Tag: gyanesh kumar

gyanesh kumar

  • Gyanesh Kumar: “পশ্চিমবঙ্গে ভোট হবে অবাধ, শান্তিপূর্ণ”, বললেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার

    Gyanesh Kumar: “পশ্চিমবঙ্গে ভোট হবে অবাধ, শান্তিপূর্ণ”, বললেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “পশ্চিমবঙ্গে ভোট (Assembly Election 2026) হবে অবাধ, শান্তিপূর্ণ। কোনওরকম হিংসা বরদাস্ত করা হবে না।” মঙ্গলবার কলকাতায় সাংবাদিক বৈঠকে একথাই বললেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার (Gyanesh Kumar)। তিনি সাফ জানিয়ে দেন, ভোটের কাজের সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের ভয় দেখানো বা হুমকি দেওয়া যাবে না। এ সংক্রান্ত অভিযোগ পেলে কঠোর পদক্ষেপ করা হবে। এসআইআর প্রসঙ্গে তিনি জানান, জনপ্রতিনিধিত্ব আইন এবং এসআইআর অনুযায়ী ভোটার তালিকা তৈরি করা হয়েছে। কোনও বৈধ ভোটারের নাম বাদ যাবে না।

    ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি (Gyanesh Kumar)

    এসআইআরের লক্ষ্য হল, স্বচ্ছ ভোটার তালিকা তৈরি করা। তিনি জানান, কিছু ভোটার রয়েছেন, যাঁদের রাজনৈতিক দলগুলি বোঝাতে পারেনি যে যাঁদের নাম নেই, তাঁরা ফর্ম ৬ পূরণ করতে পারেন এবং ভোটার তালিকায় নাম তুলতে পারেন। তাঁর দাবি, সেই কারণেই এই সংঘাত। তিনি জানান, কোনও ভোটার বা ভোটকর্মীকে ভয় দেখানো যাবে না। কমিশন এই বিষয়ে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি নেবে। কমিশন জানিয়েছে, দু’ঘণ্টা অন্তর প্রিসাইডিং অফিসাররা জানাবেন ভোটদানের (Assembly Election 2026) হার। এটি আপলোড করা হবে ইসিআইনেট অ্যাপ এবং কমিশনের সাইটে। স্বচ্ছতা বজায় রাখতে রাজ্যের সব ভোটকেন্দ্রে ওয়েব কাস্টিংয়ের ব্যবস্থা থাকবে। কোনও প্রার্থী চাইলে নির্বাচনের পর এক সপ্তাহের মধ্যে ইভিএম পরীক্ষা করাতে পারবেন। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জানান, ইভিএমে প্রার্থীদের রঙিন ছবি দেওয়া থাকবে। পশ্চিমবঙ্গে ৮০ হাজারেরও বেশি বুথ থাকবে।

    ভোটার সহায়তা কেন্দ্র

    প্রতিটি বুথে থাকবে ভোটার সহায়তা কেন্দ্র। থাকবে পানীয় জলের ব্যবস্থাও। কোনও বুথে ১২০০-এর বেশি ভোটার থাকবে না। বুথের বাইরে করা হবে মোবাইল রাখার জায়গা। সেখানে মোবাইল রেখে ভোটকেন্দ্রে ঢুকতে পারবেন ভোটাররা। জ্ঞানেশ কুমার জানান, এ রাজ্যে নির্বাচন হবে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ। বয়স্ক ভোটারদের কথা মাথায় রেখে সব ভোটকেন্দ্র হবে একতলায়। ব্যবস্থা থাকবে হুইল চেয়ার এবং র‌্যাম্পেরও। বিশেষভাবে সক্ষম ভোটারদের জন্যও বিশেষ ব্যবস্থা করা হবে। ৮৫ বছরের বেশি যাঁদের বয়স, তাঁদের ভোট দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে বাড়ি থেকে (Gyanesh Kumar)।

