Tag: Haldia

Haldia

  • Suvendu Adhikari: হলদিয়ায় ৬ হাজার কোটির নতুন প্রকল্প, ১৪ অক্টোবর উদ্বোধনের ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    Suvendu Adhikari: হলদিয়ায় ৬ হাজার কোটির নতুন প্রকল্প, ১৪ অক্টোবর উদ্বোধনের ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হলদিয়াকে ঘিরে একাধিক শিল্প ও পরিকাঠামো প্রকল্পের ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। শুক্রবার হলদিয়ায় ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশনের বিশ্বকর্মা পুজোর অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে (Haldia Plant) তিনি জানান, আগামী ১৪ অক্টোবর, ষষ্ঠীর ঠিক আগে হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালসের প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগে তৈরি নতুন প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন তিনি। প্রকল্পটি ফেনল ও অ্যাসিটোন উৎপাদন কেন্দ্র হিসেবে তৈরি হয়েছে।

    গর্বের প্রতিষ্ঠান আইওসি (Suvendu Adhikari)

    অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশন গর্বের প্রতিষ্ঠান। জাতীয় নয়, আন্তর্জাতিক স্তরে এর সুনাম রয়েছে। ভারত সরকারের লাভদায়ক নবরত্ন প্রতিষ্ঠান।”

    হলদিয়ার সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক যোগাযোগের কথাও তুলে ধরেন শুভেন্দু। তিনি জানান, হলদিয়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ দায়িত্বে থাকার সময়ে এলাকায় ২ হাজার কোটি টাকার বেশি বিনিয়োগে ডাউনস্ট্রিম পেট্রোকেমিক্যাল প্রকল্প বা ক্র্যাকার ইউনিট স্থাপন করা হয়েছিল। আগামী দিনে হলদিয়ায় ইন্ডিয়ান অয়েলের আরও একটি বড় প্রকল্প আনার চেষ্টা চলছে বলেও জানান তিনি। এ বিষয়ে জমি-সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে বলে দাবি তাঁর।

    হলদিয়ায় পেপসিকোর কারখানার সম্ভাবনা

    হলদিয়ায় নতুন শিল্প বিনিয়োগের সম্ভাবনা হিসেবে পেপসিকোর কথাও জানান মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, সংস্থার প্রতিনিধিদের ইতিমধ্যেই হলদিয়া ও কল্যাণীতে জমি দেখানো হয়েছে।

    শুভেন্দু বলেন, “আমার কাছে বহু নতুন নতুন শিল্প প্রতিষ্ঠান আসছে। গতকালও পেপসি কোম্পানিকে হলদিয়ায় পাঠিয়েছিলাম জায়গা দেখার জন্য। তারা কল্যাণী, হলদিয়ার জায়গা দেখে গিয়েছেন। যিনি জমি চাইবেন, সেখানে তাঁদের ৩০-৪০ একর জমি দেওয়া হবে। একটি বড় পেপসি প্ল্যান্ট আসবে।”

    বর্তমান পরিকল্পনা অনুযায়ী, সংস্থাটি পছন্দের জায়গা চূড়ান্ত করলে জমি দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানান তিনি।

    ৬ হাজার কোটির প্রকল্পের উদ্বোধন

    হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালসের নতুন প্রকল্প নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানান, সংস্থার কর্ণধার পূর্ণেন্দু চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে এ বিষয়ে ইতিমধ্যেই একাধিকবার তাঁর বৈঠক হয়েছে। ১৪ অক্টোবর হলদিয়ায় গিয়ে নতুন প্রকল্পটি রাজ্যবাসীর উদ্দেশে উৎসর্গ করার কথা তাঁর।

    মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, “আগামী ১৪ অক্টোবর, ষষ্ঠীর ঠিক আগেই ৬ হাজার কোটি টাকার প্ল্যান্টের উদ্বোধনে আমি উপস্থিত থাকব। এটিই রাজ্যবাসীর কাছে পুজোর উপহার হিসেবে তুলে দেব।”

    প্রকল্পটি হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালসের নতুন ফেনল ও অ্যাসিটোন কারখানা। সংস্থার প্রকল্প-সংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী, নতুন ইউনিটে বছরে প্রায় ৩ লাখ ৪৫ হাজার টন ফেনল উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে (Suvendu Adhikari)।

