Tag: Farmers Welfare

  • Suvendu Adhikari: বিদ্যুৎ বিলে বছরে ৩০ হাজার পর্যন্ত সাশ্রয়, ধানের দাম কুইন্টালে ২৭০০ টাকা! বর্ধমানে কল্পতরু শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: বিদ্যুৎ বিলে বছরে ৩০ হাজার পর্যন্ত সাশ্রয়, ধানের দাম কুইন্টালে ২৭০০ টাকা! বর্ধমানে কল্পতরু শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সেচের বিদ্যুৎ খরচ কমাতে ইউনিট পিছু দু’টাকা ভর্তুকি, ধান কেনার দাম বৃদ্ধি এবং কৃষকদের বার্ষিক আর্থিক সহায়তায় অতিরিক্ত বরাদ্দ (Suvendu Adhikari)। শুক্রবার পূর্ব বর্ধমানের প্রশাসনিক সভা থেকে কৃষিক্ষেত্রের জন্য একাধিক সিদ্ধান্ত ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর ঘোষণা অনুযায়ী, রাজ্যের চার লাখেরও বেশি কৃষক বিদ্যুৎ ভর্তুকির আওতায় আসবেন। পাশাপাশি, সরকারি ব্যবস্থায় কুইন্টাল প্রতি ২৭০০ টাকায় ধান কেনা হবে। কৃষকদের জন্য কেন্দ্র ও রাজ্যের সম্মিলিত বার্ষিক আর্থিক সহায়তার পরিমাণ দাঁড়াবে ৯০০০ টাকা।

    সেচের বিদ্যুতে ভর্তুকি (Suvendu Adhikari)

    কৃষিকাজে বৈদ্যুতিক পাম্পসেট ব্যবহারকারী কৃষকদের জন্য প্রতি ইউনিট বিদ্যুতে দু’টাকা করে ভর্তুকি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রীর হিসাব অনুযায়ী, এই সুবিধার ফলে একজন কৃষকের বছরে প্রায় ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত বিদ্যুৎ খরচ কমতে পারে। পূর্ব বর্ধমানের প্রায় ২৫ হাজার কৃষক এই প্রকল্পে উপকৃত হবেন। সরকারি ঘোষণা অনুযায়ী, চলতি বছরের ১ অগাস্ট থেকে এই ভর্তুকি কার্যকর বলে গণ্য করা হবে। রাজ্যজুড়ে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য অতিরিক্ত ৩০০ কোটি টাকা ব্যয় করবে সরকার।

    ধানের দাম ২৭০০ টাকা, সরাসরি কিনবে সরকার

    ধানচাষিদের জন্যও নতুন আর্থিক সুবিধার কথা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। কুইন্টাল প্রতি নির্ধারিত ২৫০০ টাকার সঙ্গে রাজ্য আরও ২০০ টাকা যোগ করবে। ফলে সরকারি ক্রয়কেন্দ্রে ধান বিক্রি করে কৃষকেরা কুইন্টাল প্রতি মোট ২৭০০ টাকা পাবেন। পাঁচ একর পর্যন্ত জমির মালিকদের কাছ থেকে সরাসরি ধান কেনার কথা জানিয়েছে রাজ্য সরকার। ধান কেনার প্রক্রিয়ায় ফড়ে বা অন্য কোনও মধ্যস্বত্বভোগীর ভূমিকা থাকবে না বলেও ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। একই সঙ্গে ১০০ কুইন্টাল ধান বিক্রি করলে অতিরিক্ত ২০ হাজার টাকা উৎসাহ ভাতা দেওয়ার কথাও জানিয়েছেন তিনি।

    পিএম কিষানে বছরে ৯০০০ টাকা, কৃষকবন্ধু প্রকল্পের পুনর্মূল্যায়ন

    কৃষকদের সরাসরি আর্থিক সহায়তার পরিমাণও বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য। পিএম কিষান সম্মাননিধি প্রকল্পে কেন্দ্রের বার্ষিক ৬০০০ টাকার সঙ্গে আরও ৩০০০ টাকা দেবে রাজ্য সরকার। প্রয়োজনীয় যাচাইয়ের মাধ্যমে নতুন আবেদনকারীদেরও প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। পাশাপাশি, আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে কৃষকবন্ধু প্রকল্পের সুবিধাভোগীদের পুনর্মূল্যায়নের কাজ শেষ করার কথা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। জমির পরিমাণ অনুযায়ী বছরে ৪০০০ থেকে ৬০০০ টাকা আর্থিক সহায়তা দেওয়ার পরিকল্পনাও তুলে ধরেন (Power Bill) তিনি।

