Tag: Government Hospitals

Government Hospitals

  • Suvendu Adhikari: রোগী রেফার! ডাক্তার নেই? সরকারি হাসপাতালে ২৪ ঘণ্টা নজর রাখতে চালু কন্ট্রোল রুম-হেল্পলাইন, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: রোগী রেফার! ডাক্তার নেই? সরকারি হাসপাতালে ২৪ ঘণ্টা নজর রাখতে চালু কন্ট্রোল রুম-হেল্পলাইন, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের সরকারি হাসপাতালগুলির পরিষেবা আরও স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করতে বড় পদক্ষেপ নিল রাজ্য সরকার। হাসপাতালগুলিতে দালালচক্র, অপ্রয়োজনীয় রেফার, পরিষেবার গাফিলতি ও রোগী হয়রানির অভিযোগ রুখতে স্বাস্থ্যভবনে ২৪ ঘণ্টার বিশেষ কন্ট্রোল রুম চালুর ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শনিবার বিধাননগর মহকুমা হাসপাতাল থেকে জরায়ুমুখ ক্যানসার প্রতিরোধে টিকাকরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী এই উদ্যোগের কথা জানান। তাঁর বক্তব্য, সরকারি হাসপাতালগুলিতে পরিষেবার মান উন্নত করতে এবং সাধারণ মানুষের অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তি করতে এই কন্ট্রোল রুম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।

    রাজ্যের হাসপাতালগুলির উপর নজরদারি

    মুখ্যমন্ত্রী জানান, স্বাস্থ্যভবনে খোলা হওয়া এই কন্ট্রোল রুম থেকে রাজ্যের হাসপাতালগুলির উপর সর্বক্ষণ নজরদারি চালানো হবে। রোগী বা তাঁদের পরিবারের সদস্যরা নির্দিষ্ট হেল্পলাইন নম্বরের মাধ্যমে হাসপাতাল সংক্রান্ত যে কোনও অভিযোগ সরাসরি জানাতে পারবেন। হাসপাতালের বেডের অভাব, চিকিৎসা সংক্রান্ত সমস্যা, ওষুধের ঘাটতি, কর্মীদের দুর্ব্যবহার কিংবা অন্য কোনও অনিয়মের অভিযোগও সেখানে নথিভুক্ত করা যাবে। প্রথম পর্যায়ে রাজ্যের সমস্ত জেলা হাসপাতাল এবং মেডিক্যাল কলেজকে এই ব্যবস্থার আওতায় আনা হচ্ছে। হাসপাতালগুলিতে চিকিৎসক উপস্থিত আছেন কি না, রোগীরা যথাযথ পরিষেবা পাচ্ছেন কি না, হাসপাতাল চত্বরে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা হচ্ছে কি না, কোথাও দালালচক্র সক্রিয় রয়েছে কি না অথবা অযথা রোগীদের অন্যত্র রেফার করা হচ্ছে কি না— সেসব বিষয়েও নজর রাখা হবে।

    ‘‘দালালচক্র যাতে না চলে’’, কড়া বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

    এ প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “হাসপাতালে কোনও দালালচক্র যাতে না চলে এবং কোনও রোগীকে অকারণে রেফার না করা হয়, তা নিশ্চিত করতে আমরা পেশাদার কর্মী নিয়োগ করছি। এ বিষয়ে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি থাকবে।” অভিযোগ পাওয়ার পর দ্রুত সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসনিক আধিকারিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। একইসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, সম্প্রতি এক মুমূর্ষু রোগীকে রেফার করার ঘটনায় কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের সুপারকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। সরকারি হাসপাতালের পরিষেবা আরও উন্নত করতে চিকিৎসক ও নার্স নিয়োগের ক্ষেত্রেও স্বচ্ছতা বজায় রাখার আশ্বাস দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর মতে, স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে মানবসম্পদের ঘাটতি দূর করা জরুরি।

