Tag: G20 Summit

G20 Summit

  • G20 Summit: ‘‘আমি একজন গর্বিত হিন্দু’’, ভারতে এসে মন্তব্য ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর

    G20 Summit: ‘‘আমি একজন গর্বিত হিন্দু’’, ভারতে এসে মন্তব্য ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার শুরু হচ্ছে জি২০ শীর্ষ সম্মেলন (G20 Summit)। তার আগে শুক্রবারই ভারতে পা রেখেছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনক। এদিন বিভিন্ন সংবাদ সংস্থাকে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, তিনদিন তাঁর ভারত সফরে বেশ কতগুলি মন্দির দর্শনে যাওয়ার ইচ্ছা রয়েছে তাঁর। নিজেকে গর্বিত হিন্দুও বলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী। বিমানবন্দরের ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে হাজির ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী কুমার চৌবে। সেখানে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেওয়া হয় ভাগবত গীতা, রুদ্রাক্ষ এবং হনুমান চল্লিশা। তাঁকে ‘জয় সিয়া রাম’ বলে সম্বোধনও করা হয়।

    আমি একজন গর্বিত হিন্দু

    ঋষি সুনক (G20 Summit) বলেন, ‘‘আমি এক জন গর্বিত হিন্দু। সে ভাবেই বড় হয়েছি। আমি সে রকমই রয়েছি। পরের ক’দিন এখানে থাকার সময় আশা করি কয়েকটি মন্দির দর্শন করতে পারব।’’

     ভারতীয় বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী এও জানিয়েছেন যে চলতি বছরের রাখিবন্ধন উৎসবে তিনি শামিল হয়েছিলেন নিজের পরিবারের সঙ্গে। যদিও কর্মসূচিতে ব্যস্ত থাকায় জন্মাষ্টমী সেভাবে পালন করতে পারেননি তিনি। তাঁর নিজের ভাষায়, ‘‘কয়েক দিন আগেই রাখীবন্ধন পালন করেছি। আমার বোন, তুতো বোনেরা রাখী পরিয়েছে। সব রাখী এখনও রয়েছে আমার কাছে। যদিও জন্মাষ্ঠমী পালনের সময় হয়নি। তবে আশা রয়েছে, এ বার কিছু মন্দির দর্শনে যেতে পারব।’’ কেন ধর্ম পালন গুরুত্বপূর্ণ তারও ব্যাখ্যা দিয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী, তিনি বলেন, ‘‘যাঁরা জীবনে বিশ্বাস করেন, তাঁদের সকলকে সাহায্য করে ধর্মবিশ্বাস। বিশেষত আমার মতো যাঁদের কাজের চাপ খুব বেশি। সহনশীলতা, শক্তি জোগানোর জন্য বিশ্বাস থাকা জরুরি।’’

    জি২০ শীর্ষ সম্মেলন ঘিরে সেজে উঠেছে দিল্লি 

    ৯ এবং ১০ সেপ্টেম্বর জি২০ সম্মেলনকে (G20 Summit) ঘিরে সাজো সাজো রব দিল্লিতে (G20 Summit)। সম্মেলন স্থলে ইতিমধ্যে বসানো হয়েছে ২৭ ফুটের অষ্টধাতুর তৈরি নটরাজের মূর্তি। তিন দিন ধরে প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদী ১৫টি দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে অংশ নেবেন বলে জানা গিয়েছে। ইতিমধ্যে ভারতে এসেছেন বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান। শুক্রবার আমেরিকা থেকে এসে মোদির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন প্রেসিডেন্ট জো  বাইডেন। দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের (G20 Summit) কথা রয়েছে মরিশাস, বাংলাদেশের রাষ্ট্রনেতাদের সঙ্গেও। শনিবার ব্রিটেন, জাপান, জার্মানি, ইতালির রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গেও দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হবেন প্রধানমন্ত্রী (G20 Summit)। ১০ সেপ্টেম্বর তাঁর দ্বিপাক্ষিক বৈঠক রয়েছে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাঁক্রোর সঙ্গে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • G20 Summit: “ডিপফেকের বিপদ সম্পর্কে আমাদের সচেতন হতে হবে”, জি২০-র বৈঠকে বললেন প্রধানমন্ত্রী

    G20 Summit: “ডিপফেকের বিপদ সম্পর্কে আমাদের সচেতন হতে হবে”, জি২০-র বৈঠকে বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)-কে সব মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। তবে এই প্রযুক্তিকে অবশ্যই তার আগে সমাজের জন্য নিরাপদ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।” বুধবার ভার্চুয়াল জি২০ সম্মেলনে (G20 Summit) কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ভারতের নেতৃত্বে জি২০ সম্মেলনের শেষ বৈঠকটি হয়েছে বুধবার। উদ্বোধন করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। সেখানেই তিনি বলেন, “এআইকে সব মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। তবে এই প্রযুক্তিকে অবশ্যই তার আগে সমাজের জন্য নিরাপদ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। ডিপফেক বর্তমানে একটি বড় উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এআই জনসাধারণের জন্য নিরাপদ হওয়া উচিত। মানুষের চাহিদার কথা মাথায় রেখে এআই ব্যবহার করা উচিত।”