    পক্ষপাতিত্ব ছাড়াই আইন কার্যকর করার নির্দেশ

    মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জানান (Assembly Election 2026), সব অফিসারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, কোনও ভয় বা পক্ষপাতিত্ব ছাড়াই আইন কার্যকর করুন। কোনও সরকারি কর্মী বা অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মী রাজনৈতিক দলের হয়ে কাজ করবেন না বলেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এসপি, জেলাশাসকদের স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, ভোটারদের সুরক্ষার জন্য যাবতীয় ব্যবস্থা করতে হবে। তিনি জানান, কত দফায় ভোট হবে, তা জানানো হবে আলোচনার পর। রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি দেখে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। যুব সম্প্রদায়কে ভোটদানে উৎসাহিত করতে কমিশন প্রচার করবে রাজ্যের কলেজগুলিতে। তরুণ ভোটারদের উৎসাহিত করতে প্রতিটি বিধানসভায় ক্যাম্পেন করবেন বিশেষ অফিসাররা (Gyanesh Kumar)। জ্ঞানেশ কুমার বলেন, “ভারত গণতান্ত্রিক দেশ। সকলের বাক্-স্বাধীনতা আছে। রাজনৈতিক দল কিছু বলতেই পারে। তা নিয়ে আমাদের কিছু বলার নেই। আমরা রাজনৈতিক মন্তব্যের উত্তর দিই না।”

    প্রসঙ্গত, এদিন কলকাতায় সাংবাদিক বৈঠক করে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ। জ্ঞানেশ কুমারের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন অন্য দুই নির্বাচন কমিশনার বিবেক জোশী এবং সুখবীর সিংহ সান্ধু। ছিলেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী (Assembly Election 2026) আধিকারিক মনোজ আগরওয়ালও। সূত্রের খবর, কমিশন এ রাজ্যে ভোটের ঘণ্টা বাজিয়ে দিতে পারে ১৫ বা ১৬ ফেব্রুয়ারি। সেদিনই জানানো হবে ভোটের নির্ঘণ্ট (Gyanesh Kumar)।

     

  • West Bengal Assembly Election: রাজ্যে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে কমিশনের দ্বারস্থ বিজেপি, ১-২ দফায় ভোটের আর্জি

    West Bengal Assembly Election: রাজ্যে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে কমিশনের দ্বারস্থ বিজেপি, ১-২ দফায় ভোটের আর্জি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Assembly Election) প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ বর্তমানে কলকাতায় এসেছে। সোমবার সকালে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে কমিশনের প্রতিনিধিদের যে বৈঠক হয়েছে, সেখানে ভারতীয় জনতা পার্টির (Bengal BJP) পক্ষ থেকে একগুচ্ছ সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব পেশ করা হয়েছে। বিজেপির পক্ষ থেকে মূলত অবাধ, শান্তিপূর্ণ এবং ভীতিমুক্ত নির্বাচনী পরিবেশ তৈরির ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে।

    সংক্ষিপ্ত দফায় নির্বাচন (West Bengal Assembly Election)

    বিজেপির (Bengal BJP) পক্ষ থেকে কমিশনকে অনুরোধ করা হয়েছে যাতে রাজ্যজুড়ে নির্বাচন (West Bengal Assembly Election) প্রক্রিয়া ১ থেকে ২ দফার মধ্যে সম্পন্ন করা হয়। তাদের মতে, পর্যাপ্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করে দ্রুত ভোট গ্রহণ শেষ করলে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়ানো সম্ভব হতে পারে। উল্লেখ্য ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যে মোট ৮ দফায় ভোট হয়েছিল। যদিও সেই সময় নির্বাচন চলাকালীন এবং নির্বাচন উত্তর হিংসার রূপ মারাত্মক আকার নিয়েছিল। তাই বিজেপি হিংসামুক্ত করার দাবিতে অনড়।

    ১৬ দফা দাবি

    এদিন বিজেপির (Bengal BJP) তরফে প্রতিনিধি দলে উপস্থিত ছিলেন তাপস রায়, শিশির বাজোরিয়া এবং জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়৷ কমিশনের ফুল বেঞ্চের সামনে নির্বাচন নিয়ে (West Bengal Assembly Election) ১৬ দফা দাবি পেশ করেছে বিজেপি। কমিশনকে জানানো হয়, ৭-৮ দফায় নির্বাচন করা দরকার নেই। সেনসিনিটিভ বুথ চিহ্নিত করা প্রয়োজন৷ রাজ্য পুলিশ যেভাবে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার করছে, তা নিয়েও কমিশনের কাছে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে বিজেপির প্রতিনিধি দল।

