Tag: Germany

Germany

  • Rajnath Singh in Germany: জার্মানি সফরে রাজনাথ, ১ লক্ষ কোটি টাকার সাবমেরিন চুক্তি কি এবার পাকা?

    Rajnath Singh in Germany: জার্মানি সফরে রাজনাথ, ১ লক্ষ কোটি টাকার সাবমেরিন চুক্তি কি এবার পাকা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত ও জার্মানি-র মধ্যে কৌশলগত প্রতিরক্ষা অংশীদারিত্ব আরও শক্তিশালী করতে মঙ্গলবার থেকে তিন দিনের সরকারি সফরে জার্মানি যাচ্ছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সি (Rajnath Singh)। এই সফরে তিনি জার্মানির প্রতিরক্ষামন্ত্রী বরিস পিস্টোরিয়াস (Boris Pistorius)-সহ সে দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে অংশ নেবেন। সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, আলোচনার অন্যতম প্রধান বিষয় হতে পারে ভারত–জার্মানি সাবমেরিন চুক্তি। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সফর ভারতের ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ উদ্যোগকে আরও গতি দেবে এবং দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে যৌথ উন্নয়ন ও উৎপাদনের নতুন দিগন্ত খুলে দিতে পারে।

    ‘প্রজেক্ট ৭৫আই’ প্রকল্প কী

    ভারত–জার্মানি সাবমেরিন চুক্তি ‘প্রজেক্ট ৭৫আই’ (P-75I)-এর অধীনে ভারতে ছয়টি অত্যাধুনিক প্রচলিত সাবমেরিন নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। এই প্রকল্পের সম্ভাব্য ব্যয় প্রায় ৭০ হাজার কোটি থেকে ৯৯ হাজার কোটি টাকা (প্রায় ৮–১২ বিলিয়ন ডলার)। এই সাবমেরিনগুলি জার্মান প্রতিরক্ষা সংস্থা থাইসিনক্রাপ মেরিন সিস্টেমের (Thyssenkrupp Marine Systems) সহযোগিতায় নির্মিত হওয়ার কথা। এর ফলে ভারতের সামুদ্রিক প্রতিরক্ষা শক্তি আরও বাড়বে। এর আগে জার্মানি থেকে শিশুমার শ্রেণির ৪টি ডিজেল-বিদ্যুৎ ডুবোজাহাজ কিনেছিল ভারতীয় নৌসেনা। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রের খবর, এ বারও জার্মানির সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে ডিজেল-বিদ্যুৎ ডুবোজাহাজ তৈরি হবে মুম্বইয়ের ‘মাঝগাঁও ডক শিপবিল্ডার্স লিমিটেড’-এ (Mazagon Dock Shipbuilders Limited) তৈরি হবে ডুবোজাহাজগুলি।

    বাড়বে সামুদ্রিক প্রতিরক্ষা শক্তি

    প্রজেক্ট-৭৫আই হল ভারতীয় নৌবাহিনীর (Indian Navy) একটি বড় উদ্যোগ, যার লক্ষ্য দেশের সাবমেরিন শক্তিকে আধুনিকীকরণ করা। এই প্রকল্পের মাধ্যমে ছয়টি অত্যাধুনিক ডিজেল-ইলেকট্রিক সাবমেরিন নির্মাণ করা হবে। এই সাবমেরিনগুলির সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হল এয়ার ইন্ডিপেন্ডেন্ট প্রোপালশন (AIP) প্রযুক্তি। এই প্রযুক্তির ফলে সাবমেরিনগুলো কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত জলের নিচে ভেসে থাকতে পারবে, যেখানে সাধারণ ডিজেল-ইলেকট্রিক সাবমেরিনকে ১-২ দিন অন্তর উপরে উঠতে হয়। এছাড়া, এই সাবমেরিনগুলোতে আধুনিক টর্পেডো এবং ব্রহ্মস (BrahMos)-এর মতো অ্যান্টি-শিপ ক্রুজ মিসাইল বসানো হবে, যা শত্রু জাহাজ এবং স্থলভাগে নির্ভুল আঘাত হানতে সক্ষম।

    চিনের সঙ্গে পাল্লা

    এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে ভারতীয় নৌবাহিনীর শক্তি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে। বিশেষ করে ভারত মহাসাগরে চিনের বাড়তে থাকা প্রভাব মোকাবিলায় এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে। একইসঙ্গে, জার্মানির কাছ থেকে এআইপি প্রযুক্তি পাওয়ার ফলে ভবিষ্যতে ভারত নিজস্ব উন্নত সাবমেরিন তৈরির ক্ষেত্রেও বড় সাফল্য পাবে। প্রসঙ্গত, প্রায় দেড় দশক আগে ফরাসি সংস্থা ডিসিএনএস-এর সঙ্গে নকশা ও প্রযুক্তিগত সহায়তা চুক্তির ভিত্তিতে ৬টি কলভরী শ্রেণিক স্করপিন ডুবোজাহাজ বানানো শুরু করেছিল ভারত। সেই প্রকল্পের নাম ছিল ‘প্রজেক্ট ৭৫’। ওই গোত্রের প্রথম স্টেলথ ডুবোজাহাজ আইএনএস কলভরীকে ২০১৫ সালের অক্টোবরে নৌবাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল। ২০২০-র নভেম্বরে এই গোত্রের শেষ ডুবোজাহাজটি হাতে পেয়েছিল নৌসেনা। এবার সামগ্রিকভাবে, প্রজেক্ট-৭৫আই ভারতের সামুদ্রিক নিরাপত্তা, নজরদারি এবং প্রতিরক্ষা সক্ষমতাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে।

    এই সফরে কী কী নিয়ে আলোচনা

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এই সফরে দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা শিল্প সহযোগিতা বৃদ্ধি, সামরিক স্তরে পারস্পরিক যোগাযোগ জোরদার এবং সাইবার নিরাপত্তা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ও ড্রোন প্রযুক্তির মতো নতুন ক্ষেত্রগুলিতে সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হবে। এছাড়াও, দুই দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর উপস্থিতিতে প্রতিরক্ষা শিল্প সহযোগিতার একটি রোডম্যাপ এবং রাষ্ট্রসংঘ শান্তিরক্ষা অভিযানে যৌথ প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, দীর্ঘ সাত বছর পর কোনও ভারতীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী জার্মানি সফর যাচ্ছেন। এর আগে ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে তৎকালীন প্রতিরক্ষামন্ত্রী নির্মলা সীতারামন (Nirmala Sitharaman) জার্মানি সফর করেছিলেন। অন্যদিকে, বরিস ২০২৩ সালের জুনে ভারতে এসে রাজনাথ সিং-এর সঙ্গে ভারত-জার্মান প্রতিরক্ষা চুক্তি সংক্রান্ত বিস্তৃত আলোচনা করেন।

    সমুদ্র-পথে প্রস্তুত ভারত

    সম্প্রতি রাজনাথ জানান, বর্তমানে অস্থির বিশ্বে জলপথেও প্রতিরক্ষা শক্তি বাড়িয়ে নিজেদের প্রস্তুত রাখতে চায় দিল্লি।  পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতের পরিস্থিতি নিয়ে এক্স হ্যান্ডেলে করা এক পোস্টে রাজনাথ বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় সরকার সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে। তিনি ‘ভারত মেরিটাইম ইন্স্যুরেন্স পুল’ গঠনের জন্য কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার অনুমোদনের বিষয়টি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন। ১২,৯৮০ কোটি টাকার সার্বভৌম গ্যারান্টি সহ এই প্রকল্প ভারতীয় সামুদ্রিক বাণিজ্যের জন্য ধারাবাহিক ও সাশ্রয়ী বিমা সুবিধা নিশ্চিত করবে। অস্থির সামুদ্রিক করিডর দিয়ে যাতায়াতের ক্ষেত্রেও ভারতীয় বাণিজ্য যাতে ব্যাহত না হয়, সে বিষয়ে এই সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে তিনি জানান। পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতের পরিস্থিতি এখনও অনিশ্চিত ও অস্থির। তিনি বলেন, “পরিস্থিতি শান্ত হলেও বা পুনরায় উত্তেজনা বাড়লেও— উভয় অবস্থার জন্যই ভারতকে প্রস্তুত থাকতে হবে”।

