Tag: Govt

Govt

  • OBC Quota Row: ওবিসি সংরক্ষণ নিয়ে তৃণমূল সরকারের নীতি বাতিলে সিলমোহর শুভেন্দুর মন্ত্রিসভার

    OBC Quota Row: ওবিসি সংরক্ষণ নিয়ে তৃণমূল সরকারের নীতি বাতিলে সিলমোহর শুভেন্দুর মন্ত্রিসভার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাতিল করে দেওয়া হল ওবিসি সংরক্ষণ (OBC Quota Row) নিয়ে রাজ্যের পূর্বতন তৃণমূল সরকারের নীতি। নজিরবিহীন এই পদক্ষেপ করল বিজেপির শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন রাজ্য সরকারের মন্ত্রিসভা। ওবিসি সংরক্ষণ কমিয়ে করা হল ৭ শতাংশ (TMC Govt Policy)। আগে ওবিসি ‘এ’ ক্যাটেগরিতে ১০ শতাংশ সংরক্ষণের সুযোগ মিলত। ওবিসি ‘বি’ ক্যাটেগরিতে ছিল ৭ শতাংশ সংরক্ষণের সুবিধা। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে ২০১০-সালের আগের সংরক্ষণ নীতিই বহাল রাখল রাজ্য সরকার। সরকারের দাবি, এই সিদ্ধান্তের ফলে রাজ্যের প্রকৃত অনগ্রসর হিন্দু জাতি তাদের নায্য অধিকার ফিরে পাবে। ৭ শতাংশ সংরক্ষণের জন্য অনগ্রসর হিসেবে ৬৬টি জাতির তালিকাও প্রকাশ করেছে রাজ্যে বিজেপি পরিচালিত প্রথম সরকার।

    ওবিসি সংরক্ষণের হার (OBC Quota Row)

    নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণের লক্ষ্যে একলপ্তে রাজ্যের ওবিসি সংরক্ষণের হার ১৭ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৭ শতাংশ করার সিদ্ধান্তও নেয় রাজ্যের নয়া মন্ত্রিসভা। মুসলিম সম্প্রদায়ের জন্য থাকা ওবিসি সংরক্ষণ আপাতত বাতিল করার সিদ্ধান্তও নিয়েছে এই মন্ত্রিসভা। জানা গিয়েছে, কেবল তফশিলি জাতি এবং উপজাতির বাইরে থাকা প্রকৃত অনগ্রসর হিন্দু সম্প্রদায়ই পাবেন নয়া সংরক্ষণ ব্যবস্থার সুবিধা। সরকারি চাকরি এবং উচ্চশিক্ষায় ভর্তির ক্ষেত্রে অবিলম্বে কার্যকর হতে চলেছে এই নয়া নিয়ম। মঙ্গলবারই এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিও জারি করা হয়েছে। রাজ্যপালের নির্দেশে প্রকাশ করা হয়েছে সেই তালিকাও।

    ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণের সুযোগ!

    বাম রাজত্বের শেষ পর্বে এবং তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের প্রথম দিকে ২০১০-এর মার্চ থেকে ২০১২-র মে মাসের মধ্যে রাজ্যে ৭৭টি সম্প্রদায়ের নাম তোলা হয়েছিল ওবিসির তালিকায়। বাম জমানায় ৪২টি মুসলিম সম্প্রদায়কে ওবিসি তালিকাভুক্ত হয়েছিল। এদের ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে বলে মামলা দায়ের হয় (OBC Quota Row)। তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় এসে তুষ্টিকরণে রাজনীতি করতে গিয়ে আরও ৩৫টি সম্প্রদায়কে ওবিসি তালিকায় জায়গা দেয়। ২০২৩ সালে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার ওবিসি সংরক্ষণ আইন জারি করে এই ৭৭টি সম্প্রদায়কে ওই তালিকায় নিয়ে আসে। ফলে সব মিলিয়ে মোট ওবিসি সম্প্রদায়ের সংখ্যা পৌঁছয় ১৭৯-এ।

