Tag: Gujarat titans

Gujarat titans

  • RCB Wins IPL 2026: একটা ট্রফির জন্য ১৮ বছর, তারপর টানা দুইবার চ্যাম্পিয়ন! আইপিএলে আরসিবির অবিশ্বাস্য উত্থান

    RCB Wins IPL 2026: একটা ট্রফির জন্য ১৮ বছর, তারপর টানা দুইবার চ্যাম্পিয়ন! আইপিএলে আরসিবির অবিশ্বাস্য উত্থান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আঠারো বছরের অপেক্ষা, অসংখ্য ব্যর্থতা, হৃদয়ভাঙা মুহূর্ত আর ট্রোলের পাহাড় পেরিয়ে ২০২৫ সালে প্রথমবার আইপিএল ট্রফি জিতেছিল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু (RCB)। আর সেই সাফল্য যে কেবল একবারের বিস্ময় ছিল না, তা প্রমাণ করে দিল তারা ২০২৬ সালেও। টানা দ্বিতীয়বার আইপিএল চ্যাম্পিয়ন হয়ে ভারতীয় ক্রিকেটের অন্যতম অভিজাত ক্লাবে নাম লিখিয়ে ফেলল বিরাট কোহলি-রজত পাটিদারদের দল। এর আগে কেবল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স এবং চেন্নাই সুপার কিংসই আইপিএলে টানা দু’বার শিরোপা জয়ের কৃতিত্ব দেখিয়েছিল। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হল আরসিবির নাম। শুধু শিরোপা জয় নয়, গোটা মরশুমে আধিপত্য বিস্তার করে প্রতিপক্ষদের কার্যত গুঁড়িয়ে দিয়েছে বেঙ্গালুরু।

    শুরু থেকেই দুর্দান্ত ছন্দে আরসিবি

    লিগ পর্বে ১৮ পয়েন্ট সংগ্রহ করে শীর্ষস্থানে শেষ করেছিল আরসিবি। এরপর কোয়ালিফায়ার ১-এ গুজরাট টাইটান্সকে ৯২ রানে বিধ্বস্ত করে সরাসরি ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে তারা। ফাইনালেও সেই একই প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে একতরফা জয় তুলে নেয় বেঙ্গালুরু। ২০২৫ সালের চ্যাম্পিয়ন দলের কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য অবসর নিয়েছেন, দলে এসেছে একাধিক পরিবর্তন। কিন্তু মাঠে তার কোনও প্রভাবই দেখা যায়নি। যেন গত বছরের সফল অভিযানের ধারাবাহিকতাই বজায় রেখেছে তারা।

    আহমেদাবাদে গুজরাতের মাঠেও ছিল আরসিবির রাজত্ব

    নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়াম ছিল গুজরাট টাইটান্সের ‘হোম গ্রাউন্ড’। কিন্তু বাস্তবে ছবিটা ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। ম্যাচের আগের দিন থেকেই হাজার হাজার আরসিবি সমর্থক লাল জার্সি পরে আহমেদাবাদে ভিড় জমাতে শুরু করেন। ফাইনালের দিন প্রায় এক লক্ষ দর্শকের মধ্যে সিংহভাগই ছিল আরসিবির সমর্থক। স্টেডিয়ামের প্রতিটি কোণে ধ্বনিত হচ্ছিল “আরসিবি, আরসিবি” স্লোগান। কার্যত নিজেদের ঘরের মাঠেই খেলছিল রজত পাটিদারের দল। আরসিবি ফাইনালের কয়েকদিন আগেই আহমেদাবাদে পৌঁছে প্রস্তুতি শুরু করেছিল। তীব্র গরমে অনুশীলন, উইকেট পর্যবেক্ষণ এবং পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার কাজ তারা নিখুঁতভাবে সম্পন্ন করে।

    বল হাতে গুজরাটকে শ্বাসরুদ্ধ করল বেঙ্গালুরু

    টস জিতে প্রথমে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় আরসিবি। রোদে পুড়ে শক্ত হয়ে যাওয়া উইকেট ব্যাটিংয়ের জন্য সহজ ছিল না। সেই সুযোগই পুরোপুরি কাজে লাগান বেঙ্গালুরুর বোলাররা। মরশুমে ৭০০-র বেশি রান করা গুজরাটের দুই ওপেনারকে পাওয়ারপ্লের মধ্যেই ফেরত পাঠিয়ে দেয় তারা। চলতি মরশুমে তৃতীয়বারের মতো শুভমান গিল ও সাই সুদর্শনকে দ্রুত আউট করতে সক্ষম হয় আরসিবি। জশ হ্যাজেলউড বড় ম্যাচে নিজের অভিজ্ঞতার পরিচয় দেন। ভুবনেশ্বর কুমার নিখুঁত পরিকল্পনায় সাই সুদর্শনকে বাউন্সারে ফাঁদে ফেলেন। অন্যদিকে রাসিখ সালাম দার, যাঁকে অনেকেই গুরুত্ব দেননি, তিনটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট তুলে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন। মাত্র ৩.৪ ওভারে ২৬ রানে ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় গুজরাট। এরপর আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি তারা। জস বাটলারও পাল্টা আক্রমণের সাহস দেখাতে পারেননি। ওয়াশিংটন সুন্দর একবার জীবনদান পেলেও বড় ইনিংস খেলতে ব্যর্থ হন। শেষদিকে অরশাদ খানের ছোট্ট ঝোড়ো ইনিংস কিছুটা লড়াইয়ের ইঙ্গিত দিলেও গুজরাট নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৫৫ রানেই থেমে যায়।

    রান তাড়ায় কোহলির রাজকীয় ইনিংস

    ১৫৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে দেখা যায় আরসিবিকে। ফিল সল্টের অনুপস্থিতিতে ওপেন করতে নামা ভেঙ্কটেশ আইয়ার এবং বিরাট কোহলি পাওয়ারপ্লেতেই ম্যাচকে একতরফা করে দেন। মাত্র পাঁচ ওভারের মধ্যেই দলীয় স্কোর ৬০ পেরিয়ে যায়। পাওয়ারপ্লে শেষে স্কোরবোর্ডে ৭০ রান। ভেঙ্কটেশ আইয়ার দ্রুত আউট হলেও কোহলি থামেননি। কাগিসো রাবাদার এক ওভারে তিনটি চার ও একটি ছক্কা হাঁকিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে তুলে নেন তিনি। রশিদ খান নবম ওভারে রজত পাটিদার এবং ক্রুনাল পাণ্ডিয়াকে ফিরিয়ে সামান্য উত্তেজনা তৈরি করেছিলেন। কিন্তু সেটুকুই। কোহলির সঙ্গে টিম ডেভিডের ৪১ রানের জুটি গুজরাটের শেষ আশাটুকুও শেষ করে দেয়। ২৫ বলে নিজের অর্ধশতরান পূর্ণ করেন কোহলি। উল্লেখযোগ্যভাবে, ২০১৬ সালের ফাইনালের পর এবারই প্রথম আইপিএল প্লে-অফে অর্ধশতরান পেলেন তিনি।