    ডিপফেক নিয়ে উদ্বেগ

    রবিবারই এআই ডিপফেক নিয়ে বিজেপির বিজয়া সম্মেলনীতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। ডিপফেকের অপব্যবহার সমাজের পক্ষে ক্ষতিকর হতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন তিনি। ডিপফেকের অনিষ্টকারী দিক সম্পর্কে বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী সেদিন জানিয়েছিলেন, তাঁর একটি গরবা নাচের ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। তিনি জানান, স্কুল জীবনের পর তিনি আর কোনওদিন গরবা নাচেননি। জি২০ সম্মেলনেও এআই ডিপফেকের বিপদ সম্পর্কে উদ্বেগ প্রকাশ করলেন মোদি।

    হামাস-ইজরায়েল যুদ্ধের প্রসঙ্গ

    প্রত্যাশিতভাবেই এদিন প্রধানমন্ত্রীর বক্তৃতায় উঠে (G20 Summit) এসেছে হামাস-ইজরায়েল যুদ্ধের প্রসঙ্গ। চারদিনের জন্য যে যুদ্ধ বিরতি ঘোষণা হয়েছে, তাকে স্বাগত জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “জি২০ গোষ্ঠীর কাছে কোনও ধরনের সন্ত্রাসবাদই গ্রহণযোগ্য নয়।” পণবন্দিরা দ্রুত মুক্তি পাবেন বলেও আশা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী।

    প্রসঙ্গত, মঙ্গলবারই মুম্বই হামলায় জড়িত পাক মদতপুষ্ট জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তৈবাকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে ইজরায়েল। পনের বছর আগের ওই ঘটনার এতদিন পরে লস্করকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু বলেছিলেন, সন্ত্রাসবাদ রোধে একজোট হতে হবে তামাম বিশ্বকে। বুধবার সেই একই সুর শোনা গেল ভারতের প্রধানমন্ত্রীর কণ্ঠেও।

    আরও পড়ুুন: “বিজেপিকে ভোট দিলে লক্ষ্মীর ভান্ডার বন্ধ করে দেব” হুমকি তৃণমূল নেতার

    বক্তৃতায় মোদি বলেন, “আজকে বিশ্ব চ্যালেঞ্জে পরিপূর্ণ। এই সময় পারস্পরিক বিশ্বাসই আমাদের ঐক্যবদ্ধ করবে। পারস্পরিক বিশ্বাসের মাধ্যমেই আমরা একে অপরের সঙ্গে যুক্ত হতে পারব।” ভারতের সভাপতিত্বে জি২০তে আফ্রিকান ইউনিয়নের প্রবেশ এবং জি২০-র (G20 Summit) সাফল্যও উঠে এসেছে প্রধানমন্ত্রীর বক্তৃতায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • G20 Summit: মোদির নেতৃত্বে আজ শুরু ভার্চুয়াল জি২০ সম্মেলন, যোগ দেবেন কি ট্রুডো?

    G20 Summit: মোদির নেতৃত্বে আজ শুরু ভার্চুয়াল জি২০ সম্মেলন, যোগ দেবেন কি ট্রুডো?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাসখানেক আগেই নয়াদিল্লিতে শেষ হয়েছে জি২০ (G20 Summit) শীর্ষ সম্মেলন। ভারতের নেতৃত্বে শেষ এই সম্মেলন হবে আজ, বুধবার, নয়াদিল্লিতে। ভার্চুয়াল মাধ্যমের এই বৈঠকের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এই বৈঠকের শেষেই জি২০ সম্মেলন আয়োজনের ব্যাটন চলে যাবে অন্য দেশের হাতে।

    বৈঠকে যোগ দেবেন কারা

    ভার্চুয়াল এই বৈঠকে যোগ দিচ্ছেন না চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। তবে বেজিংয়ের তরফে যোগ দেওয়ার কথা সে দেশের প্রধানমন্ত্রীর। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনও যোগ দিচ্ছেন না এই বৈঠকে। সেপ্টেম্বরে নয়াদিল্লিতে আয়োজিত জি২০ শীর্ষ সম্মেলনেও গরহাজির ছিলেন এই দুই রাষ্ট্রপ্রধান। (পুতিন অবশ্য যোগ দিয়েছিলেন ভার্চুয়ালি।) তবে এদিনের বৈঠকে আশ্চর্যজনকভাবে যোগ দিতে চলেছেন কানাডার প্রেসিডেন্ট জাস্টিন ট্রুডো। নয়াদিল্লির বৈঠকে (G20 Summit) উপস্থিত ছিলেন তিনি। তার পর অবশ্য তলানিতে ঠেকেছে ভারত-কানাডা সম্পর্ক। কানাডায় খালিস্তানপন্থী নেতা হরদীপ সিং গুজ্জরের মৃত্যুর ঘটনায় ভারতকে দুয়ো দেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী ট্রুডো। ট্রুডোর অভিযোগ অস্বীকার করে নয়াদিল্লি সাফ জানিয়ে দেয়, অভিযোগের প্রমাণ দিতে হবে। এ পর্যন্ত সেই প্রমাণ দিতে পারেনি ট্রুডোর দেশ।

