Tag: Energy Corridor

  • Hormuz Strait: বন্ধ হরমুজ প্রণালী, কৌশলেই বাজিমাত করে চলেছে মোদির ভারত

    Hormuz Strait: বন্ধ হরমুজ প্রণালী, কৌশলেই বাজিমাত করে চলেছে মোদির ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বের সবচেয়ে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি করিডরগুলির একটি হল হরমুজ প্রণালী (Hormuz Strait)। মাস তিনেক ধরে অবরুদ্ধ রয়েছে এই প্রণালী। ইরান ও ওমানের মাঝখানে থাকা (Indian Vessels) এই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথে পরিবাহিত হয় বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস। তাই প্রণালী অবরোধের জেরে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে ব্যাহত হয়েছে সরবরাহ। প্রত্যাশিতভাবেই বেড়েছে জ্বালানির দামও। যদিও ৯ এপ্রিল ইরান এবং আমেরিকার মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর বন্ধ হয়েছে সক্রিয় সংঘাত। তার পরেও এখনও স্বাভাবিক হয়নি ওই প্রণালী পথে ভেসেলগুলির চলাচল। সংঘাতের জেরে জাহাজ চলাচল এখনও ব্যাহত হচ্ছে মারাত্মকভাবে।

    ধারাবাহিক জাহাজ চলাচল বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ (Hormuz Strait)

    এই অনিশ্চয়তার মধ্যেও ভারত বেশ কয়েকটি জাহাজ এই উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ রুট ব্যবহার করেই চলাচল করছে। তার জেরে আঞ্চলিক বিস্তর বিঘ্ন সত্ত্বেও, ভারত তার জ্বালানি চাহিদা পূরণ করতে পেরেছে। এই ধারাবাহিক জাহাজ চলাচল বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ হরমুজ প্রণালীর ওপর ইরানের কৌশলগত প্রভাব রয়েছে। প্রশ্ন হল, তাহলে কীভাবে ভারত বাণিজ্য চালিয়ে যেতে পেরেছে, যখন ২৮ ফেব্রুয়ারির মার্কিন-ইজরায়েলি (US-Israeli) হামলার জবাবে ইরান বারবার বিভিন্ন জাহাজকে চাঁদমারি করেছিল? এই হামলাই সংঘাতের সূচনা করেছিল এবং এর ফলে বিশ্বের বহু শিপিং অপারেটর এই রুট এড়িয়ে চলতে শুরু করে (Hormuz Strait)। শুক্রবার শিপিংমন্ত্রকের কর্তারা উত্তেজনাপূর্ণ এই জলপথে ভারতের জাহাজ চলাচল বজায় রাখার কৌশল সম্পর্কে কিছুটা ধারণা দিয়েছেন, যদিও নিরাপত্তার কারণে তাঁরা বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করতে রাজি (Indian Vessels) হননি।

    আধিকারিকের বক্তব্য

    বন্দর, নৌ-পরিবহণ ও জলপথ মন্ত্রকের পরিচালক (শিপিং) ওপেশ কুমার শর্মা বলেন, “ভারত ও ইরানের মধ্যে আমরা কীভাবে সমন্বয় করি, কীভাবে অগ্রাধিকার নির্ধারণ করি—স্বাভাবিক কারণেই আমি সেই বিষয়গুলি প্রকাশ করতে চাই না। আমরা পররাষ্ট্র মন্ত্রকের (MEA) মাধ্যমে সমন্বয় সাধন করি। বিষয়টি সেখানেই সীমাবদ্ধ (Hormuz Strait)।” তিনি “অগ্রাধিকার নির্ধারণ করা হয় পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক এবং সার মন্ত্রকের সঙ্গে সমন্বয় করে। সেই অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে একটি যৌথ পরিকল্পনা তৈরি করা হয়। এর মাধ্যমে আমরা জাহাজগুলিকে নিরাপদে বের করে আনার চেষ্টা করি।”

