Tag: green energy

green energy

  • West Bengal Investment: তালিকায় প্রতিরক্ষা থেকে মহাকাশ শিল্প, বাংলায় ৬,০০০ কোটির বিনিয়োগের প্রস্তাব জয় বালাজি গ্রুপের!

    West Bengal Investment: তালিকায় প্রতিরক্ষা থেকে মহাকাশ শিল্প, বাংলায় ৬,০০০ কোটির বিনিয়োগের প্রস্তাব জয় বালাজি গ্রুপের!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলার শিল্পক্ষেত্রে বড় বিনিয়োগের প্রস্তাব দিল জয় বালাজি গ্রুপ (Jai Balaji Group)। আগামী কয়েক বছরে পশ্চিমবঙ্গে প্রায় ৬,০০০ কোটি টাকা বিনিয়োগের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে সংস্থাটি। বিশেষ ইস্পাত উৎপাদন, প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম, মহাকাশ গবেষণার উপযোগী যন্ত্রাংশ, প্রিসিশন ইঞ্জিনিয়ারিং এবং পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি—মূলত এই পাঁচটি ক্ষেত্রকে সামনে রেখেই বিনিয়োগের পরিকল্পনা সাজানো হয়েছে। সংস্থার দাবি, এই সম্প্রসারণ বাস্তবায়িত হলে রাজ্যে অতিরিক্ত ২০ হাজারেরও বেশি কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হতে পারে।

    প্রতিরক্ষা ও মহাকাশ শিল্পে বিশেষ নজর

    • ● জয় বালাজি গ্রুপের প্রস্তাবিত বিনিয়োগ পরিকল্পনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হল প্রতিরক্ষা ও মহাকাশ শিল্পের জন্য প্রয়োজনীয় উন্নতমানের কাঁচামাল এবং যন্ত্রাংশ উৎপাদন। এই প্রকল্পের আওতায় প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে ব্যবহারের জন্য বিশেষ অ্যালয় এবং উচ্চমানের ইস্পাত তৈরি করার পরিকল্পনা রয়েছে।
    • ● পাশাপাশি রেল এবং মহাকাশ শিল্পের জন্য উচ্চ-নির্ভুলতাসম্পন্ন (High-Precision) উপাদান ও যন্ত্রাংশ উৎপাদনেও জোর দিতে চায় সংস্থাটি। বিশেষ ধরনের তামা ও অ্যালুমিনিয়াম অ্যালয়, স্টিল কাস্টিং এবং ফোরজিংস উৎপাদনের পরিকল্পনাও রয়েছে।
    • ● এছাড়া রেল, প্রতিরক্ষা, অটোমোবাইল, মহাকাশ এবং অন্যান্য ইঞ্জিনিয়ারিং শিল্পের চাহিদা মেটাতে প্রিসিশন ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্য ও তার পরবর্তী উৎপাদনশৃঙ্খল বা ডাউনস্ট্রিম প্রোডাক্টের ক্ষেত্রেও ব্যবসা সম্প্রসারণ করতে চায় গোষ্ঠীটি।

    ২০ হাজারের বেশি কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা

    • ● এই বিনিয়োগের অন্যতম বড় ইতিবাচক দিক কর্মসংস্থান। জয় বালাজি গ্রুপের বক্তব্য অনুযায়ী, প্রস্তাবিত সম্প্রসারণের ফলে রাজ্যে অতিরিক্ত ২০ হাজারেরও বেশি কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হতে পারে। অর্থাৎ, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে প্রত্যক্ষ কর্মসংস্থানের পাশাপাশি শিল্পের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন সহযোগী ক্ষেত্রেও কাজের সুযোগ বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    উল্লেখ্য, বর্তমানে জয় বালাজি গ্রুপের বিভিন্ন সংস্থার মাধ্যমে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ২৫ হাজারেরও বেশি মানুষ জীবিকা নির্বাহ করেন। জাজোদিয়া পরিবারের প্রতিষ্ঠিত এই শিল্পগোষ্ঠীর ইস্পাত ও উৎপাদন শিল্পে চার প্রজন্মের অভিজ্ঞতা রয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িশা এবং ছত্তিশগড় মিলিয়ে তাদের মোট ১০টি উৎপাদন কেন্দ্র রয়েছে। এর মধ্যে আটটিই পশ্চিমবঙ্গে অবস্থিত।