    শেষ বলেও কোহলির ছক্কা

    ম্যাচের একমাত্র উত্তেজনাপূর্ণ মুহূর্ত আসে ১৬তম ওভারে। কোহলির একটি ক্যাচ ধরার চেষ্টা করেন শুভমান গিল। তৃতীয় আম্পায়ারের দীর্ঘ পর্যালোচনার পর সিদ্ধান্ত হয় ‘নট আউট’। এরপর আর কোনও বাধা ছিল না। শেষ পর্যন্ত ৪২ বলে অপরাজিত ৭৫ রান করে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন কোহলি। আরসিবির ঐতিহাসিক অভিযানের সমাপ্তিও হয় তাঁর ব্যাট থেকেই। জয়ের জন্য প্রয়োজনীয় রান আসে একটি বিশাল ছক্কায়।

    নতুন যুগের সূচনা

    ২০২৫ সালে প্রথম শিরোপা জয়ের পর অনেকেই ভেবেছিলেন, সেটি হয়ত দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর পাওয়া একবারের সাফল্য। কিন্তু ২০২৬ সালের অভিযান স্পষ্ট করে দিল, আরসিবি এখন কেবল জনপ্রিয় দল নয়, তারা এক শক্তিশালী ক্রিকেট সাম্রাজ্য। ১৮ বছর অপেক্ষা করে প্রথম ট্রফি জিতেছিল বেঙ্গালুরু। এরপর মাত্র ১২ মাসের ব্যবধানে দ্বিতীয় শিরোপা। টানা দুইবার আইপিএল চ্যাম্পিয়ন হয়ে রজত পাটিদার, বিরাট কোহলি, জশ হ্যাজেলউড, ভুবনেশ্বর কুমারদের এই দল জানিয়ে দিল— ভারতীয় ক্রিকেটে নতুন এক শক্তির উত্থান হয়েছে। আর সেই সাম্রাজ্যের রং নিঃসন্দেহে লাল।

  • Vaibhav Sooryavanshi: চোখের জলে শেষ আইপিএল! ডাগআউটে ভেঙে পড়ল বৈভব, কাপ না জিতলেও কিশোর সূর্যবংশী জিতল মন

    Vaibhav Sooryavanshi: চোখের জলে শেষ আইপিএল! ডাগআউটে ভেঙে পড়ল বৈভব, কাপ না জিতলেও কিশোর সূর্যবংশী জিতল মন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বয়স মাত্র ১৫ বছর। কিন্তু ইতিমধ্যেই বিশ্ব ক্রিকেটের অন্যতম আলোচিত নাম এই কিশোর। ব্যাট হাতে একের পর এক রেকর্ড ভেঙে আইপিএল ২০২৬-কে নিজের মঞ্চে পরিণত করেছিল বৈভব সূর্যবংশী। তবে ক্রিকেট যে শুধুই পরিসংখ্যানের খেলা নয়, তা আরও একবার প্রমাণ হল শুক্রবার রাতে। ব্যক্তিগতভাবে দুরন্ত ইনিংস খেলেও দলের পরাজয় মেনে নিতে পারল না রাজস্থান রয়্যালসের এই কিশোর তারকা। গুজরাট টাইটান্সের কাছে কোয়ালিফায়ার-২ ম্যাচে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেওয়ার পর ডাগআউটে বসেই চোখের জল ফেলতে দেখা গেল তাকে।

    পঞ্জাবের মুল্লানপুরে অবস্থিত মহারাজা যাদবিন্দ্র সিং আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ম্যাচ শেষে টেলিভিশন ক্যামেরায় ধরা পড়ে আবেগঘন সেই দৃশ্য। রাজস্থানের ডাগআউটে চুপচাপ বসে বৈভব। মুখে হতাশার ছাপ, চোখে জল। পরিস্থিতি সামাল দিতে তার পাশে এসে দাঁড়ান সতীর্থরা। অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার রবীন্দ্র জাডেজাকেও দেখা যায় কিশোর ক্রিকেটারকে সান্ত্বনা দিতে। দলের সাপোর্ট স্টাফ ও ম্যানেজার রোমি ভিন্দরও তাকে বোঝানোর চেষ্টা করেন। একসময় ক্যামেরার নজর এড়াতে তোয়ালে দিয়ে মুখ ঢাকতেও দেখা যায় বৈভবকে।

    আবারও ব্যাট হাতে বিস্ফোরণ

    ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে রাজস্থান রয়্যালসকে বড় স্কোরের ভিত গড়ে দেয় বৈভব সূর্যবংশী। মাত্র ৪৭ বলে ৯৬ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলে সে। শুরুতে মহম্মদ সিরাজ ও কাগিসো রাবাডার বিরুদ্ধে কিছুটা সতর্ক থাকলেও পরে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে তুলে নেয়। একসময় মনে হচ্ছিল আরও একটি শতরান অপেক্ষা করছে তার ব্যাটে। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে ৯৬ রানেই থামতে হয়। ফলে শেষ চার ইনিংসের মধ্যে তৃতীয়বার নব্বইয়ের ঘরে আউট হওয়ার হতাশা সঙ্গী হয় তার। তবে বৈভবের এই ইনিংসের সুবাদেই রাজস্থান রয়্যালস নির্ধারিত ২০ ওভারে ২১৫ রানের বিশাল স্কোর তোলে। সেই মুহূর্তে অনেকেই মনে করেছিলেন, ফাইনালে ওঠার পথে এগিয়ে রয়েছে রাজস্থান।

