Tag: fake news

fake news

  • Modi Govt: সোশাল মিডিয়ায় ভুয়ো তথ্য ঠেকাতে কুইক রেসপন্স টিম গড়ছে কেন্দ্র, ২ ঘণ্টার মধ্যে জবাব দেওয়ার নির্দেশ

    Modi Govt: সোশাল মিডিয়ায় ভুয়ো তথ্য ঠেকাতে কুইক রেসপন্স টিম গড়ছে কেন্দ্র, ২ ঘণ্টার মধ্যে জবাব দেওয়ার নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোশাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভুয়ো, বিভ্রান্তিকর ও বিকৃত তথ্য (Fake News) দ্রুত শনাক্ত করে তার মোকাবিলা করতে কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রক ও দফতর গড়ছে কুইক রেসপন্স টিম। সরকারি এক আধিকারিক জানিয়েছেন, নাগরিকদের সঙ্গে সরকারের যোগাযোগ আরও শক্তিশালী করা (Modi Govt) এবং গুজব, মিথ্যা তথ্য ও ভুয়ো খবরের দ্রুত মোকাবিলা করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

    কুইক রেসপন্স টিমের নজর (Modi Govt)

    নতুন ব্যবস্থার আওতায় কোনও মন্ত্রক বা দফতরের নীতি, প্রকল্প, কর্মসূচি, সিদ্ধান্ত বা ঘোষণা নিয়ে সোশাল মিডিয়ায় প্রকাশিত সন্দেহজনক পোস্ট ও আলোচনার উপর নজর রাখবে সংশ্লিষ্ট দফতরের সোশাল ও ডিজিটাল মাধ্যমের দল। কোনও পোস্টে তথ্য ভুয়ো, বিভ্রান্তিকর, তথ্যগতভাবে ভুল, বিকৃত, প্রেক্ষিত-বহির্ভূত অথবা জনমনে বিভ্রান্তি তৈরির আশঙ্কা থাকলে তা সংশ্লিষ্ট কুইক রেসপন্স টিমের নজরে আনা হবে। এর পর ওই টিম তথ্য যাচাই করে প্রকৃত পরিস্থিতি নির্ধারণ করবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের সঙ্গে সমন্বয় করে জবাব দেওয়ার ব্যবস্থা করবে। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের নতুন মাধ্যম শাখা থেকেও প্রয়োজনীয় তথ্য ও সহায়তা দেওয়া হবে।

    সরকারের নির্দেশ, এই ধরনের ভুয়ো বা বিভ্রান্তিকর তথ্য শনাক্ত হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রকগুলিকে দু’ঘণ্টার মধ্যে প্রতিক্রিয়া জানানোর চেষ্টা করতে হবে। ডিজিটাল মাধ্যমে কোনও ভুল তথ্য অত্যন্ত দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে বলেই এই দ্রুত যোগাযোগ ব্যবস্থার উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বিদ্যুৎ, কৃষি এবং বাণিজ্য সংক্রান্ত দফতর ইতিমধ্যেই তাদের কুইক রেসপন্স টিম গঠন করেছে বলে সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে।

    কুইক রেসপন্স টিমের কাজ

    প্রয়োজনে কুইক রেসপন্স টিম সরকারি তথ্য যাচাই শাখার সঙ্গেও সমন্বয় সাধন করবে। ফলে কোনও তথ্যের সত্যতা যাচাই এবং সরকারের পক্ষ থেকে তার জবাব দেওয়ার ক্ষেত্রে আরও একটি স্তর যুক্ত হবে (Fake News)। অত্যন্ত দ্রুত ছড়িয়ে পড়া তথ্য, ব্যাপক জনস্বার্থ-সংশ্লিষ্ট বিষয়, সংবেদনশীল নীতি, জনসাধারণের সম্ভাব্য ক্ষতির আশঙ্কা, আইনি জটিলতা, পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা তথ্য ছড়ানোর জন্য প্রচার কিংবা একাধিক মন্ত্রকের সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয়ে হলে তা উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের কাছে পাঠানো হবে। প্রয়োজনে, সেখান থেকে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

