Tag: genocide

  • Hindus Under Attack: হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ অব্যাহত, দেখে নেওয়া যাক এ সপ্তাহের ছবি

    Hindus Under Attack: হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ অব্যাহত, দেখে নেওয়া যাক এ সপ্তাহের ছবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বন্ধ হয়নি হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ। দেশ তো বটেই, বিদেশেও ঘনঘন ঘটছে হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ (Hindus Under Attack)। বিশ্বের বহু অঞ্চলে এই নির্যাতন ধীরে ধীরে একপ্রকার গণহত্যার রূপ নিচ্ছে। দশকের পর দশক ধরে বিশ্বের একটা বড় অংশ এই আক্রমণগুলির প্রকৃত গভীরতা ও বিস্তার উপেক্ষা করেছে, যা উদ্বেগজনক হিন্দু-বিরোধী পক্ষপাতের ফল বলেই দাবি ওয়াকিবহাল মহলের। হত্যা, ধর্মান্তর, জমি দখল, উৎসব-অনুষ্ঠানে বাধা, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণামূলক বক্তব্য, যৌন হিংসা, প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য—এসবের মাধ্যমে হিন্দুরা তাঁদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণের মুখোমুখি হচ্ছে বলেই অভিযোগ। এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক ১৯ এপ্রিল থেকে ২৫ এপ্রিল, ২০২৬ পর্যন্ত এমন কিছু ঘটনার ছবি। বিশ্বজুড়ে আরও বেশি করে মানুষ যাতে এই মানবাধিকার সঙ্কট সম্পর্কে সচেতন হোন, তা-ই এই সাপ্তাহিক প্রতিবেদন।

    ভারতের ছবি (Hindus Under Attack)

    প্রথমেই দেখে নেওয়া যাক ভারতের ছবিটা। “হাউ আয়াপ্পান ওয়েন্ট ফ্রম এ লোকাল ফরেস্ট ডেইটি টু কেরালাজ মোস্ট কন্ট্রোভার্সিয়াল গড” শীর্ষক লেখাটি লিখেছেন অনিরুদ্ধ কানিসেট্টি (Hindus Under Attack)। লেখাটির শিরোনামটি ভগবান আয়াপ্পাকে নিয়ে, যিনি লাখ লাখ ভক্তের কাছে ব্রহ্মচারী যোদ্ধা দেবতা ধর্মশাস্তা, হরিহরসূত (বিষ্ণু ও শিবের পুত্র), এবং ধর্ম ও তপস্যার প্রতীক, তাঁকেই ‘বিতর্কিত’ রূপে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে সমালোচনা করা হয়েছে (Roundup Week)। মধ্যপ্রদেশের এক প্রত্যন্ত গ্রামে “চেঙ্গাই- ফেথ হিলিং” সমাবেশের পর গ্রেফতার করা হয়েছে দুই পাদ্রীকে। তারা ‘লাইট অফ জেসাস চার্চে’র সঙ্গে যুক্ত বলে অভিযোগ। পুলিশ বৃহত্তর ধর্মান্তর এই নেটওয়ার্কের তদন্ত করছে। হুব্বলির এক তরুণীর অভিযোগ, মুফিস মিয়ানাভার নামে এক ব্যক্তি সম্পর্ক গড়ার অছিলায় তাঁকে ধর্ষণ, ব্ল্যাকমেল ও দীর্ঘদিন ধরে শোষণ করে আসছে। কেশ্বাপুর থানায় দায়ের হয়েছে অভিযোগ (Hindus Under Attack)।

    মন্দিরের টন টন সোনা

    এদিকে, ক্যাথলিক পুরোহিত ফাদার পল থেলাক্কাট প্রশ্ন তোলেন, কেন মন্দিরের টন টন সোনা জনসেবায় ব্যবহার করা হয় না। বিদেশি অনুদানের ওপর নজরদারি নিয়ে খ্রিস্টান প্রতিষ্ঠানগুলির পক্ষে কথা বলতে গিয়ে এই মন্তব্য করেন তিনি। ফের খবরের শিরোনামে নাসিকের টিসিএস। এক মহিলা কর্মীর অভিযোগ, কর্মক্ষেত্রে তাঁকে আলাদা করা, চাপ দেওয়া এবং মানসিকভাবে বারংবার হয়রান করা হয়েছে।ভোপালের এক মামলায় অভিযোগ উঠেছে, তিনজন অপ্রাপ্তবয়স্ক হিন্দু কিশোরীকে প্রলোভন দেখিয়ে যৌন নির্যাতন, ধর্মান্তর ও বিয়ের জন্য চাপ দেওয়া হয়েছিল (Hindus Under Attack)।

    লাভ জেহাদ!

    ইন্দোরে বছর উনিশের এক কলেজছাত্রীর অভিযোগ, এক মুসলিম ব্যক্তি হিন্দু পরিচয় দিয়ে তাঁকে প্রতারণা করে, মাদক খাইয়ে ধর্ষণ করে। শুধু তা-ই নয়, ওই ব্যক্তি আপত্তিকর ভিডিও দিয়ে ব্ল্যাকমেল করে এবং ইসলাম ধর্ম গ্রহণ এবং বিয়ের জন্য চাপ দেয় (Roundup Week)। নাগপুর পুলিশ একটি এনজিও পরিচালনাকারী রিয়াজ কাজিকে গ্রেফতার করেছে। অভিযোগ, সমাজসেবার আড়ালে সে হিন্দু মহিলাদের ধর্মান্তরের জন্য চাপ দিত এবং হয়রান করত। গুরুগ্রামে আসিফ মোহাম্মদ নামে এক কোচিং সেন্টার মালিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ, ভাষা প্রশিক্ষণের অছিলায় বছর ছাব্বিশের এক হিন্দু ছাত্রীকে যৌন নির্যাতন করে। শুধু তা-ই নয়, জোর করে দু’বার গর্ভপাতও করায় (Roundup Week)।

    বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর আক্রমণ

    এদিকে, বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর আক্রমণ অব্যাহত রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। অভিযোগ, সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়কে ধীরে ধীরে দেশছাড়া করার লক্ষ্যেই এই নির্যাতন চালানো হয়। দিনাজপুর জেলার বীরগঞ্জ উপজেলায় এক আদিবাসী সম্প্রদায়ের ওপর হামলা ও একটি মন্দির ভাঙচুরের অভিযোগে উত্তেজনা ছড়ায়। ১৫০–২০০ জনের একটি দল কালীমন্দিরে হামলা করে মূর্তি ভেঙে ফেলে দেয় বলে অভিযোগ। কক্সবাজারের পাহাড়ি এলাকায় তিনদিন নিখোঁজ থাকার পর এক হিন্দু সন্ন্যাসীর মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। মৃতের নাম নয়ন দাস (৩৫)। তিনি স্থানীয় এক মন্দিরের সেবায়েত ছিলেন।