    শুভেন্দুর সরকারের ফরমান

    ক্ষমতায় এসেই তৃণমূল সরকারের আমলে যত ওবিসি শংসাপত্র দেওয়া হয়েছিল, সেগুলি ফের যাচাই করার নির্দেশ দিয়েছিল শুভেন্দুর সরকার। সোমবারের বৈঠকে সেই তালিকা যাচাই এবং উপ-শ্রেণিবিভাগের তালিকা বাতিল করার সিদ্ধান্তে সিলমোহর দেয় ক্যাবিনেট। তার পর মঙ্গলবারই জারি করা হয় বিজ্ঞপ্তি। প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ২২ মে কলকাতা হাইকোর্ট রাজ্যের ওবিসি তালিকায় ৬৬টি সম্প্রদায়কে রেখে বাকি ১১৩টি সম্প্রদায়কে ওই তালিকাভুক্ত করার সিদ্ধান্ত খারিজ করে দিয়েছিল। আদালতের যুক্তি ছিল, ধর্মের ভিত্তিতে এই সম্প্রদায়গুলিকে ওবিসি তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। এর ফলে ২০১০ থেকে বিলি হওয়া ৫ লাখের মতো ওবিসি শংসাপত্র বাতিল হয়ে যায়। হাইকোর্টের সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিল তৃণমূল পরিচালিত (TMC Govt Policy) রাজ্য সরকার। সেই মামলার এখনও নিষ্পত্তি হয়নি বলেই অসমর্থিত সূত্রের খবর (OBC Quota Row)।

  • PM Modi: “বাংলায় মহাজঙ্গলরাজ শেষ হবে”, ব্রিগেড থেকে বঙ্গবাসীকে কী কী গ্যারান্টি দিয়ে গেলেন মোদি?

    PM Modi: “বাংলায় মহাজঙ্গলরাজ শেষ হবে”, ব্রিগেড থেকে বঙ্গবাসীকে কী কী গ্যারান্টি দিয়ে গেলেন মোদি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আমার প্রিয় পশ্চিমবঙ্গবাসী ভাই ও বোনেরা আমার অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে সশ্রদ্ধ প্রণাম। বাংলার ঐতিহাসিক মাটি, এই ব্রিগেড প্যারেড (Brigade Rally) গ্রাউন্ড আর বাংলার মানুষের ঐতিহাসিক জমায়েত। যত দূর আমার চোখ যাচ্ছে, শুধুই লোক আর লোক দেখা যাচ্ছে। একটা অদ্ভুত দৃশ্য। আপনাদের এই উৎসাহ দেখেই বোঝা যাচ্ছে, বাংলার মানুষের মনে কী চলছে। যাঁরা দেখার, তাঁরা এই ছবিটা দেখুন।” শনিবার ব্রিগেডে নাগাড়ে কথাগুলি বলে গেলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)।

    ১৮ হাজার ৮৬০ কোটি টাকার প্রকল্প (PM Modi)

    প্রথমে ব্রিগেডের সরকারি মঞ্চ থেকে বাংলার জন্য ১৮ হাজার ৮৬০ কোটি টাকার প্রকল্পের শিলান্যাস ও উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। বাংলার জন্য একাধিক প্রকল্পের উদ্বোধন করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আজ কলকাতার মাটি থেকে পশ্চিমবঙ্গ ও পূর্ব ভারতের বিকাশের নয়া অধ্যায় শুরু হচ্ছে। সড়ক, রেলওয়ে এবং বন্দর পরিকাঠামোর সঙ্গে যুক্ত ১৮ হাজার কোটি টাকারও বেশি প্রকল্পের শিলান্যাস ও উদ্বোধন হল। বাংলার উন্নয়নে নয়া দিশা দেখাবে এই প্রকল্পগুলি। লাখ লাখ মানুষের জীবন সহজ ও সুন্দর হবে। নয়া সুযোগ মিলবে। খড়্গপুর-মৌরিগ্রাম এক্সপ্রেসওয়ে সম্পূর্ণ হলে রাজ্যের অনেকাংশে আর্থিক উন্নতি হবে। দুবরাজপুর বাইপাস, কংসাবতী, শিলাবতী নদীর ওপর যে সেতু তৈরি হবে, তাতে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি হবে। পশ্চিমবঙ্গ-সহ পূর্ব ভারতের জনগণকে শুভেচ্ছা।” ৬টি অমৃত ভারত স্টেশনের উদ্বোধন করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আজ কামাখ্যাগুড়ি, আনারা, তমলুক, হলদিয়া, বীরভূম এবং সিউড়ি- এই ছয় স্টেশন অমৃত স্টেশন করা হচ্ছে। হলদিয়া ডক ও কলকাতা ডকের সংস্কার করা হচ্ছে। খিদিরপুর ডকেও কার্গো হ্যান্ডেলিং বাড়ানোর ওপর নজর দেওয়া হচ্ছে। এই প্রকল্পগুলির ফলে পূর্ব ভারতে লজিস্টিক সিস্টেমের আরও উন্নতি হবে।”

