Tag: Gujarat

Gujarat

  • Hilsa: উলটপূরাণ! প্রথমবার ভারত থেকে ইলিশ আমদানি করছে বাংলাদেশ, ওপার বাংলায় যাচ্ছে ৭০০ টন ‘রুপোলি শস্য’

    Hilsa: উলটপূরাণ! প্রথমবার ভারত থেকে ইলিশ আমদানি করছে বাংলাদেশ, ওপার বাংলায় যাচ্ছে ৭০০ টন ‘রুপোলি শস্য’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতিবেশী দুই দেশের মধ্যে ইলিশ (Hilsa) বাণিজ্যের চেনা ছবিটাই যেন বদলে যাচ্ছে। গত বছর বাংলাদেশ (Bangladesh) থেকে ভারত যে পরিমাণ ইলিশ আমদানি করেছিল, তার চার গুণেরও বেশি ইলিশ এবার বাংলাদেশে রফতানি করতে চলেছে ভারত। চলতি বছরে ভারত থেকে বাংলাদেশে ৬৫০ থেকে ৭০০ টন পর্যন্ত ইলিশ যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    গত দু’মাসে পেট্রাপোল সীমান্ত দিয়ে ইতিমধ্যেই প্রায় ৫০০ টন ইলিশ বাংলাদেশে ঢুকেছে। চলতি সপ্তাহান্তের মধ্যে আরও ১৫০ থেকে ২০০ টন ইলিশ বাংলাদেশে পৌঁছতে পারে বলে জানিয়েছেন পেট্রাপোলের ছাড়পত্রের কাজের সঙ্গে যুক্ত আধিকারিকরা। তাঁদের দাবি, চলতি বছরের জুলাইয়ের শুরু থেকেই এই রফতানি শুরু হয়েছে।

    অধিকাংশ ইলিশ এসেছে গুজরাট থেকে (Hilsa)

    উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, বাংলাদেশে যাওয়া অধিকাংশ ইলিশ এসেছে গুজরাট থেকে। সেগুলি ভারুচ বন্দর দিয়ে পাঠানো হয়েছে। কিছু ইলিশ আবার হাওড়ার পাইকারি মাছের বাজার হয়ে বাংলাদেশে গিয়েছে। প্রায় সমস্ত রফতানিই করেছেন হাওড়ার ব্যবসায়ীরা।

    হাওড়া পাইকারি মাছ বাজারের সম্পাদক সৈয়দ মকসুদ আনোয়ার বলেন, “আমরা সাধারণত বাংলাদেশে বোয়াল, রুই, পার্শে ও ট্যাংরা-সহ বিভিন্ন ধরনের মাছ রফতানি করি। সেখানে ইলিশের জোগান কম থাকায় এই প্রথম ভারতীয় ইলিশ বাংলাদেশে পাঠানোর চেষ্টা করেছি। গুজরাট থেকে বিপুল পরিমাণ ইলিশ আসার পর তার কিছুটা বাংলাদেশে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিই। বাংলাদেশের বাজারে সেই ইলিশ ভালো সাড়া পায়। পরে আরও ইলিশ রফতানি শুরু করি। এখনও পর্যন্ত ৫০০ টন ইলিশ রফতানি করেছি। দু’দিন আগে গুজরাটে আরও ৫০০ টন ইলিশের বড়সড় জোগান এসেছে। তার মধ্যে প্রায় ১৫০ থেকে ২০০ টন বাংলাদেশে পাঠাব আশা করছি।”

    গুজরাটের ইলিশে ডিম বা মাছের ডিমের পরিমাণ তুলনামূলক বেশি হওয়ায় কলকাতায় এই ইলিশের চাহিদা সীমিত। তবে এই বৈশিষ্ট্যই বাংলাদেশি ক্রেতাদের কাছে গুজরাতের ইলিশকে আকর্ষণীয় করে তুলেছে। বিশেষ করে চট্টগ্রাম, সিলেট ও কক্সবাজারের মাছ প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্রগুলিতে এই ইলিশের ডিম সংগ্রহ করে প্রক্রিয়াজাত করা হয়। পরে তা ইউরোপ ও আমেরিকার বাজারে রফতানি করা হয়। ওই দেশগুলিতে প্রচুর বাংলাদেশি বসবাস করেন।

    কী বলছেন বাংলাদেশের আমদানিকারী 

    বাংলাদেশের এক আমদানিকারী বলেন, “ইলিশের ডিম বের করে নেওয়ার পর মাছের মাংস শুকিয়ে নুন দিয়ে সংরক্ষণ করা হয়। তাজা ইলিশের মতো করে এই মাছ খাওয়া হয় না।”

    পেট্রাপোলের ছাড়পত্রের কাজের সঙ্গে যুক্ত আধিকারিকদের সূত্রে জানা গিয়েছে, বাংলাদেশে যাওয়া অধিকাংশ ইলিশের ওজন ৭০০ গ্রাম থেকে দেড় কিলোগ্রামের মধ্যে। গুণমানের উপর নির্ভর করে প্রতি কেজি ইলিশের দাম ৫০০ থেকে ১,০০০ টাকার মধ্যে রয়েছে (Hilsa)।

    পেট্রাপোল ছাড়পত্রকর্মী কল্যাণ সমিতির সম্পাদক কার্তিক চক্রবর্তী বলেন, “মাছগুলির প্রয়োজনীয় খাদ্যমান পরীক্ষা করা হয়। প্রাণী কোয়ারেন্টাইন কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে শংসাপত্র নেওয়া হয়। পণ্য পাঠানোর আগে সমস্ত প্রয়োজনীয় সরকারি প্রক্রিয়া মেনে চলা হয়।”

    ভারতীয় কৃষি গবেষণা পরিষদের কেন্দ্রীয় অভ্যন্তরীণ মৎস্য গবেষণা প্রতিষ্ঠানের অধিকর্তা প্রদীপ দে-র মতে, দুই প্রতিবেশী দেশের ইলিশের উৎপাদন, প্রাপ্যতা এবং ক্রেতাদের চাহিদার ধরনে পরিবর্তনের প্রতিফলন এই ঘটনায় দেখা যাচ্ছে।

    প্রদীপ বলেন, “ইলিশের বিপরীতমুখী বাণিজ্যপ্রবাহ দেখাচ্ছে যে, দেশের অভ্যন্তরে মাছের পর্যাপ্ত জোগান, গুণমান এবং সরবরাহ ব্যবস্থা যদি চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়, তা হলে ভারত প্রতিবেশী দেশ এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতামূলক সরবরাহকারী হিসেবে উঠে আসতে পারে।”

    পদ্মা-মেঘনার ইলিশ ভারতে আনার দাবি

    এদিকে বাংলাদেশে ভারতীয় ইলিশের রফতানি চললেও বাংলাদেশ থেকে পদ্মা ও মেঘনার ইলিশ ভারতে আনার দাবিতে তৎপরতা চালাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। মাছ আমদানিকারী সমিতির সম্পাদক ও সৈয়দ মকসুদ আনোয়ার অন্যান্য সদস্যদের নিয়ে বাংলাদেশ সফর করেছেন। সেখানে বাংলাদেশের বাণিজ্যসচিব আতাউর রহমান খান এবং ভারতীয় হাইকমিশনের আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করে পদ্মা ও মেঘনার ইলিশ ভারতে রফতানির বিষয়টি তুলে ধরেন তাঁরা।

    মকসুদ বলেন, “আমরা রফতানির জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণ ইলিশ ঠিক করে দেওয়ার অনুরোধ করেছি। তবে (Bangladesh) কোনও সময়সীমা নির্ধারণের দাবি জানাইনি। কারণ নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হওয়ার আগে বরাদ্দ করা ইলিশের (Hilsa) সামান্য অংশই ভারতে পৌঁছতে পারে।”

     

