Tag: FIR

FIR

  • PM Modi: প্রধানমন্ত্রীর বিকৃত এআই ভিডিও ঘিরে মামলা, মেটার ভারতীয় প্রধান অরুণ শ্রীনিবাসের নামে এফআইআর

    PM Modi: প্রধানমন্ত্রীর বিকৃত এআই ভিডিও ঘিরে মামলা, মেটার ভারতীয় প্রধান অরুণ শ্রীনিবাসের নামে এফআইআর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা)-এর সাহায্যে তৈরি করা হয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) বিকৃত ভিডিও।ফেসবুক এবং ইনস্টাগ্রামে সেই ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে মেটার ভারতীয় প্রধান অরুণ শ্রীনিবাস-সহ একাধিক সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীর (Meta) বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে হায়দরাবাদ সাইবার অপরাধ পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ভিডিওগুলির উৎস কোথায়, কারা সেগুলি তৈরি করেছে এবং কীভাবে সেগুলি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে—সব দিকই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে, মেটার নিজস্ব নজরদারি ও বিষয়বস্তু নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ওই ভিডিওগুলির প্রচার ঠেকাতে কতটা কার্যকর ছিল, তা-ও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।ঘটনাটি এমন একটি সময়ে সামনে এসেছে, যখন প্রধানমন্ত্রীর একটি ফেসবুক পোস্ট সাময়িকভাবে ব্লকড হয়ে যাওয়ার পৃথক ঘটনায় কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে মেটার টানাপোড়েন চলছে। ওই পোস্ট পরে ফের দেখা যায়। মেটা ঘটনাটিকে প্রযুক্তিগত ত্রুটির ফল বলে ব্যাখ্যা করলেও, কেন্দ্র সেই ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট নয়, এবং সংস্থার শীর্ষ কর্তাদের কাছে বিস্তারিত ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে।

    কে এই অরুণ শ্রীনিবাস? (PM Modi)

    অরুণ শ্রীনিবাস বর্তমানে ভারতে মেটার পরিচালক এবং প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ২০২৫ সালের ১ জুলাই তিনি এই দায়িত্ব নেন। তার আগে তিনি ভারতে মেটার বিজ্ঞাপন ব্যবসার পরিচালক ও প্রধান ছিলেন। মেটার পক্ষ থেকেই ২০২৫ সালের জুনে তাঁর নিয়োগের কথা ঘোষণা করা হয়েছিল। মেটায় যোগ দেওয়ার আগে শ্রীনিবাস হিন্দুস্তান ইউনিলিভার, রিবক এবং ওলার মতো প্রতিষ্ঠানে কাজ করেছেন (PM Modi)। মেটার সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক শুরু হয় ২০২০ সালে। প্রথমে তিনি ভারতে সংস্থাটির গ্লোবাল বিজনেস গ্রুপের দায়িত্বে ছিলেন। ২০২২ সালে তাঁকে ভারতে বিজ্ঞাপন ব্যবসার পরিচালক ও প্রধান করা হয়। নতুন দায়িত্বে তিনি ভারতে মেটার ব্যবসা, উদ্ভাবন ও আয়সংক্রান্ত অগ্রাধিকারগুলিকে একসঙ্গে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব পান। কলকাতার ভারতীয় ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠান থেকে বিপণনে স্নাতকোত্তর ডিপ্লোমা করেছেন শ্রীনিবাস। তার আগে মাদ্রাজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পদার্থবিদ্যায় স্নাতক হন। প্রায় তিন দশকের বিক্রয় ও বিপণন-অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর।

    কেন মামলা দায়ের?

    পুলিশ সূত্রে খবর, ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে এআই ব্যবহার করে প্রধানমন্ত্রীর বিকৃত ভিডিও তৈরি করে ছড়িয়ে দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করেই এফআইআর দায়ের হয়েছে। এই দুই সোশ্যাল মিডিয়াই মেটার মালিকানাধীন। তদন্তকারীরা প্রথমে জানতে চাইছেন, ভিডিওগুলি কোথা থেকে তৈরি বা প্রকাশিত হয়েছিল এবং পরে কীভাবে সেগুলি আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে গিয়েছিল। শুধু ভিডিও নির্মাতাদের ভূমিকা নয়, যারা ওই ভিডিও আপলোড, ফের প্রকাশ বা ছড়িয়ে দিয়েছেন, তাঁদের ভূমিকাও তদন্ত করা হচ্ছে। একই সঙ্গে মেটার নিজস্ব বিষয়বস্তু নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ওই ধরনের বিকৃত ভিডিও শনাক্ত করে দ্রুত সরাতে পেরেছিল কি না, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। তদন্ত এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। ফলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে—এমন কোনও সিদ্ধান্তে পুলিশ এখনও পৌঁছয়নি। ভারতীয় ন্যায় সংহিতা এবং তথ্যপ্রযুক্তি আইনের সম্ভাব্য লঙ্ঘনের বিষয়ও তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন (Meta)।

    মেটা কী বলেছে?

    এফআইআর নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের সময় পর্যন্ত মেটার পক্ষ থেকে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করা হয়নি। তবে সূত্রের খবর, মেটার এক প্রতিনিধি তদন্তকারীদের সামনে হাজির হয়ে সংস্থার বিষয়বস্তু নিয়ন্ত্রণ এবং আইন মেনে চলার বিষয়টি সম্পর্কে তাঁদের অবহিত করেছেন।হায়দরাবাদ সাইবার অপরাধ পুলিশের পক্ষ থেকে মেটার প্রতিনিধিদের ডেকে এআই ব্যবহার করে তৈরি প্রতারণামূলক বিষয়বস্তু, ভুয়ো বিজ্ঞাপন এবং অন্যান্য বিকৃত বিষয়বস্তু শনাক্ত ও সরানোর পদ্ধতি সম্পর্কে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছিল বলেও দাবি সূত্রের। তার কয়েক দিনের মধ্যেই এই এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।

    প্রধানমন্ত্রীর পোস্ট নিয়ে আলাদা চাপের মুখে মেটা

    শ্রীনিবাসের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া এফআইআরটি প্রধানমন্ত্রীর একটি ফেসবুক পোস্ট সাময়িকভাবে ব্লকড হওয়ার ঘটনার থেকে আলাদা। তবে দু’টি ঘটনাই মেটার বিষয়বস্তু নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রীর একটি ভিডিও পোস্ট ফেসবুকে সাময়িকভাবে সীমিত হয়ে যায়। ভিডিওটিতে তরুণ প্রজন্মের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য ছিল। পরে সেটি পুনরুদ্ধার করা হয়। মেটার তরফে ঘটনাটিকে এআই-নির্ভর বিষয়বস্তু নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার প্রযুক্তিগত ত্রুটি হিসেবে ব্যাখ্যা করা হয় এবং দুঃখপ্রকাশ করা হয় সংস্থার তরফে। কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকার ওই ব্যাখ্যাকে যথেষ্ট বলে মনে করেনি। তথ্যপ্রযুক্তি সচিব এস কৃষ্ণণ বলেন, “তারা ক্ষমা চেয়েছে এবং স্বীকার করেছে যে যা ঘটেছে তা ভুল ছিল—এটি ভালো। কিন্তু আমরা ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট নই… এটি যথেষ্ট নয় এবং আমরা আরও বিস্তারিত তথ্য চাইছি (PM Modi)।” এর পরেই মেটার শীর্ষ কর্তাদের কাছে বিষয়টি নিয়ে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়। ফলে একদিকে প্রধানমন্ত্রীর পোস্ট  সাময়িকভাবে ব্লকড হওয়ার ঘটনা, অন্যদিকে তাঁর কৃত্রিমভাবে তৈরি বিকৃত ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার অভিযোগ—দু’টি ঘটনাই ভারতে মেটার বিষয়বস্তু নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাকে কেন্দ্র করে নতুন বিতর্ক তৈরি করেছে।

    সোশ্যাল মিডিয়া নিয়ে কেন বাড়ছে নজরদারি?

