকেই ১৫ রাষ্ট্রনেতার সঙ্গে পৃথক বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

    G20 Summit: জি২০ সম্মেলনের ফাঁকেই ১৫ রাষ্ট্রনেতার সঙ্গে পৃথক বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামীকাল থেকে শুরু হচ্ছে জি২০ (G20 Summit) সম্মেলন। এর জন্য ভারতে ইতিমধ্যেই আসতে শুরু করে দিয়েছেন বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রনেতারা। শনিবার ও রবিবার, রাজধানী দিল্লি হয়ে উঠবে বিশ্বনেতাদের মিলন-প্রাঙ্গণ। এই দুদিনের সম্মলনে আলোচিত হবে একাধিক বিষয়। উত্থাপন হবে একাধিক প্রস্তাব। নেওয়া হবে একাধিক সংকল্প। তবে, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ব্যস্ত কর্মসূচি শুরু হয়ে যাচ্ছে একদিন আগেই। অর্থাৎ, আজ শুক্রবার থেকেই। সম্মেলনের ফাঁকে শুক্র থেকে রবি—এই তিনদিনে বিভিন্ন রাষ্ট্রেনতার সঙ্গে একাধিক বৈঠক হওয়ার কথা তাঁর। সূত্রের খবর, সম্মেলনে আগত রাষ্ট্রেনেতাদের সঙ্গে মোট ১৫টি দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে অংশ নেবেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। এক কথায়, একেবারে ঠাসা কর্মসূচি রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।

    দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের শুরু হচ্ছে বাংলাদেশ দিয়ে

    জানা যাচ্ছে, প্রধানমন্ত্রী মোদির দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের এই সিরিজ শুরু হবে শুক্রবার বিকেলে। প্রথমেই তিনি নিজ বাসভবন, অর্থাৎ ৭ লোক কল্যাণ মার্গে (সাবেক ৭ রেস কোর্স রোড) বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আপ্যায়ন করবেন। অতিথি দেশ হিসেবে জি২০ সম্মেলনে (G20 Summit) হাজির বাংলাদেশ। সেখানে দুই নেতার মধ্যে বৈঠকে উঠে আসবে একাধিক দ্বিপাক্ষিক আলোচ্য বিষয়। বৈঠকে বাংলাদেশি এবং ভারতীয় টাকার মাধ্যমে লেনদেন সুগম করা, কৃষি গবেষণা এবং সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার বিষয়ে তিনটি সমঝোতাপত্র সই হতে পারে। দুই পড়শি দেশের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে বিদ্যুৎ এবং রেলপথের একাধিক প্রকল্পের উদ্বোধনও হতে পারে। 

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে নৈশভোজে আলোচনা

    এর পর রাতে নয়াদিল্লির হায়দরাবাদ হাউসে নৈশভোজে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানেও দুই রাষ্ট্রনেতার মধ্যে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা হওয়ার কথা। চিন-ভারত সংঘাতের আবহে আজকের এই বৈঠক বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। আশা করা হচ্ছে, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা এবং বহুপাক্ষিক বিনিয়োগের সুযোগ নিয়ে দুই রাষ্ট্রনেতার মধ্যে আলোচনার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া, জিই জেট ইঞ্জিন এবং পারমাণবিক প্রযুক্তি নিয়েও আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    আগামী ২ দিন ঠাসা কর্মসূচিতে পর পর বৈঠক

    আগামিকাল, জি২০ সম্মেলনের (G20 Summit) প্রথম দিন। তারই ফাঁকে, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনক, জাপানের প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদা, জার্মানির চ্যান্সেলর ওলাফ স্কোলজ এবং ইটালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। দ্বিতীয় দিনে, ১০ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী মধ্যাহ্নভোজে দেখা করবেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইম্যানুয়েল মাক্রঁর সঙ্গে। এর পর এরপরে তিনি কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো, অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্টনি আলবানিজ, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিচেপ তাইপ এর্ডোগান, ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লেয়েনের সঙ্গেও বৈঠক করার কথা প্রধানমন্ত্রীর। এর পাশাপাশি, কোমোরস, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, দক্ষিণ কোরিয়া, ব্রাজিল ও নাইজেরিয়ার রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক (G20 Summit 2023) করবেন বলেও খবর সূত্রের। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • G20 Summit: আসতে শুরু করেছেন রাষ্ট্রনেতারা, দিল্লিতে এখন সাজো সাজো রব

