Tag: gyanesh kumar

gyanesh kumar

  • Election Commission: “এরকম মিথ্যেবাদী কমিশন কখনও দেখিনি”, বললেন মমতা

    Election Commission: “এরকম মিথ্যেবাদী কমিশন কখনও দেখিনি”, বললেন মমতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “এরকম মিথ্যেবাদী কমিশন আমি কখনও দেখিনি। বহু ধিন ধরে রাজনীতি করছি, এরকম ঔদ্ধত্য আমি আগে দেখিনি (Election Commission)।” এক নিঃশ্বাসে কথাগুলি বলে খানিক থামলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। তাঁর অভিযোগ, বিজেপির অঙ্গুলি হেলনেই কাজ করছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। প্রসঙ্গত, এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ জানাতে সদলে দিল্লি গিয়েছিলেন মমতা। সেখানে তাঁর বৈঠক হয় মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানের কুমারের সঙ্গে। সেই বৈঠক থেকে বেরিয়েই কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন তিনি।

    ভোটার তালিকা সংশোধনের নামে রাজ্যে অনিয়ম! (Election Commission)

    জানা গিয়েছে, বেঁচে থাকতেও নির্বাচন কমিশনের নথিতে মৃত বলে চিহ্নিত এমন ৫০জন ভোটারকে দিল্লিতে নিয়ে গিয়েছেন মমতারা। শুধু তা-ই নয়, এসআইআর প্রক্রিয়ার কারণে পরিবারের কোনও না কোনও সদস্যের মৃত্যু হয়েছে, এমন অভিযোগ থাকা আরও ৫০জনকেও দিল্লিতে নিয়ে গিয়েছেন তৃণমূলের ভোট ম্যানেজাররা। এদিন নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে বৈঠক শুরু হয় তৃণমূলের প্রতিনিধি দলের (Mamata Banerjee)। সেখানেই ভোটার তালিকা সংশোধনের নামে রাজ্যে অনিয়ম, হয়রানি এবং মানবিক বিপর্যয়ের অভিযোগ তুলে ধরে কমিশনের কাছ থেকে সরাসরি ব্যাখ্যা ও পদক্ষেপ দাবি করে তৃণমূল। যদিও খানিক পরে নির্বাচন সদন থেকে বেরিয়ে মমতা অভিযোগ করেন, বৈঠকের আগেই তাঁদের অসম্মান ও অপমান করা হয়েছে। তাঁর আরও অভিযোগ, ভোটার তালিকা সংশোধনের নামে বাদ দেওয়া হয়েছে ৫৮ লাখ ভোটারের নাম। ভোটার তালিকা সংশোধনকে ঘিরে সাম্প্রদায়িক মেরুকরণের অভিযোগও করেন মমতা।

    হিন্দু-মুসলমান

    তাঁর দাবি, “যাঁরা হিন্দু-মুসলমান করেন, তাঁরা বুঝতে পারছেন? এখানে দু’জন মুসলিম রয়েছেন (Election Commission)। ক’জন হিন্দু?” তাঁর আরও প্রশ্ন, “বিজেপি শাসিত অসমে কেন এই প্রক্রিয়া করা হল না?” মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, এসআইআরের নামে রাজ্যে ৫৮ লাখ ভোটারের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে এসব করা হয়েছে। তার নেপথ্যে রয়েছেন সীমা খন্না। কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “এত বড় সংখ্যায় ভোটার বাদ পড়ার পরেও নির্বাচন কমিশন কোনও ব্যাখ্যা চাইছে না।”

    প্রধানমন্ত্রীকে নিশানা

    এদিন আরও একবার প্রধানমন্ত্রীকে নিশানা করেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, “আপনারা প্রধানমন্ত্রীকে জিজ্ঞেস করুন। ওঁর বাবা-মায়ের জন্ম-কুন্ডলী বের করতে বলুন।” তিনি বলেন, “লালকৃষ্ণ আডবাণীর নাগরিকত্ব এবং জন্মস্থান সংক্রান্ত প্রশ্নও এক সময় উঠেছিল।” এদিনের বৈঠকের স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন মমতা। বলেন, “বৈঠকের সময় কমিশনের নিজস্ব ক্যামেরাম্যানরা উপস্থিত ছিলেন, অথচ বাইরের ক্যামেরাম্যানদের সেখানে ঢোকার অনুমতি দেওয়া হয়নি।” মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আপনাদের যা ইচ্ছে, তাই করবেন, তা তো হয় না! বহুদিন ধরে রাজনীতি করছি, মন্ত্রীও ছিলাম (Election Commission)। এরকম অহঙ্কারী নির্বাচন কমিশন কখনও দেখিনি (Mamata Banerjee)।”

