Tag: Gautam Adani

Gautam Adani

  • Gautam Adani: ১০ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি, আদানির বিরুদ্ধে মার্কিন ফৌজদারি মামলা খারিজ

    Gautam Adani: ১০ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি, আদানির বিরুদ্ধে মার্কিন ফৌজদারি মামলা খারিজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় শিল্পপতি গৌতম আদানির (Gautam Adani) বিরুদ্ধে দায়ের করা ফৌজদারি মামলা খারিজ করে দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি ফেডেরাল আদালত। ১০ অগাস্ট আদালতের (US Court) এই রায়ের জেরে মার্কিন ফেডেরাল কৌঁসুলিরা তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রত্যাহারের সুযোগ পেয়ে গিয়েছেন। তবে মামলা খারিজের অনুমোদন দেওয়ার সময় বিচারক মার্কিন বিচার বিভাগের সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া নিয়ে একাধিক প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি এই সিদ্ধান্তকে অস্বাভাবিক এবং উদ্বেগজনক বলেও মন্তব্য করেছেন। ব্রুকলিনের মার্কিন জেলা আদালতের বিচারক নিকোলাস গারাউফিস মামলাটি খারিজের অনুমোদন দেন। তবে তিনি বিশেষভাবে মার্কিন বিচার বিভাগের কর্তা ট্রেন্ট ম্যাককটারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। অভিযোগ প্রত্যাহারের আগে আদানির আইনজীবীদের সঙ্গে আলোচনায় যুক্ত ছিলেন ম্যাককটার। বিচারকের পর্যবেক্ষণ, মামলাটিতে আগে কাজ করা একাধিক ফেডেরাল কর্তা ও তদন্তকারীর মতামতকে ম্যাককটার উপেক্ষা করেছেন বলে মনে হয়েছে। পরিবর্তে তিনি নিজের মূল্যায়নের ওপর বেশি নির্ভর করেছেন বলে বিচারক মন্তব্য করেন।

    আদানির ১০ বিলিয়ন ডলারের মার্কিন বিনিয়োগ ঘিরে প্রশ্ন (Gautam Adani)

    আদালতে আলোচনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল আমেরিকায় আদানি গোষ্ঠীর ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি। ২০২৪ সালের নভেম্বরে এই বিনিয়োগের কথা ঘোষণা করা হয়েছিল। এতে প্রায় ১৫ হাজার কর্মসংস্থান তৈরি হতে পারে বলেও তখন জানানো হয়েছিল। ২০২৬ সালের এপ্রিলে গৌতম আদানির হয়ে মামলা লড়া আইনজীবী রবার্ট জে জিউফ্রা জুনিয়রের নেতৃত্বাধীন একটি দল মার্কিন বিচার বিভাগের কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করে। সেই বৈঠকে জিউফ্রা ১০০ পাতার একটি নথি উপস্থাপন করেন। সেখানে যুক্তি (US Court) দেওয়া হয়, আদানির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ করার মতো পর্যাপ্ত প্রমাণ কৌঁসুলিদের হাতে নেই। পাশাপাশি অভিযোগে উল্লেখ করা ঘটনাগুলি সম্পূর্ণভাবে ভারতে ঘটেছে বলে এই মামলার ওপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিচার্য এক্তিয়ারও নেই বলে দাবি করা হয়েছিল। আদানির (Gautam Adani) পক্ষে আরও যুক্তি দেওয়া হয়, মামলায় উল্লেখ করা ঋণপত্রগুলি মার্কিন শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ছিল না এবং বিনিয়োগকারীদের অর্থ সম্পূর্ণ ফেরত দেওয়া হয়েছে। ফলে কোনও বিনিয়োগকারীর আর্থিক ক্ষতি হয়নি।

    ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি

    ১০০ পাতার ওই নথির একটি পাতায় আমেরিকায় আদানির ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতির উল্লেখ ছিল। এর পরেই বিচারক প্রশ্ন তুলেছিলেন, এই বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি কি মার্কিন বিচার বিভাগের মামলা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করেছিল? ম্যাককটার অবশ্য দাবি করেন, বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি তাঁর সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করেনি। এই বিষয়ে প্রকাশিত সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনও তিনি অস্বীকার করেন। তবে ১৫ জুলাই আদালতে জমা দেওয়া হলফনামায় গৌতম আদানি স্বীকার করেন, তাঁর আইনজীবীরা মার্কিন বিচার বিভাগকে জানিয়েছিলেন যে এই বিনিয়োগ মামলাগুলির নিষ্পত্তির অংশ হতে পারে। জিউফ্রাও আদালতকে জানান, অভিযুক্ত পক্ষ মার্কিন বিচার বিভাগকে জানিয়েছিল যে সম্ভাব্য নিষ্পত্তির অংশ হিসেবে আদানি গোষ্ঠী ওই বিনিয়োগের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে এগিয়ে যেতে প্রস্তুত। বিচারক গারাউফিস বলেন, এই ধরনের প্রস্তাব দেওয়া যথাযথ কি না, সে বিষয়ে তিনি কোনও সিদ্ধান্ত দিচ্ছেন না। তবে তাঁর মতে, শেষ পর্যন্ত সাধারণ মানুষকে বিবেচনা করতে হবে—এই ধরনের প্রস্তাব সমান বিচার এবং আইনের শাসনের ক্ষেত্রে কী অর্থ বহন করতে পারে (US Court)।

    ২০২৪ সালে আদানির বিরুদ্ধে অভিযোগ

    ২০২৪ সালে গৌতম আদানির বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছিল যে, আদানি গোষ্ঠীর একটি সহযোগী সংস্থার সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের অনুমোদন নিশ্চিত করতে তিনি ভারতীয় সরকারি আধিকারিকদের ঘুষ দিতে রাজি হয়েছিলেন (Gautam Adani)। মার্কিন কৌঁসুলিরা আরও অভিযোগ করেছিলেন, সংস্থার দুর্নীতিবিরোধী নীতি ও কার্যপ্রণালী সম্পর্কে মার্কিন বিনিয়োগকারীদের বিভ্রান্তিকর তথ্য দেওয়া হয়েছিল। তবে আদানি গোষ্ঠী প্রথম থেকেই এই সব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। ৪ জুলাই আদালতে দেওয়া এক নথিতে ম্যাককটার বলেন, মামলাটি মূলত বিদেশকেন্দ্রিক, অভিযোগ প্রমাণ করা কঠিন এবং এটি মার্কিন বিচার বিভাগের বর্তমান আইন প্রয়োগের অগ্রাধিকারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। তিনি জানান, প্রতিরক্ষা আইনজীবীদের সঙ্গে বৈঠক, বিচার বিভাগের কর্তাদের সঙ্গে পরামর্শ এবং নিজের আইনি গবেষণা ও বিশ্লেষণের পরেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