  • UCC: “২০২৯-এর আগে বিজেপি-এনডিএ শাসিত সব রাজ্যেই অভিন্ন দেওয়ানি বিধি”, বললেন শাহ

    UCC: “২০২৯-এর আগে বিজেপি-এনডিএ শাসিত সব রাজ্যেই অভিন্ন দেওয়ানি বিধি”, বললেন শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৯ সালের আগে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ-শাসিত ২১টি রাজ্যে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (ইউসিসি) চালু করা হবে বলে দাবি করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। রবিবার মুম্বইয়ে এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি কেন্দ্রীয় সরকারের গত ১২ বছরের বিভিন্ন সাফল্য এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে (UCC) বিজেপির ২৫ বছরের যাত্রার কথাও তুলে ধরেন।

    মুম্বইয়ে ৩০ দিনের ‘সেবা সংকল্প অভিযানে’র সূচনা করতে এসেছিলেন শাহ। ২০৪৭ সালের মধ্যে উন্নত ভারত গড়ার সরকারের লক্ষ্যে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ বাড়ানোই এই অভিযানের উদ্দেশ্য বলে জানান তিনি।

    অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (UCC)

    শাহ বলেন, ইতিমধ্যেই একাধিক রাজ্যে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালু করা হয়েছে। ২০২৯ সালের আগে এনডিএ-শাসিত সব রাজ্যই এই আইন কার্যকর করবে বলে তিনি আশাবাদী। উত্তরাখণ্ড ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রথম রাজ্য হিসেবে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি আইন পাস করে এবং ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে তা পুরোপুরি কার্যকর হয়। গত বছর গুজরাটেও এই আইন পাস হয়। ২০২৬ সালের মে মাসে অসম উত্তর-পূর্ব ভারতের প্রথম রাজ্য হিসেবে অভিন্ন দেওয়ানি বিধির বিল পাস করে। সর্বশেষ এই তালিকায় যোগ দিয়েছে মধ্যপ্রদেশও। জুলাই মাসে বিশেষ বৈঠকে রাজ্য মন্ত্রিসভা সর্বসম্মতভাবে এই বিধি অনুমোদন করে।

    তবে গুজরাট, অসম ও মধ্যপ্রদেশের অভিন্ন দেওয়ানি বিধি এখনও রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। এদিকে, মহারাষ্ট্র, পশ্চিমবঙ্গ ও ছত্তিশগড়ে এই বিধির খসড়া তৈরির জন্য কমিটি গঠন করা হয়েছে।

    শাহ বলেন, “তিন তালাক প্রথা বিলোপ করা হয়েছে, ফলে মুসলিম মহিলারা সমান অধিকার পেয়েছেন। একাধিক রাজ্যে আমরা অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালু করেছি। আমি আত্মবিশ্বাসী যে বিজেপি-এনডিএ শাসিত ২১টি রাজ্যে ২০২৯ সালের আগেই অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালু করা হবে।” উল্লেখ্য, পরবর্তী লোকসভা নির্বাচন ২০২৯ সালে হওয়ার কথা।

    দেশের ফৌজদারি বিচারব্যবস্থা নিয়েও বক্তব্য রাখেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার মাধ্যমে দেশের ফৌজদারি বিচারব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করা হয়েছে বলে দাবি করেন (UCC) তিনি। তাঁর বক্তব্য, এক বছরে বেশ কয়েকটি রাজ্যে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার হার ৩০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে।

    তিন বছরের মধ্যে বিচারপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য একটি ব্যবস্থা গড়ে তোলা হচ্ছে বলেও জানান শাহ।

    জাতীয় নিরাপত্তা প্রসঙ্গে শাহের বক্তব্য

    জাতীয় নিরাপত্তা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ৩৭০ এবং ৩৫এ ধারা বাতিলের সময় একটি গুলিও চালাতে হয়নি বা এক ফোঁটা রক্তও ঝরেনি। তাঁর দাবি, কাশ্মীর এখন সম্পূর্ণভাবে ভারতের সঙ্গে একীভূত।

    উত্তর-পূর্ব ভারত ও নকশাল সমস্যা নিয়েও সরকারের সাফল্যের কথা তুলে ধরেন শাহ। তাঁর দাবি, পাঁচ দশকের নকশালবাদের অবসান ঘটানো হয়েছে। পাশাপাশি উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ১৪টিরও বেশি শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। শাহ বলেন, “৯ হাজারেরও বেশি মানুষ আত্মসমর্পণ করেছেন এবং আজ আমরা উত্তর-পূর্ব ভারতকে উন্নয়নের পথে নিয়ে গিয়েছি।”

    সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে সরকারের নীতির কথাও তুলে ধরেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, সার্জিক্যাল স্ট্রাইক, বিমান হামলা এবং ‘অপারেশন সিঁদুরে’র মাধ্যমে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্সে’র নীতি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

    মণিপুরে জাতীয় নাগরিকপঞ্জি কার্যকর করার ক্ষেত্রে ১৯৫১ সালের ভিত্তিবর্ষ ব্যবহার করা হবে কি না, সেই বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে শাহ জানান, বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার তাদের শরিক দল এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা করছে।

    তিনি বলেন, “আমরা আমাদের শরিকদের সঙ্গে এবং মণিপুরের রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গেও এই বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনা করছি। যে সিদ্ধান্তই নেওয়া হোক না কেন, আমরা আপনাদের তা জানাব।”

    বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের শনাক্ত

    মুম্বইয়ের মতো শহরে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের শনাক্ত করার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে শাহ বলেন, তাঁদের চিহ্নিত করার জন্য সরকার যে পদ্ধতি বা উপায় ব্যবহার করছে, তা প্রকাশ্যে জানানো হবে না। রসিকতার সুরে তিনি বলেন, “আপনারা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে জানতে চাইছেন, কী কী উপায়ে তাঁদের শনাক্ত করা হবে তা প্রকাশ করে দিতে। তা হলে আমরা তাঁদের ধরব কী করে? তাঁরাও তো বিষয়টি জেনে যাবেন।”

    দেশ থেকে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করে বহিষ্কারের বিষয়ে সরকারের অবস্থানও ফের স্পষ্ট করেন শাহ। তিনি বলেন, “আমি আবারও আমাদের সংকল্পের কথা বলছি—এই দেশের প্রতিটি অবৈধ অনুপ্রবেশকারীকে একে একে চিহ্নিত করে দেশ থেকে বের করে দেওয়া হবে।”

    মাদকবিরোধী অভিযান

    মাদকবিরোধী অভিযান প্রসঙ্গেও বক্তব্য রাখেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি জানান, সম্প্রতি ‘নেশামুক্ত ভারত অভিযান’ শুরু করেছেন এবং এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে দেশের প্রতিটি রাজ্যে যাবেন। আগের দিনই এক মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে বলে জানান তিনি। কর্মসূচিটি দেশের তৃণমূল স্তরে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে পুরো দিন ধরে একটি বৈঠকও হবে বলে জানান শাহ (Amit Shah)। তাঁর কথায়, “এই অভিযান অবশ্যই তৃণমূল স্তরে পৌঁছবে এবং (UCC) ভারত মাদকের বিরুদ্ধে জয়লাভ করবে।”

     

  • BJP Seva Sankalp Abhiyan: মোদির ২৫ বছরের জনসেবা পূর্তি, দেশজুড়ে মাসব্যাপী ‘সেবা সংকল্প অভিযান’ বিজেপির

    BJP Seva Sankalp Abhiyan: মোদির ২৫ বছরের জনসেবা পূর্তি, দেশজুড়ে মাসব্যাপী ‘সেবা সংকল্প অভিযান’ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ২৫ বছরের জনসেবা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজের সময়কাল পূর্তি উপলক্ষে দেশজুড়ে মাসব্যাপী ‘সেবা সংকল্প অভিযান’ (BJP Seva Sankalp Abhiyan) শুরু করতে চলেছে বিজেপি। ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে এই কর্মসূচি। এক মাস ধরে সামাজিক সেবা, জনসংযোগ, সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ এবং সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষকে যুক্ত করে একাধিক কর্মসূচির আয়োজন করা হবে।