  • Intimidatory Tactics: ‘ভয় দেখানোর মাধ্যমে সাংবিধানিক কর্তব্যে বাধা দেওয়ার চেষ্টা ব্যর্থ হবে’, সাফ জানাল কমিশন

    Intimidatory Tactics: ‘ভয় দেখানোর মাধ্যমে সাংবিধানিক কর্তব্যে বাধা দেওয়ার চেষ্টা ব্যর্থ হবে’, সাফ জানাল কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘ভয় দেখানোর মাধ্যমে সাংবিধানিক কর্তব্যে বাধা দেওয়ার চেষ্টা ব্যর্থ হবে।’ সাফ জানিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (CEC) এবং রাজ্যের চিফ ইলেক্টোরাল অফিসারের (CEO) বিরুদ্ধে পুলিশে দায়ের করা অভিযোগগুলির তীব্র নিন্দাও করেছে কমিশন (Intimidatory Tactics)। নির্বাচন কমিশনের মতে, এই ধরনের পুলিশি অভিযোগ প্রশাসনিক চাপ সৃষ্টি করার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে, যা কোনওভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। কমিশন স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, নির্বাচন পরিচালনার ক্ষেত্রে সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে কোনও রকম ভয় বা হুমকির কাছে নতি স্বীকার করা হবে না।

    কমিশনের সাফ কথা (Intimidatory Tactics)

    কমিশনের বক্তব্য, নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার স্তম্ভ হিসেবে নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা রক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি, এবং সেই স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপের যে কোনও প্রচেষ্টার মোকাবিলা করা হবে কঠোরভাবে।নির্বাচন কমিশন আরও জানিয়েছে, এই ধরনের ভীতি প্রদর্শনের কৌশল শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হবেই এবং সংবিধান অনুযায়ী কমিশন তার দায়িত্ব পালন করে যাবে। প্রসঙ্গত, ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর প্রধান নির্বাচন (Intimidatory Tactics) কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার এবং পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়ালের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া পুলিশি অভিযোগের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে। কমিশনের মতে, এই অভিযোগগুলি ‘পরিকল্পিত, ভিত্তিহীন এবং ভীতিপ্রদর্শনের উদ্দেশ্যে করা’।

    অভিযোগগুলি পূর্বপরিকল্পিত

    পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর থেকে এক্স হ্যান্ডেলে প্রকাশিত একাধিক সরকারি পোস্টে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, তারা এমন সংবাদ প্রতিবেদন লক্ষ্য করেছে যেখানে বলা হয়েছে (Election Commission), ২০২৬ সালের জন্য যে এসআইআর প্রক্রিয়া চলছে, তাকে কেন্দ্র করে দুই শীর্ষ নির্বাচন আধিকারিকের বিরুদ্ধে পুলিশি অভিযোগ (Intimidatory Tactics) দায়ের হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের তরফে জারি করা এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “এই অভিযোগগুলি পূর্বপরিকল্পিত, সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং ২০২৬ সালের এসআইআর সংক্রান্ত আইনগত দায়িত্ব পালনকারী আধিকারিকদের ভয় দেখিয়ে দমন করার এক স্থূল প্রচেষ্টা।” কমিশনের সাফ কথা, “নির্বাচনী যন্ত্রকে ভয় দেখিয়ে আত্মসমর্পণে বাধ্য করা এবং সংবিধানস্বীকৃত নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে বিপথে চালিত করার উদ্দেশ্যে নেওয়া এই (Election Commission) ধরনের ভীতিপ্রদর্শনমূলক কৌশল নিঃসন্দেহে ব্যর্থ হতে বাধ্য (Intimidatory Tactics)।”

