Tag: Global Terrorism Index

  • Pakistan: বিশ্ব সন্ত্রাসবাদ সূচকে প্রথম স্থানে পাকিস্তান, এক বছরে নিহত ১১৩৯

    Pakistan: বিশ্ব সন্ত্রাসবাদ সূচকে প্রথম স্থানে পাকিস্তান, এক বছরে নিহত ১১৩৯

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্ব সন্ত্রাসবাদ সূচকে প্রথমবারের মতো শীর্ষে উঠে এল পাকিস্তান (Pakistan)। ২০২৫ সালে দেশটিতে সন্ত্রাসবাদী হামলায় (Global Terrorism Index) প্রাণহানির সংখ্যা ৬ শতাংশ বেড়েছে। অর্থনীতি ও শান্তিবিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইনস্টিটিউট ফর ইকোনমিকস অ্যান্ড পিসের প্রকাশিত বিশ্ব সন্ত্রাসবাদ সূচক ২০২৬-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত বছর পাকিস্তানে ১ হাজার ৪৫টি জঙ্গি হামলার ঘটনা ঘটেছে। এসব হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন ১ হাজার ১৩৯ জন। ২০১৩ সালের পর দেশটিতে সন্ত্রাসবাদী হামলায় এত বেশি মানুষের মৃত্যু হয়নি।

    বিশ্বের ১৬৩টি দেশে সন্ত্রাসবাদের প্রভাব পর্যালোচনা করে এই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রতিবেশী দেশগুলির সঙ্গে পাকিস্তানের সম্পর্কের অবনতি, বিশেষত আফগানিস্তানের সঙ্গে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা এবং দেশের অভ্যন্তরে সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ বৃদ্ধি পাকিস্তানের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। টানা ছ’বছর ধরে দেশটিতে সন্ত্রাসবাদী হামলায় প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে চলেছে।

    পণবন্দির ঘটনা (Pakistan) 

    প্রতিবেদনে পাকিস্তানে পণবন্দি করার ঘটনা উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধির বিষয়টিও উঠে এসেছে। ২০২৪ সালে দেশটিতে জঙ্গিদের হাতে ১০১ জন পণবন্দি হয়েছিলেন। ২০২৫ সালে সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৫৫। মূলত জাফর এক্সপ্রেসে সন্ত্রাসবাদী হামলার জেরেই এই বিপুল বৃদ্ধি। ওই হামলায় ৪৪২ জনকে পণবন্দি করা হয়েছিল (Pakistan)।

    পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া এবং বালুচিস্তানে নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি সবচেয়ে বেশি প্রকট হয়ে উঠেছে। গত বছর দেশটিতে সংঘটিত মোট সন্ত্রাসবাদী হামলার ৭৪ শতাংশেরও বেশি ঘটেছে এই দুই প্রদেশে। পাশাপাশি, সন্ত্রাসবাদী হামলায় মোট প্রাণহানির ৬৭ শতাংশও ঘটেছে এই দুই অঞ্চলে। এই পরিসংখ্যান পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বলতাকেই সামনে এনেছে।

    সন্ত্রাসবাদী হামলা

    বিশ্ব সন্ত্রাসবাদ সূচকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাকিস্তান ছাড়াও বুরকিনা ফাসো, নাইজেরিয়া, নাইজার এবং গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে জঙ্গি হামলায় প্রাণহানির সংখ্যা অত্যন্ত বেশি। বিশ্বজুড়ে সন্ত্রাসবাদী হামলায় মোট মৃত্যুর প্রায় ৭০ শতাংশই ঘটেছে এই পাঁচটি দেশে।

    উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের বিশ্ব সন্ত্রাসবাদ সূচকে দ্বিতীয় স্থানে ছিল (Global Terrorism Index) পাকিস্তান। এবার প্রথম স্থানে উঠে এসেছে দেশটি। টানা ছ’বছর ধরে সন্ত্রাসবাদী হামলায় মৃত্যুর সংখ্যা বৃদ্ধি এবং পণবন্দি করার ঘটনা বেড়ে যাওয়ার পরিসংখ্যান পাকিস্তানের ক্রমাবনতিশীল নিরাপত্তা পরিস্থিতির চিত্র তুলে ধরেছে (Pakistan)।

     

  • Pakistan: গ্লোবাল টেররিজম ইনডেক্সে শীর্ষে পাকিস্তান; বুরকিনা ফাসোর চেয়েও শোচনীয় অবস্থা

    Pakistan: গ্লোবাল টেররিজম ইনডেক্সে শীর্ষে পাকিস্তান; বুরকিনা ফাসোর চেয়েও শোচনীয় অবস্থা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইনস্টিটিউট ফর ইকোনমিক্স অ্যান্ড পিস (IEP) কর্তৃক প্রকাশিত গ্লোবাল টেররিজম ইনডেক্স (GTI) ২০২৬-এর সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী সন্ত্রাসবাদের (Global Terrorism Index) প্রভাবে বিশ্বজুড়ে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় পাকিস্তান প্রথম স্থান দখল করেছে। আফ্রিকার দেশ বুরকিনা ফাসোকেও পেছনে ফেলে দিয়ে এই প্রথমবার পাকিস্তান (Pakistan) এই সূচকের শীর্ষে উঠে এলো। অবশ্য অভিজ্ঞ মহল এই নিয়ে খুব একটা চিন্তিত নন। কারণ বিশ্বে সন্ত্রাস উৎপাদন করে পাকিস্তানের মতো দেশ। একাধিক জেহাদি সংগঠনের জন্ম পাক ভূমিতে।

