Tag: Fine

Fine

  • Vande Mataram: ‘বন্দে মাতরম’কে অপমান করলে হবে জেল-জরিমানা! সংসদে আসছে নয়া বিল

    Vande Mataram: ‘বন্দে মাতরম’কে অপমান করলে হবে জেল-জরিমানা! সংসদে আসছে নয়া বিল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাতীয় গান ‘বন্দে মাতরম’কে (Vande Mataram) জাতীয় সঙ্গীত ‘জন গণ মন’-এর সমান আইনি সুরক্ষা দেওয়ার পথে বড় পদক্ষেপ করতে চলেছে কেন্দ্রীয় সরকার। সংসদের আসন্ন বাদল অধিবেশনে একটি সংশোধনী বিল আনার প্রস্তুতি নিয়েছে কেন্দ্র, যার মাধ্যমে ইচ্ছাকৃতভাবে ‘বন্দে মাতরম’কে অপমান (Jail Law India Bill) করা বা গানটি গাওয়ার সময় ইচ্ছাকৃতভাবে বাধা সৃষ্টি করাকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হবে। প্রস্তাবিত আইনে দোষী সাব্যস্ত হলে সর্বোচ্চ তিন বছরের কারাদণ্ড, জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডেরই বিধান রাখা হয়েছে।

    ‘জাতীয় সম্মান অবমাননা প্রতিরোধ আইন, ১৯৭১’

    কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে, এই সংশোধনের মাধ্যমে ‘জাতীয় সম্মান অবমাননা প্রতিরোধ আইন, ১৯৭১’-এর আওতায় জাতীয় গান ‘বন্দে মাতরম’কে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। বর্তমানে এই আইনের অধীনে ভারতের জাতীয় পতাকা, সংবিধান এবং জাতীয় সঙ্গীত ‘জন গণ মন’কে ইচ্ছাকৃত অবমাননা বা অসম্মান থেকে আইনি সুরক্ষা দেওয়া হয়। একই সঙ্গে জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার সময় ইচ্ছাকৃতভাবে বাধা দেওয়া বা গান বন্ধ করে দেওয়াও এই আইনে দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হয়। নতুন সংশোধনী কার্যকর হলে একই ধরনের আইনি সুরক্ষা পাবে ‘বন্দে মাতরম’ও। জানা গিয়েছে, প্রস্তাবিত সংশোধনী বিলটি ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার অনুমোদন পেয়েছে। ২০ জুলাই শুরু হবে সংসদের বাদল অধিবেশন। তখনই বিলটি পেশ করা হতে পারে। বিলটি প্রথমে লোকসভা এবং পরে রাজ্যসভায় পাস হতে হবে। এরপর রাষ্ট্রপতির সম্মতি মিললেই তা আইনে পরিণত হবে এবং সংশোধিত বিধান কার্যকর হবে।

    বন্দে মাতরম’কে জাতীয় প্রতীকের সমান আইনি সুরক্ষা

    প্রস্তাবিত আইনে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, শুধুমাত্র ইচ্ছাকৃতভাবে ‘বন্দে মাতরম’কে অপমান করা বা গানটির পরিবেশন ব্যাহত করার ঘটনাকেই অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হবে। দুর্ঘটনাজনিত কোনও ভুল, অনিচ্ছাকৃত আচরণ বা প্রকৃত ভুলবশত ঘটে যাওয়া ঘটনার ক্ষেত্রে এই আইন প্রযোজ্য হবে না। অর্থাৎ, কারও বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হলে প্রমাণ করতে হবে যে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি সচেতনভাবে এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে জাতীয় গানকে অসম্মান করেছেন বা গান পরিবেশন বন্ধ করার চেষ্টা করেছেন (Jail Law India Bill)। কেন্দ্রের মতে, ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাসে ‘বন্দে মাতরমে’র গুরুত্ব অত্যন্ত গভীর। স্বাধীনতা সংগ্রামের বিভিন্ন পর্যায়ে এই গান অসংখ্য মানুষকে উদ্বুদ্ধ করেছে, প্রতিষ্ঠা পেয়েছে ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে সংগ্রামের প্রতীক হিসেবে। সেই ঐতিহাসিক গুরুত্বের কথা মাথায় রেখেই জাতীয় গানকে অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় প্রতীকের সমান আইনি মর্যাদা ও সুরক্ষা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে (Vande Mataram)।