    সঞ্জীব গোয়েঙ্কার নতুন প্রকল্পের ইঙ্গিত

    হলদিয়ায় শিল্পপতি সঞ্জীব গোয়েঙ্কার সংস্থার নতুন প্রকল্পের কথাও জানান মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, হলদিয়া এনার্জির হাতে থাকা কিছু উদ্বৃত্ত জমির পাশাপাশি আরও জমির ব্যবস্থা করা হচ্ছে। সেখানে গোয়েঙ্কার সংস্থা নতুন একটি কারখানা স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। শিল্পাঞ্চলের স্বাস্থ্য পরিকাঠামো নিয়েও ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। শিল্প দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে চিকিৎসার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরে অসম্পূর্ণ হয়ে থাকা ট্রমা সেন্টারের কাজ শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাঁর বক্তব্য, ৫০ শয্যার ট্রমা সেন্টারের সঙ্গে বার্ন ইউনিটও চালু করা হবে। আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই এই কাজ শেষ করা হবে (Suvendu Adhikari)।

    উন্নয়নের পরিকল্পনা

    সাম্প্রতিক অতিবৃষ্টিতে হলদিয়ার বিভিন্ন এলাকায় জল জমার প্রসঙ্গও উঠে আসে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে। নিকাশি ব্যবস্থার উন্নতির জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে আশ্বাস দেন তিনি। হলদিয়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ও পুরসভাকে এই বিষয়ে একসঙ্গে কাজ করার কথাও জানান।

    হলদিয়ার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য বড় সেতু নির্মাণের পরিকল্পনার কথাও জানান শুভেন্দু। তাঁর বক্তব্য, এমনভাবে সেতুটি তৈরি করা হবে যাতে জাহাজ চলাচলে কোনও সমস্যা না হয় এবং সাধারণ মানুষ নৌকার পরিবর্তে গাড়ি ও মোটরসাইকেলে সরাসরি যাতায়াত করতে পারেন (Haldia Plant)।

    এর পাশাপাশি রেলপথ, জাতীয় সড়ক এবং স্থানীয় রাস্তাঘাটের উন্নয়ন নিয়েও একাধিক পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী (Suvendu Adhikari)।

     

  • Samik Bhattacharya: কলকাতাকে কেন্দ্র করে চার রুটে দ্রুতগতির রেল! কেন্দ্রকে প্রস্তাব শমীকের

    Samik Bhattacharya: কলকাতাকে কেন্দ্র করে চার রুটে দ্রুতগতির রেল! কেন্দ্রকে প্রস্তাব শমীকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা ও দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শহরের মধ্যে যাতায়াত আরও দ্রুত ও মসৃণ করতে আঞ্চলিক দ্রুতগতির গণপরিবহণ ব্যবস্থা চালুর প্রস্তাব। দিল্লি-সহ জাতীয় রাজধানী অঞ্চলে চালু ‘নমো ভারত’-এর ধাঁচে পশ্চিমবঙ্গেও এমন রেলপথ গড়ে তোলার প্রস্তাব দিয়েছেন রাজ্যসভার সাংসদ তথা পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Samik Bhattacharya)। এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় আবাসন ও নগর বিষয়ক মন্ত্রী মনোহর লালের কাছে চিঠি পাঠানোর পাশাপাশি একটি প্রাথমিক সম্ভাব্যতা সমীক্ষার রিপোর্টও জমা দিয়েছেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ প্রকাশিত প্রতিবেদনে প্রস্তাবিত চারটি করিডরের বিস্তারিত তথ্য উঠে এসেছে (NaMo-Bharat)।

    প্রস্তাব অনুযায়ী, কলকাতার ময়দানকে কেন্দ্রীয় সংযোগস্থল ধরে দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শহরকে চারটি করিডরের মাধ্যমে যুক্ত করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। শিল্পাঞ্চল, বন্দর, শিক্ষা ও পর্যটনকেন্দ্রগুলির সঙ্গে কলকাতার দ্রুত যোগাযোগ গড়ে তোলাই এই প্রস্তাবের অন্যতম লক্ষ্য।

    প্রস্তাবিত চার রুট (Samik Bhattacharya)

    প্রথম করিডরটি হবে কলকাতা-ময়দান থেকে কল্যাণী, কৃষ্ণনগর হয়ে মায়াপুর পর্যন্ত। প্রায় ১৩৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এই পথে নদিয়া ও সংলগ্ন এলাকার সঙ্গে কলকাতার দ্রুত যোগাযোগ গড়ে তোলার প্রস্তাব রয়েছে।