    জন্মদিনে ‘সেবা দিবস’ (BJP Seva Sankalp Abhiyan)

    ১৭ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) জন্মদিন। ওই দিনটিকে ‘সেবা দিবস’ হিসেবে পালন করা হবে। সারা দেশে রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হবে। ওই দিনই সন্ধ্যা ৭টায় দেশের প্রতিটি বুথে ‘আশীর্বাদের প্রদীপ’ কর্মসূচি পালন করবে বিজেপি। মোদির ২৫ বছরের জনসেবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাতে প্রদীপ জ্বালাবেন মানুষ ।

    অভিযানের অন্যতম লক্ষ্য তরুণ প্রজন্ম ও শিশুদের বিভিন্ন কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত করা। ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে ৭ অক্টোবর পর্যন্ত স্কুলগুলিতে ‘আমার স্বপ্নের ভারত’ বিষয়ের উপর ছবি আঁকা ও বক্তৃতা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে। এর মাধ্যমে পড়ুয়ারা ছবি ও বক্তব্যের মাধ্যমে ভারত সম্পর্কে নিজেদের ভাবনা ও ভবিষ্যৎ স্বপ্ন তুলে ধরার সুযোগ পাবে।

    ‘নমো সেবা—অকথিত কাহিনি’ কর্মসূচির আওতায় সংগীত ও নাট্য পরিবেশনেরও আয়োজন করা হবে। পাশাপাশি, ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে ৭ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে ‘আঙন মিলন সেবা’ কর্মসূচি। এই কর্মসূচিতে অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী এবং আশা কর্মীদের সম্মানিত করা হবে।

    উন্নত ভারতের লক্ষ্যে শপথ

    ৭ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে ‘সেবা জ্যোতি কলস যাত্রা’। এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা উন্নত ভারতের লক্ষ্যে শপথ নেবেন। অভিযানের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে ১৭ অক্টোবরের মধ্যে মোট ২৫টি পৃথক সেবামূলক কর্মসূচির আয়োজন করা হবে।

    এছাড়াও ব্লক স্তরে ‘সেবা সেতু অভিযান’ পরিচালনা করা হবে। বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের সুবিধা যাতে সাধারণ মানুষ সহজে পেতে পারেন, সে জন্য শিবিরের আয়োজন করা হবে। এই শিবিরগুলির মাধ্যমে সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে মানুষকে সহায়তা করা হবে।

    এক মাসব্যাপী এই অভিযানের সমাপ্তি হবে ১৭ অক্টোবর ‘সুশাসন সেবা সংবাদ’ কর্মসূচির মাধ্যমে। শেষ দিনের অনুষ্ঠানে সুশাসন ও জনসেবার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হবে।

    বুধবার নয়াদিল্লিতে বিজেপির সদর দফতরে সাংবাদিক বৈঠক করে দলের সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন এই কর্মসূচির কথা ঘোষণা করেন। তিনি জানান, ৭ অক্টোবর মোদির ২৫ বছরের জনসেবা যাত্রা পূর্ণ হবে। ২০০১ সালের ৭ অক্টোবর গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার মধ্যে দিয়ে তাঁর এই যাত্রা শুরু হয়েছিল।

    ‘সেবা সংকল্প অভিযান’

    নিতিন নবীন বলেন, “আজ আমরা এখানে ‘সেবা সংকল্প অভিযান’ (BJP Seva Sankalp Abhiyan) নিয়ে আলোচনা করতে একত্রিত হয়েছি। ৭ অক্টোবর, ২০২৬-এ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জনসেবায় ২৫ বছর পূর্ণ করবেন। ২০০১ সালের ৭ অক্টোবর গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের মধ্য দিয়ে তাঁর এই যাত্রা শুরু হয়েছিল। গত ২৫ বছর ধরে তিনি নিষ্ঠার সঙ্গে এই সেবার যাত্রা অব্যাহত রেখেছেন। জনসেবা থেকে দেশসেবায় উত্তরণের মন্ত্রকে সামনে রেখে তিনি কাজ করে চলেছেন।”

    বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতির দাবি, মোদির নেতৃত্বে ভারত “হতাশা ও অন্ধকার” থেকে বেরিয়ে বিশ্বের দ্রুততম বিকাশশীল বৃহৎ অর্থনীতিতে পরিণত হয়েছে।

    সারা দেশের এই মাসব্যাপী কর্মসূচিতে সামাজিক সেবা, সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে যাওয়া, জনসম্পৃক্ততা এবং সমাজের (PM Modi) বিভিন্ন অংশের মানুষের অংশগ্রহণকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। বিজেপির পরিকল্পনা অনুযায়ী, মোদির ২৫ বছরের জনসেবার যাত্রাকে (BJP Seva Sankalp Abhiyan) সামনে রেখে সেবা ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে এই অভিযান পরিচালিত হবে।

     

  • Gujarat ATS: জইশ-ই-মহম্মদের ৮ সন্দেহভাজন সদস্য গ্রেফতার, রথযাত্রার আগে বড় সাফল্য গুজরাট এটিএস-এর

    Gujarat ATS: জইশ-ই-মহম্মদের ৮ সন্দেহভাজন সদস্য গ্রেফতার, রথযাত্রার আগে বড় সাফল্য গুজরাট এটিএস-এর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গুজরাটের ঐতিহ্যবাহী রথযাত্রার মাত্র ১৩ দিন আগে বড়সড় সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে উল্লেখযোগ্য সাফল্য পেল গুজরাট পুলিশের অ্যান্টি-টেররিজম স্কোয়াড (ATS)। ৩ জুলাই পরিচালিত এক অভিযানে গুজরাট ও মধ্যপ্রদেশ থেকে পাকিস্তানভিত্তিক নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদ (JeM)-এর সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে মোট ৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্তকারী সংস্থার প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, অভিযুক্তরা গত প্রায় ছয় মাস ধরে সক্রিয় ছিল। গুজরাটে জইশ-ই-মহম্মদের একটি নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার চেষ্টা করছিল তারা। নিরাপত্তা সংস্থার দাবি, সময়মতো অভিযান চালিয়ে সম্ভাব্য সন্ত্রাসী কার্যকলাপের পরিকল্পনা ভেস্তে দেওয়া হয়েছে।

    এটিএস-এর হাতে ধৃতদের পরিচয়

    এটিএস সূত্রে জানা গেছে, নির্ভরযোগ্য গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে একাধিক বিশেষ দল গঠন করে গুজরাট ও মধ্যপ্রদেশে একযোগে অভিযান চালানো হয়। বর্তমানে ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে তাদের যোগাযোগ, সম্ভাব্য সহযোগী, সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ক, অর্থের উৎস এবং দেশবিরোধী কার্যকলাপে জড়িত থাকার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে গুজরাটের বানাসকাঁঠা জেলা থেকে তিনজন, পাটন জেলা থেকে তিনজন, নওসারি জেলা থেকে একজন এবং মধ্যপ্রদেশের দেওয়াস জেলা থেকে একজনকে আটক করা হয়েছে। ধৃতদের নাম হল— আহমেদ আবদুল্লা গাজিওয়ালা ওরফে আবু উবাইদা (১৯), ইব্রাহিম মহম্মদ হুসেন ঘাঘা ওরফে আবু হামজা (৩০), মুদাস্সির আবদুল্লা গাজিওয়ালা ওরফে আবু আয়া (২২), জাকারিয়া দুরানি মহম্মদ আম্মার ঘাঘা ওরফে ইবনে আম্মার ওরফে জাকারিয়া পালানপুরি (২১), মুফতি ফওজান ইসমাইল দাউয়া ওরফে মুফতি সাহেব (৪০), মহম্মদ আমিন শেরা ওরফে আমিন পালানপুরি (২১), মহম্মদ আবদুল রহমান সাভদি ওরফে মহম্মদ পালানপুরি ওরফে আবু ইউনাইসা (২২) এবং বিলাল দুরানি মহম্মদ আম্মার ঘাঘা ওরফে আবু দুজানা, আবু সুফিয়ান, আবু জুন্দাল, উমর বিন খাত্তাব (১৮)।

