Tag: FSSAI

FSSAI

  • Food Safety Raids: বিশেষ খাদ্য সুরক্ষা সপ্তাহে কড়া নজরদারি, প্রথম তিন দিনেই প্রকাশ্যে ৮৮% প্রতিষ্ঠানের অনিয়ম

    Food Safety Raids: বিশেষ খাদ্য সুরক্ষা সপ্তাহে কড়া নজরদারি, প্রথম তিন দিনেই প্রকাশ্যে ৮৮% প্রতিষ্ঠানের অনিয়ম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যজুড়ে খাবারে ভেজাল, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ এবং খাদ্য লাইসেন্স সংক্রান্ত অনিয়মের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান শুরু করেছে খাদ্য সুরক্ষা দফতর (Food Safety Raids)। ১ থেকে ৭ সেপ্টেম্বর পালিত হচ্ছে ‘স্পেশাল ফুড সেফটি উইক’। সেই কর্মসূচির প্রথম তিন দিনেই রাজ্যের ২,৩৩৭টি খাদ্য ও পানীয় সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানে পরিদর্শন চালানো হয়েছে। এর মধ্যে ২,০৫৬টি প্রতিষ্ঠানে গুরুতর অনিয়মের হদিশ মিলেছে। অর্থাৎ, পরিদর্শন করা (West Bengal) প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৮৮ শতাংশের বিরুদ্ধেই কোনও না কোনও বড় ধরনের অসঙ্গতি সামনে এসেছে।

    সংশোধনমূলক পদক্ষেপ করার নির্দেশ (Food Safety Raids)

    দফতর সূত্রে খবর, অনিয়ম ধরা পড়ার পর ২,০৩৯টি ক্ষেত্রে সংশোধনমূলক পদক্ষেপ করার নির্দেশ বা পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে মোট ১,২৭৭টি খাদ্য নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। ১ সেপ্টেম্বর ৪২৮টি, ২ সেপ্টেম্বর ৪৭৩টি এবং ৩ সেপ্টেম্বর ৩৭৬টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। শুধু নজরদারি নয়, অনিয়মের ক্ষেত্রে প্রশাসনিক ও আইনি পদক্ষেপও করা হয়েছে। ১৬টি প্রতিষ্ঠানে নির্দিষ্ট খাদ্যপণ্য বিক্রির উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। ১৭টি প্রতিষ্ঠান সিল করে দেওয়া হয়েছে। পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স বা রেজিস্ট্রেশন বাতিল করা হয়েছে। ১৭টি ক্ষেত্রে আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। পরিসংখ্যান বলছে, ১ সেপ্টেম্বর ৯০৬টি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালানো হয়। পরের দিন ৮২৪টি এবং তার পরের দিন আরও ৬০৭টি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালানো হয়।

    মালদায় একাধিক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

    তিন দিনের অভিযানে মালদায় একাধিক খাদ্য ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ‘টেস্টি ফুড প্রোডাক্টে’র ক্ষেত্রে বৈধ ও আপডেট খাদ্য লাইসেন্স দেখাতে না পারার অভিযোগ ওঠে। তার উপর কেক তৈরির জায়গার পরিচ্ছন্নতা নিয়েও গুরুতর প্রশ্ন দেখা দেয়। পরিস্থিতির জেরে সেখানে খাদ্যপণ্য বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

    একই জেলায় ‘হায়দরাবাদি বিরিয়ানি’র বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বৈধ খাদ্য লাইসেন্স বা রেজিস্ট্রেশনের নথি দেখাতে না পারার পাশাপাশি খোলা জায়গায় নর্দমার উপর রান্না করার অভিযোগও সামনে এসেছে। ফলে ওই প্রতিষ্ঠানেও বিক্রি বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    মালদার পানীয় জল প্রস্তুতকারী ‘পিওর বুন্দ’ এবং ‘পাইলট পানি’র ক্ষেত্রেও লাইসেন্স সংক্রান্ত অনিয়ম ধরা পড়ে। খাদ্য সুরক্ষা বিধিতে নির্ধারিত স্বাস্থ্যবিধি এবং অন্যান্য আবশ্যিক শর্ত মানা হয়েছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। দুই সংস্থার বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে (Food Safety Raids)।

    হলুদে মেটানিল ইয়েলো, বন্ধ দুধঘর

    উত্তর ২৪ পরগনার অশোকনগরের ‘দুধ ঘরে’ বৈধ খাদ্য লাইসেন্স না থাকার অভিযোগের পাশাপাশি অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের সন্ধান মেলে। স্পট টেস্টে হলুদ গুঁড়োয় ‘মেটানিল ইয়েলো’ নামে অননুমোদিত রং শনাক্ত হয়েছে বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানের ভিতর থেকেও খাবারের মেশানো রং উদ্ধার হয়। পরে পুলিশি হস্তক্ষেপে প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ করে দেওয়া হয়, খাদ্য বিক্রির উপর জারি করা হয় নিষেধাজ্ঞা।

    হুগলিতে বন্ধ পানীয় জল প্রস্তুতকারী সংস্থা

    হুগলির পুইনানে ‘নূর এন্টারপ্রাইজ’ নামে একটি পানীয় জল প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধেও কড়া পদক্ষেপ হয়েছে। খাদ্য ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত পক্ষের তরফে ভুল তথ্য দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে জেলা এনফোর্সমেন্ট শাখার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

