Tag: Green Asha

  • Iran: ‘সংঘাতের অবসান ঘটিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি-স্থিতিশীলতা ফেরাতে পারে ভারত’, আশা ইরানের

    Iran: ‘সংঘাতের অবসান ঘটিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি-স্থিতিশীলতা ফেরাতে পারে ভারত’, আশা ইরানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিম এশিয়ায় যে যুদ্ধ চলছে তাতে মধ্যস্থতার ভূমিকা পালন করছে পাকিস্তান। ইসলামাবাদের এহেন দাবি খারিজ করে দিয়েছে ইরান (Iran)। সাফ জানিয়ে দিয়েছে, এসব প্রতিবেদন ভিত্তিহীন। ইরানের মতে, বৈশ্বিক তেলের দামের ওপর প্রভাব ফেলতে (India Global Powers) বৃহত্তর একটি কৌশলের অংশ এটি। ভারতে ইরানের সর্বোচ্চ নেতার প্রতিনিধি আবদুল মাজিদ হাকিম এলাহি, বিহারের পাটনায় এক শোকসভায় অংশ নিতে গিয়ে এ কথা বলেন।

    এলাহির সাফ কথা (Iran)

    এলাহি সাফ জানিয়ে দেন, ইরান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আলোচনায় পাকিস্তানের কোনও ভূমিকাই নেই। তিনি বলেন, “ইসলামাবাদের  মধ্যস্থতায় কোনও তাৎপর্যপূর্ণ আলোচনা হচ্ছে না। কিছু পক্ষ ইচ্ছাকৃতভাবে একটি ভুয়ো খবর ছড়িয়ে দিচ্ছে, যাতে বৈশ্বিক বাজারকে প্রভাবিত করা যায়।” তাঁর মতে, মধ্যস্থতার দাবি বাড়িয়ে বলা হয়েছে। এটি করা হয়েছে  কূটনৈতিক অগ্রগতির একটি ভ্রান্ত ধারণা তৈরি করতে এবং প্রকৃত আলোচনার অভাব সত্ত্বেও তেলের দাম যাতে স্থিতিশীল রাখা যায়, তা-ই। এলাহির অভিযোগ, পাকিস্তান কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় যথেষ্ট আন্তরিক নয়, কেবল একটি প্রতীকী মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। তিনি বলেন, “আলোচনার যে ধারণা তৈরি করা হয়েছে, তা প্রকৃত অগ্রগতির ভান সৃষ্টি করার জন্য, যদিও বাস্তবে কোনও গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি বা আলোচনা চলছে না। আলোচনার প্রস্তুতির যে খবর ঘোষণা করা হচ্ছে, তা বিভ্রান্তিকর। বাস্তব পদক্ষেপের ওপর ভিত্তি করেও এই ঘোষণা করা হচ্ছে না।

    সংঘাতের উৎস

    বর্তমান সংঘাতের উৎস সম্পর্কে এলাহি জানান, ২৮ ফেব্রুয়ারি আমেরিকা ও ইজরায়েলের যৌথ সামরিক হামলার পর থেকেই উত্তেজনা বেড়েছে। তাঁর মতে, ইরানের যুদ্ধ শুরু করার কোনও ইচ্ছেই ছিল না। তারা আসলে প্রতিক্রিয়া জানাতে বাধ্য হয়েছে। এ ব্যাপারে তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে হস্তক্ষেপ করার আহ্বানও জানান (Iran), বিশেষ করে হাসপাতাল, স্কুল ও আবাসিক এলাকায় যাতে হামলা বন্ধ করা যায়, সেই জন্য (India Global Powers)। এলাহি বলেন, “যারা এই হামলা শুরু করেছে, তারা থামলে সংঘাতের অবসান সম্ভব।” তাঁর আশা, ভারত-সহ বিশ্বের অন্যান্য দেশ শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে গঠনমূলক ভূমিকা পালন করতে পারে। বিশ্বনেতাদের এক সঙ্গে এসে যুদ্ধ শেষ করার জন্য কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বানও জানান তিনি।