    সবুজ শক্তি ও পরিবেশবান্ধব উৎপাদনেও জোর

    • ● শুধু উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধি নয়, শিল্পের শক্তির চাহিদা মেটাতে সৌরবিদ্যুৎ এবং গ্রিন পাওয়ার জেনারেশনের ক্ষেত্রেও বিনিয়োগ করতে চায় জয় বালাজি গ্রুপ। এর লক্ষ্য, উৎপাদন প্রক্রিয়ায় শক্তির দক্ষতা বৃদ্ধি, বিদ্যুতের চাহিদা পূরণ এবং কার্বন নিঃসরণের পরিমাণ কমানো।

    সংস্থার বর্তমান সমন্বিত উৎপাদন পরিকাঠামোয় প্রায় ১০০ মেগাওয়াট নিজস্ব বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা রয়েছে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, উৎপাদন প্রক্রিয়ায় তৈরি হওয়া বর্জ্য তাপ (Waste Heat) এবং কঠিন শিল্পবর্জ্য ব্যবহার করেও বিদ্যুৎ উৎপাদন করে গোষ্ঠীটি। নতুন বিনিয়োগের মাধ্যমে এই ধরনের পরিবেশবান্ধব শক্তি ব্যবস্থাকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

    বাংলার শিল্পায়নে কতটা তাৎপর্যপূর্ণ এই বিনিয়োগ?

    পশ্চিমবঙ্গের শিল্পক্ষেত্রে নতুন বিনিয়োগ টানতে রাজ্য সরকারের উদ্যোগের মধ্যেই জয় বালাজি গ্রুপের এই ঘোষণা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। বিশেষ করে প্রতিরক্ষা, মহাকাশ, রেল এবং উন্নত ইঞ্জিনিয়ারিং শিল্পের মতো উচ্চ প্রযুক্তিনির্ভর ক্ষেত্রে বিনিয়োগের পরিকল্পনা রাজ্যের শিল্প পরিকাঠামোর বহুমুখীকরণে সাহায্য করতে পারে।

    এর পাশাপাশি বিশেষ ইস্পাত, অ্যালয়, কাস্টিং এবং ফোরজিংসের মতো শিল্পে উৎপাদন বাড়লে সংশ্লিষ্ট ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প, যন্ত্রাংশ সরবরাহকারী সংস্থা এবং পরিবহণ ক্ষেত্রেও নতুন ব্যবসার সুযোগ তৈরি হতে পারে। অর্থাৎ, সম্ভাব্য ২০ হাজার কর্মসংস্থানের বাইরেও বৃহত্তর শিল্প অর্থনীতিতে এর ইতিবাচক প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    সংস্থার বিবৃতি অনুযায়ী, রাজ্যের শিল্প সম্ভাবনা এবং নতুন সরকারের অধীনে গড়ে ওঠা ব্যবসায়িক পরিবেশের উপর আস্থা রেখেই এই বিনিয়োগের পরিকল্পনা করা হয়েছে। আগামী দিনে রাজ্যের শিল্পনীতি ও বিনিয়োগবান্ধব উদ্যোগের সঙ্গে এই পরিকল্পনা কতটা সামঞ্জস্য রেখে বাস্তবায়িত হয়, সেদিকেই নজর থাকবে।