  • Germany: ভারতীয় পাসপোর্টধারীদের জন্য ভিসা-মুক্ত ট্রানজিট সুবিধা চালু জার্মানির

    Germany: ভারতীয় পাসপোর্টধারীদের জন্য ভিসা-মুক্ত ট্রানজিট সুবিধা চালু জার্মানির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আন্তর্জাতিক যাত্রা আরও সহজ করতে ভারতীয় পাসপোর্টধারীদের (Indian Passport) জন্য বড় ঘোষণা করল জার্মানি (Germany)। জার্মান বিমানবন্দর দিয়ে অন্য দেশে যাওয়ার সময় এখন থেকে ভারতীয় যাত্রীদের আর আলাদা করে ট্রানজিট ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে না। এই ভিসা-মুক্ত ট্রানজিট সুবিধা ভারতীয় নাগরিকদের যাত্রা  আরও স্বচ্ছন্দ, দ্রুত এবং কম নথিপত্রনির্ভর করে তুলবে বলেই আশা বিশেষজ্ঞদের।

    ভারত-জার্মানি যৌথ বিবৃতি (Germany)

    সোমবার প্রকাশিত ভারত-জার্মানি যৌথ বিবৃতিতে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে। জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মার্ৎসের দু’দিনের ভারত সফর শেষে এই বিবৃতি প্রকাশিত হয়। উল্লেখ্য, এটি ছিল মার্ৎসের প্রথম ভারত সফর এবং ফেডারেল চ্যান্সেলর হিসেবে এশিয়ায় তাঁর প্রথম সরকারি সফর। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এই সিদ্ধান্তের ফলে জার্মান বিমানবন্দর হয়ে যেসব ভারতীয় অন্য দেশে যাবেন, তাঁদের আর ট্রানজিট ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে না। এতে আন্তর্জাতিক যাত্রা আরও সুগম হবে বলেই আশা। এই ঘোষণার জন্য জার্মান (Germany) চ্যান্সেলর মার্ৎসকে ধন্যবাদও জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    ভারত-জার্মানির কৌশলগত অংশীদারিত্ব

    যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই পদক্ষেপ “শুধু ভারতীয় নাগরিকদের যাতায়াত সহজ করবে না, বরং দুই দেশের মধ্যে জনগণের সঙ্গে জনগণের সম্পর্কও আরও গভীর হবে।” উভয় নেতাই (Indian Passport) সহমত পোষণ করেন যে, মানুষে-মানুষে সম্পর্কই ভারত-জার্মানি কৌশলগত অংশীদারিত্বের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ। বিবৃতিতে আরও জানানো হয়েছে, দুই দেশই ছাত্র, গবেষক, দক্ষ পেশাজীবী, শিল্পী ও পর্যটকদের ক্রমবর্ধমান আদান-প্রদানকে স্বাগত জানিয়েছে। একই সঙ্গে জার্মানির অর্থনীতি, উদ্ভাবন ও সাংস্কৃতিক জীবনে ভারতীয় সম্প্রদায়ের গুরুত্বপূর্ণ অবদানকেও স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

    শিক্ষা, গবেষণা, কারিগরি প্রশিক্ষণ, সংস্কৃতি এবং যুব বিনিময় ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার ওপরও জোর দেন দুই দেশের নেতৃত্ব (Germany)। আলোচনায় বিশেষ গুরুত্ব পায় শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়ন। নেতারা লক্ষ্য করেন, জার্মানিতে ভারতীয় ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ছে, যৌথ ও ডুয়াল ডিগ্রি কর্মসূচির পরিধি বাড়ছে এবং উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির মধ্যে সহযোগিতা আরও ঘনিষ্ঠ হচ্ছে। ভারতীয় ছাত্র ও স্নাতকদের জার্মানিতে চাকরির বাজারে সংযুক্ত করতে নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগকেও স্বাগত জানানো হয়। পাশাপাশি, আইআইটি ও জার্মান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়গুলির মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার বিষয়ে সহমত প্রকাশ করা হয়।

    দুই দেশই রাজি হয়েছে, উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে একটি ভারত-জার্মানি যৌথ রোডম্যাপ তৈরি করবে। প্রধানমন্ত্রী জার্মানির (Indian Passport) শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে ভারতের নতুন শিক্ষা নীতি (NEP)-র আওতায় ভারতে ক্যাম্পাস খোলার আমন্ত্রণও জানান (Germany)।

  • PM Modi: নয়া উচ্চতায় ভারত–জার্মানি সম্পর্ক, মোদি-মের্ৎসের উপস্থিতিতে স্বাক্ষরিত হল একগুচ্ছ মউ

    PM Modi: নয়া উচ্চতায় ভারত–জার্মানি সম্পর্ক, মোদি-মের্ৎসের উপস্থিতিতে স্বাক্ষরিত হল একগুচ্ছ মউ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতিরক্ষা, অভিবাসন ও কর্মী যাতায়াত, প্রযুক্তি এবং পরিচ্ছন্ন জ্বালানির ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও গভীর করার বিষয়ে একমত হল ভারত ও জার্মানি (Germany)। এনিয়ে গুজরাটে যৌথ সাংবাদিক সম্মেলনও করেন দুই দেশের দুই প্রতিনিধি। যৌথ বিবৃতি দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) ও জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎস। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভারত ও জার্মানির মতো অর্থনীতির মধ্যে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা শুধু দুই দেশের জন্যই নয়, সমগ্র মানবজাতির জন্যই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।” তাঁর কথায়, দীর্ঘদিনের সম্পর্ককে এখন নতুন বৃদ্ধি ও নিরাপত্তার ফলাফলে রূপান্তরিত করার সময় এসেছে।

    সুস্পষ্ট রোডম্যাপ (PM Modi)

    প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে দুই দেশ একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরির দিকে এগোচ্ছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম কেনার ক্ষেত্রে জার্মানির প্রক্রিয়াগত জটিলতা কমানোর সিদ্ধান্তকেও স্বাগত জানান। অতীতে এই জটিলতাই দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতার পথে বাধার প্রাচীর হয়ে দাঁড়িয়েছিল। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারত বর্তমানে প্রতিরক্ষা খাতে বৈচিত্র্য আনা এবং দেশীয় উৎপাদন জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। জার্মানির সহজতর ক্রয় প্রক্রিয়া যৌথ প্রকল্প ও সরবরাহকারী অংশগ্রহণ দ্রুততর করতে পারে। দুই দেশ অভিবাসন ও দক্ষ কর্মী যাতায়াত নিয়ে একসঙ্গে কাজ করার সিদ্ধান্তও নিয়েছে। এর মাধ্যমে জার্মানির শ্রমবাজারের চাহিদা এবং ভারতের দক্ষ মানবসম্পদের মধ্যে যোগসূত্র তৈরি হবে বলে মনে করা হচ্ছে। যদিও নির্দিষ্ট সময়সীমা ঘোষণা করা হয়নি, তবে এই উদ্যোগকে অর্থনৈতিক কৌশল হিসেবেই দেখা হচ্ছে (PM Modi)।