    আদানি পরিবারের সদস্য ও সংস্থার বিরুদ্ধেও আলাদা মামলা

    এদিকে, আদানি পরিবারের সদস্য এবং গোষ্ঠীর বিভিন্ন সংস্থাকে ঘিরে মার্কিন বিচার বিভাগে আরও কয়েকটি পৃথক আইনি বিষয় রয়েছে। মার্কিন সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের দায়ের করা একটি দেওয়ানি মামলায় গৌতম আদানি ৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার দিতে রাজি হয়েছেন। তাঁর ভাইপো সাগর আদানি ১২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার দিতে সম্মত হয়েছেন। এদিকে, ইরানের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত লঙ্ঘনের অভিযোগের নিষ্পত্তি করতে আদানি এন্টারপ্রাইজেস লিমিটেড মার্কিন অর্থ দফতরকে ২৭৫ মিলিয়ন ডলার দিতে রাজি হয়েছে।

    আদালতের সিদ্ধান্তে স্বস্তি আদানির

    আদালতের রায়ের পর গৌতম আদানি (Gautam Adani) সিদ্ধান্তটিকে স্বাগত জানিয়েছেন। বিচারপ্রক্রিয়ার প্রতি বিনয় ও গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি আদালতের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন বলে জানিয়েছেন। এই মামলা খারিজের ফলে আপাতত গৌতম আদানির বিরুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফৌজদারি অভিযোগের আইনি প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের পরিবর্তন এলেও, মামলাটি খারিজের পেছনে (US Court) বিচার বিভাগের সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া এবং ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতির সম্ভাব্য ভূমিকা নিয়ে বিচারকের মন্তব্য নতুন করে জন্ম দিয়েছে একরাশ প্রশ্নের (Gautam Adani)।

     

  • Keralam Vishu: ‘বিশু’ উৎসবের বিজ্ঞাপনে শ্রীকৃষ্ণের ছবির সঙ্গে মাংসের ব্যবহার! ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাতের তীব্র প্রতিবাদ হিন্দুদের

    Keralam Vishu: ‘বিশু’ উৎসবের বিজ্ঞাপনে শ্রীকৃষ্ণের ছবির সঙ্গে মাংসের ব্যবহার! ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাতের তীব্র প্রতিবাদ হিন্দুদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মালয়ালি নববর্ষ বা ‘বিশু’ (Keralam Vishu) উৎসবের প্রাক্কালে কেরলে একটি বিজ্ঞাপনী প্রচারকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ভগবান শ্রীকৃষ্ণের ছবির পাশে মাংসের ছবি ব্যবহারের ঘটনা সামনে আসায় হিন্দু সম্প্রদায়ের একাংশের মধ্যে প্রবল ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। অভিযোগ উঠেছে যে, এটি কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং সুপরিকল্পিতভাবে ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করার একটি প্রচেষ্টা (Meher Mandi)। ইতিমধ্যে একাধিক হিন্দু সংগঠন ওই বিজ্ঞাপন দেওয়া সংস্থাকে কড়া বার্তা দয়েছে। নেওয়া হয়েছে আইনি পদক্ষেপও। যে কোনও ধর্মীয় উৎসবে হিন্দু ভাবাবেগের উপর চরম আঘাত করা যেন একটা স্বভাবে পরিণত হয়েছে। ভারতীয় সনাতন ধর্মের প্রতি যত অবমাননা হয় অন্য ধর্মের প্রতি হয় না বললেই চলে। এই ঘটনায় চরম অসন্তোষের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।

    হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের ব্যাপক ভাবে ক্ষুব্ধ করেছে (Keralam Vishu)   

    বিশু উৎসবের (Keralam Vishu) জন্য ব্যবহৃত উপকরণের তালিকায় মাংসকেও অন্তর্ভুক্ত করার ছবি এখন সকলের মোবাইলে। কেরলের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়া কিছু বিজ্ঞাপনী দৃশ্য এবং সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে ব্যাপক চাঞ্চাল্য তৈরি হয়েছে। ছবিতে স্পষ্ট ভাবে দেখা গিয়েছে, ভগবান শ্রীকৃষ্ণের বিগ্রহ বা ছবির সঙ্গে আমিষ খাবারের চিত্রায়ন। কার্যত চিকেনের ছবি দেখা যাচ্ছে। আর এই ঘটনা হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের ব্যাপক ভাবে ক্ষুব্ধ করেছে। তাদের মতে, বিশু একটি পবিত্র ধর্মীয় উৎসব যেখানে ভগবান শ্রীকৃষ্ণকে নিরামিষ ‘কানি’ উপহার (Meher Mandi) নিবেদন করা হয়। এই নিবেদনে কখনও মাংস দেওয়া যায় না। আর বিজ্ঞাপনে এই ঘটনা অত্যন্ত সাজিয়ে তোলা হয়েছে। কিন্তু কেন এই রকম ভাবে বিজ্ঞাপন দেওয়া হল? এটাই বড় প্রশ্ন।

    অভিযোগের মূল অভিমুখ

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, দক্ষিণপন্থী সংগঠন এবং হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা এই ঘটনাকে ঘিরে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। সম্পূর্ণ ভাবে এই ঘটনা পরিকল্পিত ভাবে প্ররোচনা। অভিজ্ঞ মহলের অভিযোগ এই ধরনের ছবি ব্যবহারের নেপথ্যে কোনও নির্দিষ্ট ভারত-বিরোধী নেটওয়ার্কের মদত রয়েছে। সুকৌশলে হিন্দুদের ধর্মীয় ঐতিহ্যকে অবমাননা করতে চাইছে। তবে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের ছবির (Keralam Vishu) সঙ্গে আমিষ খাবারের ছবি জুড়ে দিয়ে বিজ্ঞাপন প্রচার করার অপরাধে পুলিশ ‘মেহের মান্ডি অ্যান্ড গ্রিলস’ (Meher Mandi & Grills) নামক একটি রেস্তোরাঁর অন্যতম অংশীদার আরশাদকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে এবং হিন্দু সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে জোরালো প্রতিবাদের ডাক দেওয়া হয়েছে।

