Tag: Employment

Employment

  • Suvendu Adhikari: নয়া শিল্পনীতি ঘোষণার আগে নবান্নে জিন্দাল, বাংলায় বিদ্যুৎ উৎপাদন-কর্মসংস্থান বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি

    Suvendu Adhikari: নয়া শিল্পনীতি ঘোষণার আগে নবান্নে জিন্দাল, বাংলায় বিদ্যুৎ উৎপাদন-কর্মসংস্থান বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে নয়া শিল্পনীতি ঘোষণা করতে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তার ঠিক আগে রাজ্যে বিনিয়োগের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখতে তাঁর (Suvendu Adhikari) সঙ্গে বৈঠক করলেন জেএসডব্লিউ গোষ্ঠীর চেয়ারম্যান সজ্জন জিন্দাল। বুধবার সন্ধ্যায় নবান্নে দু’পক্ষের এই বৈঠকে বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান, স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং ঐতিহাসিক মন্দিরের সংস্কার-সহ একাধিক বিষয়ে আলোচনা হয় (Sajjan Jindal)। বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে এটাই সজ্জন জিন্দালের প্রথম বৈঠক। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে একাধিক পরিকল্পনার কথা জানান মুখ্যমন্ত্রী। বৈঠক সম্পর্কে শুভেন্দু জানান, রাজ্যে বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়ে বিভিন্ন শিল্পগোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা তাঁর সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ করছেন। সেই সূত্রেই এদিন জিন্দাল গোষ্ঠীর চেয়ারম্যানের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, “সজ্জন জিন্দাল অন্যতম বড় বিনিয়োগকারী। তিনি আমার সঙ্গে গঠনমূলক আলোচনা করেছেন।”

    শালবনীতে বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানোর পরিকল্পনা (Suvendu Adhikari)

    বৈঠকে বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনী বিদ্যুৎ প্রকল্পের সম্প্রসারণ। প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, ডিসেম্বরের মধ্যেই প্রকল্পের প্রয়োজনীয় জনশুনানি সম্পন্ন হবে। জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে দ্বিতীয় পর্যায়ের বিদ্যুৎকেন্দ্রের ভূমিপুজো অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার কথাও জানিয়েছেন তিনি। শুভেন্দু বলেন, “দ্বিতীয় পর্যায়ের বিদ্যুৎকেন্দ্রের ভূমিপুজো হবে। ডিসেম্বরের মধ্যে জনশুনানি শেষ হয়ে যাবে। জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে আমি সেখানে যাব বলে জানিয়েছি।” শুধু দ্বিতীয় পর্যায়ের প্রকল্প নয়, শালবনীতে তৃতীয় পর্যায়ের বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র গড়ার বিষয়েও আগ্রহ প্রকাশ করেছেন জিন্দাল। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, বাংলার সঙ্গে জিন্দাল গোষ্ঠীর দীর্ঘদিনের সম্পর্ক রয়েছে। রাজ্যে বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকাঠামো আরও সম্প্রসারণে দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্যায়ের ইউনিট গড়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন শিল্পপতি।

    স্থানীয় যুবকদের চাকরিতে অগ্রাধিকার

    শিল্পের সম্প্রসারণের পাশাপাশি স্থানীয় যুবকদের কর্মসংস্থানের বিষয়টিও বৈঠকে উঠে এসেছে। দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য জিন্দাল গোষ্ঠীর উদ্যোগে যে প্রশিক্ষণকেন্দ্র তৈরি হয়েছে, সেখান থেকে প্রশিক্ষিত যুবকদের চাকরির সুযোগ করে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি প্রশিক্ষণকেন্দ্রটির পরিধি বাড়ানোর উপরেও জোর দিয়েছেন তিনি।

    শুভেন্দুর কথায়, “দক্ষতা প্রশিক্ষণের জন্য আপনারা একটি প্রশিক্ষণকেন্দ্র তৈরি করেছেন। সেখানকার ছেলেদের চাকরির ব্যবস্থা করতে হবে। একই সঙ্গে এই উদ্যোগের পরিধিও বাড়াতে হবে।”

    মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজের উন্নয়নে আগ্রহ

    শিল্পের পাশাপাশি সামাজিক দায়বদ্ধতার ক্ষেত্রেও বড় উদ্যোগ নিতে আগ্রহী জিন্দাল গোষ্ঠী। বিশেষ করে স্বাস্থ্য পরিষেবার পরিকাঠামো উন্নয়নে পশ্চিম মেদিনীপুরের মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের দায়িত্ব নেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন জিন্দাল। বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে নয়, সামাজিক দায়বদ্ধতার জায়গা থেকেই এই উদ্যোগ নিতে চান তাঁরা।

    মুখ্যমন্ত্রী (Suvendu Adhikari) জানিয়েছেন, এই প্রস্তাব খতিয়ে দেখার জন্য ইতিমধ্যেই স্বাস্থ্যসচিবকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাঁর কথায়, “মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের সম্পূর্ণ দায়িত্ব নিতে চান তিনি। বিষয়টি বাণিজ্যিকভাবে নয়, সামাজিক দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে করতে চান। আমি স্বাস্থ্যসচিবকে প্রস্তাবটি খতিয়ে দেখতে বলেছি।”

    প্রাচীন মন্দির সংস্কারেও উদ্যোগ

    রাজ্যের ঐতিহাসিক ও প্রাচীন মন্দিরগুলির সংস্কার এবং রক্ষণাবেক্ষণেও আগ্রহ দেখিয়েছে জিন্দাল গোষ্ঠী। বৈঠকে জিন্দাল জানিয়েছেন, অতীতে কেদারধামের সংস্কারের কাজেও তাঁরা যুক্ত ছিলেন। এবার বাংলার কয়েকটি প্রাচীন মন্দিরের দায়িত্ব নিতে চান তিনি।

    মুখ্যমন্ত্রী জানান, রাজ্যের প্রাচীন মন্দিরগুলির একটি তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। সেই তালিকা জিন্দাল গোষ্ঠীর হাতে তুলে দেওয়া হবে। সেখান থেকে চার-পাঁচটি মন্দির বেছে নিয়ে সেগুলির সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব নিতে চেয়েছেন শিল্পপতি।

    রাজ্যের শিল্প-পরিবেশ নিয়ে সন্তুষ্ট জিন্দাল

    বৈঠকে রাজ্যের বর্তমান শিল্প ও ব্যবসার পরিবেশ নিয়েও আলোচনা হয়েছে। নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর রাজ্যে কাজ করতে গিয়ে শিল্পগোষ্ঠী কী ধরনের অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হচ্ছে, তা জানতে চান মুখ্যমন্ত্রী।শুভেন্দুর দাবি, রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং শ্রমিক সরবরাহ নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন জিন্দাল। উৎপাদন চালানোর ক্ষেত্রেও বড় কোনও সমস্যা নেই বলেও জানিয়েছেন তিনি। তবে সিমেন্ট কারখানার জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামাল ওড়িশা থেকে নিয়ে আসতে হবে। সেজন্য পরিবহণ খরচ বেড়ে যাচ্ছে। এর ফলে বাজারে অন্য সংস্থার সঙ্গে প্রতিযোগিতার ক্ষেত্রে কিছুটা অসুবিধা হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন শিল্পপতি।

    লগ্নির সম্ভাবনা খতিয়ে দেখবে জিন্দাল গোষ্ঠী

    বৃহস্পতিবার রাজ্য সরকারের নতুন শিল্পনীতি ঘোষণা করার কথা। তার আগেই জিন্দাল গোষ্ঠীর সঙ্গে এই বৈঠককে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে শিল্পমহল। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, নতুন শিল্পনীতিতে কী কী বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে, তা খতিয়ে দেখতে জিন্দাল গোষ্ঠীকে বলা হয়েছে। নীতিটি পর্যালোচনা করার পর পরবর্তী বৈঠকে নিজেদের মতামত ও পরিকল্পনা জানাবে সংস্থাটি।

    তৃণমূল জমানা নিয়ে নীরব জিন্দাল

    বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে পূর্বতন সরকারের আমলে শিল্পের অভিজ্ঞতা নিয়েও মুখ খোলেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পর্কে কোনও মন্তব্য করেননি জিন্দাল। তবে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের সঙ্গে তাঁর সুসম্পর্কের কথার উল্লেখ করেছেন। জিন্দালের বক্তব্য, ব্যক্তিগতভাবে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য অত্যন্ত ভালো মানুষ ছিলেন এবং তাঁর সঙ্গে সম্পর্কও যথেষ্ট ভালো ছিল। তবে তৎকালীন বাম সরকারের আমলে ট্রেড ইউনিয়নগুলির ভূমিকা শিল্পের পক্ষে ইতিবাচক ছিল না বলেই মনে করেন তিনি। এদিকে, গত পনেরো বছরের তৃণমূল সরকারের আমলে শিল্পের অভিজ্ঞতা নিয়ে কোনও মন্তব্য করেননি জিন্দাল (Sajjan Jindal)। সব মিলিয়ে নতুন শিল্পনীতি ঘোষণার ঠিক আগে জিন্দাল গোষ্ঠীর এই তৎপরতা রাজ্যের (Suvendu Adhikari) শিল্পায়নের ক্ষেত্রে নতুন ভোরের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলেই ধারণা শিল্পমহলের।

     

