Tag: g7 summit

g7 summit

  • Modi Trump Meeting: ট্রাম্পের মুখে মোদিস্তুতি! বললেন ‘খুবই কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বী’; জি-৭ বৈঠকের পর নতুন মন্তব্য

    Modi Trump Meeting: ট্রাম্পের মুখে মোদিস্তুতি! বললেন ‘খুবই কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বী’; জি-৭ বৈঠকের পর নতুন মন্তব্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে নিয়ে ফের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনের পর একাধিক মন্তব্যে ট্রাম্প মোদিকে “খুবই কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বী” (Very Tough Cookie) বলে উল্লেখ করেছেন। একইসঙ্গে তিনি চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও প্রধানমন্ত্রী মোদিকে বিশ্বের অন্যতম প্রশংসনীয় নেতা বলেও অভিহিত করেন। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ট্রাম্প বলেছেন, “শি জিনপিং পুরোপুরি কাজমুখী নেতা। আর নরেন্দ্র মোদি অত্যন্ত কঠিন একজন মানুষ, আলোচনার টেবিলে তাঁকে হারানো সহজ নয়।”

    কঠোর ও দক্ষ আলোচক

    এর আগে ফ্রান্সের জি-৭ সম্মেলনের ফাঁকে প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে সাক্ষাতের সময়ও ট্রাম্প তাঁর প্রশংসা করেছিলেন। সে সময় ট্রাম্পের মন্তব্য ছিল, “তিনি দেখতে অত্যন্ত ভদ্র ও শান্ত স্বভাবের মানুষ। কিন্তু বাস্তবে তিনি একজন কঠোর ও দক্ষ আলোচক। তিনি সবসময় ভারতের স্বার্থকে সর্বাগ্রে রাখেন।” ট্রাম্প আরও বলেন, “তিনি অত্যন্ত কঠিন দর-কষাকষি করেন। আলোচনার টেবিলে তিনি সম্পূর্ণ ‘কিলার’। তবে তাঁর আচরণ খুবই শান্ত, সংযত এবং চিন্তাশীল।” ভারত-মার্কিন প্রতিরক্ষা সম্পর্ক নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, “যতদিন নরেন্দ্র মোদি ভারতের নেতা থাকবেন, ততদিন ভারতের নিরাপত্তার প্রশ্নে আমেরিকা পাশে থাকবে। যদি কেউ তাঁকে বা তাঁর নেতৃত্বাধীন ভারতকে আক্রমণ করে, আমরা সাহায্য করতে প্রস্তুত থাকব।”

    মোদি-ট্রাম্প বৈঠক

    উল্লেখ্য, ফ্রান্সের এভিয়ঁ শহরে অনুষ্ঠিত জি-৭ সম্মেলনের ফাঁকে মোদি ও ট্রাম্পের মধ্যে বৈঠক হয়। প্রায় ১৬ মাস পর দুই নেতার এটি ছিল প্রথম সরাসরি সাক্ষাৎ। এর আগে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রধানমন্ত্রী মোদি হোয়াইট হাউসে সরকারি সফরে গিয়েছিলেন। এদিকে ভারত-আমেরিকা বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও ইতিবাচক অগ্রগতির ইঙ্গিত মিলেছে। সূত্রের খবর, প্রস্তাবিত দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তির আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে এবং আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা হতে পারে। বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালী ঘিরে চলমান অস্থিরতা, বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ এবং সামুদ্রিক বাণিজ্যের অনিশ্চয়তার মধ্যে মোদি-ট্রাম্প বৈঠক কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ভারতের সঙ্গে নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার বার্তাই এই বৈঠকের মাধ্যমে তুলে ধরতে চেয়েছে ওয়াশিংটন।

  • Donald Trump: হামলার মুখে পড়লে ভারতের পাশে থাকার আশ্বাস ট্রাম্পের, মার্কিন প্রেসিডেন্টের হলটা কী?

    Donald Trump: হামলার মুখে পড়লে ভারতের পাশে থাকার আশ্বাস ট্রাম্পের, মার্কিন প্রেসিডেন্টের হলটা কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ভারত যদি কখনও হামলার শিকার হয়, তাহলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তার পাশে দাঁড়াবে”, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) সঙ্গে বৈঠকের পর এমনই আশ্বাস দিলেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট। পরে করেন যৌথ সাংবাদিক সম্মেলন। সেখানেই ভারতের প্রতি দৃঢ় সমর্থনের বার্তা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ট্রাম্পের এহেন বার্তা থেকেই স্পষ্ট, ভারত-মার্কিন সম্পর্কের বরফ ফের গলছে। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, সাম্প্রতিক কূটনৈতিক টানাপোড়েনের আবহে ট্রাম্পের এই মন্তব্য ভারত-আমেরিকা সম্পর্ককে নতুন করে মজবুত করারই ইঙ্গিত।

    ভারতের পাশে থাকার বার্তা (Donald Trump)

    সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে ট্রাম্প জানান, ভারত ও আমেরিকা এই দুই দেশের মধ্যে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিরক্ষা চুক্তি নেই। তা সত্ত্বেও ভারতের নিরাপত্তার প্রশ্নে আমেরিকা সাহায্য করতে প্রস্তুত। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, “আমাদের মধ্যে কোনও প্রতিরক্ষা চুক্তি নেই। কিন্তু ভারত আক্রান্ত হলে আমরা অবশ্যই সাহায্য করতে এগিয়ে আসব।” তাঁর এই মন্তব্যকে ভারতের প্রতি মার্কিন প্রশাসনের অন্যতম শক্তিশালী প্রকাশ্য নিরাপত্তা আশ্বাস হিসেবেই দেখা হচ্ছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রীর ভূয়সী প্রশংসাও করেন ট্রাম্প। তিনি জানান, মোদি বিশ্বের অন্যতম কঠিনতম নেতা এবং সবসময় ভারতের স্বার্থকেই অগ্রাধিকার দেন।

    ‘উনি দেবদূতের মতো’

    ট্রাম্পের (Donald Trump) কথায়, “উনি খুবই ভদ্র মানুষ। কিন্তু অত্যন্ত কঠোর এক নেতা, যিনি সব সময় নিজের দেশের মানুষের জন্য লড়াই করেন।” তিনি বলেন, “মোদি যেমন ধীরস্থির, শান্ত এবং একই সঙ্গে কঠোর…আমি কিন্তু ওরকম নই!” ‘দেখতে দেবদূতের মতো’ এই যৌথ সাংবাদিক সম্মেলনে ট্রাম্পের গলায় বারবার শোনা গিয়েছে মোদি-প্রশস্তি। কথা প্রসঙ্গে এক সময় রসিকতার সুরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানান, মোদির শান্ত ও নম্র চেহারার আড়ালে লুকিয়ে রয়েছে অত্যন্ত দৃঢ় এক নেতৃত্বের গুণ।তিনি বলেন, “উনি (প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি) দেখতে খুবই ভালো। দেখতে দারুণ লাগে, যেন সাক্ষাৎ দেবদূত। তবে, প্রয়োজনে কড়া পদক্ষেপ করতে পিছপা হন না। কিন্তু এত সুন্দর দেখতে যে সবাই চমকে যান। এমন মানুষ খুব কমই দেখা যায়। উনি ভারতীয়দের যেমন ভালবাসেন, আমেরিকাকেও ভালবাসেন। হিউস্টনে ‘হাউডি মোদি’ অনুষ্ঠান হয়েছিল। কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে গিয়েছিল স্টেডিয়াম। সুযোগ পেলে ভবিষ্যতে ফের ভারত সফরে যাব কখনও”।