    কেন্দ্রের উদ্বেগ

    সোশাল মিডিয়ায় ভুয়ো ও ক্ষতিকর তথ্য ছড়ানো নিয়ে কেন্দ্রের উদ্বেগ ক্রমেই বাড়ছে। বিশেষ করে বিকৃত ভিডিও, এআইয়ের মাধ্যমে তৈরি বিষয়বস্তু এবং বিভ্রান্তিকর পোস্ট কয়েক মিনিটের মধ্যেই বিপুল সংখ্যক মানুষের কাছে পৌঁছে যেতে পারে। এই পরিস্থিতিতে দ্রুত এবং কার্যকর সরকারি যোগাযোগকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছেন আধিকারিকরা (Modi Govt)।

    চলতি মাসের গোড়ায়ই তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক সোশাল মিডিয়া সংস্থা মেটার সঙ্গে একাধিক বৈঠক করে। মেটার বিভিন্ন মাধ্যমে এআই দিয়ে তৈরি ক্ষতিকর বিষয়বস্তু এবং পরিচয় বা সতর্কীকরণ ছাড়াই প্রকাশিত জাল ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার বিষয়টি নিয়ে সেখানে আলোচনা হয়। বিষয়বস্তু যাচাই ও নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে আরও বেশি মানবীয় নজরদারি এবং ভারতের বিভিন্ন ভাষা ও স্থানীয় প্রেক্ষাপটকে যথাযথ ভাবে বিবেচনার জন্য আরও শক্তিশালী ব্যবস্থা নেওয়ার পক্ষেও সওয়াল করেছে কেন্দ্র (Modi Govt)।

    এই কাঠামোর লক্ষ্য

    নয়া এই কাঠামোর লক্ষ্য হল, কোনও ভুয়ো তথ্য ভাইরাল হয়ে যাওয়ার পর সরকারের তরফে প্রতিক্রিয়া জানানোর পরিবর্তে শুরু থেকেই তার উপর নজর রাখা। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রক ও দফতরগুলি নিয়মিতভাবে তথ্য পর্যবেক্ষণ, যাচাই এবং প্রয়োজনীয় জবাব দেওয়ার জন্য পৃথক ব্যবস্থা গড়ে তুলবে। ফলে দ্রুত ছড়িয়ে পড়া মিখ্যা তথ্যের মোকাবিলায় কেন্দ্রীয় সরকারের ডিজিটাল যোগাযোগ ব্যবস্থায় আরও কাজে আসবে বলেই মনে করা হচ্ছে (Fake News)। সরকারের লক্ষ্য হল, বিভ্রান্তিকর তথ্য দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার আগেই সঠিক ও যাচাই করা তথ্য দ্রুততম সময়ে নাগরিকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া (Modi Govt)।

     

  • Jantar Mantar Protest: যন্তর মন্তর প্রতিবাদে সামিল ৪৮০-র বেশি পাকিস্তানি সোশাল হ্যান্ডল চিহ্নিত, সক্রিয় ছিল ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর সময়ও!

    Jantar Mantar Protest: যন্তর মন্তর প্রতিবাদে সামিল ৪৮০-র বেশি পাকিস্তানি সোশাল হ্যান্ডল চিহ্নিত, সক্রিয় ছিল ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর সময়ও!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যন্তর মন্তরে চলা আন্দোলনকে (Jantar Mantar Protest) কেন্দ্র করে সামাজিক মাধ্যমে ভুয়ো তথ্য, গুজব এবং সম্পাদিত ভিডিও ছড়ানোর অভিযোগ তুলল দিল্লি পুলিশ (Delhi Police)। পুলিশের দাবি, এ কাজে পাকিস্তান থেকে পরিচালিত ৪৮০টিরও বেশি সোশাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট (Pakistan Social Media Accounts) সক্রিয় ছিল। ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর সময় এই একই অ্যাকাউন্টগুলি সক্রিয় ছিল বলেও দাবি দিল্লি পুলিশের (Delhi Police)।

    ৪৮০-র বেশি পাকিস্তানি অ্যাকাউন্ট 

    বৃহস্পতিবার সামাজিক মাধ্যমে এক পোস্টে দিল্লি পুলিশের (Delhi Police) এক আধিকারিক জানান, বর্তমানে চলা আন্দোলনের (Jantar Mantar Protest) সুযোগ নিয়ে পাকিস্তান থেকে পরিচালিত একাধিক সোশাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট গুজব, ভুয়ো পোস্ট এবং সম্পাদিত ভিডিও ছড়াচ্ছে।  পুলিশের দাবি, এখনও পর্যন্ত ৪৮০টিরও বেশি পাকিস্তান-ভিত্তিক সোশাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট (Pakistan Social Media Accounts) চিহ্নিত করা হয়েছে, যেগুলি থেকে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছিল। ইতিমধ্যেই এই অ্যাকাউন্টগুলি ব্লক করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।

    ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর সময়ও ছিল সক্রিয়

    দিল্লি পুলিশের (Delhi Police) দাবি, এই একই সোশাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টগুলি ‘অপারেশন সিঁদুর’ চলাকালীনও সক্রিয় ছিল। পুলিশের অভিযোগ, ওই সময়ের মতো এবারও উদ্দেশ্য একটাই- ভুল তথ্য ছড়িয়ে জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি করা এবং পরিস্থিতি উত্তপ্ত করে তোলা।

    ছাত্রদের উস্কানি দেওয়ার চেষ্টা!

    পুলিশের দাবি, ভুয়ো পোস্ট, সম্পাদিত ভিডিও এবং নাম-পরিচয়হীন সোশাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে বিশেষ করে ছাত্রছাত্রীদের উস্কানি দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। এই ধরনের তথ্য বা ভিডিও দেখে প্রভাবিত না হওয়ার জন্য ছাত্রদের প্রতি বিশেষ আবেদন জানিয়েছে দিল্লি পুলিশ (Delhi Police)।

    গুজব ছড়াবেন না, তথ্য যাচাই

    সাধারণ মানুষের উদ্দেশে দিল্লি পুলিশের (Delhi Police) আবেদন, সামাজিক মাধ্যমে কোনও তথ্য শেয়ার বা ফরওয়ার্ড করার আগে অবশ্যই তার সত্যতা যাচাই করতে হবে। পুলিশের বার্তা, ভুয়ো খবর বা গুজব ছড়াবেন না এবং সমাজবিরোধী শক্তিকে মানুষের আবেগকে কাজে লাগানোর সুযোগ দেবেন না।

    শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের অধিকার রয়েছে

    দিল্লি পুলিশ (Delhi Police) স্পষ্ট করেছে, শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ বা আন্দোলন করা প্রত্যেক নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার, এবং সেই অধিকারকে তারা সম্মান করে। তবে একইসঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে সকলকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানিয়েছে পুলিশ। তাদের বক্তব্য, শান্তি বজায় রাখা এবং যাচাই করা তথ্যের উপর ভরসা করাই বর্তমান পরিস্থিতিতে সবচেয়ে জরুরি।

  • Emergency History: জরুরি অবস্থা নিয়ে নবম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে অধ্যায়, গণতন্ত্রের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে তুলে ধরল এনসিইআরটি

    Emergency History: জরুরি অবস্থা নিয়ে নবম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে অধ্যায়, গণতন্ত্রের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে তুলে ধরল এনসিইআরটি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রায় পাঁচ দশক আগে ভারতে জারি হওয়া জরুরি অবস্থা নিয়ে প্রথমবারের মতো নবম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে বিস্তারিত আলোচনা অন্তর্ভুক্ত করল ন্যাশনাল কাউন্সিল অব এডুকেশনাল রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং (NCERT)। নতুন সোশ্যাল সায়েন্স বই ‘Understanding Society: India and Beyond’-এ জরুরি অবস্থাকে ভারতীয় গণতন্ত্রের সামনে আসা অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। বইটিতে উল্লেখ (Emergency History) করা হয়েছে, ওই সময় দেশের অধিকাংশ মৌলিক অধিকার (Fundamental Rights) স্থগিত করা হয়েছিল এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলির ওপর ব্যাপক চাপ সৃষ্টি হয়েছিল। এনসিইআরটির এক আধিকারিক জানান, নবম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে এই প্রথম জরুরি অবস্থা নিয়ে আলাদা অংশ যুক্ত করা হয়েছে। ১৯৭৫ সালে জরুরি অবস্থা ঘোষণার ৫০ বছর পূর্তির প্রেক্ষাপটে এই অন্তর্ভুক্তি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই ধারণা সংশ্লিষ্ট মহলের।

    জরুরি অবস্থা ও গণতন্ত্রের ওপর প্রভাব (Emergency History)

