Tag: financial crisis

financial crisis

  • Rajpal Yadav: “আমার টাকা নেই, আত্মসমর্পণ করা ছাড়া আর কোনও উপায়ও নেই”, বললেন অভিনেতা রাজপাল

    Rajpal Yadav: “আমার টাকা নেই, আত্মসমর্পণ করা ছাড়া আর কোনও উপায়ও নেই”, বললেন অভিনেতা রাজপাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চেক বাউন্স মামলায় দিল্লির তিহার জেলে আত্মসমর্পণ করলেন অভিনেতা রাজপাল যাদব (Rajpal Yadav)। তার ঠিক আগে আগে নিজের আর্থিক সঙ্কটের কথা প্রকাশ্যে (Court) জানান অভিনেতা। ‘ভুলভুলাইয়া’ (২০০৭), ‘হাঙ্গামা’ (২০০৩) ও ‘ঢোল’ (২০০৭)-এর মতো ছবিতে কৌতুক অভিনেতার চরিত্রে অভিনয়ের সুবাদে পরিচিত বছর চুয়ান্নর এই অভিনেতা বলেন, “আমার কাছে কোনও টাকা নেই, কোনও বন্ধুও নেই, আর আত্মসমর্পণ করা ছাড়া আমার আর কোনও উপায়ও নেই।”

    তিহার জেলে আত্মসমর্পণ (Rajpal Yadav)

    দিল্লি হাইকোর্ট তাঁর সময় বাড়ানোর আবেদন খারিজ করার পর রাজপাল তিহার জেলে আত্মসমর্পণ করেন। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী তাঁকে ৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে আত্মসমর্পণ করতে বলা হয়েছিল। তিনি তা না করায় আদালত আর কোনও ছাড় দিতে অস্বীকার করে। বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, পেশা নির্বিশেষে আইনের চোখে সবাই সমান। এক সাক্ষাৎকারে রাজপাল তাঁর আর্থিক সমস্যার কথা ব্যাখ্যা করে বলেন,
    “স্যার, কী করব? আমার কাছে টাকা নেই। আর কোনও উপায়ও দেখতে পাচ্ছি না।” তাঁকে যখন জিজ্ঞেস করা হয়, তিনি কি সহকর্মী বা ইন্ডাস্ট্রির বন্ধুদের, যেমন পরিচালক প্রিয়দর্শন, যাঁর সঙ্গে তিনি বহুবার কাজ করেছেন, কাছ থেকে সাহায্য চাওয়ার কথা ভেবেছেন কি না, তখন রাজপাল বলেন, “স্যার, এখানে আমরা সবাই একা। এখানে কোনও বন্ধু নেই। এই সঙ্কটের মোকাবিলা আমাকে একাই করতে হবে।”

    রাজপালদের বিরুদ্ধে অভিযোগ

    এর আগে একটি প্রতিবেদনে জানানো হয়েছিল, ২০১৮ সালে দিল্লির এক ব্যবসায়ীর করা মামলার ভিত্তিতে রাজপাল যাদব ও তাঁর স্ত্রী রাধার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়। অভিযোগ, ২০১০ সালে নেওয়া ৫ কোটি টাকার ঋণ তাঁরা পরিশোধ করেননি। জানা গিয়েছে, রাজপাল তাঁর পরিচালনায় প্রথম ছবি ‘আতা পাতা লাপাতা ’(২০১০)-এর জন্য এই টাকা নিয়েছিলেন (Rajpal Yadav)। ছবিটি ২০১২ সালে মুক্তি পেলেও ঋণ শোধ করা হয়নি। এই মামলায় আদালত একাধিকবার তাঁকে তলব করেছিল এবং বিচার চলাকালীন একবার তাঁকে ১০ দিনের বিচার বিভাগীয় হেফাজতেও পাঠানো হয়েছিল। চেক বাউন্স মামলায় নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ঋণের টাকা জোগাড় করতে না পারায় আদালত তাঁর আবেদন খারিজ করে অবিলম্বে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেয়। তিহার জেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার বিকেল প্রায় ৪টের সময় রাজপাল যাদব জেল সুপারের সামনে হাজির হন (Rajpal Yadav)।