    সক্রিয় জঙ্গি মডিউল ভেস্তে গেল

    প্রাথমিক তদন্তে নিরাপত্তা সংস্থার ধারণা, অভিযুক্তরা গুজরাট-সহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ পরিচালনার জন্য একটি সক্রিয় মডিউল গড়ে তোলার চেষ্টা করছিল। সময়মতো পদক্ষেপ করায় সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হওয়ার আগেই তা নস্যাৎ করা সম্ভব হয়েছে বলে তদন্তকারীদের দাবি। এই ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে বেআইনি কার্যকলাপ (প্রতিরোধ) আইন (UAPA)-এর ১৩ (বেআইনি কার্যকলাপ), ১৭ (সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে অর্থ সংগ্রহ), ১৮ (ষড়যন্ত্র), ৩৮ (সন্ত্রাসী সংগঠনের সদস্যপদ) এবং ৩৯ (সন্ত্রাসী সংগঠনকে সহায়তা) ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। এছাড়াও ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (BNS)-এর ১৪৮ এবং ৬১ ধারায়ও তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে। ATS-এর বক্তব্য অনুযায়ী, ৬১ ধারা অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র সংক্রান্ত এবং ১৪৮ ধারা রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা, যুদ্ধের চেষ্টা বা সেই ধরনের কর্মকাণ্ডে সহায়তার উদ্দেশ্যে ষড়যন্ত্রের সঙ্গে সম্পর্কিত অভিযোগের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, গুজরাটের বিখ্যাত রথযাত্রাকে কেন্দ্র করে প্রতি বছরই নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। সেই প্রেক্ষাপটে রথযাত্রার মাত্র ১৩ দিন আগে এই অভিযানকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা।

  • Bharat Taxi: ড্রাইভারদের মালিকানায় নয়া রাইড-হেলিং প্ল্যাটফর্ম ‘ভারত ট্যাক্সি’ চালু, জানুন বিশদে

    Bharat Taxi: ড্রাইভারদের মালিকানায় নয়া রাইড-হেলিং প্ল্যাটফর্ম ‘ভারত ট্যাক্সি’ চালু, জানুন বিশদে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের দ্রুত বিকাশমান মোবিলিটি সেক্টরে নয়া অধ্যায়ের সূচনা করল কেন্দ্রীয় সরকার। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা সমবায়মন্ত্রী অমিত শাহ ২৭ জুন গুজরাটের (Gujarat) গান্ধীনগরের মহাত্মা মন্দিরে উদ্বোধন করলেন ‘ভারত ট্যাক্সি’র (Bharat Taxi)। এটি সমবায় ভিত্তিক একটি রাইড-হেলিং প্ল্যাটফর্ম। সরকারের দাবি, এটি দেশের প্রথম বৃহৎ সমবায়ভিত্তিক ক্যাব পরিষেবা, যেখানে ড্রাইভাররাই হবেন প্ল্যাটফর্মের অংশীদার এবং মালিক। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেল, রাজ্যের একাধিক মন্ত্রী, বিভিন্ন সমবায় সংস্থার প্রতিনিধিরা এবং ৪ হাজারেরও বেশি চালক। প্রাথমিকভাবে গুজরাটের ১৪টি বড় শহরে পরিষেবা চালু হয়েছে।

    বেসরকারি অ্যাপের সমালোচনায় শাহ (Bharat Taxi)

    অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ জানান, এটি শুধু একটি নতুন ট্যাক্সি পরিষেবা নয়, বরং এমন একটি অর্থনৈতিক মডেল যেখানে চালকেরাই প্রতিষ্ঠানের মালিকানা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে অংশীদার হবেন। তাঁর অভিযোগ, বর্তমানে অধিকাংশ বেসরকারি রাইড-হেলিং সংস্থা চড়া হারে কমিশন কেটে নেয়, পেমেন্টে দেরি করে এবং অনেক ক্ষেত্রে অভিযোগের ভিত্তিতে চালকদের পর্যাপ্ত শুনানি ছাড়াই অ্যাকাউন্ট স্থগিত করে দেয়। ফলে চালকদের দরকষাকষির ক্ষমতা কমে যায়। শাহ বলেন, “অন্য অ্যাপগুলি চালকদের শোষণ করেছে। আমি নিশ্চয়তা দিচ্ছি, ভারত ট্যাক্সিতে এমনটা হবে না।” তিনি জানান, তিনি ‘ড্রাইভার’ শব্দের বদলে ‘সারথি’ শব্দটি ব্যবহার করতেই পছন্দ করেন। কারণ এই পেশার সঙ্গে সম্মান, নিরাপত্তা ও আর্থিক স্থিতিশীলতা জড়িত।

    কীভাবে কাজ করবে ভারত ট্যাক্সি?

    ‘ভারত ট্যাক্সি’ তৈরি হয়েছে সাহকার ট্যাক্সি কো-অপারেটিভ লিমিটেডের মাধ্যমে। এই প্রকল্পে সহযোগিতা করেছে দেশের শীর্ষ সমবায় সংস্থা আমূল, আইএফএফসিও (IFFCO) এবং নাবার্ড (NABARD)। এই প্ল্যাটফর্মের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হল জিরো কমিশন মডেল। অর্থাৎ, যাত্রার ভাড়া থেকে কোনও কমিশন কাটা হবে না। ফলে আয়ের বড় অংশ সরাসরি চালকদের কাছেই থাকবে। সরকারের দাবি, এই মডেলটি আমূলের সফল সমবায় কাঠামো থেকে প্রাণিত। যেমন দুধ উৎপাদকরা আমূলের অংশীদার, তেমনই ভারত ট্যাক্সিতে চালকরাও প্রতিষ্ঠানের মালিকানা পাবেন। শাহ জানান, ইতিমধ্যেই প্রায় ৭ লাখ চালক এই সমবায় কাঠামোর শেয়ারহোল্ডার হয়েছেন।

    ১৪টি শহরে পরিষেবা শুরু

    প্রথম পর্যায়ে আমেদাবাদ, সুরাট, ভাদোদরা, রাজকোট, ভাবনগর, জামনগর-সহ গুজরাটের (Gujarat) ১৪টি শহরে পরিষেবা চালু হয়েছে।দুচাকা, অটো-রিকশা এবং চার চাকার গাড়ি—সব ধরনের পরিষেবাই এই প্ল্যাটফর্মে থাকবে। আগামী এক মাসের মধ্যে গোটা গুজরাটে পরিষেবা সম্প্রসারণের লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই আহমেদাবাদ বিমানবন্দর এবং একাধিক পুরসভা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে মউ (MoU) সই করেছে ভারত ট্যাক্সি, যা পরিষেবার সম্প্রসারণে সহায়ক হবে বলেই আশা ওয়াকিবহাল মহলের (Bharat Taxi)।

    ইতিমধ্যেই ৭ লাখ গ্রাহক

    সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে পরীক্ষামূলকভাবে পরিষেবা শুরু হওয়ার পর থেকে প্ল্যাটফর্মে ১.৫ লাখেরও বেশি চালক এবং প্রায় ৭ লাখ গ্রাহক নথিভুক্ত হয়েছেন। বর্তমানে প্রতিদিন প্রায় ৩,৫০০টি ট্রিপ দেওয়া হচ্ছে। যদিও এই সংখ্যা এখনও দেশের বড় রাইড-হেলিং সংস্থাগুলির তুলনায় অনেক কম, তবুও সরকারের দাবি, সমবায় মডেলের কার্যকারিতা ইতিমধ্যেই প্রমাণিত হচ্ছে।

    কম ভাড়া নিয়ে প্রতিযোগিতা

    শাহের অভিযোগ, বেসরকারি সংস্থাগুলি ইচ্ছাকৃতভাবে সাময়িকভাবে ভাড়া কমিয়ে ভারত ট্যাক্সিকে বাজার থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে। তাঁর কথায়, “বড় কর্পোরেট সংস্থাগুলি প্রথমে কম দামে প্রতিযোগীদের দুর্বল করে দেয়। পরে বাজারে একচেটিয়া আধিপত্য বিস্তার করে ভাড়া বাড়িয়ে দেয়। তবে ভারত ট্যাক্সি বাজারে টিকে থাকবে, এবং সফল হবেই।”

    কেন প্রয়োজন হল ভারত ট্যাক্সির?