    সাংস্কৃতিক অবক্ষয়

    ওই রেস্তোরাঁ কর্তৃপক্ষের (Meher Mandi) প্রকাশিত একটি বিজ্ঞাপনী পোস্টারে আরাধ্য দেবতা শ্রীকৃষ্ণের (Keralam Vishu) ছবির পাশেই একটি আমিষ পদের ছবি ব্যবহার করা হয়েছিল। হিন্দু ধর্মের বিশ্বাস অনুযায়ী, বিশু উৎসবে ‘বিশুকানি’ বা পবিত্র দর্শনের মাধ্যমে দিন শুরু করা হয়, যেখানে নিরামিষ এবং সাত্ত্বিক উপকরণ ব্যবহৃত হয়। এই ধরনের বিজ্ঞাপনী প্রচারকে ইচ্ছাকৃত উস্কানি এবং ধর্মীয় অবমাননা হিসেবে দেখছেন সাধারণ মানুষ ও বিভিন্ন হিন্দুত্ববাদী সংগঠন। তবে ঘটনার রেশ এখানেই থেমে থাকবে না বলে মনে করছেন হিন্দুরা। কেরলে সাম্প্রতিক সময়ে একাধিকবার এই ধরনের ছবি বা দৃশ্য সামনে এসেছে, যা রাজ্যের সম্প্রীতির আবহে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে বলে দাবি করা হয়েছে। বিভিন্ন হিন্দু সংগঠন এই ঘটনার পেছনে থাকা ব্যক্তিদের চিহ্নিত করার এবং তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে।

    সামাজিক প্রতিক্রিয়া

    ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর থেকেই কেরল জুড়ে প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকেই ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেছেন যে, বাণিজ্যিক স্বার্থে (Meher Mandi) বা ইচ্ছাকৃতভাবে ধর্মীয় ভাবাবেগকে তুচ্ছ করার এই প্রবণতা বন্ধ হওয়া উচিত। প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরিস্থিতির ওপর নজর রাখা হচ্ছে যাতে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে।

    ১৯২ ধারায় মামলা রুজু

    অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনা করে চের্থালা পুলিশ ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (BNS)-এর ১৯২ ধারায় মামলা রুজু করেছে। এই ধারাটি মূলত দাঙ্গা বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে উস্কানি দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, আরশাদ (Meher Mandi) এই পোস্টারটি তৈরি ও প্রচারের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ছিলেন। উল্লেখ্য, এই রেস্তোরাঁটির মালিকানায় মোট নয়জন রয়েছেন এবং তাঁদের মধ্যে কয়েকজনের সঙ্গে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত থাকার সূত্রও পাওয়া গিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

    তীব্রতর হচ্ছে আন্দোলন

    এই ঘটনার প্রতিবাদে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (VHP) এবং হিন্দু ঐক্যবেদীর মতো সংগঠনগুলো সরব হয়েছে। হিন্দু ঐক্যবেদীর নেত্রী কেপি শশীকলা এই বিজ্ঞাপনকে ‘নির্লজ্জ আচরণ’ বলে তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। ওই হোটেলের সামনে ব্যাপক বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক দিয়েছুুুিল হিন্দু সংগঠনগুলি। তাদের দাবি, এটি কেবল বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপন (Keralam Vishu) নয়, বরং সুপরিকল্পিতভাবে একটি বিশেষ সম্প্রদায়ের ভাবাবেগকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। ঘটনা বৃহৎ ষড়যন্ত্রের অংশ।

    প্রশাসনের ভূমিকা

    পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে এলাকায় পুলিশ (Meher Mandi) মোতায়েন করা হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সকলকে শান্ত থাকার অনুরোধ জানানো হয়েছে এবং জানানো হয়েছে যে, আইন অনুযায়ী দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

  • Gautam Adani: মুকেশ অম্বানিকে টপকে ফের এশিয়ার ধনীতম গৌতম আদানি, মোট সম্পত্তি কত জানেন?

    Gautam Adani: মুকেশ অম্বানিকে টপকে ফের এশিয়ার ধনীতম গৌতম আদানি, মোট সম্পত্তি কত জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের শিল্পমহলে ফের এক বড়সড় পটপরিবর্তন ঘটল। ব্লুমবার্গ বিলিয়নেয়ার্স ইন্ডেক্সের (Bloomberg Billionaires Index) সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের কর্ণধার মুকেশ অম্বানিকে পেছনে ফেলে আবারও এশিয়ার ধনীতম ব্যক্তির শিরোপা দখল করলেন আদানি গোষ্ঠীর চেয়ারম্যান গৌতম আদানি। গত কয়েকদিনের শেয়ার বাজারের অস্থিরতা এবং আদানি গোষ্ঠীর শেয়ারের ধারাবাহিক উত্থান এই রদবদলের নেপথ্যে প্রধান ভূমিকা পালন করেছে বলে মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহল।

    গৌতম আদানির সম্পত্তি (Gautam Adani)

    ব্লুমবার্গ বিলিয়নেয়ার্স সূচকে (Bloomberg Billionaires Index) বর্তমানে গৌতম আদানির (Gautam adani) মোট সম্পত্তির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৯২.৬ বিলিয়ন ডলার। বিশ্বতালিকায় তিনি এখন ১৯তম স্থানে রয়েছেন। সাম্প্রতিক এক দিনের ব্যবধানেই তাঁর ব্যক্তিগত সম্পত্তি প্রায় ৩.৫৬ বিলিয়ন ডলার বৃদ্ধি পেয়েছে।

    মুকেশ আম্বানির সম্পত্তি

    অন্যদিকে, মুকেশ অম্বানির মোট সম্পত্তির পরিমাণ বর্তমানে ৯০.৮ বিলিয়ন ডলার। বিশ্ব ধনকুবেরদের তালিকায় তিনি ২০তম স্থানে পিছিয়ে এসেছেন। এই বছরের শুরু থেকে তাঁর নিট সম্পত্তিতে প্রায় ১৬.৯ বিলিয়ন ডলারের ঘাটতি দেখা গিয়েছে। মুকেশের পর রয়েছেন লক্ষ্মী মিত্তাল। তিনি ৩৬.৯ বিলিয়ন ডলার নিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছেন। এরপর রয়েছেন শিব নাদার। তাঁর সম্পত্তির পরিমাণ ৩৩.৫ বিলিয়ন ডলার এবং শাপুরজি মিস্ত্রি ও তার পরিবারের সম্পত্তির পরিমাণ ৩৩.২ বিলিয়ন ডলার। সাবিত্রী জিন্দালের মোট সম্পত্তির পরিমাণ ৩২.৭ বিলিয়ন ডলার। এরপর সুনীল মিত্তাল ও তার পরিবারের মোট সম্পত্তির পরিমাণ ২৫.১ বিলিয়ন ডলার। অন্যদিকে দিলীপ সাংভির সম্পত্তির পরিমাণ ২৪.২ বিলিয়ন ডলার। আজিম প্রেমজির সম্পত্তির পরিমাণ ২২.৫ বিলিয়ন ডলার এবং কুমার মঙ্গলম বিরলা ২২.৪ বিলিয়ন ডলার সম্পত্তি নিয়ে শীর্ষ দশের তালিকায় স্থান দখল করেছেন।

    কেন এই পরিবর্তন?