    আইনের চোখে সকলের সমান অধিকার

    আদালতের নির্দেশে বলা হয়েছে, “এই পরিস্থিতিতে, আবেদনকারীর (Court) (রাজপাল যাদব) আত্মসমর্পণের নির্দেশ প্রত্যাহারের আবেদন গ্রহণযোগ্য নয়। তাঁকে আজই অবিলম্বে তিহার জেলের সুপারের কাছে আত্মসমর্পণ করতে হবে।” হাইকোর্ট বিলম্বের কড়া সমালোচনা করে জানায়, কোনও ব্যক্তির পেশাগত পরিচয় বিশেষ সুবিধার কারণ হতে পারে না। বেঞ্চ জানায়, “কোনও ব্যক্তি বিশেষ কোনও পেশা বা ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে যুক্ত বলেই আদালত বিশেষ পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে না।” আদালত আরও জানায়, আগের নির্দেশে আত্মসমর্পণের তারিখ নিয়ে কোনও বিভ্রান্তির সুযোগ ছিল না। যদিও রাজপালের আইনজীবী দাবি করেন, ঋণের টাকা জোগাড়ের চেষ্টা করতেই দেরি হয়েছে, তবুও আদালত জানায়, বারবার ছাড় দিলে বিচারব্যবস্থার নির্দেশের গুরুত্ব ক্ষুণ্ণ হবে (Rajpal Yadav)। আইনের চোখে সকলের সমান অধিকার রয়েছে, এই নীতির পুনরুল্লেখ করে আদালত জানায়, অভিনেতা হওয়ার কারণে বা চলচ্চিত্র জগতের সঙ্গে যুক্ত থাকায় কোনও বিশেষ সুবিধা তাঁকে দেওয়া হবে না (Court)।

    পাশে দাঁড়ালেন অভিনেতা সোনু সুদ 

    এই ঘটনার পর অভিনেতা সোনু সুদ এক্স হ্যান্ডেলে রাজপাল যাদবের পাশে দাঁড়ানোর কথা বলেন। তিনি চলচ্চিত্র জগতকে কঠিন সময়ে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বানও জানান। সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি দীর্ঘ বার্তায় সোনু সুদ লেখেন, “রাজপাল যাদব একজন প্রতিভাবান অভিনেতা, যিনি আমাদের ইন্ডাস্ট্রিকে বহু বছর অসাধারণ কাজ উপহার দিয়েছেন। কখনও কখনও জীবন অন্যায় হয়ে ওঠে, প্রতিভার অভাবে নয়, বরং সময়টাই নিষ্ঠুর হয়ে যায়।” তিনি আরও লেখেন, “তিনি আমার ছবির অংশ হবেন। এই মুহূর্তে প্রযোজক, পরিচালক ও সহকর্মীদের একসঙ্গে দাঁড়ানোর সময়। ভবিষ্যৎ কাজের সঙ্গে সামঞ্জস্যযোগ্য একটি ছোট সাইনিং অ্যামাউন্ট দান নয়, সম্মান। আমাদেরই একজন কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে গেলে ইন্ডাস্ট্রির উচিত তাকে মনে করিয়ে দেওয়া, সে একা নয় (Rajpal Yadav)।”

    একের পর এক সেরা ছবি

    রাজপাল যাদব দু’দশকেরও বেশি সময় ধরে অভিনয় জগতে সক্রিয়। নয়ের দশকের শেষের দিকে তিনি হিন্দি ছবিতে আত্মপ্রকাশ করেন এবং ‘জঙ্গল’ (২০০০) ছবিতে খলনায়কের চরিত্রে অভিনয় করে বিশেষ পরিচিতি পান। এরপর তিনি প্রায় ১৫০টিরও বেশি ছবিতে অভিনয় করেছেন। হিন্দির পাশাপাশি অভিনয় করেছেন মারাঠি, ইংরেজি, তেলুগু, কন্নড়, আওয়াধি ও বাংলা সিনেমায়ও (Court)। তাঁকে শেষ দেখা গিয়েছে ‘বেবি জন’ (২০২৪) ও ‘ইন্টারোগেশন ’(২০২৫) ছবিতে। আগামী ১০ এপ্রিল মুক্তি পাওয়ার কথা প্রিয়দর্শনের পরিচালনায় হরর-কমেডি ছবি ‘ভূত বাংলা’, যেখানে তিনি অক্ষয় কুমারের সঙ্গে অভিনয় করেছেন। এছাড়াও, ‘ওয়েলকাম টু দ্য জঙ্গল ’ ছবির শুটিং শেষ করেছেন, যেখানে সঞ্জয় দত্ত, সুনীল শেঠি, অক্ষয় কুমার, রবীনা ট্যান্ডন-সহ একাধিক তারকা রয়েছেন (Rajpal Yadav)।