    সরকারি হাসপাতাল ঘিরে একাধিক অভিযোগ

    উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে রাজ্যের একাধিক সরকারি হাসপাতালকে ঘিরে চিকিৎসা পরিষেবার মান, রোগী পরিষেবা ও প্রশাসনিক গাফিলতি নিয়ে নানা অভিযোগ সামনে এসেছে। সেই প্রেক্ষাপটেই স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উপর সরাসরি নজরদারি বাড়ানোর এই সিদ্ধান্তকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে প্রশাসনের একাংশ। সরকারের দাবি, নতুন এই কন্ট্রোল রুমের মাধ্যমে শুধু কলকাতা নয়, রাজ্যের প্রত্যন্ত এলাকার সরকারি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলির পরিস্থিতিও নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হবে। কোথাও কোনও সমস্যা দেখা দিলে দ্রুত তা চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। প্রশাসনের মতে, স্বাস্থ্য পরিষেবাকে আরও স্বচ্ছ, কার্যকর ও জনমুখী করে তোলার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ। পাশাপাশি সরকারি হাসপাতালের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা পুনরুদ্ধার করাও সরকারের অন্যতম উদ্দেশ্য। এখন এই কন্ট্রোল রুম কতটা কার্যকরভাবে কাজ করে এবং অভিযোগ নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে কতটা দ্রুত ফল পাওয়া যায়, সেদিকেই নজর থাকবে।

  • Nadia: বিনামূল্যে দেওয়ার কথা বললেও সরকারি হাসপাতালে মিলছে না জলাতঙ্কের টিকা! ক্ষুব্ধ রোগীরা

    Nadia: বিনামূল্যে দেওয়ার কথা বললেও সরকারি হাসপাতালে মিলছে না জলাতঙ্কের টিকা! ক্ষুব্ধ রোগীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরকারি হাসপাতালে মিলছে না জলাতঙ্কের টিকা। মহকুমা হাসপাতালে প্রতি সপ্তাহে গড়ে রোগী আসেন ৬০ জন করে। দিনের পর দিন হাসপাতালে ঘুরলেও খোঁজ নেই টিকার। এমনকী অনেক রোগীকে নির্ধারিত সময়ে ডোজ নেওয়ার কথা বললেও মিলছে না টিকা। আবার সরকারি হাসপাতালে বিনামূল্যে টিকা দেওয়ার কথা বললেও না মেলায় বাইরের বাজার থেকে চড়া দামে কিনতে হচ্ছে রোগীদের। ঘটনা ঘটেছে নদিয়ার (Nadia) রানাঘাট মহকুমা হাসপাতালে। পরিষেবা না পেয়ে চরম ভোগান্তির সম্মুখীন হতে হচ্ছে সাধারণ রোগীরা। এমনকী প্রশাসনকে অভিযোগ জানিয়েও কোনও লাভ হচ্ছে না বলে জানা গিয়েছে।

    রোগীদের বক্তব্য (Nadia)

    স্থানীয় (Nadia) সূত্রে জানা গিয়েছে, রোগীর জলাতঙ্কের টিকা নিতে গেলেই হাসপাতাল থেকে বলা হয়, এই মুহূর্তে টিকা নেই। পেশায় গাড়ি চালক বিমল বিশ্বাস বলেন, “সপ্তাহ আগে আমার দশ বছরের ছেলেকে কুকুর কামড় দিয়েছে। জলাতঙ্কের টিকার জন্য রানাঘাট মহাকুমা হাসপাতালে গিয়েছিলাম। সেখান থেকে বলা হয়, এই মুহূর্তে টিকা নেই। বাইরে থেকে ওই টিকা নিলে হাসপাতালের নার্সরা এনে দেবেন।” একই ভাবে টিকার চতুর্থ ডোজ নিতে আসা রাজকুমার দেবনাথ অভিযোগ করে বলেন, “হাসপাতাল থেকে টিকা নিতে গেলে বলা হচ্ছে সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। তাই বাইরে থেকে পাঁচজন একত্রিত হয়ে ওই টিকা কিনে নিন।”