    গিল-সুধর্শনের ঝড়ে উড়ে গেল রাজস্থান

    কিন্তু রান তাড়ায় নেমে গুজরাট টাইটান্সের দুই ওপেনার শুভমন গিল এবং সাই সুদর্শন ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন। দু’জনে মিলে মাত্র ৭৭ বলে ১৬৭ রানের বিধ্বংসী উদ্বোধনী জুটি গড়েন। সাই সুধর্শন শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করলেও গিল অত্যন্ত পরিণত ইনিংস খেলেন। মাত্র ৪৭ বলে শতরান পূর্ণ করে গুজরাটকে জয়ের একেবারে কাছে পৌঁছে দেন তিনি। শেষ পর্যন্ত সাত উইকেট হাতে রেখেই ২১৫ রানের লক্ষ্য ছুঁয়ে ফেলে গুজরাট টাইটান্স। এর ফলে টানা দ্বিতীয়বার আইপিএল ফাইনালে ওঠার স্বপ্ন ভেঙে যায় রাজস্থান রয়্যালসের।

    হারলেও ইতিহাস গড়ল বৈভব

    রাজস্থান ফাইনালে উঠতে না পারলেও বৈভব সূর্যবংশীর আইপিএল ২০২৬ মরশুম ক্রিকেট ইতিহাসে বিশেষ জায়গা করে নেবে। ১৬ ম্যাচে সে করেছে ৭৭৬ রান। গড় ৪৮.৫০ এবং অবিশ্বাস্য ২৩৭.৩১ স্ট্রাইক রেট। মরশুম শেষে তার মাথাতেই ওঠে অরেঞ্জ ক্যাপ। কিন্তু শুধু রান নয়, গোটা টুর্নামেন্ট জুড়েই একের পর এক রেকর্ড গড়েছে এই কিশোর বিস্ময়।

    আইপিএল ২০২৬-এ বৈভব সূর্যবংশীর উল্লেখযোগ্য কীর্তি—

    • ● বলের হিসেবে সবচেয়ে দ্রুত ১,০০০ আইপিএল রান (৪৪০ বল)
    • ● ইনিংসের হিসেবে দ্বিতীয় দ্রুততম ১,০০০ আইপিএল রান (২৩ ইনিংস)
    • ● টি-২০ ইতিহাসে এক মরশুমে প্রথম ব্যাটার হিসেবে ৫০০ পাওয়ারপ্লে রান
    • ● এক টি-২০ প্রতিযোগিতায় সর্বাধিক পাওয়ারপ্লে রানের রেকর্ড
    • ● ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে কিশোর ক্রিকেটার হিসেবে অন্যতম সর্বোচ্চ রান সংগ্রহ
    • ● ৭৭৬ রান, স্ট্রাইক রেট ২৩৭-এরও বেশি
    • ● এক আইপিএল মরশুমে সর্বাধিক ৬৫টি ছক্কা

    সংখ্যার বাইরে এক মানবিক ছবি

    বৈভব সূর্যবংশী নিঃসন্দেহে আইপিএল ২০২৬-এর সবচেয়ে বড় আবিষ্কার। বিশ্বের সেরা বোলারদের বিরুদ্ধে তার নির্ভীক ব্যাটিং, ম্যাচ জেতানোর ক্ষমতা এবং রেকর্ড ভাঙার ধারাবাহিকতা ক্রিকেটপ্রেমীদের মুগ্ধ করেছে। তবে মরশুমের শেষ রাতে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রইল না তার ৭৭৬ রান, ৬৫ ছক্কা কিংবা অরেঞ্জ ক্যাপ। বরং ক্রিকেটপ্রেমীদের মনে থেকে যাবে ডাগআউটে বসে থাকা এক কিশোরের চোখের জল— যে নিজের সেরাটা দেওয়ার পরও দলকে ফাইনালে তুলতে পারেনি। সম্ভবত এটাই খেলাধুলার সবচেয়ে নির্মম এবং একইসঙ্গে সবচেয়ে সুন্দর দিক। ব্যক্তিগত সাফল্য যত বড়ই হোক, দলের স্বপ্ন ভেঙে গেলে একজন প্রকৃত প্রতিযোগীর কাছে তার মূল্য অনেক কম। আর সেই কারণেই পরাজয়ের রাতে চোখের জলে ভেঙে পড়া বৈভব সূর্যবংশী আরও একবার প্রমাণ করল, সে শুধু এক অসাধারণ প্রতিভাই নয়, দলের জন্য নিবেদিত এক প্রকৃত যোদ্ধাও।

    কাপ হয়ত অধরা থেকে গেল, কিন্তু কোটি কোটি ক্রিকেটপ্রেমীর মন জিতে নিয়েছে ১৫ বছরের কিশোর।

  • IPL 2024: সচিনের আইপিএল রেকর্ড ভাঙলেন সাই সুদর্শন, চেন্নাইয়ের বিপক্ষে চোখ ধাঁধানো ব্যাটিং গিলের

    IPL 2024: সচিনের আইপিএল রেকর্ড ভাঙলেন সাই সুদর্শন, চেন্নাইয়ের বিপক্ষে চোখ ধাঁধানো ব্যাটিং গিলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইপিএলে (IPL 2024) প্লে-অফে ওঠার আশা বাঁচিয়ে রাখার জন্য শুভমনদের মরিয়া ক্রিকেট উপহার দিল জোড়া শতরান। দুই ওপেনার শুভমন এবং সাই সুদর্শনের ব্যাট থেকে এল শতরানের ইনিংস। তৈরি হল রেকর্ডের পর রেকর্ড। ভেঙে গেল আইপিএলে ক্রিকেটের ঈশ্বর সচিন তেন্ডুলকরের রেকর্ডও। এল আইপিএলের শততম শতরান।

    ভাঙল সচিনের রেকর্ড

    আইপিএলের (IPL 2024) চলতি মরশুমে প্লে-অফে ওঠার আশা জিইয়ে রাখতে হলে এদিন জিততেই হত গুজরাটকে (CSK vs GT)। এই ম্যাচেই ব্যাট হাতে জ্বলে উঠলেন দলের তরুণ তুর্কি সাই সুদর্শন (Sai Sudarshan)। ভেঙে ফেললেন ঋতুরাজ গায়কোয়াড় ও সচিন তেন্ডুলকরের রেকর্ড। ৩২ বলে এদিন নিজের হাফসেঞ্চুরি পূরণ করেন সাই সুদর্শন। দুরন্ত ছন্দে দেখাচ্ছে তাঁকে। সিএসকের বিরুদ্ধে এই ইনিংসের সুবাদেই ভারতীয় হিসাবে এক সর্বকালীন রেকর্ড গড়ে ফেললেন তিনি। দ্রুততম ভারতীয় হিসাবে আইপিএলে হাজার রানের গণ্ডি পার করলেন তিনি। এতদিন সচিন ও রুতুরাজের ৩১ ইনিংসে হাজার রানের গণ্ডি পার করা ভারতীয় ক্রিকেটারদের মধ্যে দ্রুততম ছিল। কিন্তু মাত্র ২৫ ইনিংসেই হাজার রানের গণ্ডি পার করে ফেললেন সুদর্শন। অবশ্য সর্বকালীন তালিকায় শীর্ষ রয়েছেন শন মার্শ। তিনি ২১ ইনিংসে হাজার আইপিএল রান করেছিলেন। সর্বকালীন তালিকায় ম্যাথু হেডেনের সঙ্গে যুগ্মভাবে তৃতীয় দ্রুততম হিসাবে হাজার রান করলেন গুজরাট তারকা।