    ঘৃণাজনিত অপরাধ

    অন্যদিকে, ইউএসসিআইআরএফ, সাভেরা, সিএসওএইচ, এইচএফএইচআর, ইক্যুয়ালিটি ল্যাবসের মতো (Roundup Week) কিছু সংগঠনের তথাকথিত গবেষণা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবাসী হিন্দু সমাজ ও ভারতকে নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করছে বলে অভিযোগ (Hindus Under Attack)। প্রসঙ্গত, অনেক ঘৃণাজনিত অপরাধ নির্দিষ্ট ধর্মীয় শিক্ষা ও রাজনৈতিক মতাদর্শ থেকে উৎসাহিত হয় বলে দাবি করা হয়। ইসলামি রাষ্ট্রগুলিতে হিন্দু-বিরোধী ঘৃণা প্রকাশ্যে হলেও, ভারতের মতো তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রগুলিতেও সূক্ষ্মভাবে হিন্দু-বিরোধী মনোভাব দেখা যায়। দীপাবলিতে আতশবাজি নিষেধাজ্ঞাকে এর উদাহরণ হিসেবে দেখানো হয়েছে—বাহ্যিকভাবে দূষণ নিয়ন্ত্রণের যুক্তি দেওয়া হলেও, বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে এটি দ্বৈত মানদণ্ড বলেও সমালোচনা করা হয়েছে (Hindus Under Attack)।

     

  • Hindus Under Attack: বিপন্ন হিন্দুরা, সাপ্তাহিক ঘটনায়ই উঠে এল এমন ছবি  

    Hindus Under Attack: বিপন্ন হিন্দুরা, সাপ্তাহিক ঘটনায়ই উঠে এল এমন ছবি  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর অব্যাহত আক্রমণ। দেশ কিংবা বিদেশ সর্বত্রই এমনতর ঘটনা ঘনঘন এবং নিরন্তর চলছে। বিশ্বের অনেক অঞ্চলে এই (Hindus Under Attack) নির্যাতন ধীরে ধীরে একটি গণহত্যার রূপ নিচ্ছে। বহু দশক ধরে বিশ্ব এই আক্রমণের প্রকৃত গভীরতা ও ব্যাপ্তিকে উপেক্ষা করেছে, যা উদ্বেগজনক হিন্দু-বিরোধী বিদ্বেষ দ্বারা প্রভাবিত। হত্যা, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, উৎসবে-অনুষ্ঠানে হামলা, আক্রমণ, মন্দির-মূর্তির অবমাননা, ঘৃণামূলক বক্তব্য, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য—হিন্দুরা তাদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণের সম্মুখীন হচ্ছে। এটি অভূতপূর্ব হিন্দু বিদ্বেষের পরিচায়ক (Roundup Week)।

    ভারতের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করে (Hindus Under Attack)

    গত ৫ থেকে ১১ এপ্রিল, ২০২৬ পর্যন্ত পর্বে আমরা এমন কিছু ঘটনার ছবি তুলে ধরতে চাই, যাতে বিশ্বব্যাপী মানুষ এই মানবাধিকার সঙ্কট সম্পর্কে সচেতন হয়। এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক ছবিটা। ইউনাইটেড স্টেটস কমিশন অন ইন্টারন্যাশনাল রিলিজিয়াস ফ্রিডম (USCIRF) তাদের ২০২৬ সালের বার্ষিক প্রতিবেদনে একটি নজিরবিহীন পদক্ষেপ করেছে। তারা ভারতের বৃহত্তম সাংস্কৃতিক সংগঠন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (RSS)-এর ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞার সুপারিশ করেছে। ইউনাইটেড স্টেটস কমিশন অন ইন্টারন্যাশনাল রিলিজিয়াস ফ্রিডম প্রায়ই এমন প্রতিবেদন প্রকাশ করে যা আদতে ভারতের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করে।

    ইমরান শেখ গ্রেফতার

    দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল ভুবনেশ্বর থেকে ইমরান শেখ নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে, সে উগ্রপন্থী গোষ্ঠীর সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলছিল বলে অভিযোগ। ২২ বছর বয়সী শেখকে ওড়িশার রাজধানীর ইউনিট-৬ এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। মহারাষ্ট্রের নাসিকের একটি বহুজাতিক আইটি সংস্থায় যৌন হয়রানি ও ধর্মীয় নিপীড়নের ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। সাত মহিলা পুলিশ কর্মী ছদ্মবেশে সেখানে ঢুকে দেখেন, হিন্দু মহিলা কর্মীরা হয়রানি ও ধর্মীয় নিপীড়নের শিকার হচ্ছেন। অভিযানে অভিযুক্তদের হাতেনাতে ধরা হয় এবং গ্রেফতার করা হয়। মোট ৯টি মামলা দায়ের হয়েছে, গ্রেফতার হয়েছে ৭ জন।

    তৃণমূল কংগ্রেসের কাউন্সিলরের ‘দাদাগিরি’

    কলকাতার ভবানীপুরে ভোলানন্দ গিরি আশ্রমে তৃণমূল কংগ্রেসের কাউন্সিলর অসীম বসু ঢুকে পড়ে সেখানকার সাধুদের জোর করে বের করে দেন। বিভিন্ন জেলা থেকে আসা সাধুদের অভিযোগ, তাঁদের হুমকি দেওয়া হয়েছিল এবং আশ্রমের বিদ্যুৎ ও জল সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়েছিল (Hindus Under Attack)। দিল্লির ত্রিনগরে একটি ‘লাভ জেহাদ’ মামলাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। সেখানে বছর পনেরোর এক হিন্দু কিশোরী ও বছর চৌত্রিশের এক মুসলিম ব্যক্তির মধ্যে সম্পর্কের অভিযোগ ওঠে। ওই কিশোরীর পরিবারের দাবি, ওই ব্যক্তি পরিচয় গোপন করে ‘সৌরভ রাইডার’ নামে পরিচয় দিয়েছিল। তিনি নৃত্য প্রশিক্ষক। পড়াতে গিয়ে ওই মেয়েটির সঙ্গে পরিচয় হয় তাঁর।