  • Ambuja Neotia Investment: ৫ বছরে ১৫ হাজার কোটি! আদানি, রিলায়েন্সের পর নেওটিয়ারও বাংলায় বড় লগ্নির পরিকল্পনা

    Ambuja Neotia Investment: ৫ বছরে ১৫ হাজার কোটি! আদানি, রিলায়েন্সের পর নেওটিয়ারও বাংলায় বড় লগ্নির পরিকল্পনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুম্বই সফরে রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান মুকেশ আম্বানি এবং অনন্ত আম্বানির সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) বৈঠকের পরই বাংলায় নতুন লগ্নির সম্ভাবনা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছিল। সেই আবহেই বুধবার নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করলেন (Reliance Investment) অম্বুজা নেওটিয়া গোষ্ঠীর চেয়ারম্যান হর্ষবর্ধন নেওটিয়া। বৈঠকে রাজ্যে সংস্থার একাধিক ক্ষেত্রে বিনিয়োগ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। অম্বুজা নেওটিয়া গোষ্ঠী আগেই পশ্চিমবঙ্গে আগামী পাঁচ বছরে ১৫ হাজার কোটি টাকার বেশি বিনিয়োগের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিল। স্বাস্থ্য, আতিথেয়তা, পর্যটন, আবাসন এবং বাণিজ্যিক পরিকাঠামো—একাধিক ক্ষেত্রে এই বিনিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে। সংস্থার ঘোষিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, পাঁচটি নতুন হাসপাতাল, একাধিক হোটেল এবং একটি বড় গল্ফভিত্তিক আবাসন প্রকল্প গড়ে তোলার কথা রয়েছে। এদিকে রিলায়েন্স গোষ্ঠীর সঙ্গেও রাজ্যে নতুন লগ্নি নিয়ে আলোচনা এগিয়েছে। বুধবার নবান্নে রিলায়েন্সের শীর্ষ আধিকারিকদের একটি প্রতিনিধি দল মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং রাজ্যের প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করে। আলোচনায় পরিকাঠামো, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, স্বাস্থ্য পরিষেবা-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিনিয়োগের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হয়। সরকারি-বেসরকারি অংশীদারির মাধ্যমেও কয়েকটি প্রকল্প বাস্তবায়নের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

    ইন্টারনেট সংযোগ পরিকাঠামো (Reliance Investment)

    প্রশাসনিক সূত্রের খবর, রিলায়েন্সের সঙ্গে আলোচনায় দিঘায় সংস্থার তৈরি করা সমুদ্রতলের কেবল লাইন কেন্দ্রের বিষয়টিও উঠে আসে। এই প্রকল্প চালু হলে রাজ্যের ইন্টারনেট সংযোগ ও তথ্য আদানপ্রদানের পরিকাঠামো আরও শক্তিশালী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এর আগে মুম্বইয়ে মুকেশ আম্বানি ও অনন্ত আম্বানির সঙ্গে বৈঠকে রাজ্যে শিল্প বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান তৈরির সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। রিলায়েন্সের পাশাপাশি রাজ্যে অন্য বড় শিল্পগোষ্ঠীর বিনিয়োগ নিয়েও ইতিমধ্যে আলোচনা চলছে। আদানি গোষ্ঠী ২০৩৫ সালের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গে প্রায় এক লক্ষ কোটি টাকা বিনিয়োগের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে। সেই বিনিয়োগের মধ্যে বন্দর, পরিবহণ, বিদ্যুৎ, তথ্যকেন্দ্র, সড়ক ও সেতু এবং স্বাস্থ্য পরিষেবার মতো একাধিক ক্ষেত্র রয়েছে।

    ১৫ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ পরিকল্পনা অম্বুজা নেওটিয়ার

    অম্বুজা নেওটিয়ার ঘোষিত ১৫ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ পরিকল্পনার মধ্যে স্বাস্থ্য পরিষেবায় ১,৫০০ কোটি টাকা ব্যয়ের কথা বলা হয়েছিল। এই অর্থে কলকাতা, দুর্গাপুর ও শিলিগুড়িতে পাঁচটি নতুন হাসপাতাল তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। আবাসন ও বাণিজ্যিক পরিকাঠামোয় প্রায় ৬,৫০০ কোটি টাকা এবং (Reliance Investment) গল্ফভিত্তিক একটি বড় আবাসন প্রকল্পে প্রায় ৫,০০০ কোটি টাকা বিনিয়োগের পরিকল্পনাও রয়েছে। হোটেল ও পর্যটন ক্ষেত্রেও বড় পরিকল্পনা রয়েছে সংস্থার। দার্জিলিং, কালিম্পং, ডুয়ার্স, দীঘা, সুন্দরবন, শান্তিনিকেতন ও রায়চকে হোটেল তৈরির পরিকল্পনার কথা সংস্থা জানিয়েছিল। কলকাতা ও শিলিগুড়িতে সম্মেলনকেন্দ্র তৈরির পরিকল্পনাও রয়েছে। তবে প্রস্তাবিত প্রকল্পগুলির কোনটি কবে বাস্তবায়িত হবে, কোথায় কোন প্রকল্প গড়ে উঠবে এবং প্রত্যেক ক্ষেত্রে কত কর্মসংস্থান তৈরি হবে, তার বিস্তারিত চিত্র এখনও স্পষ্ট নয়। বিনিয়োগ প্রস্তাবগুলি বাস্তবায়নের পর্যায়ে পৌঁছলে রাজ্যের শিল্প, স্বাস্থ্য, পর্যটন ও আবাসন ক্ষেত্রে তার প্রভাব আরও পরিষ্কার হবে।

    রাজ্য সরকারের শিল্পনীতির অন্যতম লক্ষ্য এখন বড় বিনিয়োগের পাশাপাশি কর্মসংস্থান তৈরি করা। ফলে (Suvendu Adhikari) রিলায়েন্স, অম্বুজা নেওটিয়া এবং অন্যান্য শিল্পগোষ্ঠীর সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনাকে সেই বৃহত্তর বিনিয়োগ প্রচেষ্টার অংশ হিসেবেই দেখা হচ্ছে (Reliance Investment)।

     

  • India Energy Week: কলকাতায় বসছে আন্তর্জাতিক শক্তি সম্মেলন, শিল্পে বিনিয়োগ- কর্মসংস্থান বৃদ্ধির আশা শুভেন্দুর

    India Energy Week: কলকাতায় বসছে আন্তর্জাতিক শক্তি সম্মেলন, শিল্পে বিনিয়োগ- কর্মসংস্থান বৃদ্ধির আশা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলার শিল্পক্ষেত্রে নতুন বিনিয়োগ আনা এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে এবার কলকাতায় আয়োজিত হতে চলেছে আন্তর্জাতিক শক্তি ও জ্বালানি সম্মেলন ‘ভারত শক্তি সপ্তাহ’। আগামী বছরের ২৮ থেকে ৩১ জানুয়ারি নিউ টাউনের সম্মেলন কেন্দ্রে বসবে এই আন্তর্জাতিক আসর। সোমবার সম্মেলনের প্রস্তুতিপর্বের অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাসমন্ত্রী হরদীপ সিং পুরীর সঙ্গে কলকাতাকে (India Energy Week) আয়োজক শহর হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। চার দিনের এই সম্মেলনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শিল্পপতি, বিনিয়োগকারী, প্রযুক্তিবিদ এবং শক্তি বিশেষজ্ঞদের অংশগ্রহণ করার কথা।

    রাজ্যে ক্ষমতার পরিবর্তনের পর শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির বিষয়টিকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বিজেপি সরকার। সেই প্রেক্ষাপটে কলকাতায় এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনের আয়োজনকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে রাজ্য প্রশাসন। অশোকনগরের তেল উত্তোলন প্রকল্প, হলদিয়া তৈল শোধনাগারের সম্প্রসারণ এবং সুন্দরবনে ম্যানগ্রোভ রোপণের মতো একাধিক পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর আশা, আগামী দিনে শক্তি ও জ্বালানি ক্ষেত্রে বিনিয়োগ বাড়লে বাংলায় নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।

    কলকাতায় আন্তর্জাতিক সম্মেলন (India Energy Week)

    ভারত শক্তি সপ্তাহ দেশের অন্যতম বৃহৎ আন্তর্জাতিক শক্তি ও জ্বালানিবিষয়ক প্রদর্শনী এবং সম্মেলন। এর আগে বেঙ্গালুরু, গোয়া ও দিল্লিতে এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। আগামী বছর প্রথমবার কলকাতায় বসতে চলেছে এর আসর। কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রকের পৃষ্ঠপোষকতায় আয়োজিত এই সম্মেলনে শক্তি নিরাপত্তা, নতুন প্রযুক্তি, বিনিয়োগ এবং পরিবেশবান্ধব জ্বালানি ব্যবহারের মতো বিষয়গুলি গুরুত্ব পাবে।

    আয়োজকদের প্রত্যাশা, আগামী বছরের সম্মেলনে ৭৫ হাজারের বেশি শক্তি বিশেষজ্ঞ ও পেশাদার এবং ৭০০-র বেশি আন্তর্জাতিক প্রদর্শক অংশ নেবেন। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের শিল্প সংস্থা, নীতিনির্ধারক ও বিনিয়োগকারীদের এক মঞ্চে নিয়ে আসার পাশাপাশি নতুন বাণিজ্যিক অংশীদারিত্ব গড়ে তোলাও এই আয়োজনের অন্যতম উদ্দেশ্য।