    শুভমনের রেকর্ড

    আইপিএলের (IPL 2024) ইতিহাসে শততম শতরান হল শুক্রবার। গুজরাট টাইটান্স (CSK vs GT) অধিনায়ক শুভমন গিল শতরান করলেন চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে। ৫০ বলে করা তাঁর শতরান আইপিএলে শততম। একই সঙ্গে আইপিএলে নিজের চতুর্থ শতরানও করলেন শুভমন। একটা সময় দু’জনেই ৪৮ বলে ৯৬ রানে ছিলেন। তবে আগে শতরান পূর্ণ করেন গুজরাট অধিনায়ক। নিজের খেলা ৫০তম বলে চার মেরে শতরান পূর্ণ করেন শুভমন। পরে সুদর্শনও তাঁর খেলা ৫০তম বলে ছয় মেরে শতরান পূর্ণ করেন। গুজরাটের দুই ওপেনারের ব্যাটিংয়ে এমন মিল আইপিএলে দেখা যায়নি। এটি একটি বিরল রেকর্ড। গিল সেঞ্চুরিতে মেরেছেন নয়টি চার ও ছয়টি ওভার বাউন্ডারি। পাশাপাশি সুদর্শন ১০০ রান নিতে মেরেছেন পাঁচটি চার ও সাতটি ছক্কা। 

    প্লে-অফের দৌড়ে টিকে গুজরাট

    জোড়া শতরানে‌ প্লে অফের লড়াইয়ে টিকে থাকল গুজরাট টাইটান্স। শুক্রবার রাতে ঘরের মাঠে চেন্নাই সুপার কিংসকে ৩৫ রানে হারালেন শুভমন গিলরা। প্রথমে ব্যাট করে ৩ উইকেট হারিয়ে ২৩১ রান তোলে গুজরাট। জবাবে ৮ উইকেটের বিনিময়ে ১৯৬ রানে থামে চেন্নাইয়ের ইনিংস। ১২ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের লাস্টবয় থেকে আট নম্বরে উঠে এল গুজরাট। জিইয়ে রাখল শেষ চারের আশা। অন্যদিকে হারলেও এখনও প্লে অফে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে ধোনিদের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • GT vs PBKS: নায়ক শশাঙ্ক! টানটান ম্যাচে শেষ ওভারে জয় পাঞ্জাবের, শুভমনের দাপুট  ব্যাটেও হার গুজরাটের

    GT vs PBKS: নায়ক শশাঙ্ক! টানটান ম্যাচে শেষ ওভারে জয় পাঞ্জাবের, শুভমনের দাপুট ব্যাটেও হার গুজরাটের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ম্যাচের ফলের জন্য অপেক্ষা করতে হল শেষ বল পর্যন্ত। হাড্ডাহাড্ডি ম্যাচে পঞ্জাব কিংসের কাছে তিন উইকেটে  হারল গুজরাট টাইটান্স। খেলার ৩০ ওভার পর্যন্ত মনে হয়েছিল হাসতে হাসতে ম্যাচ জিতবে গুজরাট। কিন্তু শেষ ১০ ওভারে বদলে গেল ছবি। গুজরাটের বিরুদ্ধে ২০০ রান তাড়া করতে নেমে যেখানে শিখর ধাওয়ান, জনি বেয়ারস্টোরা ব্যর্থ হলেন সেখানেই নায়ক হয়ে উঠলেন শশাঙ্ক সিং। 

    দুরন্ত শুভমন

    এদিন টস জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন শিখর ধাওয়ান। কিন্তু তাঁর সিদ্ধান্ত খুব একটা কাজে লাগেনি। শুভমানের চওড়া ব্যাটের উপর ভর করে বড় রান করে গুজরাট। ওপেন করতে নেমে শেষ পর্যন্ত টিকে থাকেন তিনি। । শুভমান গিল এক এক করে পার্টনারশিপ করে কেন উইলিয়ামসন, সাই সুদর্শনের সঙ্গে। প্রত্যেকের সঙ্গে রান পান তিনি। কেন উইলিয়ামসন করেন ২৬ রান। সাই সুদর্শন করেন ৩৩ রান। শেষে তাঁর সঙ্গে পার্টনারশিপ তৈরি করলেন রাহুল তেওটিয়া।  ৮ বলে ২৩ রান করলেন রাহুল তেওটিয়া ও গিল করলেন ৮৯ রান। এদিন ২০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে গুজরাট ১৯৯ রান তোলে। 

    নায়ক শশাঙ্ক

    রান তাড়া করতে নেমে পেরথমেই শিখর ধাওয়ানের উইকেট হারায় পাঞ্জাব।  ১ রানে ফেরেন শিখর। উমেশ যাদব বোল্ড আউট করেন গব্বরকে। এরপর দ্বিতীয় উইকেটে বেয়ারস্টো ও প্রভসিমরন মিলে তোলেন ৩৫ রান। ইনিংসের মাঝপথে ৪ উইকেট হারিয়ে ফেলে পঞ্জাব। স্যাম কারান মাত্র ৫ রান করেন। পঞ্চম উইকেটে এরপর সিকান্দার রাজার সঙ্গে জুটি বাঁধেন শশাঙ্ক সিং। এই জুটিতে ওঠে ৪১ রান। রাজা (১৫) ফিরলে এরপর জীতেশ শর্মার সঙ্গে জুটিতে ৩৯ রান তোলেন শশাঙ্ক। এক আলাদা মেজাজে ব্যাটিং করছিলেন শশাঙ্ক।

    শেষ চার ওভারে জিততে দরকার ছিল ৪৭ রান। শশাঙ্ক ২৫ বলে অর্ধশতরান করেন। তাঁকে সঙ্গ দেন ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার হিসাবে নামা আশুতোষ শর্মা। শেষ ১২ বলে জিততে দরকার ছিল ২৫ রান। অবশেষে ১ বল বাকি থাকতেই ৩ উইকেটে ম্যাচ জিতে হাসিমুখে মাঠ ছাড়ে প্রীতি জিন্টার দল। নায়ক হয়ে ওঠেন শশাঙ্ক। এই শশাঙ্ককেই নাকি নিলাম টেবিলে “ভুল করে” কিনে ফেলেছিলেন প্রীতি!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Mohammed Shami: ‘নিয়ম ভেঙে ছিনতাইয়ের’ অভিযোগ গুজরাট কর্তার! আইপিএলে কোন দলে শামি?