    ভারত–জার্মানি কৌশলগত অংশীদারিত্ব

    মোদি জানান, গত বছর ভারত–জার্মানি কৌশলগত অংশীদারিত্বের ২৫ বছর পূর্ণ হয়েছে এবং চলতি বছর দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৭৫ বছর উদযাপিত হচ্ছে। ক্রমবর্ধমান বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক এই অংশীদারিত্বে নতুন গতি এনেছে, যার প্রভাব (Germany) পড়বে বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলেও। দুই দেশ যৌথভাবে ভারত–জার্মানি সেন্টার অফ এক্সেলেন্স গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথাও ঘোষণা করেছে। এই কেন্দ্র জ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে একটি যৌথ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে (PM Modi)। এছাড়া জলবায়ু পরিবর্তন, পরিচ্ছন্ন জ্বালানি, নগর উন্নয়ন ও আরবান মোবিলিটির ক্ষেত্রে একাধিক নতুন প্রকল্প এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ভারত ও জার্মানির সংস্থাগুলির অংশগ্রহণে একটি বৃহৎ সবুজ হাইড্রোজেন প্রকল্পকে ভবিষ্যতের জ্বালানি ক্ষেত্রে “গেম-চেঞ্জার” হিসেবেও তুলে ধরা হয়।

    স্বামী বিবেকানন্দের জন্মবার্ষিকীতে চ্যান্সেলর মের্ৎসকে স্বাগত জানিয়ে মোদি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, স্বামী বিবেকানন্দ ও ম্যাডাম কামার মতো ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্বদের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “এই সফর সেই ঐতিহ্যকে আধুনিক কৌশলগত অংশীদারিত্বে রূপ দিচ্ছে (PM Modi)।” চ্যান্সেলর মের্ৎস বলেন, “জার্মানি ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর ও শক্তিশালী করতে চায়। এর আগে তিনি মহাত্মা গান্ধীর জন্মভূমিও পরিদর্শন করেন (Germany)। এই সফরের সময় দুই দেশের মধ্যে একাধিক মউ স্বাক্ষরিত হয়।

  • German Chancellor Visit India: ভারত সফরে জার্মান চ্যান্সেলর, প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে বৈঠকে উঠবে কোন কোন বিষয়?

    German Chancellor Visit India: ভারত সফরে জার্মান চ্যান্সেলর, প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে বৈঠকে উঠবে কোন কোন বিষয়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে আসছেন জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রেডরিখ মার্জ (German Chancellor Visit India)। বার্লিনের মসনদে বসার পর এটিই তাঁর প্রথম ভারত সফর। দু’দিনের ভারত সফরে ১২ জানুয়ারি আমেদাবাদে পা রাখবেন তিনি। সেখানেই দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে। প্রতিরক্ষা, প্রযুক্তির পাশাপাশি আলোচনা হবে দু’দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক নিয়েও। বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, প্রতিরক্ষা এবং প্রযুক্তি সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদার করার লক্ষ্যে মার্জের এই সফর। তিনি বেঙ্গালুরুতেও যাবেন ।

    আমেদাবাদে স্বাগত

    বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, জার্মান চ্যান্সেলরের (German Chancellor Visit India) এই সফর দুই দেশের সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করবে। শুধু তাই নয়, একে অপরকে সাহায্যের জন্য দু’দেশের যে অভিন্ন অঙ্গীকার তা-ও আরও দৃঢ় হবে। ভারত-জার্মানির দূরদর্শী অংশীদারিত্ব বৃহত্তর আন্তর্জাতিক স্তরে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছে বিদেশমন্ত্রক। জানা গিয়েছে, ১২ জানুয়ারি জার্মান চ্যান্সেলরকে আমেদাবাদে স্বাগত জানাবেন মোদি। সফরের অংশ হিসেবে দুই নেতা সবরমতি আশ্রম পরিদর্শন করবেন এবং সবরমতি রিভারফ্রন্টে আয়োজিত আন্তর্জাতিক ঘুড়ি উৎসবে অংশ নেবেন। এরপর গান্ধীনগরের মহাত্মা মন্দিরে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।

    কোন কোন বিষয় নিয়ে আলোচনা

    প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ফ্রেডরিখের দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে ঠিক কোন কোন বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে? সূত্রের খবর, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, প্রতিরক্ষা, দক্ষতা, প্রযুক্তি এবং শিক্ষা ক্ষেত্রে দু’দেশের সহযোগিতা কীভাবে আরও বৃদ্ধি করা যায়, তা নিয়ে আলোকপাত করা হবে বৈঠকে। এছড়াও নিরাপত্তা, বিজ্ঞান, উদ্ভাবন ও গবেষণার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনা করবেন মোদি-ফ্রেডরিখ। অন্যদিকে বাণিজ্য, প্রযুক্তি, শিক্ষা-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দু’দেশের মধ্যে যে পূর্ব চুক্তিগুলি হয়েছে, সেগুলির অগ্রগতিও এই বৈঠকে পরিমাপ করা হবে বলে সরকারি সূত্রের খবর।

    প্রতিরক্ষা সহায়তা

    প্রতিরক্ষা সহযোগিতা এই সফরের অন্যতম প্রধান আলোচ্য বিষয় হতে চলেছে। সূত্রের খবর, প্রায় ৮ বিলিয়ন ডলার মূল্যের একটি সাবমেরিন চুক্তি নিয়ে আলোচনা হতে পারে, যা ভারতের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক হবে। এই চুক্তিকে ভারতের সামরিক পরিকাঠামো শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে জার্মানির প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন হিসেবেই দেখা হচ্ছে। আঞ্চলিক ভূরাজনৈতিক চ্যালেঞ্জের প্রেক্ষিতে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও জোরদার করাকে উভয় দেশই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে। চ্যান্সেলর মার্জের এই সফর ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে সহযোগিতা এবং ট্রান্সআটলান্টিক সম্পর্ক জোরদার করার বৃহত্তর কৌশলের অংশ বলেও মনে করা হচ্ছে। এই বৈঠক শুধু দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নয়, বরং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও যৌথ আগ্রহের প্রতিফলন।

    ভারতের বাজারে নজর

    সাম্প্রতিক বছরগুলিতে জার্মানি ভারতের বাজারে নিজেদের উপস্থিতি বাড়াতে বিশেষ আগ্রহ দেখাচ্ছে। বিশেষ করে নবায়নযোগ্য শক্তি, প্রযুক্তি এবং উৎপাদন খাতে জার্মান বিনিয়োগ বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতি হিসেবে ভারতের গুরুত্ব আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ক্রমেই বাড়ছে। প্রতিরক্ষা ও বাণিজ্যের পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তন এবং টেকসই উন্নয়ন নিয়েও আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বৈশ্বিক জলবায়ু সংকট ও অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার প্রেক্ষাপটে আন্তর্জাতিক সহযোগিতাকে উভয় দেশই অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

    ভারত সফর বিশেষ অর্থবহ

    সফরকে ঘিরে প্রস্তুতি চলাকালীন, দুই দেশের সরকারই আশাবাদী যে এই বৈঠকের ফলাফল বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার নতুন দিগন্ত খুলে দেবে। এই সফর আধুনিক বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ভারত–জার্মানি সম্পর্কের গুরুত্ব আরও একবার তুলে ধরছে। ফেব্রুয়ারিতে ভারত সফরে আসার কথা ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর। তার আগে জার্মান চ্যান্সেলরের ভারত সফর বিশেষ অর্থবহ বলে মনে করছে কূটনৈতিক মহলের একাংশ।

  • Sri Sri Ravi Shankar: বার্লিনে হাড়হিম করা ঠান্ডায় বিদ্যুৎহীন মানুষের পাশে রবিশঙ্কর