    নিরপেক্ষতা রক্ষার অঙ্গীকার

    কমিশন মনে করিয়ে দিয়েছে, নির্বাচনী আধিকারিকরা সংবিধান অনুযায়ী নিয়মিতভাবে ভোটার তালিকা সংশোধনের দায়িত্বপ্রাপ্ত এবং বর্তমানে যে এসআইআর প্রক্রিয়াটি চলছে, তা সম্পূর্ণভাবে আইন ও প্রতিষ্ঠিত বিধি মেনেই পরিচালিত হচ্ছে। কমিশনের ইঙ্গিত, তারা এই অভিযোগগুলিকে বিচ্ছিন্ন বা ব্যক্তিগত অভিযোগ হিসেবে দেখছে না, বরং এগুলিকে একটি সুপরিকল্পিত ও সমন্বিত ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে বিবেচনা করছে। কোন পরিস্থিতিতে এই অভিযোগগুলি দায়ের করা হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হবে বলেও জানিয়েছে কমিশন। কমিশনের কড়া বার্তা, “এই ধারাবাহিক ও মনগড়া অভিযোগগুলির নেপথ্যে থাকা ষড়যন্ত্র উদ্ঘাটনে চেষ্টার কসুর করা হবে না। শেষ পর্যন্ত জয়ী হবে আইনের শাসন এবং সত্যই (Intimidatory Tactics)।” নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষতা ও জনস্বার্থ রক্ষায় তাদের অঙ্গীকারের কথাও জানিয়ে দিয়েছে আরও একবার (Election Commission)।

    জনস্বার্থেই কাজ

    রাজ্যে নির্বাচন পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত আধিকারিকদের দৃঢ় সংকল্পের কথা তুলে ধরে কমিশন জানিয়েছে, বাহ্যিক চাপ বা ভয়ভীতির মুখেও পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনী ব্যবস্থা দৃঢ়তা ও নৈতিকতার সঙ্গে, সম্পূর্ণভাবে জনস্বার্থে কাজ করে যাবে। নির্বাচন কমিশনের এই কড়া প্রতিক্রিয়া এসেছে এমন একটা সময়ে, যখন পশ্চিমবঙ্গের দুই প্রবীণ ভোটারের পরিবারের পক্ষ থেকে পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। সোমবার ওই দুই প্রবীণ ভোটার শুনানির নোটিশ পাওয়ার পরের মারা যান। এই নোটিশগুলি এসআইআর প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত ছিল (Intimidatory Tactics)।

    এসআইআর নিয়ে বিতর্ক

    পুরুলিয়া জেলার বছর বিরাশির দুর্জন মাঝির ছেলের অভিযোগ, তাঁর বাবার নাম ২০০২ সালের স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশনের সময় প্রস্তুত করা কাগজে থাকা ভোটার তালিকায় থাকলেও, নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে আপলোড করা সংশ্লিষ্ট তালিকায় সেই নাম নেই। অভিযোগ, এই অসঙ্গতির কারণেই ওই প্রবীণ ভোটারকে শুনানির নোটিশ পাঠানো হয় (Election Commission)। নোটিশ পাওয়ার পর নির্ধারিত শুনানির সময়ের কয়েক ঘণ্টা আগেই ওই প্রবীণ ব্যক্তি আত্মহত্যা করেন। অভিযোগকারীরা এই ঘটনার জন্য সরাসরি মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (CEC) এবং পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (CEO)-কে দায়ী করেছেন। পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের হয়েছে এবং বিষয়টি ঘিরে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে।