    বাংলা থেকে মহাজঙ্গলরাজ শেষ হবে

    প্রশাসনিক সভা শেষে হয় রাজনৈতিক সভা। সেখানে ভাষণ দিতে গিয়ে রাজ্য সরকারকে নিশানা করেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “বাংলা থেকে নির্মম সরকারের বিদায় হবে। বাংলায় মহাজঙ্গলরাজ শেষ হবে। বাংলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আওয়াজ উঠছে, চাই বিজেপি সরকার, চাই বিজেপি সরকার।” তিনি বলেন, “আজ এই সভা আটকানোর জন্য নির্মম সরকার সব হাতিয়ার ব্যবহার করতে চেয়েছে। ব্রিজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, গাড়ির ওপর হামলা করা হয়েছে, ট্রাফিক জ্যাম করেছে, পোস্টার ছিঁড়ে দিয়েছে। এত কিছু করেও নির্মম সরকার জনপ্লাবণ আটকাতে পারেনি। বাংলায় মহাজঙ্গলরাজের পতনের কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গিয়েছে।”

    তৃণমূল সরকারের আমলে নিয়োগ দুর্নীতি হচ্ছে

    তিনি বলেন, “এক সময় বাংলা গোটা ভারতের বিকাশে সাহায্য করত। শিল্প-বাণিজ্যে সবার আগে ছিল বাংলা। কিন্তু এখন (PM Modi) বাংলার যুবরা ডিগ্রি নিতে পারছে না। রোজগার হচ্ছে না। চাকরি নেই। কাজের জন্য অন্য রাজ্যে পালাতে হচ্ছে। প্রথমে কংগ্রেস, পরে কমিউনিস্ট এবং এখন তৃণমূল – এরা বাংলায় এসেছে, শুধু পকেট ভরেছে। আর বাংলা ক্রমশ পিছিয়ে যাচ্ছে (Brigade Rally)। তৃণমূল সরকারের আমলে নিয়োগ দুর্নীতি হচ্ছে। খোলা বাজারে বিক্রি করা হচ্ছে চাকরি। এখন সময় এসেছে বদলানোর। যুবরা যাতে বাংলার উন্নতিতে নেতৃত্ব দেয়, এই স্বপ্ন আপনার। আর এই স্বপ্ন পূরণ করাই মোদির গ্যারেন্টি।” তিনি বলেন, “রামকৃষ্ণ পরমহংসদেব, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর থেকে শুরু করে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, রানি রাসমণিদের মতো মহান ব্যক্তিরা যে বাংলার পরিকল্পনা করেছিলেন, বিজেপি সেই বাংলাই নতুন করে নির্মাণ করবে। বাংলার উন্নতি সঠিক নীতিতে হবে। বাংলায় এখন আমাদের সরকার নেই। কিন্তু তাও কেন্দ্রীয় সরকারের সাহায্যে বিজেপি বাংলার উন্নতির চেষ্টা করে চলেছে।”

    বাংলার উন্নয়নে ব্রেক কষে রেখেছে সরকার

    রাজ্য সরকারকে নিশানা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “নির্মম সরকার বাংলার উন্নয়নে ব্রেক কষে রেখেছে। কেন্দ্রের সূর্যঘর প্রকল্প চালু করতে দিচ্ছে না। তৃণমূল চায় না, বাংলার মানুষের বিদ্যুৎ বিল শূন্য হোক। চা শ্রমিকরাও প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন না। আয়ুষ্মান প্রকল্পে ৫ লাখ করে টাকা পাচ্ছেন দেশের কোটি কোটি মানুষ। কিন্তু সেই প্রকল্প থেকে বাংলার মানুষকে বঞ্চিত করে রাখা হচ্ছে। তৃণমূল সরকারের পতন হলেই গরিবদের জন্য পাকা ঘর তৈরি শুরু হবে। এটা মোদির গ্যারান্টি। বাড়ি বাড়ি জল পৌঁছে যাবে, বিনামূল্যে দেওয়া হবে চিকিৎসা। বাংলায় সুশাসন আসবে।” রাজ্য সরকারকে আক্রমণ শানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “নির্মম সরকার ধর্ষকদের আশ্রয় দেয়। অপরাধীদের বাঁচানোর চেষ্টা করে। সন্দেশখালি, আরজিকরের ঘটনা ভোলেননি বাংলার মানুষ। অপরাধীদের আড়াল করা হচ্ছে।”