    স্মৃতির সুখসাগরে ডুব ট্রাম্পের

    এর পরেই স্মৃতির সুখসাগরে ডুব দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তাঁর (Donald Trump) ভারত সফরের কথা স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে প্রেসিডেন্ট জানান, সেই সফরে লাখ লাখ মানুষের উপস্থিতিই প্রমাণ করে দিয়েছিল দুই নেতার ব্যক্তিগত সম্পর্কের গভীরতা (PM Modi)। আবারও একবার মোদির প্রশংসা করতে গিয়ে ট্রাম্প বলেন, “উনি বেশ কঠোর।…তবে, একবার মানুষটির দিকে তাকান। অত্যন্ত সুন্দর দেখতে।” ট্রাম্পের (Donald Trump) এই মন্তব্যে উপস্থিত সাংবাদিকদের মধ্যেও হাসির রোল পড়ে যায়।

    উষ্ণ বার্তা

    সম্প্রতি উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন সামরিক অভিযানে একটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার ঘটনায় তিন ভারতীয় নাবিকের মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভারত এবং আমেরিকা দুই দেশের সম্পর্কে কিছুটা অস্বস্তিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল। ভারত সরকার ওই ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে এবং আন্তর্জাতিক জলপথে অসামরিক নৌযান ও নাবিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানায়। এই ঘটনার পর ভারতকে ট্রাম্পের প্রকাশ্য সমর্থন এবং বন্ধুত্বপূর্ণ বার্তা দুই দেশের কৌশলগত সম্পর্ককে আরও মজবুত করার চেষ্টা বলেই মত বিশ্লেষকদের।

    সহযোগিতা বাড়ানোর আলোচনা

    দুই দেশের শীর্ষ নেতার বৈঠকে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, প্রযুক্তি হস্তান্তর, সরবরাহ শৃঙ্খল, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ, প্রতিরক্ষা উৎপাদন এবং উদীয়মান প্রযুক্তি নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা হয়েছে বলেই খবর। এছাড়াও, ভারত-আমেরিকার মধ্যে একটি বৃহত্তর বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও আলোচনা এগোচ্ছে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন ট্রাম্প (PM Modi)।

    হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ

    এদিকে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি পশ্চিম এশিয়ার সামুদ্রিক নিরাপত্তা নিয়ে ভারতের উদ্বেগের কথা জানিয়ে দেন। তিনি বলেন, “আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের স্বার্থে হরমুজ প্রণালী সবসময় নিরাপদ ও উন্মুক্ত রাখা জরুরি।” প্রধানমন্ত্রী জানান, বিশ্বের সামুদ্রিক খাতে কর্মরত নাবিকদের প্রায় ১০ শতাংশই (Donald Trump) ভারতীয় এবং তাঁদের নিরাপত্তা ভারতের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

    আমেরিকায় ভারতের লগ্নিরও প্রশংসা

    ট্রাম্প ভারতের অর্থনৈতিক ভূমিকারও প্রশংসা করেন। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী মোদির নেতৃত্বে ভারত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বিপুল পরিমাণ বিনিয়োগ করছে, যা দুই দেশেরই অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করছে। তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী মোদি দীর্ঘদিনের বন্ধু। তাঁর সঙ্গে আবার দেখা হওয়া খুবই আনন্দের।”

    প্রসঙ্গত, ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে হোয়াইট হাউসে দুই নেতার মধ্যে শেষ দ্বিপাক্ষিক বৈঠক (PM Modi) হয়েছিল। পরবর্তীকালে শুল্কনীতি ও ভারত-পাকিস্তান ইস্যুতে কিছু মতপার্থক্য তৈরি হলেও, সাম্প্রতিক এই বৈঠক দুই দেশের কৌশলগত অংশীদারিত্বকে (Donald Trump) আরও এগিয়ে নেওয়ারই বার্তা দিয়েছে বলেই ধারণা আন্তর্জাতিক মহলের।

     

  • Modi-Meloni Meeting: ‘ইনস্টাগ্রামের সবচেয়ে বিখ্যাত জুটি আমরা’, জি-৭ সম্মেলনে ফের ‘মেলোডি’ মুহূর্ত

    Modi-Meloni Meeting: ‘ইনস্টাগ্রামের সবচেয়ে বিখ্যাত জুটি আমরা’, জি-৭ সম্মেলনে ফের ‘মেলোডি’ মুহূর্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আলাপচারিতা ও সৌজন্য বিনিময়ে ব্যস্ত জি৭ সম্মেলনে উপস্থিত রাষ্ট্রনেতারা। একে অপরের সঙ্গে চলছে করমর্দন। হালকা মেজাজে কথাবার্তা বলছেন। সেখানে ছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। সেই জটলায় ইটালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি হাজির হতেই মোদি এগিয়ে যান। সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক গ্রুপ ফটোর আগে দুই নেতাকে একে অপরের সঙ্গে উষ্ণ অভ্যর্থনা বিনিময় করতে দেখা যায়। সেই সময়েই ঘটে এক মজার মুহূর্ত, যা মুহূর্তের মধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়। মেলোনি হাসিমুখে মোদিকে বলেন, “আবার দেখা হয়ে ভালো লাগছে।” এরপর রসিকতার সুরে যোগ করেন, “আমরাই তো ইনস্টাগ্রামের সবচেয়ে বিখ্যাত জুটি!” প্রধানমন্ত্রী মোদিও হাসিমুখে সেই মন্তব্যের জবাব দেন।

    ফের ‘মেলোডি’

    গত কয়েক বছরে ‘মেলোডি’ (Melodi) শব্দটি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি জনপ্রিয় ট্রেন্ডে পরিণত হয়েছে। ‘মোদি’ এবং ‘মেলোনি’— দুই নেতার পদবির সংমিশ্রণ থেকেই তৈরি হয়েছে এই নাম। মাসখানেক আগে ইটালি সফরে মেলোনির সঙ্গে মোদির ‘রসায়ন’ আলোচনায় ছিল। মেলোনিকে এক প্যাকেট মেলোডি চকোলেট উপহার দিয়েছিলেন মোদি। চকোলেট উপহার পেয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে একটি হালকা মেজাজের ভিডিয়ো পোস্ট করেছিলেন ইটালির প্রধানমন্ত্রী। সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছিল, পাশাপাশি দাঁড়িয়ে রয়েছেন মোদি এবং মেলোনি। একটি মেলোডি চকোলেটের প্যাকেট ধরে রেখেছেন দু’জনে। দু’জনেই হাসছেন।