    ভারতে বড় সোশ্যাল মিডিয়া ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলির ওপর সরকারি নজরদারি সম্প্রতি আরও বেড়েছে। এআই দিয়ে তৈরি ভুয়ো ভিডিও, প্রতারণামূলক বিজ্ঞাপন, পরিচয় জাল করা এবং বিভ্রান্তিকর তথ্যের দ্রুত বিস্তার নিয়ে সরকারের উদ্বেগ ক্রমশ বাড়ছে। এর পাশাপাশি, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের বিষয়বস্তু নিয়ন্ত্রণ এবং ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তা নিয়েও বিভিন্ন সরকারি সংস্থা সক্রিয় হয়েছে। ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপ-সহ বড় প্ল্যাটফর্মগুলির ক্ষেত্রে প্রশ্ন উঠছে—কোন বিষয়বস্তু দ্রুত শনাক্ত করা হবে, কোনটি সরানো হবে এবং রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের বিষয়বস্তু নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে (Meta)। এমন পরিস্থিতিতে শ্রীনিবাসের বিরুদ্ধে এফআইআর শুধু একটি নির্দিষ্ট ভিডিওকে ঘিরে তদন্ত নয়, বরং সোশ্যাল মিডিয়া -নির্ভর বিকৃত বিষয়বস্তুর দায় কার—সেই বৃহত্তর প্রশ্নও সামনে নিয়ে এসেছে।

    ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের দায় কতটা?

    এআইয়ের সাহায্যে তৈরি ভিডিও এখন আগের তুলনায় অনেক বেশি বাস্তবসম্মত হওয়ায় সাধারণ ইউজারদের পক্ষে আসল ও নকল ভিডিও আলাদা করা কঠিন হয়ে উঠেছে। ফলে কোনও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি বা রাজনৈতিক নেতার বক্তব্যের নামে বিকৃত ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে তা জনমতকে প্রভাবিত করতে পারে। এই কারণেই তদন্তে শুধু ভিডিওটি কে তৈরি করেছে, তা জানাই যথেষ্ট নয়। সেটি কোন মাধ্যমে প্রথম ছড়াল, কত দ্রুত ছড়াল, কারা তা ফের প্রকাশ করল এবং সংশ্লিষ্ট প্ল্যাটফর্ম সেটি শনাক্ত করতে বা সরাতে কী পদক্ষেপ নিয়েছিল—এসব প্রশ্নও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। হায়দরাবাদ পুলিশের বর্তমান তদন্ত সেই বৃহত্তর প্রশ্নগুলিই সামনে নিয়ে আসছে। তবে তদন্ত যেহেতু এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে, তাই শ্রীনিবাস বা অন্য অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অভিযোগের চূড়ান্ত সত্যতা সম্পর্কে এখনই কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছনো সম্ভব নয়। সব মিলিয়ে, প্রধানমন্ত্রীর কৃত্রিমভাবে তৈরি ভিডিওকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া এই মামলা ভারতে এআই-নির্ভর ভুয়ো বিষয়বস্তু এবং সোশ্যাল মিডিয়ার দায়িত্ব নিয়ে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। একই সময়ে প্রধানমন্ত্রীর নিজস্ব পোস্ট সাময়িকভাবে ব্লকড হওয়ার ঘটনা নিয়ে কেন্দ্র ও মেটার মধ্যে যে ব্যাখ্যা-পর্ব চলছে, তার সঙ্গে এই (Meta) নতুন তদন্ত যুক্ত হওয়ায় ভারতের ডিজিটাল পরিসরে প্ল্যাটফর্মগুলির দায়বদ্ধতা ও বিষয়বস্তু নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা আরও কঠোর নজরদারির মুখে পড়তে পারে বলেই ধারণা বিশেষজ্ঞদের (PM Modi)।

  • PM Modi: ‘আরশোলা’ পার্টির বিক্ষোভে প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তি করে পোস্ট, সোশ্যাল মিডিয়া কর্তৃপক্ষের কাছে তথ্য চাইল দিল্লি পুলিশ

    PM Modi: ‘আরশোলা’ পার্টির বিক্ষোভে প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তি করে পোস্ট, সোশ্যাল মিডিয়া কর্তৃপক্ষের কাছে তথ্য চাইল দিল্লি পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-র বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) এবং নিরাপত্তা বাহিনীকে লক্ষ্য করে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া (Derogatory Posts) আপত্তিকর ও অবমাননাকর পোস্টের ঘটনায় এফআইআর দায়ের করেছে দিল্লি পুলিশ। সরকারি অভিযোগে বলা হয়েছে, দেশের একটি সাংবিধানিক পদাধিকারীকে উদ্দেশ্য করে “অপমানজনক, বিদ্বেষমূলক এবং মানহানিকর” বিষয়বস্তু সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

    বিভিন্ন অ্যাকাউন্টের পরিচয় জানাও (PM Modi)

    এই ঘটনার তদন্তে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্সকে সংশ্লিষ্ট পোস্টগুলি আপলোড করা অ্যাকাউন্টগুলির পরিচয় জানাতে এবং দ্রুত ছবি ও ভিডিওগুলি সরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে দিল্লি পুলিশ। পাশাপাশি, যেসব এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে আপত্তিকর পোস্ট করা হয়েছে, সেগুলির পুরো নাম, ঠিকানা, ফোন নম্বর এবং ই-মেল আইডি-সহ বিস্তারিত তথ্যও চেয়েছে পুলিশ। এছাড়াও, সংশ্লিষ্ট অ্যাকাউন্টগুলির লগ-ইন ও লগ-আউট সংক্রান্ত তথ্য, তারিখ ও সময়ের বিবরণ এবং তদন্তে সহায়ক হতে পারে এমন অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্য জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে, ভারতীয় সাক্ষ্য অধিনিয়মের ৬৩(৪) ধারার অধীনে একটি শংসাপত্র জমা দিতে এবং ভবিষ্যৎ তদন্তের স্বার্থে সংশ্লিষ্ট পোস্ট এবং ভিডিওগুলির সমস্ত তথ্য সংরক্ষণ করতেও এক্স-কে নির্দেশ দিয়েছে পুলিশ। উল্লেখ্য, গত ২৭ জুলাই যন্তর মন্তরে অনুষ্ঠিত সিজেপির বিক্ষোভ এবং চলো সংসদ কর্মসূচিকে ঘিরে সংঘটিত অশান্তির সময় প্রকাশিত একাধিক ভিডিও ও পোস্ট সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেন কর্তৃপক্ষ। অভিযোগ, ওই পোস্টগুলিতে প্রধানমন্ত্রী মোদিকে উদ্দেশ্য করে অবমাননাকর ও আপত্তিকর মন্তব্য করা হয়েছিল।

    সোশ্যাল মিডিয়া নজরদারি

    দিল্লি পুলিশের দাবি, বিক্ষোভ ও অশান্তির সময় বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে লক্ষ্য করে অশালীন ভাষায় একাধিক বার্তা ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, তাদের সোশ্যাল মিডিয়া নজরদারি দল নিয়মিতভাবে বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে নজরদারি চালাচ্ছে। কোথাও আপত্তিকর বা উসকানিমূলক বিষয়বস্তু নজরে এলেই সংশ্লিষ্ট সোশ্যাল মিডিয়া সংস্থাকে তা সরিয়ে নিতে বলে নোটিশ পাঠানো হচ্ছে।পুলিশের দাবি, ইতিমধ্যেই নোটিশ পাঠানোর পর প্রধানমন্ত্রীকে লক্ষ্য করে করা একাধিক অশালীন মন্তব্য ও ভিডিও সরিয়ে ফেলা হয়েছে। সাইবার শাখা এবং সোশ্যাল মিডিয়া নজরদারি দল বিক্ষোভ সংক্রান্ত সমস্ত অনলাইন কার্যকলাপের ওপর নজর রাখছে (PM Modi), যাতে কোনও উসকানিমূলক বা আইনভঙ্গকারী বিষয়বস্তু দ্রুত চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া যায়। এর আগে দিল্লি পুলিশের দাবি ছিল, পাকিস্তানের সঙ্গে যুক্ত ৪০০-রও বেশি সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট চিহ্নিত করা হয়েছে, যেগুলি (Derogatory Posts) সিজেপির বিক্ষোভকে সমর্থন করে ভুয়ো তথ্য, ডিপফেক ভিডিও এবং বিভ্রান্তিকর প্রচার চালাচ্ছিল (PM Modi)।

     

  • Sreelekha Mitra: প্রধানমন্ত্রীর ছবি বিকৃতির অভিযোগে আইনি জটিলতা বাড়ল শ্রীলেখার, অভিযোগ দায়ের আরও তিন থানায়