    Sri Sri Ravi Shankar: বার্লিনে হাড়হিম করা ঠান্ডায় বিদ্যুৎহীন মানুষের পাশে রবিশঙ্কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউরোপজুড়ে তীব্র শৈত্যপ্রবাহের মধ্যেই মানবিকতার অনন্য নজির গড়লেন ভারতের প্রখ্যাত আধ্যাত্মিক গুরু শ্রী শ্রী রবিশঙ্কর (Sri Sri Ravi Shankar)। জার্মানির রাজধানী বার্লিনে (Berlin) সন্দেহভাজন চরম বামপন্থী নাশকতার জেরে ব্যাপক বিদ্যুৎ বিভ্রাটে ক্ষতিগ্রস্ত হাজার হাজার মানুষের পাশে দাঁড়ালেন তিনি। গত ৩ জানুয়ারি থেকে বার্লিনের একাধিক এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে গিয়েছে, যার ফলে প্রায় ৫০ হাজার পরিবার চার দিন ধরে বিদ্যুৎ ও গরমের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়ে রয়েছে। উল্লেখ্য যে, বার্লিন শহরে বিদ্যুৎই মূলত ঘর গরম রাখার প্রধান মাধ্যম। এই পরিস্থিতিতে তাপমাত্রা নেমে যায় মাইনাস ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নীচে, যা সাধারণ মানুষের জীবনযাপনকে কার্যত দুর্বিষহ করে তোলে।

    বার্লিনবাসীর পাশে রবিশঙ্কর (Sri Sri Ravi Shankar)

    এই চরম পরিস্থিতিতে বার্লিনের আঞ্চলিক মেয়র ও জার্মান সংসদের এক সদস্যের সঙ্গে হাত মিলিয়ে শ্রী শ্রী রবিশঙ্কর বিদ্যুৎহীন বাসিন্দাদের মধ্যে খাবার বিতরণ করেন এবং তাঁদের পাশে দাঁড়ান। এক্স হ্যান্ডলে রবিশঙ্কর (Sri Sri Ravi Shankar) লেখেন, “বার্লিনে তীব্র শীতে চার দিন ধরে ৫০ হাজার পরিবার বিদ্যুৎ ও গরমের সুবিধা থেকে বঞ্চিত ছিল। এই পরিস্থিতিতে আঞ্চলিক মেয়র ও জার্মান সংসদের সদস্যের সঙ্গে একযোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য খাবার বিতরণ করেছি এবং তাঁদের পাশে দাঁড়িয়েছি।” স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে খবর, বিদ্যুৎ বিভ্রাটের পেছনে চরম বামপন্থী গোষ্ঠীর নাশকতার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত চলাকালীনই জরুরি পরিষেবা ও স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাগুলিকে নিয়ে (Berlin) ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় নামানো হয়েছে বিশেষ দল (Sri Sri Ravi Shankar)।

    রবিশঙ্করের এই উদ্যোগ

    বিশ্বজুড়ে মানবিক কার্যক্রমের জন্য পরিচিত শ্রী শ্রী রবিশঙ্করের এই উদ্যোগ আন্তর্জাতিক মহলে প্রশংসিত হচ্ছে। তীব্র শীত ও অন্ধকারের মধ্যেও তাঁর উপস্থিতি এবং সহমর্মিতা বার্লিনের বহু বাসিন্দার কাছে আশার আলো হয়ে উঠেছে। জানা গিয়েছে, জার্মানির রাজধানী বার্লিনে ভয়াবহ বিদ্যুৎ বিভ্রাটের ঘটনায় চরম মানবিক সংকট তৈরি হয়েছে। বামপন্থী চরমপন্থী গোষ্ঠীর নাশকতামূলক হামলায় প্রায় ৫০ হাজার পরিবার ও ২,২০০টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়ে (Sri Sri Ravi Shankar)। প্রচণ্ড শীতের মধ্যে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ায় তাপ, আলো, মোবাইল যোগাযোগ এবং জরুরি পরিষেবা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয় (Berlin)। শনিবার ভোরে দক্ষিণ-পশ্চিম বার্লিনের লিখটারফেল্ড বিদ্যুৎকেন্দ্রের কাছে টেলটো ক্যানালের ওপর থাকা একটি কেবল ব্রিজে অগ্নিসংযোগ করা হয়। হামলাকারীরা উচ্চ ও মধ্য ভোল্টেজের বিদ্যুৎ লাইনের নীচে দাহ্য বস্তু রেখে আগুন ধরিয়ে দেয়। পাশাপাশি ধাতব রড ব্যবহার করে তারে শর্ট সার্কিট ঘটানো হয়, যাতে ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা বাড়ে এবং মেরামতের কাজ জটিল হয়ে ওঠে (Sri Sri Ravi Shankar)।

    হিটিং সিস্টেম সম্পূর্ণ অচল

    এই বিদ্যুৎ বিভ্রাটের ফলে স্থানীয় জেলা-ভিত্তিক হিটিং সিস্টেম সম্পূর্ণ অচল হয়ে পড়ে। যদিও গ্যাস বা বিদ্যুৎকেন্দ্রের বর্জ্য তাপ থেকে উত্তাপ তৈরি করা হয়, কিন্তু সেই উত্তাপ ঘরে পৌঁছাতে বিদ্যুৎচালিত পাম্প ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার প্রয়োজন হয়। বিদ্যুৎ না থাকায় গোটা ব্যবস্থাই ভেঙে পড়েছে। গ্রিড অপারেটর স্ট্রমনেট্‌জ বার্লিন জানিয়েছে, রবিবারের মধ্যে বিদ্যুৎহীন বাড়ির সংখ্যা কমে প্রায় ২০ হাজারে নেমেছে। তবে পুরোপুরি বিদ্যুৎ পরিষেবা স্বাভাবিক হতে ৮ জানুয়ারি সন্ধ্যা পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। এই হামলার দায় স্বীকার করেছে বামপন্থী চরমপন্থী সংগঠন ভুলকানগ্রুপ (Vulkangruppe)। অনলাইনে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে তারা (Berlin) দাবি করেছে, তারা ফসিল ফুয়েল অর্থনীতি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) বিস্তারকে লক্ষ্য করে এই হামলা চালিয়েছে, যা নাকি জলবায়ু সংকটকে আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে (Sri Sri Ravi Shankar)।

    বিবৃতির বক্তব্য

    বিবৃতিতে তারা লিখেছে, “শক্তির লোভে পৃথিবীকে নিঃশেষ করা হচ্ছে, শোষণ, দহন, ধ্বংস ও ধর্ষণের শিকার হচ্ছে প্রকৃতি।” ওই গোষ্ঠীর দাবি, ওয়ানসি, জেহলেনডর্ফ ও নিকোলাসি এলাকার উন্নত অঞ্চলগুলিকে লক্ষ্য করেই হামলা চালানো হয়েছিল। তবে সাধারণ ও কম আয়ের মানুষের ভোগান্তির জন্য তারা দুঃখপ্রকাশও করেছে। উল্লেখ্য যে, এই গোষ্ঠী এর আগেও শক্তি, রেল ও তথ্য পরিকাঠামোয় হামলার জন্য পরিচিত। ২০২৪ সালে তারা বার্লিনের বাইরে একটি টেসলা কারখানায় হামলা চালিয়েছিল, যদিও টেসলা শুধুমাত্র বৈদ্যুতিক গাড়ি তৈরি করে (Berlin)। জার্মান কর্তৃপক্ষ এই ঘটনাকে “বামপন্থী সন্ত্রাসবাদী হামলা” হিসেবে চিহ্নিত করেছে। ফেডারেল প্রসিকিউটর দফতর বুন্ডেসআনভাল্টশাফট সন্ত্রাসবাদ সংক্রান্ত তদন্ত শুরু করেছে। তদন্তের আওতায় রয়েছে, জঙ্গি সংগঠনের সদস্যপদ, নাশকতা, অগ্নিসংযোগ এবং জনপরিষেবা ব্যাহত করার অভিযোগ (Sri Sri Ravi Shankar)।