    অনুপ্রবেশকারীরা বাংলাকে লুটে নিচ্ছে

    অনুপ্রবেশ প্রসঙ্গ টেনে তিনি (PM Modi) বলেন, “অনুপ্রবেশকারীরা বাংলাকে লুটে নিচ্ছে। জনবিন্যাস বদলে দিয়েছে। আর বাঙালি হিন্দুদের সংখ্যালঘু করে দেওয়া হচ্ছে। ওরা হিন্দুদের নিজের ভোটব্যাঙ্ক মনে করে না। বাংলাকে এখন অসুরক্ষিত বানিয়ে ফেলেছে। কোটি কোটি বাঙালিকে শেষ করার চেষ্টা করছে।” রাষ্ট্রপতি ইস্যুতে তিনি বলেন, “আদিবাসী মহিলা রাষ্ট্রপতি জনজাতিদের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এসেছিলেন (Brigade Rally)। কিন্তু অহঙ্কারে ডুবে থাকা সরকার রাষ্ট্রপতিকে অপমান পর্যন্ত করেছে। তৃণমূলের মনে রাখার দরকার ওরা শুধু রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে অপমান করেনি, ওরা দেশের সংবিধান, বাবা সাহেব আম্বেদকর, দেশের হাজার লাখ জনজাতি মানুষকে অপমান করেছে।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “একদিকে আমরা সবকা সাথ, সবকা বিকাশের মন্ত্র নিয়ে চলব। আর একদিকে সবকা হিসাব লিয়া যায়গা। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা হবে। অপরাধীদের জায়গা হবে জেলে (PM Modi)।”

     

  • Sukanta Majumdar: “তৃণমূল নামক জঞ্জালকে সরিয়ে দিন”, প্রধানমন্ত্রীর সভায় আবেদন সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: “তৃণমূল নামক জঞ্জালকে সরিয়ে দিন”, প্রধানমন্ত্রীর সভায় আবেদন সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আপনাদের হাতে আর হয়তো ৪০ দিন সময় আছে, তার মধ্যেই তৃণমূল কংগ্রেস নামক জঞ্জালকে সরিয়ে দিন।” ব্রিগেডে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi Rally) জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে কথাগুলি বললেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)।

    মোদির জন্য হৃদয়ভরা ভালোবাসা (Sukanta Majumdar)

    তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আজকের সভাই  আগামীর পথ দেখাবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের এই অপশাসন কীভাবে দূর হবে। তার আগে মুখ্যমন্ত্রী কলকাতাজুড়ে গো ব্যাক পোস্টার লাগিয়েছেন। দিদি আপনি যতই পোস্টার লাগান, বাংলার মানুষ আপনাকে গো-ব্যাক জানাচ্ছেন। নরেন্দ্র মোদির জন্য হৃদয়ভরা ভালোবাসা রয়েছে এখানকার মানুষের।” ধর্মতলার ধর্না মঞ্চে প্ররোচনামূলক বক্তব্য রখায় এদিন মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িকতার বিষ ছড়ানোর অভিযোগ করেন সুকান্ত। তিনি বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী এক বিশেষ সম্প্রদায়কে উসকানি দিয়ে জানিয়েছিলেন যে সবাই এক হলে হিন্দুদের ধূলিসাৎ করে দেওয়া হবে। ছিঃ মুখ্যমন্ত্রী, আপনি তো সবাইকে ছাপিয়ে গেলেন! আমি আপনাকে জানাচ্ছি যে আমরা আপনার মতো সাম্প্রদায়িক শক্তির বিরুদ্ধে হাজার হাজার বছর ধরে লড়াই করছি। তাই আমরা টিকে আছি। এই লড়াই চলবেই।” এর পরেই তিনি বলেন, “আপনাদের হাতে আর হয়তো ৪০ দিন সময় আছে, তার মধ্যে তৃণমূল কংগ্রেস নামক জঞ্জালকে সরিয়ে দিন (Sukanta Majumdar)।”