    লাইসেন্স নেই, জল পরীক্ষার রিপোর্টও অনুপস্থিত

    ৩ সেপ্টেম্বর কালীগঞ্জের দেবগ্রামের ‘তারা মা হোটেল’ এবং চাপড়ার ‘জনপ্রিয় হোটেলে’র বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয় পুলিশ। দুই প্রতিষ্ঠানই বৈধ খাদ্য লাইসেন্স দেখাতে পারেনি বলে অভিযোগ। এর পাশাপাশি পানীয় জলের পরীক্ষার রিপোর্ট অনুপস্থিত ছিল এবং খাবার সংরক্ষণ ও রান্নার পরিবেশও স্বাস্থ্যসম্মত ছিল না। পোকামাকড় নিয়ন্ত্রণের উপযুক্ত ব্যবস্থা এবং প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসম্মত বাসনপত্রের ঘাটতিও নজরে আসে (Food Safety Raids)।

    পশ্চিম বর্ধমানে জরিমানা

    পশ্চিম বর্ধমানেও অভিযান চালিয়ে সাতটি খাদ্য ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে জরিমানা করা হয়েছে। ২০১৬ সালের সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট রুলস অনুযায়ী এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। এদিকে, কলকাতার তাজ বেঙ্গলে পরিদর্শনের সময় বড় কোনও নিয়মভঙ্গ নজরে আসেনি বলেও রিপোর্টে উল্লেখ (West Bengal) করা হয়েছে। খাদ্য সুরক্ষা দফতরের এই বিশেষ অভিযানের মূল উদ্দেশ্য হল খাদ্যপণ্যের গুণমান বজায় রাখা, খাদ্য সুরক্ষা বিধি কার্যকর করা এবং ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলির লাইসেন্স ও রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত নিয়ম মানার বিষয়টি নিশ্চিত করা। ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে এই বিশেষ নজরদারি। ফলে আগামী দিনগুলিতে আরও বিভিন্ন খাদ্য ও পানীয় প্রতিষ্ঠানে অভিযান এবং নিয়মভঙ্গের ক্ষেত্রে পদক্ষেপের সম্ভাবনা রয়েছে (Food Safety Raids)।

     

  • FSSAI: প্যাকেটজাত খাবারে এবার লাল ষড়ভুজ সতর্কবার্তা! অতিরিক্ত চিনি, নুন ও চর্বিতে নজর এফএসএসএআই-এর

    FSSAI: প্যাকেটজাত খাবারে এবার লাল ষড়ভুজ সতর্কবার্তা! অতিরিক্ত চিনি, নুন ও চর্বিতে নজর এফএসএসএআই-এর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নোনতা, মিষ্টি ও অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত প্যাকেটজাত খাবারের ক্ষেত্রে এবার আরও স্পষ্ট সতর্কবার্তা দিতে চলেছে ভারতের খাদ্য নিয়ন্ত্রক সংস্থা। প্যাকেটের সামনের দিকে বড় করে লাল রঙের ষড়ভুজ চিহ্ন (Red Hexagon Labels) বসানোর প্রস্তাব দিয়েছে ভারতের খাদ্য নিরাপত্তা ও মান কর্তৃপক্ষ। কোনও খাবারে অতিরিক্ত চিনি, চর্বি ও নুনের মাত্রা নির্দিষ্ট সীমা ছাড়ালে ক্রেতাদের সতর্ক করতেই এই উদ্যোগ।

    এফএসএসএআইয়ের প্রস্তাব (FSSAI)

    ভারতের খাদ্য নিরাপত্তা ও মান কর্তৃপক্ষ বা এফএসএসএআইয়ের (FSSAI) এই প্রস্তাব এসেছে সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপের পর। অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের সঙ্গে বিভিন্ন জীবনযাপনজনিত রোগের সম্পর্ক নিয়ে আদালতে একটি আবেদন করা হয়েছিল। অতিরিক্ত নুন, চিনি ও অস্বাস্থ্যকর চর্বি খাওয়ার ফলে স্থূলতা, ডায়াবেটিস, হৃদ্‌রোগ এবং কিছু ধরনের ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়তে পারে—আবেদনে সেই বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টে জমা দেওয়া হলফনামায় এফএসএসএআই জানিয়েছে, খাবারের প্যাকেটের সামনের দিকে ‘যোগ করা চিনি’, ‘যোগ করা চর্বি’ এবং ‘নুনে’র মাত্রা স্পষ্টভাবে তুলে ধরার জন্য একটি প্রস্তাব তৈরি করা হয়েছে। সংস্থার লক্ষ্য, কোনও খাবারে উদ্বেগের কারণ হতে পারে এমন পুষ্টি উপাদানের মাত্রা বেশি থাকলে ক্রেতাদের জন্য একটি “সহজ, স্পষ্ট এবং সহজে বোঝা যায় এমন সতর্কবার্তা” দেওয়া।