    Sreelekha Mitra: প্রধানমন্ত্রীর ছবি বিকৃতির অভিযোগে আইনি জটিলতা বাড়ল শ্রীলেখার, অভিযোগ দায়ের আরও তিন থানায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিট-ইউজি প্রশ্নফাঁসের (NEET Protest) প্রতিবাদে কলকাতার মিছিলে প্রধানমন্ত্রীর বিকৃত ছবি-সম্বলিত পোস্টার প্রদর্শনের অভিযোগে অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্রের (Sreelekha Mitra) বিরুদ্ধে আইনি জটিলতা আরও বাড়ল। বিধাননগর সাইবার থানা ও আনন্দপুর থানার পর সোমবার আরও তিন থানায় তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছে। পুরুলিয়া সদর থানা, মুর্শিদাবাদের বহরমপুর এবং মেদিনীপুরের কোতোয়ালি থানায় অভিযোগ জমা পড়েছে। অভিযোগ দায়ের হয়েছে ঠাকুরপুকুর থানায়ও।

    একের পর এক থানায় দায়ের এফআইআর (Sreelekha Mitra)

    পুরুলিয়া সদর থানায় জেলা বিজেপির পক্ষ থেকে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। মুর্শিদাবাদের বহরমপুরে বিজেপির সাংগঠনিক জেলার নেতারাও লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন। এর আগে রবিবার আনন্দপুর ও বিধাননগর সাইবার থানায় অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছিলেন বিজেপি নেত্রী কেয়া ঘোষ। তিনি জানিয়েছিলেন, প্রয়োজনে এই ঘটনায় আদালতেরও দ্বারস্থ হবেন। মুখ্যমন্ত্রীর “জিরো টলারেন্স” নীতির প্রসঙ্গ টেনে কেয়া বলেন, “দরকার হলে অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে আদালতে যাব।” শুক্রবার কলকাতায় নিট-ইউজি পরীক্ষার প্রশ্নপত্রফাঁসকাণ্ডের প্রতিবাদে আয়োজিত ছাত্রছাত্রীদের মিছিলে অংশ নিয়েছিলেন শ্রীলেখা। অভিযোগ, সেই মিছিলে তাঁর হাতে থাকা একটি পোস্টারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির একাধিক কুরুচিকর ছবি ব্যবহার করা হয়েছিল। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই রাজনৈতিক বিতর্কের সূত্রপাত হয় এবং একের পর এক থানায় অভিযোগ দায়ের হতে শুরু করে।

    শ্রীলেখার বক্তব্য

    যদিও যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছেন শ্রীলেখা। অভিযোগ দায়ের হওয়ার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ করা একটি ভিডিও বার্তায় তিনি দাবি করেন, পুরো বিষয়টি ভুল বোঝাবুঝির ফল। তাঁর কথায়, “রাজনৈতিকভাবে আমি বিজেপির বিরোধিতা করলেও, প্রধানমন্ত্রীর ছবি বিকৃত করার অভিযোগ ঠিক নয়।” অভিনেত্রীর দাবি, তিনি সেদিন শুধুমাত্র ছাত্রছাত্রীদের আন্দোলনে সংহতি জানাতে গিয়েছিলেন (Sreelekha Mitra)। ভিড়ের মধ্যে তাড়াহুড়োয় একটি পোস্টার হাতে তুলে নিতে হয়েছিল। তিনি আরও জানান, সেদিন চশমা সঙ্গে নিতে ভুলে গিয়েছিলেন। তাঁর কাছে শুধু সানগ্লাস ছিল। তাই পোস্টারে কী লেখা বা কী ছবি ছিল, তা ঠিকঠাক দেখতে পারেননি। শ্রীলেখাকে ঘিরে বিতর্ক এই প্রথম নয়। অতীতেও সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভিন্ন রাজনৈতিক মন্তব্যকে কেন্দ্র করে তিনি চর্চায় এসেছেন। তবে (NEET Protest) বর্তমান ঘটনায় একাধিক জেলায় অভিযোগ দায়ের হওয়ায় তাঁর বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া কোন দিকে এগোয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের (Sreelekha Mitra)।

     

  • JP Nadda: পরীক্ষাব্যবস্থা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন প্রত্যাহার ককরোচ জনতা পার্টির, দাবি মেনে নেওয়ার আশ্বাস কেন্দ্রের

    JP Nadda: পরীক্ষাব্যবস্থা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন প্রত্যাহার ককরোচ জনতা পার্টির, দাবি মেনে নেওয়ার আশ্বাস কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষা পরীক্ষাব্যবস্থার সংস্কার-সহ বিভিন্ন দাবিতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) সঙ্গে বৈঠকের পর কেন্দ্রীয় সরকার তাদের দাবিগুলি নীতিগতভাবে বিবেচনা ও গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডা (JP Nadda)। শনিবার সংবিধান ক্লাবে সাংবাদিক বৈঠকে তিনি জানান (CJP), পরীক্ষা সংস্কার সংক্রান্ত সংগঠনের পাঁচ দফা দাবিপত্র সরকার গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখবে এবং প্রতিনিধিদের সঙ্গে আরও আলোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করবে।

    সরকার সহানুভূতিশীল (JP Nadda)

    নাড্ডা বলেন, “আপনারা যে পাঁচ দফা দাবিপত্র আমাকে দিয়েছেন, তা শিক্ষা পরীক্ষাব্যবস্থার সংস্কার সংক্রান্ত। এই প্রস্তাবগুলি আমরা গভীরভাবে বিবেচনা করব এবং আপনাদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করে যতটা সম্ভব তা বাস্তবায়নের চেষ্টা করব। সরকার আপনাদের সমস্ত দাবির প্রতি সহানুভূতিশীল মনোভাব দেখিয়েছে এবং সেগুলি গ্রহণ করেছে।” আন্দোলনের সময় দায়ের হওয়া মামলাগুলি নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়েছে বলে জানান তিনি। নাড্ডা বলেন, “আন্দোলনকারীদের সংশ্লিষ্ট এফআইআরগুলির অনুলিপি দেওয়া হবে এবং তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও প্রতিহিংসামূলক পদক্ষেপ নেওয়া হবে না।” ক্ষতিপূরণের দাবি প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় এই মন্ত্রী বলেন, “সরকার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির প্রতি সহানুভূতিশীল। প্রচলিত নিয়ম ও বিধি অনুযায়ী তাঁদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে এবং যতটা সম্ভব সর্বোচ্চ সহায়তা দেওয়ার চেষ্টা করা হবে।”

    সরকারের আশ্বাস

    তিনি এও বলেন, “আজ দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে। আন্দোলন চলাকালীন দায়ের হওয়া মামলাগুলি নিয়ে তারা লিখিতভাবে চার দফা প্রস্তাব দিয়েছে। পাশাপাশি আরও দুটি বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে—কোনও প্রতিহিংসামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে এবং তাদের পাঁচ দফা দাবিপত্র বিবেচনা করা হবে। আমরা এফআইআরের অনুলিপি দেব এবং কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হবে না। ক্ষতিপূরণের বিষয়েও সরকার স্পষ্ট করেছে যে আমরা সহানুভূতিশীল এবং নিয়ম অনুযায়ী তাদের সর্বোচ্চ সম্ভব ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে (JP Nadda)।” বৈঠক শেষে ককরোচ জনতা পার্টি জানিয়েছে, সরকারের আশ্বাসের ভিত্তিতে “সদিচ্ছার সঙ্গে” তারা যন্তর মন্তরে চলা টানা ৩৭ দিনের আন্দোলন প্রত্যাহার করছে। সংগঠনের প্রধান মুখপাত্র সৌরভ দাস বলেন, “ককরোচ জনতা পার্টি সদিচ্ছার সঙ্গে আন্দোলন প্রত্যাহারের কথা ঘোষণা করছে। সরকারের সঙ্গে যে বিষয়গুলিতে ঐকমত্য হয়েছে, নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে সেগুলি কার্যকর হবে—এই বিশ্বাস থেকেই আমরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”

    মৃতদের পরিবারকেও উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ

    সংগঠনের দাবি, কেন্দ্রীয় সরকার নিট পরীক্ষার্থীদের আত্মহত্যায় মৃতদের পরিবারকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দিতে সম্মত হয়েছে। পাশাপাশি, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া এফআইআর প্রত্যাহারেরও আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। সিজেপি সরকারকে পাঁচ দফা দাবিপত্র দিয়েছে। চার সপ্তাহ পর উভয় পক্ষের মধ্যে পরবর্তী দফার বৈঠক হবে বলেও জানানো হয়েছে। উল্লেখ্য, পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগে টানা বিক্ষোভের জেরে সম্প্রতি কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেন। পরীক্ষাব্যবস্থায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং (CJP) সংস্কারের দাবিতে ছাত্রদের আন্দোলন ক্রমশ জোরদার হওয়ার পর তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন। প্রধানের (JP Nadda) দাবি, ছাত্রদের স্বার্থে এবং চলমান আন্দোলনকে “দেশবিরোধী শক্তি” যেন কাজে লাগাতে না পারে, সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।