    ভারতে অ্যাপ-ভিত্তিক ট্যাক্সি পরিষেবা জনপ্রিয় হলেও, দীর্ঘদিন ধরেই চালকদের মধ্যে কমিশনের হার, সার্জ প্রাইসিং, আয়ের অনিশ্চয়তা, অ্যালগরিদম-নির্ভর অ্যাকাউন্ট সাসপেনশন-সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে অসন্তোষ রয়েছে। সরকারের মতে, সমবায় মডেলের মাধ্যমে চালকদের আয়, সিদ্ধান্ত গ্রহণে অংশগ্রহণ এবং লাভের অংশীদারিত্ব নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে গিগ-ওয়ার্কারদের আর্থিক নিরাপত্তাও বাড়বে।

    আমূলের মডেলেই প্রাণিত সরকার

    বক্তব্যে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বারবার আমূলের সাফল্যের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “একসময় অনেকেই বিশ্বাস করেননি যে কৃষকদের মালিকানাধীন একটি সমবায় সংস্থা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে পারবে। অথচ আজ আমূল বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ দুগ্ধ সমবায় সংস্থা। সরকারের আশা, একইভাবে ভারত ট্যাক্সিও ভবিষ্যতে দেশের পরিবহণ খাতে সফল সমবায় মডেল হিসেবে প্রতিষ্ঠা পাবে (Bharat Taxi)।”

    সামনে কী চ্যালেঞ্জ?

    বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারত ট্যাক্সির সাফল্য নির্ভর করবে গ্রাহক আকর্ষণ, পরিষেবার মান, প্রযুক্তিগত পরিকাঠামো (Gujarat) এবং প্রতিষ্ঠিত বেসরকারি সংস্থাগুলির সঙ্গে প্রতিযোগিতার ওপর। তবে ড্রাইভারদের মালিকানা, জিরো কমিশন নীতি এবং সমবায় কাঠামো যদি ঠিকঠাকভাবে বাস্তবায়িত হয়, তাহলে এটি ভারতের গিগ ইকোনমিতে পারে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের সূচনা করতে (Bharat Taxi)।

     

  • ECI: ২৭টি রাজ্যসভা আসনে নির্বাচনের বিজ্ঞপ্তি জারি কমিশনের, আরও শক্তি বাড়বে এনডিএর?

    ECI: ২৭টি রাজ্যসভা আসনে নির্বাচনের বিজ্ঞপ্তি জারি কমিশনের, আরও শক্তি বাড়বে এনডিএর?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৭টি রাজ্যসভা আসনে নির্বাচনের (Rajya Sabha Polls) বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে ভারতের নির্বাচন কমিশন (ECI)। সোমবার জারি হয় এই বিজ্ঞপ্তি। এর মধ্যে ১০টি রাজ্যের ২৪টি আসন সদস্যদের অবসরের কারণে ফাঁকা হয়েছে। পদত্যাগজনিত কারণে মহারাষ্ট্র, তামিলনাড়ু ও ওড়িশার ৩টি আসনে হবে উপনির্বাচন।

    নির্বাচনের সাত-সতেরো (ECI)

    কমিশন জানিয়েছে, ২৭টি আসনে ভোটগ্রহণ হবে ১৮ জুন। ওই দিনই বিকেল ৫টার পর হবে ভোট গণনা। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া যাবে ৮ জুন বিকেল ৩টা পর্যন্ত। সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসাররা ৯ জুন মনোনয়নপত্র যাচাই করবেন। ১১ জুন প্রার্থিপদ প্রত্যাহারের শেষ দিন।অন্ধ্রপ্রদেশ, গুজরাট, ঝাড়খণ্ড, মধ্যপ্রদেশ, মণিপুর, মেঘালয়, রাজস্থান, অরুণাচল প্রদেশ, কর্নাটক এবং মিজোরামে ২৪টি শূন্যপদে ভোট হবে। পদত্যাগের কারণে আরও ৩টি পদ শূন্য। ফলে বিরোধী জোট রাজ্যসভায় অন্তত তিনটি অতিরিক্ত আসন পেতে পারে বলেই ইঙ্গিত। যদিও শাসক বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ তাদের বর্তমান শক্তি বজায় রাখবে বলেই ধারণা রাজনৈতিক মহলের। আগামী মাসে রাজ্যসভা থেকে যাঁরা অবসর নেবেন, তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন কংগ্রেস সভাপতি তথা রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা মল্লিকার্জুন খাড়গে, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এইচডি দেবেগৌড়া, প্রবীণ কংগ্রেস নেতা দিগ্বিজয় সিং, এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবনীত সিং বিট্টু ও জর্জ কুরিয়েন।

    শক্তি বাড়ছে এনডিএর!

    ওয়াকিবহাল মহলের মতে, ২৭টি আসনের মধ্যে শাসক এনডিএ তাদের শক্তি এক বাড়িয়ে ১৯-এ নিয়ে যেতে পারে। বর্তমানে ২৪৫ সদস্য বিশিষ্ট রাজ্যসভায় এনডিএর আসন সংখ্যা ১৪৮। কংগ্রেসের রয়েছে ৪টি আসন, ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা (JMM)-এর ১টি এবং ওয়াইএসআর কংগ্রেস পার্টি (YSRCP)-এর ৩টি আসন। রাজ্য বিধানসভাগুলিতে (Rajya Sabha Polls) দলগুলির বর্তমান শক্তির ভিত্তিতে কংগ্রেস তাদের আসন সংখ্যা বাড়িয়ে ৫ করতে পারে (ECI)। ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা দু’টি আসনে জিততে পারে। শাসক তামিলাগা ভেত্রি কাজাগম (TVK) তামিলনাড়ুর উপনির্বাচনে একটি আসন জিতে প্রথমবারের মতো রাজ্যসভায় জায়গা পেতে পারে।

    এনডিএ ভালো অবস্থায়

    এনসিপি নেতা সুনেত্রা পাওয়ার এবং এআইএডিএমকে নেতা সিভি শানমুগম বিধানসভায় নির্বাচিত হওয়ায় রাজ্যসভায় ইস্তফা দিয়েছেন। সেই কারণেই উপনির্বাচন হবে মহারাষ্ট্র ও তামিলনাড়ুতে। ওড়িশায় দেবাশিস সমান্ত রায়, বিজেডি ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। ছেড়েছেন রাজ্যসভার সদস্যপদও। তাই এই কেন্দ্রেও হবে উপনির্বাচন (ECI)। মহারাষ্ট্রে সুনেত্রা পাওয়ারের শূন্য পদে এনডিএ ভালো অবস্থায় রয়েছে (Rajya Sabha Polls)। তামিলনাড়ুর একটিমাত্র আসন বন্ধু দলগুলির সমর্থনে টিভিকের দখলে যেতে পারে। ওড়িশার আসনটি শাসক দলের ঝুলিতে যেতে পারে।

