Tag: Gujrat

Gujrat

  • Bharuch Jama Masjid: ভরুচের জামা মসজিদের ভোঁয়রায় প্রাচীন হিন্দু ও জৈন মূর্তি! ভাইরাল ভিডিও ঘিরে আরও জোড়াল হচ্ছে হিন্দুপক্ষের দাবি

    Bharuch Jama Masjid: ভরুচের জামা মসজিদের ভোঁয়রায় প্রাচীন হিন্দু ও জৈন মূর্তি! ভাইরাল ভিডিও ঘিরে আরও জোড়াল হচ্ছে হিন্দুপক্ষের দাবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গুজরাটের ভরুচের (Bharuch Jama Masjid) ঐতিহাসিক এবং বিতর্কিত জামা মসজিদের ভূগর্ভস্থ কক্ষে বা ভোঁয়রায় প্রাচীন হিন্দু ও জৈন দেবদেবীর মূর্তি (Ancient Hindu Jain Idols) থাকার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপকভাবে ভাইরাল হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনীতির পাশাপাশি ধর্মীয় মহলেও নতুন করে আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে।

    ইতিহাসকে কখনও মুছে ফেলা যায় না (Bharuch Jama Masjid)

    ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, মসজিদের মাটির তলার একটি গোপন কক্ষে ভগবান গণেশ, হনুমান এবং জৈন তীর্থঙ্কর মল্লিনাথের প্রাচীন ও খণ্ডিত মূর্তি রয়েছে। বেসরকারি সংবাদ সংস্থা ওপিইন্ডিয়ার সঙ্গে আলাপকালে ভরুচের (Bharuch Jama Masjid)  বিশিষ্ট সন্ত স্বামী মুক্তানন্দ এই ভিডিওটির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি দাবি করেন, “ভিডিওটি সম্পূর্ণ সত্য, এবং এটি হিন্দু সাধু-সন্তদের দীর্ঘদিনের দাবির পক্ষেই জোরালো প্রমাণ দেয়। ইতিহাসকে (Ancient Hindu Jain Idols) কখনও মুছে ফেলা যায় না এবং আজ সত্য সবার সামনে উন্মোচিত হয়েছে।” উল্লেখ্য, ভরুচের এই জামা মসজিদটি প্রাচীন হিন্দু ও জৈন মন্দির ভেঙে তৈরি করা হয়েছিল বলে দীর্ঘদিন ধরেই দাবি করে আসছে বিভিন্ন হিন্দু সংগঠন ও সাধু সমাজ। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসেই ওপিইন্ডিয়া এই দাবির সপক্ষে ঐতিহাসিক তথ্য-প্রমাণ ও নথি সহ একটি বিশদ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল।

    নিয়ম বহির্ভূত সমস্ত কাজকর্ম বন্ধ হোক

    স্বামী মুক্তানন্দের অভিযোগ, জামা মসজিদটি ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণ (ASI)-এর সংরক্ষিত স্মৃতিস্তম্ভ হওয়া সত্ত্বেও সেখানে বেশ কিছু নিয়মের লঙ্ঘন করা হচ্ছিল। তাঁদের দাবি, পুরাতত্ত্ব বিভাগের নিয়ম মেনেই এই ঐতিহাসিক কাঠামোর (Bharuch Jama Masjid) রক্ষণাবেক্ষণ করা হোক এবং নিয়ম বহির্ভূত সমস্ত কাজকর্ম অবিলম্বে বন্ধ করা হোক। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্প্রতি স্থানীয় প্রশাসন মসজিদ চত্বরে বেআইনিভাবে তৈরি করা একটি ‘অজু খানা’ (Wazu Khana) ভেঙে দিয়েছে এবং সমস্ত অবৈধ দখলদারিত্ব সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি, সাধারণ মানুষের প্রবেশ রুখতে ভূগর্ভস্থ ওই কক্ষে যাওয়ার একটি প্রবেশদ্বারও সিল করে দিয়েছে প্রশাসন। পুরাতত্ত্ব বিভাগ এই বিষয়ে তদন্ত শুরু করলেও বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা (Ancient Hindu Jain Idols) শেষ না হওয়া পর্যন্ত চূড়ান্ত কোনও মন্তব্য করতে চায়নি প্রশাসনের তরফ থেকে।

