Tag: fruits

fruits

  • Nutrition for kids: শিশু কি পুষ্টিকর খাবার খাচ্ছে? সন্তানের বুদ্ধির বিকাশ হবে কোন পাঁচ খাবারে?

    Nutrition for kids: শিশু কি পুষ্টিকর খাবার খাচ্ছে? সন্তানের বুদ্ধির বিকাশ হবে কোন পাঁচ খাবারে?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    সুস্থ থাকতে জরুরি সঠিক খাদ্যাভ্যাস। পুষ্টি ঠিকমতো না হলে শিশুর বিকাশ সম্ভব নয়। আর স্বাস্থ্যকর খাবার আর পুষ্টি ঠিকমতো না পেলে শিশুর একাধিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। বিশেষত বুদ্ধির বিকাশে মারাত্মক প্রভাব পড়ে! কারণ, শিশু কী খাবার খাচ্ছে, তার উপরে অনেকটাই তার মস্তিষ্কের বিকাশ নির্ভর করে। তাই ঠিকমতো পুষ্টিগুণ (Nutrition for kids) না পেলে শিশুর বুদ্ধির বিকাশ হয় না। যার প্রভাব সরাসরি তার পড়াশোনার উপরেই পড়ে। তাই পরীক্ষায় ভালো ফলের জন্য, সন্তানের বুদ্ধির বিকাশের জন্য পুষ্টির দিকে বিশেষ নজরদারি জরুরি বলেই জানাচ্ছেন শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁদের মতে, ৩ থেকে ৫ বছর বয়সি শিশুদের খাদ্যাভ্যাসে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া জরুরি।‌ কারণ, এটা শিশুর মস্তিষ্ক বিকাশের আদর্শ সময়। এই সময়ে তাই তার খাবারেও‌ বিশেষ‌ নজরদারি প্রয়োজন। কিন্তু প্রশ্ন হল, কোন পাঁচ খাবারে বুদ্ধির বিকাশের পথ সহজ হবে? এবার সেই বিষয়েই আলোচনা করা যাক।

    জলখাবারে থাকুক বাদাম (Nutrition for kids)

    বছর তিনেক বয়স থেকেই জলখাবারে বাদাম এবং বীজ জাতীয় খাবার নিয়মিত দেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, কাঠবাদাম, কাজু কিংবা পেস্তা যে কোনও ধরনের বাদাম জাতীয় খাবারে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা থ্রি থাকে। এই উপাদান শিশুর স্মৃতিশক্তি বাড়াতে বিশেষ সাহায্য করে। তাই জলখাবারে নিয়মিত যে কোনও এক ধরনের বাদাম খাওয়া জরুরি। এর ফলে শিশুর বিভিন্ন বিষয় মনে রাখতে সুবিধা হয়।

    দিনে অন্তত এক ধরনের বেরি জাতীয় ফল 

    পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, দিনের যে কোনও সময় শিশুদের অন্তত এক ধরনের বেরি জাতীয় ফল (Nutrition for kids) দিতে হবে। স্ট্রবেরি, ব্লু বেরি বা যে কোনও বেরি জাতীয় ফল নিয়মিত খেলে মস্তিষ্কের বিকাশে বাড়তি সাহায্য হয়। কারণ, যে কোনও বেরি জাতীয় ফলে ভিটামিন সি পর্যাপ্ত থাকে।‌ এর পাশপাশি থাকে ম্যাগনেশিয়াম, জিঙ্ক, ফসফরাস। এই উপাদানগুলি মস্তিষ্কের গঠনে বিশেষ সাহায্য করে। আবার স্মৃতিশক্তি বাড়াতেও সাহায্য করে।

    দুপুরের মেনুতে থাকুক মাছ এবং ডিম (Nutrition for kids)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শিশুর বিকাশের জন্য মাছ এবং ডিম, এই দুই খাবারের পুষ্টিগুণ অত‌্যন্ত জরুরি। তাঁরা জানাচ্ছেন, শরীরের বিভিন্ন পেশি মজবুত করতে, রক্তে আয়রনের অভাব মেটাতে এবং শরীরে ভিটামিন‌-ক্যালসিয়ামের চাহিদা পূরণ করতে মাছ এবং ডিম সাহায্য করে। তেমনি, মস্তিষ্কের বিকাশেও মাছ এবং ডিম-এই দুই খাবার‌ বিশেষভাবে সাহায্য করে। তাই শিশুকে নিয়মিত দুপুরে মাছ অথবা ডিম দেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, মাছ এবং ডিম এই দুই খাবারেই থাকে ফ্যাটি অ্যাসিড। এই উপাদান মস্তিষ্কের বিকাশে‌ বিশেষত স্মৃতিশক্তি বাড়াতে বিশেষ সাহায্য করে। তাই নিয়মিত এই দুই খাবার শিশুকে দিলে তার বিশেষ উপকার হবে।