    মোদি-মেলোনি সম্পর্ক, কূটনৈতিক গুরুত্ব

    মঙ্গলবার ফ্রান্সে জি৭ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন বিভিন্ন রাষ্ট্রনেতারা। সম্মেলনের ফাঁকে তাঁরা একই মঞ্চে নিজেদের মধ্যে আলাপচারিতা সেরে নেন। ‘গ্রুপ ফটো’ তোলেন। ছবি তোলার সময় যখন রাষ্ট্রনেতারা লাইন দিয়ে দাঁড়াচ্ছিলেন তার ঠিক আগে মোদি-মেলোনি একে অপরকে শুভেচ্ছা জানান। করমর্দন করেন দু’জনে। ভাইরাল ভিডিয়োয় দেখা যাচ্ছে, তাঁরা দু’জনে কিছু কথা বলছেন। তবে কী কথা হয়েছে, তা খুব স্পষ্ট নয়। যুদ্ধ, অর্থনীতি, জলবায়ু সংকট— একের পর এক গুরুতর বিষয় নিয়ে আলোচনা আর কূটনৈতিক জটিল সমীকরণের হিসেবনিকেশের ফাঁকে এক টুকরো চেনা হাসি। বন্ধুর সঙ্গে দেখা হলে ঠিক যেমন আগের আড্ডার রেশ থাকে, মেলোনিও সেই সুরে বলে ওঠেন, ‘আবার দেখা হয়ে গেল, খুব ভালো লাগছে।’ মোদি তোলেন ‘মেলোডি’ ভিডিওর ভাইরাল হওয়ার কথা। সুযোগ হাতছাড়া করেনননি ইটালির প্রধানমন্ত্রী। হাসতে হাসতে রসিকতার সুরে বলেন, ‘হ্যাঁ, ইনস্টাগ্রামে এখন আমরাই সবচেয়ে জনপ্রিয়।’ জি-৭ সম্মেলনের সাম্প্রতিক এই ঘটনা প্রমাণ করে, আন্তর্জাতিক কূটনীতির গম্ভীর পরিবেশের মাঝেও মোদি ও মেলোনির বন্ধুত্বপূর্ণ রসায়ন বিশ্বজুড়ে মানুষের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে। কূটনৈতিক মহলের মতে, মোদি-মেলোনির সম্পর্ক নিছক ছবি বা ভিডিয়োয় সীমাবদ্ধ নয়। এই সম্পর্ক ইটালি এবং ভারতের চলমান বিদেশনীতির অংশ। ভারতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার ইটালি। উভয় দেশই ভারত-পশ্চিম এশিয়া-ইউরোপ অর্থনৈতিক করিডোর বাস্তবায়নের জন্য কাজ করছে।

  • Modi-Trump Meeting: ‘‘বিশ্ব সম্পদের অভাবে নয়, বিশ্বাসের অভাবে ভুগছে’’ জি-৭ সামিটে ট্রাম্পকে পাশে বসিয়েই পরোক্ষ-বার্তা মোদির

    Modi-Trump Meeting: ‘‘বিশ্ব সম্পদের অভাবে নয়, বিশ্বাসের অভাবে ভুগছে’’ জি-৭ সামিটে ট্রাম্পকে পাশে বসিয়েই পরোক্ষ-বার্তা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জি-৭-এর মঞ্চে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে পাশে বসিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে ভারতীয় নাবিকদের মৃত্যু নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ফ্রান্সের এভিয়ানে অনুষ্ঠিত জি-৭ সামিটে (G7 Summit) মঙ্গলবার নজর কাড়লেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদি এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। সম্মেলনের এক গুরুত্বপূর্ণ অধিবেশনের আগে দুই রাষ্ট্রনেতাকে করমর্দন করতে দেখা যায়। ভিডিওতে দেখা যায় চেয়ারে বসে ছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প, মোদি সেখানে যেতেই উঠে দাঁড়িয়ে করমর্দন করেন। করমর্দনের পর দু’জনকে পাশাপাশি বসে কথোপকথন করতেও দেখা যায়। বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা, বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খল, জ্বালানি নিরাপত্তা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য— এই সব বিষয়ই জি-৭ সম্মেলনের আলোচ্যসূচিতে রয়েছে।

    পারস্পরিক বিশ্বাস, সবচেয়ে দামি

    এদিন জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে আলোচনার পাশাপাশি, কার্যত তাঁর সমালোচনাও করেন মোদি। জি-৭ সামিটে ভাষণ দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, ‘‘আজ বিশ্ব আগের যে কোনও সময়ের চেয়ে বেশি সংযুক্ত এবং পরস্পর নির্ভরশীল। একটি দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা, খাদ্য নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য নিরাপত্তা, সাইবার নিরাপত্তা এবং অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি শুধুমাত্র তার সীমানার মধ্যেই নির্ধারিত হয় না। তথ্য, পুঁজি এবং প্রযুক্তি—এই সবই আমাদের সংযুক্ত করে। ফলে এই বিশ্বে পার্টনারশিপের গুরুত্ব স্বাভাবিকভাবেই বেড়ে গিয়েছে। কিন্তু পার্টনারশিপ তখনই সফল হয় যখন তার মূলে থাকে বিশ্বাস। আজ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্ট্র্যাটেজিক সম্পদ খনিজ, প্রযুক্তি বা বাজার নয়, বরং পারস্পরিক বিশ্বাস।’’

    পার্টনারশিপের ভবিষ্যৎ বিশ্বাসের উপরই নির্ভরশীল

    প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, ‘‘আমি বিশ্বাস করি প্রযুক্তি ও সরবরাহ ব্যবস্থা অস্ত্র হিসেবে নয়, বরং বৈশ্বিক কল্যাণে ব্যবহৃত হবে। উন্নয়নের সুযোগ কয়েকটি দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। বৈশ্বিক সংস্থাগুলো সকল দেশের আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে সক্ষম হবে। গত শতাব্দীতে মানবজাতি দুটি বিশ্বযুদ্ধ সহ্য করেছে। বহু ত্যাগের পর, শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং সমৃদ্ধির দিকে এগিয়ে যাওয়ার জন্য বিভিন্ন ব্যবস্থা গড়ে তুলেছে বিশ্ব। এই ব্যবস্থাগুলোও বিশ্বাসের উপর প্রতিষ্ঠিত ছিল, কিন্তু বহু প্রজন্মের অবদানের মাধ্যমে কয়েক দশক ধরে গড়ে ওঠা সেই বিশ্বাস আজ ক্ষয়প্রাপ্ত হচ্ছে। কোভিড আমাদের দেখিয়েছে, বিশ্বাস এবং সংহতির দাবিগুলো কতটা অন্তঃসারশূন্য ছিল। আজ বিশ্ব সম্পদের অভাবে নয়, বরং বিশ্বাসের অভাবে ভুগছে এবং আমাদের পার্টনারশিপের ভবিষ্যৎ এই বিশ্বাসের উপরই নির্ভর করছে।’’

    ভারতীয় নাবিকদের মৃত্যু নিয়ে সরব প্রধানমন্ত্রী মোদি

    প্রধানমন্ত্রী মোদি হরমুজ প্রণালী ও তার আশেপাশে ভারতীয় নাবিকদের মৃত্যুর বিষয়ে কঠোর অবস্থান নিয়ে বলেন, ‘‘পশ্চিম এশিয়ায় শান্তি বজায় রাখার ক্ষেত্রে যে অগ্রগতি হয়েছে, আমরা তাকে স্বাগত জানাই। এই সংঘাত পশ্চিম এশিয়ায় আমাদের মিত্র দেশগুলোর জীবন ও সম্পত্তির ক্ষতি করেছে। হরমুজ প্রণালীতে সামুদ্রিক বাণিজ্য ব্যাহত হওয়ায় বিশ্ব অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেক ভারতীয় নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন। নাবিকদের নিরাপত্তা, যাঁরা বিশ্বব্যাপী সামুদ্রিক বাণিজ্যের মাধ্যমে সমস্ত দেশকে সংযুক্ত করেন, তা আমাদের দায়িত্ব। আমাদের অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে, সমুদ্রপথ যাতে নিরাপদ থাকে এবং নাবিকরা নির্ভয়ে তাঁদের কাজ করতে পারেন।’’

    ট্রাম্পের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক!

    ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত জি৭ সম্মেলনে প্রায় ১৬ মাস পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেখা হল। সূত্রের খবর, দুই রাষ্ট্রনেতার মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হতে পারে। বাণিজ্য, কৌশলগত সহযোগিতা, প্রতিরক্ষা, প্রযুক্তি এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে ওয়াশিংটনে সাক্ষাতের পরে এটাই মোদি ও ট্রাম্পের প্রথম মুখোমুখি বৈঠক। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারত-মার্কিন সম্পর্ক বর্তমানে কৌশলগত, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে রয়েছে। সেই প্রেক্ষাপটে দুই নেতার এই সাক্ষাৎ আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। বিদেশ মন্ত্রক সূত্রের খবর, মোদী-ট্রাম্প পার্শ্ববৈঠকে বাণিজ্যচুক্তি, কৌশলগত সহযোগিতা, প্রতিরক্ষা, প্রযুক্তি এবং ইরান ও ইউক্রেন যুদ্ধ-সহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে।

    বাণিজ্য ও কূটনৈতিক ইস্যুতে নজর

    এই বৈঠক এমন এক সময়ে হতে চলেছে, যখন ভারত-আমেরিকা সম্পর্ক একাধিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে। হরমুজ প্রণালীতে মার্কিন নৌবাহিনীর অভিযানে ক্ষতিগ্রস্ত বাণিজ্যিক জাহাজে কর্মরত ভারতীয় নাবিকদের মৃত্যুর ঘটনাও আলোচনায় উঠে আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এছাড়া ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর পর দুই দেশের সম্পর্ক কিছুটা চাপের মুখে পড়েছিল। তার সঙ্গে ভারতীয় পণ্যের উপর মার্কিন প্রশাসনের উচ্চ শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্তও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে প্রভাব ফেলেছে। বাণিজ্যিক সম্পর্ক এই বৈঠকের অন্যতম প্রধান আলোচ্য বিষয় হতে পারে। গত ফেব্রুয়ারিতে মোদি ও ট্রাম্প একটি অন্তর্বর্তীকালীন দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তির কাঠামো নিয়ে আলোচনা করেছিলেন। বর্তমানে সেই চুক্তি নিয়ে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা চলছে। বৈঠকে সেই অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হতে পারে এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার উপায় নিয়েও আলোচনা হতে পারে।

  • PM Narendra Modi: জি৭ সম্মেলনে যোগ দিতে ফের ফ্রান্সে পৌঁছলেন প্রধানমন্ত্রী, যোগ দেবেন একাধিক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে

    PM Narendra Modi: জি৭ সম্মেলনে যোগ দিতে ফের ফ্রান্সে পৌঁছলেন প্রধানমন্ত্রী, যোগ দেবেন একাধিক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জি৭ সম্মেলনে (G7 Summit) অংশ নিতে মঙ্গলবার ফ্রান্সের এভিয়াঁয় পৌঁছলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, “জি৭ সম্মেলনে অংশ নিতে ফ্রান্সের এভিয়াঁয় পৌঁছেছি। বিশ্বের নেতাদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক ইস্যু নিয়ে মতবিনিময়ের অপেক্ষায় রয়েছি। আরও টেকসই ও সমৃদ্ধ পৃথিবী গড়তে সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ভারত প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

    ‘ভারত ইনোভেটস’ কনক্লেভের উদ্বোধন (PM Narendra Modi)

    ইউরোপ সফরের অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী প্রথমে ফ্রান্সের নিস শহরে গিয়ে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রঁর সঙ্গে যৌথভাবে ‘ভারত ইনোভেটস’ কনক্লেভের উদ্বোধন করেন। পরে তিনি সরকারি সফরে যান স্লোভাকিয়ায়। সেখানে স্লোভাক প্রধানমন্ত্রী রবার্ট ফিকোর সঙ্গে প্রতিনিধি পর্যায়ের বৈঠকে অংশ নেন। এই সফরে ভারত ও স্লোভাকিয়া একাধিক মউ (MoU) স্বাক্ষর করে, এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে ‘কমপ্রিহেনসিভ পার্টনারশিপে’ উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নেয়। স্লোভাকিয়া ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে সে দেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মান ‘অর্ডার অব দ্য হোয়াইট ডবল ক্রস (ফার্স্ট ক্লাস)’ দেয়।

    মোদিকে স্বাগত জেনেভার প্রেসিডেন্টের 

    এর আগে মঙ্গলবার সকালে প্রধানমন্ত্রী সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় পৌঁছালে তাঁকে বিমানবন্দরে স্বাগত জানান সে দেশের প্রেসিডেন্ট গাই পারমেলিন। ভারতের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানান, দুই নেতা উষ্ণ শুভেচ্ছা বিনিময়ের পাশাপাশি ভারত-সুইজারল্যান্ড দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন। এভিয়াঁয় অনুষ্ঠিত শীর্ষ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী মোদি জি৭ সদস্য দেশগুলির নেতা, আমন্ত্রিত অংশীদার রাষ্ট্র এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে অংশ নেবেন। এসব বৈঠকে নতুন অংশীদারিত্ব গঠন, আন্তর্জাতিক সংহতি পুনর্গঠন, ভারসাম্যপূর্ণ ও টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং নিরাপদ ও দ্রুত এআই (AI) বাস্তবায়ন-সহ বিভিন্ন বৈশ্বিক বিষয়ে আলোচনা হবে (PM Narendra Modi)।

    একাধিক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের সম্ভাবনা 

    সম্মেলনের ফাঁকে বিশ্বের বিভিন্ন নেতার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকও করবেন প্রধানমন্ত্রী। বুধবার, ১৭ জুন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর বৈঠক হতে পারে। এভিয়াঁর কর্মসূচি শেষে বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী যাবেন প্যারিসে। সেখানে তিনি দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের পাশাপাশি ইউরোপের বৃহত্তম (G7 Summit) প্রযুক্তি ও স্টার্টআপ সম্মেলন ‘ভিভাটেক সামিটে’ যোগ দেবেন। প্যারিসে প্রবাসী ভারতীয় সম্প্রদায়ের সদস্যদের উদ্দেশেও ভাষণ দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে তাঁর (PM Narendra Modi)।

     

  • India France Trade Talks: বলিউডের গানে মোদির সফরকে বিশেষ ছোঁয়া মাক্রঁর, ভারত-ফ্রান্স সম্পর্ক আরও মজবুত করার বার্তা

    India France Trade Talks: বলিউডের গানে মোদির সফরকে বিশেষ ছোঁয়া মাক্রঁর, ভারত-ফ্রান্স সম্পর্ক আরও মজবুত করার বার্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফ্রান্স সফরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিভিন্ন মুহূর্তকে বলিউডের ছোঁয়ায় তুলে ধরলেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রঁ। জনপ্রিয় চলচ্চিত্র ‘ধুরন্ধর’-এর সুপারহিট গান ‘আরি আরি’ (Aari Aari) ব্যবহার করে একটি ভিডিও মন্তাজ প্রকাশ করেছেন তিনি। মুহূর্তের (India France Trade Talks) মধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায় (Modi Macron Roadmap) এই ভিডিও মন্তাজ।

    মাক্রঁর সেলফি পোস্ট (India France Trade Talks)

    নিস শহর থেকে প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে তোলা একটি সেলফি পোস্ট করে মাক্রঁ শুধু লেখেন, “নিস”। এরপরেই তিনি প্রকাশ করেন সফরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তের ভিডিও, যেখানে দুই নেতার বৈঠক, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন সংক্রান্ত কর্মসূচি এবং কূটনৈতিক আলোচনা তুলে ধরা হয়। বলিউডের জনপ্রিয় গানের ব্যবহার আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক সফরে এক ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছে বলেই দাবি আন্তর্জাতিক মহলের। এই সফরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক ছিল নিসের ঐতিহাসিক ভিলা কেরিলোসে মোদি-মাক্রঁর দ্বিপাক্ষিক বৈঠক। চলতি বছরে ভারত ও ফ্রান্সের সম্পর্ক ‘স্পেশাল গ্লোবাল স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপ’-এ উন্নীত হওয়ার পর এটাই ছিল দুই নেতার প্রথম আনুষ্ঠানিক সাক্ষাৎ।