    হরমুজ প্রণালীর ওপর জোরদার নিয়ন্ত্রণ

    পশ্চিম এশিয়ার এই পরিস্থিতি আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার ওপর বড় প্রভাব ফেলেছে। ফেব্রুয়ারির হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনির হত্যার খবর প্রকাশের পর ইরানের প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ সঙ্কটকে আরও ঘোরালো করেছে। এর ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে এবং তেলের দামে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। ইরান হরমুজ প্রণালীর ওপর নিয়ন্ত্রণ জোরদার করেছে। অথচ, তামাম বিশ্বে জ্বালানি পরিবহণের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ এটি। এই ঘটনায় বিশ্বব্যাপী উদ্বেগ বেড়েছে (India Global Powers)। কারণ এই পথের যে কোনও বিঘ্ন সরাসরি তেল এবং এলপিজি সরবরাহে প্রভাব ফেলে (Iran)।

    হরমুজ প্রণালী পার হচ্ছে ভারতীয় জাহাজ

    যদিও উত্তেজনা জারি থাকা সত্ত্বেও, ইরান জানিয়েছে, অশত্রু মনোভাবাপন্ন দেশগুলির জাহাজ প্রণালী দিয়ে চলাচল করতে পারবে, যদি তারা ইরানি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে। এই আশ্বাস আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থাকেও জানানো হয়েছে। বর্তমান সংঘাত ও নৌ-অবরোধের আশঙ্কার মধ্যেও ভারতীয় পতাকাবাহী জাহাজগুলি নিয়মিতভাবে হরমুজ প্রণালী পার হচ্ছে। ‘গ্রিন আশা’ নামের একটি এলপিজি ট্যাঙ্কার সম্প্রতি নিরাপদে প্রণালী পার হয়েছে, যা সংঘাত শুরু হওয়ার পর নবম ভারতীয় জাহাজ। জানা গিয়েছে, এই পথে চলাচলকারী প্রায় ৬০ শতাংশ পণ্যবাহী জাহাজ ইরান থেকে আসছে বা ইরানের দিকে যাচ্ছে। ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও এই অঞ্চলে ভারতের জাহাজ চলাচল অব্যাহত রয়েছে।

    এসেছে একাধিক এলপিজি ভর্তি জাহাজ

    গ্রিন আশার আগে আরও আটটি ভারতীয় জাহাজ নিরাপদে এই প্রণালী অতিক্রম করেছে। এর মধ্যে বিডাব্লু টায়ার এবং বিডাব্লু এলএম নামের এলপিজি জাহাজ প্রায় ৯৪,০০০ টন পণ্য পরিবহণ করেছে। এছাড়াও, পাইন গ্যাস এবং জাক বসন্ত নামের দুটি জাহাজ ২৬ থেকে ২৮ মার্চের মধ্যে মোট ৯২,৬১২ টন এলপিজি বহন করেছে (Iran)। এর আগে এমটি শিবালিক এবং এমটি নন্দাদেবী প্রায় ৯২,৭১২ টন এলপিজি গুজরাটের মুন্দ্রা ও কান্ডলা বন্দরে পৌঁছে দিয়েছে। জাগ লাডকি নামের আর একটি জাহাজ সংযুক্ত আরব আমিরশাহি থেকে ৮০,৮৮৬ টন অপরিশোধিত তেল মুন্দ্রায় নিয়ে এসেছে। আর জাগ প্রকাশ নামের একটি পেট্রোল ভর্তি জাহাজ ওমান থেকে আফ্রিকায় পৌঁছতে গিয়ে নিরাপদে পার হয়েছে হরমুজ প্রণালী (India Global Powers)।

    গ্রিন সনভি নামের আর একটি জাহাজ সম্প্রতি প্রায় ৪৬,৬৫০ মেট্রিক টন এলপিজি বহন করে এই পথ অতিক্রম করেছে। ভারতীয় নৌবাহিনী এই জাহাজগুলির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সাহায্য করছে। বর্তমানে ভারত ইরানের সঙ্গে আলোচনা চালাচ্ছে যাতে এই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথে তাদের জাহাজ নিরাপদে চলাচল করতে পারে, যদিও পশ্চিম এশিয়ার সামগ্রিক ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি (India Global Powers) এখনও অস্থির রয়েছে (Iran)।

     