    Mohammed Shami: ‘নিয়ম ভেঙে ছিনতাইয়ের’ অভিযোগ গুজরাট কর্তার! আইপিএলে কোন দলে শামি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সদ্য সমাপ্ত একদিনের বিশ্বকাপ ক্রিকেটে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারী মহম্মদ শামি। আগামী বছর, আইপিএলে তাঁকে নিয়ে চলছে দড়ি টানাটানি। অনৈতিকভাবে মহম্মদ শামিকে দলে টানার চেষ্টা হচ্ছে, অভিযোগ গুজরাট টাইটান্সের কর্তা অরবিন্দর সিং-এর।  কার্যত পিছনের দরজা দিয়ে মহম্মদ শামিকে ট্রেডিং করার চেষ্টা করেছে একটি ফ্রাঞ্চাইজি, অভিযোগ অরবিন্দরের। সূত্রের খবর, আগ্রহী ফ্রাঞ্চাইজি কর্তৃপক্ষ সরাসরি যোগাযোগ করেছে শামির সঙ্গে। তাদের বিরুদ্ধে ‘নিয়ম ভেঙে ছিনতাইয়ের’ অভিযোগ করেছেন গুজরাট টাইটান্সের কর্তা।

    অরবিন্দরের অভিযোগ

    অরবিন্দরের অভিযোগ, ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের নিয়ম না মেনে শামির দিকে হাত বাড়ানো হচ্ছে। বিষয়টি তাঁরা বোর্ড কর্তাদের জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘‘সব দলেরই অধিকার রয়েছে ভাল ক্রিকেটার নেওয়ার। দল শক্তিশালী করতে ভাল ক্রিকেটারদের নিতে পারে যে কোনও দল। শামি আমাদের হয়ে বেশ ভাল খেলেছে গত দু’বছর। গত বার আইপিএলে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারী হয়েছিল। এ বারের বিশ্বকাপেও দুর্দান্ত পারফর্ম করেছে। শামি আমাদের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। আমরা ওকে ধরে রাখার যথাসাধ্য চেষ্টা করব।’’

    আরও পড়ুন: জাতীয় দলে বাংলার আরেক মেয়ে! ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে অভিষেক পার্ক সার্কাসের সাইকার

    কোন ফ্রাঞ্চাইজির নজরে শামি

    শামির ট্রেডিংয়ের বিষয় নিয়ে অভিযোগ জানালেও কোন ফ্রাঞ্চাইজি শামিকে কিনতে চাইছি, তা অবশ্য স্পষ্ট করে বলেননি গুজরাট কর্তা। তিনি বলেন, ‘‘একটি দল সরাসরি শামির সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। এটা মেনে নেওয়া যায় না। খেলোয়াড় কেনা বা বিক্রি করা নিয়ে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। সেটা সবার মেনে চলা উচিত। এই ধরনের ঘটনায় বোর্ডের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি। বোর্ড কর্তারা সংশ্লিষ্ট ফ্রাঞ্চাইজির সঙ্গে কথা বলুন। তাঁরা ঠিক করে দিন, নিয়মের বাইরে গিয়ে এ ভাবে কোনও ক্রিকেটারকে কেনা যাবে কিনা।’’ দুই মরসুমে গুজরাটের হয়ে আইপিএলে ৪৮টি উইকেট নিয়েছেন শামি। গত বছর ২৮টি উইকেট নিয়ে প্রতিযোগিতায় বেগুনি টুপি (সর্বোচ্চ উইকেট শিকারীর পুরস্কার) জিতেছিলেন তিনি। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Shubman Gill: দায়িত্ব পেয়ে খুশি! গুজরাট টাইটান্সের নতুন অধিনায়ক হলেন শুভমান গিল

    Shubman Gill: দায়িত্ব পেয়ে খুশি! গুজরাট টাইটান্সের নতুন অধিনায়ক হলেন শুভমান গিল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডেভিড মিলার, কেন উইলিয়ামসন, রশিদ খানদের পিছনে ফেলে ভারতের তারকা ক্রিকেটার শুভমন গিলের হাতেই দলের ব্যাটন তুলে দিল গুজরাট টাইটান্স কর্তৃপক্ষ। তারুণ্যের উপরই ভরসা রাখল গুজরাট। সোমবার সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি শেয়ার করে জানিয়ে দেওয়া হল শুভমান গিলের নাম। আইপিএলের মত বড় মঞ্চে বড় দায়িত্ব পেয়ে খুশি শুভমানও।

    কী বলছেন গিল

    গিলের প্রশংসা করে গুজরাট কর্তা বিক্রম সোলাঙ্কি বলেন, “শুভমান প্রতিভাবান। দলের সকলের সঙ্গে ওর ভাল যোগ রয়েছে।” নতুন দায়িত্ব পাওয়ার পর শুভমান বলেন,”গুজরাটের মতো দলের অধিনায়ক হতে পেরে আমি গর্বিত। একটা চ্যাম্পিয়ন দলকে নেতৃত্ব দেওয়া সহজ নয়। সকলকে সঙ্গে নিয়ে ও আমি আমার সেরাটা দিয়ে দলকে সাফল্য় এনে দেওয়ার চেষ্টা করব।” দলের আবির্ভাবের প্রথম বছর, ২০২২ সাল থেকে গুজরাট টাইটান্সের হয়ে খেলছেন শুভমান গিল। ২০২২ সালে গুজরাতের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার বছরে ১৬ ম্যাচে ৪৮৩ রান করেছিলেন শুভমান গিল। ঝুলিতে ছিল ৪টি অর্ধশতরান। এছাড়া ২০২৩ সালে রানার্স হয় গুজরাত। গত বছরও ১৭ ম্যাচে ৮৯০ রান করেছিলেন গিল। ৩টি শতরান ও ৪টি অর্ধশতরান এসেছিল গিলের ব্যাট থেকে।