    ‘ইনোভেশন রোডম্যাপ ২০৩০’

    বৈঠকে উভয় দেশ ‘ইনোভেশন রোডম্যাপ ২০৩০’ গ্রহণ করে। এর মাধ্যমে প্রযুক্তি, উদ্ভাবন ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি প্রতিরক্ষা, মহাকাশ, অসামরিক পারমাণবিক শক্তি, এআই (AI), বাণিজ্য এবং বিনিয়োগের ক্ষেত্রেও সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়ে সম্মত হয়েছে দুই দেশই। সফরের আর একটি বড় আকর্ষণ, ‘ভারত ইনোভেটস’ উদ্যোগের যৌথ উদ্বোধন। এই উদ্যোগের মাধ্যমে ভারতীয় স্টার্টআপ ও উদ্ভাবকদের সঙ্গে ফরাসি ও ইউরোপীয় বিনিয়োগকারীদের সংযোগ আরও মজবুত করা হবে। একই সঙ্গে গঠন করা হচ্ছে যৌথ ভারত-ফ্রান্স এআই ওয়ার্কিং গ্রুপ, যা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতে যৌথ গবেষণা ও উন্নয়নে কাজ করবে (India France Trade Talks)।

    ইউপিআইয়ের গ্রহণযোগ্যতাকে স্বাগত

    দুই নেতা ফ্রান্সে ভারতের ইউপিআইয়ের (UPI) ক্রমবর্ধমান গ্রহণযোগ্যতাকেও স্বাগত জানিয়েছেন। এছাড়া উদ্ভাবনভিত্তিক সহযোগিতা জোরদারে দুই দেশের মধ্যে ১৯টি নতুন চুক্তিও সই হয়েছে। প্রতিরক্ষা সহযোগিতায় প্রচলিত ক্রেতা-বিক্রেতা সম্পর্কের বাইরে গিয়ে উন্নত সামরিক প্রযুক্তি ও প্রতিরক্ষা প্ল্যাটফর্মের যৌথ নকশা, উন্নয়ন ও উৎপাদনের ওপর গুরুত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। মহাকাশ গবেষণায় মানব মহাকাশযাত্রা ও স্পেস সিচুয়েশনাল অ্যাওয়ারনেসের মতো ক্ষেত্রেও যৌথ উদ্যোগ বাড়ানো (Modi Macron Roadmap) হবে। অসামরিক পারমাণবিক শক্তি ক্ষেত্রে ভারতের নতুন শান্তি আইন (SHANTI) ছোট ও উন্নত মড্যুলার রিয়্যাক্টর উন্নয়নে নয়া সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে বলেও জানান দুই নেতা।

    গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদের ক্ষেত্রে যৌথ উদ্যোগ

    অর্থনৈতিক নিরাপত্তা ও বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খল আরও শক্তিশালী করতে বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদের ক্ষেত্রে যৌথ উদ্যোগ নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এছাড়া কানপুরে অ্যারোনটিক্স বিষয়ে একটি অত্যাধুনিক সেন্টার অব এক্সেলেন্স ফর স্কিলিং গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথাও ঘোষণা করা হয়েছে। শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক আরও জোরদার করতে প্রধানমন্ত্রী ফরাসি বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে ভারতের নতুন শিক্ষা নীতির আওতায় অফশোর ক্যাম্পাস তৈরির ডাক দেন। ভারতীয় নাগরিকদের জন্য ফরাসি বিমানবন্দরে ভিসামুক্ত ট্রানজিট চালু করায় ফরাসিকে প্রেসিডেন্টকে ধন্যবাদও জানান (India France Trade Talks) তিনি। আন্তর্জাতিক ইস্যুতেও ইউক্রেন ও পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি নিয়ে দুই নেতা মতবিনিময় করেন। আসন্ন জি৭ সম্মেলন উপলক্ষে ভারতের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে মাক্রঁর উদ্যোগেরও প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। বৈঠক শেষে (Modi Macron Roadmap) প্রেসিডেন্ট মাক্রঁ প্রধানমন্ত্রী মোদির সম্মানে মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করেন। সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, এই আয়োজন দুই দেশের ক্রমবর্ধমান কৌশলগত সম্পর্কেরই (India France Trade Talks) প্রতীক।

     

  • Narendra Modi: প্রথম ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে স্লোভাকিয়ায় নরেন্দ্র মোদি, ঐতিহাসিক সফরে নজরে একাধিক কর্মসূচি

    Narendra Modi: প্রথম ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে স্লোভাকিয়ায় নরেন্দ্র মোদি, ঐতিহাসিক সফরে নজরে একাধিক কর্মসূচি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিন দেশের ইউরোপ সফরের দ্বিতীয় পর্যায়ে স্লোভাকিয়ায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। ১৯৯৩ সালে স্বাধীনতা লাভের পর এই প্রথম কোনও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী স্লোভাকিয়ায় গিয়েছেন (Bratislava Visit)। তাঁর এই সফর ভারত-স্লোভাকিয়া সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে।

    প্রধানমন্ত্রীর বার্তা (Narendra Modi)

    দু’দিনের এই রাষ্ট্রীয় সফরে মোদি রাজধানী ব্রাতিস্লাভায় স্লোভাকিয়ার প্রেসিডেন্ট পিটার পেলিগ্রিনি (Peter Pellegrini) এবং প্রধানমন্ত্রী রবার্ট ফিকোর (Robert Fico)-র সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন। এর পাশাপাশি মোদি স্লোভাকিয়ার শীর্ষ শিল্পপতি এবং ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করে দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করবেন। স্লোভাকিয়ায় পৌঁছে প্রধানমন্ত্রী এক্স হ্যান্ডেলে জানান, এই সফর ভারত-স্লোভাকিয়া সম্পর্ককে আরও গভীর করবে, তৈরি করবে নয়া সহযোগিতার ক্ষেত্র। তিনি প্রেসিডেন্ট পিটার পেলেগ্রিনি ও প্রধানমন্ত্রী রবার্ট ফিকোর সঙ্গে ফলপ্রসূ বৈঠকের আশাও ব্যক্ত করেন।

    ঐতিহাসিক সফর

    এর আগে ফ্রান্স সফরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রঁর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন। পরে অংশ নেন নিস শহরে আয়োজিত ‘ভারত ইনোভেটস’ অনুষ্ঠানে। ভারতের বিদেশমন্ত্রকের (MEA) তথ্য অনুযায়ী, রাজধানী ব্রাতিস্লাভায় স্লোভাকিয়ার বিদেশমন্ত্রী জুরাজ ব্লানাঁর (Juraj Blanár) স্বাগত জানান ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে। মোদিকে স্বাগত জানানো বন্দেমাতরম গানে।  তাঁকে স্লোভাকিয়ার ঐতিহ্যবাহী ‘ব্রেড অ্যান্ড সল্ট’ অভ্যর্থনা দেওয়া হয়। এটি দেশটির আতিথেয়তা, সম্মান ও শুভেচ্ছার প্রতীক। সফরের আগে মোদি একে ‘ঐতিহাসিক’ আখ্যা দিয়ে জানান, সাম্প্রতিক বছরগুলিতে ভারত ও স্লোভাকিয়ার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক যে গতিতে এগিয়েছে, এই সফর তারই (Narendra Modi) ধারাবাহিকতা। তাঁর আশা, স্লোভাক নেতাদের পাশাপাশি ব্যবসায়ী মহলের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও জোরদার হবে।