     

  • Sebashray Scam: সেবাশ্রয়-কাণ্ডে আরও বড় বিপাকে অভিষেক, নতুন মামলা দায়ের, বিধানসভায় ‘চিটিংবাজ ভাইপো’ কটাক্ষ শুভেন্দুর

    Sebashray Scam: সেবাশ্রয়-কাণ্ডে আরও বড় বিপাকে অভিষেক, নতুন মামলা দায়ের, বিধানসভায় ‘চিটিংবাজ ভাইপো’ কটাক্ষ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সেবাশ্রয় স্বাস্থ্যশিবিরকে কেন্দ্র করে দুর্নীতির (Sebashray Scam) অভিযোগে ফের তীব্র রাজনৈতিক চাপের মুখে তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক তথা ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার বিধানসভায় সেবাশ্রয় প্রকল্প নিয়ে বিবৃতি দিতে গিয়ে নাম না করেই অভিষেককে ‘‘চিটিংবাজ’’ বলে কটাক্ষ করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। একই সঙ্গে তাঁর হুঁশিয়ারি, এই মামলায় যাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, তাঁদের কাউকে রেহাই দেওয়া হবে না। সমস্ত প্রমাণ সংগ্রহ করা হচ্ছে এবং যথাসময়ে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।

    “ভাইপোর সেবাশ্রয় ক্যাম্পের কেলেঙ্কারি” (Sebashray Scam)

    বিধানসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে শুভেন্দু প্রথমেই সেবাশ্রয় প্রকল্পকে ঘিরে একাধিক অভিযোগের কথা তুলে ধরেন। তিনি দাবি করেন, ডায়মন্ড হারবার এবং বিষ্ণুপুর-সহ বিভিন্ন এলাকায় সেবাশ্রয় শিবির নিয়ে গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ জমা পড়েছে। সেই প্রসঙ্গেই তিনি বলেন, “ভাইপোর সেবাশ্রয় ক্যাম্পের কেলেঙ্কারি। বিষ্ণুপুরে একাধিক অভিযোগ হয়েছে।” এরপর নাম না করেই অভিষেককে ‘‘চিটিংবাজ’’ বলে আক্রমণ করেন। বিধানসভায় বক্তব্যের সময় শুভেন্দু বেশ কয়েকটি ছবিও দেখান। তাঁর দাবি, সেবাশ্রয় শিবিরে চিকিৎসায় গাফিলতির কারণে একাধিক মানুষ গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। কারও পা কেটে ফেলতে হয়েছে, কাউকে খোয়াতে হয়েছে হাত। সেই সমস্ত ঘটনার ছবি দেখিয়ে তিনি বলেন, ‘‘এক্স-রে এবং আল্ট্রাসোনোগ্রাফি যন্ত্র বাইরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সরকারি মেডিক্যাল কলেজের চিকিৎসকদেরও বাইরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এ তো খুনের মামলা। চিটিংবাজ ভাইপোকে কেউ বাঁচাতে পারবে না। সবক’টাকে তুলব। একবার কেউ জেলে ঢুকলে আর বেরোতে পারবে না। কাউকে বাঁচানো যাবে না। আগে সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে। সমস্ত যন্ত্র বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।’’

    সেবাশ্রয় প্রকল্পে সরকারি অর্থ ব্যয়

    মুখ্যমন্ত্রীর আরও অভিযোগ, দিলীপ মণ্ডলের একটি গুদাম থেকে বিপুল পরিমাণ ওষুধ উদ্ধার হয়েছে। তাঁর দাবি, সেখানে ২০২৫ সালের ওষুধের পাশাপাশি মিলেছে ২০২১ সালে মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে যাওয়া ওষুধও। বিষয়টি অত্যন্ত গুরুতর বলে উল্লেখ করেন তিনি।বিধানসভায় বক্তব্যের সময় ডায়মন্ড হারবার মেডিক্যাল কলেজের চিকিৎসক রাজীব বিশ্বাসের লেখা একটি চিঠিরও উল্লেখ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, ওই চিকিৎসক সেবাশ্রয় প্রকল্পে নানা অনিয়মের অভিযোগ তুলে তাঁকে চিঠি লিখেছিলেন। সেই চিঠির অংশও তিনি বিধানসভায় পড়ে শোনান। এরপর রাজ্য সরকার কী কী পদক্ষেপ করেছে, সেই বিষয়েও বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন শুভেন্দু। তিনি জানান, কেন্দ্রীয় সরকারের পরমাণু শক্তি বিভাগ এবং স্বাস্থ্য দফতরের কাছে বিষয়টি জানিয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। ইতিমধ্যেই এক্স-রে মেশিন, আল্ট্রাসোনোগ্রাফি মেশিন এবং মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ডায়মন্ড হারবার এবং নন্দীগ্রামে সেবাশ্রয় প্রকল্পে সরকারি অর্থ ব্যয় এবং সরকারি চিকিৎসকদের দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়েও তদন্ত শুরু হয়েছে (Sebashray Scam)। মুখ্যমন্ত্রী জানান, অপরাধ তদন্ত বিভাগ, বিশেষ দায়িত্বপ্রাপ্ত বাহিনী এবং জেলা পুলিশের যৌথ উদ্যোগে ব্যাপক তদন্ত চলছে। সেবাশ্রয় শিবিরে যাঁরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাঁদের প্রত্যেকের অভিযোগকে পৃথক মামলা হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, “নিশ্চিন্ত থাকুন, যাঁরা এত বড় অপরাধ করেছেন, তাঁদের কাউকে ছাড়া হবে না। সময়ই সব কথা বলবে। সমস্ত প্রমাণ সংগ্রহ করা হচ্ছে। যথা সময়ে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে (Suvendu Adhikari)।”

    অভিষেকের বিরুদ্ধে ফের মামলা

    এদিকে, অভিষেকের বিরুদ্ধে ডায়মন্ড হারবারে আরও একটি নতুন মামলা দায়ের হয়েছে। অভিযোগ, পৈলানের একটি রিসর্টে টানা চল্লিশ দিন ধরে সেবাশ্রয় স্বাস্থ্যশিবির পরিচালনা করা হয়েছিল। সেই রিসর্টের তরফে বিষ্ণুপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, শিবির পরিচালনার জন্য তাদের প্রতিষ্ঠান টানা চল্লিশ দিন বন্ধ রাখতে বাধ্য করা হয়েছিল। অভিযোগে বলা হয়েছে, ওই সময় ১১০ থেকে ১২০ জন চিকিৎসক এবং কর্মীর থাকা, খাওয়া ও যাতায়াতের সমস্ত ব্যবস্থা করতে হয়েছিল রিসর্ট কর্তৃপক্ষকে। অথচ সেই সমস্ত খরচ তাঁদের (চিকিৎসক ও কর্মীদের) নিজেদেরই বহন করতে হয়েছে। এর ফলে পর্যটনের মরশুমে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হয়েছে প্রতিষ্ঠানটিকে। অভিযোগে অভিষেক ছাড়াও তাঁর প্রাক্তন আপ্তসহায়ক সুমিত রায় এবং বিধায়ক দিলীপ মণ্ডলের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। রিসর্টের মালিক সমীরণ রায়ের দাবি, শুধু থাকার খরচই নয়, স্থানীয় শিবির পরিচালনার জন্য অতিরিক্ত অর্থও তাঁদের কাছ থেকে আদায় করা হয়েছিল। টাকা না দিলে রিসর্টে ভাঙচুর চালানো হবে এবং ব্যক্তিগত নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে বলেও হুমকি দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ (Sebashray Scam)।

    কী বলছেন অভিযোগকারী?