    লাল রঙের ষড়ভুজ সতর্কচিহ্ন

    প্রস্তাবিত ব্যবস্থায়, প্রথম পর্যায়ে নির্ধারিত পুষ্টি উপাদানগুলির মধ্যে অন্তত দু’টির মাত্রা বেশি থাকলে সংশ্লিষ্ট খাবারের প্যাকেটে লাল রঙের ষড়ভুজ সতর্কচিহ্ন দেওয়া হবে।পুষ্টি উপাদান অনুযায়ী সতর্কবার্তায় লেখা থাকতে পারে “অতিরিক্ত চর্বি”, “অতিরিক্ত চিনি” অথবা “অতিরিক্ত নুন”। নির্দিষ্ট কিছু পানীয়ের ক্ষেত্রে আলাদা করে “অত্যধিক মিষ্টিযুক্ত পানীয়” লেখা সতর্কবার্তাও ব্যবহার করা হতে পারে। শুধু প্যাকেটের পিছনে থাকা বিস্তারিত পুষ্টিগুণের তালিকার উপর নির্ভর না করে যাতে কেনার আগেই ক্রেতার নজরে সতর্কবার্তা আসে, সে জন্য সামনের দিকের এই লেখাগুলি পিছনের পুষ্টি-তথ্য প্যানেলের তুলনায় বড় অক্ষরে ছাপানোর প্রস্তাব দিয়েছে এফএসএসএআই।

    কোন খাবারে নাও থাকতে পারে সতর্কবার্তা?

    প্রস্তাবিত নিয়ম সব ধরনের খাবারের ক্ষেত্রে একইভাবে প্রযোজ্য নাও হতে পারে। একক উপাদানে তৈরি খাবার এবং স্বাভাবিকভাবেই চর্বি, চিনি বা নুনের মাত্রা বেশি এমন কিছু খাবারকে এই নিয়মের আওতার বাইরে রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।

    এর মধ্যে ঘি, ভোজ্য তেল, নুন, চিনি, গুড় এবং মধুর মতো খাবার থাকতে পারে। তবে বিদ্যমান খাদ্য নিরাপত্তা ও প্যাকেটের গায়ে তথ্য দেওয়ার নিয়মের অন্যান্য শর্ত তাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য থাকবে।

    ধাপে ধাপে চালু হতে পারে নতুন ব্যবস্থা

    একসঙ্গে সমস্ত প্যাকেটজাত খাবারের ক্ষেত্রে এই ব্যবস্থা কার্যকর না করে ধাপে ধাপে সতর্কবার্তা চালুর সুপারিশ করেছে এফএসএসএআই (FSSAI)।

    প্রথম পর্যায়ে এমন খাবারকে আওতায় আনা হবে, যেগুলিতে নির্ধারিত দুই বা তার বেশি পুষ্টি উপাদান—যোগ করা চর্বি, যোগ করা চিনি এবং নুন—নির্দিষ্ট মাত্রার বেশি রয়েছে। নির্দিষ্ট ধরনের মিষ্টিযুক্ত পানীয়ও এই পর্যায়ের আওতায় থাকবে।

    দ্বিতীয় পর্যায়ে নিয়ম আরও বিস্তৃত করা হবে। তখন নির্ধারিত পুষ্টি উপাদানগুলির মধ্যে যে কোনও একটির মাত্রা বেশি থাকলেও সংশ্লিষ্ট খাবারের প্যাকেটে সতর্কবার্তা দেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে।

    এফএসএসএআইয়ের মতে, ধাপে ধাপে ব্যবস্থা চালু হলে ক্রেতারা নতুন সতর্কচিহ্নের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সময় পাবেন। একইসঙ্গে প্রয়োজনে খাবারের উপাদান ও প্রস্তুতপ্রণালী পরিবর্তন করে পণ্য নতুনভাবে তৈরি করার জন্য খাদ্য প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলিও পর্যাপ্ত সময় পাবে।

    ২০২৪ সালের খাদ্য নির্দেশিকার ভিত্তিতে সীমা নির্ধারণ

    এফএসএসএআই যে পুষ্টি-সীমার প্রস্তাব করেছে, তা ২০২৪ সালের ভারতীয়দের জন্য খাদ্য নির্দেশিকার ভিত্তিতে তৈরি। এই নির্দেশিকা প্রকাশ করেছে ভারতীয় চিকিৎসা গবেষণা পরিষদ এবং জাতীয় পুষ্টি সংস্থা।

    প্রস্তাবিত নিয়ম অনুযায়ী, প্রথম পর্যায়ে কোনও খাবারে চর্বি, চিনি এবং বা নুনের মাত্রা নির্ধারিত সীমা ছাড়িয়ে গেলে এবং চিহ্নিত পুষ্টি উপাদানগুলির মধ্যে অন্তত দু’টির মাত্রা বেশি হলে সেটিকে সতর্কবার্তা দেওয়ার আওতায় আনা হবে (FSSAI)।

    এই প্রস্তাব কার্যকর হলে ভারতের খাদ্যপণ্যের গায়ে তথ্য দেওয়ার ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে। এতদিন প্যাকেটের পিছনে থাকা বিস্তারিত পুষ্টি-তথ্য দেখে ক্রেতাকে নিজেই খাবারের স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি বুঝতে হত (Red Hexagon Labels)। নতুন ব্যবস্থায় প্যাকেটের সামনেই বড় ও স্পষ্ট সতর্কবার্তা থাকবে, ফলে খাবার কেনার আগেই অতিরিক্ত চিনি, নুন বা চর্বির উপস্থিতি সম্পর্কে (FSSAI) সহজে জানতে পারবেন ক্রেতারা।

