Tag: Global Recession

Global Recession

  • China Debt Crisis: আমেরিকাকে ছাপিয়ে যাওয়ার ভবিষ্যদ্বাণী মিলবে না, দেনায় ডুবে যাচ্ছে চিন!

    China Debt Crisis: আমেরিকাকে ছাপিয়ে যাওয়ার ভবিষ্যদ্বাণী মিলবে না, দেনায় ডুবে যাচ্ছে চিন!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৮ সালের মধ্যে বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হয়ে উঠবে চিন (China Economic)। এই ভবিষ্যদ্বাণী আদৌ বাস্তবসম্মত নয়। ২০২০ সালের ডিসেম্বরে, কোভিড অতিমারির প্রথম ঢেউয়ের পর, ব্রিটিশ থিংক ট্যাঙ্ক সেন্টার ফর ইকনোমিক্স অ্যান্ড বিজনেস রিসার্চ (Centre for Economics and Business Research) ভবিষ্যদ্বাণী করেছিল যে ২০২৮ সালের মধ্যে চিন আমেরিকাকে ছাপিয়ে গিয়ে বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হয়ে উঠবে (Debt Nightmare)। সংস্থাটি জানিয়েছিল, অতিমারির মোকাবিলায় চিনের ‘দক্ষ’ ব্যবস্থাপনা আগামী বছরগুলিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের তুলনায় তাদের প্রবৃদ্ধিকে এগিয়ে দেবে।

    কী বলছে সেই সংস্থা? (China Economic)

    পাঁচ বছর পরে এখন সেই একই সংস্থা বলছে, আগামী আরও অন্তত ১৫ বছরের আগে চিনের পক্ষে মার্কিন অর্থনীতিকে ছাপিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, চিন হয়তো কখনওই ওই লক্ষ্যে পৌঁছতে পারবে না। কারণ তাদের অর্থনীতির সামনে রয়েছে গুচ্ছের পরিকাঠামোগত সমস্যা ও বাধা। গত সপ্তাহে বেজিংয়ে প্রকাশিত সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক তথ্যও দেখাচ্ছে, গতি হারিয়েছে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ।

    কমে গিয়েছে ভোক্তা-চাহিদা

    এপ্রিল মাসে শিল্প উৎপাদন বছরে মাত্র ৪.১ শতাংশ বেড়েছে। ২০২৩ সালের মাঝামাঝির পর এটি সবচেয়ে দুর্বল বৃদ্ধি। খুচরো বিক্রি বেড়েছে মাত্র ০.২ শতাংশ, ২০২২ সালের পর সবচেয়ে খারাপ অবস্থার উদাহরণ এটি। বছরের প্রথম চার মাসে স্থায়ী সম্পদ বিনিয়োগ কমেছে ১.৬ শতাংশ। এর প্রধান কারণ সম্পত্তি উন্নয়ন খাতে ১৩.৭ শতাংশ পতন। ২০২১ সালে যে রিয়েল এস্টেট বুম ছিল, অতিমারির পর তা মুখ থুবড়ে পড়ে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কোটি কোটি চিনা নাগরিকের সঞ্চয়। তাই কমে গিয়েছে ভোক্তা-চাহিদা। কারণ অনেকেই এমন ফ্ল্যাটের ঋণে ডুবে রয়েছেন যে, তা বিক্রি করা যাচ্ছে না। আগে বাড়ির পরে গাড়ি কেনাটা ছিল চিনের মধ্যবিত্ত দের একটি বড় বিনিয়োগ ক্ষেত্র (China Economic)। কিন্তু এখন অনেকেরই গাড়ি কেনার সামর্থ্য নেই। মে মাসের শুরুতে চিনের গাড়ি নির্মাতারা জানিয়েছিলেন, যাত্রিবাহী গাড়ির বিক্রি বছরে কমেছে ২৫.৫ শতাংশ — টানা ষষ্ঠ মাসের পতন। বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাতা বিওয়াইডির প্রচুর গাড়ি বিক্রি হয়নি। তাদের প্রথম ত্রৈমাসিকের মুনাফা ৫৫ শতাংশ কমে তিন বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমেছে।