  • LPG: ৪৬,০০০ টন এলপিজি নিয়ে হরমুজ পেরলো আরও একটি ট্যাঙ্কার, আসছে ভারতে

    LPG: ৪৬,০০০ টন এলপিজি নিয়ে হরমুজ পেরলো আরও একটি ট্যাঙ্কার, আসছে ভারতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৪৬,০০০ মেট্রিক টনেরও বেশি এলপিজি (LPG) বহনকারী একটি ট্যাঙ্কার শনিবার সকালে পার হল হরমুজ প্রণালী। ৬ এপ্রিলের মধ্যে মুম্বই বন্দরে পৌঁছবে বলেই আশা। ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ শিপিংয়ের তরফে (Hormuz Strait) জানানো হয়েছে, এলপিজি বহনকারী জাহাজ গ্রিন সানভি বর্তমানে প্রণালী পার হয়ে গিয়েছে। জাহাজ মন্ত্রকের কর্তারা জানান, জাহাজটি ৪৬,৬৫৫ মেট্রিক টন এলপিজি বহন করছে।

    ভারতীয় বন্দরে দুই জাহাজ (LPG)

    দিন কয়েক আগেই হরমুজ প্রণালী পার হয়ে ভারতীয় বন্দরে পৌঁছেছে দুটি এলপিজি ভর্তি ট্যাঙ্কার। এর মধ্যে জাগ বসন্ত (Jag Vasant) কাণ্ডলায় পৌঁছেছে ৪৭,৬১২ মেট্রিক টন এলপিজি, আর পাইন গ্যাস (Pine Gas) নিউ মাঙ্গালোর বন্দরে ৪৫,০০০ মেট্রিক টন এলপিজি পৌঁছে দিয়েছে। আরও দুটি এলপিজি জাহাজ গ্রিন আশা (Green Asha)  এবং জাগ বিক্রম (Jag Vikram) বর্তমানে হরমুজ প্রণালী অতিক্রমের জন্য ভারতীয় নৌবাহিনীর নির্দেশের অপেক্ষায় রয়েছে। পদস্থ এক নৌ-আধিকারিক জানান, ওই অঞ্চলে আটকে থাকা সব জাহাজের চলাচল নিশ্চিত করতে চেষ্টা করা হচ্ছে।

    শিপিং কর্তার বক্তব্য

    এদিকে, বিডাব্লু টিওয়াইআর নামের এলপিজি ট্যাঙ্কার ইতিমধ্যেই মুম্বই পৌঁছে গিয়েছে। মুম্বই আউটার পোর্ট লিমিটসে জাহাজ-থেকে-জাহাজ পদ্ধতিতে পণ্য খালাস করা হয়েছে। আর একটি জাহাজ বিডাব্লু ইএলএমকে এন্নোর বন্দরের দিকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ৪ এপ্রিল ভারতে পৌঁছানোর কথা এই জাহাজটির (Hormuz Strait)। শিপিং-কর্তা জানান, বর্তমানে ১৭টি ভারতীয় জাহাজ পারস্য উপসাগরে, ২টি ওমান উপসাগরে, ২টি এডেন উপসাগরে এবং ১টি লোহিত সাগরে অবস্থান করছে। এর মধ্যে ৫টি জাহাজ শিপিং কর্পোরেশন অব ইন্ডিয়ার মালিকানাধীন।

    ভারতীয় জাহাজগুলির নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করাই লক্ষ্য!

    পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলে প্রায় ২০,৫০০ জন ভারতীয় নাবিক রয়েছেন। এদের মধ্যে ৫০৪ জন ভারতীয় পতাকাবাহী জাহাজে কর্মরত, এবং ৩ এপ্রিল পর্যন্ত বিভিন্ন শিপিং কোম্পানি ১,১৩০ জন নাবিককে সরিয়ে নিয়েছে (LPG)। ভারতীয় নৌবাহিনী এবং শিপিং কর্তৃপক্ষের মধ্যে চলমান সমন্বয় এই অঞ্চলের মধ্যে দিয়ে ভারতীয় জাহাজগুলির নিরাপদ ও সময় মতো চলাচল নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই করা হচ্ছে। আঞ্চলিক চ্যালেঞ্জের মধ্যেও ভারতীয় বন্দরে এলপিজির সরবরাহ অব্যাহত রাখতে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ (Hormuz Strait)। এই ঘটনাপ্রবাহ উপসাগরীয় অঞ্চলে সামুদ্রিক পরিবহণ ব্যবস্থাপনা এবং নাবিকদের কল্যাণ নিশ্চিত করার ধারাবাহিক প্রচেষ্টাকে তুলে ধরে, যাতে নির্বিঘ্নে ভারতে পৌঁছতে পারে জ্বালানি ভর্তি ট্যাঙ্কার (LPG)।

     

LinkedIn
Share