    ডেটাবেসে নাম বাদ পড়া নিয়ে ওঠা উদ্বেগ

    ভোটার তালিকার ডেটাবেসে নাম বাদ পড়া নিয়ে ওঠা উদ্বেগের প্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশন ২৭ ডিসেম্বর জারি করা একটি বিজ্ঞপ্তির কথা উল্লেখ করেছে। কমিশনের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ২০০২ সালের এসআইআরের ভোটার তালিকায় প্রায় ১.৩ লাখ ভোটারের নাম রয়েছে, কিন্তু প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে যাঁদের নাম অনলাইন ডেটাবেসে প্রতিফলিত হয়নি, তাঁদের কোনও শুনানিতে হাজির হতে হবে না (Election Commission)। নির্বাচন কমিশনের মতে, পুরানো ভোটার তালিকার ডিজিটাল রূপান্তরের সময় সৃষ্ট প্রযুক্তিগত বিভ্রাটের কারণে যাতে কোনও ভোটার হয়রানি বা অযথা অসুবিধার সম্মুখীন না হন, সেই লক্ষ্যেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে (Intimidatory Tactics)।

    এসআইআর প্রক্রিয়ার মূল উদ্দেশ্য

    কমিশনের আধিকারিকরা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, এসআইআর প্রক্রিয়ার মূল উদ্দেশ্য হল ভোটার তালিকার নির্ভুলতা বাড়ানো, যার মধ্যে রয়েছে দ্বৈত নাম বাদ দেওয়া, ভুল সংশোধন করা এবং যোগ্য ভোটারদের তালিকাভুক্ত করা। প্রকৃত বা বৈধ ভোটারদের বাদ দেওয়া বা ভয় দেখানো এই প্রক্রিয়ার উদ্দেশ্য নয়। উল্লেখ্য, এসআইআর একটি সংবেদনশীল প্রক্রিয়া, বিশেষত পশ্চিমবঙ্গের মতো রাজনৈতিকভাবে উত্তপ্ত রাজ্যগুলিতে, যেখানে নির্বাচন অত্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এবং নির্বাচনী ব্যবস্থাপনা নিয়মিত কড়া নজরদারির মধ্যে থাকে (Election Commission)।

    নির্বাচন কমিশন একাধিকবার জানিয়েছে যে, এসআইআর ২০২৬ সম্পূর্ণ স্বচ্ছভাবে এবং আইনি বিধান মেনেই পরিচালিত হচ্ছে। ভোটারদের অধিকার সুরক্ষিত রাখতে এই প্রক্রিয়ায় একাধিক সুরক্ষার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে বলেও দাবি কমিশনের (Intimidatory Tactics)।

  • Gyanesh Kumar: “আধার জন্মতারিখ, বাসস্থান বা নাগরিকত্বের প্রমাণ নয়”, বললেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার

    Gyanesh Kumar: “আধার জন্মতারিখ, বাসস্থান বা নাগরিকত্বের প্রমাণ নয়”, বললেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সুপ্রিম কোর্টের আদেশ এবং আধার আইনের অধীনে আধারকে (AADHAAR) জন্মতারিখ, বাসস্থানের প্রমাণ বা নাগরিকত্বের প্রমাণ হিসেবে গণ্য করা যায় না”, সাফ জানালেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার (Gyanesh Kumar)। ভোটার তালিকা প্রণয়নে আধারের ব্যবহারের বিষয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি জানান, আধার নম্বর প্রদান সম্পূর্ণ ঐচ্ছিক। আধার আইন ও ১৯৫০ সালের জনগণ প্রতিনিধিত্ব আইন উভয়েরই অধীনে।

    প্রধান নির্বাচন কমিশনারের বক্তব্য (Gyanesh Kumar)

    প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, “সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ এবং আধার আইনের অধীনে আধারকে জন্মতারিখ, বাসস্থানের প্রমাণ বা নাগরিকত্বের প্রমাণ হিসেবে গণ্য করা যায় না। নির্বাচন কমিশন ভোটার তালিকা তৈরির ফর্মের মধ্যেই আধার কার্ডের অনুরোধ করেছিল। তবে আধার নম্বর প্রদান আধার আইনের অধীনে বাধ্যতামূলক নয়, তেমনি ১৯৫০ সালের জনগণ প্রতিনিধিত্ব আইনের ২৬ ধারা অনুযায়ীও নয়। এটি সম্পূর্ণ ঐচ্ছিক। এটি আধার কার্ডধারীর ওপর নির্ভর করে। আধার আইনের অধীনেও আধার কার্ড না বাসস্থানের প্রমাণ, না নাগরিকত্বের প্রমাণ।”