    সুকান্তর নিশানায় তৃণমূল

    কৃষি ইস্যুতেও রাজ্যের তৃণমূল সরকারকে আক্রমণ শানান সুকান্ত। তিনি বলেন, “কেন্দ্রীয় সরকারের কৃষক সম্মান নিধি প্রকল্পের মাধ্যমে প্রায় ১৩ হাজার কোটি টাকা সরাসরি পৌঁছে দেওয়া হয়েছে কৃষকদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে। কিন্তু রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সেই উদ্যোগকে গুরুত্ব দেননি।” এদিন সুকান্তের বক্তৃতায় অনিবার্যভাবেই এসে পড়েছে আলুচাষিদের কথা। তিনি বলেন, “রাজ্যে আলুর দাম কমে যাওয়ায় কৃষকরা বড় সঙ্কটে পড়েছেন।” তাঁর দাবি, বিজেপি সরকার ক্ষমতায় এলে আলুর জন্য সহায়ক মূল্য নির্ধারণ করা হবে। কৃষকরা যাতে ফসলের ন্যায্য দাম পান (PM Modi Rally), তাই। পশ্চিমবঙ্গের ভবিষ্যৎ রক্ষায় রাজনৈতিক পরিবর্তন যে জরুরি, এদিন তাও মনে করিয়ে দিয়েছেন বিজেপির এই নেতা। তিনি (Sukanta Majumdar) বলেন, “পশ্চিমবঙ্গকে পশ্চিম বাংলাদেশে পরিণত হতে দিতে চাই না। তাই বাংলায় বিজেপি সরকার গড়তে হবে।”

  • RSS Swayamsevak: ফের খবরে বীরভূমের নানুর, এবার আরএসএসের স্বয়ংসেবককে অপহরণের অভিযোগ

    RSS Swayamsevak: ফের খবরে বীরভূমের নানুর, এবার আরএসএসের স্বয়ংসেবককে অপহরণের অভিযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের আতঙ্কের মেঘে ঢেকে গিয়েছে বীরভূমের নানুরের আকাশ। এই সেই জায়গা, যেখানে নৃশংসভাবে সিপিএমের হার্মাদদের হাতে খুন হয়েছিলেন বেশ কয়েকজন কৃষক (Mamata Govt)। সেই নানুরই ফের চলে এল খবরের শিরোনামে। এবার অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছেন বীরভূম জেলার আঙ্গোরা গ্রামের বাসিন্দা, আরএসএসের স্বয়ংসেবক রিন্টু পাল (RSS Swayamsevak)। তাঁর সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনাকে সমালোচকেরা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শাসনকালে তৃণমূল কংগ্রেসের ভীতি প্রদর্শনের সংস্কৃতির প্রতীক হিসেবে দেখছেন।

    আরএসএস কর্মীদের অভিযোগ (RSS Swayamsevak)

    স্থানীয় বাসিন্দা এবং আরএসএস কর্মীদের অভিযোগ, রিন্টুকে তৃণমূল কংগ্রেস-ঘনিষ্ঠ দুষ্কৃতীরা অপহরণ করে জোরপূর্বক একটি দলীয় কার্যালয়ে নিয়ে যায়। সেখানে তাঁকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধরে ভয় দেখানো হয়, করা হয় অপমান। হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। রিন্টুর একমাত্র ‘অপরাধ’ আরএসএসের সঙ্গে তাঁর আদর্শগত সম্পর্ক। এটি ভারতের সংবিধান অনুযায়ী সম্পূর্ণভাবে সুরক্ষিত। জানা গিয়েছে, রিন্টুকে যেসব হুমকি দেওয়া হয়েছে, সেগুলি স্পষ্ট ও ভয়াবহ। অভিযোগ, রিন্টুকে জনতার হাতে মারধর খাওয়ানো এবং ভয়ঙ্কর পরিণতির হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়, যদি তিনি আরএসএসের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখেন। প্রাণভয়ের আশঙ্কায় তাঁকে জোর করে আরএসএস থেকে নিজেকে বিচ্ছিন্ন করার বক্তব্য দিতে বাধ্য করা হয় বলেও অভিযোগ। এই ঘটনা যদি প্রমাণিত হয়, তবে (Mamata Govt) তা এক ভয়ঙ্কর বাস্তবতাকে সামনে আনে—পশ্চিমবঙ্গের কিছু অংশে এখন আদর্শগত পরিচয়ই নিপীড়নের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে (RSS Swayamsevak)।