    বার্লিনের মেয়রের বক্তব্য

    বার্লিনের মেয়র কাই ভেগনার বলেন, “সন্দেহভাজন বামপন্থী চরমপন্থীরা জেনে-বুঝেই মানুষের জীবন ঝুঁকির মধ্যে ফেলেছে, বিশেষ করে হাসপাতালের রোগী, প্রবীণ, শিশু ও পরিবারগুলির।” প্রচণ্ড ঠান্ডায় উত্তাপহীন অবস্থায় সবচেয়ে বেশি বিপদে পড়েছেন প্রবীণ ও দুর্বল মানুষেরা। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ৮০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধা তাঁর ঠান্ডা, বিদ্যুৎহীন বাড়িতে অসুস্থ হয়ে মারা গিয়েছেন। কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ না থাকায় পয়ঃনিষ্কাশন পাম্প বন্ধ হয়ে যায়। ফলে বেসমেন্টে প্রায় ১৪ সেন্টিমিটার পর্যন্ত কাঁচা নর্দমার জল জমে যায়। বহু মানুষের ঘরের আসবাব ও ব্যক্তিগত সামগ্রী নষ্ট হয়েছে (Sri Sri Ravi Shankar)। পুলিশ ও জরুরি পরিষেবা কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে যাঁরা ঝুঁকিপূর্ণ জীবন-যাপন করছেন, তাঁদের খোঁজ নিচ্ছেন। অস্থায়ী উষ্ণ আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। জার্মান সেনাবাহিনীও জরুরি জেনারেটর ও লজিস্টিক সহায়তা দিচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় প্রায় ২০টি স্কুল বন্ধ রাখা হয়েছে (Berlin)।

  • Sri Sri Ravi Shankar: বার্লিনে হাড়হিম করা ঠান্ডায় বিদ্যুৎহীন মানুষের পাশে রবিশঙ্কর

    Sri Sri Ravi Shankar: বার্লিনে হাড়হিম করা ঠান্ডায় বিদ্যুৎহীন মানুষের পাশে রবিশঙ্কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউরোপজুড়ে তীব্র শৈত্যপ্রবাহের মধ্যেই মানবিকতার অনন্য নজির গড়লেন ভারতের প্রখ্যাত আধ্যাত্মিক গুরু শ্রী শ্রী রবিশঙ্কর (Sri Sri Ravi Shankar)। জার্মানির রাজধানী বার্লিনে (Berlin) সন্দেহভাজন চরম বামপন্থী নাশকতার জেরে ব্যাপক বিদ্যুৎ বিভ্রাটে ক্ষতিগ্রস্ত হাজার হাজার মানুষের পাশে দাঁড়ালেন তিনি। গত ৩ জানুয়ারি থেকে বার্লিনের একাধিক এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে গিয়েছে, যার ফলে প্রায় ৫০ হাজার পরিবার চার দিন ধরে বিদ্যুৎ ও গরমের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়ে রয়েছে। উল্লেখ্য যে, বার্লিন শহরে বিদ্যুৎই মূলত ঘর গরম রাখার প্রধান মাধ্যম। এই পরিস্থিতিতে তাপমাত্রা নেমে যায় মাইনাস ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নীচে, যা সাধারণ মানুষের জীবনযাপনকে কার্যত দুর্বিষহ করে তোলে।

    বার্লিনবাসীর পাশে রবিশঙ্কর (Sri Sri Ravi Shankar)

    এই চরম পরিস্থিতিতে বার্লিনের আঞ্চলিক মেয়র ও জার্মান সংসদের এক সদস্যের সঙ্গে হাত মিলিয়ে শ্রী শ্রী রবিশঙ্কর বিদ্যুৎহীন বাসিন্দাদের মধ্যে খাবার বিতরণ করেন এবং তাঁদের পাশে দাঁড়ান। এক্স হ্যান্ডলে রবিশঙ্কর (Sri Sri Ravi Shankar) লেখেন, “বার্লিনে তীব্র শীতে চার দিন ধরে ৫০ হাজার পরিবার বিদ্যুৎ ও গরমের সুবিধা থেকে বঞ্চিত ছিল। এই পরিস্থিতিতে আঞ্চলিক মেয়র ও জার্মান সংসদের সদস্যের সঙ্গে একযোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য খাবার বিতরণ করেছি এবং তাঁদের পাশে দাঁড়িয়েছি।” স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে খবর, বিদ্যুৎ বিভ্রাটের পেছনে চরম বামপন্থী গোষ্ঠীর নাশকতার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত চলাকালীনই জরুরি পরিষেবা ও স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাগুলিকে নিয়ে (Berlin) ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় নামানো হয়েছে বিশেষ দল (Sri Sri Ravi Shankar)।

    রবিশঙ্করের এই উদ্যোগ

    বিশ্বজুড়ে মানবিক কার্যক্রমের জন্য পরিচিত শ্রী শ্রী রবিশঙ্করের এই উদ্যোগ আন্তর্জাতিক মহলে প্রশংসিত হচ্ছে। তীব্র শীত ও অন্ধকারের মধ্যেও তাঁর উপস্থিতি এবং সহমর্মিতা বার্লিনের বহু বাসিন্দার কাছে আশার আলো হয়ে উঠেছে। জানা গিয়েছে, জার্মানির রাজধানী বার্লিনে ভয়াবহ বিদ্যুৎ বিভ্রাটের ঘটনায় চরম মানবিক সংকট তৈরি হয়েছে। বামপন্থী চরমপন্থী গোষ্ঠীর নাশকতামূলক হামলায় প্রায় ৫০ হাজার পরিবার ও ২,২০০টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়ে (Sri Sri Ravi Shankar)। প্রচণ্ড শীতের মধ্যে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ায় তাপ, আলো, মোবাইল যোগাযোগ এবং জরুরি পরিষেবা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয় (Berlin)। শনিবার ভোরে দক্ষিণ-পশ্চিম বার্লিনের লিখটারফেল্ড বিদ্যুৎকেন্দ্রের কাছে টেলটো ক্যানালের ওপর থাকা একটি কেবল ব্রিজে অগ্নিসংযোগ করা হয়। হামলাকারীরা উচ্চ ও মধ্য ভোল্টেজের বিদ্যুৎ লাইনের নীচে দাহ্য বস্তু রেখে আগুন ধরিয়ে দেয়। পাশাপাশি ধাতব রড ব্যবহার করে তারে শর্ট সার্কিট ঘটানো হয়, যাতে ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা বাড়ে এবং মেরামতের কাজ জটিল হয়ে ওঠে (Sri Sri Ravi Shankar)।

    হিটিং সিস্টেম সম্পূর্ণ অচল

    এই বিদ্যুৎ বিভ্রাটের ফলে স্থানীয় জেলা-ভিত্তিক হিটিং সিস্টেম সম্পূর্ণ অচল হয়ে পড়ে। যদিও গ্যাস বা বিদ্যুৎকেন্দ্রের বর্জ্য তাপ থেকে উত্তাপ তৈরি করা হয়, কিন্তু সেই উত্তাপ ঘরে পৌঁছাতে বিদ্যুৎচালিত পাম্প ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার প্রয়োজন হয়। বিদ্যুৎ না থাকায় গোটা ব্যবস্থাই ভেঙে পড়েছে। গ্রিড অপারেটর স্ট্রমনেট্‌জ বার্লিন জানিয়েছে, রবিবারের মধ্যে বিদ্যুৎহীন বাড়ির সংখ্যা কমে প্রায় ২০ হাজারে নেমেছে। তবে পুরোপুরি বিদ্যুৎ পরিষেবা স্বাভাবিক হতে ৮ জানুয়ারি সন্ধ্যা পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। এই হামলার দায় স্বীকার করেছে বামপন্থী চরমপন্থী সংগঠন ভুলকানগ্রুপ (Vulkangruppe)। অনলাইনে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে তারা (Berlin) দাবি করেছে, তারা ফসিল ফুয়েল অর্থনীতি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) বিস্তারকে লক্ষ্য করে এই হামলা চালিয়েছে, যা নাকি জলবায়ু সংকটকে আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে (Sri Sri Ravi Shankar)।