    আধার বাধ্যতামূলক নয়

    তিনি জানান, নির্বাচন কমিশন তালিকাভুক্তির ফর্মে আধার গ্রহণ করলেও এটি বাধ্যতামূলক নয় এবং যোগ্যতা প্রমাণের জন্য অন্যান্য নথিও প্রয়োজন হতে পারে, যা সুপ্রিম কোর্টের রায়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। জ্ঞানেশ কুমার (Gyanesh Kumar) বলেন, “যদি কেউ ২০২৩ সালের পর আধার কার্ড করে থাকেন বা ২০২৩ সালের পর আধার কার্ড ডাউনলোড করে থাকেন, তাহলে সুপ্রিম কোর্টের একাধিক নির্দেশ অনুযায়ী আধার কার্ডেই স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা রয়েছে যে আধার কার্ড জন্ম তারিখের প্রমাণ নয়। সুপ্রিম কোর্ট বলেছে এবং আমরা সেই নির্দেশই মেনে চলছি যে আধার কার্ড গ্রহণ করতে হবে। আমরা গণনার ফর্মে আধার কার্ড গ্রহণ করছিলাম এবং এখনও করছি। তবে সুপ্রিম কোর্ট তার নির্দেশে এটাও স্পষ্ট করেছে (AADHAAR) যে আধার কার্ড নাগরিকত্বের প্রমাণ নয়। যোগ্যতা যাচাইয়ের জন্য অন্যান্য নথিরও প্রয়োজন হতে পারে (Gyanesh Kumar)।”

  • Gyanesh Kumar: “কোনও ভোটকেন্দ্রে ১,২০০-র বেশি ভোটার থাকবে না”, সাফ কথা জাতীয় মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের

    Gyanesh Kumar: “কোনও ভোটকেন্দ্রে ১,২০০-র বেশি ভোটার থাকবে না”, সাফ কথা জাতীয় মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “নির্বিঘ্নে ভোটগ্রহণ করার জন্য কোনও ভোটকেন্দ্রে ১,২০০-র বেশি ভোটার থাকবে না।” রবিবার আসন্ন বিহার বিধানসভা নির্বাচনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপগুলির রূপরেখা তুলে ধরতে গিয়ে এ কথা বলেন জাতীয় মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার (Gyanesh Kumar)।

    জ্ঞানেশ কুমারের বক্তব্য (Gyanesh Kumar)

    তিনি জানান, ভোট প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা বাড়ানো (Polling Station) ও ভোটারদের অভিজ্ঞতা উন্নত করার লক্ষ্যেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এদিন পাটনায় সাংবাদিকদের সঙ্গে বৈঠক করতে গিয়ৈ জ্ঞানেশ কুমার বলেন, “নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে কোনও ভোটকেন্দ্রে ১,২০০-এর বেশি ভোটার থাকবে না।” তিনি জানান, বুথ-স্তরের কর্তাদের এখন থেকে পরিচয়পত্র দেওয়া হবে, যাতে তাদের সহজে চিহ্নিত করা যায়। ভোটারদের মোবাইল ফোন বুথের বাইরে জমা রাখতে হবে। তিনি বলেন, “বুথ-স্তরের কর্তাদের জন্য পরিচয়পত্র চালু করা হয়েছে, যাতে ভোটারদের কাছে পৌঁছানোর সময় তাদের সহজে চেনা যায়। ভোটাররা বুথের বাইরে একটি নির্দিষ্ট কক্ষে মোবাইল ফোন জমা দিতে পারবেন। এই প্রক্রিয়া সমগ্র বিহারে কার্যকর করা হবে। প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে ১০০ শতাংশ ওয়েবকাস্টিং থাকবে।”