    G20 Summit: আসতে শুরু করেছেন রাষ্ট্রনেতারা, দিল্লিতে এখন সাজো সাজো রব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা। রাত পোহালেই শনিবার থেকে শুরু দুদিন ব্যাপী জি২০ শীর্ষ সম্মেলন (G20 Summit)। প্রথমবার ভারতের সভাপতিত্বে এই গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলনের আয়োজন হচ্ছে। বিশ্বের দরবারে ভারতের গরিমা অটূট রাখতে সচেষ্ট প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    নিরাপত্তার ঘেরাটোপে দিল্লি, চারদিকে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা

    জি২০ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে দিল্লিতে আসছেন বিদেশি রাষ্ট্রনেতা ছাড়াও প্রায় ১০ হাজার বিদেশি অতিথি। সেজে উঠেছে নয়াদিল্লির প্রগতি ময়দানে সদ্য উদ্বোধন হওয়া ভারত মণ্ডপ। এখানেই হবে মূল সম্মেলন। প্রস্তুত রয়েছে রাজধানী এলাকার অভিজাত হোটেলগুলিও। যে কারণে, দিল্লিজুড়ে এখন যুদ্ধকালীন তৎপরতা ও প্রস্তুতি। বহুস্তরীয় নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়েছে গোটা রাজধানী চত্বর। একেবারে, মাছি গলার জো নেই! কার্যত লকডাউনে চলে গিয়েছে রাজধানী অঞ্চল।

    জি২০ সম্মেলনের (G20 Summit 2023) জন্য রাজধানী অঞ্চলের যান-চলাচলে বিভিন্ন বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। যাত্রীবাহী বাস, পণ্যবাহী লরি, অটো, ট্যাক্সি-সহ যাত্রী পরিবহণে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এমনকী, বন্ধ করা হয়েছে অনলাইন ডেলিভারি। শুধুমাত্র, মেডিক্যাল এবং জরুরি পরিষেবার ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট ছাড়পত্র দেখিয়ে যেতে দেওয়া হচ্ছে। মেট্রো চালু থাকলেও, নিরাপত্তার স্বার্থে বিভিন্ন গেট বন্ধ করে রাখা হয়েছে। শুক্রবার থেকে রবিবার পর্যন্ত রাজধানীর সমস্ত সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, অফিস, বাণিজ্যেক প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার জন্য দেওয়া হয়েছে নির্দেশ। 

    সন্ধ্যায় রয়েছে জোড়া বৈঠক! আজ থেকেই কর্মসূচি শুরু মোদির

    তবে, মূল সম্মেলেন (G20 Summit) শনিবার শুরু হলেও, প্রধানমন্ত্রী মোদির কর্মসূচি শুরু হচ্ছে তার একদিন আগে থেকে, অর্থাৎ আজ শুক্রবার থেকেই। এদিন বিকেলে নিজের বাসভবনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। সেখানে দুই রাষ্ট্রনেতার মধ্যে আলোচনা হওয়ার কথা। এদিনই বেলা সাড়ে ১২টা নাগাদ দিল্লিতে পৌঁছচ্ছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। এর পর রাতে নৈশভোজে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে বিশেষ দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করার কথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির।

    সন্ধ্যায় পৌঁছচ্ছেন জো বাইডেন, ঋষি সুনক, বাকিরা কে কখন আসছেন?

    জি২০ শীর্ষ সম্মেলনের (G20 Summit) জন্য ইতিমধ্যেই দেশে আসতে শুরু করে দিয়েছেন বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রনেতারা। কেউ আজ আসছেন, কেউ আবার আগামিকাল সকালেই আসবেন। গতকাল রাতেই ভারতে এসেছেন ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লেয়েন। চলে এসেছেন ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি। এসেছেন আর্জেন্টনার প্রধানমন্ত্রী। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনক ও জাপানের প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদা আসছেন দুপুরে। সন্ধ্যায় এসে পৌঁছবেন মার্কিন রাষ্ট্রপতি জো বাইডেন, চিনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং, অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্টনি আলবানিজ এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহির প্রেসিডেন্ট এইচএইচ শেখ মহম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান। তবে, জার্মানি এবং ফ্রান্সের রাষ্ট্রপ্রধানরা আসবেন ৯ সেপ্টেম্বর। তবে, করোনা আক্রান্ত হওয়ায় জি২০ সম্মেলনে যোগ দিতে পারছেন না স্পেনের প্রেসিডেন্ট পেদ্রো সাঞ্চেজ। সম্মেলনে স্পেনের প্রতিনিধি হিসেবে থাকবেন ভাইস প্রেসিডেন্ট নাদিয়া কালভিনো সান্তামারিয়া ও বিদেশমন্ত্রী জোস ম্যানুয়েল আলভারেজ।