    অর্থনীতি এবং বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, আদানি গোষ্ঠীর (Gautam Adani) পরিকাঠামো এবং জ্বালানি খাতের শেয়ারের অভূতপূর্ব সাফল্যের ফলেই এই সম্পত্তি বৃদ্ধি (Bloomberg Billionaires Index)। এ বছর আদানির ব্যক্তিগত সম্পত্তিতে প্রায় ৮.১ বিলিয়ন ডলার যুক্ত হয়েছে। বিপরীতে, রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ার দর কিছুটা স্থিতিশীল থাকলেও আদানির দ্রুত গতির কাছে আম্বানিকে শীর্ষস্থান ছাড়তে হয়েছে।

    বিশ্বমঞ্চে অনান্য শিল্পপতি

    ব্লুমবার্গের (Bloomberg Billionaires Index) তালিকায় শীর্ষস্থানে এখনও আধিপত্য বজায় রেখেছেন টেসলা ও স্পেস-এক্স প্রধান এলন মাস্ক। তাঁর সম্পত্তির পরিমাণ জানা গিয়েছে ৬৫৬ বিলিয়ন ডলার। তালিকার পরবর্তী নামগুলো হলো ল্যারি পেজ, জেফ বেজোস এবং মার্ক জাকারবার্গ। ভারতের দুই শীর্ষ শিল্পপতির এই ‘সম্পত্তির লড়াই’ দীর্ঘদিনের। শেয়ার বাজারের এই ওঠানামা আদানিকে আবারও এশিয়ার সিংহাসনে বসালো, যা ভারতীয় অর্থনীতির প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

  • Adani Group Companies: কোনও প্রতারণা হয়নি, হিন্ডেনবার্গের অভিযোগ উড়িয়ে সেবির ক্লিনচিট আদানিকে

    Adani Group Companies: কোনও প্রতারণা হয়নি, হিন্ডেনবার্গের অভিযোগ উড়িয়ে সেবির ক্লিনচিট আদানিকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গৌতম আদানি গোষ্ঠীর (Adani Group) বিরুদ্ধে মার্কিন শেয়ার বিশ্লেষক সংস্থা হিন্ডেনবার্গ রিসার্চের (Hindenburg Research) তোলা অভিযোগ একেবারেই ভিত্তিহীন বলে জানাল সেবি (SEBI)। ভারতের বাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা জানিয়েছে আদানি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে অভিযোগের কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি। মে মাসের শেষে ক্লিনচিট পেয়েছিলেন সেবির প্রাক্তন চেয়ারম্যান মাধবী পুরী বুচ। এবার ক্লিনচিট পেয়ে গেলেন আদানি।

    সেবির ছাড়পত্র

    ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে হিন্ডেনবার্গ দাবি করেছিল, আদানি গোষ্ঠী তার তিনটি সংস্থা, আদিকর্প এন্টারপ্রাইজেস, মাইলস্টোন ট্রেডলিঙ্কস ও রেহভার ইনফ্রাস্ট্রাকচার ব্যবহার করে গোষ্ঠীর বিভিন্ন কোম্পানির মধ্যে টাকা স্থানান্তর করেছে। প্রসঙ্গত, মাধবী পুরী বুচ ও তাঁর স্বামী ধবল বুচের বিনিয়োগ ছিল মরিশাসের আইপিই প্লাস ফান্ড ও বারমুডার গ্লোবাল ডায়নামিক অপরচুনিটি ফান্ডে। এই দুই সংস্থার সঙ্গেই আদানির যোগ রয়েছে অভিযোগ তুলেছিল হিন্ডেনবার্গ রিসার্চ। আদানি গোষ্ঠীর সঙ্গে সেবির নাম জড়ানোর পর মাধবী পুরী বুচের বদলে সেবির নয়া চেয়ারম্যান হন তুহিন কান্ত পান্ডে। গত ১ মার্চ থেকে তিনি এই পদে। এবার তাঁর পদে থাকাকালীনই আদানির বিরুদ্ধে থাকা হিন্ডেনবার্গের সব অভিযোগ মিথ্যে বলে খারিজ করে দিল সেবি। বৃহস্পতিবার সেবি দু’টি পৃথক আদেশে জানায়, তদন্তে এমন কোনও অনিয়মের প্রমাণ মেলেনি। সেবির ব্যাখ্যা, ওই সময় যে ধরনের লেনদেন হয়েছিল, তা তখনকার নিয়মে ‘রিলেটেড পার্টি ট্রানজ্যাকশন’-এর আওতায় পড়ত না। নিয়ম পরিবর্তন হয় ২০২১ সালে। উপরন্তু, সব ঋণ ফেরত দেওয়া হয়েছে, তহবিল ব্যবহার করা হয়েছে নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যেই এবং কোথাও প্রতারণা বা বেআইনি লেনদেন হয়নি। তাই আদানি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সমস্ত প্রক্রিয়া বন্ধ করা হয়েছে।

    রাজনৈতিক ও আর্থিক চক্রান্ত

    হিন্ডেনবার্গের রিপোর্টের ফলে বড়সড় আর্থিক ক্ষতির মুখোমুখি হয়েছিল আদানি গোষ্ঠী। প্রায় ১৩ লক্ষ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছিল। প্রথম থেকেই আদানিরা এই অভিযোগগুলিকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করে আসছিলেন। এই সংক্রান্ত মামলায় সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে একটি বিশেষজ্ঞদের প্যানেল গঠিত হয়। আদানি সম্পর্কে তাদের অনুসন্ধানের ফলাফলও ছিল সেবি-র অনুরূপ। ওই প্যানেলও তেমন কোনও অনিয়মের প্রমাণ খুঁজে পায়নি। বৃহস্পতিবার সেবি ক্লিনচিট দেওয়ার পর গৌতম আদানি সমাজমাধ্যমে লিখেছেন, ‘‘আমরা সবসময় বলে এসেছি, হিন্ডেনবার্গের দাবি ভিত্তিহীন। এত দিনের তদন্তের পর সেবি-ও সেটাই বলল। স্বচ্ছতা এবং সততাই আদানি গোষ্ঠীর সম্পদ। এই ভুয়ো রিপোর্টটির জন্য যাঁদের ক্ষতি হয়েছে, যাঁরা টাকা হারিয়েছেন, আমরা তাঁদের জন্য গভীর ভাবে দুঃখিত। যাঁরা এ ভাবে ভুয়ো খবর ছড়ান, দেশের কাছে তাঁদের ক্ষমা চাওয়া উচিত। ভারতের জনগণের প্রতি আমরা সর্বদা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সত্যমেব জয়তে! জয় হিন্দ!’’