    নয়া ঘোষণা

    প্রধান নির্বাচন কমিশনার আসন্ন নির্বাচনের ব্যালট পেপারেও পরিবর্তনের কথা ঘোষণা করেন। তিনি জানান, ব্যালট পেপারের সিরিয়াল নম্বরের অক্ষর এখন থেকে সারা দেশে বড় আকারের হবে এবং প্রার্থীদের ছবি থাকবে রঙিন (Gyanesh Kumar)। তিনি বলেন, “যখন ব্যালট পেপার ইভিএম-এ প্রবেশ করানো হয়, তখন তাতে প্রার্থীর ছবি সাদা-কালো ছিল, যদিও নির্বাচনী প্রতীক থাকে। সিরিয়াল নম্বরও আরও বড় হওয়া উচিত। বিহার নির্বাচন দিয়ে শুরু করে সারা (Polling Station) দেশে ব্যালট পেপারের সিরিয়াল নম্বর বড় আকারে ছাপানো হবে এবং প্রার্থীদের রঙিন ছবিও থাকবে(Gyanesh Kumar)।”

  • Gyanesh Kumar: দেশের নতুন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার, জানেন তাঁর পরিচয়?

    Gyanesh Kumar: দেশের নতুন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার, জানেন তাঁর পরিচয়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের নতুন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার নিযুক্ত হলেন আইএএস অফিসার জ্ঞানেশ কুমার (Gyanesh Kumar)। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (New CEC) রাজীব কুমারের মেয়াদ শেষ হচ্ছে আজ, ১৮ ফেব্রুয়ারি। রাজীব কুমারের জায়গায় বসতে চলেছেন জ্ঞানেশ কুমার। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন একটি উচ্চ পর্যায়ের কমিটির সভার পর এই নিয়োগের ঘোষণা করা হয়। কুমারের সিইসির পদে কাজের মেয়াদ ২০২৯ সালের ২৬ জানুয়ারি পর্যন্ত থাকবে। এই সময়কালে তিনি ২০টি বিধানসভা নির্বাচন, ২০২৭ সালের রাষ্ট্রপতি ও উপ-রাষ্ট্রপতি নির্বাচন এবং ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি দেখবেন।

    কে এই জ্ঞানেশ কুমার

    ভারতের নির্বাচন কমিশনের ৩ সদস্যের প্যানেলের সদস্য জ্ঞানেশ কুমার (Gyanesh Kumar)। রাজীব কুমারের নেতৃত্বের প্যানেলে জ্ঞানেশ কুমার ও সুখবীর সিং সান্ধু রয়েছেন। এই ২ জনের মধ্যে সিনিয়র জ্ঞানেশ কুমার। তিনি ১৯৮৮ ব্যাচের কেরল ক্যাডারের আইএএস অফিসার। আইআইটি কানপুর থেকে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বিটেক করেছেন তিনি। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এনভায়রনমেন্টাল ইকোনমিক্স নিয়ে পড়াশোনা করেছেন। এর আগে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকে দায়িত্ব সামলেছেন জ্ঞানেশ। ভারতের সংবিধানের ৩৭০ নম্বর অনুচ্ছেদ বাতিল করার জন্য যে বিল আনা হয়েছিল, তার ড্রাফটিংয়ের কাজে সাহায্য করেছিলেন তিনি। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কাশ্মীর ডিভিশনের জয়েন্ট সেক্রেটারির দায়িত্ব সামলেছেন। পরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অতিরিক্ত সেক্রেটারি হিসেবে সুপ্রিম কোর্টে চলা অযোধ্যার রাম মন্দির মামলার নথিপত্র দেখেছেন তিনি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের অধীনে থাকা মিনিস্ট্রি অফ কো-অপারেশনের সেক্রেটারি পদে কর্মরত অবস্থায় অবসর নিয়েছিলেন জ্ঞানেশ কুমার। ইউপিএ-আমলে প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের দায়িত্ব সামলেছিলেন জ্ঞানেশ।

    কতদিন দায়িত্বে

    নতুন আইন অনুযায়ী নির্বাচন কমিশনের (EC) সদস্যদের নিয়োগের অধীনে নিযুক্ত প্রথম প্রধান নির্বাচন কমিশনার (New CEC) হলেন জ্ঞানেশ কুমার (Gyanesh Kumar)। তাঁর মেয়াদ চলবে ২৬ জানুয়ারি ২০২৯ পর্যন্ত। তাঁর নিয়োগের সময়সীমা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। সরকারের কাছে সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্ত আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করার অনুরোধ করেন। চলতি বছরের শেষের দিকে বিহার বিধানসভা নির্বাচন এবং ২০২৬ সালে কেরল ও পুদুচেরি বিধানসভা নির্বাচন তত্ত্বাবধান করবেন জ্ঞানেশ। আগামী বছর, অর্থাৎ ২০২৬ সালে, তিনি তামিলনাড়ু এবং পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনও তত্ত্বাবধান করবেন।