  • Abhishek Banerjee: ভোটের সময় ‘গুজরাটি গ্যাং’, রাষ্ট্র-বিরোধী মন্তব্যের জের, অভিষেকের বিরুদ্ধে দায়ের এফআইআর

    Abhishek Banerjee: ভোটের সময় ‘গুজরাটি গ্যাং’, রাষ্ট্র-বিরোধী মন্তব্যের জের, অভিষেকের বিরুদ্ধে দায়ের এফআইআর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘বুয়া’র পর এবার ‘ভাতিজা’কেও কাঠগড়ায় তোলার প্রস্তুতি শুরু! তৃণমূল সুপ্রিমো (TMC) মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে আগেই দায়ের হয়েছিল এফআইআর, এবার মামলা দায়ের হল তাঁরই ভাইপো তথা তৃণমূলের সেকেন্ড ইন-কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) বিরুদ্ধেও। তাঁর বিরুদ্ধে উসকানিমূলক মন্তব্য করার অভিযোগে এফআইআর দায়ের হল একদা তৃণমূলের খাসতালুক ভবানীপুরে। ভবানীপুর থানায় ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ তথা তৃণমূলের সম্পাদক অভিষেকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন অর্ণবকান্তি দাস নামে এক ব্যক্তি। বুধবারই মমতার নামে শিলিগুড়িতে এফআইআর দায়ের করেছিলেন এই আইনজীবী। এফআইআর দায়ের হয়েছিল অভিষেকের বিরুদ্ধেও। তবে উসকানিমূলক মন্তব্য করায় এবার মামলা দায়ের হল তাঁরই পাড়ায়, ভবানীপুর থানায়।

    ‘গুজরাটি গ্যাং’ মন্তব্য (Abhishek Banerjee)

    অর্ণবও ভবানীপুরেরই বাসিন্দা। তিনি জানান, ২ মে এক্স হ্যান্ডেলে অভিষেক লিখেছিলেন, “১০ বার জন্মালেও আপনাদের ‘বাংলা বিরোধী গুজরাটি গ্যাং’ আমার ডায়মন্ড হারবার মডেলের ছিটেফোঁটাও ক্ষতি করতে পারবে না।” অভিষেকের এই মন্তব্যের জেরেই অভিযোগ দায়ের হয়েছে ভবানীপুর থানায়। ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে বেরিয়ে নানা সময় বুয়া-ভাতিজা উসকানিমূলক মন্তব্য করেছিলেন বলে অভিযোগ। এর আগে উসকানিমূলক মন্তব্য এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগে একটি এফআইআর দায়ের হয়েছিল। অভিষেকের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা এবং জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের মোট ৬টি ধারায় অভিযোগ দায়ের হয়। বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিলেন সমাজসেবী রাজীব সরকার।

    অভিযোগকারীর বক্তব্য

    অর্ণবের দাবি, অভিষেক ওই পোস্টে এমন কিছু মন্তব্য করেছেন যা, দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও জাতীয় সংহতির পক্ষে ক্ষতিকর (Abhishek Banerjee)। এফআইআরে বলা হয়েছে, একজন সাংসদ হিসেবে সংবিধানের সার্বভৌমত্ব ও দেশের আঞ্চলিক অখণ্ডতা রক্ষার শপথ নেওয়ার পরেও, অভিষেক সমগ্র গুজরাটি সম্প্রদায়কে একটি ‘গ্যাং’ বা অপরাধী চক্র হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তাঁর দাবি, এই ধরনের মন্তব্য কেবল একটি সম্প্রদায়কে অপমান করে না, বরং দেশের বহুত্ববাদী সংস্কৃতি ও সামাজিক সম্প্রীতির ওপরেও আঘাত হানে। গুজরাটি সমাজ দীর্ঘ দিন ধরে পশ্চিমবঙ্গ-সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ব্যবসা-বাণিজ্য, অর্থনীতি, শিল্পোন্নয়ন এবং সমাজসেবামূলক কাজে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। সেই সম্প্রদায়কে কটাক্ষ করা অত্যন্ত দায়িত্বজ্ঞানহীন কাজ (TMC)।

    সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বিরূপ মন্তব্য নয়

    অভিযোগপত্রে এও বলা হয়েছে, রাজনৈতিক মতভেদ ও প্রতিদ্বন্দ্বিতা গণতন্ত্রের অংশ হলেও, কোনও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান বা কেন্দ্রীয় ব্যবস্থাকে অপমান করা এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে রাষ্ট্রকে চ্যালেঞ্জ জানানো কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক সীমান্তের নিকটবর্তী একটি সংবেদনশীল লোকসভা কেন্দ্রের (ডায়মন্ড হারবার) সাংসদের এমন মন্তব্য রাষ্ট্রবিরোধী মানসিকতারই বহিঃপ্রকাশ।

    রাষ্ট্রকেও চ্যালেঞ্জ অভিষেকের!

    অর্ণবের আশঙ্কা, ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের ফল যদি উল্টোটা হত এবং তৃণমূল ক্ষমতায় ফিরত তাহলে এই ধরনের মন্তব্য রাজ্যে বসবাসকারী গুজরাটি সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক বা সাম্প্রদায়িক হিংসার পরিবেশ তৈরি করতে পারত (Abhishek Banerjee)। তাই এই পোস্টকে কেন্দ্র করে সামাজিক উত্তেজনা তৈরি হওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না। তাঁর অভিযোগ, ওই পোস্টে অভিষেক কেন্দ্রীয় সরকার এবং রাষ্ট্রকেও সরাসরি চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন। বিশেষ করে তাঁর নির্বাচনী এলাকা ডায়মন্ড হারবারের অন্তর্গত ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের প্রসঙ্গ টেনে তিনি তথাকথিত (TMC) ‘ডায়মন্ড হারবার মডেল’ রোখার চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন। তাই পুলিশের কাছে তৃণমূল সম্পাদকের ওই পোস্টের যথাযথ তদন্ত করে আইনানুগ কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন অর্ণব (Abhishek Banerjee)।

     

  • Gujrat: গুজরাটের গোধরা পুরসভার বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন হিন্দু মহিলা, নির্দল প্রার্থী অপেক্ষাবেন নৈনেশভাই সোনির বাজিমাত

    Gujrat: গুজরাটের গোধরা পুরসভার বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন হিন্দু মহিলা, নির্দল প্রার্থী অপেক্ষাবেন নৈনেশভাই সোনির বাজিমাত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গুজরাটের (Gujrat) স্থানীয় নির্বাচনের ফলাফলে এক অভূতপূর্ব সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির চিত্র ফুটে উঠল। গোধরা পুরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডে, যেখানে ভোটারদের ১০০ শতাংশই মুসলিম ধর্মাবলম্বী, সেখান থেকে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন নির্দল হিন্দু নারী প্রার্থী অপেক্ষাবেন নৈনেশভাই সোনি (Apekshaben Naineshbhai Soni)। এই জয় রাজনীতির আঙ্গিনায় নতুন মাত্রা যুক্ত করেছে।

    ধর্মনিরপেক্ষ গণতান্ত্রিক কাঠামো (Apekshaben Naineshbhai Soni)

