মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘এডুকেশন টু এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড এন্টারপ্রাইজেস স্ট্যান্ডিং কমিটি’ নামে একটি নয়া উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কমিটি গঠনের কথা ঘোষণা করল (Union Budget) কেন্দ্রীয় সরকার (Modi Govt)। রবিবার এই ঘোষণাটি করা হয়। কমিটির লক্ষ্য হল কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা বৃদ্ধি করা এবং ভবিষ্যতের জন্য ভারতীয় কর্মশক্তিকে প্রস্তুত করা। সংসদে কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৬ পেশ করার সময় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন এই ঘোষণা করেন। তিনি জানান, এই কমিটি মূলত পরিষেবা খাতের ওপর গুরুত্ব দেবে, যাকে তিনি অর্থনৈতিক বৃদ্ধির একটি বড় চালিকাশক্তি হিসেবে দেখছেন।
নতুন প্রযুক্তির প্রভাব (Union Budget)
এই কমিটি কর্মসংস্থানের ফল উন্নত করা এবং এআই-সহ নতুন প্রযুক্তির প্রভাব ভারতের শ্রমবাজারে কীভাবে পড়ছে, তা বিশ্লেষণ করবে। তরুণদের জন্য শিক্ষা থেকে কর্মসংস্থানে একটি মসৃণ রূপান্তর নিশ্চিত করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। বাজেট ভাষণে অর্থমন্ত্রী বলেন, “পরিষেবা খাত দেশের অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ চালক। নতুন স্ট্যান্ডিং কমিটি পরিষেবা খাতকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে সুপারিশ করবে, যা ভারতকে বিশ্বমঞ্চে নেতৃত্বের আসনে পৌঁছতে সাহায্য করতে পারে। সীতারামন জানান, ২০৪৭ সালের মধ্যে বৈশ্বিক পরিষেবা বাজারে ভারতের অংশীদারিত্ব ১০ শতাংশে পৌঁছানোর লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করা হয়েছে। তাঁর মতে, কমিটি এমন ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করবে যেখানে প্রবৃদ্ধি বাড়ানো সম্ভব, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা যাবে এবং রফতানি বৃদ্ধি করা যেতে পারে। এর ফলে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে ভারতের ভূমিকা আরও শক্তিশালী হবে (Union Budget)।
ডিজিটাল সরঞ্জাম
কমিটির অন্যতম প্রধান দায়িত্ব হবে এআই-সহ নতুন প্রযুক্তি শ্রমবাজারে কী ধরনের প্রভাব ফেলছে, তা মূল্যায়ন করা। অর্থমন্ত্রী বলেন, “স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা ও ডিজিটাল সরঞ্জাম কাজের ধরন বদলে দিচ্ছে। ফলে ভবিষ্যতে কোন ধরনের দক্ষতার প্রয়োজন হবে, তা বোঝা অত্যন্ত জরুরি।” এই বিশ্লেষণের ভিত্তিতে কমিটি সুপারিশ করবে, কীভাবে কর্মীদের প্রশিক্ষণ দিয়ে এই পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার জন্য প্রস্তুত করা যায়। অর্থমন্ত্রী বলেন, “এআই-সহ উদীয়মান প্রযুক্তির প্রভাব কর্মসংস্থান ও দক্ষতার চাহিদার ওপর কীভাবে পড়ছে, তা মূল্যায়ন করে সেই অনুযায়ী পদক্ষেপের প্রস্তাব দেওয়া হবে।” তিনি আরও (Modi Govt) বলেন, “তরুণদের জন্য বহুমুখী ও দক্ষ পেশাগত সুযোগ তৈরি করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই লক্ষ্যে সরকার শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ কর্মসূচিকে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগের সঙ্গে আরও সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে লক্ষ্যভিত্তিক উদ্যোগ নেবে (Union Budget)।”
সহায়ক স্বাস্থ্য পেশা
এই উদ্যোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হবে অ্যালায়েড হেলথ প্রফেশনস বা সহায়ক স্বাস্থ্য পেশা। অর্থমন্ত্রী জানান, এই খাতে থাকা প্রতিষ্ঠানগুলিকে আধুনিকীকরণ করা হবে এবং সরকারি ও বেসরকারি উভয় ক্ষেত্রেই নতুন প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হবে। এতে ১০টি নির্বাচিত ক্ষেত্র অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এর মধ্যে রয়েছে অপটোমেট্রি, রেডিওলজি, অ্যানেস্থেশিয়া, অপারেশন থিয়েটার টেকনোলজি, অ্যাপ্লায়েড সাইকোলজি ও বিহেভিয়ারাল হেলথ। অর্থমন্ত্রীর মতে, আগামী পাঁচ বছরে এর ফলে প্রায় এক লাখ নতুন সহায়ক স্বাস্থ্যকর্মী যুক্ত করা সম্ভব হবে। এতে একদিকে যেমন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে, তেমনি দেশে ক্রমবর্ধমান স্বাস্থ্য পরিষেবার চাহিদাও মেটানো যাবে।
পরিষেবা খাত, দক্ষতা উন্নয়ন এবং ভবিষ্যৎ প্রযুক্তির ওপর জোর দিয়ে সরকার আশা করছে, এই উদ্যোগ ভারতের এমন এক (Modi Govt) কর্মশক্তি গড়ে তুলবে, যা আগামী দিনের অর্থনীতির জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত থাকবে (Union Budget)।









