Tag: Green Transport

  • Kolkata Trams: বিদেশি প্রযুক্তির হাত ধরে পুনরুত্থানের আশায় কলকাতার ট্রাম! ভাবনায় কালীঘাট-দক্ষিণেশ্বর রুট, শুরু সমীক্ষা

    Kolkata Trams: বিদেশি প্রযুক্তির হাত ধরে পুনরুত্থানের আশায় কলকাতার ট্রাম! ভাবনায় কালীঘাট-দক্ষিণেশ্বর রুট, শুরু সমীক্ষা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতার ঐতিহ্যের অন্যতম প্রতীক ট্রামকে (Kolkata Trams) আধুনিক রূপে ফিরিয়ে আনতে উদ্যোগী হয়েছে রাজ্যের পরিবহণ দফতর। শহরের বিভিন্ন (Australian French Technology) রুটে বন্ধ হয়ে যাওয়া ট্রাম পরিষেবা ফের চালু করা এবং আন্তর্জাতিক মানের প্রযুক্তি ব্যবহার করে ট্রামকে সময়োপযোগী করে তোলার লক্ষ্যে সমীক্ষার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা রাইটসকে (RITES)।

    সমীক্ষায় রাইটস (Kolkata Trams)

    পরিবহণ দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই ট্রাম পরিষেবা সংক্রান্ত বিভিন্ন নথি ও তথ্য রাইটসের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। সমীক্ষার সময় অস্ট্রেলিয়া ও ফ্রান্সের আধুনিক ট্রাম প্রযুক্তি এবং নগর পরিবহণ ব্যবস্থার অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগানো হবে। সংশ্লিষ্ট বিদেশি সংস্থাগুলির সঙ্গে আলোচনা করেই রাইটস এই সমীক্ষা করবে। পরিবহণ দফতরের এক আধিকারিক বলেন, “কলকাতায় ট্রাম চলছে ব্রিটিশ আমল থেকে। এই সময় থেকে এখনও পর্যন্ত কলকাতা ট্রামের কোনও প্রযুক্তিগত উন্নতি হয়নি। ট্রামকে সময়োপযোগী করে তুলতে প্রযুক্তির উন্নয়ন প্রয়োজন। তাই অস্ট্রেলিয়া এবং ফ্রান্সের দু’টি সংস্থার সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে তাদের সঙ্গে সমীক্ষার কাজ করবে রাইটস।”

    ‘তৃণ’ জমানায় ট্রামের ‘মূলে’ কুঠারাঘাত!

    সরকারি সূত্রে খবর, বাঙালির আবেগ ও কলকাতার ঐতিহ্যের সঙ্গে ট্রামের গভীর সম্পর্ক থাকলেও (Kolkata Trams) গত কয়েক বছরে এই পরিষেবার পরিকাঠামো ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। রাজ্যের প্রথম বিজেপি সরকারের অভিযোগ, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও ট্রাম পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ ও জমি আগের সরকারের আমলে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে। ফলে অনেক ক্ষেত্রেই শুধু ট্রামের বাহ্যিক কাঠামো অবশিষ্ট রয়েছে, কিন্তু প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও পরিকাঠামোর বড় অংশ আর নেই। এই পরিস্থিতিতে ট্রাম পরিষেবাকে পুনরুজ্জীবিত করার নির্দেশ দিয়েছেন পরিবহণমন্ত্রী অর্জুন সিংহ। রাইটসের সমীক্ষায় মূলত খতিয়ে দেখা হবে, যে সব রুটে ট্রাম পরিষেবা বন্ধ হয়ে গিয়েছে, সেখানে ফের ট্রাম চালানো যায় কি না এবং আন্তর্জাতিক প্রযুক্তির সাহায্যে পরিষেবাকে আরও কার্যকর করে তোলা যায় কীভাবে।

    কী বলছেন পালাবদলের পরিবহণমন্ত্রী?