    একাধিক প্রকল্প

    সোমবারের অনুষ্ঠানের পর সাংবাদিক বৈঠকে রাজ্যের শক্তি ও জ্বালানি ক্ষেত্রের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন শুভেন্দু। অশোকনগরের তেল উত্তোলন প্রকল্প এবং হলদিয়া তৈল শোধনাগারের নতুন ইউনিটের প্রসঙ্গ উল্লেখ করেন তিনি।

    মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “অশোকনগরে তৈল উত্তোলনের কাজ শুরু হয়েছে। এখন বাংলা মোদিজির হাত ধরে দেখছে কীভাবে কাজ করতে হয়। হলদিয়ায় রিফাইনারির নতুন ইউনিট স্থাপন করা হয়েছে।”

    অশোকনগরের প্রকল্পকে ঘিরে রাজ্যের জ্বালানি ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হওয়ার আশা প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি হলদিয়া তৈল শোধনাগারের সম্প্রসারণের ফলে শিল্প পরিকাঠামো আরও শক্তিশালী হবে বলেই তাঁর প্রত্যাশা। এই ধরনের প্রকল্পের সঙ্গে পরিবহণ, নির্মাণ, যন্ত্রপাতি সরবরাহ এবং অন্যান্য সহযোগী শিল্পও যুক্ত থাকে। ফলে নতুন বিনিয়োগ এলে প্রত্যক্ষ কর্মসংস্থানের পাশাপাশি পরোক্ষ কর্মসংস্থানের সুযোগও তৈরি হতে পারে (India Energy Week)।

    সুন্দরবনে ম্যানগ্রোভ রোপণের পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন শুভেন্দু। শিল্প সম্প্রসারণের পাশাপাশি পরিবেশ সংরক্ষণের বিষয়টিকেও গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানিয়েছে রাজ্য সরকার।

    পূর্বতন তৃণমূল সরকারকে নিশানা শুভেন্দুর

    শিল্পায়নের প্রসঙ্গ উঠতেই পূর্বতন তৃণমূল সরকারকে আক্রমণ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর অভিযোগ, রাজনৈতিক কারণে আগের সরকার রাজ্যে একাধিক শিল্প প্রকল্প চালু করতে দেয়নি। ফলে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বাধাপ্রাপ্ত হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

    শুভেন্দু বলেন, “আগের সরকার একাধিক প্রকল্প চালু করতে দেয়নি। আমরা এবার অনেক পরিকল্পনা করেছি। সবটা সফল হবে। এই সেক্টরে আগামী দিনে অনেক লগ্নি আসবে, প্রকল্পগুলির সম্প্রসারণ ও অনেক কর্মসংস্থান হবে।” তবে নতুন প্রকল্পগুলিতে কত টাকা বিনিয়োগ হবে কিংবা ঠিক কত মানুষের কর্মসংস্থান হবে, সে বিষয়ে এখনও নির্দিষ্ট পরিসংখ্যান সামনে আসেনি। আগামী দিনে প্রকল্পগুলির বাস্তবায়ন এবং বিনিয়োগের পরিমাণের উপরেই কর্মসংস্থান বৃদ্ধির বিষয়টি অনেকাংশে নির্ভর করবে (Suvendu Adhikari)।

    বাংলায় শিল্পায়ন নিয়ে আশাবাদী পুরী

    সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশংসা করেন কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাসমন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী। বাংলায় শিল্প ও বিনিয়োগের নতুন সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, “বাংলায় এত বছরে কী হয়েছে ভেবে লাভ নেই। এবার শুভেন্দু আছেন। বাংলায় শিল্প আসবে। মোদিজির দেখানো পথে বাংলাকে এগিয়ে নিয়ে যাবেন তিনি।”

    সোমবারের অনুষ্ঠানে দেশের শক্তি নিরাপত্তার বিষয়টিও গুরুত্ব পায়। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জানান, ভবিষ্যতের জ্বালানি চাহিদা পূরণ করতে হলে এখন থেকেই পরিকাঠামো, প্রযুক্তি এবং বিভিন্ন উৎস থেকে জ্বালানি সংগ্রহের ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে হবে। আন্তর্জাতিক বাজারের অনিশ্চয়তার মধ্যেও দেশের জ্বালানি সরবরাহ স্থিতিশীল রাখার উপর জোর দেন (India Energy Week) তিনি।

    আন্তর্জাতিক বিনিয়োগের নতুন সুযোগ

    কলকাতায় এই সম্মেলনের আয়োজনকে ঘিরে রাজ্যের শিল্পমহলেও নতুন বিনিয়োগের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। সম্মেলনে তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস, জৈব জ্বালানি এবং আধুনিক শক্তি প্রযুক্তি নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা। আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলির সঙ্গে দেশীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলির যোগাযোগ বাড়ানোর সুযোগও থাকবে। বিশেষত হলদিয়ার মতো শিল্পাঞ্চলে নতুন প্রকল্প এবং সহযোগী শিল্পের সম্প্রসারণের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হতে পারে। একই সঙ্গে শক্তি ক্ষেত্রে নয়া প্রযুক্তির ব্যবহার, পরিবেশের উপর প্রভাব কমানো এবং দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়গুলিও গুরুত্ব পাবে। কলকাতায় আন্তর্জাতিক সম্মেলন আয়োজনের ফলে রাজ্যের হোটেল, পরিবহণ, পর্যটন এবং অন্যান্য পরিষেবা ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত ব্যবসার সুযোগ তৈরি হতে পারে। তবে দীর্ঘমেয়াদে এই আয়োজন রাজ্যের শিল্পক্ষেত্রে কতটা প্রভাব ফেলবে, তা নির্ভর করবে সম্মেলন থেকে বাস্তবে কতগুলি বিনিয়োগ প্রস্তাব ও প্রকল্প কার্যকর হয় তার উপর (Suvendu Adhikari)। আগামী বছরের জানুয়ারিতে চার দিনের এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনের দিকে তাই নজর থাকবে রাজ্য প্রশাসন ও শিল্পমহলের। অশোকনগর ও হলদিয়ার মতো চালু প্রকল্পগুলি সম্প্রসারণের পাশাপাশি নতুন বিনিয়োগের (India Energy Week) প্রস্তাব কতটা বাস্তবায়িত হয়, সেটাই হবে আগামী দিনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

     

  • PM Modi: বাংলার শিল্পের পুরনো গৌরব ফেরাতে বিশেষ নির্দেশ মোদির, দেড় লাখ কোটি টাকা পরিকাঠামো প্রকল্পের পরিকল্পনা

    PM Modi: বাংলার শিল্পের পুরনো গৌরব ফেরাতে বিশেষ নির্দেশ মোদির, দেড় লাখ কোটি টাকা পরিকাঠামো প্রকল্পের পরিকল্পনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের শিল্পের হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনতে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে কেন্দ্র (PM Modi)। রাজ্যে পরিকাঠামোর উন্নয়ন, নতুন বিনিয়োগ এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরিতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের বিশেষভাবে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সোমবার কলকাতায় বণিকসভা অ্যাসোচ্যামের উদ্যোগে (Development Investment Jobs) আয়োজিত ওড়িশার অঙ্গুল অ্যালুমিনিয়াম শিল্পতালুক সংক্রান্ত এক অনুষ্ঠানে এমনটাই জানালেন কেন্দ্রীয় কয়লা ও খনি মন্ত্রী জি কিষান রেড্ডি। তাঁর দাবি, পশ্চিমবঙ্গে ইতিমধ্যেই পরিকাঠামো উন্নয়নে ৭৯ হাজার কোটি টাকারও বেশি খরচ হয়েছে। পাশাপাশি, প্রায় ১ লাখ ৪৭ হাজার কোটি টাকার নতুন পরিকাঠামো প্রকল্প পরিকল্পনার পর্যায়ে রয়েছে।

    প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ (PM Modi)

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, “নির্বাচনের পরেও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সমস্ত মন্ত্রীকে স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়নে যা যা করা প্রয়োজন, তা করতে হবে। পরিকাঠামো উন্নয়ন হোক, বিনিয়োগ হোক কিংবা কর্মসংস্থান সৃষ্টি, প্রতিটি ক্ষেত্রেই বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। পশ্চিমবঙ্গ এক সময় ভারতের অন্যতম প্রধান শিল্পকেন্দ্র ছিল। এবার সেই পুরনো গৌরব ফিরিয়ে আনার সময় এসেছে।”

    পশ্চিমবঙ্গ ও ওড়িশাকে একসঙ্গে কাজে লাগিয়ে পূর্ব ভারতকে দেশের অন্যতম প্রধান উৎপাদনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথাও জানান রেড্ডি। তাঁর বক্তব্য, ভৌগোলিক অবস্থান, যোগাযোগব্যবস্থা এবং শিল্পের ঐতিহ্যের কারণে পশ্চিমবঙ্গে নতুন বিনিয়োগের যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে। ওড়িশার অ্যালুমিনিয়াম শিল্পের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্পগুলিকে যুক্ত করা গেলে দুই রাজ্যই উপকৃত হতে পারে। এর মাধ্যমে পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বাজারের সঙ্গেও যোগাযোগ আরও শক্তিশালী করা সম্ভব হবে।