    গোধরায় (Gujrat) ২০২৬ সালের স্থানীয় নির্বাচনের এই ফলাফল রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের চমকে দিয়েছে। গোধরা শহরটি ২০০২ সালের সেই মর্মান্তিক ঘটনার পর থেকে বারবার সাম্প্রদায়িক মেরুকরণের জন্য সংবাদ শিরোনামে এসেছে। কিন্তু সেই শহরেই একটি সম্পূর্ণ মুসলিম অধ্যুষিত এলাকায় একজন হিন্দু প্রার্থীর (Apekshaben Naineshbhai Soni) জয় ভারতের ধর্মনিরপেক্ষ গণতান্ত্রিক কাঠামোর এক অনন্য দৃষ্টান্ত হিসেবে লক্ষ্য করা গিয়েছে।

    ধর্ম-বর্ণের ঊর্ধ্বে উঠে আশীর্বাদ

    অপেক্ষাবেনের (Apekshaben Naineshbhai Soni) এই জয় কেবল একটি রাজনৈতিক জয় নয়, বরং গোধরার সাধারণ মানুষের পারস্পরিক বিশ্বাস ও আস্থার জয়। স্থানীয় ভোটারদের মতে, কোনও রকম ভাবে ধর্মের নিরিখে নয়, বরং প্রার্থীর দক্ষতা এবং এলাকার উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দেখে ভোট দিয়েছেন। জয়লাভের পর উচ্ছ্বসিত অপেক্ষাবেন বলেন, “আমি এই এলাকার মানুষের কাছে চিরকৃতজ্ঞ। এলাকাবাসীরা যেভাবে আমাকে আপন করে নিয়েছেন এবং ধর্ম-বর্ণের ঊর্ধ্বে উঠে আশীর্বাদ করেছেন, তা আমাকে উন্নয়নের কাজ করার দ্বিগুণ উৎসাহ জোগাবে।”

    সাম্প্রদায়িক তকমা ঘুচবে?

    নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, এই ওয়ার্ডে (Gujrat) কোনও বড় রাজনৈতিক দলের প্রার্থীদের (Apekshaben Naineshbhai Soni) তুলনায় সাধারণ মানুষ নির্দল প্রার্থী অপেক্ষাবেনের ওপরই বেশি ভরসা দেখিয়েছেন। এই জয় গোধরার ললাট থেকে সাম্প্রদায়িক বিভাজনের তকমা মুছতে সহায়ক হবে বলে আশা করছেন স্থানীয় সচেতন নাগরিক সমাজ।

    প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক মহল জানিয়েছে, গুজরাটের এই ফলাফল প্রমাণ করে যে উন্নয়নের প্রশ্নে ধর্ম বা জাতি আজ আর বাধার সৃষ্টি করতে পারে না।

  • Gujarat: রাসায়নিক ‘রাইসিন’ বিষ বানানোর চেষ্টা করছিল গুজরাটে গ্রেফতার চিকিৎসক-জঙ্গি! নেপথ্যে বড়সড় ষড়যন্ত্র?

    Gujarat: রাসায়নিক ‘রাইসিন’ বিষ বানানোর চেষ্টা করছিল গুজরাটে গ্রেফতার চিকিৎসক-জঙ্গি! নেপথ্যে বড়সড় ষড়যন্ত্র?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাসায়নিক দ্রব্য তৈরি করে প্রাণঘাতী হামলার বড়সড় ছক করছিল গুজরাটের (Gujarat) আমেদাবাদ থেকে ধৃত তিন আইসিস জঙ্গি। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের সন্ত্রাসদমন শাখা এমনটাই জানতে পেড়েছে বলে জানা গিয়েছে। ধৃত তিন জঙ্গির মধ্যে একজন চিকিৎসক। রাইসিন সাধারণত, ক্যাস্টর বা রেড়ির বীজে থাকে। তাদের কাছে উদ্ধার হওয়া সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে চিনের মেডিক্যাল সামগ্রী। গুরুতর অভিযোগ রয়েছে, ওই চিকিৎসক বিষাক্ত রাসায়নিক ‘রাইসিন’ প্রস্তুতের কাজের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে। এই রাইসিন (Ricin Poison) জৈব এবং রাসায়নিক কাজে ব্যবহার করা হয়।

    একাধিক শহরে জাল বিস্তার (Gujarat)?