    ১,০৪৫টি সন্ত্রাসী হামলায় প্রায় ১,১৩৯ জনের মৃত্যু (Pakistan)

    প্রতিবেদনের সূচকে জানা গিয়েছে, পাকিস্তানের (Pakistan) স্কোর ৮.৫৭। গত এক দশকে দেশটিতে সন্ত্রাসবাদ (Global Terrorism Index) যে ভয়াবহ রূপ নিয়েছে, এটি তারই প্রতিফলন। ২০২৫ সালে পাকিস্তানে ১,০৪৫টি সন্ত্রাসী হামলায় প্রায় ১,১৩৯ জনের মৃত্যু হয়েছে, যা ২০১৩ সালের পর সর্বোচ্চ বলে জানা গিয়েছে। অপর দিকে বুরকিনা ফাসোর ক্ষেত্রে এই সূচক নিচে নেমেছে। টানা দুই বছর শীর্ষে থাকার পর বুরকিনা ফাসো এখন দ্বিতীয় স্থানে নেমে এসেছে। এখানে প্রাণহানির সংখ্যা আগের তুলনায় প্রায় ৪৫% হ্রাস পেয়েছে।

    ৯৭ পৃষ্ঠার এই গবেষণাটির চিত্র অত্যন্ত স্পষ্ট। যেখানে বিশ্বব্যাপী সন্ত্রাসী হামলায় মৃত্যুর সংখ্যা ২৮% কমে ৫,৫৮২-তে এবং হামলার সংখ্যা ২২% কমে ২,৯৪৪-এ দাঁড়িয়েছে এবং ৮১টি দেশের অবস্থার উন্নতি হয়েছে, সেখানে পাকিস্তানের অবস্থা বিপরীত দিকে গেছে। এটা কোনো কাকতালীয় ঘটনা নয়। এর ফল হলো চরমপন্থী ইসলামপন্থী মতাদর্শ, রাষ্ট্র কর্তৃক একসময় লালিত বিভিন্ন গোষ্ঠী এবং আফগান প্রভাবের বিস্তার।

    আঞ্চলিক অস্থিরতা, কোন দেশে কত জঙ্গি তৎপরতা?

    প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে যে, আফগানিস্তানে তালেবানের ক্ষমতা দখলের পর সীমান্ত অঞ্চলে অস্থিরতা বৃদ্ধি পাওয়ায় পাকিস্তানে জঙ্গি তৎপরতা বহুগুণ বেড়েছে। বিশেষ করে তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (Pakistan) এবং বেলুচিস্তান লিবারেশন আর্মি (BLA)-র মতো গোষ্ঠীগুলোর হামলা (Global Terrorism Index) উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এই হামলার কারণে সন্ত্রাসের আঁতুড় ঘরে ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। এই তালিকায় ভারত ১৩তম স্থানে রয়েছে। ভারতের প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে আফগানিস্তান ১১তম এবং বাংলাদেশ ৪২তম অবস্থানে রয়েছে।

    পাকিস্তানে ২০১৩ সালের পর থেকে সর্বোচ্চ সংখ্যক সন্ত্রাসী হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। শুধুমাত্র টিটিপি একাই ৫৯৫টি হামলা ও ৬৩৭ জনের মৃত্যুর জন্য দায়ী, যা আগের বছরের তুলনায় ১৩% বেশি। ২০০৭ সালে প্রতিষ্ঠিত এই দেওবন্দী ইসলামপন্থী গ্রুপের আল-কায়েদার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ কার্যকলাপ ও ধর্মীয় সম্পর্ক রয়েছে। জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ পর্যবেক্ষণ করেছে, টিটিপি আল-কায়েদার কাছ থেকে আদর্শগত নির্দেশনা নেওয়ার পাশাপাশি আফগান-পাকিস্তান সীমান্তে নিরাপদ আশ্রয় প্রদান করেছে।

    সন্ত্রাসবাদজনিত মৃত্যুর প্রায় ৭০% ঘটছে ৫টি দেশে

    বিশ্ব পরিস্থিতিতে সামগ্রিকভাবে সন্ত্রাসবাদজনিত (Global Terrorism Index) মৃত্যু ২৮% কমলেও, পাকিস্তান ও সাব-সাহারান আফ্রিকা অঞ্চলের পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। বর্তমানে বিশ্বের মোট সন্ত্রাসবাদজনিত মৃত্যুর প্রায় ৭০% ঘটছে পাকিস্তান, বুরকিনা ফাসো, নাইজেরিয়া, নাইজার এবং কঙ্গোর মতো মাত্র পাঁচটি দেশে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, পাকিস্তান গত ১২ বছর ধরেই এই সূচকের শীর্ষ ১০টি দেশের মধ্যে রয়েছে, তবে ২০২৬-এর এই অবস্থান দেশটির নিরাপত্তা ব্যবস্থার চরম অবনতিকেই নির্দেশ করে।

LinkedIn
Share