    এদিনের অনুষ্ঠানে অঙ্গুল অ্যালুমিনিয়াম শিল্পতালুকে বিনিয়োগের সুযোগ তুলে ধরা হয়। দেশের অ্যালুমিনিয়াম উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি সেই ধাতু ব্যবহার করে বিভিন্ন ধরনের উচ্চমূল্যের পণ্য তৈরির উপর জোর দেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। তাঁর মতে, পশ্চিমবঙ্গ ও ওড়িশার মধ্যে শিল্প করিডর গড়ে উঠলে নতুন কারখানা স্থাপন, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান তৈরির সুযোগ বাড়বে। কেন্দ্রের পূর্বমুখী নীতির বাস্তবায়নেও এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে (PM Modi)।

    বঙ্গে চলেছে ‘জঙ্গলরাজ’

    পশ্চিমবঙ্গের কয়লা শিল্প নিয়েও এদিন সরব হন রেড্ডি। তাঁর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে রাজ্যের কয়লা ক্ষেত্র বেআইনি খননকারী এবং কয়লা মাফিয়াদের নিয়ন্ত্রণে ছিল। আগের সরকারগুলির আমলে এই ক্ষেত্রে জবাবদিহির অভাব ছিল বলেও অভিযোগ করেন তিনি। সেই পরিস্থিতিকে ‘জঙ্গলরাজ’ বলে অভিহিত করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।

    রেড্ডি বলেন, “বহু বছর ধরে পশ্চিমবঙ্গের কয়লা ক্ষেত্র মাফিয়া এবং বেআইনি খননকারীদের নিয়ন্ত্রণে ছিল। কলকাতায় কোল ইন্ডিয়ার সদর দফতর থাকা সত্ত্বেও এই বাস্তবতার অভিজ্ঞতা সকলেরই রয়েছে (Development Investment Jobs)। খননের কোনও অনুমতি ছিল না, অথচ বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবহার করে বেআইনিভাবে কয়লা উত্তোলন চলত। দুর্ঘটনা ঘটেছে, মানুষের প্রাণ গিয়েছে, কিন্তু কোনও জবাবদিহি ছিল না। পশ্চিমবঙ্গে এই ধরনের জঙ্গলরাজ চলেছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে আমরা সেই পরিস্থিতি বদলানোর জন্য বিশেষভাবে কাজ করছি (PM Modi)।”

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর দাবি, কয়লা ও খনি ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা আনতে একাধিক সংস্কারমূলক পদক্ষেপ করা হচ্ছে। বেআইনি খনন বন্ধ করা, অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগের ব্যবহার রোধ এবং খনি থেকে প্রাপ্ত রাজস্ব যাতে যথাযথভাবে রাজ্য সরকারের কোষাগারে পৌঁছয়, তা নিশ্চিত করার উপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

    রাজ্য সরকারের রাজস্ব

    তিনি বলেন, “আগে কয়লা থেকে যে রাজস্ব আদায় হত, তা সরকারি কোষাগারে না গিয়ে অন্যত্র চলে যেত। এখন স্বচ্ছ প্রক্রিয়া এবং কঠোর জবাবদিহির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলানো হচ্ছে। বহু বেআইনি কারবারি ইতিমধ্যেই সরে গিয়েছে। এর ফলে কয়লা ক্ষেত্র থেকে রাজ্য সরকারের রাজস্ব বাড়বে।”

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকে দায়িত্ব পালনের সময়কার অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন রেড্ডি। তাঁর অভিযোগ, অতীতে পশ্চিমবঙ্গ থেকে পাঠানো প্রশাসনিক প্রতিবেদনে বাস্তব পরিস্থিতির যথাযথ প্রতিফলন থাকত না। তিনি দাবি করেন, খুন ও আত্মহত্যার মতো অপরাধের তথ্য চাওয়া হলেও, কোনও কোনও প্রতিবেদনে সেই সংখ্যা শূন্য দেখানো হত। তবে তাঁর এই অভিযোগের সমর্থনে অনুষ্ঠানে কোনও নির্দিষ্ট পরিসংখ্যান তুলে ধরা হয়েছে কি না, তা জানা যায়নি (PM Modi)।

    কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরিতে সমন্বয়ে জোর

    রাজ্যের কয়লা ও খনি ক্ষেত্রের উন্নয়ন নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে বৈঠক করার কথাও জানান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। নতুন বিনিয়োগ আনা, শিল্পের প্রসার এবং রাজ্যের শ্রমশক্তির জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরিতে কেন্দ্র ও রাজ্যের সমন্বয়ের উপর গুরুত্ব দেন তিনি।

    বেআইনি কার্যকলাপ বন্ধ করে পশ্চিমবঙ্গের শিল্পক্ষেত্রকে পুনরুজ্জীবিত করতে (Development Investment Jobs) সাধারণ মানুষ এবং শিল্পমহলের সহযোগিতাও চান রেড্ডি। তাঁর বক্তব্য, বাংলার শিল্পের ঐতিহ্য পুনরুদ্ধারের পাশাপাশি পূর্ব ভারতকে দেশের গুরুত্বপূর্ণ উৎপাদন ও রফতানিকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলাই কেন্দ্রের লক্ষ্য (PM Modi)।

     

  • Suvendu Adhikari: বাংলায় এক লাখ কোটি টাকারও বেশি বিনিয়োগের কথা ঘোষণা গৌতম আদানির

    Suvendu Adhikari: বাংলায় এক লাখ কোটি টাকারও বেশি বিনিয়োগের কথা ঘোষণা গৌতম আদানির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলা পা দিয়েই দু’-দু’টি মউ স্বাক্ষর করলেন শিল্পপতি গৌতম আদানি। বুধবার রাজ্যে পা রাখেন তিনি। বৃহস্পতিবার সাত সকালে কালীঘাটে পুজো দিয়ে নিউটাউনে দু’হাজার শয্যার অত্যাধুনিক হাসপাতাল ‘আদানি আরোগ্য মন্দিরে’র শিলান্যাস করতে ছোটেন আদানি। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আদানি গোষ্ঠীর চেয়ারম্যান গৌতম আদানি স্বয়ং, তাঁর স্ত্রী প্রীতি আদানি, পুত্র করণ আদানি এবং মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর সম্প্রসারণের পাশাপাশি শিল্পক্ষেত্রেও বড় বিনিয়োগের পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেন আদানি। ২০৩৫ সালের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গে এক লাখ কোটি টাকারও বেশি বিনিয়োগের লক্ষ্যমাত্রার কথা জানান তিনি। আদানি গোষ্ঠীর সঙ্গে ইতিমধ্যেই দু’টি মউ স্বাক্ষরিত হয়েছে (Gautam Adani) বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। একটি ঐতিহাসিক রাইটার্স বিল্ডিংয়ের সংস্কার এবং অন্যটি দুর্গাপুজোকে কেন্দ্র করে।

    নিউটাউনের অ্যাকশন এরিয়া-২-এ তৈরি হচ্ছে আদানি আরোগ্য মন্দির। প্রস্তাবিত এই হাসপাতাল রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবায় একটি বড় সংযোজন হতে চলেছে। হাসপাতালটির জন্য চার হাজার কোটি টাকারও বেশি বিনিয়োগের ঘোষণা করা হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে দশ হাজারেরও বেশি কর্মসংস্থানের সম্ভাবনার কথাও জানানো হয়েছে। অলাভজনক এই চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের দু’হাজার শয্যার মধ্যে এক হাজার শয্যা আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা রোগীদের জন্য সংরক্ষিত রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারের স্বাস্থ্যবিমা প্রকল্পের আওতায় থাকা যোগ্য রোগীরা সেই সুবিধা পাবেন।

    শিল্পায়ন নিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা (Suvendu Adhikari)

    হাসপাতালের শিলান্যাসের মঞ্চ থেকেই রাজ্যের শিল্পায়ন নিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করেন আদানি। তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে পশ্চিমবঙ্গের ভৌগোলিক অবস্থান, যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং শিল্প স্থাপনের সম্ভাবনার কথা। আদানি জানান, ভারতের অল্প কয়েকটি রাজ্যেই পশ্চিমবঙ্গের মতো প্রাকৃতিক সম্পদ, যোগাযোগের সুবিধা এবং অর্থনৈতিক সম্ভাবনার সমন্বয় রয়েছে। সেই কারণেই দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের অন্যতম গন্তব্য হিসেবে বাংলাকে বেছে নিয়েছে তাঁর সংস্থা।

    শুধু স্বাস্থ্য পরিষেবাতেই সীমাবদ্ধ থাকছে না আদানি গোষ্ঠীর পরিকল্পনা। বন্দর নির্মাণ ও উন্নয়ন, পণ্য পরিবহণ, বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং বণ্টন, সড়ক ও সেতু নির্মাণ, সিমেন্ট কারখানা এবং হাইপারস্কেল ডেটা সেন্টারের মতো একাধিক ক্ষেত্রে বিনিয়োগের কথা জানিয়েছেন শিল্পপতি। তাঁর ঘোষণা অনুযায়ী, ২০৩৫ সালের মধ্যে রাজ্যে এক লাখ কোটি টাকারও বেশি বিনিয়োগ করার পরিকল্পনা রয়েছে গোষ্ঠীর।