  • Lok Sabha Election 2024: “ভোট শুরু হতেই আম্বানি-আদানি নিয়ে চুপ কেন?” রাহুলকে প্রশ্ন প্রধানমন্ত্রীর

    Lok Sabha Election 2024: “ভোট শুরু হতেই আম্বানি-আদানি নিয়ে চুপ কেন?” রাহুলকে প্রশ্ন প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের দুই প্রধান শিল্পপতি আম্বানি-আদানিকে নিয়ে লাগাতার বিজেপি সরকারকে আক্রমণ করেছে কংগ্রেস (Congress)। তেলঙ্গানায় নির্বাচনী (Lok Sabha Election 2024) প্রচারে গিয়ে এবার সেই আম্বানি-আদানিকে নিয়েই কংগ্রেসকে পাল্টা আক্রমণ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। যে অস্ত্রে এত দিন রাহুল গান্ধীরা তাঁকে আক্রমণ করেছেন এ বার সেই অস্ত্রের অভিমুখ সুকৌশলে ঘুরিয়ে দিলেন মোদি।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী

    বুধবার তেলঙ্গানার একটি জনসভায় (Lok Sabha Election 2024) যোগ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, ‘‘পাঁচ বছর ধরে কংগ্রেসের শাহজাদা একটাই কথা বলেন। রাফায়েল নিয়ে যখন কিছু হয়নি, তখন নতুন মন্ত্র পড়তে শুরু করেন তিনি। ব্যবসায়ীদের নাম নিয়ে আক্রমণ করতেন। ধীরে ধীরে তিনি এখন আর আম্বানি-আদানিদের নাম নেন না। নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণার পর থেকেই রাহুল তাঁদের নিয়ে আর কোনও কথা বলছেন না। আম্বানি এবং আদানিকে নিয়ে বাজে কথা বলাও বন্ধ করেছেন। আমি তেলঙ্গানার মাটি থেকে দাঁড়িয়ে প্রশ্ন করছি, শাহজাদা বলুক এই নির্বাচনে আম্বানি-আদানির কাছ থেকে কত টাকা পেয়েছেন? কত বস্তা কালো টাকা পৌঁছেছে? টেম্পো ভর্তি টাকা এসেছে? কী চুক্তি হয়েছে যে রাতারাতি অম্বানী-আদানিকে গালি দেওয়া বন্ধ করে দিলেন। নিশ্চয় ডাল মে কুছ কালা হ্যায়। ৫ বছর ধরে গালাগালি দিয়ে হঠাৎ রাতারাতি গালি দেওয়া বন্ধ করে দিলেন,  এর অর্থ চুরির টাকা টেম্পো ভর্তি করে আপনাদের কাছে এসেছে। এর জবাব দিতেই হবে।”

    রাহুলকে নিশানা

    উল্লেখ্য, বার বার মোদি (PM Modi) সরকারের বিরুদ্ধে দেশের শীর্ষ স্থানীয় শিল্পপতিদের পক্ষ নেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন রাহুল। সেই প্রসঙ্গ উঠে এসেছে সংসদেও। তা নিয়েই এবার কংগ্রেস নেতার দিকে পাল্টা প্রশ্ন ছুড়লেন প্রধানমন্ত্রী। মোদির আক্রমণকে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন দেশের রাজনৈতিক মহলের একাংশ। তাঁদের যুক্তি, কংগ্রেস শাসিত তেলঙ্গানা সরকার সম্প্রতি আদানি গোষ্ঠীর সঙ্গে ১২,৪০০ কোটির বিনিয়োগ নিয়ে মউ স্বাক্ষর করেছে। এর ফলেই কি চুপ করে গিয়েছেন রাহুল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Forbes Rich List: মুকেশ আম্বানিকে ছাপিয়ে ভারতের ধনীতম ব্যক্তি গৌতম আদানি

    Forbes Rich List: মুকেশ আম্বানিকে ছাপিয়ে ভারতের ধনীতম ব্যক্তি গৌতম আদানি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আদানি গ্রুপের চেয়ারম্যান গৌতম আদানি ভারতের 100 ধনীর 2022 ফোর্বসের (Forbes Rich List) তালিকায় এক নম্বর স্থান দখল করেছেন। বিলিয়নিয়ার ব্যবসায়ী মুকেশ আম্বানিকে দ্বিতীয় স্থানে ঠেলে দিয়েছেন তিনি। সম্প্রতি ফোর্বসের রিয়েল টাইম বিলিয়নেয়ারের (Forbes Rich List) তালিকায় ১৫৫.৫ বিলিয়ন ডলারের সম্পত্তির অধিকারী হয়ে বিশ্বের ধনী ব্যক্তিদের তালিকায় দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে ফেলেছিলেন আদানি।এই বছরের ফেব্রুয়ারিতেই রিলায়েন্সের কর্নধার মুকেশ আম্বানিকে (Mukesh Ambani) টপকে এশিয়ার ধনীতম ব্যাক্তির শিরোপা ছিনিয়ে নেন। মুকেশ আম্বানি ফোর্বসের (Forbes) রিয়েল টাইম বিলিয়েনিয়ারদের তালিকায় ৮ নম্বরে রয়েছেন। তাঁর মোট অর্থের পরিমাণ ৯২ বিলিয়ন ডলার।

    ফোর্বস ম্যাগাজিনের সমীক্ষা অনুযায়ী এই প্রথমবার ভারতে ২০২২ সালের শীর্ষ ধনীতম ব্যাক্তিদের তালিকায় প্রথম স্থানে রয়েছেন আদানি।২০১৯ সালে তাঁর সম্পত্তির পরিমাণ ছিল ১৫.৭ বিলিয়ন। ২০২০ সালে তা বেড়ে ২৫.২ বিলিয়ন হয়। এরপর ২০২১ সালে করোনা অতিমারীর সময় যখন অর্থনৈতিক পরিস্থিতি টালমাটাল সেই সময়ে তাঁর সম্পত্তি তিনগুন বেড়ে ৭৪.৮ বিলিয়নে দাঁড়ায়। ২০২২ সালে বর্তমানে তাঁর সম্পদ দ্বিগুন বেড়ে ১৫০ বিলিয়নে দাঁড়িয়েছে। যার জেরেই শীর্ষ স্থানে পৌছেছেন তিনি। তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছেন রাধাকৃষ্ণ দমানি অ্যান্ড ফ্যামিলি। এ ছাড়াও তালিকায় যথাক্রমে রয়েছেন, সাইরাস পুনাওয়ালাস শিব নাদর, সাবিত্রী জিন্দল অ্যান্ড ফ্যামিলি, দিলীপ সাঙভি অ্যান্ড ফ্য়ামিলি, হিন্দুজা বন্ধু, কুমার মঙ্গলম বিড়লা এবং বাজাজ ফ্যামিলি।

