Tag: Ghatal

Ghatal

  • West Bengal Elections 2026: এক বছরের মধ্যে ‘ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান’ বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি, ডেবরায় বড় ঘোষণা অমিত শাহের

    West Bengal Elections 2026: এক বছরের মধ্যে ‘ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান’ বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি, ডেবরায় বড় ঘোষণা অমিত শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন নির্বাচনকে (West Bengal Elections 2026) কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতি যখন তুঙ্গে, তখন বঙ্গবাসীকে বড় আশার কথা শোনালেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit shah)। রাজ্যের অন্যতম দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা মেটাতে এবং সীমান্ত নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে কেন্দ্রের পক্ষ থেকে একগুচ্ছ সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেন তিনি।

    ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়ন (West Bengal Elections 2026)

    ঘাটালবাসীর দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের কথা উল্লেখ করে অমিত শাহ প্রতিশ্রুতি দেন যে, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি (West Bengal Elections 2026) ক্ষমতায় এলে আগামী এক বছরের মধ্যেই ‘ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান’ কার্যকর করা হবে। বছরের পর বছর বন্যার কবলে পড়া এই অঞ্চলের মানুষের স্থায়ী সমাধানের জন্য কেন্দ্রীয় সরকার বদ্ধপরিকর বলে তিনি জানান। অমিত শাহ বলেন, “নরেন্দ্র মোদিজি এই প্রকল্পের জন্য দেড় হাজার কোটি টাকা পাঠিয়েছিলেন। ৬০ শতাংশ অর্থ কেন্দ্রীয় সরকার দিতে চেয়েছিল। কিন্তু তৃণমূল সরকারই ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানকে আক্ষরিক অর্থে জঞ্জালে পরিণত করেছে। আপনারা রাজ্যে বিজেপির সরকার আনুন, আমি কথা দিচ্ছি মাত্র এক বছরের মধ্যে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান তৈরি করে এই অঞ্চলের নিকাশি সমস্যার স্থায়ী সমাধান করে দেব।”

    অনুপ্রবেশ রুখতে কঠোর পদক্ষেপ

    আন্তর্জাতিক সীমান্তে নিরাপত্তার প্রশ্নে কোনো আপস করা হবে না বলে কড়া বার্তা দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Amit shah)। তিনি আশ্বাস দেন, বিজেপি সরকার গঠন করলে সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ এবং চোরাচালান সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করা হবে। বাংলার সীমান্তকে সুরক্ষিত করাই তাঁদের অন্যতম অগ্রাধিকার। অমিত শাহ বলেন, “বাংলার মধ্যবিত্ত, নিম্ন মধ্যবিত্ত এবং গরিব মহিলাদের অবস্থা অত্যন্ত শোচনীয়। তাঁদের ক্ষমতায়নের বদলে কেবল রাজনীতির বোড়ে হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। এই পরিস্থিতি বদলাতেই বিজেপির বড় প্রতিশ্রুতি — মাসের ১ থেকে ৫ তারিখের মধ্যেই সরাসরি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পৌঁছে যাবে ৩,০০০ টাকা।” তৃণমূলের লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের পাল্টা হিসেবেই এই প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বিজেপি।

    রাজ্য সরকারের সমালোচনা

    বর্তমান রাজ্য সরকারের (West Bengal Elections 2026) কঠোর সমালোচনা করে তিনি অভিযোগ করেন যে, কেন্দ্রের জনকল্যাণমূলক প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে অনীহা দেখানো হচ্ছে। তাঁর দাবি, ডবল ইঞ্জিন সরকার প্রতিষ্ঠিত হলে রাজ্যের উন্নয়নের গতি কয়েকগুণ বৃদ্ধি পাবে। ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যানের মতো সংবেদনশীল ইস্যুকে সামনে আনা এবং অনুপ্রবেশের প্রশ্নে কঠোর অবস্থান নেওয়া—এই দুই কৌশলী প্রচারের মাধ্যমে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দক্ষিণ ও উত্তরবঙ্গ উভয় প্রান্তের ভোটারদের বিশেষ বার্তা দিতে চেয়েছেন। অমিত শাহের এই উচ্চাভিলাষী প্রতিশ্রুতি ২০২৬-এর নির্বাচনী লড়াইয়ে বিজেপিকে অনেকটাই সুবিধা করে দেবে বলে বলছেন বিজেপি সমর্থকরা।

    দিদির সদিচ্ছার অভাব

    অমিত শাহ (Amit shah) সরাসরি আক্রমণ করে বলেন, “দিদি (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) বছরের পর বছর ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান নিয়ে কেবল প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, কিন্তু তা বাস্তবায়নে কোনো আন্তরিকতা দেখাননি।” তাঁর দাবি, রাজ্য সরকারের অসহযোগিতা ও সঠিক পরিকল্পনার অভাবেই এই প্রকল্প থমকে রয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বলেন, “ঘাটালবাসীর বন্যার কষ্টকে তৃণমূল সরকার স্রেফ ভোটের রাজনীতিতে পরিণত করেছে। প্রতি বছর বর্ষায় সাধারণ মানুষ যখন ঘরবাড়ি হারান, তখন রাজ্য সরকার কেন্দ্রের ওপর দোষ চাপিয়ে নিজের দায় এড়াতে চায়।”