    কোন আসনে জিতছে কারা

    অন্ধ্রপ্রদেশে টিডিপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ চারটি আসনই জিততে পারে। গুজরাটে বিজেপি চারটি আসনেই জিতবে। তাই এই রাজ্য থেকে কংগ্রেস তাদের একমাত্র আসনটি খোয়াতে পারে। কর্নাটকে কংগ্রেস চারটির মধ্যে তিনটি আসনে জিততে পারে, একটি আসন যেতে পারে পদ্ম-ঝুলিতে। খাড়্গে ফের রাজ্যসভায় মনোনীত হতে পারেন (ECI)। মধ্যপ্রদেশ ও রাজস্থানে বিজেপি দু’টি করে আসন জিততে পারে। এই দুই রাজ্যে কংগ্রেস একটি করে আসন পেতে পারে। ঝাড়খণ্ডে শাসক জেএমএম-কংগ্রেস জোট দু’টি আসনই জিততে পারে। তাদের জয়ের পথে খাড়া প্রাচীর হয়ে দাঁড়াতে পারে বিজেপি। অর্থাৎ, জোরদার লড়াই হতে পারে (Rajya Sabha Polls)।

    প্রসঙ্গত, চলতি বছরের মার্চ মাসে অনুষ্ঠিত দ্বিবার্ষিক রাজ্যসভা নির্বাচনে ১০টি রাজ্যের ৩৭টি আসনের মধ্যে (ECI) বিজেপি জিতেছিল ১৩টি আসনে।

     

  • One Nation One Election: ৭ লক্ষ কোটি টাকা সাশ্রয়ের সম্ভাবনা! ‘ওয়ান নেশন, ওয়ান ইলেকশন’ প্রস্তাবের পক্ষে যৌথ সংসদীয় কমিটি

    One Nation One Election: ৭ লক্ষ কোটি টাকা সাশ্রয়ের সম্ভাবনা! ‘ওয়ান নেশন, ওয়ান ইলেকশন’ প্রস্তাবের পক্ষে যৌথ সংসদীয় কমিটি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে একসঙ্গে লোকসভা ও বিধানসভা নির্বাচন চালু হলে প্রায় ৭ লক্ষ কোটি টাকা সাশ্রয় হতে পারে। এর ফলে দেশের জিডিপি ১.৬ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে বলে দাবি করলেন যৌথ সংসদীয় কমিটির (জেপিসি) চেয়ারম্যান পিপি চৌধুরী। সম্প্রতি, গান্ধীনগরে গুজরাট সরকারের আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকের পর তিনি ‘ওয়ান নেশন, ওয়ান ইলেকশন’ (One Nation One Election) প্রস্তাবের পক্ষে এই বক্তব্য রাখেন। লোকসভা ও বিধানসভা নির্বাচনের সমকালীন আয়োজন নিয়ে গঠিত ৪১ সদস্যের সংসদীয় কমিটি বর্তমানে সংবিধানের ১২৯তম সংশোধনী বিল এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল আইন সংশোধনী বিল খতিয়ে দেখছে। গুজরাট সফরের তৃতীয় দিনে কমিটির সদস্যরা মুখ্যসচিব এম কে দাস, বিভিন্ন দফতরের সচিব এবং বিজেপি প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করেন।

    জিডিপি ১.৬ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি

    বৈঠকের পর পিপি চৌধুরী জানান, গুজরাট সরকার এমন কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক নিয়ে মতামত দিয়েছে, যা আগে বিস্তারিতভাবে আলোচিত হয়নি। তিনি বলেন, “আমরা রাজ্য সরকারকে একটি বিস্তৃত রিপোর্ট তৈরির নির্দেশ দিয়েছি, যা ভবিষ্যতে অন্য রাজ্যগুলির জন্যও আদর্শ মডেল হতে পারে।” চৌধুরীর মতে, ওই রিপোর্টে শিল্প, শ্রমিকদের স্থানান্তর, কর্মসংস্থান, জিএসটি সংগ্রহ, পর্যটন, শিক্ষা এবং সামগ্রিক অর্থনীতির উপর একসঙ্গে নির্বাচন হওয়ার সম্ভাব্য প্রভাব বিশ্লেষণ করা হবে। তিনি আরও বলেন, “অর্থনীতিবিদদের মতে, একযোগে নির্বাচন হলে দেশের জিডিপি ১.৬ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে। পাশাপাশি প্রায় ৭ লক্ষ কোটি টাকা সাশ্রয় হবে। সেই অর্থ পরিকাঠামো উন্নয়ন, দরিদ্রকল্যাণ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং অন্যান্য জনকল্যাণমূলক কাজে ব্যয় করা যেতে পারে।”

    নির্বাচনী সংস্কার দেশের উপকারে আসা উচিত

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি-র ভাবনার প্রসঙ্গ তুলে জেপিসি চেয়ারম্যান বলেন, “নির্বাচনী সংস্কার দেশের উপকারে আসা উচিত— এটাই প্রধানমন্ত্রী মোদির লক্ষ্য। সেই কারণেই প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোভিন্দের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছিল। সেই কমিটিও একসঙ্গে নির্বাচন করার সুপারিশ করেছে।” তিনি দাবি করেন, সাংবিধানিক কাঠামো বা ফেডারেল ব্যবস্থার উপর এর কোনও নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না বলেই মত দিয়েছেন দেশের ছয়জন প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি। চৌধুরীর কথায়, “তাঁরা জানিয়েছেন, এতে মৌলিক অধিকার, ফেডারেল স্ট্রাকচার বা সংবিধানের মৌলিক কাঠামোর কোনও লঙ্ঘন হবে না।”

    ‘ওয়ান নেশন, ওয়ান ইলেকশন’ প্রস্তাবকে সমর্থন

    চৌধুরী আরও জানান, কোবিন্দ কমিটির প্রায় ১৮ হাজার পাতার রিপোর্ট সরকার গ্রহণ করেছে। ওই রিপোর্টে লোকসভা ও বিধানসভা নির্বাচনের পাশাপাশি ১০০ দিনের মধ্যে পঞ্চায়েত ও পুরসভার নির্বাচন আয়োজনেরও সুপারিশ করা হয়েছে। তাঁর কথায়, “বারবার নির্বাচনের চক্র কমলে সরকার উন্নয়ন, দারিদ্র দূরীকরণ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও প্রশাসনিক কাজে আরও বেশি সময় ও সম্পদ ব্যয় করতে পারবে।” এর আগে আমেদাবাদে পৌঁছে তিনি বলেন, আইন কমিশন, নীতি আয়োগ এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সদস্যদের নিয়ে গঠিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিও ‘ওয়ান নেশন, ওয়ান ইলেকশন’ প্রস্তাবকে সমর্থন জানিয়েছে। এই বিষয়ে মতামত সংগ্রহের জন্য জেপিসি ইতিমধ্যেই মহারাষ্ট্র, উত্তরাখণ্ড, হিমাচল প্রদেশ, হরিয়ানা, পাঞ্জাব ও কর্নাটক সফর করেছে। চৌধুরী বলেন, “আমাদের লক্ষ্য সব পক্ষের মতামত শোনা এবং সর্বসম্মত অবস্থান তৈরির চেষ্টা করা।”

  • PM Modi: প্রধানমন্ত্রীর নেদারল্যান্ডস সফরে স্বাক্ষরিত হল ফ্রন্ট-এন্ড সেমিকন্ডাক্টর ফেব্রিকেশন প্ল্যান্ট নির্মাণের চুক্তি