    ড্রাগনের দেশে হ্রাস পেয়েছে চাহিদা

    দেং শিয়াওপিংয়ের ১৯৮০ সালের সংস্কার এবং পরবর্তী রাষ্ট্রপ্রধানদের নীতির ফলে চিন কার্যত পরিণত হয়েছিল বিশ্বের কারখানায়। তাই কোটি কোটি মানুষ দারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে আসেন, সৃষ্টি হয় বিপুল কর্মসংস্থানের (Debt Nightmare)। ড্রাগনের দেশের বর্তমান প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং প্রযুক্তিগত স্বনির্ভরতা ও উদ্ভাবনের ওপর জোর দিয়েছেন। চিন এখন জাহাজ নির্মাণ, সৌর প্যানেল, উইন্ড টারবাইন, রোবোটিক্স ও বৈদ্যুতিক গাড়ির মতো বহু ক্ষেত্রে বিশ্বনেতা। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) এবং সেমিকন্ডাক্টর ক্ষেত্রেও তারা এগিয়ে। তবে চিনের প্রবৃদ্ধি মূলত রফতানি-নির্ভর — আর এই মডেলই এখন হুমড়ি খেয়ে পড়ছে। দেশের ভেতরে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে যাওয়ায় চাহিদা হ্রাস পেয়েছে, যদিও পণ্যের দর সস্তা। মনে রাখতে হবে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ব্রিটেনে অভ্যন্তরীণ ভোগব্যয় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ৮০ শতাংশেরও বেশি চালিত করে। সেই তুলনায় ভারতে এই হার ৭০ শতাংশের কাছাকাছি। গত বছর চিনে এর পরিমাণ ছিল মাত্রই ৫২ শতাংশ (China Economic)।

    আইএমএফের বক্তব্য

    আন্তর্জাতিক মুদ্রা ভান্ডার (IMF) জানিয়েছে, দীর্ঘস্থায়ী সম্পত্তি সঙ্কট ও দুর্বল সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা মানুষের খরচ করার আগ্রহ কমিয়ে দিয়েছে। আইএমএফ ২০২৬ সালের জন্য চিনের প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৪.৫ শতাংশ করেছে। চিনা সরকারও ১৯৯১ সালের পর সবচেয়ে কম প্রবৃদ্ধি লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে — ৪.৫ শতাংশ থেকে ৫ শতাংশ (Debt Nightmare)। খবরে প্রকাশ, রফতানির জন্য চিন এখনও নতুন নতুন কারখানা ও শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে তুলছে। গত বছর তাদের বাণিজ্য উদ্বৃত্ত দাঁড়িয়েছে ১.১৯ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার। এতে বিশ্বজুড়ে ক্ষোভ বাড়ছে এবং বিভিন্ন দেশ চিনের কাছে আমদানি বাড়ানোর দাবি জানাচ্ছে। ইরান যুদ্ধ যদি বৈশ্বিক মন্দা সৃষ্টি করে, তাহলে চিনা পণ্যের চাহিদা কমবে। ফলে শিল্পখাত আরও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। অতিরিক্ত উৎপাদনের কারণে ইতিমধ্যেই জিনপিংয়ের দেশে মূল্যহ্রাস শুরু হয়ে গিয়েছে। তাই ভবিষ্যতে আরও কম দামে জিনিস পাওয়ার আশায় কেনাকাটা করছেন না চিনারা (China Economic)।

    চিনা অর্থনীতির সামনে আরও বড় সমস্যা

    চিনা অর্থনীতির সামনে আরও দু’টি বড় সমস্যা রয়েছে – একটি হল বাজেট ঘাটতি, অন্যটি জনসংখ্যা সঙ্কট। সরকারি হিসেবে চিনের বাজেট ঘাটতি জিডিপির ৪ শতাংশ। যদিও বিশ্লেষকদের দাবি, অন্যান্য গোপন বাজেট যোগ করলে তা পৌঁছে যায় ৯.১ শতাংশে। চিনের মোট ঋণ-জিডিপি অনুপাত ৩০০ শতাংশ ছাড়িয়েছে বলে অনুমান। ঋণের সুদ শোধের খরচ ২০১৩ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে বেড়েছে ৩৪১ শতাংশ।এদিকে, চিনা জনসংখ্যা দ্রুত বুড়িয়ে যাচ্ছে। ১৯৪৯ সালের পর জন্মহার সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমেছে। আয়তনে এত বড় একটি দেশে গত বছর মাত্র ৭.৯২ মিলিয়ন শিশু জন্মেছে। আগামী দশকে চিনের জনসংখ্যা কমে যেতে পারে প্রায় ৬ কোটি। এতে ভোগব্যয় আরও কমবে, বাড়বে অর্থনৈতিক সঙ্কট (Debt Nightmare)।

    কমিউনিস্ট-শাসিত চিনেও শ্রমিক বিক্ষোভ!