    কেন্দ্রীয় বাহিনীর কার্যকর ব্যবহার

    এদিন রাজ্য বিজেপির তরফে নির্বাচন কমিশনের কাছে গিয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে যথাযথ ভাবে ব্যবহার করার কথা জানানো হয়েছে। প্রতিটি বুথে কেবল রাজ্য পুলিশ নয়, বরং কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী (CAPF) মোতায়েন করার দাবি জানানো হয়েছে। এছাড়া বুথের বাইরেও যাতে বাহিনী টহল দেয়, সে বিষয়ে কমিশনকে পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে। ভোট কেন্দ্রে (West Bengal Assembly Election) কোনও ভাবেই দুষ্কৃতীদের দ্বারা যাতে ভোট লুট না হয় সেই বিষয়েও আবেদন করা হয়।

    ভোটার তালিকা সংশোধন

    ভোটার তালিকায় নাম বাদ যাওয়া বা ভুয়া নাম থাকা নিয়ে বিজেপির পক্ষ থেকে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। এবারের বিধানসভায় যাতে একটি ত্রুটিমুক্ত এবং স্বচ্ছ ভোটার তালিকা নিশ্চিত করা হয় সেই দিকে নজর দিয়ে জোরালো দাবি করেছে বিজেপি।

    নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা

    ভোটের সময় স্থানীয় প্রশাসনের নিরপেক্ষ ভূমিকা পালনের প্রয়োজনীয়তা এবং ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়েও বিজেপি সরব হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ সোমবার দিনভর বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনার পর বিকেলে রাজ্যের প্রশাসনিক ও পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন। বিজেপির এই ১-২ দফায় ভোট (West Bengal Assembly Election) করানোর প্রস্তাব নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ইতিমধেই নানামুখী আলোচনা শুরু হয়েছে, কারণ সাধারণত পশ্চিমবঙ্গে বড় নির্বাচনগুলো বেশ কয়েকটি দফায় অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে।

    ভারতের নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ যখন পশ্চিমবঙ্গ সফরে ব্যস্ত, ঠিক সেই সময়েই রাজ্যের এক রাজনৈতিক নেতার বিতর্কিত মন্তব্যকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রাজ্য রাজনীতি। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার-এর উদ্দেশে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নানা সময়ে অভব্য মন্তব্য করে সাংবিধানিক পদকে অপমান করেছেন বলে বার বার বিজেপি সরব হয়েছে।

    কল্যাণের বিরুদ্ধে আইনী পদক্ষেপের দাবি

    সম্প্রতি তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে লক্ষ্য করে অত্যন্ত অবমাননাকর ও প্রচ্ছন্ন হুমকিমূলক ভাষা প্রয়োগ করেছেন। শুধু তাই নয় জ্ঞানেশ কুমারের ‘আঙুল কাটা’-র মতো উস্কানি মন্তব্য করেছেন শ্রীরামপুরের সাংসদ। বিজেপি (Bengal BJP) দাবি করেছে এই আচরণ অগণতান্ত্রিক এবং শিষ্টাচারবহির্ভূত বলে। এই বিষয়টি নিয়ে সরাসরি নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে। তাঁদের মতে, সাংবিধানিক পদের অধিকারী কোনও ব্যক্তির বিরুদ্ধে এ ধরনের কুরুচিকর আক্রমণ কেবল ব্যক্তিগত অপমান নয়, বরং নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও মর্যাদাকে কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা।

  • Gyanesh kumar: নির্বাচন প্রস্তুতির পর্যালোচনায় রাজ্যে কমিশনের ফুল বেঞ্চ, জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বে ম্যারাথন বৈঠক

    Gyanesh kumar: নির্বাচন প্রস্তুতির পর্যালোচনায় রাজ্যে কমিশনের ফুল বেঞ্চ, জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বে ম্যারাথন বৈঠক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Election 2026) নির্ঘণ্ট ঘোষণার প্রাক্কালে রাজ্যের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে তিন দিনের সফরে কলকাতায় পৌঁছেছেন নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (CEC) জ্ঞানেশ কুমার-এর (Gyanesh kumar) নেতৃত্বে এই উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলটি রবিবার রাতেই শহরে পদার্পণ করে। আজ, সোমবার থেকে শুরু হচ্ছে কমিশনের ব্যস্ত কর্মসূচি। মূলত আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং ভোটগ্রহণের প্রশাসনিক প্রস্তুতি যাচাই করাই এই সফরের মূল লক্ষ্য।

    বৈঠকের সময় সূচি কেমন (Gyanesh kumar)?