    সম্প্রচার করা হবে কেবল মোদির ভাষণ

    সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়ার বিদেশমন্ত্রী পেনি উইংয়ের সঙ্গে বৈঠকে উত্থাপন করেছিলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। সেখানে জয়শঙ্কর তাঁকে সাফ জানিয়ে দেন, কানাডা কূটনৈতিক ও দ্বিপাক্ষিক সব ধরনের সম্পর্ক উপেক্ষা করছে। খালিস্তানপন্থী জঙ্গিদের আশ্রয় দিয়ে ভারতের দুশ্চিন্তা বাড়িয়ে তুলেছে। এদিনের বৈঠকে যদি এই বিষয়টি উত্থাপিত হয়, তাহলে ট্রুডোর বিপদ বাড়বে বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের একাংশের। এদিনের বৈঠকে উঠতে পারে হামাস-ইজরায়েল যুদ্ধের প্রসঙ্গও। তবে সম্প্রচার করা হবে কেবল মোদির ভাষণ।

    আরও পড়ুুন: শিষ্টাচারের সীমা লঙ্ঘন! মোদিকে ‘অপয়া’ বলে আক্রমণ রাহুলের, তীব্র প্রতিক্রিয়া বিজেপির

    ভারতের বিদেশ সচিব বিনয় কাতরা বলেন, “আমরা আশা করছি এদিনের ভার্চুয়াল বৈঠকে জি২০-র বেশিরভাগ নেতাই যোগ দেবেন।” জি২০ শেরপা অমিতাভ কান্ত বলেন, “ভার্চুয়াল এই বৈঠকে কেবল বিশ্বনেতাদের পূর্ববর্তী আলোচনার কতটা অগ্রগতি হয়েছে তা নিয়েই আলোচনা হবে না, বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতি নিয়েও কথা হবে।” তিনি বলেন, “রাষ্ট্রসংঘের ৭৮তম অধিবেশনের পর এই প্রথম একত্রিত হওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন বিশ্বনেতারা (G20 Summit)।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • India-Canada Row: দিল্লি থেকে বেশিরভাগ কূটনীতিককে সরাচ্ছে কানাডা! পাঠানো হচ্ছে মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুরে

    India-Canada Row: দিল্লি থেকে বেশিরভাগ কূটনীতিককে সরাচ্ছে কানাডা! পাঠানো হচ্ছে মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুরে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের কথা মানতে চলেছে কানাডা (India-Canada Row)। ‘কূটনৈতিক ভারসাম্য’ রক্ষার জন্য দেশে থাকা কানাডার কূটনীতিকদের সরিয়ে নেওয়ার জন্য জাস্টিন ট্রুডো সরকারকে ১০ অক্টোবর পর্যন্ত সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিল ভারত। সেই মতোই কানাডা সরকার ভারত থেকে কূটনীতিকদের সরিয়ে কুয়ালালামপুর এবং সিঙ্গাপুরে পাঠাচ্ছে। ধাপে ধাপে তাঁদের সরানোর কাজ শুরু হয়েছে। 

    ভারতের নির্দেশ মানল কানাডা

    প্রসঙ্গত, কেন্দ্রীয় সরকার কানাডার (India-Canada Row) ৪১ জন কূটনৈতিককে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে নির্দেশ দিয়েছিল। ভারতে এই মুহূর্তে ৬২ জন কানাডার কূটনীতিবিদ ছিল কানাডায় বর্তমানে ২০ জন ভারতীয় কূটনীতিক রয়েছেন। তাই ‘কূটনৈতিক ভারসাম্য’ রক্ষার জন্য কানাডার সেই সংখ্যক কূটনীতিকদেরই ভারতে থাকার বিষয়ে ট্রুডো সরকারের সঙ্গে কথা বলেছিল দিল্লি। ভারত জানিয়ে দিয়েছিল, ১০ অক্টোবরের মধ্যে ভারত থেকে অতিরিক্ত কূটনীতিকদের সরিয়ে নিতে হবে কানাডাকে। সেই মতোই নাকি ভারতে থাকা বেশিরভাগ কূটনীতিকদের সরিয়ে নিল কানাডা। 

    আরও পড়ুন: স্বপ্নপূরণ প্রধানমন্ত্রীর! এশিয়ান গেমসে শত পদক, ভারতের খেলাধুলোয় ইতিহাস

    ভারতে কানাডার সেনেটের স্পিকার

    প্রসঙ্গত, ভারত এবং কানাডার (India-Canada Row) সম্পর্ক বর্তমানে একদম তলানিতে এসে ঠেকেছে। কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে দুই দেশের কূটনৈতিকের পাশাপাশি বাণিজ্যিক সম্পর্ক ধাক্কা খেয়েছে। সদ্য ভারতে হওয়া জি ২০ সম্মেলনে এসেছিলেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী। দেশে ফিরে তিনি বলেন, কানাডায় হরদীপ সিং নিজ্জর হত্যাকাণ্ডে জড়িত রয়েছে ভারতীয় এজেন্টরা। যদিও ভারতের বিদেশমন্ত্রক সঙ্গে সঙ্গে কানাডার প্রধানমন্ত্রীর সেই দাবি প্রত্যাখ্যান করে দেয়। এই আবহে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে স্বাভাবিক করার জন্য দু’তরফেরই কূটনৈতিক প্রয়াস অব্যাহত। আগামী ১২ তারিখ (চলবে ১৪ তারিখ পর্যন্ত) নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত হতে চলছে জি২০ গোষ্ঠীভুক্ত রাষ্ট্রগুলির স্পিকারদের সম্মেলন। সেখানে আসছেন কানাডার সেনেটের স্পিকার রেমন্ড গ্যাগনে। এ ব্যাপারে পাকা কথা হয়ে গিয়েছে বলে জানিয়েছেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা। সূত্রের দাবি, ওই সম্মেলনে আসার কথা ছিল কানাডার সংসদীয় নিম্ন কক্ষের (হাউস অব কমন্স) নব মনোনীত অধ্যক্ষ গ্রেগ ফার্গুস-এর। কিন্তু কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্ট্রিন ট্রুডোর ঘনিষ্ঠ, লিবারাল পার্টির সাংসদ গ্রেগ ফার্গুস নিজেও কানাডার শিখ সম্প্র‍দায়, বিশেষ করে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের প্রতি ‘সহানুভূতিশীল’ বলে পরিচিত। তাই বিতর্ক এড়াতে তাঁর জায়গায় রেমন্ড গ্যাগনেকেই দিল্লি পাঠাতে মনস্থ করেছেন ট্রুডো। 