     

  • Pan Masala Packaging: প্লাস্টিকের প্যাকেটে পানমশলা বিক্রি বন্ধ! প্যাকেজিংয়ে নতুন নিয়ম, বিক্রি করতে হবে কাচ বা টিনের পাত্রে

    Pan Masala Packaging: প্লাস্টিকের প্যাকেটে পানমশলা বিক্রি বন্ধ! প্যাকেজিংয়ে নতুন নিয়ম, বিক্রি করতে হবে কাচ বা টিনের পাত্রে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পান মশলার প্যাকেজিং (Pan Masala Packaging) নিয়ে নতুন নিয়ম চালু করল ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ড অথরিটি অফ ইন্ডিয়া (FSSAI New Rules)। ভারতের খাদ্য নিরাপত্তা ও মান নিয়ন্ত্রক সংস্থার নতুন নিয়ম অনুযায়ী, পান মশলা প্যাকেটজাত করার ক্ষেত্রে প্লাস্টিক, অ্যালুমিনিয়াম ফয়েল এবং ধাতব স্তর ব্যবহার করা যাবে না। এই সংশোধনের মাধ্যমে খাদ্য নিরাপত্তা ও মান সংক্রান্ত প্যাকেজিং বিধি, ২০১৮-তে পরিবর্তন আনা হয়েছে। নির্দিষ্ট খাদ্যপণ্যের জন্য অনুমোদিত প্যাকেজিং উপকরণের তালিকায় পান মশলাকে নতুনভাবে যুক্ত করা হয়েছে।

    কী দিয়ে তৈরি হবে পানমশলার প্যাকেট

    এফএসএসএআই জানিয়েছে, প্লাস্টিকের বিকল্প হিসেবে সংস্থাগুলিকে সম্পূর্ণ পরিবেশবান্ধব কাঁচামাল ব্যবহার করতে হবে। যেমন, ধাতব টিন ক্যান বা কাচের ছোট পাত্র। সম্পূর্ণ প্লাস্টিকমুক্ত কাগজ, পেপারবোর্ড, সেলুলোজ বা প্রাকৃতিক উৎস থেকে তৈরি প্যাকেজিংয়েও আপত্তি নেই। সংশোধিত নীতিতে জানানো হয়েছে, ২০১৬ সালের প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নীতি, ১৯৮৬ সালের পরিবেশ (রক্ষা) আইন মেনে এ বার থেকে পানমশলা প্যাকেটজাত করতে হবে। নীতি সংশোধনীর খসড়া চলতি বছর ২৮ এপ্রিল প্রকাশ করেছিল কেন্দ্রীয় সরকার। সেই নিয়ে সাধারণ মানুষের মতামত জানতে চেয়েছিল তারা। ৬০ দিন সময় দেওয়া হয়। এফএসএসএআই জানিয়েছে, সাধারণ মানুষের মতামত বিবেচনা করেই চূড়ান্ত সংশোধনী প্রকাশ করা হয়েছে।

    প্যাকেজিং-য়ে ব্যবহার করা যাবে না কী কী

    প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে গত ৭ অগাস্ট এফএসএসএআই-এর মূল প্যাকেজিং নীতিমালায় সংশোধন এনে গেজেট বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। নতুন নিয়ম কার্যকর হওয়ার পর পানমশলার প্যাকেটে আর ব্যবহার করা যাবে না পলিথিলিন, পলিপ্রোপিলিন, পলিয়েস্টার ও পলিভিনাইল ক্লোরাইড (PVC)। অন্যান্য সিন্থেটিক পলিমার, কো-পলিমার এবং ল্যামিনেটের স্তর রাখাও যাবে না। অ্যালুমিনিয়াম ফয়েল এবং ধাতব প্রলেপযুক্ত যে কোনও অভ্যন্তরীণ স্তরও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বর্তমানে বাজারে অধিকাংশ পানমশলাই বহুস্তরীয় বা প্লাস্টিকের ছোট পাউচে বিক্রি করা হয়। ফলে কেন্দ্র সরকারের এই কড়া নির্দেশের পর প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলিকে প্যাকেজিংয়ের পুরো পরিকাঠামো রাতারাতি বদলাতে হবে। শিল্প বিশেষজ্ঞদের মতে, কাচ বা টিনের পাত্রে রূপান্তরের ফলে পানমশলা প্রস্তুতকারী সংস্থাগুলির উৎপাদন, পরিবহণ এবং সামগ্রিক প্যাকেজিংয়ের খরচ অনেকটাই বেড়ে যেতে পারে। যা আগামী দিনে বাজারে পানমশলার বিক্রয়মূল্যে প্রভাব ফেলতে পারে।