    ৯ মার্চ সোমবার সকাল থেকেই শুরু হয়েছে বৈঠক এবং পর্যালোচনা। সকাল ১০টায় স্বীকৃত রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গে বৈঠক করেন কমিশনের সদস্যরা। মাঝে ৩০ মিনিটের বিরতি। এরপর দুপুর ১২টা থেকে ১২টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত কমিশনকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানানো হয়। দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিট থেকে ১২টা ৫৫ মিনিট পর্যন্ত বক্তব্য রাখেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগারওয়াল। তারপর ১২টা ৫৫ মিনিট থেকে ১টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত কমিশনের পক্ষ থেকে উদ্বোধনী বক্তব্য। দুপুর ১টা ১৫ মিনিট থেকে ২টো ১৫ মিনিট পর্যন্ত বিভিন্ন আইন প্রয়োগকারী সংস্থার শীর্ষ আধিকারিক এবং এসএসপি-এসপি পর্যায়ের আধিকারিকদের (Gyanesh kumar) সঙ্গে নির্বাচনের (West Bengal Election 2026) প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা রয়েছে। এরপর মাঝে একটা বিরতি থাকবে এবং শেষে ৩টে ১৫ মিনিট থেকে আবার বৈঠক রয়েছে কমিশনের। বিষয় থাকবে নির্বাচন প্রস্তুতির বিস্তারিত বৈঠক।

    রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে মতবিনিময়

    আজ সকালে প্রথমেই স্বীকৃত রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন কমিশনের কর্তারা। নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে বিভিন্ন দলের অভিযোগ ও পরামর্শ শোনা হয় এই অধিবেশনে। এই সঙ্গে প্রশাসনিক ও পুলিশি পর্যালোচনা করার কথাও হয়েছে। দুপুরে রাজ্যের সব জেলার জেলাশাসক (DM) এবং পুলিশ সুপারদের (SP) সঙ্গে বৈঠকে বসেন জ্ঞানেশ কুমার। নির্বাচনী প্রস্তুতি (West Bengal Election 2026), বুথের পরিকাঠামো এবং স্পর্শকাতর এলাকাগুলোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সফরের দ্বিতীয় ভাগে রাজ্যের মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব এবং রাজ্য পুলিশের মহানির্দেশকের (DGP) সঙ্গেও কমিশনের সদস্যদের বৈঠক করার কথা রয়েছে।

    কেন্দ্রীয় বাহিনীর মোতায়েন

    আজকের এই বৈঠকে রাজ্যের বিধানসভা (West Bengal Election 2026) ভোটকে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ করতে রাজ্যে কত সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী প্রয়োজন এবং তাদের মোতায়েনের কৌশল নিয়েও এই সফরে চূড়ান্ত রূপরেখা তৈরি হওয়ার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। ভোটার তালিকায় নাম সংশোধন ও অন্তর্ভুক্তি (SIR) নিয়ে সম্প্রতি যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তা নিয়েও কমিশনের এই সফরে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। ১০ মার্চ সফর শেষ করে দিল্লিতে ফিরে যাওয়ার পরই রাজ্যে নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল ভাবে রয়েছে।

  • Election Commission: “এরকম মিথ্যেবাদী কমিশন কখনও দেখিনি”, বললেন মমতা

    Election Commission: “এরকম মিথ্যেবাদী কমিশন কখনও দেখিনি”, বললেন মমতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “এরকম মিথ্যেবাদী কমিশন আমি কখনও দেখিনি। বহু ধিন ধরে রাজনীতি করছি, এরকম ঔদ্ধত্য আমি আগে দেখিনি (Election Commission)।” এক নিঃশ্বাসে কথাগুলি বলে খানিক থামলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। তাঁর অভিযোগ, বিজেপির অঙ্গুলি হেলনেই কাজ করছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। প্রসঙ্গত, এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ জানাতে সদলে দিল্লি গিয়েছিলেন মমতা। সেখানে তাঁর বৈঠক হয় মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানের কুমারের সঙ্গে। সেই বৈঠক থেকে বেরিয়েই কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন তিনি।

    ভোটার তালিকা সংশোধনের নামে রাজ্যে অনিয়ম! (Election Commission)