    রাতের খাবারে থাকুক ‘রামধনু’ সব্জি

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, সব্জি খাওয়ায় (Nutrition for kids) শিশুদের অভ্যস্ত করা জরুরি।‌ টমেটো, কুমড়ো, পটল কিংবা পালং শাক, বিভিন্ন রঙের সব্জি, সবুজ সব্জি খাওয়ার অভ্যাস থাকলে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ে।‌ কিন্তু অধিকাংশ শিশুই এখন নিয়মিত সবুজ সব্জি খায় না।‌ এর জেরে নানান সমস্যা দেখা দিচ্ছে। মস্তিষ্কের বিকাশে এই সবুজ সব্জি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বিট, মূলা, পটল কিংবা গাজর-এই বিভিন্ন রঙের সব্জিতে থাকে বিটা ক্যারোটিন। এই উপাদান মস্তিষ্কের বিকাশে বিশেষ সাহায্য করে। তাই একসঙ্গে বিভিন্ন রঙের সব্জি খাওয়ার অভ্যাস করা জরুরি। একেই ‘রামধনু’ সব্জি বলছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।‌ তাঁরা জানাচ্ছেন, এই সব সব্জি (Nutritious food) খেলে একদিকে শরীরের বিকাশ ঠিকমতো হবে, আবার মস্তিষ্কও সক্রিয় থাকবে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Empty Stomach: সকালে খালি পেটে কী খাবেন? কোন ঘরোয়া উপাদানে রয়েছে সুস্থ শরীরের চাবিকাঠি? 

    Empty Stomach: সকালে খালি পেটে কী খাবেন? কোন ঘরোয়া উপাদানে রয়েছে সুস্থ শরীরের চাবিকাঠি? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    সকালে ঘুম থেকে উঠেই সরাসরি ভারী খাবার নয় (Empty Stomach)। বরং কিছু ঘরোয়া খাবারই করবে বাজিমাত। শরীর রাখবে সুস্থ। তা একাধিক জটিল রোগ মোকাবিলায় সাহায্য করবে‌। এমনই জানাচ্ছে বিশেষজ্ঞ মহল। তারা জানাচ্ছে, কম বয়স থেকেই এখন নানান জটিল রোগের ঝুঁকি বাড়ছে। একদিকে স্থূলতার মতো সমস্যা, আরেকদিকে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ। এসব রোগে এখন তরুণ প্রজন্ম নাজেহাল।‌ তাই দিনের শুরু থেকেই জরুরি রোগ প্রতিরোধ শক্তি নিয়ে বাড়তি সতর্কতা জরুরি। ঘরোয়া কিছু উপাদানের নিয়মিত ব্যবহার হৃদরোগ থেকে কিডনির জটিল অসুখ, কিংবা মহিলাদের ওভারি, জরায়ুর জটিল সমস্যা দূর করতে পারে। এমনই পরামর্শ দিচ্ছে বিশেষজ্ঞদের একাংশ। এবার দেখে নেওয়া যাক, কোন ঘরোয়া উপাদান (Household Ingredients) কতখানি উপকারী?

    আমলকি ভেজানো জল (Empty Stomach)

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছে, ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে জল খাওয়ার অভ্যাস একাধিক রোগ‌ মোকাবিলায় সাহায্য করে। তারা জানাচ্ছে, আমলকি শরীরের জন্য খুবই উপকারী। তাই আমলকি ভেজানো জল খালি পেটে খেলে, তা যথেষ্ট উপকারে আসে। পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছে, আমলকিতে রয়েছে একাধিক খনিজ পদার্থ এবং ভিটামিন ই। তাই খালি পেটে আমলকি ভেজানো জল খেলে একদিকে হজমের সমস্যা কমে, শরীরে প্রতিরোধ শক্তিও বাড়ে। আবার ত্বক এবং চুলের সমস্যাও কমে। ত্বক উজ্জ্বল হয়।