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “ভারতের আনন্দ দ্বিগুণ করেছে চন্দ্রযান, জি২০ সম্মেলন”, ‘মন কি বাতে’ বললেন প্রধানমন্ত্রী  

    PM Modi: “ভারতের আনন্দ দ্বিগুণ করেছে চন্দ্রযান, জি২০ সম্মেলন”, ‘মন কি বাতে’ বললেন প্রধানমন্ত্রী  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “চন্দ্রযানের পর জি২০ সম্মেলনের সাফল্য ভারতীয়দের আনন্দ দ্বিগুণ করেছে। ভারত মণ্ডপম নিজেই সেলিব্রিটি হয়ে উঠেছিল। বিভিন্ন রাষ্ট্রনেতা সেখানেই সেলফি তুলে গর্বের সঙ্গে পোস্ট করেছেন।” রবিবার ‘মন কি বাতে’ কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। আজ ছিল সেপ্টেম্বর মাসের শেষ রবিবার। এদিন সম্প্রচারিত হয় ‘মন কি বাতে’র ১০৫ তম পর্ব। এই পর্বে প্রথমেই প্রধানমন্ত্রী চন্দ্রযান-৩ ও জি২০ সম্মেলনের সাফল্যের কথা তুলে ধরেন।

    চন্দ্রযান-৩-এর সফল অবতরণ 

    এ মাসেই চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে পা রেখেছে ভারত। সফল অবতরণ হয়েছে চন্দ্রযান-৩-এর। চাঁদের মাটিতে ঘুরে বেড়িয়েছে রোভার প্রজ্ঞান। তথ্য সংগ্রহ করে পাঠিয়েছে ইসরোকে। ল্যান্ডার বিক্রমের ছবিও তুলেছে। চন্দ্রযান-৩-এর সফল অবতরণ এবং চাঁদের মাটিতে প্রজ্ঞানের অনুসন্ধানের জন্য ইসরোকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, চন্দ্রযান উৎক্ষেপনের ভিডিও ইউটিউবে একই সঙ্গে দেখেছেন ৮০ লক্ষ মানুষ। প্রসঙ্গত, এটাও একটা রেকর্ড। এই রেকর্ড গড়ায় ইসরোকে ধন্যবাদ দিয়েছেন ইউটিউব কর্তা স্বয়ং।

    জি২০-এর সাফল্যও

    এদিন ‘মন কি বাতে’ জি২০-এর সাফল্যও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত এই মেগা সম্মেলনে হাজির ছিলেন বিশ্বের মহা শক্তিধর কয়েকটি দেশের প্রধানরাও। বছরভর জি২০ সম্মেলনের আয়োজন করেছে ভারত। সেগুলিও শেষ হয়েছে নির্বিঘ্নে। এসব কারণেই খুশি প্রধানমন্ত্রী। জি২০তে আফ্রিকান ইউনিয়নের সদস্যপদ পাওয়া ও ভারত-মধ্য প্রাচ্য- ইউরোপ করিডরের বিষয়টিরও উল্লেখ করেন তিনি।

    আরও পড়ুুন: মণিপুর-মায়ানমার সীমান্তে ‘ফ্রি মুভমেন্ট রেজিমে’র সুবিধা প্রত্যাহারের আর্জি বীরেনের

    জি২০ সম্মেলনে উপস্থিত রাষ্ট্রনেতারা মহাত্মা গান্ধীকে শ্রদ্ধা জানাতে রাজঘাটে গিয়েছিলেন। এদিন সে প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বাপুর ভাবনায় গোটা বিশ্ব কতটা শ্রদ্ধাশীল, তা প্রমাণ করেছে এই ঘটনা।” ইউনেস্কোর ওয়ার্ল্ড হেরিটেজের তালিকায় ঠাঁই হয়েছে শান্তিনিকেতনের। এদিন সে প্রসঙ্গও টেনে এনেছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতি বিজড়িত এই স্থানে গুরুদেবের গর্ব মিশে রয়েছে বলে আমি মনে করি।” আগামী রবিবার ১ অক্টোবর দেশবাসীকে স্বচ্ছ অভিযানে শামিল হওয়ার ডাকও ‘মন কি বাতে’র অনুষ্ঠানে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। রাস্তাঘাট, স্কুল প্রাঙ্গন, খাল-বিল, নদী-সরোবরের মতো জায়গা পরিষ্কারে দেশবাসীকে এগিয়ে আসতে বলেছেন তিনি। তাঁর মতে, এভাবেই প্রকৃত শ্রদ্ধা জানানো হবে গান্ধীজিকে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
  • 6G Technology: দেশে আসছে আরও হাই-স্পিড ইন্টারনেট! ৬জি পরিষেবা দিতে মউ স্বাক্ষর ভারত-আমেরিকার