    আলোচনার সম্ভাব্য বিষয়

    বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, এই সফরের আগে ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু স্লোভাকিয়া সফর করেন। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে এআই ইমপ্যাক্ট সামিটে যোগ দিতে প্রেসিডেন্ট পিটার পেলেগ্রিনিও ভারতে এসেছিলেন (Bratislava Visit)। ভারত ও স্লোভাকিয়ার মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অটোমোবাইল উৎপাদন, রেলওয়ে নির্মাণ এবং উদীয়মান প্রযুক্তি খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য দেশ হিসেবে স্লোভাকিয়ার মাধ্যমে ইউরোপের সঙ্গে ভারতের কৌশলগত সম্পর্ক আরও মজবুত করার দিকেও নজর দিচ্ছে নয়াদিল্লি।

    জি৭ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেবেন মোদি

    স্লোভাকিয়া সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী ১৬-১৭ জুন ফ্রান্সের আভিয়োঁ-তে অনুষ্ঠিত জি৭ শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নেবেন। সেখানে জি৭ সদস্য ও অংশীদার দেশগুলির নেতাদের সঙ্গে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং এআই-সহ বিভিন্ন বৈশ্বিক ইস্যুতে আলোচনা করবেন। একাধিক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকেও অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর। ইউরোপ সফরের শেষ পর্যায়ে ১৮ জুন প্রধানমন্ত্রী প্যারিসে অনুষ্ঠিত ইউরোপের অন্যতম (Narendra Modi) বৃহত্তম প্রযুক্তি ও স্টার্টআপ সম্মেলন ‘ভিভাটেক ২০২৬’-এ অংশ নেবেন, যেখানে (Bratislava Visit) উপস্থিত থাকবেন ফরাসি প্রেসিডেন্টও।

  • Bharat innovates 2026: ‘ভারত ইনোভেটস ২০২৬’-এর উদ্বোধন মোদি-ম্যাক্রঁর, ফ্রান্স সফরে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে যোগ ভারতের প্রধানমন্ত্রীর

    Bharat innovates 2026: ‘ভারত ইনোভেটস ২০২৬’-এর উদ্বোধন মোদি-ম্যাক্রঁর, ফ্রান্স সফরে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে যোগ ভারতের প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, রবিবার ‘ভারত ইনোভেটস ২০২৬’-এর (Bharat innovates 2026) উদ্বোধন করছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রঁ। ফ্রান্সের নিস শহরে আয়োজন করা হয়েছে এই অনুষ্ঠানের। ভারতের শিক্ষা মন্ত্রকের উদ্যোগে আয়োজিত (Universities Investors) এই আন্তর্জাতিক উদ্ভাবনী সম্মেলন ভারতের ডিপ-টেক স্টার্টআপ ও উদ্ভাবনকে বৈশ্বিক বিনিয়োগকারীদের সামনে তুলে ধরার একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে।

    প্রধানমন্ত্রীর সফরের মূল লক্ষ্য (Bharat innovates 2026)

    শনিবারই নিসে পৌঁছন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর এই ফ্রান্স সফরে নিস, এভিয়াঁ এবং প্যারিসে একাধিক কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কথা। সফরের মূল লক্ষ্য ভারত-ফ্রান্স দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করা এবং বহুপাক্ষিক সহযোগিতার নয়া দিগন্ত উন্মোচন করা। চলতি সফরে প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রঁর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর দ্বিপাক্ষিক বৈঠকও হবে। ফেব্রুয়ারি মাসে হওয়া বৈঠকের পর থেকে এই দুই দেশের সহযোগিতার অগ্রগতি পর্যালোচনা করার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়েও আলোচনা করবেন দুই নেতা। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়েও হবে মতবিনিময়।

    ‘ভারত ইনোভেটস ২০২৬’

    ‘ভারত ইনোভেটস ২০২৬’-এ অংশ নিচ্ছেন প্রায় ১২০ জন ভারতীয় উদ্ভাবক, প্রায় ১৫টি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান (HEI), ৫০০-রও বেশি বিনিয়োগকারী, শীর্ষ কর্পোরেট সংস্থা, ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ফার্ম, বিশ্বখ্যাত সিইও এবং শিল্পক্ষেত্রের নেতারা। এই সম্মেলনে (Bharat innovates 2026) অ্যাডভান্সড কম্পিউটিং, সেমিকন্ডাক্টর, মহাকাশ প্রযুক্তি, বায়োটেকনোলজি, শক্তি, স্বাস্থ্যসেবা এবং উৎপাদন শিল্প-সহ মোট ১৩টি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে ভারতের উদ্ভাবনী সক্ষমতা ও ডিপ-টেক ইকোসিস্টেম তুলে ধরা হবে। ফ্রান্স সফরে রওনা হওয়ার আগে প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁর সঙ্গে ‘ভারত ইনোভেটস ২০২৬’-এর উদ্বোধনের অপেক্ষায় রয়েছেন তিনি। তাঁর কথায়, “ভারত-ফ্রান্স ইনোভেশন বর্ষ ২০২৬-এর প্রেক্ষাপটে এই অনুষ্ঠান ভারতের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে উঠে আসা উদ্ভাবনকে বৈশ্বিক বিনিয়োগের সঙ্গে যুক্ত করার ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা নেবে।”

    উদ্ভাবনী ইকোসিস্টেম

    এই প্রথম আয়োজিত ‘ভারত ইনোভেটস ২০২৬’ ভারতীয় স্টার্টআপ ও ডিপ-টেক উদ্ভাবকদের আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারী ও শিল্পমহলের সঙ্গে যুক্ত করবে। সম্মেলনে গবেষণা ও উন্নয়ন, প্রযুক্তি সহযোগিতা, স্টার্টআপ সম্প্রসারণ, সীমান্ত-পার বিনিয়োগ এবং উদীয়মান প্রযুক্তির যৌথ উন্নয়ন নিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা হচ্ছে বলেই আশা ওয়াকিবহাল মহলের। অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ভারত ও ফ্রান্সের উদ্ভাবনী ইকোসিস্টেমের মধ্যে নতুন প্রাতিষ্ঠানিক অংশীদারিত্ব, প্রযুক্তি বিনিময়, যৌথ গবেষণা এবং উৎপাদন সহযোগিতার নতুন সুযোগ তৈরি হবে বলেও জানানো হয়েছে। এর পাশাপাশি সুগম হবে ভারতীয় উদ্ভাবনকে (Bharat innovates 2026) আন্তর্জাতিক বাজারে পৌঁছে দেওয়া, প্রযুক্তি স্থানান্তর এবং বৈশ্বিক সম্প্রসারণের পথও।

    মোদির সফর

    উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে মুম্বইয়ে মোদি-ম্যাক্রঁ যৌথভাবে ‘ভারত-ফ্রান্স ইনোভেশন বর্ষ ২০২৬’-এর সূচনা করেছিলেন। নিসে পৌঁছনোর পর (Universities Investors) ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে ঐতিহ্যবাহী ভারতীয় নৃত্যের বিশেষ পরিবেশনার মাধ্যমে স্বাগত জানানো হয়। ‘Echoes of Tradition, Spirits of Innovation’ শীর্ষক সেই অনুষ্ঠানে কথক, ওডিশি ও ভরতনাট্যম পরিবেশন প্রমাণ করে যে, ভারতের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও আধুনিক উদ্ভাবনী চেতনা একসূত্রে গাঁথা। ফ্রান্স সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী দু’দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে যাবেন স্লোভাক প্রজাতন্ত্রে। সেখান (Bharat innovates 2026) থেকে এভিয়াঁয় পৌঁছে ১৬ ও ১৭ জুন অনুষ্ঠিত জি৭ সম্মেলনে অংশ নেবেন তিনি।