    বিজেপির সংকল্প

    অমিত শাহ (Amit shah) পুনরায় প্রতিশ্রুতি দেন যে, বাংলায় বিজেপি সরকার গঠন করলেই অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান সম্পন্ন করা হবে। তাঁর কথায়, “আমরা যা বলি, তা করে দেখাই। মেদিনীপুরের মানুষকে আর বন্যার আতঙ্কে দিন কাটাতে হবে না।” প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য যুবকদের ১৫ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। যাঁরা দুর্নীতির জন্য চাকরি থেকে বঞ্চিত হয়েছেন, তাঁদের ৫ বছর পর্যন্ত বয়সে ছাড় দেওয়া হবে। বিজেপি-র ইস্তেহারে আরও বলা হয়েছে, যোগ্যদের মেধার ভিত্তিতে স্থায়ী চাকরি নিশ্চিত করা হবে। রাজ্যের সব চাকরিতে মহিলাদের জন্য ৩৩ শতাংশ আসন সংরক্ষণ করা হবে।

    তৃণমূলের পাল্টা অবস্থান

    অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে বরাবরের মতোই দাবি করা হয়েছে যে, ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যানের জন্য প্রয়োজনীয় কেন্দ্রীয় বরাদ্দ আটকে রেখেছে দিল্লি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একাধিকবার জানিয়েছেন, কেন্দ্র টাকা না দিলে রাজ্য সরকার নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী এই কাজ শেষ করার চেষ্টা করবে। বিজেপি নেতার এই সফরকে ‘নির্বাচনী গিমিক’ বলেও কটাক্ষ করেছে শাসক শিবির।

    রাজনৈতিক বিশ্লেষণ

    বিশেষজ্ঞদের মতে, মেদিনীপুর ও পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোতে ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান একটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর বিষয়। নির্বাচনের আগে অমিত শাহের এই সরাসরি আক্রমণ এবং প্রকল্পের দায়িত্ব নেওয়ার ঘোষণা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এর ফলে সংশ্লিষ্ট এলাকার ভোটারদের মনে যে নতুন করে আশার সঞ্চার হবে, তা বলাই বাহুল্য।

  • Ghatal: মগের মুলুক! ঘাটাল সেচ দফতরের এসডিও-র অফিস রাতারাতি দখল করে নিল পুলিশ!

    Ghatal: মগের মুলুক! ঘাটাল সেচ দফতরের এসডিও-র অফিস রাতারাতি দখল করে নিল পুলিশ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বানভাসি পশ্চিম মেদিনীপুরে (Ghatal) অবাক কাণ্ড। ঘাটাল সেচ দফতরের এসডিও-র অফিস জোর করে দখল নিয়েছে পুলিশ। এসডিও’র নেমপ্লেট খুলে রাতারাতি লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে ঘাটাল থানার ওসি-র নাম। বন্যার সময় উদ্বাস্তু হয়ে গেলেন খোদ সেচ দফতরের অফিসার-কর্মীরাই। বন্যা কবলিত মানুষের পাশে না থেকে তৃণমূল প্রশাসনের এই আচরণকে সামজিক মাধ্যমে তুলে ধরে বিস্ফোরক রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। কিন্তু পুলিশ কেন এমন করল? কোনও ষড়যন্ত্র নেই তো? এই ঘটনায় শোরগোল পড়েছে পশ্চিম মেদিনীপুর জুড়ে।

    কী বললেন বিজেপি নেতা (Ghatal)?

    তৃণমূল প্রশাসনের বিরুদ্ধে কটাক্ষ হেনে বিজেপি নেতা জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় সামজিক মাধ্যমে  বলেন, “রাজ্যে মগের মুলুক চলছে। ঘাটাল (Ghatal) মাস্টার প্ল্যানের যাবতীয় নথিপত্রও পুলিশ দখল নিয়ে নিয়েছে। বোঝো কাণ্ড। বেচারা সেচ দফতরের কর্তারা এখন নিরুপায় হয়ে দফতরের উচ্চ আধিকারিকদের কাছে অভিযোগ করে বিহিত চেয়েছেন। ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের কোনও নথি যে আর সেচ দফতরের কাছে নেই, তাও জানিয়ে দিয়েছেন সেচ দফতরের কর্তারা। একেই বলে শাসকের আইন। পুলিশ মানে রাজ্য আর রাজ্য মানে পুলিশ। দেখুন আপনারা সেচ দফতরের ঠোঁট ফুলিয়ে কাঁদার চিঠিটি নীচে দিলাম।”

    আরও পড়ুনঃ মমতা ব্যস্ত উৎসবে, পুজোর মুখে সবজির আগুন বাজারে পুড়ছে আমজনতা!

    তৃণমূল কি বাস্তবে মাস্টার প্ল্যান চায়?