    তবে শুভমানের উপর আস্থা রেখেও প্রখ্যাত ধারাভাষ্যকার হর্ষ ভোগলে নিজের এক্স হ্যান্ডেলে ‘আমি মনে করি শুভমানের জীবন খুব দ্রুতগতিতে এগোচ্ছে। ব্যাটার হিসেবে দারুণ একটা বছর কাটিয়েছে গিল। আগামী কয়েক মাসে ওকে বেশ বড় একটা পদক্ষেপ নিতে হবে। দক্ষিণ আফ্রিকাতে ভারতের হয়ে ওকে টেস্ট সিরিজ খেলতে হবে। রয়েছে টি-২০ বিশ্বকাপও। এইসব টুর্নামেন্টে কিন্তু ওকে নিজের জায়গার জন্য লড়াই করতে হবে। আমার মতে গুজরাট টাইটানসে একটা বছর গিল উইলিয়ামসনের অধিনায়কত্বে খেললে ভালো হতো। ২০২৫ আইপিএলে গিল গুজরাট টাইটান্সের অধিনায়কত্ব নিলে ভালো হতো।’ আইপিএলের মঞ্চে গুজরাটের নেতৃত্ব গিলের উপর চাপ ফেলতে পারে বলে অনুমান হর্ষের। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • IPL 2023: শেষ বলে বাজিমাত! এই নিয়ে পাঁচবার, আইপিএল ট্রফি চেন্নাইয়ের

    IPL 2023: শেষ বলে বাজিমাত! এই নিয়ে পাঁচবার, আইপিএল ট্রফি চেন্নাইয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চম আইপিএল (IPL 2023) খেতাব জিতল চেন্নাই সুপার কিংস। শেষ ২ বলে ১০ রান করে ট্রফি জয় সিংহদের। ধোনির মতো নেতার কাছে হার মেনেও সুখ, বললেন পরাজিত হার্দিক পান্ডিয়া। শেষ ওভারে দরকার ছিল ১৩ রান। মোহিত শর্মা প্রথম চারটি বলে মাত্র ৩ রান দিয়েছিলেন। দেখে মনে হচ্ছিল চ্যাম্পিয়ন হওয়া সময়ের অপেক্ষা গুজরাট টাইটান্সের। কিন্তু রবীন্দ্র জাদেজা শেষ দু বলে ছয় এবং চার মেরে চেন্নাইকে ট্রফি জেতান।

    গুজরাটের লড়াই

    রবিবারের পর সোমবারও আইপিএল ফাইনালে (IPL 2023) তাড়া করল বৃষ্টি। টস হেরে প্রথমে ব্যাট করে চেন্নাইকে ২১৫ রানের বিশাল লক্ষ্য দিয়েছিল গুজরাট টাইটান্স। ঘরের মাঠে দাপটে ব্যাট করেন গুজরাটের ব্যাটাররা। শুরুতে দুই ওপেনার ঋদ্ধিমান সাহা ও শুভমন গিল এবং তার পরে সাই সুদর্শন চেন্নাইয়ের বোলারদের নিয়ে ছেলেখেলা করলেন। গত ম্যাচের নায়ক শুভমন গিল ভালই শুরু করেছিলেন কিন্তু রবীন্দ্র জাদেজার বলে ৩৯ রানের মাথায় তাঁকে স্টাম্প আউট করেন ধোনি। ঋদ্ধি ৩৬ বলে অর্ধশতরান করেন। ৪৭ বলে ৯৬ রান করে আউট হয়ে যান সুদর্শন। হার্দিক শেষ দিকে ১২ বলে ২১ রান করেন। গুজরাটের ব্যাট শেষ হতেই আবার বৃষ্টি। সময়ের নিরিখে ম্যাচ গড়ায় তৃতীয় দিনে। রাত ১২.১০ নাগাদ ফের ম্যাচ শুরু হয়। ডিএলএসে চেন্নাইয়ের পরিবর্তিত লক্ষ্য দাঁড়ায় ১৫ ওভারে ১৭১।

    আরও পড়ুন: দলে যশস্বী, সূর্যকুমার! বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালের চূড়ান্ত দল ঘোষণা

    ধোনির কাছে হার মেনে খুশি

    ফাইনালে ২১৫ রানের চাপ যথেষ্ট বেশি। কিন্তু মহেন্দ্র সিং ধোনির চেন্নাই সুপার কিংস দেখাল, লক্ষ্য কঠিন হলেও জয় অসম্ভব নয়। বৃষ্টির দাপটে প্রায় ২ ঘণ্টা খেলা বন্ধ থাকলেও ছন্দ নষ্ট হয়নি চেন্নাইয়ের ব্যাটারদের। ২০ ওভারের খেলা কমে দাঁড়ায় ১৫ ওভারে। লক্ষ্য কমে হয় ১৭১। সেই লক্ষ্য তাড়া করে ৫ উইকেটে ম্যাচ জিতে যায় চেন্নাই। তবে চেন্নাই জিতলেও মুখের হাসি ম্লান হয়নি গুজরাট অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়ার। তিনি হেরেও খুশি। কারণ হারতে হয়েছে মহেন্দ্র সিং ধোনির বিরুদ্ধে। তিনি বলেন, “আমি ধোনির জন্য খুশি। যদি হারতেই হয়, তাহলে ধোনির বিরুদ্ধেই হারা ভাল। মানুষ ভাল হলে তাঁর সঙ্গে সব সময় ভাল হয়। ধোনি আমার চেনা সব থেকে ভাল মানুষ। ঈশ্বর ওর প্রতি খুশি। আমাকেও ঈশ্বর অনেক দিয়েছেন, তবে এই রাতটা ধোনির।” হারলেও নিজের দলের খেলায় খুশি হার্দিক। তিনি বলেন, “আমাদের দল সব জায়গায় ভাল খেলেছে। হৃদয় দিয়ে খেলেছি আমরা। যে ভাবে লড়াই করেছে দল, তাতে আমি গর্বিত। আমাদের একটাই লক্ষ্য ছিল, জিতলে একসঙ্গে জিতব, হারলে একসঙ্গে হারব। কোনও অজুহাত দেব না এই হারের। চেন্নাই আমাদের থেকে বেশি ভাল খেলেছে, তাই জিতেছে।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • IPL 2023: গিল-মোহিতের দাপটে পর পর দুবার আইপিএল ফাইনালে গুজরাট টাইটান্স