  • Election Commission: নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ আইনে স্থগিতাদেশ দিল না সুপ্রিম কোর্ট

    Election Commission: নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ আইনে স্থগিতাদেশ দিল না সুপ্রিম কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচন ঘোষণা হয়েছে গত শনিবার। ৭ দফায় ভোট হবে দেশজুড়ে। ইতিমধ্যে প্রথম দফার ভোটের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশও হয়ে গিয়েছে। এই আবহে নির্বাচন কমিশনার (Election Commission) নিয়োগ আইনের উপর স্থগিতাদেশ দিতে অস্বীকার করল সুপ্রিম কোর্ট।

    দেশে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ তিন সদস্য-বিশিষ্ট। তাতে থাকেন একজন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এবং বাকি দুই জন নির্বাচন কমিশনার। কিন্তু গত মাসে আচমকা নির্বাচন কমিশনার পদ থেকে ইস্তফা দেন অরুণ গোয়েল। অন্যদিকে, অরুণ গোয়েলের ইস্তফা দেওয়ার কয়েক দিন আগেই অবসর নেন অন্য এক নির্বাচন কমিশনার (Election Commission) অনুপ পাণ্ডে। তার ফলে নির্বাচন কমিশনারের দুটো পদই শূন্য হয়ে যায়। ঠিক এইরকম পরিস্থিতিতে গত ১৪ মার্চ নির্বাচন কমিশনারের দুটি শূন্য পদে, দুই আমলাকে নিয়োগ করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন কমিটি।

    নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দায়ের হয় মামলা

    নির্বাচন কমিশনারের পদে আনা হয় সুখবীর সিং সান্ধু এবং জ্ঞানেশ কুমারকে। এই নির্বাচন কমিশনার (Election Commission) নিয়োগ নিয়েই সুপ্রিম কোর্টের দায়ের হয় মামলা। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সমেত বাকি দুই নির্বাচন কমিশনারের নিয়োগের ক্ষেত্রে যে আইন রয়েছে সেই আইনকে চ্যালেঞ্জ জানানো হয়। বৃহস্পতিবার এ নিয়ে বিচারপতি সঞ্জীব খান্না এবং বিচারপতি দীপঙ্কর দত্তের ডিভিশন বেঞ্চ পর্যবেক্ষণে জানায়, সামনে নির্বাচন রয়েছে। এমন সময় এই আইনের উপর স্থগিতাদেশ জারি করা ঠিক নয়। আর যাঁদের নির্বাচন কমিশনার হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগও নেই।

    নিয়োগ কমিটি 

    সুপ্রিম কোর্ট সাফ জানিয়ে দেয়, নবনিযুক্ত দুই নির্বাচন কমিশনারকে তাঁদের পদ থেকে সরানোর কোনও কারণ আদালত দেখছে না। সুপ্রিম কোর্ট এ দিন আরও জানিয়েছে, ভোটের মুখে কমিশনারদের (Election Commission) সরিয়ে দিলে তার প্রভাব নির্বাচনে পড়বে। প্রসঙ্গত, নয়া আইনে নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত যে কমিটি তৈরি করা হয়েছে তাতে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী (চেয়ারপার্সন) একজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী (মেম্বার) এবং লোকসভার বিরোধী দলনেতা (মেম্বার)। আগের আইনে দেশের প্রধান বিচারপতিও থাকতেন। বর্তমান আইনে সেটা নেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Elections 2024: নির্বাচন কমিশনে নিয়োগ দুই কমিশনার, চেনেন জ্ঞানেশ ও সুখবীরকে?