    রাজ্যে নিম্নচাপের কারণে অতিবর্ষণ এবং ডিভিসির জল ছাড়ার কারণে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী বার বার ডিভিসিকে কাঠগড়ায় তুললেও রাজ্যকে না জানিয়ে যে জল ছাড়া হয়নি, সেকথা কেন্দ্রীয় সেচ দফতর থেকে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে। এদিকে ভোটের আগে তৃণমূলের পক্ষ থেকে ঘাটাল মহকুমাকে বন্যামুক্ত করতে মাস্টার প্ল্যানের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও বাস্তবে তা করতে দেখা যায়নি। পরপর তিন বারের তৃণমূল সাংসদ দেব এবারের বন্যা কবলিত এলাকায় গিয়ে ফের একবার প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেছেন, “আমাকে আরও ৫ বছর সময় দিলে মাস্টার প্ল্যান হবে।” এখানেই সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, রাজ্যে মমতার শাসন প্রায় ১৩ বছর ধরে চলছে, তারপরও কেন বন্যা নিয়ন্ত্রণের কোনও পদক্ষেপ নেয়নি সরকার? বিরোধী দল বিজেপির দাবি, তৃণমূল বার বার পশ্চিম মেদিনীপুরের মানুষের সঙ্গে প্রবঞ্চনা করছে। তৃণমূল সরকারের কোনও ইচ্ছে নেই। এদিকে শাসকের উদাসীন মনোভাবের সামালোচনা করে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “মমতা সরকার দুর্গতদের পাশে নেই, কেবল ছবি তোলাতে ব্যস্ত। আমারা ঘটাল (Ghatal) মাস্টার প্ল্যান নিয়ে কেন্দ্রের কাছে আর্জি জানাবো।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ghatal: বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্যকে কোমরে পিস্তল ঠেকিয়ে তৃণমূল পার্টি অফিসে মারধর!

    Ghatal: বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্যকে কোমরে পিস্তল ঠেকিয়ে তৃণমূল পার্টি অফিসে মারধর!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির গ্রামপঞ্চায়েত সদস্যের কোমরে বন্দুক ঠেকিয়ে তৃণমূল পার্টি অফিসে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। শুধু তুলে নিয়ে যাওয়াই নয়, সেই সঙ্গে মারধরের অভিযোগে শোরগোল পড়েছে। ঘটনায় মূল অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা। এই ঘটনা ঘটেছে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার ঘাটাল (Ghatal) ব্লকের মনসুকা-১ গ্রামপঞ্চায়েতের খড়কপুর গ্রামে। যদিও বিজেপির অভিযোগকে পাল্টা তৃণমূল অস্বীকার করেছে।

    তৃণমূলে যোগদান করার হুমকি (Ghatal)!

    খড়কপুর গ্রামের (Ghatal) পঞ্চায়েত সদস্য সুভাষ মণ্ডল বলেছেন, “আমি আমার বাড়ির পাশের জমিতে কাজে গিয়েছিলাম। সেই সময় স্থানীয় তৃণমূল নেতা আমার কোমরে একটা বন্দুক ঠেকিয়ে খাসবাড়ের তৃণমূল পার্টি অফিসে নিয়ে যায়। এরপর পার্টি অফিসেরর মধ্যে আমাকে লাঠি দিয়ে মারধর করা হয়। সেই সঙ্গে চলে লাথি, চড়, কিল, ঘুষি। অত্যাচারের পর একটি সাদা কাগজে সই করিয়ে নেওয়া হয়। তারপর কাগজে লেখা হয় চাকরি দেওয়ার নাম করে লক্ষাধিক টাকা নিয়েছি। আমাকে অন্যায় ভাবে যারা মেরেছে সেখানে তৃণমূলের ৬ জন স্থানীয় নেতা প্রত্যক্ষভাবে যুক্ত ছিল। তাদের মধ্যে গঙ্গা কারকও ছিল। আমি পুলিশের কাছে অভিযোগ জানাবো। ওদের কড়া শাস্তির দাবি করি। তৃণমূলে যোগদান করার জন্যও আমাকে হুমকি দেওয়া হয়।” এই ঘটনার পর সেখান থেকে ঘাটাল মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে তিনি ওই ঘাটালের সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন।

    আরও পড়ুনঃ মাত্র সাত বছর বয়সেই এশিয়ার সেরা ‘ক্যারাটে কিড’ হুগলির আরাত্রিকা

    তৃণমূলের বক্তব্য

    তৃণমূলের বিরুদ্ধে তোলা এই অভিযোগকে সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। ঘাটাল (Ghatal) তৃণমূল নেতা বিকাশ কর বলেছেন, “এই অভিযোগের কোনও বাস্তাব ভিত্তি নেই। বিজেপি সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা বলেছে। আমাদের পঞ্চায়েত বোর্ড ভালোভাবে কাজ করছে। একজন পঞ্চায়েত সদস্যকে জোর করে দলে নেওয়ার জন্য আমাদের অতো মাথা ব্যাথা নেই। কোনও রকম মারধর এবং অত্যচারের ঘটনাকে আমাদের দল আনুমোদন করে না। পুলিশকে উপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণের কথা বলব।”

    মনসুকা-১ গ্রাম (Ghatal) পঞ্চায়েতের মোট আসন ১৫। এখানে বিজেপি পেয়েছে ৪টি। বাকি ১১টি আসন দখল করেছে তৃণমূল। যদিও বিজেপির এক পঞ্চায়েত সদস্য তৃণমূল যোগদান করেছেন। ফলে তৃণমূলের আসন সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২টি এবং বিজেপির আসন সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩টি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: ঘাটাল লোকসভা কেন্দ্রের ফলকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হাইকোর্টে যাচ্ছে বিজেপি

    Lok Sabha Election 2024: ঘাটাল লোকসভা কেন্দ্রের ফলকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হাইকোর্টে যাচ্ছে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘাটাল লোকসভার ভোটের ফলাফলকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হাইকোর্টে মামলা (Lok Sabha Election 2024) দায়ের করতে চলেছে বিজেপি। দলের তরফ থেকে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, আগামী সপ্তাহে ‘ইলেকশেন-পিটিশন’ দায়ের করা হবে। প্রধান অভিযোগ করা হবে কেশপুর এবং সবং কেন্দ্র নিয়ে। এই দুই বিধানসভায় ব্যাপক ভাবে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা ভোট লুট করেছে। আদালতে এই নিয়ে তথ্য দিয়ে অভিযোগ করা হবে।