    গরম জলে মধু মিশিয়ে খাওয়া

    সকালে ঘুম থেকে উঠে সপ্তাহে অন্তত তিন‌ দিন গরম জলে মধু মিশিয়ে খেলে (Empty Stomach) শরীর সুস্থ থাকবে বলেই জানাচ্ছে বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তারা জানাচ্ছে, এই পানীয় শরীরের টক্সিন বের করতে বিশেষ ভাবে সাহায্য করে। এর জেরে একদিকে সহজেই স্থূলতার সমস্যার মোকাবিলা করা যায়। এই পানীয় মেদ দ্রুত ঝরায়।‌ আরেকদিকে কিডনি ভালো থাকে। মহিলাদের ওভারি সুস্থ রাখতে এই পানীয় বিশেষ সাহায্য করে। আবার ত্বকও ভালো‌ থাকে।

    ভেজানো কাঠবাদাম (Empty Stomach)

    সকালে খালি পেটে ভেজানো কাঠবাদাম অন্তত পাঁচটা খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে বিশেষজ্ঞদের একাংশ।‌ তারা জানাচ্ছে, কাঠবাদাম মস্তিষ্কের বিকাশে বিশেষ সাহায্য করে‌। তাই শিশুদের খালি পেটে ভেজানো কাঠবাদাম খাওয়ানোয় অভ্যস্ত করার পরামর্শ দিচ্ছে পুষ্টিবিদদের একাংশ। তারা জানাচ্ছে, কাঠবাদামে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে খনিজ পদার্থ। পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজের মতো উপাদান।‌ তাই এই উপাদান শরীরে এনার্জি জোগায়। আবার স্নায়ু সুস্থ রাখে। পাশাপাশি এই ধরনের উপাদানগুলো মস্তিষ্ক সক্রিয় রাখতে বিশেষ সাহায্য করে। তাই সকালে উঠে নিয়মিত ভেজানো কাঠবাদাম খেলে বাড়তি উপকার পাওয়া যায়।

    খালি পেটে খেজুর কমাবে একাধিক সমস্যা

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছে, বহু মানুষ কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় ভোগেন। খালি পেটে (Household Ingredients) একটা খেজুর খেলে এই সমস্যা সহজেই মোকাবিলা সম্ভব। তারা জানাচ্ছে, খেজুরে রয়েছে একাধিক ভিটামিন এবং ফাইবার। তাই এই ফল একদিকে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যাকে সহজেই কাবু করে, আবার দ্রুত শক্তি জোগায়‌।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Diabetes: ডায়াবেটিস হয়েছে বলে ভাত-রুটি বাদ? বিপদ বাড়ছে না তো? কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা? 

    Diabetes: ডায়াবেটিস হয়েছে বলে ভাত-রুটি বাদ? বিপদ বাড়ছে না তো? কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    ডায়াবেটিস আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে বিশ্ব জুড়ে। বাদ নেই ভারত। এদেশেও ডায়াবেটিসের (Diabetes) প্রকোপ বাড়ছে। বিশেষত, কম বয়সিদের মধ্যে ডায়াবেটিসে আক্রান্তের সংখ্যা মারাত্মক বাড়ছে। যা যথেষ্ট উদ্বেগজনক। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, কম বয়সিদের দরকার বাড়তি সতর্কতা। খাবার থেকে জীবন যাপন, সব কিছুতেই নিয়ন্ত্রণ না রাখলে পরবর্তীকালে নানান জটিল রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি‌ কয়েক গুণ বেড়ে যায়। তবে, অধিকাংশ ক্ষেত্রে ডায়াবেটিস আক্রান্তদের খাদ্যাভ্যাস নিয়ে নানান ভুল ধারণা রয়েছে। আর তার জেরেই আরও শারীরিক ক্ষতি হয় বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, এ দেশের অধিকাংশ ডায়াবেটিস আক্রান্তেরা রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে ভাত ও রুটি খাওয়া একেবারেই বন্ধ করে দেন। যা সম্পূর্ণ অবৈজ্ঞানিক। নিয়মিত ভাত কিংবা রুটির মতো খাবার না খেলে নানান শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। ডায়াবেটিস আক্রান্ত হলেও নিয়মিত ভাত-রুটি খাওয়া জরুরি। তাঁদের পরামর্শ, ডায়াবেটিস আক্রান্তেরা বিশেষত কম বয়সিরা ডায়েট তৈরির আগে অবশ্যই পুষ্টিবিদদের পরামর্শ নিন। না হলে‌ অসচেতনতার জেরে বাড়তি ভোগান্তি হতে পারে।