    জাতীয় চেতনায় বিশেষ স্থান বন্দে মাতরমের

    সম্প্রতি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক জাতীয় সঙ্গীত, ‘বন্দে মাতরম’, বিভিন্ন রাজ্যের রাজ্য সঙ্গীত এবং ভিনদেশের জাতীয় সঙ্গীত সরকারি অনুষ্ঠানে কীভাবে পরিবেশন করা হবে, সেই বিষয়ে একটি নির্দেশিকা জারি করেছে। সরকারি অনুষ্ঠানে জাতীয় প্রতীকগুলির প্রতি সর্বত্র একই ধরনের সম্মান ও শৃঙ্খলা বজায় রাখাই ছিল ওই নির্দেশিকার মূল উদ্দেশ্য। তার কিছুদিনের মধ্যেই ‘বন্দে মাতরম’কে আইনি সুরক্ষার আওতায় আনার উদ্যোগ বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। ‘বন্দে মাতরম’ রচনা করেছিলেন বিশিষ্ট সাহিত্যিক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস ‘আনন্দমঠে’ প্রথম এই গান প্রকাশিত হয়। পরবর্তী কালে এটি ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম প্রধান প্রেরণার উৎস হয়ে ওঠে। স্বাধীনতা সংগ্রামীদের কণ্ঠে ‘বন্দে মাতরম’ ছিল দেশপ্রেম, আত্মত্যাগ এবং স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষার প্রতীক। সেই কারণেই গানটি আজও দেশের ইতিহাস ও জাতীয় চেতনায় বিশেষ স্থান অধিকার করে রয়েছে (Jail Law India Bill)। ভারতের জাতীয় সঙ্গীত ‘জন গণ মন’ হলেও, ‘বন্দে মাতরম’ (Vande Mataram) জাতীয় গান হিসেবে স্বীকৃত। বর্তমানে গানটির প্রথম দুটি স্তবকই সরকারিভাবে স্বীকৃত এবং বিভিন্ন সরকারি অনুষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও জনসমাবেশে এই অংশই সাধারণত গাওয়া হয়। নতুন সংশোধনী আইন কার্যকর হলে জাতীয় সঙ্গীতের মতো জাতীয় গানকেও আইনের মাধ্যমে সুরক্ষিত করা হবে।

    ‘বন্দে মাতরমে’র ঐতিহাসিক উত্তরাধিকারের দেড়শো বছর পূর্তি

    প্রস্তাবিত সংশোধনী এমন এক সময়ে আনা হচ্ছে, যখন ‘বন্দে মাতরমে’র ঐতিহাসিক উত্তরাধিকারের দেড়শো বছর পূর্তি পালন করা হচ্ছে। ফলে এই আইন কেবল প্রশাসনিক বা আইনি পদক্ষেপ হিসেবেই নয়, ঐতিহাসিক ও প্রতীকী দিক থেকেও বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে বলে মনে করছে কেন্দ্র। তবে বিলটি এখনও আইন হয়ে যায়নি। সংসদের উভয় কক্ষে তা নিয়ে আলোচনা হবে এবং প্রয়োজনীয় সংশোধনীর প্রস্তাবও উঠতে পারে। উভয় কক্ষের অনুমোদনের পর রাষ্ট্রপতির সম্মতি মিললেই সংশোধনী কার্যকর হবে। সেই পর্যন্ত এটি একটি প্রস্তাবিত আইন হিসেবেই বিবেচিত হবে। আইনটি কার্যকর হলে ‘জাতীয় সম্মান অবমাননা প্রতিরোধ আইন, ১৯৭১’-এর পরিধি আরও বিস্তৃত হবে। এর ফলে জাতীয় পতাকা, সংবিধান এবং জাতীয় সঙ্গীতের পাশাপাশি জাতীয় গান ‘বন্দে মাতরম’ও একই ধরনের আইনি সুরক্ষা পাবে। ইচ্ছাকৃতভাবে জাতীয় গানকে অপমান করা বা গান পরিবেশনে বাধা দিলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা দায়ের করা যাবে এবং আদালত দোষী সাব্যস্ত করলে সর্বোচ্চ তিন বছরের কারাদণ্ড, জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডই হতে পারে (Vande Mataram)।

