Tag: food crisis

food crisis

  • S Jaishankar: বিশ্বে বড় খাদ্যসংকটের আশঙ্কা, দায়ী বিশ্ব অস্থিরতা ও জলবায়ু পরিবর্তন, মনে করালেন জয়শঙ্কর

    S Jaishankar: বিশ্বে বড় খাদ্যসংকটের আশঙ্কা, দায়ী বিশ্ব অস্থিরতা ও জলবায়ু পরিবর্তন, মনে করালেন জয়শঙ্কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বজুড়ে চলা অস্থিরতার জেরে বড় ধরনের খাদ্যসংকটের (Food Crisis) মুখোমুখি হতে পারে পৃথিবী। এর সঙ্গে যুক্ত হতে পারে অত্যন্ত শক্তিশালী এল নিনো পরিস্থিতি। ফলে সমুদ্রের জলের তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ায় বৃষ্টিপাতের ধরনে বড় পরিবর্তন আসতে পারে, যার সরাসরি প্রভাব পড়বে খাদ্য উৎপাদনে। এর পাশাপাশি জ্বালানি সংকটও পরিস্থিতিকে আরও কঠিন করে তুলবে। এমনই সতর্কবার্তা দিয়েছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)।

    নিউ ইয়র্কে এশিয়া সোসাইটি আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে জয়শঙ্কর বলেন, বিশ্বজুড়ে চলা বিভিন্ন সংঘাতের প্রভাব সংশ্লিষ্ট দেশগুলির সীমানা ছাড়িয়ে বহু দূর পর্যন্ত পৌঁছে যাচ্ছে। তাঁর বক্তব্য, অত্যন্ত শক্তিশালী এল নিনোর প্রভাবে সমুদ্রের জল উষ্ণ হয়ে উঠলে বৃষ্টিপাতের ওপর তার ব্যাপক প্রভাব পড়তে পারে। এর ফলে বহু দেশে খাদ্য উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

    সঙ্কটে পড়তে পারে বহু দেশ (S Jaishankar)

    এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে জ্বালানি সংকট। ফলে বিশ্বের বহু দেশ, বিশেষ করে উন্নয়নশীল দেশগুলি, প্রবল চাপের মুখে পড়তে পারে। পরিস্থিতি তৈরি করার জন্য দায়ী নীতিনির্ধারকেরা শুধু এটা আমাদের উদ্দেশ্য ছিল না বলে দায় এড়াতে পারেন না বলেও মন্তব্য করেন জয়শঙ্কর।

    তিনি বলেন, “আমার মনে হয়, নীতিনির্ধারকেরা এটা বলতে পারেন না যে, এমনটা তাঁদের উদ্দেশ্য ছিল না। অন্য দেশগুলির পরিস্থিতির কথাও তাঁদের বিবেচনা করতে হবে এবং তাঁদের সিদ্ধান্তের ফলে বিশ্বের অন্যান্য অংশে কী ধরনের পরিণতি হতে পারে, তা বোঝার চেষ্টা করতে হবে। কোনও দেশ এতটা আত্মকেন্দ্রিক হতে পারে না যে, তারা নিজেদের জগতে থাকবে, নিজেদের সিদ্ধান্ত নেবে এবং পরে বলবে, ‘আপনাদের জীবন কঠিন করে তোলা আমার উদ্দেশ্য ছিল না।’”

    ইউক্রেন সংঘাত এবং ইরান-উপসাগরীয় সংকটের প্রভাব ইতিমধ্যেই সংশ্লিষ্ট দেশগুলির সীমানা ছাড়িয়ে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে পড়ছে বলেও জানান ভারতের বিদেশমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, কয়েকটি পরিস্থিতির কারণে খাদ্যসংকটের আশঙ্কা ইতিমধ্যেই তৈরি হয়েছে (S Jaishankar)।

    জয়শঙ্কর বলেন, “বড় শস্য রফতানিকারক কয়েকটি দেশ তাদের পণ্য পাঠাতে পারবে না, বিশেষ করে কৃষ্ণসাগরীয় অঞ্চল থেকে। সারেরও উল্লেখযোগ্য ঘাটতি দেখা দিয়েছে। এর অন্যতম কারণ, গুরুত্বপূর্ণ সার উৎপাদকদের একটি অংশ মধ্যপ্রাচ্য ও রাশিয়ায় রয়েছে।”