    পরিবহণমন্ত্রী বলেন, “ট্রামের সবচেয়ে বড় সুবিধা হল এটি সম্পূর্ণ দূষণমুক্ত একটি পরিবহণ ব্যবস্থা। পরিবহণ দফতর চেষ্টা করছে যাতে ট্রাম চালানোর জন্য রাজ্য সরকারের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক বোঝা না চাপে (Australian French Technology)। আমরা পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ মডেলে এই প্রকল্প বাস্তবায়নের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছি।” পরিবহণ দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, দক্ষিণেশ্বর থেকে কালীঘাট এবং গঙ্গা থেকে আদিগঙ্গা সংযোগকারী বিশেষ ট্রাম রুট চালুর বিষয়েও ভাবনাচিন্তা চলছে (Kolkata Trams)। এর পাশাপাশি ট্রাম পরিষেবাকে পর্যটনের সঙ্গে যুক্ত করার পরিকল্পনাও রয়েছে। এ ক্ষেত্রে পর্যটন দফতরের সহযোগিতা নেওয়া হতে পারে। শুধু কলকাতাই নয়, ভবিষ্যতে নিউটাউন- রাজারহাট এলাকায়ও ট্রাম পরিষেবা চালুর সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হবে। ওই অঞ্চলের বর্তমান গণপরিবহণ ব্যবস্থা নিয়ে সরকার পুরোপুরি সন্তুষ্ট নয় বলেই প্রশাসনিক সূত্রে খবর।

    বাঁচবে তিলোত্তমাও

    পরিবহণ দফতরের একাংশের মতে, পরিবেশবান্ধব ও আধুনিক নগর পরিবহণ ব্যবস্থার চাহিদা ক্রমশ বাড়ছে। সেই প্রেক্ষাপটে আন্তর্জাতিক প্রযুক্তির সাহায্যে ট্রামকে নব কলেবরে ফিরিয়ে আনা গেলে একদিকে যেমন কলকাতার ঐতিহ্য সংরক্ষণ হবে, তেমনই নগর পরিবহণ ব্যবস্থাও আরও শক্তিশালী হবে, দূষণের হাত থেকে রক্ষা পাবে তিলোত্তমা। এমতাবস্থায় রাইটসের সমীক্ষা রিপোর্টের দিকেই (Australian French Technology) তাকিয়ে শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন রাজ্যের পদ্ম সরকার (Kolkata Trams)।

  • West Bengal BJP: ট্রামের ‘পুনর্জন্ম’ কলকাতায়, অত্যাধুনিক বিদেশি মডেলে গড়াবে ঐতিহ্যের চাকা!

    West Bengal BJP: ট্রামের ‘পুনর্জন্ম’ কলকাতায়, অত্যাধুনিক বিদেশি মডেলে গড়াবে ঐতিহ্যের চাকা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নব কলেবরে ফিরতে চলছে কলকাতার ঐতিহাসিক ট্রাম পরিষেবা (Kolkata Tram)। অন্তত এমনই পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেছে পশ্চিমবঙ্গের প্রথম বিজেপি সরকার (West Bengal BJP)। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন প্রশাসন জানিয়েছে, প্রায় দু’বছর আগে তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের নেওয়া ট্রাম পরিষেবা প্রায় সম্পূর্ণ বন্ধ করার সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসে এবার আধুনিক ও উন্নত প্রযুক্তির ট্রাম চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে। সরকারের দাবি, এশিয়ার প্রাচীনতম চলমান ট্রাম নেটওয়ার্ককে শুধুমাত্র ঐতিহ্যের নিদর্শন হিসেবে নয়, বরং পরিবেশবান্ধব ও কার্যকর গণপরিবহণ ব্যবস্থার একটি অংশ হিসেবে পুনর্গঠন করা হবে।

    তৃণমূল জমানায় ট্রামের কফিনে শেষ পেরেক (West Bengal BJP)