    6G Technology: দেশে আসছে আরও হাই-স্পিড ইন্টারনেট! ৬জি পরিষেবা দিতে মউ স্বাক্ষর ভারত-আমেরিকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অতীত ৪জি পরিষেবা। ভারতে মিলছে ৫জি পরিষেবা। অচিরেই দেশে ইতিহাস হয়ে যাবে তাও। ভারতের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও মিলবে ৬জি পরিষেবা। দেশবাসীকে হাই-স্পিড ইন্টারনেট পরিষেবা দিতে আমেরিকার সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করল ভারত (6G Technology)। শনিবার নয়াদিল্লিতে বসেছিল দু’ দিনের জি২০ শীর্ষ সম্মেলনের আসর।

    মউ স্বাক্ষর

    তার ঠিক আগের দিন মউ স্বাক্ষর হল নেক্সট জি অ্যালায়েন্স ও ভারত ৬জি অ্যালায়েন্সের মধ্যে। যৌথ বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ৬জি ওয়্যারলেস প্রযুক্তি চালু ও নির্ভরযোগ্য সাপ্লাই চেইন তৈরির লক্ষ্যে কাজ করা হবে। ভারত ও আমেরিকা উভয় দেশই নির্ভরযোগ্য ও সুরক্ষিত টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা তৈরি করার লক্ষ্যে কাজ করছে। দুই দেশই চায়, দ্রুত ৬জি নেটওয়ার্ক (6G Technology) পরিষেবা চালু করতে। সেই লক্ষ্যেই আমরা মিলিতভাবে কাজ করব।  

    গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ

    নেক্সট জি অ্যালায়েন্সের তরফে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন এটিআইএসের প্রেসিডেন্ট তথা সিইও সুজান মিলার ও ভারত ৬জি অ্যালায়েন্সের পক্ষে স্বাক্ষর করেন এনজি সুব্রহ্মণ্যম। তিনি বলেন, “ভারত সমাজকে শক্তিশালী করতে চায়। পরবর্তী প্রজন্মের ৬জি পরিষেবা বিশ্বে জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন করবে। সেই লক্ষ্যে নেক্সট জি অ্যালায়েন্সের সঙ্গে এই মউ স্বাক্ষর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি পদক্ষেপ।”

    জি২০ সম্মেলনের ফাঁকে পার্শ্ববৈঠকে বসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। বৈঠক শেষে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দুই রাষ্ট্রপ্রধানই আমেরিকায় রিপ অ্যান্ড রিপ্লেস প্রোগ্রামে ভারতীয় কোম্পানিগুলির অংশগ্রহণের দিকে তাকিয়ে রয়েছে। প্রেসিডেন্ট বাইডেনও আমেরিকায় রিপ অ্যান্ড রিপ্লেস পাইলটে ভারতের সমর্থনকে স্বাগত জানিয়েছেন। ২০২৩ সালের জুনে মার্কিন কোম্পানি ম্যাক্রন, ল্যাম রিসার্চ এবং অ্যালায়েড মেটিরিয়ালস ভারতে লগ্নির বিষয়ে যা বলেছিল, তার অগ্রগতি নিয়েও সন্তোষ প্রকাশ করেছেন দুই রাষ্ট্রপ্রধানই। বম্বে আইআইটি যে চিকাগো কোয়ান্টাম এক্সচেঞ্জের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছে, তাও (6G Technology) জানানো হয়েছে ওই বিবৃতিতে।

    আরও পড়ুুন: নভেম্বরে জি২০-এর ভার্চুয়াল বৈঠক চান প্রধানমন্ত্রী, কেন জানেন?

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • PM Modi: নভেম্বরে জি২০-এর ভার্চুয়াল বৈঠক চান প্রধানমন্ত্রী, কেন জানেন?

    PM Modi: নভেম্বরে জি২০-এর ভার্চুয়াল বৈঠক চান প্রধানমন্ত্রী, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নয়াদিল্লিতে শেষ হয়েছে দু’ দিন ব্যাপী জি২০ (G20) শীর্ষ সম্মেলন। জি২০-এর সদস্য দেশগুলির প্রতিনিধিরা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন আমন্ত্রিত বেশ কয়েকটি দেশের সদস্যরা। গত বছর সেপ্টেম্বরে ইন্দোনেশিয়ার বালিতে জি২০-এর ব্যাটন এসেছিল ভারতের হাতে। আগামী জি২০ সম্মেলনের আয়োজনের দায়িত্ব পেয়েছে ব্রাজিল।