     

    রাষ্ট্রনেতাদের অভ্যর্থনা জানানোর দায়িত্বে কারা?

    এদিকে, জি২০ সম্মেলনে (G20 Summit 2023) যোগ দিতে দেশে আগত বিভিন্ন বিদেশি রাষ্ট্রনেতাদের স্বাগত জানাতে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে একাধিক কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে। প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে স্বাগত জানাতে যাবেন অসামরিক বিমান পরিবহণমন্ত্রী জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) ভিকে সিং। চিনা প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংকেও দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে স্বাগত জানাতে হাজির থাকবেন তিনি। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনককে অভ্যর্থনা জানাবেন কেন্দ্রীয় খাদ্য-সরবরাহ এবং ক্রেতা সুরক্ষা প্রতিমন্ত্রী অশ্বিনীকুমার চৌবে। ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি এবং জাপানের প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদাকে অভ্যর্থনা জানাবেন কৃষি প্রতিমন্ত্রী শোভা করান্ডলাজে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভ্যর্থনা জানাবেন রেল ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী দর্শনা জার্দোশ।

    কোন রাষ্ট্রনেতা কোথায় থাকছেন?

    জি২০ (G20 Summit) সদস্য ও আমন্ত্রিত দেশ মিলিয়ে প্রায় ৩০টি দেশের রাষ্ট্রনেতা আসছেন। তাঁদের থাকারও এলাহি ব্যবস্থা করা হয়েছে। সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন থাকবেন আইটিসি মৌর্য শেরাটন হোটেলে। মার্কিনীদের জন্য হোটেলের ৪০০টি রুম বুক করা হয়েছে। সেই সঙ্গে ব্যবস্থা করা হয়েছে বিশেষ লিফটের। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনক থাকবেন শাংরি-লা হোটেলে। কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো এবং জাপানের প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদা থাকবেন ললিত হোটেলে। ফরাসি রাষ্ট্রপতি ইমানুয়েল মাক্রঁ থাকবেন ক্লারিজেস হোটেলে। ইম্পেরিয়াল হোটেল হতে চলেছে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজের অস্থায়ী বাসভবন। চিনা প্রতিনিধি দল থাকবে তাজ হোটেলে। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • FIFA World Cup: ট্র্যাজিক হিরো! চার গোল করেও দলের হার, এমবাপেকে সান্ত্বনা দিলেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট

    FIFA World Cup: ট্র্যাজিক হিরো! চার গোল করেও দলের হার, এমবাপেকে সান্ত্বনা দিলেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরও হয়ত দুটো বিশ্বকাপ খেলবেন। মাত্র ২৩ বছর বয়সেই কাতার বিশ্বকাপে নিজের জাত চিনিয়েছেন কিলিয়ান এমবাপে। এই বয়সেই বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবল তারকার সম্মান পান। বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বাদও পেয়েছেন এমবাপে। কাতার বিশ্বকাপের ফাইনালে হ্যাটট্রিক করেছেন তিনি। তবুও খেতাব ধরে রাখতে পারেনি তাঁর দল। আর্জেন্টিনার কাছে হেরে পর পর দুবার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সুযোগ হাতছাড়া হয়েছে ফ্রান্সের।