    বেশিরভাগ ঘৃণামূলক অপরাধ হিন্দু-বিরোধী বিদ্বেষ থেকে উদ্ভূত, যা কিছু ধর্মীয় শিক্ষা ও রাজনৈতিক মতাদর্শে নিহিত। ইসলামিক দেশগুলিতে এই বিদ্বেষ স্পষ্ট হলেও, ভারতের মতো তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ দেশগুলিতেও একটি সূক্ষ্ম হিন্দু-বিরোধী মনোভাব আজও রয়ে গিয়েছে, যা এই ধরনের অপরাধকে উৎসাহ দেয় (Roundup Week)। দীপাবলিতে পটকা নিষিদ্ধ করার বিষয়টি এর একটি উদাহরণ। একে পরিবেশ বাঁচানোর কারণ বলে মনে করিয়ে দিয়ে  হয়। বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে এটি হিন্দু উৎসবগুলির ওপর বিধিনিষেধ এবং দ্বৈত মানদণ্ডের ইঙ্গিত দেয় (Hindus Under Attack)।

     

  • Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু- হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ, দেখুন এই সপ্তাহের ছবি

    Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু- হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ, দেখুন এই সপ্তাহের ছবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশ-বিদেশে অব্যাহত হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ। বিশ্বের বহু অঞ্চলে এই নির্যাতন ধীরে ধীরে একটি গণহত্যার রূপ নিচ্ছে, যা আমাদের চোখের সামনেই ঘটছে। দশকের পর দশক ধরে বিশ্ব এই আক্রমণের প্রকৃত গভীরতা ও বিস্তার উপেক্ষা করেছে। অথচ এটি উদ্বেগজনক হিন্দুবিরোধী পক্ষপাতিত্ব দ্বারা (Roundup Week) পরিচালিত।

    খুন-জখম-রাহাজানি (Hindus Under Attack)

    খুন, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, উৎসবের ওপর আক্রমণ (Hindus Under Attack), মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণামূলক বক্তব্য, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য পর্যন্ত—হিন্দুরা তাদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণের মুখে পড়ছে, শিকার হচ্ছে নজিরবিহীন হিন্দুবিদ্বেষের। এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক ২৯ মার্চ থেকে ০৪ এপ্রিল, ২০২৬ পর্যন্ত সময়ের ছবিটা। বিশ্বজুড়ে আরও মানুষ যাতে এই মানবাধিকার সঙ্কট সম্পর্কে সচেতন হয়, তাই এই প্রচেষ্টা।

    খবরে কর্নাটক

    প্রথমে দেখে নেওয়া যাক ভারতের ছবিটা। ফের বিতর্ক সৃষ্টি করেছেন কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধারামাইয়া। দিন কয়েক আগে তিনি প্রকাশ্যে বলেন, তিনি উগাদি এবং মহাশিবরাত্রির মতো পবিত্র হিন্দু উৎসবের দিনেও আমিষ খাবার খান। বিধানসভায় বাজেট আলোচনার জবাবে দেওয়া এই বক্তব্য শাসক দলের হিন্দু প্রথার প্রতি অবহেলার বিষয়ে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। মধ্যপ্রদেশের রাজধানী ভোপাল থেকে একটি উদ্বেগজনক ঘটনা সামনে এসেছে।  সেখানে এক কলেজছাত্রীর অভিযোগ, এক মুসলিম ব্যক্তি ভুয়ো হিন্দু পরিচয়ে ইনস্টাগ্রামে তার সঙ্গে পরিচয় করে, তাকে ধর্ষণ করে, ব্যক্তিগত ছবি এবং ভিডিও দিয়ে ব্ল্যাকমেল করে। শুধু তা-ই নয়, পরে তাঁকে ধর্মান্তরিত হয়ে নমাজ আদায়ের জন্য চাপ দেয়। অভিযুক্ত শাদাব ‘আদিত্য’ নাম নিয়ে করে প্রতারণা করেছিল (Hindus Under Attack)।

    উদ্বেগজনক ঘটনা

    ধারওয়াড়ের মারাঠা কলোনিতে একটি উদ্বেগজনক ঘটনা প্রকাশ পেয়েছে, যেখানে একজন ইসলামপন্থী জিম প্রশিক্ষক মোহাম্মদ সাবিরের বিরুদ্ধে হিন্দু মহিলাদের যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে এবং বজরং দল কর্মীরা প্রতিবাদ হিসেবে জিমটি বন্ধ করে দেন। পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে (Roundup Week)। উত্তরপ্রদেশের হাপুরে মেঘালয় থেকে আসা এক তরুণীর অভিযোগ, স্থানীয় এক মুসলিম যুবক তাকে ধর্ষণ করেছে, ব্ল্যাকমেল করেছে এবং অশ্লীল ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দিয়েছে। ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুনে জেলার মাঞ্চারে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে একটি ঐতিহাসিক ‘বারাভ’ (ধাপ কূপ, যা স্থানীয়দের মতে পাণ্ডব যুগের এবং ১২শ শতকে পুনর্নির্মিত) তা ওয়াকফ বোর্ডের নথি থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। স্থানীয়দের দীর্ঘ আন্দোলনের ফলে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় (Hindus Under Attack)।

    বাংলাদেশ

    বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর আক্রমণ অব্যাহত। চলছে পরিকল্পিতভাবে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের দেশ থেকে ধীরে ধীরে মুছে ফেলার প্রয়াস (Roundup Week)। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল বরকতের একটি গবেষণা অনুযায়ী, প্রাতিষ্ঠানিক ও ব্যবস্থাগত নির্যাতনের কারণে ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে কোনও হিন্দু অবশিষ্ট থাকবে না। মন্দির ভাঙচুর, জমি দখল, মিথ্যা ধর্মনিন্দার অভিযোগ তুলে হামলা, ধর্ষণ ও জোরপূর্বক ধর্মান্তর, এবং ঘৃণাসূচক বক্তব্য—এসবই হিন্দুদের ভয় দেখিয়ে দেশ ছাড়তে বাধ্য করার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