    জানা গিয়েছে, বেঁচে থাকতেও নির্বাচন কমিশনের নথিতে মৃত বলে চিহ্নিত এমন ৫০জন ভোটারকে দিল্লিতে নিয়ে গিয়েছেন মমতারা। শুধু তা-ই নয়, এসআইআর প্রক্রিয়ার কারণে পরিবারের কোনও না কোনও সদস্যের মৃত্যু হয়েছে, এমন অভিযোগ থাকা আরও ৫০জনকেও দিল্লিতে নিয়ে গিয়েছেন তৃণমূলের ভোট ম্যানেজাররা। এদিন নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে বৈঠক শুরু হয় তৃণমূলের প্রতিনিধি দলের (Mamata Banerjee)। সেখানেই ভোটার তালিকা সংশোধনের নামে রাজ্যে অনিয়ম, হয়রানি এবং মানবিক বিপর্যয়ের অভিযোগ তুলে ধরে কমিশনের কাছ থেকে সরাসরি ব্যাখ্যা ও পদক্ষেপ দাবি করে তৃণমূল। যদিও খানিক পরে নির্বাচন সদন থেকে বেরিয়ে মমতা অভিযোগ করেন, বৈঠকের আগেই তাঁদের অসম্মান ও অপমান করা হয়েছে। তাঁর আরও অভিযোগ, ভোটার তালিকা সংশোধনের নামে বাদ দেওয়া হয়েছে ৫৮ লাখ ভোটারের নাম। ভোটার তালিকা সংশোধনকে ঘিরে সাম্প্রদায়িক মেরুকরণের অভিযোগও করেন মমতা।

    হিন্দু-মুসলমান

    তাঁর দাবি, “যাঁরা হিন্দু-মুসলমান করেন, তাঁরা বুঝতে পারছেন? এখানে দু’জন মুসলিম রয়েছেন (Election Commission)। ক’জন হিন্দু?” তাঁর আরও প্রশ্ন, “বিজেপি শাসিত অসমে কেন এই প্রক্রিয়া করা হল না?” মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, এসআইআরের নামে রাজ্যে ৫৮ লাখ ভোটারের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে এসব করা হয়েছে। তার নেপথ্যে রয়েছেন সীমা খন্না। কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “এত বড় সংখ্যায় ভোটার বাদ পড়ার পরেও নির্বাচন কমিশন কোনও ব্যাখ্যা চাইছে না।”

    প্রধানমন্ত্রীকে নিশানা

    এদিন আরও একবার প্রধানমন্ত্রীকে নিশানা করেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, “আপনারা প্রধানমন্ত্রীকে জিজ্ঞেস করুন। ওঁর বাবা-মায়ের জন্ম-কুন্ডলী বের করতে বলুন।” তিনি বলেন, “লালকৃষ্ণ আডবাণীর নাগরিকত্ব এবং জন্মস্থান সংক্রান্ত প্রশ্নও এক সময় উঠেছিল।” এদিনের বৈঠকের স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন মমতা। বলেন, “বৈঠকের সময় কমিশনের নিজস্ব ক্যামেরাম্যানরা উপস্থিত ছিলেন, অথচ বাইরের ক্যামেরাম্যানদের সেখানে ঢোকার অনুমতি দেওয়া হয়নি।” মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আপনাদের যা ইচ্ছে, তাই করবেন, তা তো হয় না! বহুদিন ধরে রাজনীতি করছি, মন্ত্রীও ছিলাম (Election Commission)। এরকম অহঙ্কারী নির্বাচন কমিশন কখনও দেখিনি (Mamata Banerjee)।”

  • Intimidatory Tactics: ‘ভয় দেখানোর মাধ্যমে সাংবিধানিক কর্তব্যে বাধা দেওয়ার চেষ্টা ব্যর্থ হবে’, সাফ জানাল কমিশন

    Intimidatory Tactics: ‘ভয় দেখানোর মাধ্যমে সাংবিধানিক কর্তব্যে বাধা দেওয়ার চেষ্টা ব্যর্থ হবে’, সাফ জানাল কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘ভয় দেখানোর মাধ্যমে সাংবিধানিক কর্তব্যে বাধা দেওয়ার চেষ্টা ব্যর্থ হবে।’ সাফ জানিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (CEC) এবং রাজ্যের চিফ ইলেক্টোরাল অফিসারের (CEO) বিরুদ্ধে পুলিশে দায়ের করা অভিযোগগুলির তীব্র নিন্দাও করেছে কমিশন (Intimidatory Tactics)। নির্বাচন কমিশনের মতে, এই ধরনের পুলিশি অভিযোগ প্রশাসনিক চাপ সৃষ্টি করার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে, যা কোনওভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। কমিশন স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, নির্বাচন পরিচালনার ক্ষেত্রে সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে কোনও রকম ভয় বা হুমকির কাছে নতি স্বীকার করা হবে না।