    তালিকায় প্রথম দশে যাঁরা রয়েছেন, তাঁদের সম্মিলিত সম্পত্তির পরিমাণ ৮০ হাজার কোটি ডলার, ভারতীয় মুদ্রায় যা প্রায় ৬৬ লক্ষ কোটি টাকা। ভারতের অর্থনীতির থেকে তাঁদের সম্পত্তি প্রায় ২২ গুণ বেশি।

    ধনীতম ব্যক্তিদের তালিকায় প্রথম বারের মতো প্রবেশ ঘটেছে অনলাইন প্রসাধনী বিক্রি সংস্থা নাইকা-র সিইও ফাল্গুনী নায়ারের। তালিকায় ৪৪তম স্থানে রয়েছেন তিনি। সম্প্রতি তাঁর সংস্থা আইপিও হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। তার পর থেকে লাগাতার ফাল্গুনীর সম্পত্তি বেড়েছে। এই মুহূর্তে তাঁর মোট সম্পত্তির পরিমাণ প্রায় ৪৪০ কোটি ডলার। জামা-কাপড় ব্যবসায়ী রবি মোদি তালিকতায় ৫০তম স্থানে রয়েছেন। তাঁর মোট সম্পত্তির পরিমাণ ৩৭৫ কোটি ডলার।

    ডিজিটাল পেমেন্টস কোম্পানি পেটিএম-র কর্নধার বিজয় শেখর শর্মা এই লিস্ট থেকে ছিটকে গিয়েছেন কোম্পানির শেয়ার দর পতনের জন্য।

    প্রসঙ্গত, আদানি গ্রুপের বন্দর পরিকাঠামো, বিদ্যুত পরিষেবা, আবাসনের মতো ক্ষেত্রে বিশাল বিনিয়োগ রয়েছে। কিন্তু সাম্প্রতিককালে বেশ কয়েকটি রিপোর্টে দাবি করা হয় ব্যবসা বৃদ্ধির জন্য আদানি গোষ্ঠী প্রয়োজনের অধিক ঋণ নিয়ে ফেলেছে। তার ফলে ভবিষ্যতে সমস্যায় পড়তে পারে তারা। যদিও আদানি গোষ্ঠী এই দাবিকে উড়িয়ে দিয়ে ১৫ পাতার একটি রিপোর্টে প্রকাশ করে জানিয়েছিল যে, তারা কীভাবে ঋণের বোঝা কমিয়েছে। আদানি গ্রুপের স্টকগুলির অসাধারণ বৃদ্ধিতে বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন যে, খুব শীঘ্রই তিনি বার্নার্ড আর্নল্টকে ছাড়িয়ে পাকাপাকি ভাবে বিশ্বের দ্বিতীয় ধনীতম ব্যক্তি হিসেবে উঠে আসবেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

     
     
  • Gautam Adani: মুকেশ আম্বানিকে টপকে এশিয়ার সবথেকে ধনী গৌতম আদানি

    Gautam Adani: মুকেশ আম্বানিকে টপকে এশিয়ার সবথেকে ধনী গৌতম আদানি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সমালোচনার ঝড় সামলে শীর্ষে গৌতম আদানি (Gautam Adani)। এই মুহূর্তে মুকেশ আম্বানিকে পিছনে ফেলে এশিয়ার সবথেকে ধনী ব্যক্তি আদানি গ্রুপের চেয়ারম্যান গৌতম আদানি। নতুন বছরে পা দিতে না দিতেই ভাগ্যবদল। ২০২৪-র প্রথম চারদিনে গৌতম আদানির সম্পত্তির পরিমাণ বাড়ল ১৩.৩ বিলিয়ান মার্কিন ডলার। ভারতীয় মুদ্রায় যা প্রায় ১.২ লাখ কোটি টাকা। এর ফলে ফের একবার বিশ্বের শীর্ষ ধনকুবেরদের তালিকায় উঠে এলেন গৌতম আদানি।

    আম্বানিকে টপকে শীর্ষে আদানি

    আদানি-হিন্ডেনবার্গ বিবাদে বুধবারই সুপ্রিম কোর্টের রায়ে স্বস্তি মিলেছে। এবার এল সাফল্যের খতিয়ান। গত বছর হিন্ডেনবার্গের রিপোর্ট সামনে আসার পর থেকে বিপুল লোকসানের মুখে পড়ে কোম্পানি। জানুয়ারিতে এক লপ্তে সামগ্রিক অর্থের ৩৪ শতাংশের বেশি খুইয়ে ফেলেন গৌতম আদানি। যদিও ফের স্বমহিমায় তিনি। রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান মুকেশ আম্বানিকে পিছনে ফেলে ভারতের ধনীতম ব্যক্তি হলেন আদানি গ্রুপের চেয়ারম্যান গৌতম আদানি। শুধু তাই নয়, গৌতম আদানি বিশ্বের বিলিয়নেয়ারদের তালিকায় দ্বাদশ স্থানে পৌঁছেছেন। গৌতম আদানির মোট সম্পদও ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

    আরও পড়ুন: ভাগ্যর চাকা ঘুরল! নতুন বছরে দুবাই জ্যাকপটে ৪৪ কোটি পেলেন ভারতীয় গাড়িচালক

    বাড়ল আদানির সম্পত্তির পরিমাণ

    সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার আদানি (Gautam Adani) গোষ্ঠীর মোট সম্পত্তির পরিমাণ বেড়ে দাঁড়ায় ৯৭.৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। আগে মাত্র ৭.৬৭ বিলিয়ান মার্কিন ডলার মূল্যের সম্পত্তির মালিক ছিলেন তিনি। উল্লেখ্য, বিশ্বের ধনকুবেরদের তালিকায় বুধবার পর্যন্ত ১২ নম্বর স্থানে ছিলেন মুকেশ আম্বানি। গৌতম আদানির জন্য এক ধাপ নেমে যাওয়ায় বর্তমানে রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যানের ব়্যাঙ্কিং দাঁড়িয়েছে ১৩। গত বছরের ডিসেম্বর থেকে আদানির শেয়ার সূচক ছিল ঊর্ধ্বমুখী। তিনি যে অচিরেই মুকেশ আম্বানিকে পিছনে ফেলে দেবেন, সেই ইঙ্গিত তখনই মিলেছিল। এর আগেও একবার সম্পত্তির নিরিখে রিলায়েন্স কর্নধারকে হারিয়ে ভারতের ধনী ব্যক্তির তকমা ছিনিয়ে নিয়েছিলেন গৌতম আদানি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Adani-Hindenburg Case: সেবিকে ছাড়! আদানি-হিন্ডেনবার্গকাণ্ডের রায় সংরক্ষিত রাখল সুপ্রিম কোর্ট