     

  • PM Modi: কূটনৈতিক সফরে ইউরোপের উদ্দেশে রওনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী, বৈঠক করবেন মাক্রঁর সঙ্গেও

    PM Modi: কূটনৈতিক সফরে ইউরোপের উদ্দেশে রওনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী, বৈঠক করবেন মাক্রঁর সঙ্গেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক সফরে ইউরোপের উদ্দেশে রওনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ১৩ থেকে ১৯ জুন পর্যন্ত চলা এই সফরে তিনি ফ্রান্স ও স্লোভাকিয়া সফরের পাশাপাশি জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনেও (G7 Summit) অংশ নেবেন। ভারতের কৌশলগত অংশীদারিত্ব আরও জোরদার করা, প্রযুক্তি এবং উদ্ভাবন খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং বৈশ্বিক নানা ইস্যুতে ভারতের ভূমিকা তুলে ধরাই প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের মূল লক্ষ্য।

    মাক্রঁর সঙ্গে বৈঠক (PM Modi)

    সফরের প্রথম পর্যায়ে ফ্রান্সের নিস শহরে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রঁর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসবেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। দুই রাষ্ট্রপ্রধান ভারত-ফ্রান্স বিশেষ বৈশ্বিক কৌশলগত অংশীদারিত্বের বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করবেন। এর পাশাপাশি যৌথভাবে উদ্বোধন করবেন ‘ভারত ইনোভেটস’ কর্মসূচি, যেখানে ভারত ও ফ্রান্সের পাশাপাশি অন্যান্য দেশের স্টার্টআপ এবং ভেঞ্চার ক্যাপিটাল সংস্থাগুলি অংশ নেবে। উদীয়মান প্রযুক্তি ও উদ্যোক্তা খাতে দুই দেশের সহযোগিতা আরও বাড়ানোর লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ।

    মোদি যাবেন স্লোভাকিয়ায়

    ফ্রান্স সফরের পর প্রধানমন্ত্রী যাবেন স্লোভাকিয়ায়। সেখানকার প্রধানমন্ত্রী রবার্ট ফিকোর আমন্ত্রণে ওই দেশে যাবেন মোদি। ১৯৯৩ সালে স্বাধীনতার পর এই প্রথম কোনও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী স্লোভাকিয়া সফরে যাচ্ছেন, যা দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে ঐতিহাসিক গুরুত্ব বহন করছে। সফরে তিনি প্রধানমন্ত্রী রবার্ট ফিকো এবং প্রেসিডেন্ট পিটার পেলেগ্রিনির সঙ্গে বৈঠক করবেন। বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অটোমোবাইল শিল্প এবং রেলওয়ে উৎপাদন-সহ একাধিক ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়টি আলোচনায় গুরুত্ব পাবে। ভারত ও স্লোভাকিয়ার মধ্যে সাম্প্রতিক উচ্চপর্যায়ের কূটনৈতিক যোগাযোগের ধারাবাহিকতায় এই সফরকে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। এর আগে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু ২০২৫ সালের এপ্রিলে স্লোভাকিয়া সফর করেন। ওই বছরই স্লোভাক প্রেসিডেন্ট পিটার পেলেগ্রিনি ভারতের এআই ইমপ্যাক্ট সামিটে অংশ নিতে ভারত সফর করেন (PM Modi)।

    জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী

    সফরের তৃতীয় পর্যায়ে ১৬ ও ১৭ জুন ফ্রান্সের এভিয়ানে অনুষ্ঠিত জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নেবেন মোদি। সেখানে জি-৭ সদস্য দেশ, আমন্ত্রিত অংশীদার রাষ্ট্র এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে আন্তর্জাতিক সংহতি পুনর্গঠন, ভারসাম্যপূর্ণ ও স্থিতিশীল অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং এআইয়ের নিরাপদ ও কার্যকর ব্যবহারের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে মতবিনিময় করবেন তিনি। এর পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রনেতাদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের সম্ভাবনাও রয়েছে (G7 Summit)। সফরের শেষে ১৮ জুন প্যারিসে অনুষ্ঠিত ইউরোপের বৃহত্তম প্রযুক্তি ও স্টার্টআপ সম্মেলন ‘ভিভাটেক’-এ যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। মত বিনিময় করবেন ফ্রান্সে বসবাসকারী প্রবাসী ভারতীয়দের সঙ্গেও। ভারত সরকারের মতে, ‘ভারত ইনোভেটস’ এবং ‘ভিভাটেক’-এ প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ ভারতের উদ্ভাবন, ডিজিটাল রূপান্তর এবং স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমের বৈশ্বিক অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করবে এবং ইউরোপের সঙ্গে প্রযুক্তিগত সহযোগিতার নতুন দিগন্ত খুলে দেবে।

    ভারত-ফ্রান্স সম্পর্ক

    বিশ্লেষকদের মতে, ভারত ও ফ্রান্সের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে প্রতিরক্ষা, প্রযুক্তি, বাণিজ্য এবং জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা রয়েছে (PM Modi)। এবারের বৈঠকে দুই দেশের অংশীদারিত্ব আরও বাড়ানোর পাশাপাশি নতুন কৌশলগত সহযোগিতার ক্ষেত্র নিয়েও আলোচনা হতে পারে। এর ফলে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে (G7 Summit)। বিদেশমন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ১৯৯৩ সালে স্লোভাকিয়ার স্বাধীনতার পর এই প্রথম কোনও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী যাচ্ছেন সেই দেশ সফরে। তাই এই সফরকে দুই দেশের কূটনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবেই বিবেচনা করা হচ্ছে। বিশ্লেষকদের ধারণা, ইউরোপের এই দেশের সঙ্গে ভারতের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত অংশীদারিত্ব শক্তিশালী করার দিকেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে।

    নয়া সহযোগিতার দোর খুলবে

    সফর শুরুর আগে এক বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী জানান, ইউরোপ এবং জি-৭ এর সদস্য দেশগুলির সঙ্গে ভারতের ক্রমবর্ধমান সম্পৃক্ততা এই সফরের মাধ্যমে আরও সুদৃঢ় হবে। এর পাশাপাশি ইউরোপীয় দেশগুলির সঙ্গে বহুমাত্রিক অংশীদারিত্ব সম্প্রসারণে ভারতের প্রতিশ্রুতির কথাও মনে করিয়ে দেন তিনি (PM Modi)। বিদেশমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির এই সফরে ফ্রান্স, স্লোভাকিয়া এবং জি-৭ এর সদস্য  দেশগুলির সঙ্গে সহযোগিতার নয়া ক্ষেত্র তৈরি হবে। বিশেষ করে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন, কৌশলগত নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার বিভিন্ন বিষয়ে যৌথ উদ্যোগ বাড়ানোর সুযোগ সৃষ্টি হবে। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে ইউরোপীয় দেশগুলির সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক ক্রমেই আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। তাঁদের মতে, এই সফর শুধু দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করবে না, বরং (G7 Summit) আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক প্রাঙ্গনেও ভারতের ভূমিকা আরও দৃঢ় করবে এবং ভবিষ্যতে নয়া সহযোগিতার দোর খুলে দেবে। সব মিলিয়ে, প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) এই ইউরোপ সফরকে ভারতীয় কূটনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

     