  • ORS: গুণমান ছাড়া শিশুদের পানীয়তে ওআরএস লেবেলিং নিষিদ্ধ করল কেন্দ্র

    ORS: গুণমান ছাড়া শিশুদের পানীয়তে ওআরএস লেবেলিং নিষিদ্ধ করল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ড অথরিটি অফ ইন্ডিয়া (FSSAI) আইন অমান্যের কারণ দেখিয়ে পানীয়ের ওপর থেকে ওআরএস (ORS) লেখা বাদ দেওয়ার নির্দেশ। কেন্দ্রশাসিত এবং রাজ্যগুলিতে এই নির্দেশিকা সমানভাবে কার্যকর হবে। চিনিযুক্ত পানীয় থেকে ওআরএস লেবেলিং সরিয়ে দেওয়ার জন্য হায়দ্রাবাদের শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তার শিবরঞ্জনী সন্তোষ ৮ বছরেরও বেশি সময় ধরে বিশেষ সচেতনতা অভিযান চালিয়ে সরব হয়েছিলেন। তাঁর কথায়, “চিনিযুক্ত পানীয় যা ওআরএস, তা কার্যত শিশুস্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।” অবশেষে মিলেছে সাফল্য। সাফল্যে অত্যন্ত আবেগপূর্ণ তিনি।

    আমরা জিতেছি!

    সরকারের তরফে ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ড অথরিটি অফ ইন্ডিয়া (FSSAI) গত ১৪ অক্টোবর একটি নির্দেশিকা দিয়ে জানিয়েছে, ওআরএস একটি স্বতন্ত্র শব্দ। এখন থেকে ওআরএসকে ট্রেডমার্ক হিসেবে ব্যবহার করলে ২০০৬ সালের আইন অনুযায়ী বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্ট করে শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ সন্তোষ খুব স্পষ্ট করে বলেন, “আমরা জিতেছি! আজ একটা নির্দেশিকা জারি হয়েছে। এখন থেকে শিশুদের পানীয়তে কোনও কোম্পানি আর ওআরএস ব্যবহার করতে পারবে না। ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন দ্বারা স্বীকৃতি এবং তাদের ফর্মুলাকে অনুসরণ করেই ব্যবহার করতে হবে। আমি এফএসএসএআই, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ধন্যবাদ জানাই। আজ রাত ১০টা ২০ মিনিটে আমি বলছি এবং যাঁরা শুনছেন প্রত্যেক শিশুর অভিভাবক, ডাক্তার, শিশু, প্রভাবশালী, শিক্ষাবিদ, শিক্ষক, সাংবাদিক, অ্যাডভোকেট, অভিনেতা-অভিনেত্রী, পডকাস্ট, ইউটিউবার-সহ সকলকে আমার পাশে থাকার জন্য ধন্যবাদ জানাই।”

    কেন ক্ষতিকর পানীয় (ORS)?

    বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা প্রতি লিটার পানীয়তে ২৪৫ মোট অসমোলারিটি সহ একটি ওআরএস (ORS) দ্রবণ সুপারিশ করে। এতে প্রতি লিটার জলে ২.৬ গ্রাম সোডিয়াম ক্লোরাইড, ১.৫ গ্রাম পটাসিয়াম ক্লোরাইড, ২.৯ গ্রাম সোডিয়াম সাইট্রেট এবং ১৩.৫ গ্রাম ডেক্সট্রোজ অ্যানহাইড্রাস চিনি থাকাটাই দস্তুর। কিন্তু ওআরএস বলে দাবি করা অনেক বাণিজ্যিক পানীয়তে এই মানদণ্ড মেনে চলা হয় না বলে অভিযোগ। এই উপাদানগুলি ওই সব পানীয়তে উল্লেখযোগ্যভাবে কম থাকে। এই সব পানীয়তে প্রায়শই প্রতি লিটারে ১২০ গ্রাম চিনি থাকে এবং এর প্রায় ১১০ গ্রামই আসে অতিরিক্ত চিনি থেকে। এগুলির ইলেক্ট্রোলাইটের মাত্রাও অসামঞ্জস্যপূর্ণ, যেমন প্রতি লিটারে ১.১৭ গ্রাম সোডিয়াম, ০.৭৯ গ্রাম পটাসিয়াম এবং ১.৪৭ গ্রাম ক্লোরাইড, যা ডব্লুএইচও (WHO)-এর সুপারিশকৃত পরিমাণের চেয়ে ঢের কম।

    আইনি লড়াই

    ২০২২ সালে ডাক্তার সন্তোষ তেলেঙ্গনা হাইকোর্টে একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছিলেন। তিনি নিজের করা পিআইএল-এ উল্লেখ করে বলেন, “ডব্লুএইচও (WHO)-এর মান পূরণ না করে কোনও কোম্পানি ফলের রসে ওআরএস বাজারজাত করতে পারবে না। কারণ এই সব পানীয়তে অতিরিক্ত পরিমাণে চিনি এবং অসাম্যঞ্জস্যপূর্ণভাবে ইলেক্ট্রোলাইটের সমীকরণ থাকে, যা স্বাস্থ্যের পক্ষে ভীষণ ক্ষতিকর। শিশুদের পানীয় হিসেবে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এই লেবেল যুক্ত ওআরএস।” বিষয়টি প্রথম নজরে আসে তৎকালীন স্বাস্থ্য এবং পরিবার কল্যাণ দফতরের সচিব রাজেশ ভূষণের। তারপরেই শুরু হয় বিচার বিভাগীয় তদন্ত। পরবর্তীকালে ২০২২ সালের ৮ এপ্রিল সরকার নির্দেশিকা জারি করে এবং বিজ্ঞপানে ওআরএস লেবেল সীমিত করে। কিন্তু গত ১৪ জুলাই বেশ কিছু কোম্পানি পাল্টা মামলা করলে সাময়িকভাবে নিয়ন্ত্রণ শিথিল করা হয়। চূড়ান্ত রায় না আসা পর্যন্ত কোম্পানিগুলি পেটেন্ট, ডিজাইন এবং ট্রেড মার্কে পণ্যের নামে ওআরএস (ORS) ব্যবহার চালিয়ে যায়। এরপর  ১৪ অক্টোবর ২০২৫ আসে সেই চূড়ান্ত নির্দেশিকা।