    ক্রমেই জটিল হচ্ছে পরিস্থিতি

    এর পাশাপাশি জ্বালানি সংকট এবং অর্থনৈতিক চাপ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। সংঘাতের সময় বিনিয়োগ ও অর্থ নিরাপদ আশ্রয়ের দিকে চলে যায় এবং উন্নয়নশীল বিশ্বের দেশগুলি থেকে অর্থ সরে যায়। ফলে অর্থনীতির ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হয় বলে উল্লেখ করেন তিনি। এই পরিস্থিতির সামগ্রিক প্রভাব সম্পর্কে জয়শঙ্কর বলেন, “এর নিট ফল সত্যিই অত্যন্ত, অত্যন্ত চাপের (Food Crisis)।”

    তাঁর মতে, বিশেষ করে উন্নয়নশীল দেশগুলিকে একই সঙ্গে খাদ্য, জ্বালানি, সার এবং অর্থসংস্থানের মতো একাধিক ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। নতুন করে আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা তৈরি হলে তা সামাল দেওয়ার জন্য এই দেশগুলির হাতে থাকা আর্থিক সুরক্ষার ব্যবধানও এখন অনেক কমে এসেছে (S Jaishankar)।

     

  • Pakistan: টমেটো ৬০০ টাকা কেজি! আফগান সংঘর্ষের ফলে পাকিস্তানে অগ্নিমূল্য সবজি, প্রবল ক্ষোভ জনমানসে

    Pakistan: টমেটো ৬০০ টাকা কেজি! আফগান সংঘর্ষের ফলে পাকিস্তানে অগ্নিমূল্য সবজি, প্রবল ক্ষোভ জনমানসে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে জঙ্গি হামলা করে পাকিস্তানকে এখন কড়া মাসুল গুনতে হচ্ছে। অপারেশন সিঁদুরের ধাক্কায় কার্যত নাজেহাল এই সন্ত্রাসের মদতপুষ্ট রাষ্ট্রটি। এবার আফগানিস্তানের সীমান্তে লাগাতার সংঘর্ষে পাকনাগরিকদের জীবন এখন আরও দুর্বিসহ হয়ে উঠেছে। দেশের আম জনতার দৈনন্দিন খাদ্য সামগ্রী এবং পানীয় পণ্যে লেগেছে আগুন (Food Crisis)। গত একমাসে ৩০-৫০ শতাংশ দাম বেড়েছে। অত্যধিক অগ্নিমূল্যে খেটে খাওয়া মানুষের জীবন চরম বিপাকে। টমেটোর কেজি ছুঁয়েছে ৬০০ টাকা। এই রকম খবর কেবল বাইরের দেশের নয় খোদ পাকিস্তানের (Pakistan) একাধিক সংবাদ মাধ্যম এই তথ্য তুলে ধরেছে। একে প্রতিবেশি রাষ্ট্রের প্রতি হিংসাত্মক কার্যকলাপ এবং অপর দিকে দেশের মানুষের চাহিদা পূরণ করতে না পারার অক্ষমতা শাহবাজ শরীফের সরকারকে বিরাট বেকায়দায় ফেলেছে। ইতিমধ্যে সাধারণ নাগরিকের মধ্যে প্রবল ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।

    কাঁচামালের আমদানি নেই (Pakistan)!