    ফাইনালে হ্যাটট্রিক

    একা খুব চেষ্টা করেছিলেন। বিশ্বকাপ ফাইনালে দেশের হয়ে চার চারটে গোল করে গোল্ডেন বুট জিতেছেন এমবাপে। ৮টি গোল করে ছুঁয়ে ফেলেছেন ২০০২ সালে ব্রাজিলের স্ট্রাইকার রোনাল্ডোর রেকর্ড। কিন্তু যতই গোল হোক দেশকে জেতাতে না পারলে তার দাম নেই। তাই মাঠেই হতাশায় ভেঙে পড়েন ফ্রান্সের ১০ নম্বর তারকা। তাঁকে  সান্ত্বনা দিলেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। যে ভিডিয়ো ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল। এদিন খেলার শুরু থেকেই কেমন যেন দিশেহারা ছিল ফ্রান্স। প্রথম ৭০ মিনিট মাঠে রাজত্ব করে আর্জেন্টিনা।  ৮০ মিনিটের মাথায় খেলা ঘুরিয়ে দেন এমবাপে। প্রথমে পেনাল্টি থেকে গোল করেন। পরের মিনিটেই দুর্দান্ত ভলিতে গোল করে খেলার ফল ২-২ করে দেন ফরাসি তারকা। আবার এক্সট্রা টাইমের ১৮ মিনিটে যখন আর্জেন্টিনা এগিয়ে গিয়েছিল, তখনও ফ্রান্সকে ম্যাচে ফেরান এমবাপে। ১১৮ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করেন। পেনাল্টি শ্যুট-আউটে নিয়ে যান ম্যাচ। তাই টাইব্রেকারে দল হারতেই ভেঙে পড়লেন এমবাপে।

    আরও পড়ুন: বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হিসেবে আরও কয়েকটি ম্যাচ খেলতে চাই! এখনই অবসর নয় ঘোষণা মেসির

    পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে গোল্ডেন বুট হাতে নিয়েও চোখের কোন চিকচিক করছিল এমবাপের। তাঁকে সান্ত্বনা দিতে আসেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট। একই সঙ্গে দলকে সান্ত্বনা দিয়ে ম্যাক্রোঁ বলেন, ‘দ্য ব্লুজরা আমাদের স্বপ্ন দেখিয়েছিল।’ সেইসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এই বিশ্বকাপে দুরন্ত পারফরম্যান্স ও লড়াকু মানসিকতার জন্য ফ্রান্সের (ফুটবল) দলকে অভিনন্দন। তোমরা দেশবাসী এবং বিশ্বজুড়ে সমস্ত সমর্থকদের শিহরিত করে তুলেছ। জয়ের জন্য আর্জেন্টিনাকে অভিনন্দন।’ 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Emmanuel Macron: ‘‘আমার বন্ধু নরেন্দ্র মোদিকে বিশ্বাস কর…’’ কেন বললেন মাক্রঁর, জানেন?

    Emmanuel Macron: ‘‘আমার বন্ধু নরেন্দ্র মোদিকে বিশ্বাস কর…’’ কেন বললেন মাক্রঁর, জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী বছর জি ২০ সম্মেলনের আয়োজক দেশ ভারত (India)। আগামী বছর ভারতে হবে ওই সম্মেলন। ভারতের এই প্রাপ্তিকে সুবর্ণ সুযোগ হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এবার সেই মোদিকেই আমার বন্ধু বলে উল্লেখ করলেন ফান্সের (France) প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রঁ (Emmanuel Macron)। রবিবার তিনি বলেন, আমি আমার বন্ধু নরেন্দ্র মোদিকে বিশ্বাস করি আমাদের এক জায়গায় নিয়ে আসার জন্য।

    মাক্রঁ বলেন…

    ট্যুইট বার্তায় মাক্রঁ বলেন, এক পৃথিবী। এক পরিবার। এক ভবিষ্যৎ। ভারত জি ২০ সম্মলনে আয়োজনের দায়িত্ব পেয়েছে। এর পরেই ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট লেখেন, আমি আমার বন্ধু নরেন্দ্র মোদিকে বিশ্বাস করি শান্তি এবং স্থায়ী পৃথিবী রক্ষায় তিনি আমাদের এক জায়গায় নিয়ে এসেছেন বলে।

    চলতি বছরের নভেম্বরের ১৫ তারিখে জি ২০ সম্মেলনের আসর বসেছিল ইন্দোনেশিয়ার বালিতে। ওই সম্মেলনে যোগ দেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শীর্ষ নেতৃত্ব। এই সম্মেলনেই আগামী বছর জি ২০ সম্মেলনের আয়োজনের দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয় ভারতের হাতে। সেই মতো ডিসেম্বরের এক তারিখেই ভারত অফিসিয়ালি ওই দায়িত্ব নিয়েছে। আগামী বছরের সেপ্টেম্বর মাসে নয়াদিল্লিতে বসবে জি ২০ সম্মেলনের আসর। দু দিনের ওই সম্মেলন শুরু হবে ৯ তারিখে।

    আরও পড়ুন: জি-২০ সম্মেলন নিয়ে সর্বদলীয় বৈঠক ডাকল কেন্দ্র, যোগ দেবেন মমতা?

