Tag: forced conversion

forced conversion

  • Love Jihad: ফের ‘কেরালা স্টোরি’র গল্প! বিহার, কর্নাটকে ‘লাভ জিহাদে’র ফাঁদে হিন্দু তরুণীরা

    Love Jihad: ফের ‘কেরালা স্টোরি’র গল্প! বিহার, কর্নাটকে ‘লাভ জিহাদে’র ফাঁদে হিন্দু তরুণীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এ যেন আরও এক ‘কেরালা স্টোরি’র গল্প! ‘লাভ জিহাদে’র ফাঁদে আরও এক হিন্দু তরুণী। এবারের ঘটনাস্থল বিহার। এখানকার এক দলিত হিন্দু তরুণীকে বিয়ে করে নেপালে বিক্রির চেষ্টার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে সমীর আলম নামে এক বিবাহিত যুবককে (Love Jihad)।

    লাভ জিহাদ (Love Jihad)

    জানা গিয়েছে, বিহারের নারকাটিয়াগঞ্জের বছর ছাব্বিশের সমীর মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে বাড়িতে ডেকে নিয়ে গিয়ে জোর করে সিঁদুর পরিয়ে দেয় বছর সতেরোর মেয়েটির সিঁথিতে। পরে নাবালিকা বুঝতে পারে, পরিচয় গোপন করে তার সঙ্গে প্রতারণা করেছে সমীর। এরপর সমীর মেয়েটিকে কার্যত ঘরবন্দি করে রাখে। বার দুয়েক পালানোর চেষ্টা করলেও, সফল হয়নি সে (Love Jihad)। এর পরেই মেয়েটিকে নেপালে বিক্রি করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় সমীর। সেই মতো মেয়েটিকে নিয়ে সে রওনা দেয় নেপালের উদ্দেশে। সীমান্তে সমীরকে জেরা করেন সশস্ত্র সীমা বলের জওয়ানরা।

    পাচারে যুক্ত অভিযুক্ত আলম!

    এই প্রথম নয়, সমীর আগেও মিথ্যা পরিচয় দিয়ে হিন্দু তরুণীদের বিয়ে করে ধর্মান্তরিত করে নেপালে বিক্রি করে দিয়েছে বলে অভিযোগ। সমীর এবং ওই মেয়েটিকে নিয়ে থানায় যান সশস্ত্র সীমা বলের জওয়ানরা। সেখানেই গ্রেফতার করা হয় সমীরকে। তদন্ত চালাতে গিয়ে পুলিশ সমীরের মোবাইল থেকে আপত্তিকর কিছু ভিডিও এবং ছবিও উদ্ধার করেছে। সমীর যে নারী পাচারে যুক্ত, তাও জেনেছেন তদন্তকারীরা। ২০২২ সালের ১১ মে-ও এক হিন্দু দলিত মেয়েকে পাচারের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

    আরও পড়ুুন: “শেষ জীবনেও মুখ্যমন্ত্রীকে চোর চোর শুনতে হবে”, কটাক্ষ দিলীপ ঘোষের

    হিন্দু মহিলাকে জোরপূর্বক ধর্মান্তরণ কর্নাটকে

    এদিকে, বছর আঠাশের এক বিবাহিত মহিলাকে ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরণ করার অভিযোগ উঠল তাঁর স্বামী-সহ সাতজনের বিরুদ্ধে। ঘটনাস্থল কর্নাটক। ওই মহিলার অভিযোগ, রফিক নামের এক ব্যক্তির খপ্পরে পড়েন তিনি। নিজের স্ত্রীর সামনেই রফিক তাঁকে ধর্ষণ করে। তাঁকে বোরখা পরতেও বাধ্য করে। নিষেধ করা হয় সিঁদুর পরতেও। এমনকী, রফিকের স্ত্রী ওই মহিলাকে রফিকের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তুলতে উৎসাহ দেয়। পরে ওই মহিলার ছবি তুলে তাঁকে ব্ল্যাকমেল করতে শুরু করে রফিক। সিঁদুর পরতে না দেওয়ার পাশাপাশি তাঁকে পাঁচ ওয়াক্ত নমাজ আদায় করতেও বলে রফিক। ইসলামে ধর্মান্তরিত হতেও দেওয়া হয় চাপ। গ্রেফতার করা হয়েছে রফিককে (Love Jihad)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Religious Conversion: হিন্দু যুবককে গোমাংস খাইয়ে, সুন্নত করিয়ে ইসলামে দীক্ষা, কাঠগড়ায় কং নেতা সহ ১১