    কেন নিয়মিত ভাত-রুটি খাওয়া জরুরি? (Diabetes)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শরীরে কার্বোহাইড্রেট ও ফাইবারের জোগান থাকা দরকার। না হলে শরীর দুর্বল হয়ে যাবে। রোগ প্রতিরোধ শক্তি কমবে। এছাড়াও একাধিক সমস্যা দেখা দেবে। ভাত এবং রুটি এই দুই খাবার থেকেই মূলত শরীরে কার্বোহাইড্রেট এবং ফাইবারের জোগান পাওয়া যায়। তাঁরা জানাচ্ছেন, কম বয়সিদের বাইরে কাজ করতে হয়। শারীরিক পরিশ্রম বেশি। তাই শরীরে বাড়তি এনার্জির প্রয়োজন। ভাত-রুটির মতো‌ খাবার একেবারেই বাদ দিলে বিপদ‌ বাড়বে। শরীরে এনার্জির ঘাটতি দেখা দেবে। এর ফলে ক্লান্তি বাড়বে। মনঃসংযোগ কমবে (Diabetes)। এছাড়াও পেশি দুর্বল হয়ে পড়বে। পাশপাশি, রোগ প্রতিরোধ শক্তি কমবে। ডায়াবেটিস রোগীদের কিডনি, ফুসফুস এবং হৃদরোগ‌ সহ একাধিক রোগের ঝুঁকি বেশি থাকে। তাই শরীরে কার্বোহাইড্রেট এবং ফাইবারের জোগান জরুরি। তাই ডায়াবেটিস হলেও মেনুতে নিয়মিত ভাত এবং রুটি রাখা জরুরি।

    কতখানি ভাত-রুটি খাবেন? (Diabetes)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, প্রত্যেক দিনের মোট খাবারে অন্তত ৫০ শতাংশ কার্বোহাইড্রেট এবং ফাইবার জাতীয় খাবার থাকা জরুরি। কারণ, শরীরে সমস্ত খাবারের ভারসাম্যের জন্য এই খাদ্যাভ্যাস দরকার। তবে চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, খাবারের ভারসাম্য সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ দিক। ডায়াবেটিস আক্রান্ত কখনই‌ শুধু ভাত কিংবা অনেকটা পরিমাণ রুটি খাবেন না। ভাত কিংবা রুটির সঙ্গে অবশ্যই ছোলা কিংবা মুসুর ডাল রাখতে হবে। এতে ফাইবার ও প্রোটিনের ভারসাম্য বজায় থাকবে। সঙ্গে রাখতে হবে অন্তত এক বাটি সবজি। বিশেষত পটল, করলা, পালং শাক, লাউয়ের মতো সবজি নিয়মিত খেলে শরীরে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট, ভিটামিনের জোগান ঠিকমতো হবে। এছাড়াও প্রোটিনের ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে (Diabetes)। তাই মাছ অথবা মাংস নিয়মিত মেনুতে রাখা জরুরি। তবেই শরীর সুস্থ থাকবে। ভারসাম্য রেখে নিয়মিত খাবার খেলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ সহজ হয় বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তবে রাতের খাবার সহজপাচ্য হওয়া জরুরি।‌ তাই রাতে প্রাণিজ প্রোটিনের পরিবর্তে ছানা, পনীর, সোয়াবিনের মতো পদ রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bengali Sweets: বাংলার সবজির মোরব্বাও কম সুস্বাদু নয়! এর উৎপত্তির ইতিহাসও চমকপ্রদ

    Bengali Sweets: বাংলার সবজির মোরব্বাও কম সুস্বাদু নয়! এর উৎপত্তির ইতিহাসও চমকপ্রদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাঙালির শেষ পাতে মিষ্টি না হলে বোধহয় চলে না! তাই তো রকমারি মিষ্টির (Bengali Sweets) বাহার আমাদের বাংলাতে। রসগোল্লা থেকে শুরু করে সন্দেশ, পান্তুয়া-কোনওটাই বাদ যায় না তালিকা থেকে। কিছু মিষ্টি আছে, যেগুলি স্বাদে ও আকারে অন্যান্য সাধারণ মিষ্টির থেকে অনেকটাই ভিন্ন। সেরকমই একটি মিষ্টি মোরব্বা। বীরভূমের সিউড়ি শহরের নাম মাথায় এলে মোরব্বা নামটা একবার উচ্চারণ করতেই হয়। সিউড়ির বিখ্যাত মিষ্টি হল মোরব্বা। বর্ধমানের যেমন মিহিদানা-সীতাভোগ, শক্তিগড়ের ল্যাংচা, কলকাতার রসগোল্লা, তেমনই বীরভূমের এই মোরব্বা। অনেকেই পছন্দ করেন এই মোরব্বা। কিন্তু এই মিষ্টির উৎপত্তি নিয়ে অনেক ইতিহাস আছে। আসলে এই মিষ্টি বাংলায় তৈরি না বিদেশে, তা নিয়েও আছে অনেক গল্প।

    কী এই মোরব্বা?