    মসজিদের কাছ থেকে উদ্ধার হিন্দুর দেহ

    চট্টগ্রামের বাঁশখালি উপজেলায় একটি মসজিদের কাছ থেকে উদ্ধার হয় বছর পঞ্চাশের স্বপন দাসের মৃতদেহ। নিখোঁজ হওয়ার প্রায় ২৪ ঘণ্টা পরে মিলল তাঁর দেহ। তিনি পটিয়া উপজেলার পূর্ব ডেঙ্গা পাড়ার বাসিন্দা ছিলেন। ২৭ মার্চ সকাল ১০টার দিকে নিখোঁজ হন তিনি। অনেক খোঁজাখুঁজির পর ২৮ মার্চ বিকেলে তাঁর দেহের হদিশ মেলে (Hindus Under Attack)। বেশিরভাগ ঘৃণাজনিত অপরাধ হিন্দুবিরোধী পক্ষপাতিত্ব দ্বারা চালিত, যা কিছু ধর্মীয় শিক্ষা ও রাজনৈতিক মতাদর্শে নিহিত। ইসলামিক দেশগুলিতে এই বিদ্বেষ স্পষ্ট হলেও, ভারতের মতো তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রগুলি প্রতিষ্ঠান ও জনপরিসরেও সূক্ষ্ম হিন্দুবিরোধী মনোভাব রয়েছে, যা হিন্দুবিদ্বেষ ও ঘৃণাজনিত অপরাধকে উৎসাহিত করে (Roundup Week)।

    এই সূক্ষ্ম, দৈনন্দিন বৈষম্য সহজে চোখে পড়ে না, যদি না আইন ও সামাজিক প্রবণতাগুলি বিশ্লেষণ করা হয়। দীপাবলিতে আতশবাজি নিষিদ্ধ করার বিষয়টি একটি উদাহরণ। আপাতদৃষ্টিতে এটি পরিবেশগত মনে হলেও, আদতে এটি বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে দেখা যায় হিন্দু উৎসবগুলির ওপর একতরফা বিধিনিষেধ আরোপের সিদ্ধান্তে (Hindus Under Attack)।

     

  • Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ, ঝলকে এই সপ্তাহের ছবি

    Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ, ঝলকে এই সপ্তাহের ছবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত ও বিদেশ উভয় জায়গায়ই হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ অব্যাহত রয়েছে। বিশ্বের বহু অঞ্চলে এই নিপীড়ন আমাদের চোখের সামনেই ধীরে ধীরে গণহত্যার রূপ নিচ্ছে (Hindus Under Attack)। বহু দশক ধরে বিশ্বের দৃষ্টি এই ধরনের আক্রমণের প্রকৃত গভীরতা ও ব্যাপ্তির দিকে যায়নি, যার পেছনে রয়েছে উদ্বেগজনক হিন্দু-বিরোধী বিদ্বেষ। হত্যা, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, উৎসবে হামলা, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণামূলক বক্তব্য, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য—সব মিলিয়ে হিন্দুরা তাঁদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণ এবং নজিরবিহীন হিন্দু-বিদ্বেষের সম্মুখীন হচ্ছেন (Roundup Week)। ২১ থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সময়কালের এই সাপ্তাহিক সংক্ষিপ্ত বিবরণে এই ধরনের অপরাধের একটি সামগ্রিক চিত্র তুলে ধরা হল। শুধু তাই নয়, বিশ্বজুড়ে মানুষকে এই মানবাধিকার সংকট সম্পর্কে সচেতন করা যাবে বলেও ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

    মাদ্রাজ হাইকোর্টের রায় (Hindus Under Attack)

    প্রথমে দেখে নেওয়া যাক ভারতের ছবিটা। একটি প্রাচীন মন্দিরের বাণিজ্যিক ব্যবহারের বিরুদ্ধে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে মাদ্রাজ হাইকোর্টের মাদুরাই বেঞ্চ ‘অরুলমিগু কন্যাকুমারী ভাগবতী আম্মান তিরুকোভিলে’র ‘কন্নিয়াম্বালম’ কল মণ্ডপম থেকে অবিলম্বে সব দখলদারি অপসারণের নির্দেশ দিয়েছে এবং কাঠামোটি সিল করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিচারপতি জি জয়চন্দ্রন ও বিচারপতি কেকে রামকৃষ্ণনের সমন্বয়ে গঠিত ডিভিশন বেঞ্চ হিন্দু রিলিজিয়াস অ্যান্ড চ্যারিটেবল এন্ডাওমেন্টস (HR&CE) দফতরকে কঠোরভাবে ভর্ৎসনা করে মন্তব্য করে যে ঐতিহ্যবাহী মন্দিরটি “আর্থিক লাভের জন্য” ব্যবহার করা হয়েছে এবং মণ্ডপমের ভেতরে নির্মাণসামগ্রী ও ধ্বংসাবশেষ সংরক্ষণ করা হচ্ছিল।

    শিবাজি জয়ন্তীর শোভাযাত্রায় পাথর

    ১৯ ফেব্রুয়ারি রাতে কর্নাটকের বাগালকোট শহরে কিলা ওনি এলাকায় শিবাজি জয়ন্তীর শোভাযাত্রায় পাথর ও জুতো ছোড়ার ঘটনায় উত্তেজনা ছড়ায়। ছত্রপতি শিবাজি মহারাজের স্মরণে আয়োজিত শোভাযাত্রাটি উদ্‌যাপনের মধ্যে দিয়ে অগ্রসর হচ্ছিল, এমন সময় এই ঘটনা ঘটে, যা অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করে এবং পুলিশ তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপ করে (Roundup Week)। ‘দ্য নিউজ মিনিটে’ সম্প্রতি বিনু করুণাকরণের একটি প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে, যেখানে তিরুনাভায়ার মহা মাঘ মহোৎসবকে “গেরুয়া চিত্রনাট্য” এবং “হিন্দুত্বের রাজনৈতিক নাটক” বলা হয়েছে। দাবি করা হয়েছে, এটি ২০২৮ সালের নির্বাচনের আগে কেরলকে মেরুকরণ করতে পূর্ণাঙ্গ কুম্ভমেলার রূপ নেবে। সমালোচকদের মতে, অন্য ধর্মের বৃহৎ জনসমাবেশের ক্ষেত্রে নীরব থেকে এই ধরনের মন্তব্য ভণ্ড-ধর্মনিরপেক্ষতার পরিচায়ক (Hindus Under Attack)।