    নাশকতামূলক কাজের ষড়যন্ত্রে এলাকা বাছাই করতে ভারতের একাধিক শহরে ঘোরাফেরা করেছে জঙ্গিরা। ফলে নাশকতার জাল একাধিক শহরে বিস্তারের জোর সম্ভাবনা রয়েছে। আমেদাবাদ ছাড়াও দিল্লি এবং লখনউয়ের বেশ কিছু জায়গা পরিদর্শন করেন। গ্রেফতার হওয়ার পর থেকেই আইএস-জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থাকার বিষয় সামনে আসে। তবে বিশেষ করে দিল্লির আজাদপুর মান্ডি, আমেদাবাদের নারোদায় ফলের বাজার ঘুরে দেখেছিলেন। খাদ্য সামগ্রীতে এই রাসায়নিক প্রয়োগের বিষয়কে ইঙ্গিত করা হয়েছে। ধৃতদের পরিচয় ইতিমধ্যে প্রকাশ করেছে পুলিশ। ধৃতদের মধ্যে রয়েছেন হায়দরাবাদের বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সি চিকিৎসক আহমেদ মহিউদ্দিন সৈয়দ। উত্তরপ্রদেশের শামিল বাসিন্দা ২০ বছর বয়সি আজাদ সুলেমান শেখ এবং লখিমপুরখেরির বাসিন্দা ২৩ বয়সি পড়ুয়া মহম্মদ সুহেল। ধৃতদের কাছ থেকে ৩০টি কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে।

    আইসিসের আঞ্চলিক শাখার সঙ্গে যুক্ত

    গুজরাট (Gujarat) এটিএস এক সরকারি বিবৃতিতে জানিয়েছে, “একটি বড় সন্ত্রাসী হামলা চালানোর জন্য, আহমেদ মহিউদ্দিন সৈয়দ ‘রাইজিন’ বা রাইসিন (Ricin Poison) নামে একটি অত্যন্ত মারাত্মক বিষ প্রস্তুত করছিল। চিনে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত এমবিবিএস ডাক্তার সৈয়দ ক্যাস্টর (রেড়ি) বীজ থেকে প্রাপ্ত প্রাণঘাতী প্রোটিন রাইসিন তৈরি করছিল। উদ্দেশ্য বড় ধরনের হত্যালীলা। ইতিমধ্যেই প্রয়োজনীয় গবেষণা শুরু করে ছিল জঙ্গিরা। সরঞ্জাম, কাঁচামাল সংগ্রহ করে সবরকম প্রস্তুতির জন্য রাসায়নিক প্রক্রিয়াকরণের কাজ শুরু করেছে জঙ্গিরা। তবে সৈয়দ নামক জঙ্গি এই কাজে বিশেষভাবে পারদর্শী। এই জঙ্গি চিন থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে এসেছে, আইসিসের আঞ্চলিক শাখার ইসলামিক স্টেট খোরাসান প্রদেশের সদস্য আবু খাদিমের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগও রয়েছে।”