    PM Modi: প্রধানমন্ত্রীর নেদারল্যান্ডস সফরে স্বাক্ষরিত হল ফ্রন্ট-এন্ড সেমিকন্ডাক্টর ফেব্রিকেশন প্ল্যান্ট নির্মাণের চুক্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের সেমিকন্ডাক্টর খাতে উচ্চাকাঙ্খা পূরণে ১৬ মে নেওয়া হল বিরাট পদক্ষেপ। এদিনই টাটা ইলেকট্রনিক্স (Tata Electronics) এবং এএসএমএল (ASML) গুজরাটে দেশের প্রথম ফ্রন্ট-এন্ড সেমিকন্ডাক্টর ফেব্রিকেশন প্ল্যান্ট নির্মাণের চুক্তি স্বাক্ষর করেছে (Gujarat)। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) নেদারল্যান্ডস সফরে স্বাক্ষরিত হয়েছে এই চুক্তি।

    কী বলছে ভারতের বিদেশমন্ত্রক (PM Modi)

    ভারতের বিদেশমন্ত্রকের মতে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং নেদারল্যান্ডসের প্রধানমন্ত্রী রব জেট্টেনের উপস্থিতিতে স্বাক্ষরিত হয় চুক্তি। এই অংশীদারিত্ব গুজরাটের ঢোলেরায় টাটা ইলেকট্রনিক্সের পরিকল্পিত ৩০০-মিলিমিটার সেমিকন্ডাক্টর ফেব্রিকেশন ইউনিটকে সাহায্য করবে। এজন্য বিনিয়োগ করা হচ্ছে ১১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। কোম্পানিগুলির তরফে জানানো হয়েছে, এএসএমএলের সেমিকন্ডাক্টর যন্ত্রপাতি প্রযুক্তি এই প্ল্যান্টে ব্যবহৃত হবে। এখানে অটোমোবাইল, মোবাইল ডিভাইস এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মতো ক্ষেত্রের জন্য চিপ তৈরি করা হবে। এএসএমএলের এক্সিকিউটিভ খ্রিস্টোফি ফুকেট (Christophe Fouquet) বলেন, “ভারতের দ্রুত প্রসারমান সেমিকন্ডাক্টর শিল্পে অনেক আকর্ষণীয় সুযোগ রয়েছে।” তিনি জানান, তাদের (ডাচ) এই কোম্পানি ভারতে দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

    সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদন ব্যবস্থা

    ভারত ইতিমধ্যেই দেশের নিজস্ব সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে বিপুল পরিমাণ ভর্তুকি দিচ্ছে। সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, বর্তমানে দেশে আটটি সেমিকন্ডাক্টর-সম্পর্কিত প্রকল্প চলছে। এর মধ্যে গুজরাটে টাটা ইলেকট্রনিক্সের আর একটি ১৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের প্রকল্পও রয়েছে। চলতি ইউরোপ সফরে প্রধানমন্ত্রী নেদারল্যান্ডসের রাজা উইলেম আলেকজান্ডার (Willem-Alexander) এবং রানি (ম্যাক্সিমা)-র (Máxima) সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন দ্য হেগের রাজপ্রাসাদে। আলোচনায় ভারত-নেদারল্যান্ডস সহযোগিতা আরও জোরদার করার বিষয়ও উঠে এসেছিল, বিশেষ করে টেকসই উন্নয়ন, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, ডিজিটাল প্রযুক্তি, উদ্ভাবন, ফিনটেক এবং ব্লু ইকোনমির ক্ষেত্রে। বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী মোদি ডাচ কোম্পানিগুলিকে সেমিকন্ডাক্টর, নবীকরণযোগ্য শক্তি, ডিজিটাল প্রযুক্তি এবং স্বাস্থ্যসেবার মতো ক্ষেত্রে ভারতে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন। উভয় পক্ষ ভারত-ইউরোপীয় ইউনিয়ন মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি দ্রুত কার্যকর করার পক্ষেও সম্মত হয়েছে (PM Modi)।

    ভারত-নেদারল্যান্ডস সহযোগিতার প্রতিফলন?

    প্রসঙ্গত, এই চুক্তি ভারত ও নেদারল্যান্ডসের মধ্যে ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতার প্রতিফলন। বর্তমানে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-চিন প্রযুক্তি প্রতিদ্বন্দ্বিতার কারণে বিশ্বব্যাপী সেমিকন্ডাক্টর সরবরাহ ব্যবস্থা পুনর্গঠিত হচ্ছে। ডাচ সেমিকন্ডাক্টর কোম্পানিগুলি নতুন বাজার ও ভৌগোলিক বৈচিত্র্যের দিকে ঝুঁকছে। আর ভারত চাইছে বিরাট বিনিয়োগ ও নীতিগত প্রণোদনার মাধ্যমে নিজেকে একটি বড় উৎপাদন ও প্রযুক্তি কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে। এই সেমিকন্ডাক্টর চুক্তিটি প্রধানমন্ত্রীর ১৫ মে থেকে ২০ মে পর্যন্ত চলা পাঁচ-দেশীয় কূটনৈতিক সফরের দ্বিতীয় পর্যায়ে সম্পন্ন হয়েছে (Gujarat)। নেদারল্যান্ডসে পৌঁছানোর আগে তিনি সংযুক্ত আরব আমিরশাহি সফর করেন (PM Modi)।

     

  • PM Modi: পুনর্নির্মিত সোমনাথ মন্দির প্রতিষ্ঠার ৭৫ বছর পূর্তিতে গুজরাটে প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: পুনর্নির্মিত সোমনাথ মন্দির প্রতিষ্ঠার ৭৫ বছর পূর্তিতে গুজরাটে প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুনর্নির্মিত সোমনাথ মন্দিরের প্রতিষ্ঠার ৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে সোমবার গুজরাটের প্রভাস পাটানে এক বিরাট (Kumbhabhishek) রোডশোয়ের সূচনা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এই মন্দিরটি ভারতের সভ্যতার স্থিতিশীলতা, আধ্যাত্মিক ধারাবাহিকতা এবং সাংস্কৃতিক আত্মবিশ্বাসের প্রতীক হিসেবে পরিচিত।

    ‘সোমনাথ অমৃত মহোৎসব’ (PM Modi)

    প্রধানমন্ত্রীর এই সফর ছিল ‘সোমনাথ অমৃত মহোৎসবে’র অংশ। স্বাধীনতার পর ১৯৫১ সালে ভারতের প্রথম রাষ্ট্রপতি রাজেন্দ্র প্রসাদ কর্তৃক পুনরুদ্ধার করা মন্দিরের উদ্বোধনের ৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজন করা হয়েছিল এই রোড-শোয়ের। অনুষ্ঠানটি এ বছরের শুরুতে পালিত ‘সোমনাথ স্বাভিমান পর্বে’র সঙ্গেও যুক্ত। ১০২৬ সালে গজনির মামুদ প্রথম আক্রমণের হাজার বছর স্মরণে পালিত হয়েছিল এই ‘পর্ব’। এদিন হাজার হাজার ভক্ত ও স্থানীয় বাসিন্দা হেলিপ্যাড থেকে মন্দির প্রাঙ্গনের নিকটবর্তী বীর হামিরজি সার্কেল পর্যন্ত প্রায় দেড় কিলোমিটার পথে হাজির হয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে। গেরুয়া পতাকা নাড়িয়ে এবং স্লোগান দিতে দিতে মানুষ রাস্তার দু’পাশে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়েছিলেন। কড়া নিরাপত্তার মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর কনভয় ধীরে ধীরে অতিক্রম করে উপকূলীয় শহরটি।