    Adani-Hindenburg Case: সেবিকে ছাড়! আদানি-হিন্ডেনবার্গকাণ্ডের রায় সংরক্ষিত রাখল সুপ্রিম কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টে আপাতত স্বস্তি আদানিদের। আদানি-হিন্ডেনবার্গ (Adani-Hindenburg Case) মামলার রায় আপতত সংরক্ষিত রাখল শীর্ষ আদালত (Supreme Court)। বিচারপতি জেবি পারদিওয়ালা এবং বিচারপতি মনোজ মিশ্রের বেঞ্চ তার পর্যবেক্ষণে জানিয়েছে, হিন্ডেনবার্গ রিসার্চের মতো একটি বাজার সমীক্ষা সংস্থায় প্রকাশিত রিপোর্টের ভিত্তিতে বাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সেবি আদানিদের বিরুদ্ধে নোটিস জারি করবে এমনটা ভেবে নেওয়া ঠিক নয়। 

    কী বলছে শীর্ষ আদালত

    আদানি গোষ্ঠীর (Adani-Hindenburg Case) বিরুদ্ধে শেয়ার কারচুপি অভিযোগে তদন্ত করছে সেবি। সেই সংক্রান্ত একটি মামলায় শীর্ষ আদালতের মন্তব্য, তদন্তকারী সংস্থাগুলোর উপর আস্থা রাখতে হবে। পাশাপাশি, শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, বাজার নিয়ন্ত্রকের ‘দুর্নাম’ করার কারণ নেই। আগামী দিনে বাজারে অস্থিরতার কারণে লগ্নিকারীদের যাতে সম্পদ খোয়াতে না হয়, তা নিশ্চিত করতে সেবি কী করার কথা ভাবছে তা-ও জানতে চেয়েছে আদালত। দুই বিচারপতির বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, তাদের বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গড়তে বলা ঠিক হবে না। কারণ সেই নির্দেশ দেওয়ার মতো কোনও তথ্য আদালতের কাছে নেই। রায় ঘোষণার আগে সুপ্রিম কোর্টের এই মত কিছুটা হলেও স্বস্তি দেবে আদানি গোষ্ঠীকে।

    কোন মামলার শুনানি

    এই বছরের জানুয়ারি মাসে মার্কিন শেয়ার বিশ্লেষক সংস্থা হিন্ডেনবার্গ অভিযোগ করে, এক দশকেরও বেশি সময় ধরে কারচুপি করে নিজেদের নথিভুক্ত সংস্থাগুলির শেয়ার দর বাড়িয়েছে আদানি গোষ্ঠী। সেবির বিধিকে ফাঁকি দিতে ভুঁইফোঁড় বিদেশি সংস্থার মাধ্যমে নিজেদের সংস্থার শেয়ার কিনিয়েছে তারা। যার ভিত্তিতে দুটি মামলা গৃহিত হয়েছিল সুপ্রিম কোর্টে। বিনিয়োগকারীদের আস্থার বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য গত মার্চে একটি কমিটি গঠন করে শীর্ষ আদালত। পাশাপাশি, শেয়ার বাজারে ‘অনিয়মের’ অভিযোগটি খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয় সেবিকে। তবে সুপ্রিম কোর্টের বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যে তদন্তের রিপোর্ট পেশ করতে না পারায় আদালত অবমাননার অভিযোগ তুলে তাদের বিরুদ্ধে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়। সেই মামলারই শুনানি ছিল এদিন।

    আরও পড়ুন: ১৯৯টি কেন্দ্রে ১ লাখ ৭০ হাজার নিরাপত্তা রক্ষী! শুরু রাজস্থানে ভোটগ্রহণ

    সেবিকে ছাড় 

    শুনানি চলাকালীন এক মামলাকারীর আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণ অভিযোগ করেছিলেন, আদালত নিযুক্ত বিশেষজ্ঞ কমিটির দুই সদস্যের ‘স্বার্থের সংঘাত’ রয়েছে। এই আবহে আদালত বলে, ‘আপনাকে খুব সতর্ক থাকতে হবে। অভিযোগ করা খুবই সহজ। আমরা এখানে চরিত্রের সার্টিফিকেট দিচ্ছি না। কিন্তু সমানভাবে আমাদের ন্যায়ের মৌলিক নীতি সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে।’ এদিকে সেবি কমিটিতে থাকা আইনজীবী সোমশেখর সুন্দরেসন আদানির আইনজীবী বলে অভিযোগ করেছিলেন আবেদনকারীরা। সেই প্রসঙ্গে সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট ভাষায় জানায়, ২০০৬ সালে একটি মামলায় সোমশেখর আদানির হয়ে সওয়াল করেছিলেন। তিনি আদানির ইন-হাউজ আইনজীবী নন। এই আবহে সোমশেখর নিয়ে ওঠা আপত্তি খারিজ করে দেয় শীর্ষ আদালত। এরপরই এদিন রায়দান স্থগিত রাখে আদালত (Supreme Court)। 

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BGBS 2023: মহুয়াকাণ্ডের জেরেই কি তাজপুর বন্দর থেকে সরে গেলেন আদানিরা?

    BGBS 2023: মহুয়াকাণ্ডের জেরেই কি তাজপুর বন্দর থেকে সরে গেলেন আদানিরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘুষের বিনিময়ে সংসদে প্রশ্ন তোলার অভিযোগে কার্যত ল্যাজেগোবরে হয়েছেন কৃষ্ণনগরের সাংসদ তৃণমূলের মহুয়া মৈত্র। মহুয়া যাঁর হয়ে প্রশ্ন করেছিলেন তিনি ব্যবসায়ী হিরানন্দানি। যাঁর বিরুদ্ধে প্রশ্ন করেছিলেন ঘুষ নিয়ে, তিনি এই আদানি গোষ্ঠীর প্রধান গৌতম আদানি। ওয়াকিবহাল (BGBS 2023) মহলের মতে, সেই কারণেই তাজপুর গভীর সমুদ্র বন্দর নিয়ে ফের নতুন করে দরপত্র দেওয়ার কথা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

    বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলন

    ঘটনাটি তাহলে খুলেই বলা যাক। লগ্নি টানার নামে তৃণমূল জমানায় ফি বার হয় বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলন। গত বছর ওই সম্মেলন শেষে রাজ্য সরকারের তরফে মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম ঘোষণা করেছিলেন, তাজপুর সমুদ্র বন্দর নির্মাণের বরাত পেয়েছে আদানি গোষ্ঠী। সেটি নির্মাণে খরচ হবে ২৫ হাজার কোটি টাকা। চলতি বছর দুদিনের বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলন শুরু হয়েছে মঙ্গলবার। এদিনের সম্মেলনে আদানি গ্রুপের কাউকে দেখা যায়নি। অথচ গত বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলনে মঞ্চ আলোকিত করেছিলেন গৌতমই। কথা দিয়েছিলেন, বিনিয়োগ করবেন ১০ হাজার কোটি টাকা। কর্মসংস্থান হবে ২০ থেকে ২৫ হাজার।

    মহুয়াকাণ্ডের জের!