    অবশ্য ডাক্তারদের বক্তব্য, “কুকুর বিড়াল বাঁদর বা অন্য কোনও প্রাণী কামড়ালে রোগীকে আহত হওয়ার দিনেই টিকা দিতে হয়। এরপর তৃতীয় দিন, সাত দিন এবং আঠাশদিনের মাথায় মোট চারবার করে টিকার ডোজ নিতে হয়। কিন্তু একবার, দুইবার ডোজ নেওয়ার পরবর্তী ডোজ নিতে ব্যাপক সমস্যা হচ্ছে।”

    হাসপাতাল সুপারের বক্তব্য

    রানাঘাট (Nadia) মহকুমা হাসপাতাল সুপার প্রহ্লাদ অধিকারী বলেন, ‘‘বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। আশা করছি, মঙ্গলবার জেলা স্তর থেকে টিকা সরবরাহ করা হবে। গ্রামীণ ও ব্লকের প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলিতে পর্যাপ্ত টিকা রয়েছে।’’

    জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের বক্তব্য

    নদিয়া (Nadia) জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক জ্যোতিষ চন্দ্র দাস বলেন, “জেলায় পর্যাপ্ত পরিমাণে জলাতঙ্কের টিকা মজুত রয়েছে। রানাঘাট মহকুমা হাসপাতালের পক্ষ থেকে টিকা শেষ হওয়ার বিষয়ে কোনও কথা ঘোষণা করা হয়নি। রোগীরা যাতে সমস্যায় না পড়তে হয় সেই দিকে নজর রাখা হয়েছে।”   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Government Hospitals: পরিষেবা ভাল নয়, তাই সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা করান না খোদ মুখ্যমন্ত্রী!

    Government Hospitals: পরিষেবা ভাল নয়, তাই সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা করান না খোদ মুখ্যমন্ত্রী!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি এলেন, দেখলেন ও বললেন! আর তারপরেই যত বিপত্তি! বিতর্ক যেন থামছে না। সরকারি হাসপাতাল (Government Hospitals) নিয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা স্বাস্থ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যের পরে বিস্মিত ও আতঙ্কিত সাধারণ মানুষ। বিরক্ত চিকিৎসক মহল থেকে স্বাস্থ্য কর্মী সকলেই। 

    এসএসকেএম হাসপাতালের (Government Hospitals) ট্রমা কেয়ার কাণ্ডের পরে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য বিতর্ক উস্কে দিয়েছে। রোগীর চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগে এসএসকেএম হাসপাতালের ট্রমা কেয়ার সেন্টারে তাণ্ডব চালায় এক রোগীর পরিজনেরা। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বলেন, সরকারি হাসপাতালে স্যালাইন ঢোকাতে হলেও হাত ফুলে যায়, রক্ত পরীক্ষা করাতে গেলেও যে ইঞ্জেকশন দিতে হয়, তাতে হাতে কালসিটে দাগ পড়ে যায়। ভয়ে তিনি সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে যান না। এখানেই শেষ নয়। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এসএসকেএম হাসপাতালের ট্রমা কেয়ারে ভর্তি হওয়ার প্রক্রিয়া অত্যন্ত জটিল। অনেকটাই দেরি হয়। সরকারি হাসপাতালে জরুরি চিকিৎসা পেতেও অনেকটাই সময় লাগে। যা রোগীর পরিবারের কাছে বিরক্তিকর। 

    মুখ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্যের পরেই বিতর্ক মাত্রা ছাড়িয়েছে। রাজ্যের চিকিৎসক মহলের দাবি, খোদ মুখ্যমন্ত্রী যদি সরকারি হাসপাতালে (Government Hospitals) চিকিৎসা পরিষেবা নিতে না পারেন, তাহলে সাধারণ মানুষ কোথায় যাবেন? 