    জি ২০ সম্মেলনের আয়োজক দেশের দায়িত্ব পাওয়ায় বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছিলেন, আমাদের দেশ একের মন্ত্র শোনাবে। আমাদের থিম, এক পৃথিবী, এক পরিবার, এক ভবিষ্যৎ। তিনি সন্ত্রাস, জলবায়ু পরিবর্তন এবং অতিমারিকেই আগামী  বিশ্বের বড় চ্যালেঞ্জ বলে অভিহিত করেছিলেন। তিনি এও বলেছিলেন, এই তিনের বিরুদ্ধেই আমাদের লড়তে হবে। প্রধানমন্ত্রী এও বলেন, বিশ্বে যাতে সাসটেনেবল লাইফস্টাইল, খাদ্য সরবরাহ, সার এবং মেডিক্যাল প্রোডাক্ট নিয়ে রাজনীতি না হয়, সে ব্যাপারে উদ্যোগী হবে ভারত।

    প্রসঙ্গত, জি ২০-র (G 20 Summit) সদস্য দেশগুলি হল, আর্জেন্টিনা, অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল, কানাডা, চিন, ফ্রান্স, জার্মানি, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, ইটালি, জাপান, রিপাবলিক অফ কোরিয়া, মেক্সিকো, রাশিয়া, সৌদি আরব, দক্ষিণ আফ্রিকা, তুরস্ক, ব্রিটেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
     
  • Emmanuel Macron: ‘‘আমার বন্ধু নরেন্দ্র মোদিকে বিশ্বাস কর…’’ কেন বললেন মাক্রঁ, জানেন?

    Emmanuel Macron: ‘‘আমার বন্ধু নরেন্দ্র মোদিকে বিশ্বাস কর…’’ কেন বললেন মাক্রঁ, জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী বছর জি ২০ সম্মেলনের আয়োজক দেশ ভারত (India)। আগামী বছর ভারতে হবে ওই সম্মেলন। ভারতের এই প্রাপ্তিকে সুবর্ণ সুযোগ হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এবার সেই মোদিকেই আমার বন্ধু বলে উল্লেখ করলেন ফান্সের (France) প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রঁ (Emmanuel Macron)। রবিবার তিনি বলেন, আমি আমার বন্ধু নরেন্দ্র মোদিকে বিশ্বাস করি আমাদের এক জায়গায় নিয়ে আসার জন্য।

    মাক্রঁ বলেন…

    ট্যুইট বার্তায় মাক্রঁ বলেন, এক পৃথিবী। এক পরিবার। এক ভবিষ্যৎ। ভারত জি ২০ সম্মলনে আয়োজনের দায়িত্ব পেয়েছে। এর পরেই ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট লেখেন, আমি আমার বন্ধু নরেন্দ্র মোদিকে বিশ্বাস করি শান্তি এবং স্থায়ী পৃথিবী রক্ষায় তিনি আমাদের এক জায়গায় নিয়ে এসেছেন বলে।

    চলতি বছরের নভেম্বরের ১৫ তারিখে জি ২০ সম্মেলনের আসর বসেছিল ইন্দোনেশিয়ার বালিতে। ওই সম্মেলনে যোগ দেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শীর্ষ নেতৃত্ব। এই সম্মেলনেই আগামী বছর জি ২০ সম্মেলনের আয়োজনের দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয় ভারতের হাতে। সেই মতো ডিসেম্বরের এক তারিখেই ভারত অফিসিয়ালি ওই দায়িত্ব নিয়েছে। আগামী বছরের সেপ্টেম্বর মাসে নয়াদিল্লিতে বসবে জি ২০ সম্মেলনের আসর। দু দিনের ওই সম্মেলন শুরু হবে ৯ তারিখে।

    আরও পড়ুন: জি-২০ সম্মেলন নিয়ে সর্বদলীয় বৈঠক ডাকল কেন্দ্র, যোগ দেবেন মমতা?