     

  • HS Rank: উচ্চ মাধ্যমিকে চতুর্থ স্থানে মেয়ে, তবুও একরাশ দুশ্চিন্তায় বসাক দম্পতি!

    HS Rank: উচ্চ মাধ্যমিকে চতুর্থ স্থানে মেয়ে, তবুও একরাশ দুশ্চিন্তায় বসাক দম্পতি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার কুমারগঞ্জ ব্লকের ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের প্রত্যন্ত এলাকা ডাঙ্গারহাট। সেখানকার বাসিন্দা পেশায় টোটো চালকের মেয়ে সৃজিতা বসাক ৪৯৩ পেয়ে উচ্চ মাধ্যমিকে রাজ্যে চতুর্থ স্থান (HS Rank) অধিকার করেছেন। সৃজিতা আগামীতে উচ্চশিক্ষিত হয়ে শিক্ষকতা করতে চান। আর সমাজসেবা করে মানুষের পাশে দাঁড়াতে চান। তাঁর সাফল্যে পরিবারের সদস্যরা উচ্ছ্বসিত হলেও আগামীতে পড়াশোনার খরচ কীভাবে চলবে, সেই চিন্তায় ঘুম ছুটেছে সৃজিতার বাবা সুজিত বসাকের।

    কীভাবে চলবে মেয়ের পড়াশোনা?

    সামান্য টোটো চালিয়ে যা উপার্জন হয়, তা দিয়ে সংসার খরচই ওঠে না। তবুও এতদিন কষ্ট করে কোনওরকমে মেয়েকে পড়াশোনা করাতে পেরেছেন। মা সোমা বসাক গৃহবধূ। স্বাভাবিক ভাবেই আগামীতে উচ্চশিক্ষায় বিপুল অঙ্কের অর্থ কীভাবে জোগাড় করে মেয়ের ইচ্ছা পূরণ করবেন, সেই চিন্তায় কালঘাম ছুটেছে বসাক দম্পতির। সৃজিতার বাবা সুজিত বসাক বলেন, টোটো চালিয়ে সংসার চালাই। এর উপরই পুরো সংসার। মেয়ের এই সাফল্যে (HS Rank) যেমন খুশি, তেমন চিন্তিতও। আগামীতে কীভাবে মেয়ের পড়াশোনার খরচ চালাব জানি না।

    ইংরেজিতে এত কম নম্বর (HS Rank), মেনে নিতে পারছেন না

    সৃজিতা ডাঙ্গারহাট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে কলা বিভাগে এবার উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা (HS Rank) দিয়েছিলেন। মাধ্যমিকে তিনি ৯৩ শতাংশ অর্থাৎ ৬৫১ নম্বর পেয়েছিলেন। উচ্চ মাধ্যমিকে তাঁর প্রাপ্ত নম্বর ৪৯৩। তাঁর বিষয়ভিত্তিক নম্বর বাংলায় ৯৭, ইংরেজিতে ৬৪, কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশনে ৯৭, ভূগোলে ১০০, এডুকেশন ১০০ এবং দর্শনে ৯৯ । ইংরেজিতে ৬৪ পাওয়ায় বেস্ট অফ ফাইভ থেকে বাদ গিয়েছে। ইংরেজিতে নম্বর এত কমে যাওয়ার  বিষয়টি তিনি কোনওভাবে মেনে নিতে পারছেন না। তিনি রিভিউয়ে জন্য আবেদন করবেন বলে জানিয়েছেন। পড়াশোনোর বাইরে তিনি গল্পের বই পড়তে এবং আবৃত্তি করতে ভালোবাসেন। সৃজিতা বলেন, প্রতিদিন গড়ে ১০ ঘণ্টা করে পড়াশোনা করতাম। স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকারা পড়াশোনায় খুব সাহায্য করেছেন। আগামীতে ভূগোল নিয়ে পড়াশোনা করে শিক্ষকতা করতে চান তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Madhyamik Result: অঙ্ক নিয়ে গবেষণার ইচ্ছা! টানাটানির সংসারে কি পূরণ হবে স্বপ্ন?