    Lok Sabha Elections 2024: নির্বাচন কমিশনে নিয়োগ দুই কমিশনার, চেনেন জ্ঞানেশ ও সুখবীরকে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: থাকার কথা তিনজন। ছিলেন মাত্র একজন। বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশনের (Lok Sabha Elections 2024) দুই শূন্য পদে নিয়োগ করা হল দুই কমিশনারকে। এঁরা হলে সুখবীর সিং সান্ধু ও জ্ঞানেশ কুমার। এঁদের নিয়োগের আগে এদিন সকালে বৈঠকে বসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের কমিটি। কমিটিতে রয়েছেন লোকসভার বৃহত্তম বিরোধী দল কংগ্রেসের নেতা তথা সাংসদ অধীর চৌধুরীও। এই কমিটির আর এক সদস্য কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সুখবীর ও জ্ঞানেশের নিয়োগের খবর প্রকাশ্যে আনেন অধীরই।

    চিনুন জ্ঞানেশকে (Lok Sabha Elections 2024)

    গত অগাস্টে নির্বাচন কমিশনার বিল, ২০২৩ পাশ করিয়ে কেন্দ্র জানায়, তিন সদস্যের প্যানেলে থাকবেন প্রধানমন্ত্রী, লোকসভার বিরোধী দলনেতা ও প্রধানমন্ত্রী মনোনীত একজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। এই কমিটি যে নাম বা নামগুলি প্রস্তাব করবে, তাঁকে বা তাঁদের নিয়োগ করবেন রাষ্ট্রপতি। জ্ঞানেশ কুমার (Lok Sabha Elections 2024) ১৯৮৮ ব্যাচের কেরল ক্যাডারের আইএএস। সংসদ বিষয়ক মন্ত্রকের সেক্রেটারি ছিলেন তিনি। তাঁর আমলেই ভূস্বর্গে রদ হয় ৩৭০ ধারা। কয়েকদিন আগে সমবায় মন্ত্রকের সচিবের পদ থেকে অবসর নিয়েছেন জ্ঞানেশ। ওই মন্ত্রক গঠনের পর থেকেই ওই পদে ছিলেন তিনি। মন্ত্রকটি রয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের অধীনে। 

    সান্ধু কে জানেন?

    প্রাক্তন আইএএস সান্ধু ১৯৮৮ ব্যাচের উত্তরাখণ্ড ক্যাডারের অফিসার। তাঁর আদত বাড়ি পাঞ্জাব। ২০২১ সালে পুষ্কর সিং ধামি যখন মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন, তখন সান্ধুকে সে রাজ্যের মুখ্যসচিব করা হয়। ন্যাশনাল হাইওয়ে অথরিটি অফ ইন্ডিয়ার চেয়ারপার্সন হিসেবেও কাজ করেছেন সান্ধু। মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রকের উচ্চ শিক্ষা বিভাগে সান্ধু কাজ করেছেন অতিরিক্ত সচিব হিসেবে। অমৃতসরের সরকারি মেডিক্যাল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাশ করেছিলেন তিনি। অমৃতসরেরই গুরু নানক দেব বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইতিহাসে স্নাতকোত্তর ডিগ্রিও লাভ করেছিলেন তিনি। তাঁর ঝুলিতে রয়েছে আইনের স্নাতকের ডিগ্রিও।

    আরও পড়ুুন: “৩৫টি প্লটের মালিক যে পরিবার, তাদের খাওয়ার অভাব?” অভিষেককে তোপ সুকান্তর

    তিনজন নির্বাচন কমিশনারকে একত্রে বলা হয় কমিশনের ফুল বেঞ্চ। একজন কমিশনার অবসর নেওয়ায় কাজ চালাচ্ছিলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমার ও নির্বাচন কমিশনার অরুণ গোয়েল। ৯ মার্চ হঠাৎই ইস্তফা দেন অরুণ। দোরগোড়ায় লোকসভা নির্বাচন (Lok Sabha Elections 2024)। তাই কমিশনারের দুই শূন্য পদে দ্রুত নিয়োগের সিদ্ধান্ত হয়। ২১২ জনের মধ্যে থেকে বেছে নেওয়া হয় জ্ঞানেশ ও সুখবীরকে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share