    জি ২০ সম্মেলনের আয়োজক দেশের দায়িত্ব পাওয়ায় বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছিলেন, আমাদের দেশ একের মন্ত্র শোনাবে। আমাদের থিম, এক পৃথিবী, এক পরিবার, এক ভবিষ্যৎ। তিনি সন্ত্রাস, জলবায়ু পরিবর্তন এবং অতিমারিকেই আগামী  বিশ্বের বড় চ্যালেঞ্জ বলে অভিহিত করেছিলেন। তিনি এও বলেছিলেন, এই তিনের বিরুদ্ধেই আমাদের লড়তে হবে। প্রধানমন্ত্রী এও বলেন, বিশ্বে যাতে সাসটেনেবল লাইফস্টাইল, খাদ্য সরবরাহ, সার এবং মেডিক্যাল প্রোডাক্ট নিয়ে রাজনীতি না হয়, সে ব্যাপারে উদ্যোগী হবে ভারত।

    প্রসঙ্গত, জি ২০-র (G 20 Summit) সদস্য দেশগুলি হল, আর্জেন্টিনা, অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল, কানাডা, চিন, ফ্রান্স, জার্মানি, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, ইটালি, জাপান, রিপাবলিক অফ কোরিয়া, মেক্সিকো, রাশিয়া, সৌদি আরব, দক্ষিণ আফ্রিকা, তুরস্ক, ব্রিটেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
     
  • PM Modi: ‘‘ঠিক কথাই তো বলেছেন…’’, ফ্রান্সের পর এবার মোদি-স্তুতি ব্রিটেন, আমেরিকার মুখেও

    PM Modi: ‘‘ঠিক কথাই তো বলেছেন…’’, ফ্রান্সের পর এবার মোদি-স্তুতি ব্রিটেন, আমেরিকার মুখেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের মোদি (PM Modi)-স্তুতি ভিন রাষ্ট্রের মুখে! দিন কয়েক আগে ভারতের (India) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছিলেন ফ্রান্সের (France) রাষ্ট্রপ্রধান ইমানুয়েল মাক্রঁ (Emmanuel Macron)। এবার মোদি-স্তুতি শোনা গেল আমেরিকা (US) ও ব্রিটেনের (UK) মুখেও।

    ২০ সেপ্টেম্বর আমেরিকার ন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যাডভাইজার সুলিভান ভূয়সী প্রশংসা করেছেন মোদির। তিনি জানান, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের আবহে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যা বলেছিলেন, তাকে স্বাগত জানায় আমেরিকা। হোয়াইট হাউসে এক সাংবাদিক বৈঠকে সুলিভান বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি রাশিয়াকে যা বলেছিলেন, তাকে স্বাগত জানায় আমেরিকা। মস্কোর সঙ্গে নয়াদিল্লির সম্পর্ক বেশ পুরানো। সেদিন মোদি পুতিনকে বলেছিলেন এটা যুদ্ধ শেষ করার সময়। তিনি বলেন, এবার রাশিয়ার যুদ্ধ শেষ করা উচিত। রাষ্ট্রসংঘের চার্টার মেনে ইউক্রেনের যেসব অংশ তারা জোর করে দখল করেছে, তা ফিরিয়ে দেওয়াও প্রয়োজন। এটা গোটা বিশ্বের পক্ষেই একটা নয়া বার্তা দেবে।

    মোদির প্রশংসায় পঞ্চমুখ ব্রিটেনও। ব্রিটেনের ফরেন সেক্রেটারি জেমস ক্লেভারলি বলেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির একটি শক্তিশালী, বিশ্ব মঞ্চে প্রভাব ফেলতে পারে এমন একটি স্বর রয়েছে। রাশিয়া নিয়ে তাঁর যা অবস্থান, তাকেও সমর্থন করে ব্রিটেন। তিনি বলেন, লন্ডন আশা করে ইউক্রেন যুদ্ধের আবহে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে যাঁরা শান্তির ললিত বাণী শুনিয়েছেন, তিনি তাঁদের কথায় কান দেবেন।