    কমিশনের সাফ কথা (Intimidatory Tactics)

    কমিশনের বক্তব্য, নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার স্তম্ভ হিসেবে নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা রক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি, এবং সেই স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপের যে কোনও প্রচেষ্টার মোকাবিলা করা হবে কঠোরভাবে।নির্বাচন কমিশন আরও জানিয়েছে, এই ধরনের ভীতি প্রদর্শনের কৌশল শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হবেই এবং সংবিধান অনুযায়ী কমিশন তার দায়িত্ব পালন করে যাবে। প্রসঙ্গত, ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর প্রধান নির্বাচন (Intimidatory Tactics) কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার এবং পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়ালের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া পুলিশি অভিযোগের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে। কমিশনের মতে, এই অভিযোগগুলি ‘পরিকল্পিত, ভিত্তিহীন এবং ভীতিপ্রদর্শনের উদ্দেশ্যে করা’।

    অভিযোগগুলি পূর্বপরিকল্পিত

    পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর থেকে এক্স হ্যান্ডেলে প্রকাশিত একাধিক সরকারি পোস্টে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, তারা এমন সংবাদ প্রতিবেদন লক্ষ্য করেছে যেখানে বলা হয়েছে (Election Commission), ২০২৬ সালের জন্য যে এসআইআর প্রক্রিয়া চলছে, তাকে কেন্দ্র করে দুই শীর্ষ নির্বাচন আধিকারিকের বিরুদ্ধে পুলিশি অভিযোগ (Intimidatory Tactics) দায়ের হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের তরফে জারি করা এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “এই অভিযোগগুলি পূর্বপরিকল্পিত, সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং ২০২৬ সালের এসআইআর সংক্রান্ত আইনগত দায়িত্ব পালনকারী আধিকারিকদের ভয় দেখিয়ে দমন করার এক স্থূল প্রচেষ্টা।” কমিশনের সাফ কথা, “নির্বাচনী যন্ত্রকে ভয় দেখিয়ে আত্মসমর্পণে বাধ্য করা এবং সংবিধানস্বীকৃত নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে বিপথে চালিত করার উদ্দেশ্যে নেওয়া এই (Election Commission) ধরনের ভীতিপ্রদর্শনমূলক কৌশল নিঃসন্দেহে ব্যর্থ হতে বাধ্য (Intimidatory Tactics)।”

    নিরপেক্ষতা রক্ষার অঙ্গীকার

    কমিশন মনে করিয়ে দিয়েছে, নির্বাচনী আধিকারিকরা সংবিধান অনুযায়ী নিয়মিতভাবে ভোটার তালিকা সংশোধনের দায়িত্বপ্রাপ্ত এবং বর্তমানে যে এসআইআর প্রক্রিয়াটি চলছে, তা সম্পূর্ণভাবে আইন ও প্রতিষ্ঠিত বিধি মেনেই পরিচালিত হচ্ছে। কমিশনের ইঙ্গিত, তারা এই অভিযোগগুলিকে বিচ্ছিন্ন বা ব্যক্তিগত অভিযোগ হিসেবে দেখছে না, বরং এগুলিকে একটি সুপরিকল্পিত ও সমন্বিত ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে বিবেচনা করছে। কোন পরিস্থিতিতে এই অভিযোগগুলি দায়ের করা হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হবে বলেও জানিয়েছে কমিশন। কমিশনের কড়া বার্তা, “এই ধারাবাহিক ও মনগড়া অভিযোগগুলির নেপথ্যে থাকা ষড়যন্ত্র উদ্ঘাটনে চেষ্টার কসুর করা হবে না। শেষ পর্যন্ত জয়ী হবে আইনের শাসন এবং সত্যই (Intimidatory Tactics)।” নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষতা ও জনস্বার্থ রক্ষায় তাদের অঙ্গীকারের কথাও জানিয়ে দিয়েছে আরও একবার (Election Commission)।