    চিনের বিশাল তেল মজুত ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ তাদের কিছুটা সুরক্ষা দিয়েছে। যুদ্ধের কারণে এপ্রিল মাসে চিনের রফতানির পরিমাণ বেড়েছে ১৪.১ শতাংশ। এদিকে, তেল ও গ্যাসের দামের অস্বাভাবিক বৃদ্ধির জেরে প্লাস্টিকের খরচ বেড়ে যাওয়ায় অনেক খেলনা কারখানা উৎপাদন কমিয়ে দিয়েছে, অনেকে আবার একেবারে ঝাঁপ ফেলে দিয়েছে। চাকরি খুইয়েছেন হাজার হাজার চিনা শ্রমিক (China Economic)। দক্ষিণ চিনে খেলনা কারখানার শ্রমিকদের বিক্ষোভও দেখা গিয়েছে, যা চিনের মতো একটি নিয়ন্ত্রিত সমাজে বিরল নজির। চিন প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনে বিশ্বকে নেতৃত্ব দিচ্ছে, তৈরি করছে ভবিষ্যতের পণ্য। নবায়নযোগ্য জ্বালানির চাহিদা বাড়লে লাভবানও হতে পারে চিন (Debt Nightmare)। তবে যেহেতু চিনা অর্থনীতি রফতানি-নির্ভর, তাই বিদেশের বাজারে তাদের প্রবেশ করতেই হবে। সমস্যা হল, অনেক দেশই চিনকে ভালো চোখে দেখে না। আফ্রিকায় বিপুল পরিমাণ বিনিয়োগ করলেও, সেখানে চিনকে নয়া ঔপনিবেশিক শক্তি হিসেবেই দেখা হচ্ছে। এশিয়ান (ASEAN) দেশগুলিতেও চিনের সস্তা পণ্যের চাপে স্থানীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। চিনা কোম্পানিগুলি স্থানীয় কাঁচামাল কম ব্যবহার করে নিজেদের দেশ থেকে আমদানি করে। ফলে এসব দেশে চিনের (China Economic) বিরুদ্ধে অসন্তোষ ক্রমশ বাড়ছে।

     

  • Global Recession: বিশ্ব মন্দার ধাক্কা ভারতে তেমন পড়বে না, জানালেন স্টেট ব্যাংকের চেয়ারম্যান  

    Global Recession: বিশ্ব মন্দার ধাক্কা ভারতে তেমন পড়বে না, জানালেন স্টেট ব্যাংকের চেয়ারম্যান  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসছে বিশ্বব্যাপী মন্দা (Global Recession)। এ খবর আমরা আগেই জেনেছি। তবে সে মন্দার ধাক্কা তামাম বিশ্বের অন্যান্য দেশে যে প্রভাব ফেলবে, ভারতে সেরকম কিছু ঘটবে না। শুক্রবার একথা জানালেন স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার (SBI) চেয়ারম্যান দীনেশ খাড়া। তিনি জানান, বিশ্বের অন্যান্য দেশে মন্দার বিশাল ঢেউ আছড়ে পড়লেও, ভারতে তার ধাক্কা হবে মৃদু। অর্থনীতির ক্ষেত্রে ভারতের (India) অবস্থান ক্রমেই যে ভালর দিকে যাচ্ছে, তা আগেও  জানিয়েছিলেন তিনি। এদিনও জানান, অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে ভাল করছে ভারত। বৃদ্ধির হার ৬.৮ শতাংশ।

    আন্তর্জাতিক মুদ্রা ভাণ্ডার (IMF) ও বিশ্বব্যাংকের বাৎসরিক বৈঠকে যোগ দিতে গিয়েছেন দীনেশ। ওই বৈঠকের  ফাঁকেই তিনি কথা বলেন সাংবাদিকদের সঙ্গে। দীনেশ বলেন, ভারতে বৃদ্ধির হার ৬.৮। মুদ্রাস্ফীতিও নিয়ন্ত্রণে। তিনি বলেন, অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে যুক্তিপূর্ণভাবেই ভাল করছে ভারত। তিনি বলেন, চাহিদার নিরিখে ভারতের অর্থনীতি অন্তর্মুখী। কারণ এখানকার জিডিপি দেশীয় অর্থনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। তাই গোটা বিশ্বে মন্দা থাবা বসালেও, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে তার প্রভাব পড়লেও, আমার মনে হয়, ভারতে তেমন প্রভাব পড়বে না।