    আরও পড়ুন : পুতিনকে শান্তির ললিত বাণী শুনিয়ে মাক্রঁর প্রশংসা কুড়োলেন মোদি

    সম্প্রতি এসসিও সম্মেলনে যোগ দিতে উজবেকিস্তানের সমরখন্দে গিয়েছিলেন মোদি। সেখানেই পুতিনের সঙ্গে মুখোমুখি হন তিনি। সেই সময় মোদি পুতিনকে বলেছিলেন, এই যুগ যুদ্ধের নয়। ক্লেভারলি বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির একটি শক্তিশালী, বিশ্বমঞ্চে প্রভাববিস্তারকারী একটি স্বর রয়েছে। আমরা জানি রাশিয়ার নেতারা ভারতের কথা শোনেন। আমি মোদির বক্তব্যকে স্বাগত জানাই। এবং আমরা আশা করি, পুতিন তাঁদের কথা শুনবেন, যাঁরা শান্তির বাণী প্রেরণ করবেন। তাই আমরা মোদির বক্তব্যকে স্বাগত জানাই।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Macron Praises Modi: পুতিনকে শান্তির ললিত বাণী শুনিয়ে মাক্রঁর প্রশংসা কুড়োলেন মোদি

    Macron Praises Modi: পুতিনকে শান্তির ললিত বাণী শুনিয়ে মাক্রঁর প্রশংসা কুড়োলেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাশিয়ার (Russia) প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে (Vladimir Putin) তিনি শুনিয়েছিলেন শান্তির ললিত বাণী। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি  (PM Modi) যে উপযুক্ত সময়ে ঠিক কথাটিই বলেছেন তা মেনে নিলেন ফ্রান্সের (France) প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রঁ (Emmanuel Macron)। নিউ ইয়র্ক শহরে রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ সভার ৭৭ তম অধিবেশনে ভাষণ দিচ্ছিলেন ফান্সের প্রেসিডেন্ট। সেখানেই মোদি যে ঠিক কথাই বলেছেন, তা মনে করিয়ে দেন মাক্রঁ।

    ওই অধিবেশনে ফরাসি প্রেসিডেন্ট বলেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ঠিকই বলেছেন। তিনি বলেছিলেন এটা যুদ্ধের উপযুক্ত সময় নয়। এটা পশ্চিমের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ কিংবা প্রতীচ্যের বিরুদ্ধে পাশ্চাত্যের বিরোধিতাও নয়। এই সময়টা আমাদের সার্বভৌম রাষ্ট্রগুলির কাছে গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের সামনে যে সব চ্যালেঞ্জ রয়েছে, তার মোকাবিলা করার সময়।

    রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ এখনও শেষ হয়নি। ইতিমধ্যেই অতিক্রান্ত হয়েছে ছ মাসেরও বেশি সময়। এহেন যুদ্ধের আবহে সম্প্রতি এসসিও সম্মেলনে যোগ দিতে উজবেকিস্তানের সমরখন্দে গিয়েছিলেন মোদি ও মাক্রঁ। সেখানেই মুখোমুখি হয়েছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তখনই মোদি পুতিনকে বলেছিলেন, এই যুগ যুদ্ধের নয়। এবং এটা আমি আপনাকে ফোনেও বলেছি। আজ আমরা মুখোমুখি আলোচনা করার সুযোগ পেয়েছি। কীভাবে আমরা শান্তির পথে অগ্রসর হব, তা নিয়ে আলোচনা করতে পারি। বেশ কয়েক দশক ধরে ভারত এবং রাশিয়া একজন আরেকজনের পাশে রয়েছে।

    আরও পড়ুন : ‘‘এটা যুদ্ধের সময় নয়, বন্ধু…’’, পুতিনকে যখন এই কথা বললেন মোদি

    মোদি পুতিনকে বলেন, আমরা বিভিন্ন সময় ভারত-রাশিয়া দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক সহ নানা বিষয়ে একাধিকবার ফোনে কথা বলেছি। আমাদের খাদ্যসঙ্কট মোকাবিলার পথ খোঁজা উচিত। জ্বালানির নিরাপত্তা এবং সারের সমস্যা সমাধানের পথও খোঁজা উচিত। ইউক্রেনে পাঠরত পড়ুয়াদের দেশে ফেরাতে সাহায্য করায় আমি রাশিয়া এবং ইউক্রেনকে ধন্যবাদ জানাই। মোদির এহেন বক্তব্যের প্রেক্ষিতে পুতিন জানান, রাশিয়া ইউক্রেন দ্বন্দ্বে তিনি ভারতের অবস্থান জানেন। পুতিন বলেন, আমি আপনার অবস্থান জানি। উদ্বেগের কারণও জানি। আমরা যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এসবে ইতি টানব।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share