    বর্ণময় উৎসব

    উৎসবকে আরও বর্ণময় করতে রোডশোয়ের বিভিন্ন অংশে লোকনৃত্য ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করেন পশ্চিমবঙ্গ-সহ বিভিন্ন রাজ্যের শিল্পীরা। ফলে অনুষ্ঠানটি আদতে পরিণত হয় ভারতের বৈচিত্র্যময় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের এক অনন্য প্রদর্শনীতে (Kumbhabhishek)। রোডশোয়ের পর প্রধানমন্ত্রী সোমনাথ মন্দিরে যান, অংশগ্রহণ করেন একাধিক বিশেষ ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে। প্রধানমন্ত্রী ‘বিশেষ মহাপূজা’, ‘কুম্ভাভিষেক’ এবং ‘ধ্বজারোহণ’ অনুষ্ঠানেও অংশ নেন। আচার চলাকালীন হেলিকপ্টার থেকে মন্দিরের ওপর ফুলের পাপড়ি বৃষ্টি করা হয়, যা হিন্দুধর্মের অন্যতম পবিত্র জ্যোতির্লিঙ্গকে ঘিরে এক মনোমুগ্ধকর দৃশ্যের সৃষ্টি করে।

    একাধিকবার নিশানায় সোমনাথ মন্দির

    ভারতীয় সভ্যতায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থান অধিকার করে রয়েছে গুজরাটের সোমনাথ মন্দির। একাধিকবার আক্রমণ ও ধ্বংসের পর বারবার পুনর্নির্মিত এই মন্দির দীর্ঘদিন ধরে হিন্দু ধর্মবিশ্বাস ও ভারতের সাংস্কৃতিক পরিচয়ের স্থায়িত্বের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। স্বাধীনতার পরে পুনর্নির্মাণের চেষ্টা, যা সর্দার বল্লভ ভাই প্যাটেল এবং কেএম মুন্সির মতো নেতাদের ব্যাপক সমর্থন পেয়েছিল, হয়ে ওঠে ভারতের ঐতিহ্য পুনরুদ্ধারের এক বৃহত্তর জাতীয় সংকল্পের প্রতীক। এদিন সদ্ভাবনা ময়দানে আয়োজিত এক জনসভায় ভাষণ দেওয়া এবং ৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে একটি স্মারক ৭৫ টাকার মুদ্রা প্রকাশ করার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। ৮ মে জারি করা (Kumbhabhishek) এক সরকারি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, মুদ্রার এক পাশে সোমনাথ মন্দিরের ছবি থাকবে, তার সঙ্গে লেখা থাকবে: “ভারতের অটল বিশ্বাস ও ভক্তির ১০০০ বছরের উদ্‌যাপন”, এর পাশাপাশি উল্লেখ থাকবে ২০২৬ সালও। এই মুদ্রা তৈরি করা হবে কলকাতার সরকারি টাঁকশালে।

    ‘সর্দার ধাম ভবন-৩’

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) ভাদোদরায় ‘সর্দার ধাম ভবন-৩’, যা ‘শ্রী দুষ্যন্ত ও দক্ষ প্যাটেল কমপ্লেক্স’ নামে পরিচিত, তার উদ্বোধনও করবেন। প্রায় ৪.৭৫ লাখ বর্গফুট এলাকায় ১৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই কমপ্লেক্সে আবাসন কক্ষ, এনআরআই অতিথিশালা, ই-লাইব্রেরি, কেরিয়ার গাইডেন্স ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র এবং ১,০০০ আসনের অডিটোরিয়াম রয়েছে। দু’দিনের গুজরাট সফরের শুরুতে রবিবার রাতে মোদি জামনগরে পৌঁছন। হাই-প্রোফাইল অনুষ্ঠানগুলিকে সামনে রেখে জামনগর, সোমনাথ ও ভাদোদরায় ব্যাপক প্রস্তুতি (PM Modi) ও স্বাগত কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে (Kumbhabhishek)।

     

  • Gujarat Local Body Polls: গুজরাটে গেরুয়া সুনামি! ১৫-র ১৫ পুরসভা দখল করে বিজেপির ঐতিহাসিক জয়

    Gujarat Local Body Polls: গুজরাটে গেরুয়া সুনামি! ১৫-র ১৫ পুরসভা দখল করে বিজেপির ঐতিহাসিক জয়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গুজরাটের (Gujarat Local Body Polls) স্থানীয় পুরসভা নির্বাচনে কার্যত গেরুয়া ঝড়—১৫টি মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনই দখল করল বিজেপি (Bharatiya Janata Party)। মঙ্গলবার ফলাফল প্রকাশের পর স্পষ্ট হয়েছে, শহর থেকে গ্রাম—সব ক্ষেত্রেই বড়সড় ব্যবধানে এগিয়ে থেকে একতরফা জয় পেয়েছে তারা। রবিবার ভোটগ্রহণ হয়েছিল ১৫টি মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন, ৮৪টি পৌরসভা, ৩৪টি জেলা পঞ্চায়েত এবং ২৬০টি তালুকা পঞ্চায়েতে। রাজ্যের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই নির্বাচনকে গুরুত্বপূর্ণ শক্তিপরীক্ষা হিসেবে দেখা হচ্ছিল। প্রায় ৯,২০০টি আসনের জন্য ৪.১৮ কোটিরও বেশি ভোটার তাদের মতামত দিয়েছেন।

    শহর থেকে গ্রাম দাপট বিজেপির

    শহরাঞ্চলে বিজেপির (BJP in Gujarat) দাপট ছিল চোখে পড়ার মতো। আমেদাবাদে ১৯২টির মধ্যে ১৫৮টি আসন, সুরাটে ১১৫টি আসন দখল করেছে তারা। সুরাটে আপ (Aam Aadmi Party) পেয়েছে মাত্র ৪টি এবং কংগ্রেস পেয়েছে মাত্র (Indian National Congress) ১টি আসন। রাজকোটে ৭২টির মধ্যে ৬৫টি এবং বরোদায় ৭৬টির মধ্যে ৬৯টি আসন জিতে নিয়েছে বিজেপি। শুধু শহরেই নয়, গ্রামাঞ্চলেও প্রভাব বিস্তার করেছে গেরুয়া শিবির। ৩৪টি জেলা পঞ্চায়েতের মোট ১,০৯০টি আসনের মধ্যে বিজেপি জিতেছে ৫৬৮টি আসন। সেখানে কংগ্রেস পেয়েছে ৭৭টি এবং অন্যান্যরা ৩০টি আসন। একইভাবে, ২৬০টি তালুকা পঞ্চায়েতের মোট ৫,২৩৪টি আসনের মধ্যে বিজেপি জিতেছে ২,৩৯৭টি। কংগ্রেসের ঝুলিতে গিয়েছে ৫৯১টি আসন, অন্যরা পেয়েছে ৩২৯টি।

    অনেক পিছিয়ে কংগ্রেস

    উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এবারের নির্বাচনে প্রথমবার ভোটগ্রহণ হয়েছে ৯টি নতুন মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনে—নভসারি, গান্ধিধাম, মোরবি, ভাপি, আনন্দ, নাডিয়াদ, মেহসানা, পোরবন্দর ও সুরেন্দ্রনগর। এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে সংশোধিত ওবিসি সংরক্ষণ নীতির ভিত্তিতে, যার ফলে একাধিক জেলায় ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাস ও সীমা নির্ধারণ করা হয়। বিজেপি, কংগ্রেস, আপ ছাড়াও এআইএমআইএম (All India Majlis-e-Ittehadul Muslimeen) কয়েকটি আসনে প্রার্থী দিয়েছিল, তবে সামগ্রিকভাবে বিজেপির প্রাধান্যই স্পষ্ট হয়েছে গোটা রাজ্যে। কংগ্রেস সামগ্রিক ভাবে এই নির্বাচনে অনেকটাই পিছিয়ে রয়েছে। কর্পোরেশনগুলিতে কার্যত তারা খাতা খুলতে পারেনি বললেই চলে। তবে কিছু নির্দিষ্ট পকেটে তারা সাফল্য পেয়েছে।

LinkedIn
Share