    উল্লেখ্য, তৃণমূল জমানায় গত কয়েক বছরে ধাপে ধাপে কলকাতার ট্রাম পরিষেবা সঙ্কুচিত করা হয়েছিল। একের পর এক রুট বন্ধ হওয়া, একাধিক ট্রাম ডিপোকে বাস ডিপোয় রূপান্তর, বিভিন্ন সেতুতে ট্রাম চলাচলে নিষেধাজ্ঞা—সব মিলিয়ে একসময় শহরের বিস্তীর্ণ অংশে ছড়িয়ে থাকা ট্রাম নেটওয়ার্ক সীমিত হয়ে পড়ে। ২০২৪ সালে তৎকালীন তৃণমূল সরকার কার্যত অধিকাংশ ট্রাম পরিষেবা বন্ধ করে শুধুমাত্র ময়দান-এসপ্ল্যানেডের একটি ছোট ঐতিহ্যবাহী রুট পর্যটনের উদ্দেশ্যে রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। তৎকালীন পরিবহণ দফতরের যুক্তি ছিল, কলকাতার ব্যস্ত ও সংকীর্ণ রাস্তায় ধীরগতির ট্রাম যানজটের অন্যতম কারণ হয়ে উঠছে। পাশাপাশি মূল্যবান ডিপো জমি অন্য কাজে ব্যবহারের সম্ভাবনাও বিবেচনায় ছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের নেওয়া সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তীব্র জনমত গড়ে ওঠে। ঐতিহ্য সংরক্ষণকর্মী, পরিবেশবিদ, নাগরিক সংগঠন এবং বহু নিয়মিত যাত্রী ট্রাম বন্ধের বিরোধিতায় সোচ্চার হন। বিষয়টি নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে একাধিক মামলা দায়ের হয়। আদালত ট্রাম পরিষেবার ভবিষ্যৎ নিয়ে একটি পরামর্শদাতা কমিটিও গঠন করে এবং ট্র্যাক সংরক্ষণের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দেয়। এমনকি বিটুমিনের নীচে চাপা পড়ে যাওয়া ট্রামলাইন পুনরুদ্ধারের নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল।

    ছবি বদলাচ্ছে বিজেপির আমলে

    নয়া বিজেপি সরকার ক্ষমতায় এসে ট্রাম পুনরুজ্জীবনের বিষয়ে স্পষ্ট অবস্থান নিয়েছে। পরিবহণমন্ত্রী অর্জুন সিং জানান, অস্ট্রেলিয়া ও ইউরোপের বিভিন্ন শহরে ব্যবহৃত আধুনিক ট্রামের আদলে কলকাতায় নতুন প্রজন্মের ট্রাম চালুর সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই বিষয়ে ইতিমধ্যেই কিছু প্রস্তাব এসেছে এবং বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে (Kolkata Tram)। পরিবহণ দফতরের মতে, দীর্ঘদিন অবহেলা ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ডিপোয় পড়ে থাকা পুরানো ট্রামগুলির অধিকাংশই প্রায় অচল হয়ে গিয়েছে। সেগুলি সংস্কার করতে হলে বিপুল পরিমাণ অর্থের প্রয়োজন। পরিষেবাও তেমন মিলবে না। তাই বিদেশ থেকে হালকা, শক্তি-সাশ্রয়ী এবং অত্যাধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর নতুন ট্রাম আমদানির পরিকল্পনা করা হচ্ছে (West Bengal BJP)। সরকারি সূত্রে খবর, নতুন ট্রামগুলিতে উন্নতমানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা, আধুনিক যাত্রীসুবিধা এবং জ্বালানি-সাশ্রয়ী প্রযুক্তি থাকবে। শুধু তাই নয়, এগুলি বর্তমান ট্রাফিক ব্যবস্থার সঙ্গে পাল্লাও দিতে পারবে।

    পদ্ম সরকারের পরিকল্পনা

    বর্তমানে কলকাতায় মাত্র দু’টি রুটে ট্রাম চলাচল করছে—এসপ্ল্যানেড থেকে শ্যামবাজার এবং এসপ্ল্যানেড থেকে গড়িয়াহাট। ভবিষ্যতে কোন কোন রুট ফের চালু করা সম্ভব হবে, তা নিয়ে বিস্তারিত সমীক্ষাও করা হবে বলে জানিয়েছে সরকার। বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে ঐতিহাসিক এসপ্ল্যানেড-খিদিরপুর রুটকে। ময়দানের সবুজ পরিবেশ ঘেঁষে চলা এই রুট বহু বছর ধরে স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটকদের কাছে সমান জনপ্রিয়। এছাড়া ট্রামলাইন, ডিপো এবং সংশ্লিষ্ট পরিকাঠামোর আধুনিকীকরণের পাশাপাশি কলকাতা মেট্রোর সঙ্গে সাযুজ্য রেখে বহুমুখী গণপরিবহণ ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে। সরকারের মতে, এতে শহরের পরিবহণ ব্যবস্থায় নতুন মাত্রা যুক্ত হবে, এবং ইতিবাচক প্রভাব পড়বে দূষণ কমানোর ক্ষেত্রে।