    নতুন পাঠ্যবইয়ের সংশ্লিষ্ট অংশে বলা হয়েছে, “ভারতে গণতন্ত্রের সামনে অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ দেখা দিয়েছিল ১৯৭৫-৭৭ সালের জরুরি অবস্থার সময়। ১৯৭০-এর গোড়ার দিকে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর (Indira Gandhi) নেতৃত্বাধীন সরকারের বিরুদ্ধে জনঅসন্তোষ ক্রমশ বাড়ছিল। বেকারত্ব বৃদ্ধি, মূল্যবৃদ্ধি এবং প্রশাসনিক ব্যর্থতার অভিযোগকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন জায়গায় তুমুল বিক্ষোভ দেখা দেয়।” বইটিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ১৯৭৫ সালের জুন মাসে ‘অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা’র কারণ দেখিয়ে জাতীয় জরুরি অবস্থা জারি করা হয়। এই সময় অধিকাংশ মৌলিক অধিকার স্থগিত করা হয়েছিল। সংবাদমাধ্যমের ওপর সেন্সরশিপ আরোপ করা হয় এবং বহু রাজনৈতিক নেতা ও সমাজকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়। ফলে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলি তীব্র চাপে পড়ে এবং নাগরিক স্বাধীনতা ব্যাপকভাবে সীমাবদ্ধ হয়ে যায়।

    জয়প্রকাশ নারায়ণের আন্দোলন

    পাঠ্যবইয়ে (NCERT) জরুরি অবস্থার বিরুদ্ধে আন্দোলনে বিশিষ্ট ভূমিকা পালন করেছিলেন জয়প্রকাশ নারায়ণ। তাঁর (Jayaprakash Narayan) ভূমিকাও বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়েছে। বলা হয়েছে, ‘লোকনায়ক’ নামে পরিচিত এই সমাজতান্ত্রিক চিন্তাবিদ ও রাজনৈতিক নেতা ছাত্র-যুব এবং সাধারণ নাগরিকদের সংগঠিত করেছিলেন। বিশেষ করে বিহার ও গুজরাটে তাঁর নেতৃত্বে গণআন্দোলন গড়ে ওঠে। বইটিতে আরও বলা হয়েছে, ১৯৭৭ সালে জরুরি অবস্থা প্রত্যাহার করা হয় এবং সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ভোটের মাধ্যমে জনগণ তাদের মতামত প্রকাশের সুযোগ পায়। সেই নির্বাচনে তৎকালীন শাসক দলের পরাজয় ভারতীয় গণতন্ত্রের শক্তি ও জনগণের মতামতের গুরুত্বকে স্পষ্টভাবে তুলে ধরে (Emergency History)।

    গণতন্ত্রের সামনে অন্যান্য চ্যালেঞ্জও আলোচনায়

    জরুরি অবস্থার প্রসঙ্গটি বৃহত্তর একটি অধ্যায়ের অংশ, যেখানে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার শক্তি এবং বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। বইটিতে ভুয়ো খবর, বিভ্রান্তিকর তথ্য, সরকারি সম্পত্তির ক্ষতি, জননিয়ম লঙ্ঘন, দারিদ্র্য, আঞ্চলিকতাবাদ, সামাজিক বৈষম্য এবং লিঙ্গভিত্তিক বৈষম্যকে গণতান্ত্রিক চর্চার সামনে থাকা গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

    নতুন বিভাগ

    নয়া সংস্করণের বইয়ে প্রথমবারের মতো ‘ডেমোক্রেসি অ্যান্ড ইউ’ (Democracy and You) নামে একটি বিশেষ বিভাগ যুক্ত করা হয়েছে। এনসিইআরটির মতে, এই অংশের লক্ষ্য হল শিক্ষার্থীদের শ্রেণিকক্ষের পাঠের সঙ্গে বাস্তব জীবনের নাগরিক দায়িত্ব ও গণতান্ত্রিক অংশগ্রহণের সম্পর্ক বোঝানো। এর মাধ্যমে ছাত্রছাত্রীরা নিজেদের ভূমিকা সম্পর্কে আরও সচেতন হতে পারবে।