    হরমুজ প্রণালী অঞ্চলে ১৩টি ভারতীয় পতাকাবাহী জাহাজ

    সূত্রের খবর, বর্তমানে হরমুজ প্রণালী অঞ্চলে ১৩টি ভারতীয় পতাকাবাহী জাহাজ রয়েছে। তার মধ্যে রয়েছে ১টি এলপিজি ট্যাঙ্কার, ৫টি অপরিশোধিত তেলবাহী ট্যাঙ্কার, ১টি রাসায়নিক বা পণ্যবাহী ট্যাঙ্কার, ৩টি কনটেইনার জাহাজ, ২টি বাল্ক ক্যারিয়ার এবং ১টি ড্রেজার (Indian Vessels)। ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও ভারত এই রুটে সামুদ্রিক বাণিজ্য বজায় রেখেছে এবং হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী জাহাজের সংখ্যার দিক থেকে এখনও শীর্ষ দেশগুলির মধ্যে রয়েছে (Hormuz Strait) ভারত। প্রসঙ্গত, ইরানের পাল্টা পদক্ষেপের পর হরমুজ দিয়ে জাহাজ চলাচল উল্লেখযোগ্যভাবে ধীর হয়ে পড়েছিল। পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হওয়ার আশঙ্কায় বহু আন্তর্জাতিক শিপিং কোম্পানি এই রুট এড়িয়ে চলেছে। তবুও ভারত কৌশলগত সমন্বয় ও অগ্রাধিকারভিত্তিক পরিকল্পনার মাধ্যমে তার বাণিজ্য ও জ্বালানি সরবরাহ অব্যাহত রাখতে পেরেছে।

  • Iran: ভারতগামী দু’টি এলপিজি ট্যাঙ্কারকে হরমুজ প্রণালী পার হওয়ার অনুমতি দিল ইরান

    Iran: ভারতগামী দু’টি এলপিজি ট্যাঙ্কারকে হরমুজ প্রণালী পার হওয়ার অনুমতি দিল ইরান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতগামী দু’টি এলপিজি ট্যাঙ্কারকে হরমুজ প্রণালী (Hormuz Strait) দিয়ে পার হওয়ার অনুমতি দিয়েছে ইরান (Iran)। ভারতে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ ফাথালির বক্তব্যের কয়েক ঘণ্টা পরেই মিলেছে এই খবর। তিনি ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, গুরুত্বপূর্ণ এই বৈশ্বিক নৌপথ (হরমুজ প্রণালী) দিয়ে নিরাপদে চলাচলের অনুমতি দুই থেকে তিন ঘণ্টার মধ্যেই পেতে পারে ভারত। মধ্যপ্রাচ্যে যে সংঘাত চলছে, তার  পরিপ্রেক্ষিতেই ইরানি রাষ্ট্রদূতের এই মন্তব্য। এই সংঘাতের জেরে পারস্য উপসাগরকে বৈশ্বিক বাজারের সঙ্গে যুক্ত করা হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচলের ওপর নজর রাখছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ।

    ইরানি রাষ্ট্রদূতের বক্তব্য (Iran)

    ইরানের রাষ্ট্রদূতকে যখন জিজ্ঞেস করা হয়েছিল ভারত কি হরমুজ প্রণালী দিয়ে নিরাপদে চলাচল করতে পারবে, তখনই তিনি ইতিবাচক ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, “হ্যাঁ, হ্যাঁ, ভবিষ্যতেই আপনি তা দেখতে পাবেন। আমার মনে হয় দুই বা তিন ঘণ্টার মধ্যেই।” ফাথালি বলেন, “ভারত ইরানের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। এই অঞ্চলে দুই দেশেরই অভিন্ন স্বার্থ রয়েছে।” তিনি বলেন, “আমরা বিশ্বাস করি ইরান ও ভারতের এই অঞ্চলে অভিন্ন স্বার্থ রয়েছে।” ইরানি রাষ্ট্রদূত নয়াদিল্লি ও তেহরানের মধ্যে দীর্ঘদিনের সম্পর্কের কথা মনে করিয়ে দেন। এই সম্পর্ককে তিনি বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার ভিত্তিতে গড়ে ওঠা সম্পর্ক হিসেবে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, “আমরা বিশ্বাস করি ইরান ও ভারত বন্ধু। আমাদের অভিন্ন স্বার্থ রয়েছে, রয়েছে অভিন্ন বিশ্বাসও।” কঠিন সময়ে ইরানকে যে ভারত সাহায্য করেছিল, তাও এদিন মনে করিয়ে দেন ফাথালি। তিনি বলেন, “ভারতে রাষ্ট্রদূত হিসেবে আমি বলতে পারি, যুদ্ধের পর এই পরিস্থিতিতে ভারত সরকার বিভিন্ন ক্ষেত্রে আমাদের সাহায্য করেছে।”

    হরমুজ প্রণালীর গুরুত্ব

    প্রসঙ্গত, হরমুজ প্রণালী বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক বাণিজ্যপথ। এই পথ দিয়েই বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও গ্যাস সরবরাহ করা হয় (Iran)। এই পথে চলাচলে কোনও বিঘ্ন ঘটলে তা জ্বালানি বাজার ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ওপর বড়সড় প্রভাব ফেলতে পারে। ভারতের ক্ষেত্রেও এর গুরুত্ব রয়েছে। কারণ দেশটি তার বড় অংশের অপরিশোধিত তেল এই অঞ্চল থেকেই আমদানি করে (Hormuz Strait)। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে বিভিন্ন সরকার ও শিপিং কোম্পানি হরমুজ প্রণালীর পরিস্থিতির ওপর নিরন্তর নজরদারি চালিয়ে যাচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটেই ভারতের জন্য নিরাপদ পথের ইঙ্গিত দেন ফাথালি।