    ‘চলন্তিকা’ ফেরাতে বিজেপি সরকারের উদ্যোগ

    ১৮৭৩ সালে যাত্রা শুরু করা কলকাতার ট্রাম পরিষেবা ১৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে শহরের ইতিহাস ও সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। একসময় এটি ছিল কলকাতার অন্যতম প্রধান গণপরিবহণ ব্যবস্থা। নয়া উদ্যোগের মাধ্যমে সেই ঐতিহ্যকে আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে যুক্ত করে ভবিষ্যৎমুখী পরিবহণ ব্যবস্থায় রূপান্তরিত করার লক্ষ্য নিয়েছে রাজ্যের পালাবদলের সরকার (West Bengal BJP)।

    ট্রামওয়েজ ইউজার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতির বক্তব্য

    অবসরপ্রাপ্ত বিজ্ঞানী, ট্রাম অনুরাগী তথা কলকাতা ট্রামওয়েজ ইউজার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি দেবাশিস ভট্টাচার্য এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন, “নাগরিকদের সর্বসম্মত অভিমত হল, কলকাতা ট্রামওয়েজের অন্তর্ঘাতের কাহিনি দুর্নীতি থেকেই শুরু হয়েছিল এবং সেখানেই শেষ হয়েছে। ট্রাম ডিপোগুলি বিশাল এবং সেগুলি রয়েছে শহরের প্রধান রাস্তাগুলির পাশে, গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলিতে। ব্রিটিশরা মূলত ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে ট্রাম ব্যবস্থার সম্প্রসারণের জন্য বিশাল পরিমাণ জমি কিনেছিল।” তিনি জানিয়েছিলেন, হাইকোর্টও বিচক্ষণতার সঙ্গে প্রশ্ন তুলেছে, ট্রাম ডিপোগুলিতে (Kolkata Tram) কেন বহুতল ভবন রয়েছে? শহর পরিকল্পনাবিদরা এই ভেবে উদ্বিগ্ন যে, একবার জমি বিক্রি হয়ে গেলে ভবিষ্যতে রেললাইনের পাশে ট্রাম ডিপো পুনর্নির্মাণের আর কোনও সুযোগ থাকবে না।

    কলকাতা হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ

    বছর তিনেক আগে কলকাতার ঐতিহ্যবাহী ট্রাম পরিষেবা (West Bengal BJP) এবং তার সঙ্গে জড়িত সম্পত্তি রক্ষার প্রশ্নে গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ করেছিল কলকাতা হাইকোর্ট। মামলার শুনানিতে তৎকালীন প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম ট্রামডিপো একের পর এক বন্ধ হয়ে যাওয়াকে ‘দুর্ভাগ্যজনক’ আখ্যা দিয়েছিলেন। শহরের এই ঐতিহ্যবাহী পরিবহণ ব্যবস্থা সংরক্ষণে জোর দিয়ে ট্রামওয়েজের জমি এবং সম্পত্তি বিক্রির ক্ষেত্রে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশও জারি করেছিল আদালত। উল্লেখ্য, হাইকোর্টে মামলাটি দায়ের করেছিলেন জনৈক সুলগ্না মুখোপাধ্যায়। আরটিআইয়ের মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন, ট্রামওয়েজের একাধিক জমি ও সম্পত্তি বিক্রির প্রক্রিয়া চলছে। তার পরেই তিনি দ্বারস্থ হন হাইকোর্টের। আদালত জানিয়েছিল, সরকারি জমি বিক্রির আগে নিশ্চিত করতে হবে যে তা সরকারি কাজ বা সাধারণ মানুষের কোনও প্রয়োজনেই আর ব্যবহারযোগ্য নয়। সেই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ না করে সরকারি সম্পত্তি বিক্রি করা উচিত নয় বলেও মন্তব্য করেছিল আদালত। ট্রামওয়েজের জমি যখন বেসরকারি সংস্থাকে বিক্রি করা হয়েছিল, তখন কেউ কেন প্রতিবাদ করেননি, সেই প্রশ্নও তুলেছিল হাইকোর্ট।

    আদালতের সেই পর্যবেক্ষণের পরে (Kolkata Tram)ও, তৃণমূলের রাজত্বে দৈন্যদশা ঘোচেনি ট্রামের। বরং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ক্রমেই পরিসর ছোট হয়ে এসেছিল শহর কলকাতার এই পরিবেশ বান্ধব যানের। রাজ্যে পালাবদল হতেই ফের স্বমহিমায় ফিরতে চলছে (West Bengal BJP) ট্রাম।

    আজ্ঞে হ্যাঁ, নব কলেবরে!

     

LinkedIn
Share