Tag: Gorkha Territorial Administration

Gorkha Territorial Administration

  • Amit Shah: পাহাড় সমস্যার স্থায়ী সমাধানে ত্রিপাক্ষিক বৈঠক, গঠিত হল স্থায়ী কমিটি

    Amit Shah: পাহাড় সমস্যার স্থায়ী সমাধানে ত্রিপাক্ষিক বৈঠক, গঠিত হল স্থায়ী কমিটি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দার্জিলিং পাহাড়ের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অচলাবস্থা কাটিয়ে সমস্যার স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে ত্রিপাক্ষিক বৈঠকে বসেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। শনিবার দার্জিলিংয়ের সুকনায় অনুষ্ঠিত গুরুত্বপূর্ণ এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা সুপ্রিমো বিমল গুরুং ও রোশন গিরি এবং দার্জিলিংয়ের বিজেপি সাংসদ রাজু বিস্ত। পাহাড়ের (Sukna Talks) রাজনৈতিক সমস্যা, প্রশাসনিক জটিলতা এবং উন্নয়নের রূপরেখা তৈরির ক্ষেত্রে এই বৈঠককে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।

    বিজেপি সরকারের পদক্ষেপ (Amit Shah)

    রাজ্যে পালাবদলের পর পাহাড়ের সমস্যা নিয়ে এই প্রথম ত্রিপাক্ষিক বৈঠকের আয়োজন করা হল। বৈঠকে পাহাড়ের দীর্ঘদিনের সমস্যার সমাধানে একটি রোডম্যাপ তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বৈঠকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হল, পাহাড়ের সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে একটি স্থায়ী কমিটি গঠন। ওই কমিটির শীর্ষে রয়েছেন সীমান্তরক্ষী বাহিনীর প্রাক্তন ডিজি তথা প্রাক্তন আইপিএস পঙ্কজকুমার সিং। এ দিনের আলোচনায় তিনি মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকাও পালন করেন। তবে কমিটিতে কতজন সদস্য থাকবেন এবং তার গঠনতন্ত্র কী হবে, সে বিষয়ে এখনও বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ্যে আসেনি।

    দীর্ঘদিন ধরে গোর্খাল্যান্ডের দাবিকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়েছে দার্জিলিং পাহাড়। এই আন্দোলনকে ঘিরে পাহাড়ের রয়েছে রক্তক্ষরণের দীর্ঘ ইতিহাস। তৃণমূল জমানায় জিটিএ (গোর্খা টেরিটোরিয়াল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন) পরিচালনার ক্ষেত্রেও একাধিক অভিযোগ সামনে এসেছিল। আর্থিক দুর্নীতি, শিক্ষক নিয়োগে অনিয়ম এবং পর্যটন ক্ষেত্রে অব্যবস্থাপনা নিয়ে সরব হয়েছিলেন পাহাড়ের মানুষ।

    শনিবারের বৈঠকে অতীতের সেই ব্যর্থতার বিষয়গুলি যেমন আলোচনায় উঠে এসেছে, তেমনই বর্তমান সরকারের ‘ডাবল ইঞ্জিন’ নীতির মাধ্যমে পাহাড়ের সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যের কথাও স্পষ্ট করা হয়েছে। পাহাড়ের রাজনৈতিক সমস্যার পাশাপাশি শিক্ষা, পর্যটন, পরিবহণ এবং পরিকাঠামোগত উন্নয়নেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।

    শাহি আশ্বাস

    বৈঠকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Amit Shah) আশ্বাস দিয়েছেন, পাহাড়ের যে কোনও সমস্যার সমাধান সাংবিধানিক পথেই করা হবে। শিক্ষক নিয়োগ থেকে শুরু করে পর্যটন এবং পরিবহণ ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ—একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। পাহাড়ের সমস্যার সাংবিধানিক সমাধানের পথেই সম্মতি জানিয়েছেন বিমল গুরুং এবং রোশন গিরিও।

    পাহাড়ের উন্নয়নের কাজ কতটা এগোল, তা নিয়মিত পর্যালোচনা করা হবে বলেও বৈঠকে জানানো হয়েছে। শাহ স্বয়ং নিয়মিত পর্যালোচনা বৈঠক করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন (Sukna Talks)। ফলে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক টানাপড়েনের অবসান ঘটিয়ে পাহাড়ে স্থায়ী সমাধানের পথে এই বৈঠক কতটা কার্যকর ভূমিকা নিতে পারে, এখন সেটাই দেখার (Amit Shah)।

     

  • Raju Bista: জিটিএ নির্বাচন অবৈধ, রুখবই! সাফ জানালেন রাজু বিস্ত

    Raju Bista: জিটিএ নির্বাচন অবৈধ, রুখবই! সাফ জানালেন রাজু বিস্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জিটিএ নির্বাচন (gta election) রুখবই। শুক্রবার জোর গলায় জানিয়ে দিলেন পাহাড়ের সাংসদ বিজেপির রাজু বিস্ত (Raju Bista)। জিটিএ নির্বাচনকে অবৈধও ঘোষণা করেন রাজু। এদিনই শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদের ত্রিস্তর পঞ্চায়েত নির্বাচনের বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে রাজ্য সরকার (Bengal govt)। তার পরিপ্রেক্ষিতেই এহেন মন্তব্য রাজুর।