  • Food: খাবারে দূষিত পদার্থ রয়েছে কি না, কীভাবে পরীক্ষা করবেন? ব্যাখ্যা দিল এফএসএসএআই

    Food: খাবারে দূষিত পদার্থ রয়েছে কি না, কীভাবে পরীক্ষা করবেন? ব্যাখ্যা দিল এফএসএসএআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিম্নমানের উপকরণ দিয়ে তৈরি করার কারণে খাবারে (Food) ভেজাল সংক্রান্ত খবর প্রায়ই প্রকাশ্যে আসে। এই অবস্থায় দাঁড়িয়ে খাদ্য নিরাপত্তা এবং গুণমান নিশ্চিত করা একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ডস অথরিটি অফ ইন্ডিয়া (এফএসএসএআই) সম্প্রতি বিভিন্ন ধরণের খারাপ খাবার এবং তাদের প্রতিটিকে কীভাবে সনাক্ত করা যায় তা নিয়ে আলোচনা করে একটি পোস্ট শেয়ার করেছে।

    খাবার নিরাপদ রাখার উপায় (Food)

    এফএসএসএআই-এর পক্ষ থেকে লেখা হয়েছে, বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান থেকে প্রস্তুত খাবার (Food) বা কাঁচা উপাদান কিনে আমরা দূষিত খাবার খাওয়ার ঝুঁকি কমাতে পারি। উপরন্তু, বাড়িতে স্বাস্থ্যকর রান্না, খাওয়া এবং খাদ্য সঞ্চয়ের অভ্যাসগুলি অনুসরণ করা গুরুত্বপূর্ণ। পরিষ্কার হাত, নিরাপদের জন্য একটু যত্ন আপনার খাবার নিরাপদ রাখতে অনেকটাই সাহায্য করবে! এই ধরনের সচেতনতা আপনাকে যে কোনও সম্ভাব্য দূষিত খাবার খাওয়ার আগে সতর্ক থাকতে সাহায্য করতে পারে। এখানে এফএসএসএআই (FSSAI) দ্বারা ভাগ করা খাদ্য দূষণের ৩ সম্ভাব্য প্রকার রয়েছে। সেগুলি নীচে পর পর ব্যাখ্যা করা হয়েছে।

     
     
     
     
     
    View this post on Instagram
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     

    A post shared by FSSAI (@fssai_safefood)

    শারীরিক দূষণ

    খাবারে (Food) বাইরের উপাদান মিশে খাবারের গুণগত মান নষ্ট করে দেয়। যেমন ভেজাল খাদ্য পণ্যের ক্ষেত্রে দেখা যায় সচেতনতার অভাবের কারণে সমস্যা তৈরি হয়। পাথর, ডালপালা, বীজ, পালক, বালি, নখ, ধুলো, ময়লা, খড়, চুল ইত্যাদির মতো বাইরের উপাদান অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। খাদ্যের মধ্যে থাকা এই সব জিনিস খাওয়ার সময় শ্বাসরোধের ঝুঁকি হতে পারে এবং আপনার দাঁতের ক্ষতি করতে পারে। কীভাবে শনাক্ত করবেন? এফএসএসএআই-এর (FSSAI) পর্যবেক্ষণ, খাবারটি সাবধানে আপনার হাত দিয়ে অনুভব করা এবং ধোয়া ইত্যাদির দ্বারা পরীক্ষা করার প্রয়োজন।

    রাসায়নিক দূষণ

    বিষাক্ত রাসায়নিকের সংস্পর্শে আসার কারণে খাবারে (Food) দূষণ ঘটে। রাসায়নিক খাবার বিষক্রিয়ায় পরিণত হয়। মূলত, পুনরায় তেল ব্যবহারের জন্য, কীটনাশক ব্যবহার করার কারণে খাবারে রাসায়নিক দূষণ ঘটে। খাবার তৈরির সারফেস, কাচের পাত্র, থালা-বাসন পরিষ্কার করতে অতিরিক্ত ডিটারজেন্ট বা স্যানিটাইজার ব্যবহার করা এড়িয়ে চলুন। এছাড়াও, ডিটারজেন্ট ব্যবহার করার পরে ভালভাবে ধুয়ে ফেলুন এবং শুকিয়ে নিন। রান্নার জন্য শুধুমাত্র খাদ্য-গ্রেড প্লাস্টিক এবং ধাতু ব্যবহার করুন।