    অভিযোগকারীর দাবি, ২০২৫ এবং ২০২৬ সালে সেবাশ্রয় ও সেবাশ্রয়-২ প্রকল্পের কারণে তাঁদের অন্তত বিশ থেকে পঁচিশ লাখ টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। অভিযুক্তরা অত্যন্ত প্রভাবশালী হওয়ায় এতদিন তাঁরা ভয়ে মুখ খুলতে পারেননি। রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর সাহস সঞ্চয় করে দ্বারস্থ হয়েছেন পুলিশের। পুলিশ অভিযোগের ভিত্তিতে তোলাবাজি এবং দুর্নীতি দমন আইনের একাধিক ধারায় অভিষেক-সহ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করেছে। শুরু হয়েছে তদন্তও। শুক্রবারই ফলতার বিধায়ক দেবাংশু পণ্ডা বিধানসভায় সেবাশ্রয় প্রকল্প নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছিলেন। তার পরের দিনই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এই বিষয়ে বিস্তারিত বিবৃতি দেন। সেই আবহেই নতুন অভিযোগ সামনে আসায় তৃণমূলের রক্তচাপ আরও বেড়েছে বলেই ধারণা রাজনৈতিক মহলের (Suvendu Adhikari)।

    সর্বাত্মক রক্ষাকবচ দেওয়া সম্ভব নয়, জানাল আদালত

    এদিকে, বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর অভিষেকের বিরুদ্ধে রাজ্যের বিভিন্ন থানায় দায়ের হয়েছে একের পর এক মামলা। তবে এই সব অভিযোগকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার ফল বলেই দাবি করেছেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ। তিনি আদালতের দ্বারস্থ হয়ে একাধিক মামলার প্রেক্ষিতে আইনি সুরক্ষা চেয়েছিলেন। যদিও আদালত জানিয়ে দিয়েছে, সামগ্রিকভাবে তাঁকে কোনও সর্বাত্মক রক্ষাকবচ দেওয়া সম্ভব নয়। ফলে প্রতিটি মামলায় আইন অনুযায়ী তদন্ত চলবে। রাজ্যের অন্যতম বহুল চর্চিত এই মামলায় আগামী দিনে তদন্ত কোন দিকে এগোয় এবং অভিযোগের পক্ষে কতটা প্রমাণ সামনে আসে, এখন সেদিকেই নজর রাজ্যবাসীর (Sebashray Scam)।

     

  • Hindus Under Attack: ধর্মান্তর, মন্দির, নিরাপত্তা ও সাম্প্রদায়িক বিতর্কের জেরে সরগরম দেশ, বিপন্ন হিন্দুরা!

    Hindus Under Attack: ধর্মান্তর, মন্দির, নিরাপত্তা ও সাম্প্রদায়িক বিতর্কের জেরে সরগরম দেশ, বিপন্ন হিন্দুরা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ অব্যাহত দেশের পাশাপাশি বিদেশেও। বিশ্বের বহু অঞ্চলে এই নির্যাতন ধীরে ধীরে এক ধরনের গণহত্যার রূপ নিচ্ছে (Hindus Under Attack)। কয়েক দশক ধরে বিশ্ব এই আক্রমণের প্রকৃত গভীরতা ও ব্যাপ্তি উপেক্ষা করে আসছে, যা খুবই উদ্বেগজনক (Roundup Week)। হত্যা, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, উৎসবে হামলা, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণা ভাষণ, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য পর্যন্ত, সর্বত্র হিন্দুরা তাঁদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণ এবং নজিরবিহীন হিন্দু-বিদ্বেষের সম্মুখীন হচ্ছেন।

    ঘটনার ঘনঘটা (Hindus Under Attack)

    দেশের বিভিন্ন প্রান্তে একাধিক অপরাধ, সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা, মন্দিরে চুরি এবং হিন্দুদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে (Roundup Week)। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ধর্মান্তর, মন্দির, সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা, নিরাপত্তা এবং মতপ্রকাশকে ঘিরে একের পর এক ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। কর্নাটক, উত্তরপ্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, তামিলনাড়ু এবং মহারাষ্ট্রে ঘটে যাওয়া একাধিক ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বিভিন্ন হিন্দু সংগঠন, প্রশাসনের কাছে দাবি জানিয়েছে কঠোর পদক্ষেপের। ১২ থেকে ১৮ জুলাই, ২০২৬ পর্যন্ত  সপ্তাহে বিভিন্ন ঘটনার ছবিটা একবার দেখে নেওয়া যাক।

    জিম জিহাদ নিয়ে নয়া বিতর্ক

    কর্নাটকে তথাকথিত “লাভ জিহাদ” ও ধর্মান্তর সংক্রান্ত বিতর্কের পর এবার “জিম জিহাদ” নিয়ে নয়া বিতর্ক শুরু হয়েছে। একাধিক হিন্দু সংগঠনের অভিযোগ, ইসমাইল নামে এক মুসলমান জিম প্রশিক্ষক ফিটনেস প্রশিক্ষণের আড়ালে হিন্দু মহিলাদের টার্গেট করতেন। এই বিষয়ে তদন্ত ও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। কর্নাটকেরই চিক্কাবল্লাপুর জেলায় নিরাপত্তা সংক্রান্ত একটি গুরুতর ঘটনা সামনে এসেছে। অভিযোগ, পাকিস্তানের নাগরিক ফারাহ নাজ এবং তাঁর ছেলে মহম্মদ ফারদিন নিজেদের পাকিস্তানি পরিচয় গোপন রেখে ভুয়ো তথ্যের মাধ্যমে ভারতীয় ভোটার কার্ড, রেশন কার্ড-সহ একাধিক পরিচয়পত্র সংগ্রহ করেছিলেন। পুলিশ তাঁদের গ্রেফতার করেছে। এই ঘটনাকে দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার পক্ষে উদ্বেগজনক বলে দাবি করা হয়েছে (Hindus Under Attack)।

    মূর্তি ভাঙচুরের জেরে উত্তেজনা

    কর্নাটক হাইকোর্ট আফিফা ফাতিমা নামে এক পুষ্টিবিদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া একটি ফৌজদারি মামলাও খারিজ করে দিয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে সোশ্যাল মিডিয়ায় হিন্দু সমাজ এবং ভারতের বিরুদ্ধে অবমাননাকর মন্তব্য করার অভিযোগে মামলা দায়ের হয়েছিল। বিচারপতি এম নাগপ্রসন্ন সংশ্লিষ্ট প্রাথমিক রিপোর্ট বাতিল করে দেন (Hindus Under Attack)। কর্নাটকের ধারওয়াড় জেলার আম্বলিকোপ্পা গ্রামে ভগবান বীরালিঙ্গেশ্বরের মূর্তি ভাঙচুরের ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের মতে, এটি শুধু ভাঙচুরের ঘটনা নয়, তাঁদের ধর্মীয় বিশ্বাস ও আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যের ওপর সরাসরি আঘাত।

    মাংস বিক্রেতাকে গ্রেফতার

    উত্তরাখণ্ডের টেহরি গাড়োয়াল জেলার জাখনিধার বাজারের বছর পঁয়ত্রিশের এক মাংস বিক্রেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে শ্লীলতাহানির অভিযোগে। এক হিন্দু নাবালিকাকে নিজের দোকানের ভেতরে নিয়ে গিয়ে শ্লীলতাহানির অভিযোগে শিশুদের যৌন অপরাধ থেকে সুরক্ষা আইনের অধীনে গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁকে। এই ঘটনায় এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে ব্যাপক উত্তেজনার। বিভিন্ন হিন্দু সংগঠন থানায় বিক্ষোভ দেখিয়ে অভিযুক্তের কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছে। উত্তরপ্রদেশের বেরেলি জেলার মিরগঞ্জ এলাকায় বছর একান্নর এক খ্রিস্টান ধর্মপ্রচারককে ধর্মান্তরের চেষ্টার অভিযোগে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অভিযোগ, তিনি প্রলোভন দেখিয়ে হিন্দুদের ধর্মান্তরের চেষ্টা করছিলেন। হিন্দু দেবদেবীদের সম্পর্কে অবমাননাকর মন্তব্যও করেছিলেন তিনি। অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁকে গ্রেফতার করে আদালতে তোলা হলে পাঠানো হয় বিচারবিভাগীয় হেফাজতে।

    মহা দীপম প্রজ্বলন

    তামিলনাড়ুতে মাদ্রাজ হাই কোর্টের নির্দেশে তিরুপ্পরাঙ্কুন্দ্রম পাহাড়ে ঐতিহ্যবাহী মহা দীপম প্রজ্বলনের অনুমতি দেওয়াকে কেন্দ্র করে নতুন বিতর্ক দেখা দিয়েছে। তামিলনাড়ু প্রগতিশীল লেখক ও শিল্পী সংঘের আপত্তির বিরুদ্ধে সরব হয়েছে হিন্দু মুন্নানি। সংগঠনের দাবি, সংখ্যাগরিষ্ঠ মুরুগন ভক্তদের দীর্ঘদিনের ইচ্ছার প্রতিফলনই এই মহা দীপম প্রজ্বলন (Roundup Week)। তামিল চলচ্চিত্র জগতেও ভগবান মুরুগনকে কেন্দ্র করে মতাদর্শগত বিতর্ক শুরু হয়েছে। একদিকে জুনিয়র এনটিআরকে নিয়ে ভগবান মুরুগনের জীবনভিত্তিক একটি মহাকাব্যিক চলচ্চিত্র তৈরির প্রস্তুতি চলছে। অন্যদিকে পরিচালক ভেট্রি মারানের নতুন ছবিতে ভগবান মুরুগনের দেবত্বকে অস্বীকার করার অভিযোগ উঠেছে। ছবিতে মুখ্য চরিত্রে রয়েছেন অভিনেতা ধনুষ। সমালোচকদের দাবি, ভেট্রি মারান ইভি রামাস্বামীর মতাদর্শের সমর্থক (Roundup Week)।