    কী বলছে কেন্দ্র

    কেন্দ্র সরকারের দাবি, এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য জাতীয় প্রতীকগুলির প্রতি সম্মান বজায় রাখা এবং দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা ঐতিহাসিক ঐতিহ্যকে আরও (Jail Law India Bill) দৃঢ়ভাবে সংরক্ষণ করা। সংসদের বাদল অধিবেশনে এই গুরুত্বপূর্ণ সংশোধনী বিল নিয়ে কী আলোচনা ও সিদ্ধান্ত হয় (Vande Mataram), এখন তা-ই দেখার।

     

  • Calcutta High Court: মিথ্যা মাদক মামলা দেওয়ায় পুলিশকে ২ লক্ষ টাকা জরিমানার নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: মিথ্যা মাদক মামলা দেওয়ায় পুলিশকে ২ লক্ষ টাকা জরিমানার নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুলিশের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে মিথ্যা মামলায় মানুষকে ফাঁসিয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। মূলত দাবিমতো তোলার টাকা না পেলেই পুলিশ ওই রাস্তা অবলম্বন করে, এমন অভিযোগও প্রায়শই শোনা যায়। এই ধরনের অভিযোগ যে মিথ্যা নয়, তা প্রমাণ হয়ে গেল কলকাতা হাইকোর্টের একটি রায়ে। মঙ্গলবার বিচারপতি শম্পা সরকার এই ধরনের একটি অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশকে ২ লক্ষ টাকা জরিমানা করেছেন। জরিমানার টাকা কোন পুলিশ কর্মী দেবেন, সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের কমিশনারকে। হাইকোর্ট (Calcutta High Court) স্পষ্ট করে দিয়েছে, তদন্তে যদি দেখা যায় একাধিক পুলিশ কর্মী দোষী, তাহলে জরিমানার টাকা সকলকেই দিতে হবে। আরও উল্লেখযোগ্য নির্দেশ হল, এই টাকা দিতে হবে পুলিশ কর্মীদের ব্যক্তিগতভাবে।

    কোন অভিযোগের ভিত্তিতে এই নির্দেশ?

    এই ঘটনার সঙ্গেও স্বাভাবিকভাবে জড়িয়ে পড়েছে রাজনীতি। মামলা সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযোগকারী হলেন বিশাল শুক্লা। ঘটনাটি ২০২২ সালের ৯ ই মার্চের। ওইদিন বিশালকে তাঁর দোকান থেকে তুলে নিয়ে যায় টিটাগড় থানার পুলিশ এবং পরের দিন তাঁকে গ্রেফতার করা হয় মাদক মামলায়। বিশাল শুক্লা এলাকায় কংগ্রেস কর্মী হিসেবে পরিচিত এবং বিগত পুরসভা নির্বাচনে ২০ নম্বর ওয়ার্ডের কংগ্রেস প্রার্থী রাকেশ শুক্লার নির্বাচনী এজেন্ট ছিলেন তিনি। এই ঘটনায় কংগ্রেস গোড়া থেকেই অভিযোগ জানিয়ে আসছে, সম্পূর্ণ রাজনৈতিক স্বার্থে এবং বিশেষ উদ্দেশ্য নিয়েই পুলিশ বিশাল শুক্লাকে গ্রেফতার করেছে। তাঁকে ফাঁসিয়ে দিতে মাদকের মতো জঘন্য মামলা দিয়েছে। পুলিশ বিশালের বিরুদ্ধে যে এফআইআর করেছিল, সেটিও খারিজ করার জন্য আদালতে আবেদন জানানো হয়েছিল। হাইকোর্ট (Calcutta High Court) সংশ্লিষ্ট বেঞ্চে সেটি পাঠিয়ে দিয়েছে। 

    বারবার এমন ঘটনা কেন?

    এই নির্দেশের কথা প্রকাশ্যে আসতেই বিরোধীরা সরকারকে কড়া ভাষায় আক্রমণে নেমেছে। মামলাকারী কংগ্রেস কর্মীর আইনজীবী কৌস্তুভ বাগচির কথায় ফিরে এসেছে তাঁকে পুলিশের মাঝ রাতে তুলে নিয়ে যাওয়ার ঘটনা। তার তীব্র কটাক্ষ, বিরোধীদের কথা বলা বন্ধ করতে সরকার হাতিয়ার করছে পুলিশকেই। অনেকেরই মনে পড়ে যাচ্ছে অনুব্রত মণ্ডলের সেই ভাইরাল ভিডিওর কথা, যেখানে তিনি পুলিশকে গাঁজা কেস দেওয়ার নিদান দিচ্ছেন। কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) এদিনের নির্দেশের পর পরিস্থিতি কি আদৌ বদলাবে? প্রশ্নটা থেকেই যাচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Air India Pee-Gate: প্রস্রাবকাণ্ডের জের, এয়ার ইন্ডিয়াকে ৩০ লক্ষ জরিমানা, সাসপেন্ড পাইলটও

