Tag: Encounter

Encounter

  • Maoist Encounter: মাথার দাম ১ কোটি ১০ লক্ষ! হিডমার পর ওড়িশায় এনকাউন্টারে নিহত মাও শীর্ষনেতা গণেশ

    Maoist Encounter: মাথার দাম ১ কোটি ১০ লক্ষ! হিডমার পর ওড়িশায় এনকাউন্টারে নিহত মাও শীর্ষনেতা গণেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাও-দমনে ফের বড়সড় সাফল্য পেল নিরাপত্তা বাহিনী। গত মাসেই নিরাপত্তাবাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে অন্ধ্রপ্রদেশের আলুরি সীতারামারাজুতে নিহত হয়েছিলেন মাওবাদী শীর্ষনেতা মাডবী হিডমা। তার ঠিক এক মাসের মধ্যেই ওড়িশার (Odisha) কন্ধমলে নিরাপত্তাবাহিনীর সঙ্গে এনকাউন্টারে (Maoist Encounter) নিহত হলেন আরও এক মাওবাদী শীর্ষনেতা গণেশ উইকে। তাঁর মাথার দাম ছিল ১ কোটি ১০ লক্ষ টাকা। এই সংঘর্ষের ২৪ ঘণ্টা আগে মালকানগিরিতে ২২ জন মাওবাদী আত্মসমর্পণ করেন। নিরাপত্তাবাহিনীর এক আধিকারিক বলেন, ‘‘এটা আমাদের বাহিনীর জন্য একটি ঐতিহাসিক সাফল্য। মাও নেতার মাথার দাম ছিল ১ কোটি ১০ লক্ষ টাকা। গণেশের মৃত্যুতে মাওবাদীদের সাংগঠনিক কাঠামোর মেরুদণ্ড ভেঙে গিয়েছে।’’

    রাতভর চলে এনকাউন্টার

    পুলিশ সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা নাগাদ ওড়িশার (Odisha) কন্ধমল জেলার জঙ্গলে মাওবাদীদের (Maoist Encounter) একটি দলকে ঘিরে ফেলে বিএসএফ এবং সিআরএফ জওয়ানরা। এরপর শুরু হয় ধুন্ধুমার গুলির লড়াই। তাতেই মৃত্যু হয় মোট চার জন মাওবাদীর। এই চার জনের একজন হলেন মাও সেন্ট্রাল কমিটির সদস্য গণেশ উইকে। নিহত বাকি তিন জনের মধ্যে দু’জন মহিলা সদস্য বলে জানা গিয়েছে। তেলেঙ্গানার নলগোন্ডা জেলার চেন্দুর মণ্ডলের পুল্লেমালা গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন গণেশ উইকে। যদিও মাওবাদী সদস্যদের কাছে গণেশ পাক্কা হনুমন্তু, রাজেশ তিওয়ারি, চামরু এবং রুপা নামে পরিচিত ছিলেন তিনি। পুলিশ জানিয়েছে, গণেশের মাথার দাম ছিল এক কোটি দশ লক্ষ টাকা। হিডমার মৃত্যুর পর গণেশের খোঁজেও তল্লাশি চলছিল। বুধবার রাতে গোপন সূত্রে কন্ধমলের বেলঘর থানায় খবর আসে ওই জেলার গুম্মার জঙ্গলে একদল মাওবাদী জড়ো হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে শীর্ষনেতাও আছেন। সেই খবর পেয়েই রাতে অভিযানে যায় পুলিশ এবং নিরাপত্তাবাহিনীর যৌথ দল। রাতভর তল্লাশি অভিযান চলে। বৃহস্পতিবার ভোর থেকে মাওবাদীদের সঙ্গে গুলির লড়াই শুরু হয়। ওডিশার ডিজিপি যোগেশ বাহাদুর খুরানিয়া জানান, প্রথম এনকাউন্টার হয় বেলঘর থানা এলাকার গুম্মার জঙ্গলে। বুধবার রাতে ওই জঙ্গলে নিরাপত্তা বাহিনীর জওয়ানদের সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে নিহত হন মাওবাদীদের দুই সদস্য। তাঁরা সংগঠনের ছত্তিসগড়ের সদস্য ছিলেন। জঙ্গল থেকে উদ্ধার হয়েছে থ্রিনটথ্রি রাইফেল ও ইনসাস রাইফেল, প্রচুর কার্তুজ। দ্বিতীয় এনকাউন্টার হয় বৃহস্পতিবার ভোররাতে।