    মাইক্রোবায়োলজিক্যাল দূষণ

    জৈবিক বা মাইক্রোবায়োলজিক্যাল দূষণ ঘটে যখন খাবারে (Food) জীবিত প্রাণী বা তাদের উৎপন্ন পদার্থ দ্বারা দূষিত হয়। এই ক্ষেত্রে অদৃশ্য দূষণের মধ্যে রয়েছে ব্যাকটেরিয়া, খামির (ইস্ট), প্রোটোজোয়া, ফাঙ্গাস (ছত্রাক) এবং ভাইরাস। আর মাছি, পোকা, আরশোলা, শুঁয়োপোকা বা গুবরেপোকা খাবারে পড়লে, সেই খাবার খেলে মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়েন। এই ক্ষেত্রে, রোগ সৃষ্টিকারী অণুজীব, যাকে প্যাথোজেনও বলা হয়, খাদ্যে প্রবেশ করে এবং পেটে উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পায়। ব্যাকটেরিয়া এবং অন্যান্য রোগজীবাণুগুলি আর্দ্র, প্রোটিন বা স্টার্চ বেশি বা অম্লতা নিরপেক্ষ খাবারগুলিতে বৃদ্ধি পায়। কীভাবে সনাক্ত করতে হয়? টেক্সচার, গন্ধ এবং রঙের পরিবর্তনগুলি পর্যবেক্ষণ করুন। প্রতিটি জন্য বিশেষ পরীক্ষা উপলব্ধ রয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • FSSAI: খাদ্যের গুণমান ঠিক কতটা? জানিয়ে দেবে বিশেষ চিহ্ন, ভাবনা এফএসএসএআই-এর

    FSSAI: খাদ্যের গুণমান ঠিক কতটা? জানিয়ে দেবে বিশেষ চিহ্ন, ভাবনা এফএসএসএআই-এর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফ্রন্ট অফ প্যাক নিউট্রিশন লেবেলিং রেগুলেশন তৈরি করতে চলেছে ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ড অথরিটি অফ ইন্ডিয়া (FSSAI)। খাবারের মানের জন্য স্টার রেটিং গত সেপ্টেম্বরে প্রস্তাবিত সুপারিশগুলির মধ্যে অন্যতম। স্টার রেটিং নিয়ন্ত্রণ করে এফওপিএল। এক থেকে পাঁচ পর্যন্ত করা হয় স্টার রেটিং। এই রেটিং লবণ, চিনি এবং চর্বি সামগ্রীর উপর ভিত্তি করে করা হয়।  এই রেটিং থেকে বোঝা যাবে খাবারটি কতটা পুষ্টিকর। যদিও প্যাকেটজাত খাদ্য প্রস্তুতকারীরা এই বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছেন। কারণ এত বড় পরিবর্তন সারা দেশে ব্যবসায়িদের প্রভাবিত করবে।

    কী জানা গেল?

    আইআইএম-আহমেদাবাদ- এর এফএসএসএআই- এর (FSSAI) এফওপিএল রেগুলেশনের প্রভাব নিয়ে একটি গবেষণা করেছে। সেখানে দেখা যায়, স্টার রেটিং সিস্টেম ব্যবহার করার পিছনে কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের ভিত্তি রয়েছে। সতর্কতা সূচক, পুষ্টির স্কোর, ট্র্যাফিক লাইট সিগন্যাল এবং পুষ্টির লেবেলের মতো একাধিক অন্যান্য বিকল্পের মূল্যায়ন করা হচ্ছে।

    অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ড উভয়ই একই সিস্টেম ব্যবহার করে। ফ্রন্ট অফ প্যাক নিউট্রিশন লেবেলিং সবচেয়ে বিতর্কিত একটি খাদ্য প্যাকেজিং নিয়ম। কয়েক বছর ধরে এটি আলোচনায় রয়েছে। ভারতে প্রথমবারের মতো একটি বহিরাগত সংস্থা লেবেলিং মানগুলির কাজ পরিচালনা করবে।

    স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা খাদ্য নিরাপত্তার জন্য সবচেয়ে কঠোর মানদণ্ডে জোর দিচ্ছেন। যদিও প্রক্রিয়াজাত এবং প্যাকেজড খাদ্য প্রস্তুতকারীরা বেশ কয়েক বছর ধরে এই বিষয়ে আপত্তি ব্যক্ত করছে। বিশিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে অনেক আলোচনা সত্ত্বেও কোনও সমাধান হয়নি।

    আরও পড়ুন: কলকাতায় ইডি এবং সিবিআইয়ের দুই শীর্ষ কর্তা, কেন জানেন?  