    বিবৃতির বক্তব্য

    বিবৃতিতে তারা লিখেছে, “শক্তির লোভে পৃথিবীকে নিঃশেষ করা হচ্ছে, শোষণ, দহন, ধ্বংস ও ধর্ষণের শিকার হচ্ছে প্রকৃতি।” ওই গোষ্ঠীর দাবি, ওয়ানসি, জেহলেনডর্ফ ও নিকোলাসি এলাকার উন্নত অঞ্চলগুলিকে লক্ষ্য করেই হামলা চালানো হয়েছিল। তবে সাধারণ ও কম আয়ের মানুষের ভোগান্তির জন্য তারা দুঃখপ্রকাশও করেছে। উল্লেখ্য যে, এই গোষ্ঠী এর আগেও শক্তি, রেল ও তথ্য পরিকাঠামোয় হামলার জন্য পরিচিত। ২০২৪ সালে তারা বার্লিনের বাইরে একটি টেসলা কারখানায় হামলা চালিয়েছিল, যদিও টেসলা শুধুমাত্র বৈদ্যুতিক গাড়ি তৈরি করে (Berlin)। জার্মান কর্তৃপক্ষ এই ঘটনাকে “বামপন্থী সন্ত্রাসবাদী হামলা” হিসেবে চিহ্নিত করেছে। ফেডারেল প্রসিকিউটর দফতর বুন্ডেসআনভাল্টশাফট সন্ত্রাসবাদ সংক্রান্ত তদন্ত শুরু করেছে। তদন্তের আওতায় রয়েছে, জঙ্গি সংগঠনের সদস্যপদ, নাশকতা, অগ্নিসংযোগ এবং জনপরিষেবা ব্যাহত করার অভিযোগ (Sri Sri Ravi Shankar)।

    বার্লিনের মেয়রের বক্তব্য

    বার্লিনের মেয়র কাই ভেগনার বলেন, “সন্দেহভাজন বামপন্থী চরমপন্থীরা জেনে-বুঝেই মানুষের জীবন ঝুঁকির মধ্যে ফেলেছে, বিশেষ করে হাসপাতালের রোগী, প্রবীণ, শিশু ও পরিবারগুলির।” প্রচণ্ড ঠান্ডায় উত্তাপহীন অবস্থায় সবচেয়ে বেশি বিপদে পড়েছেন প্রবীণ ও দুর্বল মানুষেরা। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ৮০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধা তাঁর ঠান্ডা, বিদ্যুৎহীন বাড়িতে অসুস্থ হয়ে মারা গিয়েছেন। কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ না থাকায় পয়ঃনিষ্কাশন পাম্প বন্ধ হয়ে যায়। ফলে বেসমেন্টে প্রায় ১৪ সেন্টিমিটার পর্যন্ত কাঁচা নর্দমার জল জমে যায়। বহু মানুষের ঘরের আসবাব ও ব্যক্তিগত সামগ্রী নষ্ট হয়েছে (Sri Sri Ravi Shankar)। পুলিশ ও জরুরি পরিষেবা কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে যাঁরা ঝুঁকিপূর্ণ জীবন-যাপন করছেন, তাঁদের খোঁজ নিচ্ছেন। অস্থায়ী উষ্ণ আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। জার্মান সেনাবাহিনীও জরুরি জেনারেটর ও লজিস্টিক সহায়তা দিচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় প্রায় ২০টি স্কুল বন্ধ রাখা হয়েছে (Berlin)।

  • Puri Temple: এখানেই ড্রোন উড়িয়েছিল ‘পাক-চর’ জ্যোতি! পুরীর জগন্নাথধামে অ্যান্টি-ড্রোন প্রযুক্তি বসানোর ভাবনা

    Puri Temple: এখানেই ড্রোন উড়িয়েছিল ‘পাক-চর’ জ্যোতি! পুরীর জগন্নাথধামে অ্যান্টি-ড্রোন প্রযুক্তি বসানোর ভাবনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অপারেশন সিঁদুরের পরেই এদেশের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ শহরে ড্রোন হামলার চেষ্টা চালিয়েছিল পাকিস্তান। তবে ভারতের উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, পাকিস্তানের সব ড্রোন অকেজো করে দেয়। এইবার পুরীর জগন্নাথ মন্দিরে (Puri Temple) সম্ভাব্য সন্ত্রাসী হামলার সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে ওড়িশা সরকার নিরাপত্তার জন্য অ্যান্টি-ড্রোন প্রযুক্তি স্থাপনের কথা ভাবছে। এনিয়ে বিষয়ে ওড়িশা সরকারের (Odisha Government) কর্তাব্যক্তিরা পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনাও আলোচনা করেছেন বলে জানা যাচ্ছে। যাতে পুরী শ্রীমন্দিরকে অ্যান্টি-ড্রোন সিস্টেম দিয়ে সজ্জিত করা যায়।

    কী বললেন ওড়িশার আইনমন্ত্রী?

    একথা সাংবাদিক সম্মলেন করে জানিয়েছেন ওড়িশা সরকারের (Odisha Government) আইনমন্ত্রী পৃথ্বীরাজ হরিচন্দন। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে হরিচন্দন বলেন, ‘‘মন্দিরে (Puri Temple) অ্যান্টি-ড্রোন প্রযুক্তি স্থাপনের বিষয়ে চিন্তাভাবনা চলছে, এই সিস্টেমটি বসানোর পরে হামলার জন্য ব্যবহৃত ড্রোনগুলিকে সনাক্ত, ট্র্যাক এবং নিষ্ক্রিয় করার কাজ সহজ হবে।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘প্রয়োজন হলে শ্রী জগন্নাথ মন্দির প্রশাসনের (SJTA) তহবিল থেকে অর্থ সরবরাহ করা হবে।’’

    দ্বাদশ শতকের এই মন্দিরের নিরাপত্তা আরও জোরদার করতেই এই পদক্ষেপ

    প্রসঙ্গত, গত ২২ এপ্রিল জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগাঁও সন্ত্রাসী হামলার পর ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পায়। এর মধ্যেই ওড়িশা সরকার সম্প্রতি জগন্নাথ মন্দিরের (Puri Temple) নিরাপত্তা ব্যবস্থা অনেকটাই বাড়িয়েছে, যাতে যে কোনও পরিস্থিতি মোকাবিলা করা যায়। এবার সম্ভাব্য সন্ত্রাসী হামলার প্রেক্ষিতে ওড়িশার বিজেপি সরকার পুরীর জগন্নাথ মন্দিরে অ্যান্টি-ড্রোন প্রযুক্তি বসানোর পরিকল্পনা করছে। প্রসঙ্গত, দ্বাদশ শতকের এই ঐতিহাসিক মন্দিরের (Puri Temple) নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে এই পদক্ষেপ করা হচ্ছে। একইসঙ্গে, ওড়িশা সরকার রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে অনুষ্ঠিত রথযাত্রা উৎসবের জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করবে বলেও ঘোষণা করেন হরিচন্দন। রথ তৈরি সহ উৎসব আয়োজনের বিভিন্ন খরচ করতে তাঁর দফতর সাহায্য করবে বলে জানিয়েছেন হরিচন্দন। যাতে এই ঐতিহ্যবাহী উৎসব নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়।

    পুরীর মন্দিরের ওপর উড়িয়েছিল ড্রোন, পাক গুপ্তচর জ্যোতিকে জেরার প্রস্তুতি ওড়িশা পুলিশের