    আলুচাষিদের জন্য ডিসেম্বরে বিশেষ প্যাকেজ

    ধানচাষিদের পাশাপাশি আলুচাষিদের সমস্যার কথাও উঠে আসে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে। পূর্ববর্তী তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে সারের কালোবাজারি, আন্তঃরাজ্য সীমানায় বিধিনিষেধ এবং হিমঘর মালিকদের উপর চাপ সৃষ্টির অভিযোগ তোলেন তিনি। তাঁর দাবি, এসব কারণে অতীতে আলুচাষিদের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হয়েছিল। আসন্ন আলুচাষের মরশুমের আগে বিশেষ আর্থিক প্যাকেজ ঘোষণার আশ্বাস দিয়েছেন শুভেন্দু। ডিসেম্বরের মধ্যেই ভর্তুকিযুক্ত সার এবং অন্যান্য সরকারি সহায়তার বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে বলে জানিয়েছেন তিনি (Suvendu Adhikari)।

    পূর্ব বর্ধমানে পরিকাঠামো প্রকল্পের উদ্বোধন

    কৃষকদের জন্য আর্থিক ঘোষণা ছাড়াও এ দিনের সভা থেকে একাধিক উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাস করেন মুখ্যমন্ত্রী। ভাতারে প্রায় ১২৩ কোটি ৪৯ লাখ টাকার পরিকাঠামো প্রকল্পের পাশাপাশি ৩৩ কোটি টাকা ব্যয়ে তিনটি পৃথক প্রকল্পের উদ্বোধনের কথাও জানানো হয়। দক্ষিণ ২৪ পরগনার রাজপুর সোনারপুর ও বিষ্ণুপুরে বিদ্যুৎ সাব-স্টেশন এবং পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরের চৌবেরিয়ায় ইডেন খালের উপর নতুন সেতুর উদ্বোধনও এই কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত ছিল। বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের সুবিধাভোগীদের হাতে কৃষি, সেচ, বিদ্যুৎ ভর্তুকি এবং সূর্যঘর প্রকল্পের চেক তুলে দেওয়া হয় (Power Bill)।

    ১২৫ দিনের কাজের প্রতিশ্রুতি

    কৃষি ও পরিকাঠামোর পাশাপাশি রাজ্যের অন্যান্য সরকারি প্রকল্প নিয়েও বক্তব্য রাখেন মুখ্যমন্ত্রী। ১২৫ দিনের গ্রামীণ কর্মসংস্থান, অন্নপূর্ণা, আবাস, আয়ুষ্মান ভারত এবং জল জীবন মিশনের মতো প্রকল্পের অগ্রগতির কথা তুলে ধরেন তিনি। রাজ্যে দুর্নীতি রোধের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করার পাশাপাশি অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (ইউসিসি) কার্যকর করা এবং ‘লাভ জিহাদ’ ও ‘ল্যান্ড জিহাদ’ প্রতিরোধে কঠোর আইন আনার পরিকল্পনার কথাও জানান শুভেন্দু। পূর্ব বর্ধমানকে রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ কৃষি উৎপাদন কেন্দ্র হিসেবে উল্লেখ করে মুখ্যমন্ত্রী জানান, কৃষকদের আয় বৃদ্ধি, সেচের খরচ কমানো এবং সরকারি সহায়তা সরাসরি তাঁদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার উপর গুরুত্ব দিচ্ছে তাঁর সরকার (Suvendu Adhikari)।

     

  • PM Modi: মোদির মুকুটে নয়া তাজ, পেলেন রাষ্ট্রসংঘের ‘অ্যাগ্রিকোলা মেডেল’, উৎসর্গ করলেন ভারতের কৃষকদের