    প্রধানমন্ত্রীর ভূয়সী প্রশংসা

    নয়াদিল্লি এই প্রথমবার জি২০ সম্মেলন আয়োজনের দায়িত্ব পেয়েছিল। সম্মেলন সফল হয়েছে বলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) ভূয়সী প্রশংসা করেছেন বিশ্বনেতারা। এই সম্মেলনে যেসব প্রস্তাব উত্থাপিত হয়েছে, সে ব্যাপারে বিস্তারিত আলোচনা চান প্রধানমন্ত্রী। তাই নভেম্বরে ভার্চুয়াল জি২০ সম্মেলনের প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “গত দু’ দিনে আপনারা বিভিন্ন ক্ষেত্রে আপনাদের মত পোষণ করেছেন, পরামর্শ দিয়েছেন এবং গুচ্ছ প্রস্তাব পেশ করেছেন। আমাদের দায়িত্ব হল এই সব প্রস্তাব এবং পরামর্শ কীভাবে বাস্তবায়িত করা যায় এবং কীভাবে সেগুলিতে গতি সঞ্চার করা যায়, তা দেখা।”

    ভারতের আয়োজনকে ‘মাইলস্টোন’ আখ্যা

    সারা বছর ধরে জি২০-এর সম্মেলন হয়েছে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে। তার প্রশংসা শোনা গিয়েছে বিশ্বনেতাদের গলায়। তাই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির এই ভার্চুয়াল জি২০ সম্মেলনের প্রস্তাবে সায় দিতে পারেন তাঁরা। জি২০ সম্মেলনে প্রেসিডেন্টের পরিবর্তে উপস্থিত ছিলেন রাশিয়ার বিদেশমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ। তিনি বলেন, “সিদ্ধান্তগুলি বাস্তবায়িত হচ্ছে কিনা, তা দেখা দরকার।” ভারতের আয়োজনকে ‘মাইলস্টোন’ আখ্যা দেন তিনি। বলেন, “গ্লোবাল সাউথ থেকে প্রকৃতপক্ষে জি২০ সদস্যদের এক ছাতারতলায় আনতে পেরেছে ভারত।”

    আরও পড়ুুন: ‘‘লেনিনের সঙ্গে যোগ নেই ভারতের’’, মূর্তি সরানোর সওয়াল সুকান্তর

    অদূর ভবিষ্যতে তামাম বিশ্বে (PM Modi) যে বাজার তৈরি হতে চলেছে, তার ওপরই নির্ভর করবে জি২০-এর ভবিষ্যৎ। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, সেই কারণেই এবার ইতালির হাতে নয়, জি২০-এর ব্যাটন তুলে দেওয়া হয়েছে ব্রাজিলের ওপর। তার পরেরবার জি২০ সম্মেলন আয়োজনের দায়িত্ব পাবে দক্ষিণ আফ্রিকা। জি২০ সম্মেলন আয়োজনের দায়িত্ব নিয়ে ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা ডি সিলভা বলেন, “ঝগড়া-বিবাদের পরিবর্তে আমরা চাই শান্তি ও সহযোগিতা।” অশান্তি যে কাম্য নয়, প্রেস কনফারেন্সে তা জানিয়ে দিয়েছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাঁক্রও। তিনি বলেন, “জি২০ আরও একবার রাশিয়াকে একঘরে করে দিল। আজ, জি২০-এর সদস্য দেশগুলির সিংহভাগই ইউক্রেনে যুদ্ধের জন্য রাশিয়াকে দুষছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের বিশ্বজনীন প্রভাব নিয়েও আলোচনা হয়েছে সম্মেলনে।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • G20 Summit: সন্ত্রাসবাদকে এক ইঞ্চিও জমি নয়, জানানো হল জি২০ সম্মেলনের ঘোষণাপত্রে

    G20 Summit: সন্ত্রাসবাদকে এক ইঞ্চিও জমি নয়, জানানো হল জি২০ সম্মেলনের ঘোষণাপত্রে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্ত্রাসবাদের কোনও রূপকেই এক ইঞ্চিও জমি ছাড়া হবে না। নয়াদিল্লিতে আয়োজিত জি২০ সম্মেলনের (G20 Summit) ঘোষণাপত্রে দ্ব্যর্থহীনভাবে জানিয়ে দেওয়া হল একথা। শনিবার ওই সম্মেলনে সব ধরনের সন্ত্রাসবাদের নিন্দা করা হয়েছে। কোনও দেশ যাতে জঙ্গিদের নিরাপদ আশ্রয় না হয়, জঙ্গিরা যাতে কোনও দেশ থেকে অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক এবং রসদ না পায়, নতুন সদস্য নিয়োগ করতে না পারে, তা নিশ্চিত করতেও আন্তর্জাতিক সমন্বয় ও সহযোগিতা বাড়ানোর ডাকও দেওয়া হয়েছে এই সম্মেলনে।

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি

    ঘোষণাপত্রে (G20 Summit) বলা হয়েছে, সন্ত্রাসবাদের সমস্ত ধরনের কাজকর্মই ক্রিমিনাল এবং অসমর্থনযোগ্য, তাদের উদ্দেশ্য যাই হোক না কেন, যে কোনও জায়গায়ই হোক না কেন, যেই করুক না কেন। প্রসঙ্গত, জি২০ লিডার্স সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে সন্ত্রাসবাদ নিয়ে এই সুরই বেঁধে দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সন্ত্রাসবাদের নেপথ্যে থাকা আর্থিক বল-ভরসা এখন গুরুত্বপূর্ণ। এই লক্ষ্যে ফিনান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্ক ফোর্স (FATF) এর মতো আঞ্চলিক সংস্থাগুলির আরও বেশি করে সহায়তা দিতে অঙ্গীকার করেছে জি২০-এর সদস্য দেশগুলি।

    সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে জি২০ 

    জি২০ নয়াদিল্লি শীর্ষ সম্মেলনের (G20 Summit) ঘোষণাপত্রে বলা হয়েছে, আমরা যে কোনও ধরনের সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে। বিদেশি আতঙ্ক, জাতিগত বিরোধ কিংবা অসহিষ্ণুতার অন্য কোনও রূপ, ধর্মীয় কিংবা ধর্ম বিশ্বাস নিয়ে যেসব সন্ত্রাসবাদী কাজকর্ম হচ্ছে, আমরা তার বিরুদ্ধে। কারণ এগুলি আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার পক্ষে হুমকি স্বরূপ, বড় বিপদগুলির মধ্যে অন্যতম।

    আরও পড়ুুন: অক্ষরধাম মন্দিরে পুজো দিলেন ‘গর্বিত হিন্দু’ ঋষি সুনক, হাঁটু মুড়ে করলেন প্রণামও

    সন্ত্রাসবাদের শিকার কাউকে সাহায্য করা এবং মানবাধিকার রক্ষা পরস্পর বিরোধী লক্ষ্য নয় বলেও স্পষ্ট করে দিয়েছে নয়াদিল্লি সম্মেলন। এরা যে একটি অন্যটির পরিপূরক এবং একটি অন্যটিকে শক্তিশালী করবে, তাও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে সম্মেলনে। স্মল আর্মস ও লাইট ওয়েপনস পাচার রুখতে বিভিন্ন দেশের মধ্যে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার কথাও বলা হয়েছে জি২০ সম্মেলনে (G20 Summit)। সম্মেলনে এও জানানো হয়েছে, এফএটিএফ দুর্বৃত্তদের সম্পদের হদিশ পাচ্ছে, সেসব সম্পদ উদ্ধারও করছে। এ ব্যাপারে এফএটিএফের প্রভাব দুনিয়াজুড়ে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

     

  • Rishi Sunak: অক্ষরধাম মন্দিরে পুজো দিলেন ‘গর্বিত হিন্দু’ ঋষি সুনক, হাঁটু মুড়ে করলেন প্রণামও

    Rishi Sunak: অক্ষরধাম মন্দিরে পুজো দিলেন ‘গর্বিত হিন্দু’ ঋষি সুনক, হাঁটু মুড়ে করলেন প্রণামও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জি২০ (G20) শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে দু’ দিনের ভারত সফরে এসেছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনক। রবিবার সম্মেলনের ফাঁকে সুনক সস্ত্রীক চলে যান দিল্লির অক্ষরধাম মন্দিরে। সেখানে স্ত্রী অক্ষতা মূর্তিকে নিয়ে পুজোও দেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী। আরতি শেষ করে হাঁটু মুড়ে প্রণামও করেন সুনক। প্রসঙ্গত, সম্মেলনে যোগ দিতে এসে সুনক জানিয়েছিলেন ভারতের কিছু মন্দিরে যাওয়ার সময় তিনি বের করতে পারবেন।

    অক্ষরধাম মন্দিরে সুনক

    সেই মতোই তিনি গেলেন অক্ষরধাম মন্দিরে। সরকারি সফরে এই প্রথম সুনক এলেন ভারতে। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সফর উপলক্ষে মন্দিরে ব্যবস্থা করা হয়েছিল কড়া নিরাপত্তার। এদিন সাদা শার্টের সঙ্গে সুনক পরেছিলেন ট্রাউজার্স। সুনকের স্ত্রী, বিশিষ্ট শিল্পপতি নায়ারণ মূর্তির কন্যা অক্ষতা পরেছিলেন কুর্তা ও পালাজো। সকাল সকাল মন্দিরে পৌঁছে যান তাঁরা। মন্দির কর্তৃপক্ষের তরফে স্বাগত জানানো হয় তাঁদের। ভারতীয় বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী সুনককে (Rishi Sunak) স্বাগত জানান মন্দিরের স্বামীজিরা। তাঁদের মধ্যে ছিলেন মন্দিরের প্রবীণ নেতাও।

    পুজো দিলেন মন্দিরে 

    এদিন স্বামীনারায়ণ অক্ষরধাম মন্দির ঘুরে দেখেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী। একশো একর জায়গাজুড়ে রয়েছে মন্দির ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র। প্রাচীন ভারতের নানা স্থাপত্যের নিদর্শনও রয়েছে এই মন্দির চত্বরে। আবহমানকাল ধরে আধ্যাত্মিকতায় বিশ্বাস, ত্যাগ এবং ঐক্যের যে মূল সুর বিদ্যমান হিন্দু ধর্মে, তাও তুলে ধরা হয়েছে মন্দির চত্বরে। পরে মন্দিরের গর্ভগৃহে ঢুকে শ্রদ্ধা জানান সস্ত্রীক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী। প্রশংসা করেন ভারতীয় শিল্পকর্ম ও স্থাপত্যের।