    দ্বিতীয় করিডরটি কলকাতা থেকে বর্ধমান, দুর্গাপুর হয়ে আসানসোল পর্যন্ত। প্রায় ২৩২ কিলোমিটার দীর্ঘ এই রুটে রাজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চলকে কলকাতার সঙ্গে যুক্ত করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। দুর্গাপুর ও আসানসোলের সঙ্গে পৃথক দ্রুতগতির গণপরিবহণ সংযোগের কথাও প্রস্তাবে রয়েছে।

    তৃতীয় করিডরটি কলকাতা থেকে ফলতা, ডায়মন্ড হারবার, হলদিয়া হয়ে নন্দীগ্রাম পর্যন্ত। প্রায় ১০২ কিলোমিটার দীর্ঘ এই রুটের মাধ্যমে দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরের শিল্প ও বন্দর এলাকার সঙ্গে কলকাতার যোগাযোগ আরও সহজ করার পরিকল্পনা রয়েছে।

    চতুর্থ করিডরটি কলকাতা থেকে সাঁতরাগাছি, কোলাঘাট, খড়গপুর হয়ে মেদিনীপুর পর্যন্ত। প্রায় ১৩৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এই পথে হাওড়া ও পশ্চিম মেদিনীপুরের মধ্যে দ্রুত যোগাযোগ তৈরির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

    রেললাইন-জাতীয় সড়কের পাশ দিয়ে করিডর তৈরির প্রস্তাব

    প্রস্তাবে জমি অধিগ্রহণের সমস্যা ও খরচ কমানোর বিষয়টিও গুরুত্ব পেয়েছে। জাতীয় সড়ক ও রেলপথের পাশ দিয়ে নতুন দ্রুতগতির রেল করিডর তৈরির কথা বলা হয়েছে। এতে নতুন করে জমি অধিগ্রহণের প্রয়োজন তুলনামূলকভাবে কমতে পারে বলে প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

    শমীকের বক্তব্য, পশ্চিমবঙ্গের নগর ও পরিকাঠামোগত বিকাশ এখনও মূলত কলকাতাকেন্দ্রিক। অন্যদিকে দুর্গাপুর, আসানসোল, খড়গপুর, কৃষ্ণনগর ও হলদিয়ার মতো শহর শিল্প, শিক্ষা, বন্দর ও পর্যটনের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠেছে। এই শহরগুলির মধ্যে দ্রুত ও উচ্চক্ষমতার যাত্রী পরিবহণের প্রয়োজন রয়েছে বলে তাঁর প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়েছে (Samik Bhattacharya)।

    যৌথ মালিকানায় নয়া সংস্থার প্রস্তাব

    প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারের যৌথ মালিকানায় একটি বিশেষ উদ্দেশ্যভিত্তিক সংস্থা গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। প্রস্তাবিত সংস্থার নাম ‘ওয়েস্ট বেঙ্গল র‍্যাপিড ট্রানজিট কর্পোরেশন’। জাতীয় রাজধানী অঞ্চলের পরিবহণ ব্যবস্থার আদলে এই সংস্থা গড়ে তোলার কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি, প্রকল্পের প্রকৌশলগত দিক, সম্ভাব্য যাত্রীসংখ্যা এবং আর্থিক বিষয় খতিয়ে দেখে একটি পূর্ণাঙ্গ সম্ভাব্যতা সমীক্ষা (Samik Bhattacharya) করার জন্য কেন্দ্রীয় আবাসন ও নগর বিষয়ক মন্ত্রকের কাছে (NaMo-Bharat) আবেদন জানিয়েছেন শমীক।

     

  • West Bengal Investment: পুজোর আগেই বাংলায় শিল্পবিপ্লব! হলদিয়ায় ৬ হাজার কোটির প্ল্যান্ট সহ এলঅ্যান্ডটির জোড়া প্রকল্প, নিউটাউনে আদানির হাসপাতাল

    West Bengal Investment: পুজোর আগেই বাংলায় শিল্পবিপ্লব! হলদিয়ায় ৬ হাজার কোটির প্ল্যান্ট সহ এলঅ্যান্ডটির জোড়া প্রকল্প, নিউটাউনে আদানির হাসপাতাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে শিল্পায়নের গতি আরও বাড়ানোর লক্ষ্যে একের পর এক বড় প্রকল্পের ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক করে তিনি জানান, লারসেন অ্যান্ড টুব্রো বা এলঅ্যান্ডটি গোষ্ঠী রাজ্যে দু’টি নতুন প্রকল্প নিয়ে আসছে। পাশাপাশি, হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালস এলাকায় প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগে তৈরি একটি বড় প্ল্যান্টের উদ্বোধনের প্রস্তুতিও প্রায় শেষ পর্যায়ে। এর পাশাপাশি নিউটাউনে ২ হাজার শয্যার আন্তর্জাতিক মানের হাসপাতাল তৈরির জন্য আদানি গোষ্ঠীর প্রস্তাবে রাজ্য সরকারের নীতিগত সম্মতির কথাও ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী।