    তিনি বলেন, আমরা যদি বেটা ফ্যাক্টরের দিকে তাকাই, তাহলে আমরা দেখব বিশ্বের বৃহত্তর অর্থনীতির যেসব দেশ রয়েছে, যারা প্রচুর পরিমাণে রফতানি করে, তাদের বেটা ফ্যাক্টরের তুলনায় ভারতের বেটা ফ্যাক্টর খুবই কম। স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার চেয়ারম্যান বলেন, মুদ্রাস্ফীতির প্রাথমিক কারণ চাহিদা ভিত্তিক নয়, এটি অবশ্যই জোগান ভিত্তিক। সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে দীনেশ বলেন, আমরা যদি জোগানের দৃষ্টিতে মুদ্রাস্ফীতিকে দেখি, তাহলে দেখব আমাদের ইউটিলাইজেশন ক্যাপাসিটি প্রায় ৭১ শতাংশ। যার অর্থ হল, আমাদের এই ক্যাপাসিটি বাড়ানোর সামান্যতম হলেও জায়গা রয়েছে। তাই জোগান চেইনে কোনও বিঘ্ন ঘটলে, যেটা ইদানিং বিশ্বের নানা ঘটনার জেরে ঘটছে, যার প্রভাব পড়েছে অপরিশোধিত তেলের ক্ষেত্রেও, তাহলে তার প্রভাব অর্থনীতিতে পড়বেই।

     

     

  • World Bank Fears Recession: আগামী বছরই আর্থিক মন্দার গ্রাসে গোটা বিশ্ব, আশঙ্কা বিশ্ব ব্যাঙ্কের

    World Bank Fears Recession: আগামী বছরই আর্থিক মন্দার গ্রাসে গোটা বিশ্ব, আশঙ্কা বিশ্ব ব্যাঙ্কের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আশঙ্কার কালো মেঘ অনেক আগেই ঘনীভূত হয়েছে। সেই সম্ভাবনা আরও বেশি করে উস্কে দিল বিশ্ব ব্যাঙ্ক (World Bank)। সংস্থাটি জানিয়েছে, আগামী বছরেই আর্থিক মন্দা গ্রাস করতে পারে গোটা বিশ্বকে।

    কেন এমন আশঙ্কা? বিশ্ব ব্যাঙ্কের রিপোর্টে বলা হয়েছে, মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক দ্রুত গতিতে সুদের হার বাড়াচ্ছে। আর তাতে অর্থের জোগান ক্রমশ কমছে বাজারে। মুদ্রাস্ফীতির দর নিম্নমুখী হচ্ছে ঠিকই, তবে তার বিরূপ প্রতিক্রিয়াও লক্ষ্য করা যাচ্ছে অর্থনীতিতে। চড়া সুদের হার থেকে বাঁচতে যে কোনও সংস্থা নতুন করে আর বিনিয়োগের পথে হাঁটতে চাইবে না। অনেক সংস্থা ব্যয় সংকোচের পথ বেছে নিতে বাধ্য হবে। তার জেরে বাণিজ্য ও আর্থিক বিকাশের পথ সঙ্কুচিত হয়ে আসে। তখনই গ্রাস করবে আর্থিক মন্দা (Global Recession)। হাজার হাজার মানুষ চাকরি হারাবেন। কমবে কর্মসংস্থান।

    আরও পড়ুন: মোদির জন্মদিনে পুজো বা কেক কাটা নয় আজ থেকে সেবাপক্ষ শুরু বিজেপির

    বিশ্ব ব্যাঙ্কের প্রেসিডেন্ট ডেভিড ম্যালপাস (David Malpass) রিপোর্ট পেশ করার সময় বলেন, ‘এভাবে সুদের হার বাড়তে থাকলে আথির্ক মন্দা ঠেকানো যাবে না। এর পরিণতি খুব খারাপ হতে পারে। নতুন নতুন যে সব বাণিজ্যক্ষেত্র খুলেছে, সেগুলি দ্রুত বন্ধ হয়ে যাবে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়বে উন্নয়শীল দেশগুলি।’

    সুদ বৃদ্ধির ক্ষেত্রে আগ্রাসী মনোভাব দেখাচ্ছে আমেরিকা। পিছিয়ে নেই ইউরোপের দেশগুলি। সেই তুলনায় ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক ধীরে চলো নীতি নিয়েছে। কারণ, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির লক্ষ্য, ভারতীয় অর্থনীতিকে বিদেশি নির্ভরতা কমিয়ে আরও চাঙ্গা করা। সুদ বৃদ্ধি সেই প্রয়াসে বড় বাধা হতে পারে। কিন্তু বিশ্বজুড়ে আর্থিক মন্দা শুরু হলে ভারতও যে রেহাই পাবে না, বলাই বাহুল্য। তবে সাম্প্রতিক কয়েকটি রিপোর্টে এটা স্পষ্ট, অন্য দেশগুলির তুলনায় ভারতীয় অর্থনীতি অনেকটাই মজবুত। বিশেষজ্ঞদের মতে, যা মূলত ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’র সুফল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share