    রাজ্যের ৭৫ শতাংশ মানুষ সরকারি হাসপাতালের (Government Hospitals) উপরে নির্ভরশীল। এই ৭৫ শতাংশের মধ্যে ৫৫ শতাংশ কলকাতার বিভিন্ন সরকারি মেডিক্যাল কলেজে চিকিৎসা করান। তার মানে এই সব জায়গায় ঠিকমতো চিকিৎসা হয় না? সামান্য রক্ত পরীক্ষার জন্য রক্ত সংগ্রহ করতে কিংবা স্যালাইন দিতেই যদি মুখ্যমন্ত্রীর অসুবিধা হয়, তাহলে রাজ্যের সরকারি স্বাস্থ্য কাঠামো কি ভেঙে পড়েছে?

    দায় কার? 

    বিভিন্ন জনসভা কিংবা প্রশাসনিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী এই রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নতি, বিশেষ করে স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পের কথা বলেন। নিখরচায় চিকিৎসার কথা জানান। যদি সরকারি হাসপাতালে (Government Hospitals) সামান্য চিকিৎসাও না হয়, তাহলে এ রাজ্যের স্বাস্থ্য খাদে এত বরাদ্দের বিজ্ঞাপন কেন? প্রশ্ন তুলেছেন বিশেষজ্ঞেরা। 

    স্বাস্থ্য প্রশাসনের সঙ্গে যুক্ত কর্তাদের একাংশ অবশ্য জানাচ্ছেন, সরকারি স্বাস্থ্য (Government Hospitals) ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্য কর্মীর ঘাটতি রয়েছে। প্রয়োজন মতো নিয়োগ করা হয় না। এই মূল সমস্যাগুলো সমাধান না করলে সরকারি হাসপাতালের পরিকাঠামো উন্নতি সম্ভব নয়। সেটা মুখ্যমন্ত্রীও জানেন। কিন্তু তারপরও কোনও অদৃশ্য কারণে বাস্তব সমস্যাগুলোর সমাধান হয় না। 
    চিকিৎসকদের একাংশের অভিযোগ, এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তিতে দালাল চক্রের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। রাজ্যের শাসক দলের একাংশও এই চক্রের সঙ্গে যুক্ত। মুখ্যমন্ত্রী এই হাসপাতালে (Government Hospitals) ভর্তির জটিলতা নিয়ে নানান কথা বললেও দালাল চক্র রুখতে সরকারের কড়া অবস্থান নিয়ে কোনও স্পষ্ট বার্তা কেন দিলেন না? সেই প্রশ্ন ও উঠছে।

    আরও পড়ুন: হিন্দু মহিলাদের বিরুদ্ধে বিতর্কিত মন্তব্য করার জের, আসাম মহিলা কমিশনের নোটিস বদরুদ্দিন আজমলকে 

    সর্বোপরি, মুখ্যমন্ত্রীর সরকারি স্বাস্থ্য (Government Hospitals) ব্যবস্থা সম্পর্কে মন্তব্য একদিকে যেমন রাজ্য সরকারের স্বাস্থ্য অবহেলাকে স্পষ্ট করে দিলো, আরেকদিকে চিকিৎসক হেনস্থার ঘটনাকেও ইন্ধন জোগালো বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞ মহল। সরকারি হাসপাতালে নূন্যতম পরিষেবা ঠিকমতো দেওয়া না হলে, তার দায় সরকার তথা স্বাস্থ্যমন্ত্রী এড়িয়ে যেতে পারেন না। তেমনি, পরিষেবায় কোনও ত্রুটি থাকলে স্বাস্থ্য কর্মী বা চিকিৎসককে নিগ্রহ করা যায় না। তার জন্য আইন আছে। মুখ্যমন্ত্রী কখনোই সেটা সাধারণ মানুষকে বোঝাতে চাইছেন না। এতে রোগী পরিষেবা আরও ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলেই আশঙ্কা করছেন চিকিৎসক মহল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share