    বিজপির বক্তব্য (Lok Sabha Election 2024)

    রাজ্যের চারটি লোকসভা (Lok Sabha Election 2024) কেন্দ্রের ফলাফল নিয়ে দলের পক্ষ থেকে হাইকোর্টে যাওয়া হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। তবে এই কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থীরাই কোর্টে ইলেকশন পিটিশন দায়ের করবেন। একই ভাবে ঘাটালের নির্বাচন নিয়ে আদালতে যাবে দল। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, “আগামী সপ্তাহের মঙ্গলবার-বুধবারে আমরা কোর্টে যাবো। ছয় মাসের মধ্যে মামলা নিস্পত্তি করতে হবে।” আবার ঘাটাল সাংগঠনিক জেলার বিজেপি সাধারণ সম্পাদক তন্ময় ঘোষ বলেছেন, “কেশপুরে প্রায় পুরোটাই ছাপ্পা করেছে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা। এই বিধানসভার ভোট বাতিল করতে হবে। সবং এবং এই বিধানসভায় প্রচুর ভোট লুট হয়েছে। সব তথ্য আমরা সংগ্রহ করে রেখেছি। পিটিশন দিয়ে আমরা জানাবো।”

    হিরণের বক্তব্য

    বিজেপি নেতা হিরণ বলেন, “ভোটের (Lok Sabha Election 2024) দিন কেশপুরে পাগলু ড্যান্স করেছে তৃণমূল। লুঙ্গি তুলে হাতে বাঁশ নিয়ে সর্বত্র তাণ্ডব চলেছে। এখানে ২৮২টি বুথ, ভোটের দিনে শতাধিক এজেন্ট বুথে বসতে পারেননি। নোটায় ভোট পড়লেও অনেক বুথে বিজেপিতে ভোট পড়েনি। ৩০টির বেশি বুথে ১-৯টি করে ভোট পড়ছে। তাই বিজেপি কোর্টে যাবে।”

    আরও পড়ুনঃ কাঁচরাপাড়ার বুকে যেন রবিনসন স্ট্রিটকাণ্ডের ছায়া, মৃত মেয়েকে আগলে বাবা!

    তৃণমূলের বক্তব্য

    জেলার তৃণমূল নেতা অজিত মাইতি বলেছেন, “ঘটালে সুষ্ঠভাবে ভোট (Lok Sabha Election 2024) হয়েছে। দেব ১ লাখ ৮২ হাজার ভোটে জয়ী হয়েছেন। কেশপুরে তিনি ১ লাখ ৩ হাজার এবং সবং বিধানসভায় ৩২ হাজার ৭০০ ভোটে এগিয়ে গিয়েছেন। দুটি বিধানসভা বাদ দিলে তৃণমূল জয়ী হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dev: দেবের গ্রামে কুপোকাত তৃণমূল, বিজেপির ওপর আস্থা মহিষদাবাসীর

    Dev: দেবের গ্রামে কুপোকাত তৃণমূল, বিজেপির ওপর আস্থা মহিষদাবাসীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘাটাল লোকসভায় ফের জয় হাসিল করেছে তৃণমূল। বিশেষ করে কেশপুর বিধানসভায় বিপুল পরিমাণে লিড পেয়েছে শাসক দল। কিন্তু, তৃণমূল সাংসদ দেবের (Dev) আদি বাড়ি কেশপুরের মহিষদায় ধরাশায়ী হয়েছে তৃণমূল। নিজের গ্রামের বুথে বিজেপি এগিয়ে থাকায় রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

    দেবের গ্রামে কুপোকাত তৃণমূল, বিজেপির ওপর আস্থা মহিষদাবাসীর (Dev)

    দলীয় ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৪ এবং ২০১৯, এই দু’বারই কেশপুরে ভোটের প্রচার শুরুর আগে গ্রামের বাড়িতে এসেছিলেন দেব (Dev)। এ বারে অবশ্য তিনি এখানে এসেছিলেন, তবে প্রচারের শেষ পর্বে। বিজেপি প্রার্থী হিরণ চট্টোপাধ্যায়ও মহিষদায় প্রচারে গিয়েছিলেন। মহিষদার মানুষ হিরণের ওপর আস্থা রেখেছেন। জানা গিয়েছে, কেশপুর বিধানসভায় ২৮২টি বুথের মধ্যে ৩০টিরও বেশি বুথে বিজেপি প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যা এক থেকে ন’টি। একটি বুথে তো বিজেপির প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যা শূন্য! অভিষেকের দেওয়া লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করে কেশপুর থেকে এক লক্ষ তিন হাজার ভোটের লিড পেয়েছিলেন ঘাটালের তৃণমূল প্রার্থী দেব। আর সেখানেই সাংসদের নিজের গ্রাম মহিষদায় অন্য ছবি ধরা পড়েছে। মহিষদার ১৮৩ নম্বর বুথটি দেবের গ্রামের বুথ। সেখানে ভোট পড়েছে ৬০৮টি। বিজেপি পেয়েছে ৩৩৯টি (৫৫.৭৫ শতাংশ), তৃণমূল ২০৮টি (৩৪.২১ শতাংশ)। বামে গিয়েছে ৩৬টি ভোট, নোটায় ন’টি। এই বিষয়ে কেশপুরের তৃণমূল বিধায়ক তথা মন্ত্রী শিউলি সাহা বলেন, “ঘরের ছেলেকেও মান্যতা দেয়নি ওরা। উন্নয়ন কিছু কম হয়নি ওখানে। যে সরকার মানুষের কাজ করবে, মানুষেরও উচিত সেই সরকারের পাশে থাকা। আসলে দেবের গ্রাম মহিষদায় বামের ভোট রামে গিয়েছে। তাই সেখানে তৃণমূল পিছিয়ে পড়েছে।”

    আরও পড়ুন: সুকান্তর গড়ে তৃণমূলকে ধরাশায়ী করে গ্রামীণ ভোটেও থাবা বিজেপির

    বিজেপি নেতৃত্ব কী সাফাই দিলেন?