    ভারতে ২০১৩ সালে এফএসএসএআই- এর (FSSAI) একটি বিশেষজ্ঞ গোষ্ঠী ২০১৪ সালে ফ্রন্ট অফ প্যাকেজ লেবেলিং প্রস্তাব করেছিল৷ ২০১৯ সালে, খাদ্য সুরক্ষা মান রেগুলেশনের খসড়া বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছিল৷ প্রস্তাবে বলা হয়েছিল, খাদ্য পণ্যের কালার কোডেড লেবেলিং থাকা প্রয়োজন।

    স্বাস্থ্যকর খাবার পছন্দ করতে গ্রাহকদের উত্সাহিত করার জন্য বিশ্বের সবচেয়ে কার্যকর কৌশলগুলির মধ্যে একটি হল এফওপিএল লেবেলিং সিস্টেম (FSSAI)। এটি সিগারেটের প্যাকগুলিকে যেভাবে ব্যবহার রোধ করার জন্য ছবি দিয়ে চিহ্নিত করা হয় সেভাবে কাজ করে। 

    ভারতে এফওপিএল লেবেলিংয়ের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা (FSSAI)। দেশের পরিবর্তিত খাদ্যতালিকাগত ধরণ, প্রক্রিয়াজাত এবং অতি-প্রক্রিয়াজাত খাবারের বর্ধিত ব্যবহার এবং একটি ক্রমবর্ধমান বাজারের কথা মাথায় রেখে এই সিস্টেম আনা হচ্ছে। স্থূলতার ক্রমবর্ধমান হার এবং অসংখ্য রোগের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে এটি কার্যকর হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     
     

      

       

  • FSSAI: খাবারের প্যাাকেটে রেটিং সিস্টেম চালু করার জন্য খসড়া বিজ্ঞপ্তি জারি এফএসএসএআই-এর

    FSSAI: খাবারের প্যাাকেটে রেটিং সিস্টেম চালু করার জন্য খসড়া বিজ্ঞপ্তি জারি এফএসএসএআই-এর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খাবারের গুণাগুণ নিয়ে সতর্ক করতে এবারে পদক্ষেপ নেওয়া হল ফুড সেফটি অ্যান্ড স্যান্ডার্ডস অথরিটির (FSSAI) তরফ থেকে। এই অথরিটি থেকে একটি খসড়া বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে, যেখানে বলা আছে, এবার থেকে কোনও খাবারের প্যাকেটে ইন্ডিয়ান ফুড রেটিং (Inian Foor Rating) দেওয়া থাকবে, আর এর জন্য বিশেষজ্ঞ ও আমজনতার প্রতিক্রিয়া কী আছে, তাও জানা হবে। তার এর জন্যই খসড়া বিজ্ঞপ্তি। এই রেটিং খাবারের গুণাগুণের ভিত্তিতেই দেওয়া হবে। পুষ্টিকর খাবারের জন্য বেশি পরিমাণে রেটিং দেওয়া থাকবে।

    খাবারের প্যাকেটে এই রেটিং সিস্টেম চালু করার ক্ষেত্রে প্রধান উদ্দেশ্য হল কোন খাবারে বেশি পরিমাণে লবণ, চিনি, ফ্যাট রয়েছে, সে বিষয়ে গ্রাহকদের সচেতন করা। আর এই রেটিং দেখে তারা বুঝতেও পারবেন যে, কোন খাবার বেশি ভালো ও পুষ্টিকর। কোনও খাবারে কত পরিমাণে স্যাচুরেটেড ফ্যাট, চিনি, সোডিয়াম, ডায়েটারি ফাইবার এবং প্রোটিনের পরিমাণ আছে তা প্রতি ১০০ গ্রাম পরিমাণের ওপর ভিত্তি করে নম্বর ও রেটিং দেওয়া হবে।

    আরও পড়ুন: খাদ্য ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ১৫টি সংস্থার লাইসেন্স বাতিল করল কেন্দ্র, কেন জানেন?

    এই বিজ্ঞপ্তিতে বলা আছে, আইএনআর সিস্টেম শুধুমাত্র প্যাক করা খাবারের জন্য। আর এই খাবারগুলোকে ১/২ স্টার থেকে ৫ স্টার পর্যন্ত দেওয়া হবে। আর এর ফলে এই প্রমাণিত হবে যে, খাদ্য পণ্যটি মানুষের দৈনন্দিন জীবনের পুষ্টির চাহিদা মেটাতে পর্যাপ্ত কিনা। এছাড়াও সেই খাবার কোন ব্র্যান্ডের, সেটি জানার জন্য ব্র্যান্ডের লোগো প্যাকেটের সামনেই দেওয়া থাকবে।

    তবে দুগ্ধ জাতীয় খাবার, উদ্ভিজ্জ তেল, ফ্যাট, তাজা এবং ফ্রোজেন ফল, শাকসবজি, মাংস, ডিম, মাছ, ময়দা এবং মিষ্টির মতো আইটেমগুলির রেটিং-এর দরকার নেই৷ তবে নির্মাতাদের তাদের জিনিসগুলোর উপযুক্ত লোগোর জন্য FSSAI পোর্টালে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। এছাড়াও এফএসএসএআই-এর ফুড রেগুলেটর বিভাগ গ্রাহকদের জন্য খাবারের প্যাকেজিং উন্নত করার কাজ করছে।

    উল্লেখ্য, এরই মধ্যে ভারতের সমস্ত রেঁস্তোরায় নোটিশ পাঠানো হয়েছে মেনু কার্ডে খাবারের পাশে ক্যালোরির পরিমাণ দেওয়ার জন্য। কারণ ২০২০ সালের নভেম্বরে কিছু নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছিল যে, রেস্তোরাঁগুলিকে গ্রাহকদের জন্য মেনু কার্ড, বোর্ড এবং বুকলেটগুলিতে খাবারের আইটেমের পাশে ক্যালোরির পরিমাণ উল্লেখ করতে হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share