    গণতান্ত্রিক ঐতিহ্যের ওপর জোর

    সংশোধিত পাঠ্যবইয়ে ভারতের দীর্ঘ গণতান্ত্রিক ঐতিহ্য এবং বিভিন্ন গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানের ওপরও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রাচীন ভারতীয় সমাজে গণতান্ত্রিক চর্চার উল্লেখ করে দেখানো হয়েছে, কীভাবে সেই ঐতিহ্য বর্তমান শাসনব্যবস্থার সঙ্গে সম্পর্কিত (Emergency History)। এছাড়া গণতন্ত্রে সংবাদমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে একটি পৃথক অধ্যায়ও রাখা হয়েছে। সেখানে সংবাদমাধ্যমকে ‘গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভ’ (Fourth Pillar of Democracy) হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। জনসাধারণের সমস্যাকে সামনে আনা, সরকারের জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ রক্ষায় সংবাদমাধ্যমের ভূমিকার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে (NCERT)।

    বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র হিসেবে ভারতের পরিসংখ্যান

    ভারতের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার ব্যাপ্তি বোঝাতে বইটিতে বিভিন্ন তথ্য ও পরিসংখ্যানও দেওয়া হয়েছে। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৪ সালে দেশে নিবন্ধিত ভোটারের সংখ্যা ছিল ৯৬.৮ কোটিরও বেশি। দেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে ছড়িয়ে থাকা বিপুল সংখ্যক ভোটকেন্দ্র এবং রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্বের কাঠামোর কথাও তুলে ধরা হয়েছে।

    তৃণমূল স্তরের গণতন্ত্র ও নারীদের অংশগ্রহণ

    পাঠ্যবইয়ের এই অধ্যায়ে তৃণমূল স্তরের গণতন্ত্রের বাস্তব উদাহরণ হিসেবেও কয়েকটি কেস স্টাডি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। গুজরাটের একটি পঞ্চায়েত এবং ত্রিপুরার মহিলা-বান্ধব পঞ্চায়েতের উদাহরণের মাধ্যমে স্থানীয় শাসন ব্যবস্থায় নাগরিকদের অংশগ্রহণের বিষয়টি ব্যাখ্যা করা হয়েছে (Emergency History)। এছাড়া নারীদের ভোটাধিকার, স্থানীয় স্বশাসিত সংস্থাগুলিতে সংরক্ষণ এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নারীদের ক্রমবর্ধমান অংশগ্রহণ নিয়েও একটি পৃথক অংশ রাখা হয়েছে (NCERT)। এর মাধ্যমে নারী প্রতিনিধিত্ব ও রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের গুরুত্ব তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে (Emergency History)।

  • Donald Trump: মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত তুঙ্গে, মোদির সঙ্গে ফোনে কথা ট্রাম্পের

    Donald Trump: মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত তুঙ্গে, মোদির সঙ্গে ফোনে কথা ট্রাম্পের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যে তীব্র আকার ধারণ করেছে সংঘাত। এহেন আবহে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) সঙ্গে। উভয় নেতাই হরমুজ প্রণালী খোলা রাখার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। এক্স হ্যান্ডেলে ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গর লিখেছেন, “প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সদ্য প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে কথা বলেছেন।

    কী জানালেন প্রধানমন্ত্রী (Donald Trump)

    এরই কিছুক্ষণ পরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও জানান, তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও ফলপ্রসূ মতবিনিময় করেছেন। এক্স-এ করা পোস্টে তিনি লেখেন, “ভারত উত্তেজনা প্রশমন এবং দ্রুত শান্তি পুনঃপ্রতিষ্ঠার পক্ষে। হরমুজ প্রণালী খোলা, নিরাপদ ও সবার জন্য সহজলভ্য রাখা বৈশ্বিক স্থিতিশীলতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।” এই ফোনালাপের সময়ই প্রধানমন্ত্রী সংসদে বলেন, “হরমুজ প্রণালীতে কোনও বিঘ্নই মেনে নেওয়া যায় না।” লোকসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা এবং বৈশ্বিক নৌপথে বিঘ্ন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা এবং (PM Modi) হরমুজ প্রণালীর মতো আন্তর্জাতিক জলপথে বিঘ্ন মেনে নেওয়া যায় না। এই যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেও ভারত কূটনৈতিক উপায়ে ভারতীয় জাহাজগুলির নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে অবিরাম চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।” বিশ্বের বিপুল পরিমাণ তেল পরিবহণে ব্যবহৃত হয় হরমুজ প্রণালী। তাই এটি বৈশ্বিক জ্বালানি স্থিতিশীলতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই পথে সাম্প্রতিক বিঘ্ন বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সঙ্কটের সৃষ্টি করেছে (Donald Trump)। মঙ্গলবার রাজ্যসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী সতর্ক করে দিয়ে বলেন, “এই সঙ্কট বিশ্ব অর্থনীতিকে নড়িয়ে দিয়েছে। স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে অনেক সময় লাগতে পারে।”