    আদানি মনে করেন, বৃহৎ পরিকাঠামো নির্মাণের সঙ্গে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিস্তার ও নয়া কর্মসংস্থানের সুযোগ ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তিনি বলেন, “পরিকাঠামো লাখ লাখ মানুষের সম্ভাবনাকে বদলে দিতে পারে। আদানি গোষ্ঠীতে আমরা যা করি, তার কেন্দ্রেই রয়েছে পরিকাঠামো।” প্রস্তাবিত বিনিয়োগগুলি বাস্তবায়িত হলে রাজ্যের পরিবহণ, বিদ্যুৎ ও শিল্প পরিকাঠামোর সম্প্রসারণের পাশাপাশি প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে (Suvendu Adhikari)।

    বিনিয়োগের সিদ্ধান্তকে স্বাগত মুখ্যমন্ত্রীর

    এদিকে, আদানি গোষ্ঠীর বিনিয়োগের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, গোটা আদানি পরিবার পশ্চিমবঙ্গে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী। তাঁর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে নানা সমস্যার মুখোমুখি হয়েছে রাজ্য। পূর্ববর্তী সরকারের আমলে একের পর এক শিল্প বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বাংলার শিল্পক্ষেত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বর্তমান সরকার সেই পরিস্থিতি বদলে রাজ্যের হারানো শিল্পসমৃদ্ধি ফিরিয়ে আনতে চায় (Writers Building Restoration)।

    নিজের বক্তব্যে পূর্বতন তৃণমূল কংগ্রেস সরকারকেও আক্রমণ করেন শুভেন্দু। তাঁর অভিযোগ, আগের সরকার শিল্পায়নের পরিবর্তে ভাতা বিতরণ এবং তোষণের রাজনীতিকেই অগ্রাধিকার দিয়েছিল। তাজপুরে প্রস্তাবিত গভীর সমুদ্রবন্দর প্রকল্পের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, সেখানে বন্দর নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও পর্যাপ্ত জমির অভাবের কথা জানিয়েছিল আদানি গোষ্ঠী। তাঁর অভিযোগ, এই প্রকল্পকে ঘিরে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত বাংলার মানুষের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করা হয়েছে। তবে বর্তমান সরকারের আমলে সেই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হবে (Gautam Adani) না বলেও আশ্বাস দেন মুখ্যমন্ত্রী।

    ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি সংরক্ষণেও আদানি গোষ্ঠী

    শিল্পে বিনিয়োগের পাশাপাশি বাংলার ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি সংরক্ষণেও আদানি গোষ্ঠীকে যুক্ত করার কথা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর ঘোষণা অনুযায়ী, ইতিমধ্যেই সংস্থাটির সঙ্গে দু’টি মউ স্বাক্ষরিত হয়েছে। এর মধ্যে একটি কলকাতার ঐতিহাসিক মহাকরণ বা রাইটার্স বিল্ডিংয়ের সংস্কার সংক্রান্ত। অন্যটি দুর্গাপুজোকে কেন্দ্র করে।

    শুভেন্দু বলেন, বাঙালির সামাজিক ও সাংস্কৃতিক জীবনে দুর্গাপুজোর গুরুত্ব অপরিসীম। এবার সেই উৎসবের সঙ্গেও যুক্ত হচ্ছে আদানি গোষ্ঠী। সংস্থার পরিকল্পনা অনুযায়ী, কলকাতার নির্বাচিত আটটি দুর্গাপুজো কমিটিকে ২৫ লাখ টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে। বাংলার দুর্গাপুজোর শিল্পকলা ও ঐতিহ্যকে আন্তর্জাতিক স্তরে তুলে ধরতে দেশ-বিদেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের জন্য বিশেষ পুজো পরিদর্শনের আয়োজনও করা হচ্ছে (Suvendu Adhikari)।

    রাইটার্স বিল্ডিংয়ের সংস্কার প্রকল্পের মাধ্যমে শহরের ঐতিহাসিক স্থাপত্য সংরক্ষণের বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে। একসময় রাজ্য প্রশাসনের প্রধান কেন্দ্র ছিল মহাকরণ। সেই ভবনের ঐতিহ্য অক্ষুণ্ণ রেখে সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য, শিল্প এবং পরিকাঠামোর পাশাপাশি ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডেও আদানি গোষ্ঠীর অংশগ্রহণ রাজ্যে সংস্থাটির কার্যক্রমের পরিধি বাড়াচ্ছে।

    প্রসঙ্গত, এদিন সকালে স্ত্রী প্রীতিকে সঙ্গে নিয়ে কালীঘাট মন্দিরে যান তিনি। সেখানে মা কালীর পুজো দিয়ে আশীর্বাদ প্রার্থনা করেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন শিল্পপতি। কলকাতায় বৃষ্টির মধ্যে কালীঘাটে পুজো দেওয়ার মুহূর্তটি তাঁর কাছে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই জানান তিনি (Gautam Adani)। একই সঙ্গে বাংলার মানুষের শান্তি, সমৃদ্ধি ও মঙ্গল কামনা করেন। তার পরেই (Suvendu Adhikari) দিনের অন্যান্য কর্মসূচিতে যোগ দেন আদানি গোষ্ঠীর চেয়ারম্যান।

     

  • Suvendu Adhikari: শিল্পে পিছিয়ে বাংলা, বদলের বার্তা সরকারের, বস্ত্রশিল্পে বিনিয়োগ টানতে গুচ্ছের সংস্কারের ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    Suvendu Adhikari: শিল্পে পিছিয়ে বাংলা, বদলের বার্তা সরকারের, বস্ত্রশিল্পে বিনিয়োগ টানতে গুচ্ছের সংস্কারের ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের শিল্পক্ষেত্রে গত পাঁচ দশকে যে পিছিয়ে পড়ার ছবি তৈরি হয়েছে, তা বদলে রাজ্যকে নতুন শিল্পায়নের পথে নিয়ে যাওয়ার বার্তা দিলেন পালাবদলের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বুধবার কলকাতার মিলন মেলা প্রাঙ্গণে ‘টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রি কনফারেন্সে’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি দাবি করেন, দীর্ঘ সময় ধরে রাজ্যে শিল্পের বিকাশ বাধাগ্রস্ত হয়েছে। তবে বর্তমান সরকারের লক্ষ্য সেই পরিস্থিতি বদলে পশ্চিমবঙ্গকে বিনিয়োগের অন্যতম প্রধান গন্তব্য হিসেবে গড়ে তোলা (Industrial Investment)। ‘ডাবল ইঞ্জিন সরকারে’র হাত ধরে রাজ্য উন্নয়নের নতুন পর্বে প্রবেশ করেছে বলেও দাবি করেন তিনি।

    বিনিয়োগের আহ্বান মুখ্যমন্ত্রীর (Suvendu Adhikari)

    শিল্পপতি, উদ্যোক্তা এবং ব্যবসায়ী মহলের কাছে বাংলায় বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, গত ৩৪ বছরের বাম শাসন এবং পরবর্তী ১৫ বছরের তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের সময় রাজ্যে শিল্পের গতি কার্যত থমকে গিয়েছিল। এর জেরে অর্থনৈতিক অগ্রগতির একাধিক সম্ভাবনা হাতছাড়া হয়েছে বলে তাঁর অভিযোগ। তবে সেই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে এসে নতুন করে শিল্পবান্ধব পরিবেশ তৈরি করতে সরকার কাজ করছে বলে জানান শুভেন্দু। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, “বিগত ৫০ বছরে বাংলা অনেকটাই পিছিয়ে পড়েছে। এখন ‘অমৃত কাল’ ও ডাবল ইঞ্জিন সরকারের নেতৃত্বে আমরা শিল্পবান্ধব পরিবেশ তৈরি করছি। তোলাবাজি ও মাফিয়ারাজের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি নেওয়া হয়েছে। বাংলা এখন এগোতে প্রস্তুত, তাই নির্ভয়ে এখানে বিনিয়োগ করুন।”

    অর্থনীতিতে চোখে পড়ার মতো পরিবর্তন

    শিল্পায়নের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলার সম্পর্কের বিষয়টিও এদিন গুরুত্ব দিয়ে তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, রাজ্যে গুন্ডাগিরি, তোলাবাজি এবং অপরাধমূলক কার্যকলাপ বন্ধ করা গেলে শিল্পপতিদের মধ্যে আস্থা আরও বাড়বে। সেই আস্থা থেকেই নতুন বিনিয়োগ আসবে এবং রাজ্যে শিল্পের প্রসার ঘটবে। শিল্পবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আমূল উন্নতি ঘটানো সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য বলেও জানান তিনি। আগামী এক থেকে দু’বছরের মধ্যেই রাজ্যের অর্থনীতিতে চোখে পড়ার মতো পরিবর্তন আসবে বলেও আশা প্রকাশ করেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর দাবি, সেই সময়ের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ অর্থনৈতিকভাবে আরও শক্তিশালী হয়ে উঠবে এবং বিনিয়োগকারীদের কাছে রাজ্যের আকর্ষণ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে। বর্তমান সরকার মানুষের সরকার এবং নির্বাচনের আগে প্রকাশিত সংকল্পপত্রে যে প্রতিশ্রুতিগুলি দেওয়া হয়েছিল, সেগুলি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী।