    নানুর রয়েছে নানুরেই

    নানুরের বহু মানুষের কাছে এই ঘটনা ব্যতিক্রম নয়, বরং নিয়মে পরিণত হয়েছে। বছরের পর বছর ধরে বিরোধী দলের সমর্থক, সমাজকর্মী ও বিভিন্ন আদর্শগত সংগঠন অভিযোগ করে আসছে যে, স্থানীয় তৃণমূল ক্যাডাররা কার্যত রাষ্ট্রক্ষমতার সম্প্রসারিত হাত হিসেবে কাজ করছে এবং ভয়ের মাধ্যমে আনুগত্য চাপিয়ে দিচ্ছে। সামাজিক বয়কট থেকে শুরু করে শারীরিক হুমকি পর্যন্ত, ভিন্নমতকে অভিযোগ অনুযায়ী ব্যালট বাক্সে পৌঁছানোর অনেক আগেই দমন করা হচ্ছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের ভূমিকা নিয়েও তীব্র সমালোচনা হয়েছে। বিভিন্ন জেলায় রাজনৈতিক হিংসার অভিযোগ বারবার সামনে আসা সত্ত্বেও প্রশাসনের প্রতিক্রিয়া হিসেবে অস্বীকার, নীরবতা বা নির্বাচনী পদক্ষেপের অভিযোগ উঠছে। সমালোচকদের মতে, এই নীরবতাই স্থানীয় দাপুটে নেতাদের আরও বেপরোয়া করে তুলছে, কারণ তারা বিশ্বাস করে রাজনৈতিক সুরক্ষা তাদের সমস্ত পরিণতি থেকে রক্ষা করবে।

    আরএসএস নেতৃত্বের বক্তব্য

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেকে প্রায়ই গণতন্ত্র ও স্বাধীনতার রক্ষক হিসেবে নিজেকে তুলে ধরেন। কিন্তু নানুরের মতো ঘটনা কিছু অস্বস্তিকর প্রশ্ন সামনে এনে দেয়। বিশ্বাসের জন্য যদি কোনও নাগরিককে অপহরণ করা হয়, তবে স্বাধীনতার অর্থ কী? আর গণতন্ত্রই বা কী, যখন রাজনৈতিক আনুগত্য নির্ধারিত হয় ভয়ের দ্বারা, পছন্দের (RSS Swayamsevak) দ্বারা নয়? জনরোষ আরও বেড়েছে পুলিশ ও জেলা প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে। সমালোচকদের অভিযোগ, শাসক দলের স্বার্থ জড়িত থাকলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী (Mamata Govt) বাহিনী দৃঢ় পদক্ষেপ নিতে চায় না। প্রাতিষ্ঠানিক নিরপেক্ষতার এই কথিত অবক্ষয় নানুরকে শাসনব্যবস্থার এক সতর্কতামূলক উদাহরণে পরিণত করেছে, যেখানে ন্যায়বিচারের চেয়ে ক্ষমতার প্রাধান্যই বেশি। আরএসএস নেতৃত্ব জানিয়েছেন, প্রশাসনিক উদাসীনতা আর সহ্য করা হবে না। ন্যায়বিচার না মিললে শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক প্রতিরোধ আরও জোরদার হবে বলেও সতর্ক করেছেন তাঁরা। গণআন্দোলনের ডাক ক্রমশ জোরালো হলেও, দায়িত্বশীল মহল মনে করছে, পরিস্থিতি যাতে আরও উত্তপ্ত না হয়, তার জন্য দ্রুত ও নিরপেক্ষ বিচার নিশ্চিত করার দায়িত্ব সম্পূর্ণভাবে রাজ্যের ওপরেই বর্তায় (RSS Swayamsevak)।