    জনস্বার্থেই কাজ

    রাজ্যে নির্বাচন পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত আধিকারিকদের দৃঢ় সংকল্পের কথা তুলে ধরে কমিশন জানিয়েছে, বাহ্যিক চাপ বা ভয়ভীতির মুখেও পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনী ব্যবস্থা দৃঢ়তা ও নৈতিকতার সঙ্গে, সম্পূর্ণভাবে জনস্বার্থে কাজ করে যাবে। নির্বাচন কমিশনের এই কড়া প্রতিক্রিয়া এসেছে এমন একটা সময়ে, যখন পশ্চিমবঙ্গের দুই প্রবীণ ভোটারের পরিবারের পক্ষ থেকে পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। সোমবার ওই দুই প্রবীণ ভোটার শুনানির নোটিশ পাওয়ার পরের মারা যান। এই নোটিশগুলি এসআইআর প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত ছিল (Intimidatory Tactics)।

    এসআইআর নিয়ে বিতর্ক

    পুরুলিয়া জেলার বছর বিরাশির দুর্জন মাঝির ছেলের অভিযোগ, তাঁর বাবার নাম ২০০২ সালের স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশনের সময় প্রস্তুত করা কাগজে থাকা ভোটার তালিকায় থাকলেও, নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে আপলোড করা সংশ্লিষ্ট তালিকায় সেই নাম নেই। অভিযোগ, এই অসঙ্গতির কারণেই ওই প্রবীণ ভোটারকে শুনানির নোটিশ পাঠানো হয় (Election Commission)। নোটিশ পাওয়ার পর নির্ধারিত শুনানির সময়ের কয়েক ঘণ্টা আগেই ওই প্রবীণ ব্যক্তি আত্মহত্যা করেন। অভিযোগকারীরা এই ঘটনার জন্য সরাসরি মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (CEC) এবং পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (CEO)-কে দায়ী করেছেন। পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের হয়েছে এবং বিষয়টি ঘিরে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে।

    ডেটাবেসে নাম বাদ পড়া নিয়ে ওঠা উদ্বেগ

    ভোটার তালিকার ডেটাবেসে নাম বাদ পড়া নিয়ে ওঠা উদ্বেগের প্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশন ২৭ ডিসেম্বর জারি করা একটি বিজ্ঞপ্তির কথা উল্লেখ করেছে। কমিশনের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ২০০২ সালের এসআইআরের ভোটার তালিকায় প্রায় ১.৩ লাখ ভোটারের নাম রয়েছে, কিন্তু প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে যাঁদের নাম অনলাইন ডেটাবেসে প্রতিফলিত হয়নি, তাঁদের কোনও শুনানিতে হাজির হতে হবে না (Election Commission)। নির্বাচন কমিশনের মতে, পুরানো ভোটার তালিকার ডিজিটাল রূপান্তরের সময় সৃষ্ট প্রযুক্তিগত বিভ্রাটের কারণে যাতে কোনও ভোটার হয়রানি বা অযথা অসুবিধার সম্মুখীন না হন, সেই লক্ষ্যেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে (Intimidatory Tactics)।

    এসআইআর প্রক্রিয়ার মূল উদ্দেশ্য

    কমিশনের আধিকারিকরা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, এসআইআর প্রক্রিয়ার মূল উদ্দেশ্য হল ভোটার তালিকার নির্ভুলতা বাড়ানো, যার মধ্যে রয়েছে দ্বৈত নাম বাদ দেওয়া, ভুল সংশোধন করা এবং যোগ্য ভোটারদের তালিকাভুক্ত করা। প্রকৃত বা বৈধ ভোটারদের বাদ দেওয়া বা ভয় দেখানো এই প্রক্রিয়ার উদ্দেশ্য নয়। উল্লেখ্য, এসআইআর একটি সংবেদনশীল প্রক্রিয়া, বিশেষত পশ্চিমবঙ্গের মতো রাজনৈতিকভাবে উত্তপ্ত রাজ্যগুলিতে, যেখানে নির্বাচন অত্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এবং নির্বাচনী ব্যবস্থাপনা নিয়মিত কড়া নজরদারির মধ্যে থাকে (Election Commission)।

    নির্বাচন কমিশন একাধিকবার জানিয়েছে যে, এসআইআর ২০২৬ সম্পূর্ণ স্বচ্ছভাবে এবং আইনি বিধান মেনেই পরিচালিত হচ্ছে। ভোটারদের অধিকার সুরক্ষিত রাখতে এই প্রক্রিয়ায় একাধিক সুরক্ষার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে বলেও দাবি কমিশনের (Intimidatory Tactics)।

LinkedIn
Share