    ধর্মীয় স্বাধীনতা দমনের অভিযোগ

    এদিকে, ওয়ারাঙ্গলের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি (NIT)-এ ছাত্রদের ধর্মীয় স্বাধীনতা দমনের অভিযোগে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনে (NHRC) একটি পিটিশন দাখিল হয়েছে। অভিযোগ, এনআইটি ওয়ারাঙ্গলের ১.৮কে হস্টেলে থাকা ছাত্ররা প্রায় এক বছর ধরে প্রতি মঙ্গলবার সন্ধ্যায় পনেরো মিনিট ধরে হনুমান চালিশা পাঠ করছিলেন। পিটিশনে দাবি করা হয়েছে, প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্তারা হস্টেলে গিয়ে প্রার্থনা সভা ভেঙে দেওয়ার নির্দেশ দেন এবং যাঁরা সাংবিধানিক ধর্মীয় অধিকারের কথা উল্লেখ করে প্রশ্ন তোলেন, তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা, এমনকি বহিষ্কারের হুমকিও দেওয়া হয় (Roundup Week)। কর্নাটকের শিবমোগ্গা জেলার উর্গাদুর এলাকায় নাবালক ইসলামপন্থী যুবকদের মধ্যে সংঘর্ষে হস্তক্ষেপ করতে গিয়ে ১৬ বছর বয়সী সংকেত নামে এক হিন্দু কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। তিনি তাঁর বন্ধু গিরিশকে রক্ষা করতে গিয়ে প্রাণ হারান (Hindus Under Attack)।

    মোবাইল স্ক্রিন গার্ড কেনা নিয়ে তর্কের জের

    কর্নাটকের চিত্রদুর্গ শহরের সন্থে ময়দানের কাছে মোবাইল দোকান মালিক বিক্রম চৌধুরীকে মোবাইল স্ক্রিন গার্ড কেনা নিয়ে তর্কের জেরে এক ইসলামপন্থী যুবক ছুরিকাঘাত করে। দেশের পাশাপাশি বিদেশের ছবিটাও এক ঝলক দেখে নেওয়া যাক। বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর আক্রমণ অব্যাহত এবং তা ধীরে ধীরে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের দেশছাড়া করার উদ্দেশ্যে পরিচালিত হচ্ছে বলে অভিযোগ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল বরকতের এক গবেষণায় বলা হয়েছে, প্রাতিষ্ঠানিক নিপীড়নের কারণে ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে কোনও হিন্দু অবশিষ্ট থাকবে না (Roundup Week)। মন্দির ভাঙচুর, জমি দখল, ভুয়ো ধর্ম অবমাননার অভিযোগে গণআক্রমণ, ধর্ষণ ও জোরপূর্বক ধর্মান্তর, এবং ঘৃণামূলক বক্তব্য—এসবই হিন্দুদের ভয় দেখিয়ে তাড়িয়ে দেওয়ার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে বলে অভিযোগ (Hindus Under Attack)।

    গণধর্ষণের অভিযোগ

    বরিশাল জেলায় এক বিবাহিত হিন্দু মহিলাকে অপহরণ ও গণধর্ষণের অভিযোগে একটি গুরুতর ঘটনা সামনে এসেছে। স্থানীয় সূত্রে খবর, তিনি কীর্তনের অনুষ্ঠান শেষে বাড়ি ফেরার পথে একদল হামলাকারীর কবলে পড়েন এবং তাঁকে অপহরণ করে শারীরিক নির্যাতন ও গণধর্ষণ করা হয়। গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর উপজেলার জলিরপাড় ইউনিয়নের কলিগ্রাম গ্রামে নিশান্ত বৈদ্য নামে এক ব্যক্তিকে বাড়ি থেকে টেনে বের করে নির্মমভাবে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ। পরে তাঁর মরদেহ ফেলে দেওয়া হয়, যা সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়েছে।

    প্রসঙ্গত, অধিকাংশ ঘৃণাজনিত অপরাধের পেছনে হিন্দু-বিরোধী বিদ্বেষ কাজ করে, যা কিছু ধর্মীয় শিক্ষাব্যবস্থা ও রাজনৈতিক মতাদর্শে প্রোথিত বলে অভিযোগ। ইসলামি দেশগুলিতে এই বিদ্বেষ প্রকাশ্যে এলেও ভারতের মতো তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রগুলির প্রতিষ্ঠান ও জনপরিসরেও সূক্ষ্মভাবে হিন্দু-বিরোধী মনোভাব কাজ করে বলে দাবি করা হয়। এই ধরনের দৈনন্দিন বৈষম্য সহজে চোখে পড়ে না, যদি না প্রচলিত আইন ও নীতির ধরণ বিশ্লেষণ করা হয়। উদাহরণ হিসেবে দীপাবলিতে আতশবাজি নিষেধাজ্ঞার প্রসঙ্গ উল্লেখ করা হয়। আপাতভাবে (Roundup Week) এটি দূষণ-সংক্রান্ত মনে হলেও বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে হিন্দু উৎসবের ওপর বিধিনিষেধ এবং যুক্তির অসামঞ্জস্য নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয় (Hindus Under Attack)।

     

  • Hindus Under Attack: দেশ-বিদেশে অব্যাহত হিন্দুদের ওপর আক্রমণ

    Hindus Under Attack: দেশ-বিদেশে অব্যাহত হিন্দুদের ওপর আক্রমণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত ও বিদেশে হিন্দু এবং হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ অব্যাহত। বিশ্বের বহু অঞ্চলে এই নির্যাতন আমাদের চোখের সামনে ধীরে ধীরে (Roundup Week) সংঘটিত এক প্রকার গণহত্যার মতো (Hindus Under Attack)। বহু দশক ধরে বিশ্ব এই আক্রমণের প্রকৃত গভীরতা ও বিস্তারকে উপেক্ষা করেছে, যার নেপথ্যে কাজ করছে উদ্বেগজনক হিন্দুবিরোধী পক্ষপাত। খুন, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, উৎসবের ওপর আক্রমণ, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণামূলক বক্তব্য, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য—সব মিলিয়ে হিন্দুরা তাঁদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণ ও নজিরবিহীন ঘৃণার মুখোমুখি হচ্ছেন। ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, এই সপ্তাহে আমরা এমন ঘটনাগুলির একটি চিত্র তুলে ধরছি, যাতে বিশ্বজুড়ে আরও মানুষ এই মানবাধিকার সঙ্কট সম্পর্কে সচেতন হন।

    পশ্চিমবঙ্গের ছবি (Hindus Under Attack)