    ভারতে আসছে একের পর এক জাহাজ

    যে দুটি এলপিজি ট্যাঙ্কারকে হরমুজ পার করার অনুমতি দিয়েছে ইরান, সেগুলি হল— শিবালিক ও নন্দাদেবী। এরমধ্যে ভারতীয় পতাকাবাহী এলপিজি ট্যাঙ্কার শিবালিক ভারতীয় নৌবাহিনীর নিরাপত্তায় হরমুজ প্রণালী পার করে আন্তর্জাতিক জলসীমায় প্রবেশ করেছে। দ্বিতীয় জাহাজ নন্দাদেবী আজ, শনিবার ভোরের দিকে ওই প্রণালী অতিক্রম করবে বলেই খবর। মেরিনট্র্যাফিকের ট্র্যাকিং তথ্য অনুযায়ী, ১২ মার্চ শিবালিকের অবস্থান সংযুক্ত আরব আমিরশাহির উপকূল থেকে ২৪ নটিক্যাল মাইল দূরে, তাদের এক্সক্লুসিভ ইকোনমিক জোনের মধ্যেই ছিল। অন্যদিকে, নন্দাদেবীকে শুক্রবার ইরানের জলসীমায় হরমুজ প্রণালীর প্রবেশমুখের কাছে দেখা গিয়েছে বলে মেরিনট্র্যাফিকের তথ্য জানিয়েছে। জানা গিয়েছে, জাহাজটি ২৭ ফেব্রুয়ারি কাতারের রাস লাফান নোঙরস্থলে অবস্থান করেছিল এবং পরে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির জলসীমার দিকে যাত্রা করে। এছাড়াও, আরও একটি অপরিশোধিত তেলবাহী ট্যাঙ্কারের শনিবার ভারতে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। এই জাহাজে আসছে সৌদি আরবের তেল। লাইবেরিয়া পতাকাবাহী স্মিরনি সুয়েজম্যাক্স ক্রুড অয়েল ট্যাঙ্কার (সর্বোচ্চ ধারণক্ষমতা ১০ লাখ ব্যারেল), অচিরেই ভারতের একটি বন্দরে পৌঁছবে বলেও আশা করা হচ্ছে (Hormuz Strait)। এই তেল নেবে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা হিন্দুস্তান পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (Iran)।

  • US Iran Conflict: হরমুজ প্রণালী বন্ধ, রাশিয়া থেকে ফের তেলের আমদানি বাড়াতে পারে ভারত

    US Iran Conflict: হরমুজ প্রণালী বন্ধ, রাশিয়া থেকে ফের তেলের আমদানি বাড়াতে পারে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিয়েছে ইরান (US Iran Conflict)। তা সত্ত্বেও ভারতের তেল সরবরাহে (Oil Supply) আপাতত কোনও বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটার সম্ভাবনা নেই। পর্যাপ্ত পরিমাণে অপরিশোধিত তেল ও জ্বালানি মজুত রয়েছে বলে আধিকারিকরা জানিয়েছেন। ভারতের রিফাইনারিগুলির কাছে বর্তমানে কমপক্ষে ১০–১৫ দিনের জন্য পর্যাপ্ত অপরিশোধিত তেল মজুত রয়েছে। এর মধ্যে রিজার্ভ ট্যাঙ্কে থাকা তেল এবং পরিবহণ হচ্ছে যে তেল, দু’টিই রয়েছে। এর পাশাপাশি জ্বালানি মজুত দিয়ে ৭–১০ দিনের দেশীয় চাহিদাও পূরণ করা সম্ভব। ফলে এই গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি করিডরে স্বল্পমেয়াদি কোনও বিঘ্ন ঘটলেও তার প্রভাব সামাল দেওয়া যাবে বলে জানান আধিকারিকরা।

    হরমুজ প্রণালী বন্ধ (US Iran Conflict)

    ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ২৮ ফেব্রুয়ারি জানিয়েছিল, বিশ্বব্যাপী তেল ও গ্যাস সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ যে হরমুজ প্রণালী দিয়ে যায়, তা যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের হামলার জবাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তবে আধিকারিকরা যে ইঙ্গিত দিয়েছেন, এই ধরনের সরবরাহ বন্ধ দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার সম্ভাবনা কম এবং পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হলে বিকল্প পরিকল্পনাও প্রস্তুত রয়েছে। কেপলার (Kpler)-এর তথ্য অনুযায়ী, প্রতিদিন ২৫ থেকে ২৭ লাখ ব্যারেল তেল, যা ভারতের মোট অপরিশোধিত তেল আমদানির প্রায় ৫০ শতাংশ, আসে হরমুজ প্রণালী হয়ে। এর বেশিরভাগই ইরাক, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি এবং কুয়েত থেকে আসে (Oil Supply)।