    Religious Conversion: হিন্দু যুবককে গোমাংস খাইয়ে, সুন্নত করিয়ে ইসলামে দীক্ষা, কাঠগড়ায় কং নেতা সহ ১১

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের জোর করে ধর্মান্তকরণের (Religious Conversion) অভিযোগ। এক হিন্দু (Hindu) যুবককে জোর করে ইসলাম (Islam) ধর্মে দীক্ষিত করা হয়েছে বলে অভিযোগ। কর্নাটকের ওই ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। যে পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁদের মধ্যে রয়েছেন বেঙ্গালুরুর  কংগ্রেসের প্রাক্তন কর্পোরেটর আনসার পাশা, তাঁর ভাই নয়জ পাশা, জনৈক হাজি সাব, আতাউর রহমান এবং সোয়েব। এঁদের মধ্যে দুজনকে আগেই গ্রেফতার করা হয়েছিল। বৃহস্পতিবার গ্রেফতার করা হয় বাকি তিনজনকে। নয়জ পাশাকে গ্রেফতার করা হয়েছে তামিলনাড়ু থেকে।

    পুলিশি তদন্তে জানা গিয়েছে, কর্নাটকের মান্ড্য এলাকার বাসিন্দা দলিত যুবক জনৈক শ্রীধর গঙ্গাধর প্রথমে ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত (Religious Conversion) হতে চেয়েছিলেন। কারণ তাঁকে মোটা অঙ্কের টাকার লোভ দেখানো হয়েছিল। পরে মুসলমান করতে শ্রীধরের সুন্নতও করানো হয়। তাঁর হাতে তুলে দেওয়া হয় নগদ ৫০ হাজার টাকাও। পুলিশের দাবি, এর পর আর ইসলামের দিকে ঝুঁকতে চাননি শ্রীধর। যদিও অভিযুক্তরা তাঁকে বাধ্য করেছিল বলে অভিযোগ। এর পরেই বছর পঁচিশের শ্রীধর পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁর দাবি, অভিযুক্তরা তাঁর সম্মতি ছাড়াই তাঁর নাম বদলে করে দেন মহঃ সালমান। শ্রীধরের অভিযোগের ভিত্তিতে ১২ জনের নামে দায়ের হয় মামলা। যার মধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে পাঁচজনকে। এর মধ্যেই রয়েছেন কংগ্রেসের প্রাক্তন কর্পোরেটর আনসার পাশা। তিনি স্থানীয় বিধায়কের ঘনিষ্ঠও।

    আরও পড়ুন: হিজাব-বিতর্ক বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের অঙ্গ! সুপ্রিম কোর্টে কী বলল কর্নাটক সরকার?

    শ্রীধরের দাবি, অভিযুক্তরা নব মুসলিম নামে একটি গোষ্ঠী তৈরি করেছিলেন। এই গ্রুপের সদস্যদের দেখিয়ে ইরাক-ইরান থেকে অর্থ সংগ্রহ করতেন। ভারতকে মুসলিম রাষ্ট্র বানানোর চেষ্টাও চালাচ্ছিল এই গোষ্ঠী। শ্রীধর বলেন, অভিযুক্তরা আমাকে অচৈতন্য করতে কালো রংয়ের কোনও তরল খাইয়ে দেন। পরে করা হয় সুন্নত। জোর করে গো-মাংসও খাওয়ানো হয় আমাকে। শ্রীধরের আরও অভিযোগ, অভিযুক্তরা তাঁকে একটি রিভলভার দেখিয়ে ভয় দেখান। তাঁর হাতে একটি আগ্নেয়াস্ত্রও তুলে দেওয়া হয়। সেই ছবি মোবাইল বন্দি করে অভিযুক্তরা ভয় দেখান, ঘটনার কথা কাউকে বললে তাঁর ছবি ভাইরাল করে দেওয়া হবে। দেগে দেওয়া হবে সন্ত্রাসবাদী বলে। ভয়ে প্রথমে থানায় অভিযোগ দায়ের না করলেও, পরে অবশ্য করেন। তার পরেই গ্রেফতার করা হয় অভিযুক্তদের কয়েকজনকে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share