    দ্রুত পরিবর্তনশীল পরিস্থিতির ওপর নজর

    তিনি বলেন, “এই যুদ্ধ বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সঙ্কট সৃষ্টি করেছে। ভারতের জন্যও এই পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। যুদ্ধ আমাদের বাণিজ্যিক পথগুলিকে প্রভাবিত করেছে। এর ফলে পেট্রোল, ডিজেল, গ্যাস এবং সারের নিয়মিত সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে।” তিনি অবশ্য আশ্বাস দেন, সরকার দ্রুত পরিবর্তনশীল পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে এবং এর প্রভাব কমাতে ধারাবাহিক পদক্ষেপ করছে। এই পরিস্থিতিটি এমন একটি সময়ে সামনে এল, যার ঠিক একদিন আগেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ইরানের ওপর হামলা স্থগিত করার কথা ঘোষণা করেন (PM Modi)। তিনি জানান, তাঁর সরকার তেহরানের সঙ্গে গঠনমূলক আলোচনা করেছে এবং যদি হরমুজ প্রণালী ফের চালু না হয়, তবে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রে পরিকল্পিত হামলা পাঁচ দিন পিছিয়ে দেওয়া হবে।

    আমেরিকার দাবি খারিজ

    ইরানি আধিকারিকরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছেন (Donald Trump)। তাঁদের দাবি, তেহরানের কঠোর সতর্কবার্তার পরেই পিছিয়ে এসেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। ইরানের সংসদের স্পিকার মোহম্মদ বাঘের গালিবাফ ট্রাম্পের এই দাবিকে ভুয়ো খবর আখ্যা দেন। তিনি বলেন, “এটি আর্থিক ও তেলবাজারে প্রভাব ফেলতে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের ব্যর্থতা থেকে দৃষ্টি সরাতে করা হয়েছে।”

    এক্স-এ দেওয়া পোস্টে গালিবাফ বলেন, “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনও আলোচনা হয়নি ()। আর্থিক ও তেলবাজারকে প্রভাবিত করতে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েল যে সঙ্কটে পড়েছে, তা থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা হিসেবেই ছড়ানো হচ্ছে ভুয়ো খবর (Donald Trump)।”

     

  • Iran: ‘‘সংঘাত থামাতে ফলপ্রসূ আলোচনা হচ্ছে ইরানের সঙ্গে’’ দাবি ট্রাম্পের, নস্যাৎ করল তেহরান

    Iran: ‘‘সংঘাত থামাতে ফলপ্রসূ আলোচনা হচ্ছে ইরানের সঙ্গে’’ দাবি ট্রাম্পের, নস্যাৎ করল তেহরান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘সংঘাত শেষ করতে খুব ভালো ও ফলপ্রসূ আলোচনা চলছে।’ সম্প্রতি এমনই দাবি করেছিলেন ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। আমেরিকার প্রেসিডেন্টের এহেন দাবি নস্যাৎ করে দিল ইরান (Iran)। সাফ জানিয়ে দিয়েছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনও আলোচনাই হয়নি। সোমবার ইরানি সংসদের স্পিকার মহম্মদ বাঘের গালিবাফের নামে পরিচালিত এক্স হ্যান্ডেলে লেখা হয়েছে, “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনও আলোচনা হয়নি।” গালিবাফ এই জাতীয় খবরকে ভুয়ো বলে উড়িয়ে দেন। তিনি লিখেছেন, “ফেক নিউজ আর্থিক ও তেল বাজারকে প্রভাবিত করতে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েল যে সঙ্কটে আটকে রয়েছে, তা থেকে বেরিয়ে আসার জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে।”

    ইরানের বার্তা (Iran)

    তাঁর এই মন্তব্য ইরানের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাইয়ের বক্তব্যের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। তিনিও ওয়াশিংটনের সঙ্গে কোনও আলোচনা হওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেন। ইরানের সরকারি বার্তা সংস্থা আইআরএনএকে বাঘাই বলেন, “যুদ্ধ শেষ করতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে আলোচনার অনুরোধ নিয়ে কিছু বন্ধুপ্রতিম দেশ থেকে বার্তা পাওয়া গিয়েছে।” এই আদান-প্রদান এমন একটা সময়ে ঘটছে, যখন আমেরিকা-ইজরায়েল ও ইরানের মধ্যে সংঘাত চতুর্থ সপ্তাহে প্রবেশ করেছে এবং উভয় পক্ষই সামরিক অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।