    বিজেপির জেলার সাধারণ সম্পাদক তন্ময় ঘোষ অবশ্য বলছেন, “মানুষ বিজেপিকে চেয়েছে। তাই মহিষদার বুথে আমরা এগিয়ে আছি। ঠিকমতো ভোট হলে কেশপুরের সব বুথেই তৃণমূল পিছিয়ে থাকত। মহিষদাতে ভোট লুট করতে পারেনি বলেই সেখানে বিজেপি প্রার্থী জয়ী হয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Hiran Chaterjee: “আমার ছেলেকে মেরে দেবে, নিয়ে যাও”, হিরণের হাত ধরে কাতর আর্জি মহিলার

    Hiran Chaterjee: “আমার ছেলেকে মেরে দেবে, নিয়ে যাও”, হিরণের হাত ধরে কাতর আর্জি মহিলার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেশপুরে তৃণমূল ভোট করতে দেবে না। কর্মীদের কাছে থেকেই আগাম জেনেছিলেন ঘাটালের বিজেপি প্রার্থী হিরণ চট্টোপাধ্যায় (Hiran Chaterjee)। তবে, বুকে বল ছিল তাঁর। কারণ, প্রতিটি বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকলে তৃণমূল কিছু করতে পারবে না। আর তাই ভোটের আগের রাতে এলাকা ঘুরে দেখতে গিয়ে হতাশ হয়েছিলেন বিজেপি প্রার্থী। কোথাও কেন্দ্রীয় বাহিনী নেই বলে অভিযোগও করেছিলেন। আর ভোটের দিন দিনভর তৃণমূলের “লুঙ্গি বাহিনীর” উদ্দাম নৃত্য দেখলেন রাজ্যবাসী। এমনই দাবি বিজেপির। বিজেপি কর্মীদের বাড়ি ভাঙচুর করার পাশাপাশি মারধরও করা হয়েছিল। বিজেপি প্রার্থীও কেশপুরে দফায় দফায় বিক্ষোভের মুখে পড়েছিলেন। হিরণকে সামনে পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়ে বাঁচানোর আর্জি জানালেন মহিলারা।

    আমার ছেলেকে মেরে দেবে গো নিয়ে যাও, কাতর আর্জি মহিলার (Hiran Chaterjee)

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘাটাল লোকসভার কেশপুরের পাঁওসা। ভোটের দিন দুপুরে গাড়ি নিয়ে সদ্য এলাকায় ঢুকলেন বিজেপি প্রার্থী হিরণ চট্টোপাধ্যায় (Hiran Chaterjee)। আর সঙ্গে সঙ্গে তাঁর গাড়ি ধরে কান্নায় ভেঙে পড়লেন গ্রামবাসীরা। চোখে মুখে আতঙ্কের ছাপ। বুকে ভয়। মহিলারা কান্নায় ভেঙে পড়েছেন। এক মহিলা বললেন, “রাম কে নিয়ে যান। নিয়ে যান আপনি। ওকে মেরে দেবে ওরা।” এক গ্রামবাসী বললেন, “ভোটের আগের রাত থেকে ওরা অশান্তি করছে। মহিলাদেরও ছাড়ছে না। আর আমাদের ওই ছেলেটিকে বলছে মেরে শেষ করে দেব।” আরও এক মহিলা কার্যত আতঙ্কে কাঁদতে কাঁদতে চিৎকার করে বলেন, “আমার ছেলেকে মেরে দেবে গো তুমি ওকে নিয়ে যাও।” হিরণের হাত ধরে কার্যত অঝোরে কেঁদে ফেললেন মহিলারা। পাল্টা হিরণও আশ্বাস দিয়ে বলেন, “কিছু হবে না। আমি আছি। আমি থাকব।” কেশপুরের মহিলারা যখন চরম আতঙ্কে কান্নায় ভেঙে পড়ছেন, তখন ঘাটালের তৃণমূল প্রার্থী দীপক অধিকারীকে দেখা গেল ভোটের পর আবির খেলতে। উচ্ছ্বাসে মাতলেন তিনি।

    আরও পড়ুন: প্রবল গতিতে ধেয়ে আসছে ‘রেমাল’, শুরু বৃষ্টি, ভয়ঙ্কর দুর্যোগের পূর্বাভাস

    কেশপুরে ভোট লুট করেছে তৃণমূল!