    বিপুল কর্মসংস্থানের সুযোগ

    কেন্দ্র-রাজ্য সমন্বয়ের প্রসঙ্গও উঠে আসে তাঁর বক্তব্যে। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গে বস্ত্র ও চা শিল্পের প্রসার এবং নতুন বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নির্দেশে রাজ্যের সর্বাঙ্গীন উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে বলেও দাবি করেন তিনি। আগামী ২৪ থেকে ২৮ অগাস্ট কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর রাজ্য সফরের সময় বস্ত্রশিল্পের প্রতিনিধিদের সঙ্গে একটি বৈঠকের আয়োজন করা হবে বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী। ওই বৈঠকে শিল্পের সমস্যা, সম্ভাবনা এবং বিনিয়োগের সুযোগ নিয়ে সরাসরি আলোচনা হতে পারে বলেও জানান তিনি। বস্ত্রশিল্পকে কেন্দ্র করে রাজ্যে নতুন শিল্পায়নের পরিকল্পনার কথাও এদিন স্পষ্ট করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, এই শিল্পে বিপুল কর্মসংস্থানের সুযোগ রয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের ঐতিহ্যবাহী তাঁত, পোশাক এবং বস্ত্রশিল্পকে আধুনিক বাজারের সঙ্গে যুক্ত করে বৃহত্তর শিল্পক্ষেত্র তৈরি করাই সরকারের লক্ষ্য। সেই লক্ষ্যে প্রশাসনিক জটিলতা কমানো, দ্রুত অনুমোদন এবং বিনিয়োগকারীদের জন্য সহজতর ব্যবস্থা চালু করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে (Industrial Investment)।

    ‘সিঙ্গেল উইন্ডো সিস্টেম’

    বিশেষ করে ১০০ কোটি টাকার বেশি বিনিয়োগের প্রকল্পগুলির ক্ষেত্রে দ্রুত অনুমোদনের ব্যবস্থা করার কথা জানান মুখ্যমন্ত্রী। বড় শিল্প প্রকল্পের জন্য বিনিয়োগকারীদের যাতে একাধিক দফতর, পুরসভা বা পঞ্চায়েতের বিভিন্ন স্তরে অনুমোদনের জন্য ঘুরতে না হয়, সেই ব্যবস্থাও করা হচ্ছে। রাজ্য সরকারের ‘সিঙ্গেল উইন্ডো সিস্টেমে’র মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র দেওয়ার পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, শিল্পপতিদের জন্য প্রক্রিয়াটি আরও সহজ এবং সময়সাশ্রয়ী করা হবে (Suvendu Adhikari)। জমি সংক্রান্ত নীতিতেও পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। জমি ক্রয় নীতি ইতিমধ্যেই কার্যকর হয়েছে বলেও জানান রাজ্যে বিজেপি সরকারের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু। খুব শীঘ্রই নতুন ভূমি উন্নয়ন নীতি আনার পরিকল্পনার কথাও জানান শুভেন্দু। শিল্প স্থাপনের প্রক্রিয়া আরও সরল করতে প্রয়োজনে বিধানসভায় আইন সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি। অর্থাৎ বিনিয়োগকারীদের জন্য জমি, অনুমোদন এবং প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার জটিলতা কমিয়ে দ্রুত প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিবেশ তৈরি করাই সরকারের অন্যতম লক্ষ্য।

    একাধিক বড় শিল্পগোষ্ঠীর বিনিয়োগ

    রাজ্যে ইতিমধ্যেই একাধিক বড় শিল্পগোষ্ঠী বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলেও দাবি করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, লাক্স কোজি, আমূল, শ্যাম স্টিল এবং অমিত মেটালিক্স-সহ একাধিক সংস্থা পশ্চিমবঙ্গে বিনিয়োগে আগ্রহ দেখিয়েছে বা সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ক্যাবিনেট বৈঠকের পর আগামী এক মাসের মধ্যে অন্তত ২৫ জন শিল্পপতির হাতে নতুন শিল্প প্রকল্পের জন্য জমি তুলে দেওয়ার পরিকল্পনার কথাও ঘোষণা করেন তিনি (Suvendu Adhikari)। শিল্পায়নের পাশাপাশি কর্মসংস্থান তৈরির বিষয়টিকেও সরকারের অগ্রাধিকারের তালিকায় রেখেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর মতে, নতুন শিল্প হলে একদিকে যেমন বিনিয়োগ বাড়বে, তেমনই সরাসরি ও পরোক্ষভাবে কর্মসংস্থানের সুযোগও তৈরি হবে। এর ফলে রাজ্যের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আরও গতি পাবে এবং পশ্চিমবঙ্গ আর্থিকভাবে স্বনির্ভর হওয়ার পথে এগিয়ে যাবে (Industrial Investment)।

    বৃহত্তর শিল্পক্ষেত্র তৈরির আশ্বাস

    তাঁত ও বস্ত্রশিল্পের ক্ষেত্রে বাংলার ঐতিহ্যকে কাজে লাগিয়ে আধুনিক শিল্প কাঠামো গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। রাজ্যের দীর্ঘদিনের তাঁতশিল্প ও পোশাক উৎপাদনকে আধুনিক প্রযুক্তি, বাজার এবং বিনিয়োগের সঙ্গে যুক্ত করে বৃহত্তর শিল্পক্ষেত্র তৈরি করা হবে বলে জানান তিনি। প্রশাসনিক সংস্কার, দ্রুত অনুমোদন, জমি নীতির পরিবর্তন এবং শিল্পবান্ধব পরিবেশ—এই চারটি বিষয়কে সামনে রেখে বস্ত্রশিল্পে নতুন বিনিয়োগের দরজা খুলতে চাইছে রাজ্য সরকার। মিলন মেলা প্রাঙ্গণে টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রি কনফারেন্সের মঞ্চ থেকে তাই একই সঙ্গে তিনটি বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করেন মুখ্যমন্ত্রী—শিল্পে বিনিয়োগ বাড়ানো, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি এবং প্রশাসনিক জটিলতা কমানো। তাঁর দাবি, এই তিন ক্ষেত্রেই পরিবর্তন আনতে পারলে পশ্চিমবঙ্গ আগামী দিনে দেশের অন্যতম আকর্ষণীয় শিল্প ও বিনিয়োগকেন্দ্র হয়ে উঠতে পারে। আগামী এক থেকে দু’বছরের মধ্যে সেই (Industrial Investment) পরিবর্তনের প্রতিফলন রাজ্যের অর্থনীতিতে দেখা যাবে বলেও আশা প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী (Suvendu Adhikari)।

     

  • India: ড্রাগনকে ছাপিয়ে যাচ্ছে হাতি! চিনের জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ৪.৩, সেখানে ভারতের ৭.৮ শতাংশ, চিন্তায় বেজিং

    India: ড্রাগনকে ছাপিয়ে যাচ্ছে হাতি! চিনের জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ৪.৩, সেখানে ভারতের ৭.৮ শতাংশ, চিন্তায় বেজিং

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিন থেকে বিপুল পরিমাণ পণ্য আমদানি করা সত্ত্বেও, মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপি বৃদ্ধির হারে চিনকে ছাপিয়ে যাচ্ছে ভারত (India)। সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক তথ্য বলছে, চিনের প্রবৃদ্ধি কমেছে, অন্যদিকে ভারতের অর্থনীতি তুলনামূলকভাবে দ্রুত গতিতে এগোচ্ছে (China Economy)।

    কী বলছে প্রতিবেদন? (India)

    সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে,  ভারত এখনও চিনা পণ্যের অন্যতম বৃহৎ আমদানিকারী দেশ। তবে এর বিপরীতে ভারতে তৈরি পণ্যের রফতানি চিনে তুলনামূলকভাবে অনেকখানি কম। বুধবার প্রকাশিত চিনের জিডিপি বৃদ্ধির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, চলতি বছরের এপ্রিল-জুন ত্রৈমাসিকে দেশটির অর্থনীতি ৪.৩ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। এর আগে জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে এই হার ছিল ৫ শতাংশ। অর্থাৎ এক প্রান্তিকের ব্যবধানে প্রবৃদ্ধিতে উল্লেখযোগ্য পতন ঘটেছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, গত কয়েক বছরের মধ্যে এই প্রথম চিনের অর্থনীতিতে এতটা ধীরগতি দেখা গেল, যা অর্থনীতিবিদদের অনেকেরই প্রত্যাশার বাইরে ছিল। অন্যদিকে, সম্প্রতি প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী ভারতের জিডিপি বৃদ্ধির হার ৭.৮ শতাংশ, যা চিনের তুলনায় অনেক বেশি। প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, আগামী দিনে ভারতের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি আরও বাড়তে পারে।

    কেন কমছে চিনের জিডিপি?