    Madhyamik Result: অঙ্ক নিয়ে গবেষণার ইচ্ছা! টানাটানির সংসারে কি পূরণ হবে স্বপ্ন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাতলা গড়ন। সাধারণ খেটে খাওয়া ঘরের আর পাঁচটা মেয়ের মতোই। কিন্তু পড়াশোনার জগৎটা তার একেবারেই আলাদা। অত্যন্ত মেধাবী ছাত্রী স্নেহা বিশ্বাস। মাধ্যমিকে ৬৪২ পেয়ে নজর কেড়েছে গরিব কৃষকের মেয়ে এই স্নেহা। দক্ষিণ দিনাজপুরের তপন ব্লকের আউটিনা অঞ্চলের প্রত্যন্ত গ্রাম খলসি। সেখান থেকে প্রায় চার কিলোমিটার দূরে তিলন হাই স্কুল থেকে সেই সাফল্যের খবর (Madhyamik Result) তাই খুব সহজেই পৌঁছে যায় বালুরঘাটে।

    ছিল শুধু একজন গৃহশিক্ষক (Madhyamik Result)!

    উচ্চ মাধ্যমিক পাশ বাবা হরেকৃষ্ণ বিশ্বাস তিন বিঘা জমিতে চাষ করেন। দুই ছেলেমেয়ে, স্ত্রীকে নিয়ে টানাটানির সংসার। স্নেহা পরিবারের বড়। ছোট ভাই তৃতীয় শ্রেণির পড়ুয়া। মা অর্চনার কাছেই স্নেহার পড়াশোনা। স্নেহা বাংলায় ৯০, ইংরেজিতে ৯১, অঙ্কে ৯৩, ভৌতবিজ্ঞানে ৯৮, জীবন বিজ্ঞানে ৯১, ইতিহাসে ৮৭ ও ভূগোলে ৯২ নম্বর (Madhyamik Result) পেয়েছে। মেয়েটাকে আরও সাহায্য করতে পারলে আরও ভাল করতো। আনন্দের মাঝেও যেন কিছুটা আক্ষেপ বাবা-মায়ের। এক গৃহশিক্ষক ছাড়া আর কারও কাছে পড়ার সুযোগ ছিল না স্নেহার। বালুরঘাটের ললিতমোহন আদর্শ হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক আশিস চক্রবর্তী স্নেহাকে একাদশ শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগে ভর্তি করিয়ে সমস্ত সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন। কষ্ট হলেও বালুরঘাটে ছোট একটি ঘর ভাড়া নিয়ে মেয়ের উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন পূরণে ফের লড়াইয়ের জন্য তৈরি, জানান অর্চনা। আর স্নেহা জানায়, অঙ্ক নিয়ে গবেষণার ইচ্ছা রয়েছে।

    কেউ যদি সাহায্য করত (Madhyamik Result), আর্জি বাবার

    এই বিষয়ে স্নেহার বাবা হরেকৃষ্ণ বিশ্বাস বলেন, আমি পেশায় কৃষক। আমার স্ত্রী, তিন ছেলেমেয়েকে নিয়ে সংসার। অতি কষ্টে আমাদের দিন চলে। আমার মেয়ের মাধ্যমিকে (Madhyamik Result) সাফল্য দেখে আমরা গর্বিত। আমার মেয়ে ভবিষ্যতে অঙ্ক নিয়ে গবেষণা করতে চায়। কিন্তু মাঝে আমার আর্থিক অবস্থা বাধা হয়ে পড়ছে। মেয়েটাকে কেউ যদি সাহায্য করত, তাহলে ভালো হতো।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Pakistan:  চিন ও সৌদি আরবের কাছে বিপুল দেনা! আগামী ৩ বছরে ঋণ শোধ করতে হবে পাকিস্তানকে