    হিরণ (Hiran Chaterjee) বলেন, কেশপুরে ভোট লুট করেছে তৃণমূল। মানুষ নিজের ভোট দিতে পারিনি। আমি নিজে আক্রান্ত হয়েছি। দলীয় কর্মীরা চরম আতঙ্কে রয়েছেন। আমি নিজে আক্রান্ত হয়েছি। আমরা এটা মেনে নিতে পারি না। তাই, কেশপুরে পুনর্নির্বাচনের দাবি জানিয়েছি। আক্রান্তদের সঙ্গে আমি সবসময় পাশে রয়েছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Keshpur: “কেশপুরকে পাকিস্তান বানিয়ে ফেলেছেন মমতা”, পুনর্নির্বাচনের দাবি জানালেন হিরণ

    Keshpur: “কেশপুরকে পাকিস্তান বানিয়ে ফেলেছেন মমতা”, পুনর্নির্বাচনের দাবি জানালেন হিরণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আশঙ্কা ছিল। তাই, ভোটের আগের দিন রাত জেগেছিলেন ঘাটালের বিজেপি প্রার্থী হিরণ চট্টোপাধ্যায়। একাধিক এলাকায় দলীয় কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করেছিলেন। আর সকাল হতেই কেশপুরে (Keshpur) গড় সামলাতে তিনি ছুটে যান। কিন্তু, তৃণমূলের হার্মাদ বাহিনীর প্রবল বাধায় তিনি কেশপুর এলাকায় ঘুরে বেড়াতে পারেননি। গোটা বিধানসভা জুড়ে দাপিয়ে বেরিয়েছে তৃণমূলের মস্তানবাহিনী। বুথে বুথে চালিয়েছে লুঠতরাজ। এমনই অভিযোগ গেরুয়া শিবিরের। ষষ্ঠ দফার ভোটদানপর্ব শেষ হতে না হতেই কেশপুর বিধানসভা এলাকায় পুনর্নির্বাচন দাবি করলেন ঘাটাল কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী হিরন্ময় চট্টোপাধ্যায়। শনিবার বিকেলে তিনি সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে হিরণ বলেন, ‘এটা দেখে পশ্চিমবঙ্গ মনে হচ্ছে না কি? কেশপুরকে পাকিস্তান, আফগানিস্তান বানিয়ে ফেলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।’

    দিনভর অশান্তি কেশপুরে (Keshpur)

    শনিবার ভোটগ্রহণ শুরু হতেই অশান্ত হয়ে ওঠে কেশপুর (Keshpur)। রাস্তায় অবরোধ করে আগুন জ্বালিয়ে বিজেপি প্রার্থী হিরণের গাড়ি রুখে দেয় তৃণমূল। হিরণের গাড়ি লক্ষ্য করে ইট ছোড়া হয়। এমনকী গাড়ির সামনে শুয়ে পড়েন অনেকে। লাঠি হাতে বিজেপি প্রার্থীকে রুখে যান তৃণমূল কর্মীরা। তবে, কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকায় হামলা চালাতে পারেননি। তবে, দফায় দফায় কেশপুরে চরম বিক্ষোভের মধ্যে পড়তে হয় বিজেপি প্রার্থীকে। শুধু তৃণমূল নয়, পুলিশও নানা অছিলায় বিজেপি প্রার্থীকে বাধা দেয় বলে অভিযোগ। সবমিলিয়ে দিনভর অশান্ত ছিল কেশপুর।

    আরও পড়ুন: ঝাড়গ্রামের বিজেপি প্রার্থীকে ছোড়া হল ইট, গাড়ি ভাঙচুর,পালাল জওয়ানরা, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    কেশপুরকে পাকিস্তান বানিয়ে ফেলেছেন মমতা, পুনর্নির্বাচন দাবি

    এই পরিস্থিতির জন্য দিনের শেষে ক্ষোভ উগরে দেন হিরণ। তিনি বলেন, “এটা ভোট হয়েছে না কি? এখানে তো পাগলু ড্যান্স হয়েছে। আগুন জ্বালিয়ে, লাঠি নিয়ে পাগলুরা ডান্স করেছে। ওরা জানে, এভাবে ভোট না করালে ওরা জিততে পারবে না। আসলে মানুষ ওদের সঙ্গে নেই। তাই, বুথে বুথে ওদের বাহিনী লুঠ চালিয়েছে। আমাকে বিক্ষোভ দেখিয়ে বার বার বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেছে। আসলে এটা পশ্চিমবঙ্গ বলে মনে হচ্ছে না। পাকিস্তান বা আফগানিস্তান হয়ে গিয়েছে। আমরা কেশপুরে (Keshpur) পুনর্নির্বাচন দাবি করছি। কমিশনকে আজই দাবি জানাব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “গরু পাচারের টাকা ঢুকেছে দেবের অ্যাকাউন্টে”, বিস্ফোরক দাবি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “গরু পাচারের টাকা ঢুকেছে দেবের অ্যাকাউন্টে”, বিস্ফোরক দাবি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরু পাচার মামলায় অন্যতম অভিযুক্ত এনামুল হকের সঙ্গে ঘাটাল লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ দীপক অধিকারী ওরফে দেবের নাম আগেই জড়িয়েছিল। এই নিয়ে তদন্তকারী সংস্থা তাঁকে তলব করেছিল। হাজিরাও দিয়েছিলে দেব। এবার এনামুলের ডায়রির পাতা পোস্ট করে বোমা ফাটালেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। গরু পাচারের টাকা দেবের অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে বলে তিনি দাবি করেন। তবে, এই বিষয়টি সামনে আসতেই ষষ্ঠদফা নির্বাচনের আগেই রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

    ‘দেবের কীর্তি’! (Suvendu Adhikari)