    পাকিস্তানের (Pakistan) সংবাদ মাধ্যম বুধবার একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে জানিয়েছে, আফগানিস্তান সীমান্তে চলমান সংঘর্ষ-উত্তেজনার কারণে নিত্য প্রয়োজনীয় সবজির দাম আকাশছোঁয়া। রাওয়ালপিন্ডি শহরে টমেটোর দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬০০ টাকা প্রতি কেজি। স্থানীয় সবজি (Food Crisis) ব্যবসায়ী ইউনিয়ানের সভাপতি গোলাম কাদের বলেন, “টমেটোর চাহিদা খুব বেশি। অপর দিকে চাহিদার তুলনায় আমদানি নেই। আফগানিস্তান থেকে টমেটো রফতানি বন্ধ রয়েছে। কাঁচামালের সরবরাহ ঠিক করে না হলে দাম কমার কোনও সম্ভাবনা নেই।”

    সবজির অগ্নিমূল্য

    পাকিস্তান (Pakistan) দৈনিক এক্সপ্রেস ট্রিবিউন রাওয়ালপিন্ডিতে সবজির দাম নিয়ে বলেছে, দাম বেশি হওয়ার কারণে ছোট ছোট সবজি বিক্রেতারা টমেটো, মটর, আদা, রসুন বিক্রি ইতিমধ্যে বন্ধ করে দিয়েছেন। রসুনের বাজার মূল্য দৈনিক ৪০০-তে পৌঁছে গিয়েছে। আদার দাম হয়েছে ৭৫০ টাকা প্রতি কেজি। পিঁয়াজের দাম ১২০ টাকা প্রতি কেজি এবং মটরের দাম ৫০০ টাকা। ক্যাপসিকামের প্রতিকেজি (Food Crisis) মূল্য হয়েছে ৩০০ টাকা। ঢেঁড়সের দামও পৌঁছে গিয়েছে একই স্তরে। শসা ১৫০ টাকা কেজি এবং লাল গাজর ২০০ টাকা কেজি হয়েছে। লেবু হয়েছে ৩০০ টাকা কেজি। এছাড়াও ছোট ছোট ছোলার দাম হয়েছে ৫০ টাকা প্রতি কেজি। এই ভাবে চড়া দামে জীবন কাটাতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।

    আকাশ ছোঁয়া ফলের বাজার

    শুধু সবজির বাজারই আকাশছোঁয়া (Food Crisis) নয়। একইভাবে আগুন লেগেছে ফলের বাজারেও (Pakistan)। আপেলের মূল্য হয়েছে ২৫০ থেকে ৩৫০ টাকা প্রতি কেজি। আঙুর ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ডালিমের মূল্য ৪০০ টাকা প্রতি কেজি। পেয়ারার দাম কেজিতে ১৭০ টাকা। একটি নারকেলের মূল্য ৪০০ টাকা। এক ডজন কলার মূল্য ১৫০ থেকে ২০০ টাকা, কমলালেবুর দাম ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা। অগ্নিমূল্যে আমজনতার জীবন এখন নাভিশ্বাসে উঠেছে।

    কেন সংঘাত?

    আফগানমুলুকে পাকিস্তানের (Pakistan) বিমান হামলার ঘটনা তালিবানের প্রশাসন মোটেও ভালো নজরে নেয়নি। সেই সঙ্গে শরণার্থীদের সঙ্গে পাকিস্তান আর্মির অত্যন্ত খারাপ ব্যবহার দুই দেশের সম্পর্ক এখন একেবারেই তলানিতে ঠেকেছে। এক্স হ্যান্ডলে আফগানিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রক একটি বিবৃতি প্রকাশ করে বলেছে, পাকিস্তানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতিতে দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা একে অপরের নিরাপত্তা বাহিনীকে আক্রমণ এড়ানোর বিষয় এবং পরস্পরের মধ্যে আলোচনা করে সমাধানের উপর জোর দেওয়া হয়েছে। এই বক্তব্যের বাইরে অন্যকোনও বক্তব্যকে অবৈধ হিসেবে ধরা হবে। তবে এই সংঘাতের সূত্রপাত হয় কাবুলে পাকিস্তানের বিমান হামলার ঘটনা থেকেই। পাকিস্তানের একমন্ত্রী অবশ্য সমস্ত কিছুর জন্য ভারতকেই দায়ী মনে করেছেন। তবে আজ এই পাকিস্তান যে নিজেদের কৃতকর্মের জন্য ক্রমেই ভগ্নদশায় পরিণত হয়েছে একথা আন্তর্জাতিক গবেষকদের অধিকাংশইরাই মনে করছেন।

LinkedIn
Share