    IPL 2023: গিল-মোহিতের দাপটে পর পর দুবার আইপিএল ফাইনালে গুজরাট টাইটান্স

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খেতাব ধরে রাখার লড়াইয়ে শেষ ধাপে পৌঁছে গেল গুজরাট টাইটান্স। রবিবার আইপিএল (IPL 2023) ফাইনালে মোতেরায় হার্দিক বাহিনীর সামনে চেন্নাই সুপার কিংস। প্লে-অফে প্রথম কোয়ালিফায়ারে মুখোমুখি হয়েছিল দুই দল। শেষ হাসি হেসেছিল ধোনি ব্রিগেড। তবে শুক্রবার মোতেরায় দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন মুম্বই ইন্ডয়ান্সকে ৬২ রানে হারিয়ে সহজেই ফাইনালের টিকিট পাকা করে নেয় গতবারের চ্যাম্পিয়নরা। ম্যাচের নায়ক শুভমান গিল। ৬০ বলে তাঁর সংগ্রহ ঝোড়ো ১২৯ রান। ৭টি চার ও ১০টি ছক্কাও হাঁকিয়েছেন তিনি। বলা ভালো, গিলের দুর্ধর্ষ ব্যাটিংয়ের সামনে উড়ে গেল মুম্বই।

    ম্যাচের হালচাল

    বৃষ্টির কারণে শুক্রবার মোতেরায় গুজরাট-মুম্বই ম্যাচ শুরু হয় নির্ধারিত সময়ের আধ ঘণ্টা পরে। পরিবেশ ও পরিস্থিতি বুঝে টসে জিতে আগে ফিল্ডিং নিয়েছিলেন রোহিত শর্মা। তিনি ভেবেছিলেন, রান তাড়া করতে সুবিধা হবে। কিন্তু শুভমান গিলের সেঞ্চুরিতে ভর করে গুজরাট ৩ উইকেটে ২২৩ রান তোলায় কার্যত কোণঠাসা হয়ে পড়ে মুম্বই। গিল ছাড়া গুজরাটের হয়ে ভালো ব্যাট করেছেন সাই সুদর্শন (৪৩)। তবে মন্থর ব্যাটিংয়ের কারণে রিটায়ার্ড আউট হন। যা আইপিএলে ঘটল দ্বিতীয়বার। চাওলার বলে ঋদ্ধিমান ১৮ রানে আউট হওয়ার পর ঝড় তোলেন গিল। তবে দু’বার জীবনও পেয়েছেন তিনি। একবার তাঁর ক্যাচ ফেলেন টিম ডেভিড। আর একবার ফিরতি ক্যাচ ধরতে ব্যর্থ হন গ্রিন। ৩২ বলে হাফ-সেঞ্চুরি করেন গিল। তারপর সেঞ্চুরিতে পৌঁছতে তাঁর লাগে মাত্র ১৭টি বল। যা থেকেই স্পষ্ট, গিল কতটা আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেছেন।

    আরও পড়ুন: একা হাতেই গুঁড়িয়ে দিলেন লখনউকে! কে এই আকাশ মাধওয়াল?

    দিনটা সত্যিই মুম্বইয়ের ছিল না। তা না হলে টসে জিতেও এভাবে হারতে হয়! সহ খেলোয়াড় জর্ডনের সঙ্গে সংঘর্ষে চোটে আঘাত পান কিষান। তিনি আর ব্যাট করতে পারেননি। ফলে রোহিতের সঙ্গে ওপেন করতে নামেন ওয়াধেরা। কিন্তু দু’জনেই ব্যর্থ। পাওয়ার প্লেতে চালিয়ে খেলে তিলক ভার্মা ১৪ বলে করেন ৪৩। গ্রিন চোট পেয়ে মাঠ ছাড়লেও, পরে ফের ব্যাট করতে নামে। সূর্যকুমারের সঙ্গে বড় জুটি গড়ার চেষ্টা করেছিলেন তিনি। কিন্তু ৩০ রানে লিটলের বলে বোল্ড হন গ্রিন। তবে সূর্য যতক্ষণ ছিলেন, ততক্ষণ আশা বেঁচে ছিল মুম্বইয়ের। কিন্তু চাপের মুখে চালিয়ে খেলতে গিয়ে মোহিত শর্মার বলে ৬১ রানে বোল্ড হন সূর্য। গুজরাটের জয় কার্যত নিশিচত হয়ে যায়। ১৮.১ ওভারে ১৭১ রানেই গুটিয়ে যায় মুম্বই। ১০ রানে মোহিতের সংগ্রহ মোট ৫টি উইকেট।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Wriddhiman Saha: বিরাট প্রশংসা! ঋদ্ধিকে টেস্ট বিশ্বকাপ দলে ফেরানোর দাবি জোরদার

    Wriddhiman Saha: বিরাট প্রশংসা! ঋদ্ধিকে টেস্ট বিশ্বকাপ দলে ফেরানোর দাবি জোরদার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিনিয়র টেস্ট দল থেকে উপেক্ষিত হওয়ার জবাবটা যেন দিলেন ঋদ্ধি (Wriddhiman Saha)। গুজরাট টাইটান্সের হয়ে ৮১ রানের বিধ্বংসী ইনিংস, মনে থাকবে অনেক দিন। রবিবার, কার্যত খুনে মেজাজে আমদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামের ২২ গজে ব্যাটিং করলেন ঋদ্ধিমান সাহা। তাঁর ব্যাটিং দেখার পর আপ্লুত ভারতের প্রাক্তন অধিনায়ক বিরাট কোহলি। আইপিএলে দুরন্ত ফর্মে রয়েছেন বাংলার কিপার। আইপিএল শেষ হলেই বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালের আসর। লর্ডসে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে উইকেটের পিছনে ঋদ্ধিকেই দেখতে চান সমর্থকরা।  

    দুরন্ত ছন্দে ঋদ্ধি

    মহেন্দ্র সিং ধোনি পরবর্তী অধ্যায়ে ভারতীয় সিনিয়র দলের সেরা উইকেট রক্ষকের নাম হতে পারে ঋদ্ধিমান সাহা (Wriddhiman Saha)। ভক্তরা তাঁকে আদর করে ‘পাপালি’ বলে ডাকেন। একটা সময়ে ভারতীয় সিনিয়র টেস্ট দলের নিয়মিত সদস্য ঋদ্ধিমান সাহা আজ ব্রাত্য। শেষবার তিনি ২০২১ সালে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ওয়াংখেড়েতে টেস্ট ম্যাচ খেলেন। তারপর থেকে আর সুযোগ পাননি। এরপর তাঁকে জাতীয় দল থেকে যেমন বাদ দেওয়া হয় তেমনই সদ্য প্রকাশিত কেন্দ্রীয় চুক্তির তালিকা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু তিনি ৩৮ বছরে ফর্মে থেকে বারবার নির্বাচকদের দরজায় কড়া নাড়ছেন।