    Air India Pee-Gate: প্রস্রাবকাণ্ডের জের, এয়ার ইন্ডিয়াকে ৩০ লক্ষ জরিমানা, সাসপেন্ড পাইলটও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কিছুদিন আগেই মাঝ আকাশে সহযাত্রীর গায়ে প্রস্রাব (Air India Pee-Gate) করার অভিযোগ ওঠে এয়ার ইন্ডিয়ার এক যাত্রীর বিরুদ্ধে! অভিযোগ সামনে আসার পরও অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ নেয়নি এয়ার ইন্ডিয়া। বিমান সংস্থাটির বিরুদ্ধে অভিযোগ, উল্টে পুরো বিষয়টিকে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছে তারা। এবার সেই অভিযোগের ভিত্তিতে এয়ার ইন্ডিয়াকে ৩০ লক্ষ টাকা জরিমানা করল ডিরেক্টরেট জেরানেল অফ সিভিল অ্যাভিয়েশন। এয়ার ক্রাফ্টের ১৪১ নম্বর আইন লঙ্ঘনের অপরাধে ওই উড়ানের পাইলটের লাইসেন্সও তিন মাসের জন্যে সাসপেন্ড করা হয়েছে। পাশাপাশি ওই উড়ানের বাকি কর্মীদের ডিরেক্টরকে সঠিকভাবে কাজ না করার অভিযোগে ৩ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। 

     


    অভিযোগ? 

    ২৬ নভেম্বর নিউ ইয়র্ক থেকে দিল্লিগামী এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানে শঙ্কর মিশ্র মত্ত অবস্থায় তাঁর সামনে যৌনাঙ্গ (Air India Pee-Gate) প্রদর্শন করেন ও তাঁর গায়ে প্রস্রাব করেন বলে অভিযোগ করেন ৭০ বছর বয়সি এক মহিলা। টাটা গ্রুপের চেয়ারম্যান এন চন্দ্রশেখরনকে সরাসরি চিঠিও লেখেন তিনি। সেই চিঠিতেই গোটা ঘটনা বর্ণনা করেন অভিযোগকারিণী। সেই চিঠি প্রকাশ পাওয়ার পরই শুরু হয় বিতর্ক। 

    সত্তরের কোঠায় বয়স ওই মহিলার। এয়ার ইন্ডিয়ার নিউইয়র্ক (Air India Pee-Gate) থেকে দিল্লিগামী বিমানের বিজনেস ক্লাসের টিকিট কেটেছিলেন তিনি। কিন্তু এই বিলাসবহুল যাত্রাপথেও তাঁর সঙ্গে এমন ভয়ঙ্কর ঘটনা ঘটে গিয়েছে এখনও যেন বিশ্বাস করতে পারছেন না তিনি। বিমান সংস্থার বিরুদ্ধে ওই মহিলার অভিযোগ, এমন ভয়াবহ অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হওয়ার পর পরই তিনি বিষয়টি বিমানকর্মীদেরও জানিয়েছিলেন। কিন্তু, তাঁরা তাঁর পরনের কাপড়ের বদলে একটি পোশাক সরবরাহ করেই দায় সেরে নেন। এমনকি, সহযাত্রীর মূত্রে ভেজা আসনের উপরে একটি কাপড় বিছিয়ে সেখানেই বৃদ্ধাকে বসতে অনুরোধ করেন। বিমান সংস্থার তরফে তাঁকে জানানো হয়, তাঁকে অতিরিক্ত আসন দেওয়া পরিস্থিতি নেই গোটা বিমানে। আদালতে শঙ্করের আইনজীবী দাবি করেছিলেন, যৌন উদ্দেশ্য নিয়ে বিমানে প্যান্ট খোলেননি শঙ্কর। বরং মত্ত অবস্থায় তাঁর মক্কেলের কোনও হুঁশ ছিল না।

    আরও পড়ুন: এবার জানা যাবে জ্ঞানবাপীর ‘শিবলিঙ্গের’ বয়স? পুরাতত্ত্ববিদদের আট সপ্তাহ সময় আদালতের 