  • PM Modi on Europe Tour: ৬ দিনের বিদেশ সফরে প্রধানমন্ত্রী, ১৩ জুন ফ্রান্স ও স্লোভাকিয়ায় যাচ্ছেন মোদি

    PM Modi on Europe Tour: ৬ দিনের বিদেশ সফরে প্রধানমন্ত্রী, ১৩ জুন ফ্রান্স ও স্লোভাকিয়ায় যাচ্ছেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউরোপ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi on Europe Tour)। আগামী ১৩ থেকে ১৮ জুন পর্যন্ত ফ্রান্স ও স্লোভাকিয়া সফরের পাশাপাশি তিনি জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনেও অংশ নেবেন। সোমবার বিদেশ মন্ত্রকের (MEA) এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। সফরের প্রথমভাগে মোদি ফ্রান্সের নিস শহরে যাবেন। ১৪ জুন সেখানে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রঁর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসবেন তিনি। সেখান থেকে স্লোভাকিয়ায় যাবেন প্রধানমন্ত্রী। ১৪ থেকে ১৬ জুন সেখানে থাকবেন মোদি। স্লোভাকিয়ার প্রধানমন্ত্রী রবার্ট ফিকো মোদিকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। ১৬ ও ১৭ জুন জি-৭ বৈঠকে যোগ দিতে ফের ফ্রান্সের এভিয়ান শহরে আসবেন মোদি। এই বৈঠকে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের। সূত্রের খবর, এই পর্বে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করতে পারেন মোদি এবং ট্রাম্প। ১৮ জুন প্যারিসে আরও কয়েকটি বৈঠক করবেন মোদি। ভিভাটেক সামিটেও যোগ দেবেন তিনি।

    মোদি-ম্যাক্রঁ বৈঠক

    সফরের প্রথম পর্বে ১৩-১৪ জুন ফ্রান্সের নিস শহরে থাকবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রঁ (Emmanuel Macron)-এর সঙ্গে তাঁর দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হওয়ার কথা। দুই নেতা ভারত-ফ্রান্স সম্পর্কের বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করবেন। চলতি বছর দুই দেশের সম্পর্ককে ‘স্পেশাল গ্লোবাল স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপ’-এর স্তরে উন্নীত করা হয়েছে। নিসে প্রধানমন্ত্রী মোদি ও প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ যৌথভাবে ‘ভারত ইনোভেটস’ (Bharat Innovates) অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করবেন। ভারত-ফ্রান্স ইনোভেশন বর্ষ উপলক্ষে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে ভারত, ফ্রান্স এবং অন্যান্য দেশের শীর্ষ স্টার্টআপ ও ভেঞ্চার ক্যাপিটাল সংস্থাগুলি অংশ নেবে। এর মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে উদ্ভাবন ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা আরও জোরদার করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

    স্লোভাকিয়া সফরে প্রধানমন্ত্রী

    এরপর ১৪-১৬ জুন স্লোভাকিয়া সফরে যাবেন প্রধানমন্ত্রী। স্লোভাক প্রধানমন্ত্রী রবার্ট ফিকোর (Robert Fico) আমন্ত্রণে এই রাষ্ট্রীয় সফর হবে। ১৯৯৩ সালে স্লোভাকিয়ার স্বাধীনতার পর এই প্রথম কোনও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী দেশটি সফর করতে চলেছেন, যা ঐতিহাসিক বলে মনে করা হচ্ছে। সফরকালে প্রধানমন্ত্রী মোদি স্লোভাক প্রধানমন্ত্রী রবার্ট ফিকোর সঙ্গে বৈঠক করবেন এবং বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অটোমোবাইল উৎপাদন ও রেলওয়ে সহযোগিতাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে নতুন অংশীদারিত্বের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখবেন। তিনি স্লোভাক প্রেসিডেন্ট পিটা পেলেগ্রিনি (Peter Pellegrini)-এর সঙ্গেও সাক্ষাৎ করবেন।

    জি-৭ সম্মেলনে মোদি

    সফরের তৃতীয় পর্বে ১৬-১৭ জুন ফ্রান্সের এভিয়ানে অনুষ্ঠিত জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi on Europe Tour)। সেখানে তিনি জি-৭ সদস্য দেশগুলির নেতা, আমন্ত্রিত অংশীদার রাষ্ট্র এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলির প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। ‘নতুন অংশীদারিত্ব গড়ে তোলা’, ‘সুষম ও টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি’ এবং ‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) নিরাপদ ও দ্রুত প্রয়োগ’— এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলিতে তিনি বক্তব্য রাখবেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালে কানাডায় জি-৭ সম্মেলনে যোগ দিয়েছিলেন মোদি। এবারও জি-৭ সম্মেলনে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। মনে করা হচ্ছে, বিশ্ব অর্থনীতি, হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা, মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি ইত্যাদি বিষয়ে আলোচনা হবে ওই সম্মেলনে। নিশ্চিত ভাবেই বলা যায়, ফ্রান্স ও ভারতের মধ্যে কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদার করা এই সফরের অন্যতম লক্ষ্য। প্রসঙ্গত, জি৭ -এর পুরো কথা হল ‘গ্রুপ অফ সেভেন’। এটি বিশ্বের সাতটি উন্নত অর্থনীতির দেশগুলির একটি গোষ্ঠী। এই সাতটি দেশ বছরে একবার মিলিত হয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বিষয়ে আলোচনা করে। ১৯৭৩ সালে খনিজ তেলের সংকটের কারণে গোটা বিশ্বে অর্থনীতির চাকা স্লথ হয়ে গিয়েছিল। সেই সংকটের মোকাবিলা করতেই জি-৭ গঠনের উদ্যোগ নিয়েছিল সাতটি দেশ। জি-৭ গোষ্ঠীর সদস্য দেশগুলি হল ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, ব্রিটেন, জাপান, আমেরিকা এবং কানাডা। ভারত এই গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত নয়। নিয়ম অনুযায়ী, আয়োজক দেশ এই গোষ্ঠীর বাইরে থাকা অন্য একটি দেশকে সম্মেলনে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানায়। সেই সূত্রেই কয়েক বছর ধরে এই বৈঠকে আমন্ত্রণ পেয়ে আসছে ভারত।

    গ্লোবাল সাউথের প্রধান কণ্ঠস্বর ভারত

    জি-৭ সম্মেলনের ফাঁকে একাধিক বিশ্বনেতার সঙ্গে তাঁর দ্বিপাক্ষিক বৈঠকও হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সফরের শেষ পর্যায়ে ১৮ জুন প্যারিসে যাবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে তিনি ইউরোপের বৃহত্তম প্রযুক্তি ও স্টার্টআপ সম্মেলন ভিভাটেক সামিটে (VivaTech Summit) অংশ নেবেন। পাশাপাশি প্যারিসে ভারতীয় সম্প্রদায়ের সদস্যদের উদ্দেশেও ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর। বিদেশ মন্ত্রকের মতে, প্রধানমন্ত্রী মোদির এই ইউরোপ সফর ফ্রান্স, স্লোভাকিয়া এবং জি-৭-এর সঙ্গে ভারতের সম্পর্ককে আরও গভীর করবে। একই সঙ্গে গ্লোবাল সাউথের অন্যতম প্রধান কণ্ঠস্বর হিসেবে ভারতের ক্রমবর্ধমান আন্তর্জাতিক গুরুত্বও তুলে ধরবে। ‘ভারত ইনোভেটস’ এবং ভিভাটেক সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ ভারতের উদ্ভাবন, ডিজিটাল রূপান্তর ও উদ্যোক্তা শক্তির বৈশ্বিক পরিচিতিকে আরও জোরদার করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

     

     

     

     

LinkedIn
Share