    এদিনের সম্মেলনে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “তাজপুরে সমুদ্রবন্দর হবে। আপনারা তাতে অংশগ্রহণ করতে পারেন।” দু’ বছরের মধ্যে তৃণমূল পরিচালিত রাজ্য সরকারের দুই মন্ত্রীর (এঁদের মধ্যে একজন আবার মুখ্যমন্ত্রী) দুই বিপ্রতীপ মন্তব্যে সৃষ্টি হয়েছে জল্পনার। প্রশ্ন উঠছে, মহুয়াকাণ্ডের জেরেই কি তাজপুরে বিনিয়োগে (BGBS 2023) বিমুখ আদানিরা? অবশ্য মমতা এবং ফিরহাদের বক্তব্যে বিপ্রতীপ কিছু দেখছেন না রাজ্যের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র। তিনি বলেন, “তাজপুর বন্দর নিয়ে নতুন করে কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি। আদানি গোষ্ঠীকে অনুমতিপত্র দেওয়া হয়েছিল। তবে সেটা বাতিল করা হয়নি।”

    আরও পড়ুুন: মোদির নেতৃত্বে আজ শুরু ভার্চুয়াল জি২০ সম্মেলন, যোগ দেবেন কি ট্রুডো?

    কটাক্ষ বিজেপির

    তাজপুর নিয়ে গতকালের ঘোষণার পরই মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিজেপি। দলের সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, “আদানি নিয়েছিলেন, তবে সেখানকার মাটির ফিট সার্টিফিকেট আসেনি। তাজপুর বন্দরের একটা পাথরও গাঁথা হয়নি। আদৌ বন্দর করা যাবে কিনা, সেটাই তো বোঝা যাচ্ছে না! কে জলে টাকা ফেলতে চায়? ওঁর (আদানি) থেকে কেড়ে নিলেন? দেবেন কাকে? সবই তো গভীর জলে পড়ে রয়েছে। অন্যদিকে, আম্বানি বুঝে গিয়েছেন দিদির কাছে বড় বড় কথা বললে দিদি খুশি। নাহলে বাকি যে (BGBS 2023) ব্যবসাগুলো চলছে, সেগুলোও চলতে দেবেন না।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Supreme Court: আদানিকাণ্ডে কমিটি গড়ল সুপ্রিম কোর্ট, কে কে রয়েছেন জানেন?

    Supreme Court: আদানিকাণ্ডে কমিটি গড়ল সুপ্রিম কোর্ট, কে কে রয়েছেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গৌতম আদানির (Gautam Adani) সংস্থার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ খতিয়ে দেখতে অনুসন্ধান কমিটি গড়ল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। আদানি গোষ্ঠী নিয়ে হিন্ডেনবার্গ (Hindenberg) রিসার্চ রিপোর্টের জেরে যে সমস্যাগুলি তৈরি হয়েছে, তা খতিয়ে দেখার জন্য বিশেষজ্ঞ কমিটি গড়ল দেশের শীর্ষ আদালত। বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের বেঞ্চ জানিয়েছে, অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এএম সাপ্রে ছয় সদস্যের কমিটির নেতৃত্ব দেবেন। এই কমিটির বাকি সদস্যরা হলেন ওপি ভাট, অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি জেপি দেবদত্ত, কেভি কামাথ, নন্দন নিলেকানি এবং সোমশেখর সুদর্শন। আগামী দু মাসের মধ্যে রিপোর্ট পেশ করতে হবে ওই কমিটিকে।

    সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)…

    একই সঙ্গে সেবিকে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ, এই ইস্যুতে সেবির নিয়মের ১৯ নম্বর ধারা লঙ্ঘন হয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখতে হবে। শেয়ারের দরে কোনও জালিয়াতি হয়েছে কি না, তাও দেখতে হবে। প্রসঙ্গত, সুপ্রিম কোর্টে যে মামলা দায়ের করা হয়েছিল, সেখানে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সুরক্ষার বিষয়টি নিয়ে কমিটি গঠনের আবেদন করা হয়েছিল। আদালতের (Supreme Court) পর্যবেক্ষণ ছিল, বিপজ্জনক পরিস্থিতি থেকে বাঁচাতে নিয়ন্ত্রণ কাঠামোর যথাযথ মূল্যায়ন এবং বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে নিয়ন্ত্রণ প্রক্রিয়া জোরদার করা প্রয়োজন। তাই এ বিষয়ে অভিজ্ঞদের কমিটির সদস্য করে দেশের বিনিয়োগকারীদের ভরসা জোগাতে চাইছে সুপ্রিম কোর্ট।

    আরও পড়ুুন: ‘‘ওরা বলছে, মর যা মোদি, দেশ বলছে, মৎ যা মোদি’’, একথা কেন বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    আদানিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠার পর স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে অনুসন্ধান শুরু করে সেবি। শীর্ষ আদালত বলেছে, সেবিকে তাদের অনুসন্ধান রিপোর্ট যত দ্রুত সম্ভব আদালত গঠিত কমিটির কাছে পেশ করতে হবে। সেই সঙ্গে আদালত স্পষ্ট করে দিয়েছে, সেবির স্বাধিকারে কোনওভাবেই হস্তক্ষেপ করবে না কমিটি। প্রসঙ্গত, গত ২৪ জানুয়ারি মার্কিন গবেষণা সংস্থা হিন্ডেনবার্গ রিসার্চের রিপোর্ট সামনে আসে। তার পর থেকে এনিয়ে হইচই হয় ভারতে। আদানিদের তরফে ওই রিপোর্টকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করা হয়।

    এনিয়ে ৪১৩ পাতার পাল্টা জবাব সামনে আনা হয়। তার পরেও আদানি তাঁর সংস্থার ক্ষতি আটকাতে পারেননি। গত এক মাসে শেয়ার বাজারে তাঁর একাধিক সংস্থার শেয়ারের দর পড়েছে হু হু করে। এদিকে, সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) এই নির্দেশকে স্বাগত জানিয়েছেন আদানি। ট্যুইট-বার্তায় তিনি লেখেন, মাননীয় সুপ্রিম কোর্টের রায়কে আদানি গ্রুপ স্বাগত জানায়। এটা সঠিক সময়ে তদন্তের মাধ্যমে সত্যিটা সামনে আসবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

     

     

LinkedIn
Share