    সিনিয়র দলে নেওয়ার দাবি

    এবার বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালে মাত্র একজন উইকেটকিপার নিয়ে খেলতে নামবে ভারত। শ্রীকার ভরতকে উইকেটকিপার হিসেবে রাখা হয়েছে। পার্টটাইম উইকেটকিপার হিসেবে ছিলেন কেএল রাহুল। কিন্তু রাহুল চোট পেয়ে দলের বাইরে? ভরতের চোট লাগলে কী হবে? সেটাই এখন বড় প্রশ্ন। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালের জন্য দল ঘোষণার পর থেকেই উইকেটরক্ষক হিসেবে কেএস ভরতের নাম দেখে প্রশ্ন তুলেছিলেন অনেকে। দেশের মাটিতে যার রেকর্ড ভালো নয় তিনি ইংল্যান্ডের মাটিতে অস্ট্রেলিয়ার সামনে কী খেলবেন তা জানতে চেয়েছেন সমর্থকরা। বর্ডার গাভাসকার ট্রফিতেও উইকেটের পিছনে একাধিক ভুল করেছিলেন ভরত।

    আরও পড়ুন: ঘূর্ণিঝড় ‘মোখা’ নিয়ে উদ্বেগের মধ্যেই পারদ চড়ছে শহরে! কী বলছে হাওয়া অফিস?

    ঋদ্ধিমান সাহা (Wriddhiman Saha) ভালো ছন্দে রয়েছেন। চলতি আইপিএলে লখনউ সুপার জায়ান্টসের বিরুদ্ধে ম্যাচে তিনি দ্রুততম হাফসেঞ্চুরি করেছেন। এছাড়া প্রতিটা ম্যাচে ভালো শুরু দিচ্ছেন। উইকেটের পিছনে নিজের অভিজ্ঞতার সঙ্গে ফিটনেসকে কাজে লাগিয়ে বিপক্ষকে রুখে দিচ্ছেন। তাঁকে ছন্দে দেখে সমর্থকরা বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালের দলে ঋদ্ধিকে রাখার দাবি তুলছেন।

    বিরাট-সার্টিফিকেট

    রবিবার ঋদ্ধিমান সাহার (Wriddhiman Saha) ব্যাটিং দেখার পর তাঁকে দরাজ সার্টিফিকেট দিয়েছেন বিরাট কোহলি। ভারতের প্রাক্তন অধিনায়ক উচ্ছ্বসিত তাঁর এক সময়ের সতীর্থের ইনিংস দেখে। শুভেচ্ছা জানালেন ঋদ্ধিকে। রবিবার ঋদ্ধিমান সাহা শুরু থেকেই মারমুখী ছিলেন। টিভিতে তাঁর ব্যাটিং দেখে ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করেন কোহলি। ঋদ্ধির ইনিংসের ছবি পোস্ট করে বিরাট লেখেন, “কী অসাধারণ ক্রিকেটার!”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mohammed Shami: গার্হস্থ্য হিংসার অভিযোগ! শামির বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে তাঁর স্ত্রী হাসিন জাহান

    Mohammed Shami: গার্হস্থ্য হিংসার অভিযোগ! শামির বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে তাঁর স্ত্রী হাসিন জাহান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্রিকেটের বাইশ গজে সময়টা ভাল গেলেও, ব্যক্তিগত জীবনটা সুখে কাটছে না ভারতের তারকা পেসার মহম্মদ শামির। আইপিএলে (IPL) তাঁর দল গতবারের চ্যাম্পিয়ন, এবারে খেতাব রক্ষার লড়াইয়ে নামা গুজরাট আপাতত পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে। বাইশ গজে দুরন্ত ছন্দে রয়েছেন শামিও (Mohammed Shami)। পার্পল ক্যাপের দৌড়ে রয়েছেন ডান হাতি ফাস্ট বোলার। তবে মাঠের বাইরে হঠাৎ করে বাউন্সার খেলেন শামি। ভারতীয় সিনিয়র দলের অন্যতম সেরা পেসার মহম্মদ শামির বিরুদ্ধে সরাসরি সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের করলেন তাঁর স্ত্রী হাসিন জাহান (Hasin Jahan)।

    হাসিনের অভিযোগ

    হাইকোর্ট খারিজ করেছে মামলা। এবার বিচারের আশায় দেশের শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হাসিন। তাঁর অভিযোগ, ভারতীয় দলের (Indian Cricket Team) সঙ্গে বিভিন্ন সফরে থাকাকালীন একাধিক মহিলার সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন শামি। ভারতীয় পেসারের বিরুদ্ধে ব্যাভিচারিতার অভিযোগ তুলেছেন হাসিন। এই অভিযোগের ভিত্তিতেই লালবাজার পুলিশ শামির একটি মোবাইল ফোনও বাজেয়াপ্ত করে। শামির বিরুদ্ধে ২০১৯ সালে আলিপুর আদালত গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি করে। পশ্চিমবঙ্গের সেশন্স কোর্টের তরফে শামির গ্রেফতারি পরোয়ানায় স্থগিতাদেশ জারি করা হয়েছিল। পাশাপাশি শামির বিরুদ্ধে মামলা হাইকোর্ট খারিজ করেছে ইতিমধ্যেই। ফলে সুবিচার পাননি বলেই মনে হয়েছে হাসিন জাহানের। এ বার সুবিচারের আশায় মহম্মদ শামির বিরুদ্ধে সরাসরি সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের করলেন তাঁর স্ত্রী হাসিন জাহান।

    আরও পড়ুন: পিএসজি ছাড়ছেন! দু’সপ্তাহের জন্য নির্বাসিত মেসি কি ফের বার্সেলোনায়?

    অভিযোগ অস্বীকার শামির

    শামির বিরুদ্ধে হাসিন গার্হস্থ্য হিংসার অভিযোগ করেছিলেন। ভারতীয় পেসার যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেন। শামির বিরুদ্ধে ম্যাচ গড়াপেটার অভিযোগ করেছিলেন হাসিন। বোর্ডের দুর্নীতি দমন শাখা শামির পক্ষেই রায় দেয়। তারা জানিয়ে দেয় যে, শামি কোনও ম্যাচ গড়াপেটার সঙ্গে যুক্ত নয়। হাসিন এক সময় মডেলিং করতেন। আইপিএলে চিয়ারলিডার হিসাবেও কাজ করেছেন তিনি। দম্পতির মেয়ে আইরা এখনও হাসিনের সঙ্গেই থাকেন। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share