    সংগঠনের জন্য বড় ধাক্কা

    ঝিরাম ঘাঁটি হামলার অন্যতম অভিযুক্ত গণেশ প্রায় চার দশকের বেশি সময় ধরে দণ্ডকারণ্য স্পেশাল জোনাল কমিটি (ডিকেএসজেডসি)-তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব ও তথাকথিত ‘রেড করিডোর’-এর বিভিন্ন অঞ্চলের স্থানীয় ইউনিটগুলির মধ্যে মূল সেতুবন্ধন ছিলেন তিনি। নিরাপত্তা সংস্থার মতে, পূর্বঘাটে মাওবাদী (Maoist Encounter) সংগঠন বিস্তারের ‘মস্তিষ্ক’ ছিলেন উইকে। বর্তমানে মাওবাদীদের কেন্দ্রীয় কমিটির মাত্র তিনজন সদস্য অবশিষ্ট ছিলেন—গণেশ উইকে (ওড়িশা), মল্লারাজি রেড্ডি ওরফে সংঘম (ছত্তীসগঢ়) এবং আনন্দা ওরফে তুফান (ঝাড়খণ্ড)। এই অভিযানের ফলে ২০২৬ সালের মার্চের মধ্যে দেশকে মাওবাদীমুক্ত করার কেন্দ্রের লক্ষ্যের আরও কাছাকাছি পৌঁছনো সম্ভব হল বলে মনে করছে প্রশাসন। চলতি বছরেই একের পর এক শীর্ষ মাওবাদী নেতা নিহত হওয়ায় কেন্দ্রীয় কমিটির শক্তি উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। মে মাসে সাধারণ সম্পাদক বাসবরাজ এবং নভেম্বরে কমান্ডার মাডভি হিডমার নিহত হওয়ার পর এবার গণেশ উইকের মৃত্যু সংগঠনের জন্য বড় ধাক্কা।

  • Operation Namsai: অপারেশন নামসাইয়ে খতম উলফা (আই)-এর সদস্য এসএস সার্জেন্ট মেজর ইওন অক্সম

    Operation Namsai: অপারেশন নামসাইয়ে খতম উলফা (আই)-এর সদস্য এসএস সার্জেন্ট মেজর ইওন অক্সম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মায়ানমারভিত্তিক উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলির বিরুদ্ধে একাধিক অভিযান শুরু করেছে ভারতীয় সেনাবাহিনী। ২১ ও ২২ অক্টোবর মাঝ রাতে ভারতীয় সেনাবাহিনী ও অসম রাইফেলস ইউনিটের যৌথ অভিযানে অরুণাচল প্রদেশের নামসাই (Operation Namsai) জেলার এমএস-৬ এলাকায় জঙ্গিদের সঙ্গে সংঘর্ষ শুরু (Army Drone Attack) হয়। উভয় পক্ষের মধ্যে কয়েক ঘণ্টা ধরে চলে গুলির লড়াই। সেনা সূত্রে খবর, ভোরে পরিচালিত ওই তল্লাশি অভিযানে উলফা (আই)-এর সদস্য এসএস সার্জেন্ট মেজর ইওন অক্সমের দেহ, একটি রাইফেল, একটি আরপিজি রাউন্ড এবং তিনটি রুকস্যাক উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযান এখনও চলছে। অতিরিক্ত নিরাপত্তা বাহিনীর দলগুলিকেও পুলিশ এবং সিআরপিএফের শামিল করা হয়েছে এই অভিযানে।

    আকাশপথে হামলা (Operation Namsai)

    ২১ অক্টোবর রাতে ভারতীয় সেনাবাহিনী মায়ানমারভিত্তিক উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় বিদ্রোহী গোষ্ঠীর একটি শিবিরে আকাশপথে হামলা চালায়। এনএসসিএন (কেওয়াই)-এর ক্যাম্পে ড্রোন ব্যবহার করে পরিচালিত ওই হামলায় শিবিরটি ধ্বংস হয় এবং বহু জঙ্গি নিহত হয়। এদের মধ্যে শীর্ষ কমান্ডাররাও ছিল। হামলাটি মূলত স্ব-ঘোষিত মেজর জেনারেল এনএসসিএন (কেওয়াই)-এর পিয়ং কোনিয়াককে লক্ষ্য করে চালানো হয়েছিল। সূত্রের খবর, অন্তত পাঁচজন জঙ্গি ওই প্রাণঘাতী হামলায় নিহত হয়েছে এবং শীর্ষ কমান্ডার কোনিয়াক গুরুতর জখম হয়েছেন।

    জঙ্গি শিবিরে ড্রোন হামলা

    শিবিরটি ভারত-মায়ানমার সীমান্তের খাংমাই বাসতিতে অবস্থিত ছিল। কোন্যাক অরুণাচল প্রদেশে ভারতীয় সেনা শিবিরে সাম্প্রতিক হামলার মূল ষড়যন্ত্রকারী। মায়ানমারে অবস্থিত জঙ্গি শিবিরে ড্রোন হামলা নিয়ে ভারতীয় সেনা কোনও বিবৃতি জারি (Operation Namsai) করেনি। এর আগে চলতি বছরের জুলাই মাসে ভারতীয় সেনা উলফা (আই) এবং এনএসসিএন (কেওয়াই)-এর শিবিরে অনুরূপ ড্রোন হামলা চালিয়েছিল। পরে উলফা (আই) জানায়, ওই ড্রোন হামলায় দুই শীর্ষ কমান্ডার-সহ অন্তত ৫ জন ক্যাডার নিহত হয়।

    প্রসঙ্গত, অসমে দীর্ঘদিন ধরেই সক্রিয় আলফা (ইউনাইটেড লিবারেশন ফ্রন্ট অফ অসম) নামে সশস্ত্র বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীর (Army Drone Attack)। এই সংগঠনটিকে কেন্দ্রীয় সরকার ১৯৯০ সালে জঙ্গি গোষ্ঠী হিসেবে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। এই গোষ্ঠী মূলত আদিবাসী অসমিয়াদের জন্য একটি স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের দাবি জানিয়ে আসছে (Operation Namsai)।

LinkedIn
Share