    প্রথমেই দেখে নেওয়া যাক ভারতের ছবিটা। পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার জেলার মেখলিগঞ্জ থানার জামালদহ এলাকায় এক মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, দীর্ঘদিনের হুমকি ও ব্ল্যাকমেইলের পর ১৫ বছরের এক কিশোরী আত্মহত্যা করে। মৃতা শেফালি বর্মন, জামালদহের বাসিন্দা ও জামালদহ তুলসী দেবী উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রী। পরিবারের অভিযোগ, হুমায়ুন কবির মিঞা নিজের প্রকৃত পরিচয় গোপন করে সম্পর্ক গড়ে তোলে এবং সত্য প্রকাশ পাওয়ার পর বিচ্ছেদের জেরে শেফালিকে হুমকি দিতে থাকে (Hindus Under Attack)। দিল্লির পীরাগড়ি এলাকায় একটি পার্ক করা গাড়ির ভেতর তিন হিন্দুর মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় এক স্বঘোষিত মুসলিম তান্ত্রিককে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্তকারীদের অনুমান, উত্তরপ্রদেশ ও রাজস্থানে আরও পাঁচটি অনুরূপ মৃত্যুর সঙ্গে তার যোগ থাকতে পারে (Roundup Week)।

    কর্নাটকের ঘটনা

    কর্নাটকের শিবমোগা জেলার ভদ্রাবতীতে জোরপূর্বক খ্রিস্টধর্মে ধর্মান্তরের অভিযোগ উঠেছে। বি বিনয় নামে এক ব্যক্তির অভিযোগ, তাঁর স্ত্রী প্রিয়াথা আর খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করে তাঁকে ও তাঁদের দুই নাবালিকা কন্যাকে একই ধর্ম অনুসরণে চাপ দিচ্ছেন। পেপার টাউন থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। শুরু হয়েছে তদন্ত (Hindus Under Attack)। বিজয়পুরায় আর একটি ঘটনা সামনে আসে। নিশা চৌহান নামে এক তরুণী বাড়ি ছেড়ে ফিরে এসে পুলিশের সামনে জানান, তিনি তাঁর স্বামী মহম্মদ সেলিম সুতারের সঙ্গেই থাকবেন। গান্ধী চক থানার বাইরে তাঁর বাবা-মা কান্নায় ভেঙে পড়ে মেয়েকে বাড়ি ফেরার অনুরোধ করলেও তিনি রাজি হননি। কর্নাটকের গদাগ জেলার মুন্দারগি তালুকের শিংগাতালুর গ্রামের ঐতিহাসিক শ্রী রামালিঙ্গেশ্বর মন্দিরে মহাশিবরাত্রির সকালে মূর্তি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় স্থানীয় ভক্তদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ছড়ায় (Hindus Under Attack)।

    খবরে উত্তরপ্রদেশও

    উত্তরপ্রদেশের আমরোহায় মহাশিবরাত্রির প্রাক্কালে কানওয়ার যাত্রার শিবিরের কাছে সংঘর্ষে অন্তত পাঁচজন জখম হন, যার মধ্যে এক পুলিশ কনস্টেবলও রয়েছেন। অভিযোগ, মুসলিম যুবকেরা পাথর নিক্ষেপ করে। ২৯ জনের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হয়েছে (Roundup Week)। কংগ্রেস মুখপাত্র লক্ষ্মী রামচন্দ্রন তামিলনাড়ুর মন্ত্রী উদয়নিধি স্টালিনের সনাতন ধর্ম সম্পর্কিত বিতর্কিত মন্তব্যকে সমর্থন করে রাজনৈতিক বিতর্ক উসকে দেন।

    বাংলাদেশের ছবি

    এদিকে, বাংলাদেশেও হিন্দুদের ওপর আক্রমণ অব্যাহত। অভিযোগ, প্রাতিষ্ঠানিক নির্যাতনের ফলে ২০৫০ সালের মধ্যে সে দেশে হিন্দুরা বিলুপ্ত হতে পারে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল বরকতের এক গবেষণায় এমনই দাবি করা হয়েছে। মন্দির ভাঙচুর, জমি দখল, মিথ্যা ধর্মদ্রোহের অভিযোগে গণআক্রমণ, ধর্ষণ ও জোরপূর্বক ধর্মান্তর—এসবের মাধ্যমে হিন্দুদের দেশত্যাগে বাধ্য করা হচ্ছে বলে অভিযোগ (Hindus Under Attack)। নোয়াখালির হাতিয়া উপজেলার সোনাদিয়া ইউনিয়নে ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ৭২ ঘণ্টার মধ্যে একাধিক হিন্দু পরিবারের বাড়িতে হামলা, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনার প্রতিবাদে হয় মানববন্ধন (Roundup Week)।

    কালাপানি পারের দেশেও চলছে হিন্দু নির্যাতন

    কালাপানি পারের দেশেও চলছে হিন্দু নির্যাতন। পিটারবরো শহরের একমাত্র মন্দির ও কমিউনিটি সেন্টার বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে বলে ভারত হিন্দু সমাজের অভিযোগ। স্থানীয় কাউন্সিলের সিদ্ধান্তে জায়গাটি একটি ইসলামিক সংস্থাকে দেওয়া হতে পারে বলে আশঙ্কা। সম্প্রদায়ের সদস্যরা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হস্তক্ষেপ চেয়েছেন (Hindus Under Attack)। হিন্দু কানাডিয়ান ফাউন্ডেশন ব্রাম্পটনের মেয়র প্যাট্রিক ব্রাউন ও ন্যাশনাল পোস্টের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে যে কানাডায় তোলাবাজি সংক্রান্ত একটি নিবন্ধে হিন্দু ধর্মীয় চিত্র ব্যবহার করা হয়েছে, যা বিষয়টির সঙ্গে সম্পর্কহীন।

    লেখাটিতে বলা হয়েছে, অধিকাংশ ঘৃণাজনিত অপরাধের পেছনে হিন্দুবিরোধী পক্ষপাত ও কিছু ধর্মীয় ও রাজনৈতিক মতাদর্শ কাজ করে। ইসলামিক দেশগুলিতে প্রকাশ্য হিন্দুবিরোধী মনোভাবের পাশাপাশি তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রেও সূক্ষ্ম বৈষম্য বিদ্যমান বলে দাবি করা হয়েছে। উদাহরণ হিসেবে দীপাবলিতে আতশবাজি নিষেধাজ্ঞার প্রসঙ্গ (Roundup Week) তুলে ধরা হয়েছে, যেখানে দ্বৈত মানদণ্ডের অভিযোগ করা হয়েছে (Hindus Under Attack)।

     

  • Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু-বিদ্বেষ, দেখুন এই সপ্তাহের ছবি

    Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু-বিদ্বেষ, দেখুন এই সপ্তাহের ছবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত ও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে হিন্দু এবং হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ এখন নিয়মিত ও নিরবচ্ছিন্ন ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে (Roundup Week)। বিশ্বের বহু অঞ্চলে এই নিপীড়ন ধীরে ধীরে আমাদের চোখের সামনেই এক ধরনের গণহত্যার রূপ নিচ্ছে (Hindus Under Attack)। কয়েক দশক ধরে বিশ্ব এই আক্রমণগুলির প্রকৃত গভীরতা ও ব্যাপ্তি উপেক্ষা করে এসেছে, যার পেছনে রয়েছে উদ্বেগজনক হিন্দুবিদ্বেষ। হত্যা, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, ধর্মীয় উৎসবে হামলা, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণামূলক বক্তব্য, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য, সব মিলিয়ে হিন্দুরা আজ তাদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণের মুখে পড়েছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে নজিরবিহীন হিন্দুবিদ্বেষ। ২০২৬ সালের ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এই ধরনের অপরাধগুলির একটি ছবি দেখে নেওয়া যাক এক ঝলকে। তাতে অন্তত বিশ্বজুড়ে আরও বেশি করে মানুষ এই মানবাধিকার সংকট সম্পর্কে সচেতন হবেন।

    হিন্দুফোবিয়া (Hindus Under Attack)

    বিশ্বব্যাপী সোশ্যাল মিডিয়ায় হিন্দুফোবিয়াকে উসকে দেওয়ার একটি গভীর উদ্বেগজনক প্রবণতা ক্রমেই স্পষ্ট হয়ে উঠছে। এই প্রবণতার প্রভাবকে হালকাভাবে নেওয়া উচিত নয়, কারণ এর বহিঃপ্রকাশ ঘটছে হিন্দুদের বিরুদ্ধে হিংসার মাধ্যমে। বিদুথালাই চিরুথাইগল কাচ্চির প্রধান ও ইন্ডি (INDI) জোটের সাংসদ তিরুমাভালাভান সম্প্রতি এক জনসভায় চোল, পান্ড্য, চের ও পল্লব-সহ প্রাচীন তামিল রাজাদের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানিয়ে বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন। তিনি তামিল সভ্যতার সাংস্কৃতিক ও ভাষাগত অবক্ষয়ের জন্য এই রাজাদের দায়ী করেন এবং তাঁদের প্রতি প্রচলিত শ্রদ্ধা দেখাতে চাননি (Hindus Under Attack)। উত্তরপ্রদেশের অমরোহা জেলার গজরৌলা এলাকার এক যুবকের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে। অভিযোগ, সে নিজের মুসলিম পরিচয় গোপন করে ইনস্টাগ্রামে ভুয়ো পরিচয় ব্যবহার করে এক তরুণী হিন্দু মহিলাকে বিয়ের মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে যৌন নির্যাতন করে, যার ফলস্বরূপ গর্ভধারণ ও পরে গর্ভপাত ঘটে। অভিযুক্তের নাম সাহিল (Roundup Week)।

    জোরপূর্বক ধর্মান্তর

    উত্তরপ্রদেশের মির্জাপুরে হিন্দু নারী ও নাবালিকাদের জোরপূর্বক ধর্মান্তরের একটি চাঞ্চল্যকর ঘটনা সামনে এসেছে। পুলিশ জেনেছে, স্থানীয় জিমের মাধ্যমে একটি নেটওয়ার্ক কাজ করছিল। দুই মহিলার অভিযোগ, জিম প্রশিক্ষকরা প্রেমের ফাঁদে ফেলে আপত্তিকর ছবি এবং ভিডিও দিয়ে ব্ল্যাকমেইল করে ধর্মান্তরের জন্য চাপ দিচ্ছিল। মধ্যপ্রদেশের বেতুল জেলার দামজিপুরা এলাকায় একটি ভাইরাল ভিডিওতে গরুকে ধর্ষণের অভিযোগে দোকান মালিক আবু খানকে গ্রেফতার করা হয়েছে। কর্নাটকের ইয়াদগিরি জেলার গুরমাটকাল তালুকের পুটপাক গ্রামে ধর্মীয় অসহিষ্ণুতা ও হিন্দুবিরোধী হিংসার এক মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে কেশরী ধ্বজের ছবি পোস্ট করায় এক যুবক ও তাঁর মাকে কট্টরপন্থী ইসলামপন্থী যুবকদের একটি দল আক্রমণ করে। উত্তরপ্রদেশের আগ্রার ভগবান নগর কলোনিতে প্রায় ৪০টি হিন্দু পরিবার একযোগে বাড়িতে ‘বিক্রয়ের জন্য’ পোস্টার লাগিয়ে দেয়। তাঁদের অভিযোগ, স্থানীয় মুসলিমদের দ্বারা ধারাবাহিক হয়রানি ও পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার জেরেই বাড়ি বিক্রি করে দিয়ে অন্যত্র চলে যেতে চাইছেন তাঁরা। এই অভূতপূর্ব ঘটনার ফলে আইনশৃঙ্খলা ও সাম্প্রদায়িক সংবেদনশীলতার বিষয়টি নতুন করে সামনে এসেছে (Roundup Week)। বেঙ্গালুরু গ্রামীণ জেলার ডোড্ডাবল্লাপুরার শান্তি নগরে একটি মন্দিরে সকালের সুপ্রভাত স্তোত্র বাজানো নিয়ে এক ইসলামপন্থী যুবকের আপত্তিকে কেন্দ্র করে দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে তীব্র বাকবিতণ্ডা ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয় (Hindus Under Attack)।