    Pakistan: চিন ও সৌদি আরবের কাছে বিপুল দেনা! আগামী ৩ বছরে ঋণ শোধ করতে হবে পাকিস্তানকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রীলঙ্কার পর পাকিস্তান (Pakistan)। চিনা ঋণের ফাঁদে হাবুডুবু খাচ্ছে ইসলামাবাদ। সাম্প্রতিক সময় দক্ষিণ এশিয় দেশ পাকিস্তান, বিশ্বের অন্যতম অস্থির একটি দেশ। দেশের অভ্যন্তরে বিচ্ছিন্নতাবাদী শক্তির অস্তিত্ব, মুদ্রাস্ফীতি, খাদ্য সংকট এবং অর্থনৈতিক সংকটে রয়েছে পাকিস্তান। ‘ইউনাইটেড স্টেটস ইনস্টিটিউট অফ পিস’(USIP) সম্প্রতি এক রিপোর্টে দাবি করেছে ২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে ২০২৬ সালের জুনের মধ্যে ৭৭.৫ বিলিয়ন ডলার ঋণ পাকিস্তানকে পরিশোধ করতে হবে চিন এবং সৌদি আরবকে।

    তলানিতে পাকিস্তানি রুপির দর

    ডলারের সাপেক্ষে তলানিতে ঠেকেছে পাকিস্তানি (Pakistan) রুপির দর। এরই মধ্যে তাদের জানানো হয়েছে, ২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে ২০২৬ সালের জুনের মধ্যে পাকিস্তানি রুপিতে প্রায় দু’হাজার ২০০ কোটির ঋণ শোধ করতে হবে ইসলামাবাদকে। চিন এবং সৌদি আরবের থেকে ক্রমাগত ঋণ নিয়েছে পাক সরকার। বৃহস্পতিবার মার্কিন একটি সংস্থার প্রকাশিত ওই রিপোর্টে পাকিস্তানকে সতর্ক করা হয়েছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, আকাশছোঁয়া মুদ্রাস্ফীতি, রাজনৈতিক সংঘাত এবং ক্রমবর্ধমান সন্ত্রাসবাদের কারণে পাকিস্তান আর্থিক ভাবে জর্জরিত।

    আরও পড়ুুন: ভরা বাজারে গুলি করে খুন তৃণমূল নেতাকে, শিথিল হচ্ছে মুখ্যমন্ত্রীর রাশ?

    ইউএসআইপি রিপোর্ট অনুযায়ী, আগামী তিন বছরে পাকিস্তান (Pakistan) নির্দিষ্ট টাকার অঙ্কটি চিন এবং সৌদিকে পরিশোধ করতে ব্যর্থ হলে দেশের সরকারের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত পদক্ষেপ করা হবে। পাকিস্তান যদিও আশাবাদী, চিন পুনরায় ঋণ পরিশোধের সময় বাড়াবে। ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক অর্থ ভান্ডার (IMF)-এর দ্বারস্থ হয়েছেন পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা, দুর্নীতি ও আর্থিক ব্যবস্থার অব্যবস্থাপনার কারণে দক্ষিণ এশিয়ার দেশটি দীর্ঘদিন ধরে অর্থনৈতিক সংকটে ভুগছে। পাকিস্তানের বৈদেশিক ঋণ এবং দায় ১৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা তার জিডিপির ৯৫ শতাংশ। মুদ্রাস্ফীতি প্রায় ৪৮ বছরের সর্বোচ্চ ২৭.৬ শতাংশতে পৌঁছেছে। ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে খাদ্যের দাম ৪২.৯ শতাংশের বেশি বেড়েছে। যা গত বছর ১২.8 শতাংশ ছিল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share