    সম্প্রতি গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে আটক করা হয় জ্যোতি মালহোত্রাকে। তাকে ওড়িশা পুলিশও জেরা করার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলেও সূত্রের খবর। কারণ গত বছর ২০২৪ সালে পুরীর জগন্নাথ মন্দির দর্শনে গিয়েছিল জ্যোতি। সেসময়ে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে,  জগন্নাথ মন্দিরের ওপর ড্রোন ওড়ানোর, যা সম্পূর্ণ ভাবে নিষিদ্ধ। তবে কি ড্রোনের মাধ্যমে করা ভিডিওগ্রাফি জ্যোতি পৌঁছে দিত পাকিস্তানে? নিরাপত্তার ঘেরাটোপ এড়িয়ে কী ভাবে এবং কেন জ্যোতি ওই সংবেদনশীল জায়গায় ড্রোন ওড়াল, এ সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই তাকে জেরার প্রস্তুতি নিচ্ছে ওড়িশা পুলিশ।

  • Germany: আত্মরক্ষার অধিকার রয়েছে সবার! অপারেশন সিঁদুরকে সরাসরি সমর্থন জার্মানির

    Germany: আত্মরক্ষার অধিকার রয়েছে সবার! অপারেশন সিঁদুরকে সরাসরি সমর্থন জার্মানির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পহেলগাঁও হামলা ও অপারেশন সিঁদুর (Operation Sindoor) ইস্যুতে ভারতের পাশে থাকার বার্তা দিল জার্মানি (Germany)। এপ্রসঙ্গে জার্মানির বার্তা, যে কোনও দেশেরই সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে আত্মরক্ষার অধিকার রয়েছে।

    কী বললেন জার্মানির বিদেশমন্ত্রী?

    শুক্রবারই ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে যৌথ সাংবাদিক সম্মেলন করতে দেখা যায় জার্মানির (Germany) বিদেশমন্ত্রী জোহান ওয়াডেফুলকে। সেখানেই তিনি বলেন, ‘‘২২ এপ্রিল ভারতের পহেলগাঁও ভয়ঙ্কর জঙ্গি হামলায় আমরা আতঙ্কিত। সাধারণ বাসিন্দাদের উপর এই হামলার তীব্র নিন্দা করি আমরা। দুই তরফে সামরিক হামলা হয়েছে। সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে নিজেকে রক্ষা করার সবরকম অধিকার রয়েছে ভারতের।’’ একইসঙ্গে দুই দেশের মধ্যে শান্তিরক্ষার জন্যও সওয়াল করেছেন জার্মানির বিদেশমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, ‘‘শান্তি যাতে বজায় থাকে, এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এটাই। দ্বিপাক্ষিক সমাধান মেলার জন্য আলোচনা চলতে পারে।’’ তাঁর কথায়, ‘‘সন্ত্রাসবাদের মোকাবিলায় ও পারস্পরিক সহযোগিতা পরিকল্পনায় নিয়মিত আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে ভারত ও জার্মানি।’’ যুদ্ধ বিরতিকেও সমর্থন করেছেন তিনি।

    কী বললেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী?

    জার্মানির (Germany) বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে যৌথ সাংবাদিক বৈঠকে জয়শংকর বলেন, ‘‘পহেলগাঁও জঙ্গি হামলায় যে প্রত্যুত্তর দিয়েছে ভারত, তার ঠিক পরেই আমি বার্লিনে এসেছি। আপনাদের জানাতে চাই যে ওই বিষয়টা নিয়ে আমি মিস্টার ওয়েডফুলকে (Operation Sindoor) বিস্তারিতভাবে জানিয়েছি। সন্ত্রাসবাদের প্রতি জিরো টলারেন্স নীতি আছে ভারতের। আর ভারত কখনও পারমাণবিক (অস্ত্র নিয়ে) ব্ল্যাকমেলের কাছে নতিস্বীকার করবে না।’’ প্রসঙ্গত, দিল্লির তরফে বার বারই স্পষ্ট করে জানানো হয়েছে যে কাশ্মীর ইস্যুতে এবং ভারত-পাকিস্তানের সম্পর্কের ক্ষেত্রে একমাত্র দ্বিপাক্ষিক আলোচনার রাস্তাতেই থাকতে চায় ভারত। শুক্রবার জার্মানিতে সাংবাদিক সম্মেলনেও ফের একবার স্পষ্ট করেছেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। প্রসঙ্গত, ত্রিদেশীয় ইউরোপ সফরে গিয়েছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। সেই সফরের অংশ হিসেবে তাঁর এই জার্মানি সফর। সেখানেই এক সাংবাদিক বৈঠকে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ভারতের দৃঢ় অবস্থানের কথা তুলে ধরেন বিদেশমন্ত্রী।

  • Victory Day Celebrations: রাশিয়ার ভিকট্রি ডে-র প্যারেডে মোদিকে আমন্ত্রণ পুতিনের, আর কে কে ডাক পাচ্ছেন?

    Victory Day Celebrations: রাশিয়ার ভিকট্রি ডে-র প্যারেডে মোদিকে আমন্ত্রণ পুতিনের, আর কে কে ডাক পাচ্ছেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের রাশিয়া যাওয়ার আমন্ত্রণ পেলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। আগামী ৯ মে ভিকট্রি ডে পালন (Victory Day Celebrations) করবে রাশিয়া। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ওই দিন জার্মানির সঙ্গে যুদ্ধে জয়ী হয়েছিল রাশিয়া। আগামী ৯ মে সেই যুদ্ধ জয়ের ৮০ বছর পূর্তি। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে। রাশিয়ার উপ-বিদেশমন্ত্রী আন্দ্রে রুদেঙ্কো জানান, বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী মোদিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের তরফে অবশ্য এখনও কিছু জানানো হয়নি। পুতিন সরকারের আশা, ৯ মে প্যারেডে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী।

    রাশিয়ার উপ-বিদেশমন্ত্রীর বক্তব্য (Victory Day Celebrations)

    রাশিয়ার সরকারি সংবাদ মাধ্যমে রুদেঙ্কোর বক্তব্য উদ্ধৃত করা হয়েছে। মঙ্গলবার তিনি বলেন, “এই বছরের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।” চলতি বছরেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে ভারতে আসার কথা রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের। তিনি কবে ভারতে আসবেন, তা এখনও জানা যায়নি। তার মধ্যেই ফের আমন্ত্রণ জানানো হল প্রধানমন্ত্রী মোদিকে। এ বছর ভিকট্রি ডে-র প্যারেডে একাধিক মিত্র দেশের প্রধানদের আমন্ত্রণ জানিয়েছে মস্কো। ১৯৪৫ সালের জানুয়ারি মাসে জার্মানির বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করে রাশিয়া। ৯ মে দুই দেশের কামান্ডার ইন চিফ বিনা শর্তে জার্মান সেনার আত্মসমর্পপণ সংক্রান্ত একটি চুক্তিতে সই করেন। তার পরেই শেষ হয় যুদ্ধ। তার পর থেকে ৯ মে দিনটিকে ভিকট্রি ডে হিসেবে পালন করে আসছে রাশিয়া।

    মস্কোর আশা

    মস্কোর আশা, প্রধানমন্ত্রী মোদি এই আমন্ত্রণ গ্রহণ করবেন। কারণ এই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ পাওয়াটা অত্যন্ত সম্মানজনক বিভিন্ন রাষ্ট্রের প্রধানদের কাছে। যদিও প্রধানমন্ত্রীর যাওয়া না- যাওয়ার বিষয়টি এখনও রয়েছে দু’দেশের বৈদেশিক আলোচনার স্তরে। গত জুলাইয়েই রাশিয়া সফরে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সেবার মস্কো সফরে গিয়ে পুতিনকে ভারতে আসার আমন্ত্রণ জানানো ছাড়াও বহু বিষয়ে তাঁদের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা হয়েছিল। পুতিন ভারতে আসবেন বলে কথা দিয়েছিলেন। তবে ঠিক কবে তিনি ভারত সফরে আসবেন, তা এখনও ঠিক হয়নি।

    প্যারেডে ভারতীয় সেনাবাহিনীও!