    কয়েক দিন আগে মার্কিন সংবাদমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ইউবিএস চিনের প্রধান অর্থনীতিবিদ ইউ সং চিনের অর্থনীতি মন্থর হওয়ার তিনটি প্রধান কারণ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) চিনের অর্থনীতির দুর্বলতার জন্য দায়ী নয়। বরং এই প্রযুক্তি চিনের উপকারই করেছে (China Economy)।” ইউ সংয়ের মতে, দীর্ঘদিনের আবাসন খাতের সঙ্কটই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কমে যাওয়ার সবচেয়ে বড় কারণ। তাঁর দাবি, চিনের সম্পত্তি বাজার দীর্ঘ সময় ধরে মন্দার মধ্যে রয়েছে। ফলে মানুষ সম্পত্তিতে বিনিয়োগের বদলে সঞ্চয়ের দিকে বেশি ঝুঁকছেন (India)। তিনি আরও জানান, ভোক্তাদের ব্যয়ও কমে গিয়েছে। তাঁর মতে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতের প্রভাবে জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় চিনের সাধারণ মানুষ দামি ব্র্যান্ডের পণ্যের পরিবর্তে তুলনামূলক সস্তা পণ্য কিনতে শুরু করেছেন। এ ছাড়াও কর্মসংস্থান কমে যাওয়াকেও অর্থনীতির দুর্বলতার অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন ইউ সং। তাঁর কথায়, “এআই যেমন চিনকে সুবিধা দিয়েছে, তেমনই এটি (China Economy) বহু মানুষের কর্মসংস্থানের ওপরও প্রভাব ফেলেছে এবং শ্রমিকের চাহিদা কমিয়ে দিয়েছে (India)।”

     

  • PM Modi: ভারতে বিরাট অঙ্কের বিনিয়োগ করবে এয়ারট্রাঙ্ক, স্বাগত জানালেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: ভারতে বিরাট অঙ্কের বিনিয়োগ করবে এয়ারট্রাঙ্ক, স্বাগত জানালেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের ডিজিটাল পরিকাঠামো সম্প্রসারণে ২০৩০ সালের মধ্যে প্রায় ৩ লাখ কোটি টাকা বিনিয়োগের পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করল ব্ল্যাকস্টোন-সমর্থিত ডেটা সেন্টার সংস্থা এয়ারট্রাঙ্ক। এই ঘোষণাকে স্বাগত জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁর মতে, এই বিনিয়োগ ভারতের ডিজিটাল অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করবে এবং দেশকে ক্লাউড কম্পিউটিং এবং এআইয়ের (AI) বৈশ্বিক কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।

    ডিজিটাল পরিকাঠামোর অগ্রগতি (PM Modi)

    এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, ভারতের ডিজিটাল পরিকাঠামোর অগ্রগতি দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলেছে। এয়ারট্রাঙ্কের প্রায় ৩ লাখ কোটি টাকার বিনিয়োগ এবং ৫ গিগাওয়াট ডেটা সেন্টার গড়ে তোলার পরিকল্পনা দেশের ডিজিটাল পরিকাঠামোয় অন্যতম বৃহৎ প্রস্তাবিত বিনিয়োগ। তিনি এও লেখেন, এই ধরনের বিনিয়োগ ভারতের ক্লাউড কম্পিউটিং এবং এআই খাতে বৈশ্বিক অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করবে। পাশাপাশি কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, স্থানীয় সরবরাহ শৃঙ্খল উন্নয়ন এবং উদ্ভাবননির্ভর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিরও সহায়ক হবে। তাঁর মতে, বিশ্বের ডিজিটাল অর্থনীতির ভবিষ্যৎ ক্রমশ ভারতের হাতেই গড়ে উঠছে।

    এয়ারট্রাঙ্কের বক্তব্য

    এয়ারট্রাঙ্ক এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তাদের প্রস্তাবিত বিনিয়োগ কর্মসূচি ভারতের এআই এবং ক্লাউড পরিকাঠামো উন্নয়নের লক্ষ্যকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। একই সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, অর্থনৈতিক কার্যকলাপ বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তি শিল্পের বিকাশেও। সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, ভারতের বিভিন্ন রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে একাধিক প্রকল্পের মাধ্যমে এই বিনিয়োগ বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে, যা দেশকে বৈশ্বিক এআই ও ক্লাউড পরিকাঠামো বিনিয়োগের অন্যতম গন্তব্যে পরিণত করতে সাহায্য করবে।

    দীর্ঘমেয়াদি লগ্নি পরিকল্পনা

    চলতি বছরের এপ্রিল মাসে লুমিনা ক্লাউডইনফ্রা (Lumina CloudInfra) অধিগ্রহণের মাধ্যমে ভারতীয় বাজারে প্রবেশ করে এয়ারট্রাঙ্ক। বর্তমানে মুম্বই, চেন্নাই এবং হায়দরাবাদে প্রায় ৬০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ডেটা সেন্টার উন্নয়ন প্রকল্প তাদের হাতে রয়েছে। এয়ারট্রাঙ্কের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান এক্সিকিউটিভ আধিকারিক রবিন খুদা জানান, কেন্দ্র ও বিভিন্ন রাজ্য সরকারের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনার পর ভারতকে ঘিরে তাদের দীর্ঘমেয়াদি লগ্নি পরিকল্পনা আরও সম্প্রসারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, “মূলধন সবসময় এমন জায়গায় যায় যেখানে উন্নয়নের অনুকূল পরিবেশ থাকে, আর ভারত সেই পরিবেশ তৈরি করতে পেরেছে। সরকারের এআই-কেন্দ্রিক নীতি, দক্ষ মানবসম্পদ এবং বিপুল নবায়নযোগ্য শক্তির প্রাপ্যতা আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি বিনিয়োগকারীদের কাছে ভারতকে অত্যন্ত আকর্ষণীয় করে তুলেছে।

    ডিজিটাল পরিকাঠামো প্রকল্প

    ভারত সফরকালে রবিন খুদা কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিনিধি ছাড়াও মহারাষ্ট্র ও অন্ধ্রপ্রদেশ সরকারের মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ, নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার, জলসম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনা, দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং দ্রুত প্রকল্প অনুমোদনের মতো বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। এছাড়া কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের মধ্যে আরও সমন্বয়ের মাধ্যমে বৃহৎ ডিজিটাল পরিকাঠামো প্রকল্প বাস্তবায়নের পথ কীভাবে সহজ করা যায়, সেই বিষয়েও মতামত বিনিময় হয়েছে।

    রবিন খুদার বক্তব্য

    খুদা বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ডিজিটাল অর্থনীতির ভাবনা ভারতকে বিশ্বের অন্যতম আকর্ষণীয় প্রযুক্তি বিনিয়োগের গন্তব্যে পরিণত করেছে।” তাঁর মতে, ভারতের পরিসর, প্রতিভা এবং উচ্চাকাঙ্ক্ষা দেশটিকে ভবিষ্যতের বৈশ্বিক এআই শক্তিকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে সক্ষম। সেই লক্ষ্য পূরণে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ, পরিকাঠামো উন্নয়ন এবং অংশীদারিত্বের মাধ্যমে এয়ারট্রাঙ্ক সহযোগিতা করতে আগ্রহী। সংস্থার দাবি, বিশ্বজুড়ে এআই প্রযুক্তির ব্যবহার দ্রুত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যেসব দেশের শক্তিশালী ডিজিটাল পরিকাঠামো থাকবে, তারাই ভবিষ্যতে বেশি বিনিয়োগ, উদ্ভাবন এবং উচ্চমূল্যের কর্মসংস্থান আকর্ষণ করতে পারবে।

     

  • Modi Govt: প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নেহরুকে ছাপিয়ে গেলেন মোদি, জগৎসভায় শ্রেষ্ঠ আসন নেওয়ার পথে ভারত

    Modi Govt: প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নেহরুকে ছাপিয়ে গেলেন মোদি, জগৎসভায় শ্রেষ্ঠ আসন নেওয়ার পথে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টানা এক যুগ ধরে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করে জওহরলাল নেহরুর রেকর্ড ভাঙলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi Govt)। এই মাইলফলক শুধু রাজনৈতিক ইতিহাসের অংশ নয়, বরং গত ১২ বছরে ভারতের (India) অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক পরিবর্তনের মূল্যায়নেরও একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণ।

    আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ভারতের গুরুত্ব (Modi Govt)

    গত এক দশকে ভারতের অর্থনীতি প্রায় ২ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার থেকে বেড়ে ৪ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি হয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে প্রকৃত জিডিপি প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ৭.৭ শতাংশ এবং বৈদেশিক মুদ্রার ভান্ডার প্রায় ৬৮৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ভারতের গুরুত্বও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রকৃত পরিবর্তন শুধু অর্থনীতির আকারে নয়, বরং দেশের প্রশাসনিক কাঠামো এবং ডিজিটাল পরিকাঠামোর আমূল পরিবর্তনে।

    মোদি সরকারের অন্যতম বড় সাফল্য

    মোদি সরকারের অন্যতম বড় সাফল্য হল ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার গড়ে তোলা। আধার, জনধন অ্যাকাউন্ট, ইউপিআই, জিএসটি এবং ডিবিটি (সরাসরি ভর্তুকি স্থানান্তর)-কে একত্রিত করে বিশ্বের বৃহত্তম ডিজিটাল প্রশাসনিক ব্যবস্থা তৈরি হয়েছে। বর্তমানে জনধন অ্যাকাউন্টের সংখ্যা ৫৮ কোটিরও বেশি, আয়ুষ্মান ভারত স্বাস্থ্য কার্ড ইস্যু হয়েছে প্রায় ৪৪ কোটি। ডিজিটাল মাধ্যমে সরাসরি ভর্তুকি পৌঁছে যাওয়ায় সরকারি প্রকল্পে দুর্নীতি ও অপচয় অনেকটাই কমেছে। বিশেষ করে ইউপিআই (UPI) ভারতের অর্থনীতিতে বিরাট পরিবর্তন এনেছে। ২০২৬ সালের মে মাসে ইউপিআইয়ের মাধ্যমে ২৩.২ বিলিয়ন লেনদেন হয়েছে, যার মোট মূল্য প্রায় ৩০ লাখ কোটি টাকা। ছোট দোকান থেকে বড় ব্যবসা—সব ক্ষেত্রেই ডিজিটাল পেমেন্ট এখন দৈনন্দিন বাস্তবতা (India)। বিশ্বের একাধিক দেশও এখন ভারতের এই ডিজিটাল পেমেন্ট পরিকাঠামো গ্রহণ করছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি ভারতের প্রযুক্তিগত সক্ষমতার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি (Modi Govt)।

