Tag: Financial fraud crackdown India

  • India: রেকর্ড গড়ল ইডি, গত অর্থবর্ষে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে সবচেয়ে বেশি সম্পত্তি, পরিমাণ জানেন?

    India: রেকর্ড গড়ল ইডি, গত অর্থবর্ষে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে সবচেয়ে বেশি সম্পত্তি, পরিমাণ জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেকর্ড গড়ল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি (ED)। গত অর্থবর্ষে আর্থিক তছরুপ রোধে আগের যে কোনও সময়ের তুলনায় সবচেয়ে বেশি পরিমাণ সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এই সংস্থা। সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী (India), ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে ইডি মোট ৮১ হাজার ৪২২ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে, যা সংস্থার ইতিহাসে সর্বোচ্চ। তবে এই একই সময়ে গ্রেফতারির সংখ্যা কমেছে উল্লেখযোগ্যভাবে।

    ইডির রেকর্ড (India)

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে দেশজুড়ে মোট ২ হাজার ৮৯২টি তল্লাশি অভিযান চালিয়েছে ইডি। এই সময়সীমায় গ্রেফতার করা হয়েছে মাত্র ১৫৬ জনকে। অথচ ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে গ্রেফতার করা হয়েছিল ২১৪ জনকে, ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে এই সংখ্যাটাই ছিল ২৭২।কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এই সংস্থার দাবি, এখন তারা ‘প্রমাণভিত্তিক ও লক্ষ্যভিত্তিক তদন্তে’র ওপর জোর দিচ্ছে। সেই কারণেই গ্রেফতারির সংখ্যা কমেছে, বেড়েছে তদন্তের কার্যকারিতা (ED)। জানা গিয়েছে, ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে ৭১২টি নির্দেশের ভিত্তিতে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে ৮১ হাজার ৪২২ কোটি টাকার সম্পত্তি। যা গত বছরের তুলনায় ১৭১ শতাংশ বেশি। ২০২৪-২৫ সালে বাজেয়াপ্ত হওয়া সম্পত্তির পরিমাণ ছিল ৩০ হাজার ৩৬ কোটি টাকা।

    ইডির দাবি

    প্রতারিতদের অর্থ ফেরত দেওয়ার ক্ষেত্রেও উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ করা হয়েছে বলে দাবি ইডির। ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে বিভিন্ন মামলায় প্রতারিতদের ফেরত দেওয়া হয়েছে ১৫ হাজার ৫৮২ কোটি টাকা। ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে এর পরিমাণ ছিল ৩২ হাজার কোটি টাকার কাছাকাছি (India)। ইডির প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়েছে, মামলা নিষ্পত্তির সময়ও আগের চেয়ে কমেছে ঢের বেশি। আগে যেখানে একটি মামলা শেষ হতে গড়ে ৩ থেকে ৪ বছর লাগত, এখন তা কমে দাঁড়িয়েছে ১ থেকে দেড় বছরে। ইডির দাবি, ২০২৫-২৬ সালে ৮১২টি চার্জশিট জমা দেওয়া হয়েছে। গত অর্থবর্ষে এর সংখ্যা ছিল ৪৫৭টি। ১ হাজার ৮০টি নতুন ইসিআইআর (ECIR) রুজু হয়েছে। ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে এর সংখ্যা ছিল ৭৭৫টি। তদন্তে শুধু তল্লাশি নয়, আর্থিক নথি, ডিজিটাল লেনদেন ও ক্রিপ্টোকারেন্সি সংক্রান্ত তথ্যও (ED) খতিয়ে দেখা হয়েছে (India)।

    যে কারণে ফের একবার চর্চায় ইডি

    আন্তর্জাতিক তদন্তের স্বার্থে বিভিন্ন দেশে লেটার্স রেগাটোরি এবং মিউচুয়াল লিগ্যাল অ্যাসিস্ট্যান্স ট্রিটি (Letters Rogatory ও Mutual Legal Assistance Treaty)-এর মাধ্যমে তথ্য চাওয়া হয়েছে। বর্তমানে ৩৫৩টি মামলার নিষ্পত্তি হয়নি। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৬৯টি মামলা ঝুলে রয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে। এদিকে, বিদেশি তদন্তকারী সংস্থাগুলির কাছ থেকে সবচেয়ে বেশি সহযোগিতার অনুরোধ এসেছে ব্রিটেন থেকে। সব মিলিয়ে, একদিকে ইডি যেমন বাজেয়াপ্ত করা সম্পত্তিতে রেকর্ড গড়েছে, তেমনি অন্যদিকে কমেছে গ্রেফতারির সংখ্যা (India)। তদন্ত পদ্ধতির এই পরিবর্তন ফের একবার চর্চায় নিয়ে এসেছে ইডিকে (ED)।

     

LinkedIn
Share