  • PM Modi: ডাচ প্রধানমন্ত্রীর বিরূপ মন্তব্য, কড়া প্রতিক্রিয়া নয়াদিল্লির

    PM Modi: ডাচ প্রধানমন্ত্রীর বিরূপ মন্তব্য, কড়া প্রতিক্রিয়া নয়াদিল্লির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সংখ্যালঘু অধিকার নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করেন ডাচ প্রধানমন্ত্রী রব জেটেন। অন্তত এমনই খবর প্রকাশিত হয় সংবাদ মাধ্যমে। এই ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) নেদারল্যান্ডস সফর কূটনৈতিকভাবে কিছুটা উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠে (Netherlands Trip)। এর জবাবে কড়া প্রতিক্রিয়া জানাল নয়াদিল্লি। ঘটনাটি ঘটে প্রধানমন্ত্রীর দু’দিনের দ্য হেগ সফরের সময়। এর মূল উদ্দেশ্যই ছিল ভারত ও নেদারল্যান্ডসের মধ্যে বাণিজ্য, প্রযুক্তি, পরিচ্ছন্ন জ্বালানি, সেমিকন্ডাক্টর, সামুদ্রিক নিরাপত্তা এবং বৈশ্বিক কৌশলগত বিষয়গুলিতে সহযোগিতা আরও জোরদার করা।

    বিতর্কের সূত্রপাত (PM Modi)

    বিতর্কের সূত্রপাত হয় তখন, যখন এক ডাচ সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, কেন মোদি ও জেটেন যৌথ সাংবাদিক সম্মেলন করেননি। তিনি ভারতের সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সংখ্যালঘুদের অধিকার নিয়ে উদ্বেগের প্রসঙ্গ তোলেন। ডাচ সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মোদির সঙ্গে সাক্ষাতের আগে জেটেন বলেছিলেন যে ডাচ সরকারের ‘ভারতের পরিস্থিতি’ নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে, বিশেষ করে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সংখ্যালঘুদের অবস্থা নিয়ে। তবে এই মন্তব্য আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক বৈঠকে করা হয়েছিল কি না, তা স্পষ্ট নয়। ভারত এহেন মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ করে।

    ভারতের প্রতিক্রিয়া

    বিদেশমন্ত্রকের সচিব (পশ্চিম) সিবি জর্জ (Sibi George) জানান, এই ধরনের প্রশ্ন সাধারণত ভারতের ইতিহাস, গণতন্ত্র ও সামাজিক কাঠামো সম্পর্কে ‘বোঝাপড়ার অভাব’ থেকে উঠে আসে। তিনি বলেন, “এই ধরনের প্রশ্ন ওঠে মূলত প্রশ্নকর্তার যথাযথ বোঝার অভাবের কারণে।” ভারতের গণতান্ত্রিক পরিচয় তুলে ধরে জর্জ বলেন, “ভারত একটি ৫,০০০ বছরের প্রাচীন সভ্যতা। ধর্ম, ভাষা, খাদ্য ও সংস্কৃতির দিক থেকে বিশ্বের অন্যতম বৈচিত্র্যময় সমাজ।” তিনি এও জানিয়ে দেন, হিন্দুধর্ম, বৌদ্ধধর্ম, জৈনধর্ম এবং শিখধর্ম—সবক’টির উৎপত্তি ভারতে এবং এগুলি এখনও সহাবস্থান করছে। ২,৫০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে ভারতে নির্যাতন ছাড়াই বসবাস করেছে ইহুদি সম্প্রদায়। খ্রিস্টধর্ম এবং ইসলামও শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে এদেশে বিকশিত হয়েছে (PM Modi)। ভারতীয় এই কূটনীতিক সাম্প্রতিক নির্বাচন ও ভোটদানের হারকে ভারতের গণতান্ত্রিক শক্তির প্রমাণ হিসেবে তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “সম্প্রতি আমাদের দেশে নির্বাচন হয়েছে। ভোটদানের হার কত ছিল, তা জানা দরকার। ৯০ শতাংশেরও বেশি ভোটার অংশগ্রহণ করেছেন। এটাই ভারতের সৌন্দর্য (Netherlands Trip)।”