    বাংলাদেশের ছবি

    এ তো গেল দেশের কথা, এবার দেখে নেওয়া যাক বিদেশের ছবিটাও। বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর আক্রমণ নিরবচ্ছিন্ন এবং ধীরে ধীরে দেশটি থেকে এই ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নিশ্চিহ্ন করার লক্ষ্যে পরিচালিত হচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল বরকতের একটি গবেষণা অনুযায়ী, প্রাতিষ্ঠানিক ও কাঠামোগত নিপীড়নের কারণে ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে কোনও হিন্দু অবশিষ্ট থাকবে না। মন্দির ভাঙচুর, জমি দখল, মিথ্যা ধর্ম অবমাননার অভিযোগে হামলা, নারী নির্যাতন ও জোরপূর্বক ধর্মান্তর এবং ঘৃণামূলক বক্তব্য – এ সবই হিন্দুদের ভয় দেখিয়ে দেশছাড়া করার কৌশল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম স্থান অর্জনকারী এক হিন্দু ছাত্রকে নৃশংসভাবে হত্যা করার ঘটনা গোটা বাংলাদেশে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। অনেকেই একে লক্ষ্যভিত্তিক হামলা বলে মনে করছেন। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা ৩ ফেব্রুয়ারি, মঙ্গলবার গভীর রাতে ক্যাম্পাসে একটি মন্দির উদ্বোধন করেন। প্রস্তাবিত মন্দির স্থলে শৌচাগার নির্মাণের প্রতিবাদে সারাদিনব্যাপী আন্দোলনের পর এই উদ্যোগ নেওয়া হয়।

    হিন্দু-অধ্যুষিত গ্রামে মধ্যরাতে সেনা অভিযান

    কিশোরগঞ্জ জেলার ইটনা উপজেলার ধানপুর ইউনিয়নের একটি হিন্দু-অধ্যুষিত গ্রামে মধ্যরাতে সেনা অভিযানের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, ৩১ জানুয়ারি রাত প্রায় ১টায় সেনাবাহিনী বাড়ি বাড়ি তল্লাশি চালিয়ে সংখ্যালঘুদের ওপর শারীরিক নিপীড়ন ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে (Roundup Week)। বেশিরভাগ ঘৃণাজনিত অপরাধের মূলে রয়েছে নির্দিষ্ট কিছু ধর্মীয় শিক্ষা ও রাজনৈতিক মতাদর্শে প্রোথিত হিন্দুবিদ্বেষ। ইসলামি দেশগুলিতে এই বিদ্বেষ স্পষ্ট হলেও, ভারতের মতো তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রগুলিতেও প্রাতিষ্ঠানিক ও সামাজিক স্তরে এক সূক্ষ্ম হিন্দুবিরোধী মনোভাব কাজ করে, যা হিন্দুফোবিয়া ও ঘৃণাজনিত অপরাধের অনুকূল পরিবেশ তৈরি করে। এই দৈনন্দিন বৈষম্য অনেক সময় চোখ এড়িয়ে যায়। দীপাবলিতে বাজি নিষেধাজ্ঞা তার একটি উদাহরণ। আপাতভাবে এটি দূষণ-সংক্রান্ত মনে হলেও, বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে হিন্দু উৎসবের ওপর একতরফা বিধিনিষেধ ও যুক্তির অভাব স্পষ্ট হয়ে ওঠে (Hindus Under Attack)।

     

  • Mohan Bhagwat: “হিন্দুরা শক্তিশালী হলে তবেই পাত্তা দেবে বিশ্ব,” বললেন মোহন ভাগবত

    Mohan Bhagwat: “হিন্দুরা শক্তিশালী হলে তবেই পাত্তা দেবে বিশ্ব,” বললেন মোহন ভাগবত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “হিন্দুদের (Hindu) নিয়ে কেউ তখনই চিন্তা করবে, যখন হিন্দুরা নিজেরাই যথেষ্ট শক্তিশালী হয়ে উঠবে। কারণ হিন্দু সমাজ এবং ভারত একে অপরের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। তাই হিন্দু সমাজের গৌরবময় রূপ ভারতকেও গৌরবান্বিত করবে।” সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে কথাগুলি বললেন সরসংঘচালক মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। তিনি বলেন, “এমন একটি শক্তিশালী হিন্দু সমাজই কেবল তাদের সঙ্গেও চলার পথ দেখাতে পারে, যারা নিজেদের হিন্দু মনে করে না, যদিও এক সময়ে তারাও হিন্দুই ছিল। যদি ভারতের হিন্দু সমাজ শক্তিশালী হয়ে ওঠে, তাহলে স্বাভাবিকভাবেই বিশ্বজুড়ে হিন্দুদের শক্তি বৃদ্ধি পাবে। এই কাজ চলছে। কিন্তু এখনও সম্পূর্ণ হয়নি। ধীরে ধীরে হলেও সেই পরিস্থিতির বিকাশ ঘটছে।”

    হিন্দু নিপীড়ন (Mohan Bhagwat)

    প্রতিবেশী দেশগুলিতে হিন্দু নিপীড়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “এবার বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর নির্যাতনের বিরুদ্ধে যে রকম ক্ষোভ প্রকাশ পেয়েছে, তা আগে কখনও দেখা যায়নি। স্থানীয় হিন্দুরাও এখন বলছেন, ‘আমরা পালিয়ে যাব না। আমরা এখানেই থাকব এবং আমাদের অধিকার নিয়ে লড়ব।’ এখন হিন্দু সমাজের অভ্যন্তরীণ শক্তি বাড়ছে। সংগঠন যত বাড়বে, এর প্রভাবও ততটাই স্বাভাবিকভাবে প্রতিফলিত হবে। তার আগে পর্যন্ত, আমাদের লড়াই চালিয়ে যেতে হবে।” ভাগবত বলেন, “বিশ্বের যেখানেই হিন্দু আছে, আমরা আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী তাদের জন্য যা কিছু সম্ভব, সব কিছু করব। সংঘ আছে সেই উদ্দেশ্যেই। স্বয়ংসেবকেরা শপথ নেয়—‘ধর্ম, সংস্কৃতি ও সমাজ রক্ষা করে হিন্দু রাষ্ট্র বিকাশের জন্য কাজ করব।’”

    কী বললেন ভাগবত

    তিনি (Mohan Bhagwat) বলেন, “আমাদের শক্তিশালী হওয়ার জন্য চেষ্টা করতে হবে। প্রতিদিনের প্রার্থনায় আমরা যেভাবে প্রার্থনা করি – ‘অজয়্যম চ বিশ্বস্য দেহীশ শক্তিম’ — ‘আমাদের এমন শক্তি দাও যাতে আমরা গোটা বিশ্বের কাছে অজেয় হই।’ সত্যিকারের শক্তি হল অভ্যন্তরীণ। জাতীয় নিরাপত্তার জন্য আমাদের অন্যের ওপর নির্ভরশীল হওয়া উচিত নয়। আমাদের নিজেদের (Hindu) আত্মরক্ষা করার সামর্থ্য থাকা উচিত। একাধিক শক্তি একসঙ্গে হলেও কেউ যেন আমাদের জয় করতে না পারে (Mohan Bhagwat)।”

LinkedIn
Share