    ‘মোরব্বা’ শব্দটি এসেছে আরবি শব্দ ‘মুরাব্বা’ থেকে, যার অর্থ সংরক্ষিত ফল। মোরব্বা হল একটি মিষ্টি যা ভারতের অনেক জায়গাতেই পাওয়া যায়। কিন্তু মোরব্বা (Bengali Sweets) বিখ্যাত আমাদের পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার সিউড়ি শহরে। দক্ষিণ ককেশাস, মধ্য এশিয়া, দক্ষিণ এশিয়া এবং মধ্য প্রাচ্যের অনেক অঞ্চলে জনপ্রিয় মিষ্টি এটি। সাধারণত মিষ্টি ফল যেমন আপেল, খেজুর, এমনকী পটল, চালকুমড়া, পেঁপে, বেল প্রভৃতিকে গাঢ় মিষ্টির রসে ডুবিয়ে রেখে বিভিন্ন মশলা সহযোগে তৈরি করা হয় এই মোরব্বা, যা অনেকদিন পর্যন্ত মিষ্টির রসে সংরক্ষণ করে রাখা যেতে পারে।

    মোরব্বার (Bengali Sweets) উৎপত্তি হল কীভাবে?

    আসলে এই মিষ্টির উৎপত্তি পর্তুগিজদের হাত ধরে। জানা যায়, প্রাচীন ভারতে ছানা খাওয়া অপবিত্র ছিল। তাই ছানা সহযোগে আগে ভারতে কোনওরকম মিষ্টি তৈরি হত না। কিন্তু পর্তুগিজরা ভারতে আসার পর ছানার ব্যাবহার শুরু করে। আর এই ছানা দিয়ে নানারকম মিষ্টিও তারা বানায়। এই সব মিষ্টির সঙ্গে তারা আরও এক ধরনের মিষ্টি তৈরি করে, যা মোরব্বা নামে পরিচিত। এই মিষ্টি তৈরিতে কোনও রকম ছানা লাগত না। বিভিন্ন ফলকে গাঢ় রসে ডুবিয়ে সেই ফলগুলিকে সংরক্ষণ করা হত, যা মিষ্টির আকার নিত। এই মোরব্বা প্রথম পর্তুগিজদের হাত ধরেই ভারতে প্রবেশ করে। আজ এই মোরব্বা গোটা বিশ্বে বিখ্যাত। লোক মুখে শোনা যায়, এই মোরব্বা প্রথম তৈরি হয় বীরভূমের রাজনগরে।    
    আবার বিভিন্ন বই-এর লেখা থেকে জানা যায়, পর্তুগিজ বণিকদের হাত ধরেই প্রবেশ করে এই মোরব্বা। সিউড়ির স্থানীয় লোকদের কাছ থেকে জানা যায়, ১৮ শতকের মাঝামাঝি সময়ে বীরভূমের বিখ্যাত মিষ্টি ব্যবসায়ী হরিপ্রসাদ দে একবার দিল্লি ঘুরতে গিয়েছিলেন। সেখানে তিনি একরকম মিষ্টির সন্ধান পান, যেটি পেঠা নামে পরিচিত ছিল। সেই মিষ্টিটি তিনি খেয়ে দেখেন ও তার স্বাদ খুবই পছন্দ হয়। সেখান থেকেই এই মিষ্টি তৈরির প্রণালী শিখে আসেন এবং নিজের শহরে ফিরে এসে এই ধরনের মিষ্টি (Bengali Sweets) বানানোর সিদ্ধান্ত নেন, যা মোরব্বা নামে পরিচিত। বিভিন্ন ফল দিয়ে তিনি এই মিষ্টি বানাতে শুরু করেন। তাঁর বংশধর নন্দদুলাল দে এই ইতিহাস সত্যি বলেই দাবি করেন। আস্তে আস্তে এই মিষ্টি গোটা ভারত জুড়ে বিখ্যাত হতে শুরু করে। এটি হয়ে ওঠে বীরভূমের সিউড়ির বিখ্যাত মিষ্টান্ন। অনেক বড় বড় মানুষ এই মোরব্বার সন্ধানে সিউড়িতে এসেছেন।
    বর্তমানে ফল ছাড়া আরও বিভিন্ন সবজি দিয়েও এই মোরব্বা বানানো হয়। তার মধ্যে পটল, চালকুমড়া, শতমূলের মোরব্বা বিখ্যাত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share