    পরিকাঠামো নির্মাণে ব্যাপক সরকারি বিনিয়োগ

    মোদি সরকারের আর একটি বড় নীতি হল পরিকাঠামো নির্মাণে ব্যাপক সরকারি বিনিয়োগ। ২০১৫ সালে যেখানে মূলধনী ব্যয় ছিল প্রায় ২ লাখ কোটি টাকা, সেখানে ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে তা বেড়ে পৌঁছেছে ১২.২ লাখ কোটি টাকায়। জাতীয় সড়ক, রেলপথ, বন্দর, বিমানবন্দর এবং মালবাহী করিডর নির্মাণে গত এক দশকে নজিরবিহীন বিনিয়োগ হয়েছে। বর্তমানে ব্রডগেজ রেলপথের ৯৯ শতাংশেরও বেশি অংশে বিদ্যুতায়িত হয়েছে। দেশে চালু রয়েছে ১৬৪টি বন্দে ভারত এক্সপ্রেস পরিষেবা। সরকারের আশা, এই পরিকাঠামো উন্নয়ন ভবিষ্যতে শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির ভিত্তি তৈরি করবে। তবে উৎপাদন খাতে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য এখনও অধরা। ২০১৪ সালে ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ কর্মসূচির লক্ষ্য ছিল উৎপাদন শিল্পের অংশীদারিত্ব জিডিপির ২৫ শতাংশে উন্নীত করা। কিন্তু ১২ বছর পরেও তা ১৩ থেকে ১৭ শতাংশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রয়েছে (Modi Govt)।

    ইলেকট্রনিক্স-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সাফল্য

    চিন, ভিয়েতনাম কিংবা মালয়েশিয়ার তুলনায় ভারতের উৎপাদন খাত এখনও অনেক পিছিয়ে। যদিও প্রোডাকশন লিঙ্কড ইনসেনটিভ (PLI) প্রকল্পের মাধ্যমে ইলেকট্রনিক্স-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সাফল্য এসেছে, তবুও সামগ্রিক শিল্পায়নের গতি প্রত্যাশিত নয় (India)। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার ২০৩৫ সাল পর্যন্ত দীর্ঘমেয়াদি জাতীয় উৎপাদন মিশনের পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেছে। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি সত্ত্বেও কর্মসংস্থানের প্রশ্নে উদ্বেগ রয়ে গিয়েছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, সাধারণ বেকারত্বের হার ৩.১ শতাংশ হলেও, ১৫ থেকে ২৯ বছর বয়সী যুবকদের মধ্যে সাপ্তাহিক ভিত্তিক বেকারত্বের হার প্রায় ১৪.৩ শতাংশ।

    উৎপাদন শিল্পে কর্মসংস্থান

    প্রতি বছর শ্রমবাজারে নতুন কয়েক মিলিয়ন মানুষ যুক্ত হলেও, সেই তুলনায় পর্যাপ্ত মানসম্পন্ন এবং স্থায়ী চাকরি তৈরি হয়নি। উৎপাদন শিল্পে কর্মসংস্থানের ঘাটতি অর্থনীতির অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের (Modi Govt)।অর্থনীতিবিদদের মতে, গত ১২ বছরে ভারতের ডিজিটাল পরিকাঠামো, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি, ব্যাঙ্কিং সংস্কার এবং পরিকাঠামো উন্নয়নে বড় পরিবর্তন এসেছে। অবশ্য মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি, উৎপাদন খাতের সম্প্রসারণ এবং বৃহৎ পরিসরে কর্মসংস্থান সৃষ্টি এখনও দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অসম্পূর্ণ লক্ষ্য (India)। আগামী দশকে যদি উৎপাদন ও কর্মসংস্থানে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সম্ভব হয়, তাহলে মোদি যুগকে ভারতের বৈশ্বিক অর্থনৈতিক শক্তি হয়ে ওঠার ভিত্তি হিসেবেই দেখা হবে। অন্যথায় সম্ভাবনা ও বাস্তবতার ব্যবধানই ভারতের অর্থনীতির প্রধান আলোচ্য বিষয় হয়ে থাকবে (Modi Govt)।

     

  • Rashmi Group: ‘পদ্মময়’ বাংলায় ৩৫,০০০ কোটি টাকার নয়া লগ্নির পরিকল্পনার ঘোষণা রশ্মি গ্রুপের

    Rashmi Group: ‘পদ্মময়’ বাংলায় ৩৫,০০০ কোটি টাকার নয়া লগ্নির পরিকল্পনার ঘোষণা রশ্মি গ্রুপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডাবল ইঞ্জিন সরকার ক্ষমতায় আসতেই পশ্চিমবঙ্গে বিনিয়োগ করতে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন শিল্পপতিরা। এবার ‘পদ্মময়’ বাংলায় ইস্পাত, বিদ্যুৎ এবং খনি খাতে ৩৫,০০০ কোটি টাকার নয়া বিনিয়োগ পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করল রশ্মি গ্রুপ (Rashmi Group)। শুক্রবার এই শিল্পগোষ্ঠীর তরফে জারি করা এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, প্রতিবছর লোহা ও ইস্পাত উৎপাদন ক্ষমতা আরও ৭ মিলিয়ন টন বাড়াতে ৩০,০০০ কোটিরও বেশি টাকা বিনিয়োগ করা হবে। বীরভূম ও পশ্চিম বর্ধমান জেলায় অধিগৃহীত তিনটি কয়লাখনি চালু করার (Power Projects) জন্য আরও ৫,০০০ কোটি টাকা ব্যয় করা হবে।

    রশ্মি গ্রুপের পরিকল্পনা (Rashmi Group)

    চলতি বছরের জানুয়ারিতে, গ্রুপটি তেলঙ্গনা সরকারের সঙ্গে ১২,৫০০ কোটি টাকার প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য মউ (MoU) সই করেছিল। তবে এ রাজ্যে প্রস্তাবিত সম্প্রসারণ প্রকল্পগুলির বিস্তারিত তথ্য, নির্দিষ্ট অবস্থান, জমির প্রয়োজনীয়তা বা সংশোধিত বাস্তবায়ন পরিকল্পনার কথা প্রকাশ করেনি ওই শিল্পগোষ্ঠী। প্রসঙ্গত, ২০২৫ সালের অক্টোবরে রশ্মি গ্রুপ পুরুলিয়ায় ১০,০০০ কোটি টাকার বিনিয়োগে একটি ২.৮ মিলিয়ন টন ক্ষমতাসম্পন্ন ইস্পাত কারখানা এবং ৪০০ মেগাওয়াট ক্যাপটিভ বিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপনের পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেছিল। সেই সময় রাজ্য সরকার প্রকল্পটির জন্য প্রায় ৯৩৮ একর জমি বরাদ্দ করেছিল।

    কর্মসংস্থান হবে ৫০ হাজারের

    তবে এদিনের ঘোষণায় উল্লেখ করা হয়নি যে, পুরুলিয়ার আগের প্রকল্পটি নয়া  ৩৫,০০০ কোটি টাকার বিনিয়োগ পরিকল্পনার অন্তর্ভুক্ত কি না, অথবা প্রকল্পের বিন্যাস, জমি বরাদ্দ কিংবা সময়সূচিতে কোনও পরিবর্তন আনা হয়েছে কি না। সংস্থাটি জানিয়েছে, নয়া লগ্নি পরিকল্পনায় জুড়বে পুরুলিয়া, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, ঝাড়গ্রাম এবং পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা। কোম্পানির দাবি, শুধুমাত্র ইস্পাত উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধির প্রকল্প থেকেই প্রায় ৩৫,০০০ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। কয়লাখনি প্রকল্পগুলি থেকে আরও ১৫,০০০টি চাকরির সুযোগ তৈরি হতে পারে (Rashmi Group)।

     রশ্মি গ্রুপের বক্তব্য

    ওই শিল্পগোষ্ঠী জানিয়েছে, তারা ইতিমধ্যেই পশ্চিমবঙ্গে প্রায় ২৫,০০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে। বর্তমানে রাজ্যে তারা ১০ মিলিয়ন টন প্রতি বছর (MTPA) ইস্পাত কারখানা, ৮৫০ মেগাওয়াট ক্যাপটিভ বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং ১.৪৫ মিলিয়ন টন প্রতি বছর সিমেন্ট উৎপাদন ইউনিট পরিচালনা করছে। রশ্মি গ্রুপের বাণিজ্য, খনি কৌশল ও কর্পোরেট পরিকল্পনা বিভাগের জয়েন্ট প্রেসিডেন্ট লাল বাবু চৌরাসিয়া জানান, পশ্চিমবঙ্গ ক্রমেই বৃহৎ শিল্প উৎপাদন ও পরিকাঠামো (Power Projects) উন্নয়নের জন্য একটি সম্ভাবনাময় শিল্প গন্তব্য হিসেবে উঠে আসছে। তিনি বলেন, “আমাদের প্রস্তাবিত বিনিয়োগ পশ্চিমবঙ্গের ভবিষ্যতের প্রতি আমাদের গভীর আস্থা এবং মজবুত শিল্পোন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দীর্ঘমেয়াদি সামাজিক-অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রতি আমাদের অটল অঙ্গীকারের প্রতিফলন (Rashmi Group)।”

     

LinkedIn
Share