    মন্দিরের জমি দখলের অভিযোগ

    তামিলনাড়ুর পুদুক্কোট্টাই জেলায় লিঙ্গামালাই পাহাড়ের প্রায় ৪০০ বছরের পুরনো শিবমন্দির ও তার সংলগ্ন জমি দখলের অভিযোগ তুলে জেলাশাসকের কাছে স্মারকলিপি জমা দিয়েছে হিন্দু মুন্নানি। সংগঠনের অভিযোগ, ওই পাহাড়ের নাম পরিবর্তন করে “সাভেরিয়ার মালাই” করারও চেষ্টা চলছে (Hindus Under Attack)। মহারাষ্ট্রের আহিল্যানগরে হিন্দুত্ববাদী কর্মী তথা রাষ্ট্রীয় শ্রীরাম সেবা সংঘের প্রতিষ্ঠাতা সাগর বেগের প্রাণনাশের আশঙ্কা রয়েছে বলে গোয়েন্দা সূত্রে খবর। গত ডিসেম্বরে জার্মান বেকারি বিস্ফোরণ মামলার সহ-অভিযুক্ত বান্টি জাহাগিরদারের হত্যার পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে বলে অভিযোগ (Hindus Under Attack)।

    পাক পদক্ষেপের জেরে বিতর্ক

    এদিকে পাকিস্তানের প্রাক-ইসলামিক ঐতিহ্য পুনরুদ্ধারের চেষ্টাকে কেন্দ্র করে একটি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত নিবন্ধ নিয়েও বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সমালোচকদের অভিযোগ, পাকিস্তানের এই পদক্ষেপকে ইতিবাচক বলে তুলে ধরা হলেও, ভারতের ঐতিহাসিক স্থান ও শহরের নাম পরিবর্তনের উদ্যোগকে ভিন্ন মানদণ্ডে বিচার করা হয়েছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এই সব ঘটনার অভিযোগ, পাল্টা অভিযোগ এবং তদন্ত বা বিচারপ্রক্রিয়া চলছে। সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য ও আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের ভিত্তিতেই বিষয়গুলির আইনানুগ নিষ্পত্তি হবে (Roundup Week)।

     

  • CID: সই-জালকাণ্ডে ফের অভিষেকের বাড়িতে সিআইডি, গরহাজিরার কী কারণ দর্শালেন তৃণমূল সাংসদ?

    CID: সই-জালকাণ্ডে ফের অভিষেকের বাড়িতে সিআইডি, গরহাজিরার কী কারণ দর্শালেন তৃণমূল সাংসদ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সই-জালকাণ্ডে ফের তৃণমূলের সেকেন্ড ইন-কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে গেল সিআইডি (CID)। শনিবারই তাঁর ১৮৮-এ হরিশ মুখার্জি রোডের বাড়িতে নোটিশ লটকে দিয়ে এসেছিলেন তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। পরে অভিষেকের (Abhishek Banerjee) কালীঘাটে বাড়িতে গিয়ে তাঁর হাতেই নোটিশ ধরিয়ে আসেন তাঁরা। আজ, সোমবার তাঁকে হাজিরা দিতে বলা হয়েছিল ভবানীভবনে, সিআইডির দফতরে। যদিও গরহাজির ছিলেন তৃণমূল সাংসদ। সিআইডিকে পাঠানো চিঠিতে ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ তাঁর শারীরিক অসুস্থতার কারণ দর্শান।

    অভিষেকের বাড়িতে ফের সিআইডি (CID)

    এর পরেই এদিন বিকেল ৬টা নাগাদ তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেকের বাড়িতে পৌঁছে যায় সিআইডির টিম (CID)। যদিও বাড়ির ভেতরে ঢুকতে পারেননি আধিকারিকরা। তাই বাড়িতেই নোটিশ টাঙিয়ে ফিরে যান তাঁরা। সিআইডি-কে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ। চিঠিতে অসুস্থতার কারণ জানানো হয়েছে বলে খবর। এদিন আধ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে আধিকারিকরা অভিষেকের বাড়ির বাইরে অপেক্ষা করেন। তার পরেও অভিষেকে দেখা যায়নি। পরে ভাতিজার বাড়ির ভেতর থেকে বেরিয়ে আসেন অয়ন ঘোষ নামে একজন। তিনি সিআইডির কাছ থেকে একটি নোটিশ নিয়ে ভেতরে চলে যান। সিআইটির টিমও ফিরে যান। খানিকক্ষণ পরে ফের বাইরে আসেন অয়ন। তিনি জানান, নোটিশে সই করে রিসিভ করেছেন অভিষেক। জানা গিয়েছে, অভিষেক ভবানীভবনে যাওয়ার জন্য কয়েকদিন সময় চেয়েছেন। যদিও সিআইডির তরফে এনিয়ে কোনও মন্তব্য করা হয়নি। সূত্রের খবর, ৮ জুন বেলা ১২টায় ভবানীভবনে ফের তলব করা হয়েছে ‘ডায়মন্ড মডেলের গর্বিত’ জনক অভিষেককে (Abhishek Banerjee)।

    সই জাল কাণ্ড

    প্রসঙ্গত, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় বিরোধী দলনেতা হবেন, সম্প্রতি এই মর্মে একটি রেজোলিউশন নিয়েছিল তৃণমূল। দলীয় বিধায়কদের সই-সহ সেই রেজোলিউশন জমাও দেওয়া হয় বিধানসভায়। কয়েকজন তৃণমূল বিধায়কের সই নিয়ে সন্দেহ হয় বিধানসভার আধিকারিকদের। অভিযোগ দায়ের হয় হেয়ার স্ট্রিট থানায়। তদন্ত শুরু করে পুলিশ। তদন্তে নেমে আধিকারিকরা ইতিমধ্যেই তৃণমূলের বেশ কয়েকজন হেভিওয়েট এমএলএর বাড়িতে হানা দেন। তাঁদের সঙ্গে সঙ্গে যান সিআইডির হ্যান্ড রাইটিং এক্সপার্টও। এই (Abhishek Banerjee) সই-কাণ্ডেই তৃণমূলের সেকেন্ড ইন-কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও তলব করেছে সিআইডি (CID)।

     

  • Abhishek Banerjee: ভোটের সময় ‘গুজরাটি গ্যাং’, রাষ্ট্র-বিরোধী মন্তব্যের জের, অভিষেকের বিরুদ্ধে দায়ের এফআইআর

    Abhishek Banerjee: ভোটের সময় ‘গুজরাটি গ্যাং’, রাষ্ট্র-বিরোধী মন্তব্যের জের, অভিষেকের বিরুদ্ধে দায়ের এফআইআর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘বুয়া’র পর এবার ‘ভাতিজা’কেও কাঠগড়ায় তোলার প্রস্তুতি শুরু! তৃণমূল সুপ্রিমো (TMC) মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে আগেই দায়ের হয়েছিল এফআইআর, এবার মামলা দায়ের হল তাঁরই ভাইপো তথা তৃণমূলের সেকেন্ড ইন-কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) বিরুদ্ধেও। তাঁর বিরুদ্ধে উসকানিমূলক মন্তব্য করার অভিযোগে এফআইআর দায়ের হল একদা তৃণমূলের খাসতালুক ভবানীপুরে। ভবানীপুর থানায় ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ তথা তৃণমূলের সম্পাদক অভিষেকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন অর্ণবকান্তি দাস নামে এক ব্যক্তি। বুধবারই মমতার নামে শিলিগুড়িতে এফআইআর দায়ের করেছিলেন এই আইনজীবী। এফআইআর দায়ের হয়েছিল অভিষেকের বিরুদ্ধেও। তবে উসকানিমূলক মন্তব্য করায় এবার মামলা দায়ের হল তাঁরই পাড়ায়, ভবানীপুর থানায়।