    বৃহস্পতিবার সকালে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) তাঁর এক্স হ্যান্ডলে একটি পোস্ট করেছিলেন। তার ক্যাপশন ছিল ‘দেবের কীর্তি’। তাতে দেখা যাচ্ছে, ‘আরণ্যক ট্রেডার্স’ নামে একটি সংস্থার লেজ়ার অ্যাকাউন্ট। তার ওপরে রয়েছে অন্য একটি সংস্থার নাম। তার শুধুমাত্র ‘ভেনচার্স প্রাইভেট লিমিটেড’ অংশটি শুভেন্দুর পোস্টে দৃশ্যমান। পুরো নাম স্পষ্ট নয়। ওই লেজ়ার অ্যাকাউন্টের তথ্য অনুযায়ী, ‘আরণ্যক ট্রেডার্স’ এবং ‘ভেনচার্স প্রাইভেট লিমিটেড’ লেখা সংস্থার আইসিআইসিআই ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্টে ২০১৬ সালের ২৪ এবং ২৫ নভেম্বর ২৫ লক্ষ টাকা করে মোট ৫০ লক্ষ টাকা জমা পড়েছে। অন্য একটি জায়গায় দেখা যাচ্ছে, একটি ডায়েরির পাতায় হাতে লেখা ‘দেব মোবাইল: ৭২ হাজার টাকা’ এবং ‘দেব ঘড়ি: ৪ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা’। পাশেই একটি পাতায় ছাপানো অক্ষরে ইংরেজিতে লেখা ‘দেব মোবাইল অ্যান্ড দেব ওয়াচ’। শুভেন্দু বলেন, যে ডায়েরির পাতা আমি পোস্ট করেছি, তা এনামুল হকের। এনামুল গরু পাচার মামলায় অন্যতম অভিযুক্ত। আবার হিরণ দাবি করেছেন, ‘আরণ্যক ট্রেডার্স’ এনামুলেরই সংস্থা। এনামুলের সংস্থা থেকে দেবের সংস্থার অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকেছিল।

    দেবের কীর্তি:

    আরও পড়ুন: আসছে ঘূর্ণিঝড় রেমাল! সরাসরি আঘাত কলকাতাতে, কী বলছে হাওয়া অফিস?

    দেব কী বললেন?

    পাল্টা দেব এক্স হ্যান্ডলে লেখেন, “ও শুভেন্দুদা, তুমি নাকি কোথায় মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্ন দেখছ, হিরণের পাল্লায় পড়ে তোমাকে তো কাউন্সিলরে নামিয়ে দিচ্ছে। ভালবাসি বলে বললাম, আমিও জানি তুমি আমাকে ভালবাসো। আর রইল কথা গরু চুরির টাকা, তোমার কোলের ছেলে হিরো হিরণ, সে-ও পিন্টু মণ্ডলের থেকে টাকা নিয়েছে, তা হলে উনিও কি গরু চোর?”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jhargram: তারিখ ২৩, সময় সকাল ৯টা! দেবকে নিয়ে বোমা ফাটানোর ইঙ্গিত দিলেন শুভেন্দু

    Jhargram: তারিখ ২৩, সময় সকাল ৯টা! দেবকে নিয়ে বোমা ফাটানোর ইঙ্গিত দিলেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের আবহেই ফের একবার ঘাটালের তৃণমূল প্রার্থীকে নিয়ে বিস্ফোরক তথ্য সামনে আনার ইঙ্গিত দিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। একেবারে দিনক্ষণ ঘোষণা করে জানালেন ২৩ মে, সকাল ৯টায় নিজের এক্স হ্যান্ডেলে দেবকে নিয়ে সেই তথ্য প্রকাশ্যে আনবেন।

    শুভেন্দু অধিকারীর হুঁশিয়ারি  (Suvendu Adhikari)

    আগামী ২৫ মে ষষ্ঠ দফায় ভোট রয়েছে ঘাটালে। আর তার আগে শনিবার বিকেলে ঝাড়গ্রামে (Jhargram) এক নির্বাচনী প্রচার সভায় উপস্থিত ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই সভা থেকেই এদিন তিনি বলেন, “২৩ তারিখ সকালবেলা ঘাটালের প্রার্থীর সম্পর্কে আমি এমন জিনিস ছাড়ব, আর ওদিন ঘর থেকে বেরোবেন না। ২৩ তারিখ সকাল বেলা। ফলো করবেন। ৯টার সময়, এক্স হ্যান্ডেলে। ঘাটালের হিরোকে জিরো করব হিরণকে দিয়ে।” 

    কী প্রতিক্রিয়া দেবের? 

    প্রসঙ্গত, ২০২৪ এর লোকসভা ভোটে ঘাটালের দুবারের সাংসদ দেবকে (Dev) এবারও প্রার্থী করেছে তৃণমূল। আর তাঁর বিপরীতে বিজেপি প্রার্থী করেছে খড়্গপুরের বিধায়ক তথা বিজেপির তারকা নেতা হিরণ চট্টোপাধ্যায়কে। অর্থাৎ এবছর ঘাটালে দুই তারকার মুখোমুখি লড়াই হবে। বর্তমানে ভোটের শেষ মুহূর্তের প্রচারে একে অপরকে এক ইঞ্চিও জমে ছাড়তে নারাজ। 