    কী বলছে ইজরায়েল

    ইজরায়েল জানিয়েছে, তারা সোমবার তেহরানে নতুন করে হামলা চালিয়েছে। এদিকে, ইরানও অঞ্চলজুড়ে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা অব্যাহত রেখেছে। এই পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালী প্রায় অচল হয়ে পড়েছে। এই প্রণালী বৈশ্বিক জ্বালানি পরিবহণের একটি গুরুত্বপূর্ণ পথ। বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও গ্যাস পরিবাহিত হয় এই পথেই (Donald Trump)। এই বিঘ্নের জেরে বিশ্বজুড়ে বেড়ে গিয়েছে জ্বালানির দাম। উদ্বেগ বাড়ছে বৃহত্তর অর্থনৈতিক প্রভাব নিয়ে।

    ট্রাম্পের দাবি

    তবে ইরান অস্বীকার করলেও, ট্রাম্প দাবি করে চলেছেন যে আলোচনা এগিয়ে চলছে। সপ্তাহান্তে তিনি সতর্ক করে বলেন, “৪৮ ঘণ্টার মধ্যে হরমুজ প্রণালী খুলে না দিলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের (Iran) বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলি সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দেবে।” সোমবার এক পোস্টে অবশ্য ট্রাম্প জানান, তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দফতরকে নির্দেশ দিয়েছেন যে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও জ্বালানি পরিকাঠামোর ওপর সব ধরনের সামরিক হামলা পাঁচ দিনের জন্য স্থগিত রাখতে। তিনি জানান, এই সিদ্ধান্ত বর্তমানে চলা বৈঠক ও আলোচনা সাফল্যের সঙ্গে সম্পর্কিত। সাংবাদিক বৈঠকে ট্রাম্প (Donald Trump) আরও জানান, রবিবার ইরানের এক শীর্ষ ব্যক্তির সঙ্গে আলোচনা হয়েছে, যদিও তিনি ওই ব্যক্তির পরিচয় প্রকাশ করেননি (Iran)।

     

  • BJP Fact Checks: তৃণমূলকে ‘ফেক নিউজ ফ্যাক্টরি’ বলে কটাক্ষ, মুখের মতো জবাব দিল বিজেপি

    BJP Fact Checks: তৃণমূলকে ‘ফেক নিউজ ফ্যাক্টরি’ বলে কটাক্ষ, মুখের মতো জবাব দিল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সাম্প্রতিক বঙ্গ সফরকে কেন্দ্র করে বিজেপি-তৃণমূলের মধ্যে রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব আরও তীব্র হয়েছে। তৃণমূলের একটি দাবিকে ‘ফেক নিউজ ফ্যাক্টরি’ বলে উল্লেখ করে বিজেপির পশ্চিমবঙ্গ শাখা সেটির সত্যতা যাচাই করে পাল্টা জবাব দেয়।

    তৃণমূলের দাবি (BJP Fact Checks)

    রাষ্ট্রপতির সফরের সময় প্রোটোকল ভঙ্গের অভিযোগ তুলে তৃণমূল একটি ভিডিও-সহ পোস্টে দাবি করে, “প্রধানমন্ত্রী বারবার রাষ্ট্রপতির পদকে সম্মান করার বড় বড় কথা বলেন। কিন্তু এই ছবিটি ভালো করে দেখুন। দেশের প্রথম আদিবাসী মহিলা রাষ্ট্রপতি দাঁড়িয়ে আছেন, আর প্রধানমন্ত্রী আরামে চেয়ারে বসে রয়েছেন। রাষ্ট্রপতির প্রতি সম্মানের সব দাবি তখনই ফাঁপা মনে হয়, যখন এমন দৃশ্য তাঁর পদকে অবহেলার ইঙ্গিত দেয়।” ভিডিওতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বলতে শোনা যায়, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, এটা আপনার জন্য। আপনি কি রাষ্ট্রপতিকে—যিনি একজন নারী এবং একজন আদিবাসী নেতা—সম্মান করেন? তাহলে রাষ্ট্রপতি দাঁড়িয়ে আর আপনি বসে আছেন কেন? আমি আপনাদের সবাইকে দেখালাম, আমরা রাষ্ট্রপতিকে সম্মান করি, কিন্তু তারা করে না। এই ছবিই প্রমাণ করে কে সম্মান করে, আর কে করে না।”