    ‘গুজরাটি গ্যাং’ মন্তব্য (Abhishek Banerjee)

    অর্ণবও ভবানীপুরেরই বাসিন্দা। তিনি জানান, ২ মে এক্স হ্যান্ডেলে অভিষেক লিখেছিলেন, “১০ বার জন্মালেও আপনাদের ‘বাংলা বিরোধী গুজরাটি গ্যাং’ আমার ডায়মন্ড হারবার মডেলের ছিটেফোঁটাও ক্ষতি করতে পারবে না।” অভিষেকের এই মন্তব্যের জেরেই অভিযোগ দায়ের হয়েছে ভবানীপুর থানায়। ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে বেরিয়ে নানা সময় বুয়া-ভাতিজা উসকানিমূলক মন্তব্য করেছিলেন বলে অভিযোগ। এর আগে উসকানিমূলক মন্তব্য এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগে একটি এফআইআর দায়ের হয়েছিল। অভিষেকের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা এবং জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের মোট ৬টি ধারায় অভিযোগ দায়ের হয়। বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিলেন সমাজসেবী রাজীব সরকার।

    অভিযোগকারীর বক্তব্য

    অর্ণবের দাবি, অভিষেক ওই পোস্টে এমন কিছু মন্তব্য করেছেন যা, দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও জাতীয় সংহতির পক্ষে ক্ষতিকর (Abhishek Banerjee)। এফআইআরে বলা হয়েছে, একজন সাংসদ হিসেবে সংবিধানের সার্বভৌমত্ব ও দেশের আঞ্চলিক অখণ্ডতা রক্ষার শপথ নেওয়ার পরেও, অভিষেক সমগ্র গুজরাটি সম্প্রদায়কে একটি ‘গ্যাং’ বা অপরাধী চক্র হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তাঁর দাবি, এই ধরনের মন্তব্য কেবল একটি সম্প্রদায়কে অপমান করে না, বরং দেশের বহুত্ববাদী সংস্কৃতি ও সামাজিক সম্প্রীতির ওপরেও আঘাত হানে। গুজরাটি সমাজ দীর্ঘ দিন ধরে পশ্চিমবঙ্গ-সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ব্যবসা-বাণিজ্য, অর্থনীতি, শিল্পোন্নয়ন এবং সমাজসেবামূলক কাজে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। সেই সম্প্রদায়কে কটাক্ষ করা অত্যন্ত দায়িত্বজ্ঞানহীন কাজ (TMC)।

    সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বিরূপ মন্তব্য নয়

    অভিযোগপত্রে এও বলা হয়েছে, রাজনৈতিক মতভেদ ও প্রতিদ্বন্দ্বিতা গণতন্ত্রের অংশ হলেও, কোনও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান বা কেন্দ্রীয় ব্যবস্থাকে অপমান করা এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে রাষ্ট্রকে চ্যালেঞ্জ জানানো কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক সীমান্তের নিকটবর্তী একটি সংবেদনশীল লোকসভা কেন্দ্রের (ডায়মন্ড হারবার) সাংসদের এমন মন্তব্য রাষ্ট্রবিরোধী মানসিকতারই বহিঃপ্রকাশ।

    রাষ্ট্রকেও চ্যালেঞ্জ অভিষেকের!

    অর্ণবের আশঙ্কা, ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের ফল যদি উল্টোটা হত এবং তৃণমূল ক্ষমতায় ফিরত তাহলে এই ধরনের মন্তব্য রাজ্যে বসবাসকারী গুজরাটি সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক বা সাম্প্রদায়িক হিংসার পরিবেশ তৈরি করতে পারত (Abhishek Banerjee)। তাই এই পোস্টকে কেন্দ্র করে সামাজিক উত্তেজনা তৈরি হওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না। তাঁর অভিযোগ, ওই পোস্টে অভিষেক কেন্দ্রীয় সরকার এবং রাষ্ট্রকেও সরাসরি চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন। বিশেষ করে তাঁর নির্বাচনী এলাকা ডায়মন্ড হারবারের অন্তর্গত ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের প্রসঙ্গ টেনে তিনি তথাকথিত (TMC) ‘ডায়মন্ড হারবার মডেল’ রোখার চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন। তাই পুলিশের কাছে তৃণমূল সম্পাদকের ওই পোস্টের যথাযথ তদন্ত করে আইনানুগ কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন অর্ণব (Abhishek Banerjee)।

     

  • Mamata Banerjee: হিন্দু ধর্ম নিয়ে বিরূপ মন্তব্য! এবার খোদ মমতার বিরুদ্ধেই দায়ের হল মামলা

    Mamata Banerjee: হিন্দু ধর্ম নিয়ে বিরূপ মন্তব্য! এবার খোদ মমতার বিরুদ্ধেই দায়ের হল মামলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নবান্নের গদি খোয়াতেই তৃণমূলের একের পর এক নেতার দিকে ধেয়ে আসছে বহুবিধ বাণ। দলের ছোট-বড় নেতার বিরুদ্ধে রাজ্যের বিভিন্ন থানায় দায়ের হয়েছে অভিযোগ। এবার টান পড়ল দলের মাথায়! আজ্ঞে হ্যাঁ। এফআইআর দায়ের হল (Controversial Remarks) তৃণমূল সুপ্রিমো তথা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) বিরুদ্ধে। টানা ১৫ বছর নবান্নের ঠান্ডা ঘরে ছিলেন মমতা। অভিযোগ, এই পর্বে বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠান এবং রাজনৈতিক মঞ্চ হাজির হয়ে তিনি করেছেন একাধিক ‘বিতর্কিত’ মন্তব্য। তার জেরেই দায়ের হল মামলা। শিলিগুড়ি সাইবার ক্রাইম থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। এই ঘটনাকে ঘিরে যখন রাজ্য রাজনীতিতে আলোড়ন পড়েছে, ঠিক তখনই বোমা ফাটালেন তৃণমূলেরই এক শীর্ষ নেতা। তাঁর ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্যের জেরে প্রকাশ্যে চলে এসেছে তৃণমূলের অন্দরে লুকোনো পুঞ্জীভূত ক্ষোভের আগুন।

    বিতর্কিত মন্তব্য মমতার (Mamata Banerjee)

    জানা গিয়েছে, রেড রোড এবং কলকাতার ধর্না মঞ্চে বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা। সেই অভিযোগ তুলেই শিলিগুড়ির সাইবার ক্রাইম থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন পদ্ম-কর্মী তথা পেশায় আইনজীবী রিঙ্কি চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “আমি দুটি ঘটনা নিয়ে এফআইআর করেছি। একটি হল রেড রোড থেকে উনি বলেছেন, আমি এই গন্দা ধর্ম মানি না। কোন গন্দা ধর্ম উনি মানেন না? যে ধর্মকে গোটা বিশ্ব আইডিয়োলজি হিসাবে দেখে? যে ধর্মকে নিয়ে হাজারো মুনি-ঋষি চর্চা করেছেন যুগ-যুগান্তর ধরে? উনি সেই ধর্ম মানেন না?” রিঙ্কি বলেন, “আমার দ্বিতীয় অভিযোগ ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে গিয়ে উনি বলেছিলেন আমি আছি বলেই একটা বিশেষ সম্প্রদায় তোমাদের ১২টা বাজিয়ে দিচ্ছে না। কোন কমিউনিটি ঘিরে ধরছে না? কাদের ঘিরে ধরছে না? উনি তো মুসলমান-হিন্দু উভয় সম্প্রদায়েরই মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন? তাহলে একটা সম্প্রদায়কে খুশি করতে গিয়ে কেন আর একটি সম্প্রদায়কে হুমকি দিয়েছিলেন? একজন হিন্দু ভোটার হয়ে আমি ভয় পেয়েছি। আমি ওঁর এই মন্তব্য সমর্থন করি না। তাই অভিযোগ দায়ের করেছি।”

    আইনজীবী-অভিযোগকারিণীর বক্তব্য

    আইনজীবী-অভিযোগকারিণী বলেন, “২০২৫ সালে ঈদের ওই ঘটনার পর আমি শিলিগুড়ির প্রধাননগর থানায় অভিযোগ জানাতে গিয়েছিলাম। কিন্তু তৎকালীন পুলিশ আধিকারিকরা আমার অভিযোগ নিতে (Mamata Banerjee) অস্বীকার করেন। তাঁরা আমার সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন। কটু কথা বলে থানা থেকে (Controversial Remarks) বের করে দেওয়া হয় আমায়।” রাজ্যে পালাবদলের পর শেষমেশ শিলিগুড়ি সাইবার ক্রাইম থানায় মমতার বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করতে পেরেছেন তিনি। রিঙ্কি জানান, আইনত যে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব, তার অপেক্ষায়ই রয়েছেন তিনি।