  • ISIS: ভারতে হামলার ছক কষার অভিযোগে গুজরাট থেকে গ্রেফতার ৩ আইসিস জঙ্গি

    ISIS: ভারতে হামলার ছক কষার অভিযোগে গুজরাট থেকে গ্রেফতার ৩ আইসিস জঙ্গি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে হামলার পরিকল্পনার অভিযোগে গুজরাট থেকে ৩ আইসিস জঙ্গিকে (ISIS) গ্রেফতার করেছে পুলিশ।  গুজরাট (Gujrat) এটিএস সূত্রে খবর, ধৃত ব্যক্তিরা এক বছর ধরে তাদের রাডারে ছিল এবং অস্ত্র সরবরাহের প্রক্রিয়া চলাকালীন তাদের আটক করা হয়েছে। কাশ্মীরে পহেলগাঁও হামলার পর থেকেই দেশজুড়ে জঙ্গিদের বিরুদ্ধে সক্রিয় অভিযান চালাচ্ছে প্রশাসন। এই বছরের শুরুতেই ইসলামি জঙ্গি সংগঠন আল-কায়দার আরও ৫ জঙ্গিকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ।

    দু’টি পৃথক মডিউলের সদস্য (ISIS)

    রবিবার আমেদাবাদ থেকে আইসিসের (ISIS) সঙ্গে যুক্ত সন্দেহে যে তিন জঙ্গিকে গ্রেফতার করা হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ সারা দেশে জঙ্গি হামলা চালানোর ষড়যন্ত্র করেছে তারা। এটিএস এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, “জঙ্গিরা অস্ত্র বিনিময়ের জন্য গুজরাটে এসেছিল এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে হামলার পরিকল্পনাও করেছিল। আটক হওয়া তিন সন্দেহভাজন জঙ্গি দু’টি পৃথক মডিউলের সদস্য। তাদের সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু কী এবং তারা কোথায় হামলা চালানোর পরিকল্পনা করেছিল, তা জানতে তদন্ত শুরু করেছেন আধিকারিকরা। বিশদ অনুসন্ধানের জন্য সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”

    পাকিস্তানি হ্যান্ডলারদের সঙ্গে যোগাযোগ!

    এই বছরের শুরুতে গুজরাট (Gujrat) এটিএস ইসলামি সন্ত্রাসবাদী সংগঠন আল-কায়েদার (AQIS) পাঁচ সদস্যকে গ্রেফতার করেছিল। যার মধ্যে বেঙ্গালুরুর এক মহিলাও ছিল। জানা গিয়েছে, পাকিস্তানি হ্যান্ডলারদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে একটি অনলাইন জঙ্গি মডিউল পরিচালনা করছিল সে। ধৃতদের নাম ফারদিন শেখ, সইফুল্লা কুরেশি, মহম্মদ ফাইক এবং জিশান আলি। গত ২২ জুলাই সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে বিদ্বেষমূলক মতাদর্শ প্রচারের অভিযোগে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছিল। প্রধান অভিযুক্ত জিশান আলির কাছ থেকে একটি পিস্তল এবং তাজা গুলিও উদ্ধার করা হয়েছে।

    গুজরাট এটিএস সূত্রে জানা গিয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদের সময় প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে নয়ডায় জিশান আলির বাসভবনে একটি অভিযানের সময় অস্ত্র বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল। পুলিশ সুপার বীরজিৎ সিংহ পারমারের নেতৃত্বে পুলিশ অফিসার নিখিল ব্রহ্মভট্ট এবং এআর চৌধুরীর নেতৃত্বে এই অভিযান চলে।

    এই গোষ্ঠীর (ISIS) বিরুদ্ধে ‘গাজওয়া-ই-হিন্দে’র নামে হিংসাকে উস্কে দেওয়া, ভারতের নির্বাচিত সরকারের বিরুদ্ধে সশস্ত্র বিদ্রোহের ডাক দেওয়া এবং অমুসলিমদের লক্ষ্য করে হিংসাত্মক কর্মকাণ্ডে উৎসাহিত করার অভিযোগ রয়েছে। ১৯৬৭ সালের বেআইনি কার্যকলাপ (প্রতিরোধ) আইন (UAPA) এবং ২০২৩ সালের ভারতীয় ন্যায় সংহিতার বিভিন্ন ধারার অধীনে আইনি ব্যবস্থা শুরু করা হয়েছে।

LinkedIn
Share