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) ছাড়াও এই অনুষ্ঠানে ভারতীয় সেনাবাহিনীর একটি ইউনিটও রেড স্কোয়ারের (মস্কোর) প্যারেডে অংশ নিতে পারে। তা নিয়েও দুই দেশের মধ্যে আলাপ-আলোচনা চলছে। রাশিয়ার ওই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হতে পারে চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকেও। যদি তা হয়, তাহলে ফের একবার মোদি-শি জিনপিং মুখোমুখি হবেন। আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্য-যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে যা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে ধারণা আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের।

    মোদি-পুতিন সম্পর্ক

    মোদির সঙ্গে পুতিনের সুসম্পর্কের কথা জানে তামাম বিশ্ব (Victory Day Celebrations)। দুই দেশের এই সম্পর্কের গভীরতা বোঝাতে গিয়ে গত অক্টোবরে রাশিয়ার কাজান শহরে আয়োজিত ব্রিকস সম্মেলনে পুতিন জানিয়েছিলেন, দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক এতটাই ভালো যে কে কী বলছেন, তা অনুধাবনের জন্য অনুবাদকের প্রয়োজন নেই। তিনি বলেন, “আমাদের (মোদি-পুতিন) মধ্যে সম্পর্ক এমন যে কোনও অনুবাদকের প্রয়োজন নেই। এ কথা শুনে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) হেসেও ফেলেছিলেন। কূটনৈতিক মহলের একটা বড় অংশের মতে, নরেন্দ্র মোদিই একমাত্র রাষ্ট্রনেতা, যাঁর সঙ্গে বিবদমান দুই রাষ্ট্র রাশিয়া ও ইউক্রেন – দুই দেশেরই সুসম্পর্ক রয়েছে।

    প্রথম বিদেশ সফরেই রাশিয়া

    তৃতীয় দফায় প্রধানমন্ত্রী হয়েই প্রথম বিদেশ সফরে মোদি গিয়েছিলেন রাশিয়া। ৪ জুলাই মস্কো সফরে গিয়েছিলেন তিনি। গত পাঁচ বছরে ওটাই ছিল তাঁর প্রথম রাশিয়া সফর। ২০২৪ সালের আগে ২০১৯ সালে রাশিয়ার পূর্বে অবস্থিত ভ্লাদিভোস্তকে গিয়েছিলেন একটি সম্মেলনে অংশ নিতে। জুলাইয়ের সফরে প্রধানমন্ত্রী মোদি বন্ধু প্রেসিডেন্ট পুতিনকে ভারতে আসার জন্য আমন্ত্রণ জানান। গত ২৭ মার্চ রাশিয়ার (Victory Day Celebrations) বিদেশমন্ত্রী সের্গেই লাভরফ জানান যে, প্রেসিডেন্ট পুতিন ভারতে আসার আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন। কিন্তু তিনি কবে নয়াদিল্লি আসবেন, তা এখনও জানা যায়নি।

    মোদির এই সফর বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ

    আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির এই সফর বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ তিনি যে সময় রাশিয়ায় যাচ্ছেন, সেই সময় ইউক্রেন যুদ্ধের অবসানের জন্য রাশিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে আলোচনা চলছে। সম্প্রতি সৌদি আরবে প্রথম দফার আলোচনায় অংশ নেন রাশিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা। সেখানেও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি শান্তির পক্ষে জোরালো সওয়াল করেন। রাশিয়া সফরের সময় তিনি প্রেসিডেন্ট পুতিন এবং ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির জেলেনস্কি উভয়ের সঙ্গে আলোচনা করেছিলেন (Victory Day Celebrations)। তিনি যে যুদ্ধ নয়, শান্তির পক্ষেই, সেই অবস্থানও স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)।

  • Maha Kumbh: বিশ্বে প্রভাব ফেলেছে মহাকুম্ভ! ত্রিবেণী সঙ্গম থেকে জার্মানি গেল এক হাজার বোতল পবিত্র গঙ্গা জল

    Maha Kumbh: বিশ্বে প্রভাব ফেলেছে মহাকুম্ভ! ত্রিবেণী সঙ্গম থেকে জার্মানি গেল এক হাজার বোতল পবিত্র গঙ্গা জল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহাকুম্ভের (Maha Kumbh) ত্রিবেণী সঙ্গমের জল এবার পাড়ি দিল জার্মানিতে। উত্তরপ্রদেশ সরকারের (UP Government) উদ্যোগে সম্প্রতি ১ হাজার বোতল জল গেল জার্মানিতে। জানা যাচ্ছে, জার্মানি থেকে সঙ্গমের এই জলের জন্য আবেদন করা হয়। সেইমতো প্রাথমিকভাবে ১ হাজার বোতল জলকে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। জাহাজে করে এই জলকে পাঠানো হয়েছে জার্মানিতে। এই প্রথম দেশের বাইরে মহাকুম্ভের পবিত্র জল পাঠানো হল। উত্তরপ্রদেশ সরকার জানিয়েছে, সঙ্গমের জলকে তাঁরা ভক্তদের মধ্যে প্রসাদের মতো করে বিতরণ করেছেন। যাঁরা মহাকুম্ভের অনুষ্ঠানে আসতে পারেননি তাঁদের কাছে এটা বড় প্রাপ্তি হয়েছে।

    আন্তর্জাতিক চাহিদা রয়েছে মহাকুম্ভের জলের, জানাল যোগী সরকার (UP Government)

    এ প্রসঙ্গে উত্তরপ্রদেশ সরকারের আনুষ্ঠানিক বিবৃতিও সামনে এসেছে। যোগী আদিত্যনাথ সরকার জানিয়েছে, মহাকুম্ভের (Maha Kumbh) ত্রিবেণী সঙ্গমের জলের আন্তর্জাতিক চাহিদাও রয়েছে। এ কারণে প্রয়াগরাজ থেকে জার্মানিতে এই জল পাঠানো হয়েছে। জানা গিয়েছে, শ্রী পঞ্চদশ নাম জুনা আখড়ার আচার্য মহামন্ডলেশ্বর স্বামী অবধেশানন্দ আনন্দ গিরি জার্মানিতে এই জল পাঠানোর উদ্যোগটি তদারকি করেন। জার্মানিতে যে জল গিয়েছে সেখানে ৫০০ এবং ২৫০ মিলিমিটারের ১ হাজারটি বোতল পাঠানো হয়েছে।

    উত্তরপ্রদেশের ৭৫ জেলাতেই গিয়েছে এই জল

    চলতি বছরেই ১৩ জানুয়ারি থেকে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মহাকুম্ভ মেলা আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে প্রায় ৬৬ কোটি ভক্তরা এসে পবিত্র স্নানে অংশগ্রহণ করেছিলেন। ভারতের সংস্কৃতিকে বিশ্বের দরবারে তুলে ধরতেই এই পদক্ষেপ করা হল বলেই জানিয়েছে উত্তরপ্রদেশ সরকার। এর পাশাপাশি উত্তরপ্রদেশের ৭৫টি জেলায় এই জল পৌঁছে দেওয়া হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে করা হচ্ছে বলেও খবর মিলেছে। দেশের বাইরে থেকেও অগণিত ভক্ত উপস্থিত হয়েছিলেন প্রয়াগরাজে। প্রয়াগরাজের (Maha Kumbh) মুখ্য দমকল অধিকর্তা জানিয়েছেন, দেশের বিভিন্ন রাজ্যে মহাকুম্ভের পবিত্র জলের চাহিদা বাড়ছে। ইতিমধ্যে অসমে এই জলের জন্য একটি বড় ট্যাঙ্কার পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে তাঁর আরও সংযোজন, যদি দেশের অন্যত্র এই জলের চাহিদা থাকে তাহলে সেখানেও এই জল পাঠানো হবে। মহাকুম্ভের জলের গুরুত্ব সকলের কাছে প্রচার করা হবে।

LinkedIn
Share