  • Assam Govt: অসমের চা-বাগান কর্মীদের জমির অধিকার দেওয়ার সিদ্ধান্ত বিজেপি সরকারের

    Assam Govt: অসমের চা-বাগান কর্মীদের জমির অধিকার দেওয়ার সিদ্ধান্ত বিজেপি সরকারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার অসমের চা-বাগান (Tea Workers) কর্মীদের জমির অধিকার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল বিজেপির হিমন্ত বিশ্ব শর্মার সরকার (Assam Govt)। রাজ্য বিধানসভার শীতকালীন অধিবেশনে সম্প্রতি একটি বিল পাস হয়েছে, এর মাধ্যমেই চা-বাগানের ‘শ্রমিক লাইনে’ বসবাসরত বাগান শ্রমিকদের ভূমির অধিকার দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হবে। সদ্য সমাপ্ত শীতকালীন অধিবেশনে দীর্ঘদিনের দাবির সমাধান করতে অসম ফিক্সেশন অফ শিলিং অন ল্যান্ড হোল্ডিংস সংশোধনী বিল ২০২৫ পাশ হয়েছে।

    ঐতিহাসিক মুহূর্ত (Assam Govt)

    মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা এই আইনকে এই সম্প্রদায়ের কল্যাণের জন্য একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত আখ্যা দিয়েছেন। তিনি বলেন, “অনিশ্চয়তার প্রজন্ম থেকে মালিকানার ভবিষ্যতের দিকে। ল্যান্ড শিলিং অ্যামেন্ডমেন্ট বিল ২০২৫ অসমের চা-শ্রমিক সম্প্রদায়ের ৩ লক্ষ ৩০ হাজারেরও বেশি পরিবারকে তাদের ভূমির বৈধ অধিকার দেবে। ন্যায়ের জন্য এক বিশাল পদক্ষেপ এবং অসমের জন্য একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত।” বর্তমানে চা-বাগানের শ্রমিকরা শ্রমিক লাইনের জমিতে মালিকানা ছাড়াই বসবাস করছেন। সংশোধিত আইনের ফলে শ্রমিক লাইনগুলোকে ‘আনুষঙ্গিক ব্যবহারের’ আওতা থেকে বাদ দেওয়া হবে এবং চা-বাগান শ্রমিকদের জন্য অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে ভূমি বন্দোবস্তের ব্যবস্থা করা হবে। এর মাধ্যমে নিশ্চিত হবে তাদের জমির অধিকার। সংশোধিত আইনে বলা হয়েছে, এর ফলে চা-বাগান শ্রমিকদের দীর্ঘমেয়াদী বাসস্থানের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে এবং উচ্ছেদের ঝুঁকি কমবে।

    ভূমির উত্তরাধিকার

    আইনের ওই সংশোধনে আরও বলা হয়েছে, এই ভূমি উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া যাবে। তবে প্রথম ২০ বছর বিক্রি বা হস্তান্তর করা যাবে না। বিধানসভায় সংশোধনী নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “২০ বছর পর জমি বিক্রি, লিজ, হস্তান্তর, দান বা অন্য কোনওভাবে স্থানান্তর করা যাবে, তবে শুধুমাত্র একই বাগানে বসবাসকারী চা-বাগান শ্রমিকদের মধ্যেই (Assam Govt)।” এই সংশোধনীর মাধ্যমে রাজ্য সরকার উন্নয়ন ও পুনর্বণ্টনমূলক ব্যবহারের জন্য উদ্বৃত্ত জমি চিহ্নিত করতে পারবে এবং চা-বাগান শ্রমিকদের আবাসনকে মূলধারার সরকারি আবাসন, সামাজিক কল্যাণ এবং জনস্বাস্থ্য কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত করতে পারবে বলে সংশোধনের উদ্দেশ্য ও কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে সরকারি বিবৃতিতে (Tea Workers)। জানা গিয়েছে, জমির মালিকানা পাওয়ার পর ৩.৩ লক্ষাধিক চা-বাগান শ্রমিক পরিবার প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার মতো সুবিধা পাবে। এর মাধ্যমে তারা নিজেদের জমিতে নিজেদের বাড়ি নির্মাণ করতে পারবে (Assam Govt)।

LinkedIn
Share