    ২৬ জুন জিটিএ নির্বাচন হওয়ার কথা। জিটিএ ভোটের বিরোধিতায় পাহাড়ের সিংমারিতে অনশন করছেন মোর্চা নেতা বিমল গুরুং (Bimal Gurung)। বিমলের সুরে সুর মিলিয়ে জিটিএ নির্বাচনের বিরোধিতা করলেন এবার রাজুও। তিনি বলেন, জিটিএ নির্বাচন অবৈধ। কারণ হিসেবে রাজু বলেন, জিটিএ চুক্তি ছিল ত্রিপাক্ষিক। তাই কেন্দ্র এবং চুক্তির একটি পক্ষ মোর্চাকে এড়িয়ে এক তরফা নির্বাচন করা যাবে না।

    আরও পড়ুন : আসন্ন রাজ্যসভা নির্বাচনে অ্যাডভান্টেজ বিজেপি, শক্তি খোয়াবে কংগ্রেস?

    এদিন শিলিগুড়ির নকশালবাড়িতে একটি কর্মসূচিতে যোগ দিতে এসেছিলেন রাজু। সেখানেই জিটিএ নির্বাচনের বিরুদ্ধে সরব হন তিনি। বিজেপি সাংসদ বলেন, আগে পাহাড় সমস্যার সমাধান হওয়া উচিত। কয়েক দশক ধরে পাহাড়ে পঞ্চায়েত নির্বাচন হয় না। কার্শিয়াং ও কালিম্পং পুরসভার নির্বাচন এখনও বাকি। এমতাবস্থায় এসবে নজর না দিয়ে রাজ্য সরকার গায়ের জোরে জিটিএ নির্বাচন করিয়ে নিতে চাইছে। তাঁর অনুগামীদের পাহাড়ের মসনদে বসাতে চাইছেন। আমি এসব নিয়ে দিল্লিকে রিপোর্ট দিচ্ছি। সর্বশক্তি দিয়ে এই নির্বাচন রুখব। তাঁর মতে, রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার করে জিটিএ নির্বাচন করিয়ে একটি অবৈধ বিষয়কে টেনে তোলার চেষ্টা করছে রাজ্য। রাজ্য সরকারের এই চেষ্টা তৃণমূল সরকারের হতাশা এবং আমাদের অঞ্চল ও জনগণের প্রতি তাদের স্বৈরাচারী মনোভাব উভয়ই প্রদর্শন করে। তাঁর অভিযোগ, রাজ্য সরকার জোর করে জিটিএ চাপিয়ে দিতে চাইছে।

    আরও পড়ুন : ফের পরিবারতন্ত্রের প্রতি কটাক্ষ মোদির

    রাজু বলেন, গত ২০ বছর ধরে রাজ্য সরকার আমাদের অঞ্চলে ভোট করেনি। এভাবে জনগণকে তাদের মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করেছে। পঞ্চায়েত সম্পর্কিত উন্নয়ন তহবিল ও বিভিন্ন প্রকল্পে আমাদের অঞ্চলকে পাঁচ হাজার কোটি টাকারও বেশি প্রাপ্য থেকে বঞ্চিত করেছে। কেন্দ্রীয় সরকারের বারবার অনুরোধ সত্ত্বেও রাজ্য সরকার পঞ্চায়েত ভোট করেনি। এখন জিটিএ চাপিয়ে দিচ্ছে।

    পাহাড়ে গণতন্ত্র নেই বলেও অভিযোগ করেন সাংসদ। বলেন, এই অঞ্চলে গণতন্ত্র নেই। যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে ভোট হয় না। রাজুর অভিযোগ, ভোট হয় তৃণমূলের ক্যাডারদের কাজে লাগিয়ে। বিজেপি সাংসদ বলেন, এটা সকলের কাছে স্পষ্ট যে, জিটিএ দার্জিলিং পাহাড়, তরাই এবং ডুয়ার্সের মানুষের সুবিধার জন্য নয়। এটি আমাদের অঞ্চলের মানুষের আকাঙ্খা পূরণ করতে পারে না। আমাদের অঞ্চলের উন্নয়নও করতে পারে না। তৃণমূলের শাসনে আমাদের এলাকায় কোনও উন্নয়ন হয়নি। বরং ইচ্ছাকৃতভাবে আমাদের বঞ্চিত করা হয়েছে। আমরা বৈষম্যের শিকার। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল আমাদের অঞ্চল ও মানুষের উন্নতির জন্য কখনও আন্তরিক নয়।

     

LinkedIn
Share