    কোন কোন ধারায় মামলা

    জানা গিয়েছে, ভারতীয় ন্যায় সংহিতার একাধিক ধারায় মামলা দায়ের হয়েছে। এই ধারাগুলি হল, ৩৫১ (অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন), ৩৫২ (শান্তি ভঙ্গের উদ্দেশ্যে ইচ্ছাকৃতভাবে কাউকে অপমান বা প্ররোচিত করা), ৩৫৩ (জনসাধারণের মধ্যে বিশৃঙ্খলা, ঘৃণা বা গুজব ছড়ানো), ৩৫৪ (কোনও ব্যক্তিকে ঈশ্বর বা ঐশ্বরিক শক্তির শাস্তির ভয় দেখিয়ে বা অপছন্দের পাত্র বানানোর হুমকি দিয়ে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে কোনও কাজ করতে বাধ্য করা), ৩৫৬ (ফৌজদারি মানহানি), এবং ২৯৯ (যদি কোনও ব্যক্তি ইচ্ছাকৃত বা বিদ্বেষপূর্ণ উদ্দেশ্যে এমন কোনও কাজ, কথা, লেখা, চিহ্ন বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমের ব্যবহার করে—যার লক্ষ্য কোনও একটি (Mamata Banerjee) বিশেষ গোষ্ঠীর ধর্ম বা ধর্মীয় বিশ্বাসকে অবমাননা করা এবং তাদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেওয়া)।

    তৃণমূলে শুরু কাদা ছোড়াছুড়ি

    এদিকে, হাতি (পড়ুন, তৃণমূল) গাড্ডায় পড়তেই, শুরু (Controversial Remarks) হয়ে গিয়েছে লাথালাথি। বিধানসভা নির্বাচনে ‘বুয়া’র সাধের দল মুখ থুবড়ে পড়তেই শুরু হয়ে গিয়েছে কাদা ছোড়াছুড়ি। দার্জিলিং জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক তথা পেশায় আইনজীবী অত্রি শর্মা দলের মুখপাত্র। তিনি সরাসরি মমতার বিরোধিতা না করলেও, পরোক্ষভাবে তাঁর ভূমিকার কড়া সমালোচনা করেছেন। অত্রি বলেন, “ক্ষমতায় থাকাকালীন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর এই ধরনের মন্তব্য করা একেবারেই উচিত হয়নি। আমরা যাঁরা সেই সময় থেকে আজও দলে নিষ্ঠার সঙ্গে রয়েছি, তাঁরাও কিন্তু মন থেকে এই বিষয়টি সমর্থন করতে পারিনি। তবে ভারতীয় সংবিধানে সবারই আইনি পথে অভিযোগ জানানোর পূর্ণ গণতান্ত্রিক অধিকার রয়েছে।” রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তৃণমূল সুপ্রিমোর বিরুদ্ধে জেলাস্তরের এক শীর্ষ নেতার এমন মন্তব্য থেকে এটা (Mamata Banerjee) স্পষ্ট যে, তৃণমূলের অন্দরে দীর্ঘদিন ধরেই ধিকি ধিকি করে জ্বলছিল অসন্তোষের আগুন। তৃণমূলের পদস্খলন হওয়ার পর সেই ঘুমন্ত আগ্নেয়গিরিই উগরোতে শুরু করেছে আগুনে লাভা।

    ‘ভাতিজা’র আইনি ভবিষ্যৎ নিয়েও জল্পনা

    ‘বুয়া’র পাশাপাশি তৃণমূলের সেকেন্ড ইন-কমান্ড তথা ‘ভাতিজা’ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনি ভবিষ্যৎ নিয়েও শুরু হয়ে গিয়েছে জল্পনা। ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের সময় উসকানিমূলক এবং উগ্রপন্থীদের মতো মন্তব্য করার অভিযোগে বিধাননগর সাইবার থানায় তাঁর বিরুদ্ধেও দায়ের হয়েছিল এফআইআর। সেই মন্তব্যের জন্য আদালতের তীব্র ভর্ৎসনার মুখে পড়তে হয়েছে ‘ভাইপো’কে। একটি রাজনৈতিক দলের শীর্ষনেতা হয়ে তিনি কীভাবে প্রকাশ্য মঞ্চে দাঁড়িয়ে এমন হুমকি দিতে পারেন, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে আদালত। সব (Controversial Remarks) মিলিয়ে নির্বাচনে হারের ঘা পুরোপুরি শুকোবার আগেই, তৃণমূলের (Mamata Banerjee) যে মাথাব্যথা শুরু হয়ে গিয়েছে, তা বলাই বহুল্য।

     

  • Mahkumbh Viral Girl: মহাকুম্ভ মেলায় ভাইরাল হওয়া সেই মোনালিসা নাবালিকা!

    Mahkumbh Viral Girl: মহাকুম্ভ মেলায় ভাইরাল হওয়া সেই মোনালিসা নাবালিকা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৫ সালের মহা কুম্ভ মেলায় (Mahkumbh Viral Girl) ভাইরাল হওয়া সেই মোনালিসা নাবালিকা! অন্তত, এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে। সম্প্রতি ফের খবরের শিরোনামে আসেন মোনালিসা। কারণ তিনি বিয়ে করেছিলেন মুসলিম যুবক ফারমান খানকে (Farman Khan)। ওই ঘটনায় মোনালিসার পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ওই তরুণী আসলে অপ্রাপ্তবয়স্ক। জাতীয় তফশিলি উপজাতি কমিশনের (NCST) তদন্তেও প্রকাশ পায় পরিবারের দাবির সত্যতা। কমিশনের চেয়ারপার্সন অন্তর সিং আর্য এই তদন্তের নেতৃত্ব দেন। তিনি নিশ্চিত করেন, মোনালিসা আদতে এক নাবালিকা। তিনি পারধি আদিবাসী সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত।

    ভুয়ো জন্ম শংসাপত্র (Mahkumbh Viral Girl)

    মধ্যপ্রদেশের মহেশ্বরের সরকারি হাসপাতালের নথি অনুযায়ী, মোনালিসার জন্ম ৩০ ডিসেম্বর, ২০০৯ সালে। অর্থাৎ, বিয়ের সময় তাঁর বয়স ছিল মাত্রই ১৬ বছর। এও জানা গিয়েছে, কেরালায় একটি ভুয়ো জন্ম শংসাপত্রের ভিত্তিতে তাঁর সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল ফারমান খানের। যে মন্দিরে বিয়ের অনুষ্ঠান হয়, সেখানে তাঁরা প্রমাণপত্র হিসেবে দাখিল করেছিলেন শুধুই আধার কার্ড। এই ঘটনার পর মধ্যপ্রদেশ পুলিশ ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (BNS), তফশিলি জাতি ও উপজাতি আইন (SC/ST Act) এবং শিশু যৌন নির্যাতন প্রতিরোধ আইনের (POCSO Act) অধীনে এফআইআর দায়ের করেছে। প্রশাসন কেরালার একটি গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে নিবন্ধিত ভুয়ো নথি বাতিল করার নির্দেশও দিয়েছে (Mahkumbh Viral Girl)।

    সমন জারি

    জাতীয় তফশিলি উপজাতি কমিশন কেরল এবং মধ্যপ্রদেশের ডিজিপিদের সমন জারি করেছে এবং ২২ এপ্রিল কমিশনের সামনে হাজির হতে বলা হয়েছে তাঁদের (Farman Khan)। এই মামলার অগ্রগতি সম্পর্কে প্রতি ৩ দিন অন্তর বিস্তারিত রিপোর্টও চাওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত, গত মাসেই কেরলের একটি মন্দিরে বিয়ে করেছিলেন মোনালিসা। সোশ্যাল মিডিয়ায় আলাপ হওয়া মারাঠি মুসলিম যুবক ফারমান খানকে। তখনই তাঁর পরিবার দাবি করেছিল, মোনালিসা নাবালিকা। যদিও মোনালিসা স্বয়ং জানিয়েছিলেন তিনি প্রাপ্তবয়স্ক। সে সংক্রান্ত শংসাপত্র যে জাল, তা জানা (Farman Khan) গিয়েছে তদন্তে। ফারমানের বিরুদ্ধে দায়ের হয়েছে পকশো মামলা (Mahkumbh Viral Girl)।

LinkedIn
Share