    বিজেপির জবাব

    এর জবাবে পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির তরফে এক্স হ্যান্ডেলে লেখা হয়েছে, “টিএমসির ফেক নিউজ ফ্যাক্টরি আবার সক্রিয়। টিএমসির তৈরি করা ক্ষোভের আসল সত্য হল, ভারতরত্ন প্রদান অনুষ্ঠানের সময় সরকারি প্রোটোকল অনুযায়ী, পুরস্কার প্রদান চলাকালীন উপস্থিত অন্যরা বসে থাকেন। এখানে শিষ্টাচার ভঙ্গের কোনও ঘটনা ঘটেনি।” তারা আরও বলে, “মাননীয়া রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং ভারতরত্ন এলকে আডবাণীকে ঘিরে একটি মর্যাদাপূর্ণ মুহূর্তকে তুচ্ছ রাজনৈতিক লাভের জন্য বিকৃত করা অত্যন্ত লজ্জাজনক। দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদটির মর্যাদা রক্ষা করুন এবং ভুয়ো তথ্য ছড়াবেন না।” এ কথা বলার সময় বিজেপি প্রায় দু’বছরের পুরানো একটি ভিডিও-ও শেয়ার করে। ঘটনাটি ঘটে ৩১ মার্চ ২০২৪-এ, যখন রাষ্ট্রপতি মুর্মু ও প্রধানমন্ত্রী মোদি এলকে আডবাণীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাঁকে ভারতরত্ন সম্মানে ভূষিত করেন।

    রাষ্ট্রপতির উষ্মা

    শনিবার রাষ্ট্রপতি দার্জিলিংয়ে নবম আন্তর্জাতিক সাঁওতাল সম্মেলনে যোগ দিতে পশ্চিমবঙ্গ সফরে এলে শুরু হয় বিতর্ক। সেখানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাষ্ট্রপতি প্রশ্ন তোলেন, কেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বা রাজ্যের কোনও মন্ত্রী তাঁকে স্বাগত জানাতে উপস্থিত ছিলেন না? তিনি বলেন, “সাধারণত রাষ্ট্রপতি এলে মুখ্যমন্ত্রীর উচিত উপস্থিত থেকে স্বাগত জানানো, এবং অন্য মন্ত্রীরাও থাকেন। কিন্তু তিনি আসেননি। রাজ্যপাল বদল হওয়ায় তিনি আসতে পারেননি। তবে তারিখ নির্ধারিত থাকায় আমি এসেছি।” তিনি আরও বলেন, “মমতা আমার ছোট বোনের মতো। আমিও বাংলার মেয়ে। তিনি কেন অসন্তুষ্ট, তা আমি জানি না।” অনুষ্ঠানের স্থান পরিবর্তন নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। রাষ্ট্রপতি এও বলেন, “আমি জানি না কেন রাজ্য প্রশাসন সেখানে সভা করার অনুমতি দেয়নি। আজকের অনুষ্ঠান এমন জায়গায় হচ্ছে যেখানে মানুষের আসা কঠিন। হয়তো রাজ্য সরকার আদিবাসীদের কল্যাণ চায় না!”

    প্রধানমন্ত্রীর প্রতিক্রিয়া

    এই ঘটনাকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ‘লজ্জাজনক ও নজিরবিহীন’ বলে উল্লেখ করেন। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লেখেন, “যাঁরা গণতন্ত্র ও আদিবাসী সমাজের ক্ষমতায়নে বিশ্বাস করেন, তাঁরা সবাই হতাশ। নিজে আদিবাসী সমাজ থেকে উঠে আসা রাষ্ট্রপতি মহোদয়ার প্রকাশ করা বেদনা ও ক্ষোভ ভারতের মানুষের মনে গভীর দুঃখের সৃষ্টি করেছে।” ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “রাষ্ট্রপতির সফরে কোনও প্রোটোকল লঙ্ঘন হয়নি। বিজেপি দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করছে।” তিনি আরও দাবি করেন, অনুষ্ঠানস্থলের দুর্বল প্রস্তুতি সম্পর্কে রাজ্য সরকার আগেই জানিয়েছিল রাষ্ট্রপতির দফতরকে।

     

LinkedIn
Share