    আরও পড়ুুন: মোদির সঙ্গে সেলফি তুললেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী, ‘জি২০ সম্মেলন সফল’, জানালেন আলবানিজ

    নয়াদিল্লির সম্মেলন উপলক্ষে দিল্লিতে পা দিয়েই সুনক জানিয়েছিলেন, তিনি গর্বিত হিন্দু। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রতি তাঁর অপরিসীম শ্রদ্ধাও রয়েছে। অক্ষরধাম মন্দির দর্শন শেষে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী চলে যান রাজঘাটে, গান্ধী স্মারকে শ্রদ্ধা জানাতে। সেখানে গিয়েছিলেন জি২০ শীর্ষ সম্মেলনে আগত অন্য রাষ্ট্রপ্রধানরাও। শনিবার সম্মেলনের ফাঁকে পার্শ্ববৈঠকে বসেছিলেন মোদি ও সুনক (Rishi Sunak)। সেখানে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ কীভাবে বাড়ানো যায় মূলত তা নিয়েই হয়েছে আলোচনা। এর আগে মে মাসে জাপানের হিরোশিমায় মুখোমুখি হয়েছিলেন মোদি এবং সুনক। জি৭ বৈঠকের ফাঁকে ভারত-ব্রিটেন মুক্ত বাণিজ্য নিয়ে কথা হয়েছিল এই দুই রাষ্ট্রপ্রধানের।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
  • G20 Summit: মোদির সঙ্গে সেলফি তুললেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী, ‘জি২০ সম্মেলন সফল’, জানালেন আলবানিজ

    G20 Summit: মোদির সঙ্গে সেলফি তুললেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী, ‘জি২০ সম্মেলন সফল’, জানালেন আলবানিজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মে মাসেই অস্ট্রেলিয়া সফরে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। সেখানকার আতিথেয়তায় মুগ্ধতাও প্রকাশ করেছিলেন তিনি। ভারত-অস্ট্রেলিয়ার বন্ধুত্ব মজবুত হল বলে জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী।

    ‘সম্মেলন সফল’

    শনিবার নয়াদিল্লিতে আয়োজিত দু’ দিনের জি২০ সম্মেলনে (G20 Summit) যোগ দিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্টনি আলবানিজ। মোদিতে মুগ্ধ অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তুলেছেন সেলফিও। ভারতের সম্মেলন আয়োজন যে সফল, তাও জানিয়েছেন তিনি। আলবানিজ জানান, নয়াদিল্লি সম্মেলনে দুই রাষ্ট্রপ্রধানের দ্বিপাক্ষিক আলোচনাও হয়েছে। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি জানিয়েছেন, অস্ট্রেলিয়া এবং ভারতের মধ্যে কমপ্রিহেনসিভ ইকনমিক কো-অপারেশন এগ্রিমেন্ট নিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। জি২০ শীর্ষ সম্মেলনে (G20 Summit) যোগ দিতে শুক্রবারই ভারতে পা রেখেছেন আলবানিজ।

    ‘অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে লাভজনক’

    মে মাসে যখন ভারতের প্রধানমন্ত্রী অস্ট্রেলিয়া সফরে গিয়েছিলেন, তখনই আলবানিজ বলেছিলেন, “আমাদের মধ্যের এই সম্পর্ককে বিনিয়োগে রূপান্তরিত করা প্রয়োজন। ভারতের সঙ্গে আমাদের মজবুত অংশীদারিত্ব ব্যবসা-বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং স্থায়িত্ব অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে লাভজনক হবে।” আলবানিজ জানান, প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে তিনি ছ’ বার সাক্ষাৎ করেছেন। তিনি এও জানান, অস্ট্রেলিয়া খুবই ভাল জায়গা। এর নেপথ্যে রয়েছে ইন্ডিয়ান-অস্ট্রেলিয়ান সম্প্রদায়। তিনি দুই দেশের মধ্যে আরও নিবিড় সম্পর্ক দেখতে চান।

    এক্স হ্যান্ডেলে (G20 Summit) আলবানিজ জানান, ‘অস্ট্রেলিয়া এবং ভারত দুই দেশই পুনর্নবীকরণ শক্তির ব্যবহার বাড়াতে যৌথভাবে কাজ করছে’। নয়াদিল্লি সম্মেলনে ভারত আলোকপাত করেছে মূলত ইনক্লুসিভ গ্রোথ, ডিজিটাল ইননোভেশন, জলবায়ু পরিবর্তন এবং ইক্যুইটেবল গ্লোবাল হেল্থ অ্যাকসেসের ওপর।

    আরও পড়ুুন: ‘‘দেশভাগ ভুল ছিল’’, জি২০-এর জাঁকজমক দেখে মন্তব্য পাকিস্তানের নাগরিকদের

    মে মাসে অস্ট্রেলিয়া সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ট্যুইট-বার্তায় লিখেছিলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী অ্যান্টনি অ্যালবানিজের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা, ঐতিহাসিক কমিউনিটি প্রোগ্রামে অংশ নেওয়া, বাণিজ্য জগতের নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ, বিভিন্ন স্তরের বিশিষ্ট অস্ট্রেলিয়দের সঙ্গে সাক্ষাৎ – সব মিলিয়ে এটি ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ সফর, যা ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার বন্ধুত্বকে আরও মজবুত করবে’।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
LinkedIn
Share