    ভারত বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র

    তিনি জানিয়ে দেন, ভারত বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র, যেখানে শত শত মিলিয়ন ভোটার নিয়মিত রাজ্য ও জাতীয় নির্বাচনে অংশ নেন। সরকার বরাবরই বলে আসছে যে শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর, স্বাধীন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান এবং ব্যাপক ভোটারের নির্বাচনে অংশ গ্রহণ ভারতের গণতান্ত্রিক কাঠামোর দৃঢ়তা প্রমাণ করে (PM Modi)। এদিকে, সাম্প্রতিক বছরগুলিতে আন্তর্জাতিক মহলে ভারতে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সংখ্যালঘু অধিকার নিয়ে বিতর্ক বেড়েছে। রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডার্স (Reporters Without Borders) এবং ফ্রিডম হাউসের (Freedom House) মতো সংস্থা যেসব বিষয় নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে, সেগুলির মধ্যে রয়েছে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা, ইন্টারনেট বন্ধ, মিডিয়া মালিকানার কেন্দ্রীকরণ, ধর্মীয় মেরুকরণ, ঘৃণামূলক মন্তব্যের ঘটনা। তবে ভারত সরকার বহু আন্তর্জাতিক র‍্যাঙ্কিং ও প্রতিবেদনকে পক্ষপাতদুষ্ট, নির্বাচিত তথ্যভিত্তিক বা ভারতের বাস্তবতা থেকে বিচ্ছিন্ন বলে প্রত্যাখ্যান করে দিয়েছে।

    ভারতে রয়েছে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ও সক্রিয় সংবাদমাধ্যম

    সরকারি কর্তাদের দাবি, ভারতে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ও সক্রিয় সংবাদমাধ্যম রয়েছে, যেখানে হাজার হাজার সংবাদপত্র, টিভি চ্যানেল এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম বিভিন্ন ভাষায় পরিচালিত হচ্ছে। জর্জ জানিয়ে দেন, ভারতে সংখ্যালঘুরা পদ্ধতিগতভাবে হুমকির মুখে রয়েছে—এমন ধারণা ঠিক নয়। তিনি স্বাধীনতার পর থেকে ভারতে সংখ্যালঘু জনসংখ্যা বৃদ্ধির উদাহরণ দেন (PM Modi)। তিনি বলেন, “আমরা স্বাধীন হওয়ার সময় ভারতে সংখ্যালঘু জনসংখ্যা ছিল ১১ শতাংশ। এখন তা ২০ শতাংশেরও বেশি (Netherlands Trip)।” এহেন কূটনৈতিক উত্তেজনার মধ্যেও ভারত নেদারল্যান্ডস-দুই দেশই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের গুরুত্বের ওপর জোর দিয়েছে। জেটেন জানান, ভারত ও নেদারল্যান্ডস উভয়েই গণতন্ত্র, সুশাসন এবং নিয়মভিত্তিক আন্তর্জাতিক ব্যবস্থাকে গুরুত্ব দেয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সফরের মূল ফোকাস ছিল, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, সবুজ জ্বালানি ও জলবায়ু উদ্যোগ, সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদন, সামুদ্রিক লজিস্টিকস, প্রযুক্তিগত অংশীদারিত্ব, এবং বৈশ্বিক ভূ-রাজনৈতিক সমন্বয়।

    নেদারল্যান্ডস ইউরোপে ভারতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক অংশীদার এবং শিপিং, জল ব্যবস্থাপনা, কৃষি প্রযুক্তি ও উচ্চ প্রযুক্তিনির্ভর উৎপাদন খাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে (PM Modi)। এই ঘটনাটি আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ভারতের গণতন্ত্রকে কীভাবে দেখা হয়, সেই বিতর্ককেও সামনে নিয়ে এসেছে। যদিও ওয়াকিবহাল মহলের মতে, নিয়মিত নির্বাচন ও সক্রিয় জনঅংশগ্রহণের মাধ্যমে ভারত এখনও একটি শক্তিশালী গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে কাজ করছে। সমালোচকদের মতে, ভারতের বৈশ্বিক প্রভাব বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা, ভিন্নমত ও সংখ্যালঘু অধিকার নিয়ে উদ্বেগগুলির ওপর নজর রাখা প্রয়োজন (Netherlands Trip)।

     

LinkedIn
Share