    এলপিজি আমদানি

    ভারতের মোট তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির প্রায় ৬০ শতাংশ, মূলত কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরশাহি থেকে এই প্রণালী দিয়ে পরিবাহিত হয়। ভারতের প্রায় সব এলপিজি আমদানিও এই পথ দিয়ে আসে।  ফলে দীর্ঘমেয়াদি বিঘ্নের ক্ষেত্রে এটি বিশেষভাবে সংবেদনশীল। আধিকারিকরা জানান, যদি দীর্ঘ সময়ের জন্য প্রণালীটি বন্ধ থাকে, তবে ভারত বিকল্প উৎস থেকে তেল সংগ্রহ বাড়াতে পারে, যার মধ্যে রাশিয়া থেকেও কেনা বাড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে। এক আধিকারিক বলেন, “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চাপের কারণে ভারত রাশিয়া থেকে তেল কেনা কমিয়েছিল, তবে মধ্যপ্রাচ্যে বিঘ্ন ঘটলে আমরা আবার মস্কো থেকে কেনা শুরু করতে পারি (Oil Supply)।”

    রাশিয়া থেকে পাঠানো তেল

    তবে পরিবহণ সময় একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল ভারতে পৌঁছতে প্রায় পাঁচ দিন সময় লাগে। কিন্তু রাশিয়া থেকে পাঠানো তেল আসতে সময় লাগতে পারে এক মাস পর্যন্ত। ফলে আগাম পরিকল্পনার প্রয়োজন হবে (US Iran Conflict)। এছাড়া ভারতের কৌশলগত পেট্রোলিয়াম ভাণ্ডার (Strategic Petroleum Reserves) রয়েছে, যা প্রায় এক সপ্তাহের চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম। স্বল্পমেয়াদে অপরিশোধিত তেল সরবরাহ নিয়ন্ত্রণযোগ্য মনে হলেও, প্রণালী দীর্ঘদিন বন্ধ থাকলে এলএনজির বাজারে চাপ তৈরি হতে পারে। অপরিশোধিত তেলের মতো নয়, এলএনজির বেশিরভাগই দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় থাকে, ফলে স্পট মার্কেটে সরবরাহ সীমিত। ভারত বা চিন যদি বিকল্প এলএনজি উৎসের দিকে ঝুঁকে পড়ে, তাহলে বৈশ্বিক দাম বেড়ে যেতে পারে বলে আধিকারিকরা সতর্ক করেছেন (US Iran Conflict)।

    আপৎকালীন প্রভাব তেলের দামে

    তবে সংকটের আপৎকালীন প্রভাব তেলের দামে ইতিমধ্যেই দেখা গিয়েছে। ২৭ ফেব্রুয়ারি ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৭২.৮৭ ডলার হয়, যা দিনভিত্তিক লেনদেনে ৭৩.৫৪ ডলার পর্যন্ত উঠেছিল, ৩০ জুলাই ২০২৫-এর পর সর্বোচ্চ। চলতি বছরে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে দাম ইতিমধ্যেই ব্যারেলপ্রতি ১২ ডলারের বেশি বেড়েছে (Oil Supply)। কেপলারের লিড রিসার্চ অ্যানালিস্ট সুমিত রিতোলিয়া বলেন, “মধ্যপ্রাচ্যের তেলের ওপর ভারতের নির্ভরতা বাড়ায় স্বল্পমেয়াদে হরমুজ-সংক্রান্ত ঝুঁকি কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে দীর্ঘমেয়াদি পূর্ণ অবরোধের সম্ভাবনা কম (US Iran Conflict)।” তিনি বলেন, “বহুমুখী উৎস, রাশিয়ার বিকল্প ব্যবস্থা এবং কৌশলগত পেট্রোলিয়াম ভাণ্ডার ও বাণিজ্যিক মজুত-সহ বহুস্তরীয় সুরক্ষা ব্যবস্থার কারণে দীর্ঘস্থায়ী শারীরিক ঘাটতির ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়। নিকট ভবিষ্যতের প্রধান ঝুঁকি হল দামের অস্থিরতা ও অর্থনৈতিক প্রভাব, কাঠামোগত সরবরাহ ঘাটতি নয়।” সরকার পরিস্থিতির ওপর নিবিড় নজর রাখছে এবং বিকল্প সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর কাজ করছে বলেও জানান আধিকারিকরা (Oil Supply)।

     

LinkedIn
Share