    বিজনেস ক্লাসে ভ্রমণ করেও এমন অভব্য আচরণ করেন, কে এই ব্যক্তি? ব্যক্তির পরিচয় জানলে চমকে উঠবেন। তিনি যে সে লোক নন। নাম শঙ্কর মিশ্র (Air India Pee-Gate)। তিনি একটি বহুজাতিক সংস্থার উচ্চপদে কর্মরত। ওই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে দিল্লি পুলিশ। তিনি মুম্বাইয়ের বাসিন্দা। এর আগে শঙ্করকে ৩০ দিনের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছিল বিমান যাত্রায়। পরবর্তীতে নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে এয়ার ইন্ডিয়া কর্তৃপক্ষ। এছাড়া এই ঘটনার জেরেই চাকরি খুইয়েছেন ওই ব্যক্তি। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • DGCA Fines Air India: যাত্রী হেনস্থা, এয়ার ইন্ডিয়াকে ১০ লক্ষ টাকা জরিমানা ডিজিসিএ-র

    DGCA Fines Air India: যাত্রী হেনস্থা, এয়ার ইন্ডিয়াকে ১০ লক্ষ টাকা জরিমানা ডিজিসিএ-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১০ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হল এয়ার ইন্ডিয়াকে (Air India)। বৈধ টিকিট থাকা সত্ত্বেও বিমানে উঠতে না দেওয়ার অভিযোগ তুলেছিলেন এক যাত্রী। তার জেরেই এই শাস্তি। পরবর্তীতে এই বিমানসংস্থার বিরুদ্ধে একই অভিযোগ তুলেছেন একাধিক যাত্রী। তাঁদের দাবি, বৈধ  টিকিটসহ নির্দিষ্ট সময়ে বিমানবন্দরে চেক-ইন করার পরেও তাঁরা বিমানে ওঠার অনুমতি পাননি। অভিযোগ পাওয়ার পরই তদন্তের নির্দেশ দেয় ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ সিভিল অ্যাভিয়েশন (DGCA)। অভিযোগ সত্যি প্রমাণিত হলে বেঙ্গালুরু, হায়দ্রাবাদ এবং দিল্লিতে লাগাতার নজরদারি চালানো হয়। তারপরই এয়ার ইন্ডিয়ার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেয় ডিজিসিএ।    

    আরও পড়ুন: বিমানে মাস্ক বাধ্যতামূলক, কেমন মাস্ক উড়ানে আদর্শ?

    একটি বিজ্ঞপ্তিতে ডিজিসিএ জানায়, তদন্তের পর এয়ার ইন্ডিয়াকে ১০ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একই সঙ্গে দ্রুত সমস্যার সমাধান করে নিয়মাবলি মেনে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্দেশ অমান্য করলে আগামী দিনে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে সেকথাও জানিয়েছে ডিজিসিএ। কিছুদিন আগেই নিয়ম পালন না করার জন্য এয়ার ইন্ডিয়াকে শোকজ নোটিস ধরিয়েছিল ডিজিসিএ। জানা যায়, বিমানসংস্থাটি নির্দিষ্ট কোনও নির্দেশিকা অনুসরণ করে চলে না। এমনকী ভোগান্তির শিকার হওয়া যাত্রীদের কোনও ক্ষতিপূরণও দেওয়া হয় না।    

      আরও পড়ুন: অ্যালকোহল পরীক্ষায় ফেল! সাসপেন্ড একাধিক এয়ারলাইন্সের ৯ পাইলট ও ৩২ ক্রু 
     
    [tw]


    [/tw]

    ডিজিসিএ-র নতুন গাইডলাইন অনুযায়ী, বৈধ টিকিট থাকা সত্ত্বেও যদি কোনও সংস্থা যাত্রীকে বিমানে ওঠার অনুমতি না দেয়, তাহলে হয় সংস্থাটিই অন্য বিমানে ওঠার ব্যবস্থা করে দেবে সেই যাত্রীকে বা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অন্য ফ্লাইটের ব্যবস্থা করতে পারলে যাত্রীকে ১০ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে বিমানসংস্থাকে। ২৪ ঘণ্টা অতিক্রম করে গেলে ক্ষতিপূরণের অঙ্ক ২০ হাজার অবধি পৌঁছতে পারে।  সঙ্গে সঙ্গে অন্য ফ্লাইটের ব্যবস্থা করলে সেক্ষেত্রে যাত্রীরা কোনও ক্ষতিপূরণ পাবেন না। 

      

LinkedIn
Share