    আরও পড়ুন: ক্ষমতায় থাকতে বিনামূল্যে কংগ্রেস কেন রেশন দেয়নি? তোপ প্রহ্লাদ যোশীর

    উল্লেখ্য, ভোটের মুখে একাধিক বিতর্কে নাম জড়াচ্ছে দেবের। তাঁর সহকারীর বিরুদ্ধে টাকা নিয়ে চাকরি দেওয়ার অভিযোগ সংক্রান্ত মামলা গিয়েছে হাইকোর্টে। একটি ভাইরাল অডিয়ো ক্লিপ ঘিরেও শুরু হয়েছে বিতর্ক। আর ঘাটালের বিজেপি প্রার্থী হিরণ চট্টোপাধ্যায়ের শেয়ার করা সেই ভাইরাল অডিও ক্লিপ ঘিরে যখন ভোটের আগে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি, ঠিক সেই সময়ই ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য শোনা গেল বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) গলায়। যদিও কী এমন বিস্ফোরক তথ্য প্রকাশ্যে আনবেন, সে বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু জানাননি বিরোধী দলনেতা। আর শুভেন্দুর এই হুঁশিয়ারি নিয়েও এখনও পর্যন্ত ঘাটালের তৃণমূল প্রার্থী দেবের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা। ২৩ মে কী এমন তথ্য সামনে আসতে চলেছে সেদিকেই তাকিয়ে সকলে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ghatal: পানীয় জলের যন্ত্রণায় ভুগছে ঘাটাল! ভোটের মুখে দেবের বিরুদ্ধে ক্ষোভ ঘাটালের ৩০ পরিবারের

    Ghatal: পানীয় জলের যন্ত্রণায় ভুগছে ঘাটাল! ভোটের মুখে দেবের বিরুদ্ধে ক্ষোভ ঘাটালের ৩০ পরিবারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সূর্যের তেজে পুড়ছে গোটা বাংলা। তীব্র তাপপ্রবাহের মধ্যে জল সংকটে ভুগছে ঘাটাল। তাপমাত্রার পারদ যখন প্রায় ৪০ ডিগ্রি পার করেছে তখন পানীয় জলের সংকটে (Ghatal Water Crisis) নাজেহাল হচ্ছে ঘাটালের (Ghatal) গ্রামবাসী। প্রবল দাবদহের মধ্যে তীব্র পানীয় জলের সঙ্কটে ঘাটালের বীরসিংহ গ্রাম পঞ্চায়েতের দন্দিপুর বক্সী পাড়া এলাকার ৩০ পরিবার। 

    গ্রামবাসীদের অভিযোগ

    গ্রামবাসীদের অভিযোগ, বিদায়ী সাংসদ দেবকে বিষয়টি একাধিকবার জানানো হলেও কোনও কাজ হয়নি। তাতেই গ্রামে (Ghatal) বিক্ষোভের আঁচ। এলাকার লোকজনের দাবি, আজ নয়, দীর্ঘ ছয় মাসের বেশি সময় ধরে একই অবস্থা এলাকার। কিছুদিন আগেই এলাকায় প্রচারে এসেছেন ঘাটালের দুবারের সাংসদ তথা এবারের তৃণমূল প্রার্থী দেব। তাঁর কাছে জলের সমস্যার কথা জানিয়েছিলেন এলাকার মহিলারা। কিন্তু তারপরেও কোনও কাজ হয়নি বলে অভিযোগ করছেন তাঁরা। 

    দেবের প্রতিশ্রুতি (Dev) 

    এ প্রসঙ্গে এলাকার (Ghatal) বাসিন্দা অনিমা বক্সি বলেছেন, “কার্তিক মাস থেকে জল নেই। সবাইকে বলেছি। কেউ কিছু শোনেনি। দেবও কদিন আগে এসেছিল। ওকেও বলেছিলাম আমরা। এখন তো এদিক ওদিক থেকে জল এনে কোনওরকমে কাজ চালাচ্ছি।” আর এক মহিলা বলেন, “৬ মাস ধরে জল নেই। বাধ্য হয়ে পুকুরের জল ব্যবহার করছি।” যদিও দেব (Dev) 
    প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ইলেকশনের পর কাজ হয়ে যাবে।   

    আরও পড়ুন: ২০১৪ সালের প্রাথমিক টেটেও ব্যাপক দুর্নীতি! পরীক্ষার বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন বিচারপতি মান্থার

    জল সংকটে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী (Ghatal) 

    জানা গেছে পানীয় জলের সমস্যা মেটাতে গ্রামে হয়েছিল সজল ধারার কাজ। তবে সূত্রের খবর, বিদ্যুতের বিল সময় মতো না দেওয়ায় সেই সংযোগও বিচ্ছিন হয়ে গিয়েছে। ইতিমধ্যেই আবার এলাকায় পিএইচইর পাইপ লাইনের ট্যাপ কল বসেছে। কিন্তু, জল এখনও আসেনি তাতে। ফলে সমস্যার (Ghatal Water Crisis)সমাধান কিছুতেই হচ্ছে না। এদিকে জল সংকটে অতিষ্ঠ হয়ে এলাকার বাসিন্দাদের ক্ষোভ বেড়ে চলেছে স্থানীয় পঞ্চায়েতের উপর। 
    বিষয়টি নিয়ে বীরসিংহ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান প্রশান্ত রায়ের কাছে প্রশ্ন করা হলে তিনি আবার বিদ্যুতের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করাকে দুষছেন। তবে তাঁর আশ্বাস সমস্যার সমাধান দ্রুত হবে। জল পাবে এলাকার মানুষ। কিন্তু, এলাকার (Ghatal) মানুষের দাবি, প্রতিশ্রুতি অনেক পেয়েছেন। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share