    PM Modi: মোদির মুকুটে নয়া তাজ, পেলেন রাষ্ট্রসংঘের ‘অ্যাগ্রিকোলা মেডেল’, উৎসর্গ করলেন ভারতের কৃষকদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  রাষ্ট্রসংঘের অধীনস্থ খাদ্য ও কৃষি সংস্থা সংক্ষেপে ‘ফাও’ (FAO)-এর সর্বোচ্চ সম্মান ‘অ্যাগ্রিকোলা মেডেল’ দেওয়া হল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi)। ‘ফাও’ প্রধানকে ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই সম্মান শুধু আমার নয়, ১৪০ কোটি ভারতবাসীর। এটি ভারতের কৃষক ও মৎস্যজীবীদের সম্মান (Indian Farmers)। আমি এই পদক ভারতের কৃষকদের উৎসর্গ করছি।” তিনি বলেন, “ভারতে কৃষিই মূলধারা। আমরা আমাদের ভূমিকে পুজো করি।”

    মানুষের কল্যাণে মোদির অবদান (PM Modi)

    রোমে ‘ফাও’-র সদর দফতরের ঐতিহাসিক প্লেনারি হলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সংস্থার মহাসচিব কিউ দংয়ু (Qu Dongyu) এই পদক তুলে দেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী হাতে। তিনি বলেন, “মানুষের কল্যাণে তাঁর অবদান ও অঙ্গীকার, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, খাদ্য নিরাপত্তা জোরদার এবং কৃষকদের কল্যাণে যুগান্তকারী প্রকল্প চালুর জন্য এই সম্মান প্রদান করা হচ্ছে। এছাড়া ক্ষুধা ও দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে লড়াই, সর্বজনীন খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, রাষ্ট্রসংঘের কৌশলগত উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDGs) পূরণ এবং ভারতের জি২০ সভাপতিত্বের সময় আন্তর্জাতিক স্তরে কৃষিকে অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রচেষ্টার স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে এই পদক দেওয়া হয়েছে।”

    প্রধানমন্ত্রীর অসাধারণ নেতৃত্ব ও দূরদৃষ্টির প্রশংসা

    তিনি ভারতের কৃষিক্ষেত্রকে রূপান্তর করতে প্রধানমন্ত্রীর অসাধারণ নেতৃত্ব ও দূরদৃষ্টির প্রশংসা করেন। কৃষক-কেন্দ্রিক, উদ্ভাবনী ও যুগান্তকারী উদ্যোগগুলিরও ভূয়সী প্রশংসা করেন তিনি। ‘ফাও’-র মহাসচিব প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে ভারতের খাদ্য ও কৃষি সংক্রান্ত উদ্যোগগুলির ব্যাপকতা ও প্রভাবের কথাও উল্লেখ করেন। তিনি ভারতের আর্থিক অন্তর্ভুক্তিকরণ কর্মসূচি, করোনা অতিমারির পর থেকে ৮০ কোটি মানুষকে অন্তর্ভুক্ত করা বিশ্বের বৃহত্তম খাদ্যভিত্তিক সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা, ১১ কোটিরও বেশি কৃষককে সরাসরি আর্থিক সাহায্য দেওয়া, প্রাকৃতিক ও পুনর্জাগরণমূলক কৃষির উন্নয়নে জাতীয় উদ্যোগ এবং ফাও-র সহযোগিতায় আন্তর্জাতিক মিলেট বর্ষ উদযাপনের প্রশংসা করেন (PM Modi)।

    মোদির ক্রেডিট

    তিনি এও বলেন, “ভারতের জি২০ সম্মেলনে সভাপতিত্বের সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ডিজিটাল পাবলিক পরিকাঠামোকে বিশ্বজনীন সম্পদ হিসেবে প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ উন্নয়নশীল দেশগুলিতে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার ও কার্যকর পরিষেবা পৌঁছে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে (Indian Farmers)।” তাঁর মতে, এই ধারাবাহিক প্রচেষ্টার ফলে ভারতে লাখ লাখ মানুষ দারিদ্র্যসীমার ঊর্ধ্বে উঠে এসেছে (PM Modi)।

LinkedIn
Share