    নিউটাউনে এলঅ্যান্ডটির বড় পরিকাঠামো প্রকল্প

    মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী, চলতি মাসের ২৭ তারিখ সকাল সাড়ে ১১টায় নিউটাউনের সিলিকন ভ্যালিতে এলঅ্যান্ডটি গোষ্ঠীর একটি বড় পরিকাঠামো প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হবে। তথ্যপ্রযুক্তি ও আধুনিক পরিকাঠামো-কেন্দ্রিক নিউটাউনে এই প্রকল্পকে রাজ্যের শিল্প ও বিনিয়োগ পরিবেশের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছে প্রশাসন। এর পর দুর্গাপুজোর সময় শিল্পশহর হলদিয়াতেও এলঅ্যান্ডটির আরও একটি বড় শিল্প প্রকল্পের উদ্বোধনের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। অর্থাৎ পুজোর মরসুমের আগে ও চলাকালীন পরপর একাধিক বড় প্রকল্পের উদ্বোধনের মাধ্যমে রাজ্যে শিল্প বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ইতিবাচক বার্তা দিতে চাইছে রাজ্য সরকার।

    হলদিয়ায় প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকার প্ল্যান্ট

    পুজোর আবহে শিল্পশহর হলদিয়ায় এলঅ্যান্ডটি-র আরও একটি বৃহৎ শিল্প প্রকল্পের উদ্বোধনের পরিকল্পনা রয়েছে রাজ্য সরকারের। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালস এলাকায় প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি বিশাল প্ল্যান্ট আগামী ১৪ অক্টোবর উদ্বোধনের জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে। এই প্রকল্পের উদ্বোধনের সম্ভাব্য দিনক্ষণ নিয়ে শিল্পপতি পূর্ণেন্দু চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে রাজ্য প্রশাসনের আলোচনা হয়েছে বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী। সম্প্রতি পূর্ণেন্দু চট্টোপাধ্যায় রাজ্যে এসে মুখ্যমন্ত্রী ও প্রশাসনিক আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেই বৈঠকের পরেই প্রকল্পের উদ্বোধনের সময়সূচি নিয়ে অগ্রগতি হয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে দাবি। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, পুজোর মরসুম শুরু হওয়ার আগে শিল্পক্ষেত্রে একাধিক বড় প্রকল্পের উদ্বোধন বাংলার বিনিয়োগ পরিবেশ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেবে। প্রকল্পগুলি বাণিজ্যিকভাবে চালু হলে শিল্পোন্নয়নের পাশাপাশি কর্মসংস্থানের সুযোগও বাড়বে বলে আশা করছে রাজ্য সরকার।

    নিউটাউনে ২ হাজার শয্যার হাসপাতাল, ১ হাজার শয্যায় বিনামূল্যে চিকিৎসা

    শিল্প বিনিয়োগের পাশাপাশি স্বাস্থ্য পরিকাঠামোতেও বড় বিনিয়োগের সম্ভাবনার কথা সামনে এসেছে। নিউটাউনে ২ হাজার শয্যার একটি আন্তর্জাতিক মানের অত্যাধুনিক হাসপাতাল তৈরির প্রস্তাব দিয়েছে আদানি গোষ্ঠী। এই প্রকল্পে রাজ্য সরকারের লিখিত সম্মতির কথাও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রস্তাবিত হাসপাতালের বিশেষ আকর্ষণ হতে চলেছে এর বিনামূল্যে চিকিৎসা পরিষেবা। মোট ২ হাজার শয্যার মধ্যে ১ হাজার শয্যা আর্থিক ভাবে দুর্বল ও দরিদ্র মানুষের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসার উদ্দেশ্যে রাখা হবে। বাকি ১ হাজার শয্যায় বাণিজ্যিক স্বাস্থ্য পরিষেবা দেওয়া হবে। মুখ্যমন্ত্রী জানান, আদানি গোষ্ঠীর ম্যানেজিং ডিরেক্টর করণ আদানি তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে হাসপাতাল প্রকল্পের বিস্তারিত প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করেছেন। সেই আলোচনার পর রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের বিষয়ে লিখিত সম্মতি দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

    দ্রুত কাজ শুরু করতে আগ্রহী আদানি গোষ্ঠী

    মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, আদানি গোষ্ঠীর চেয়ারম্যান গৌতম আদানিও নিউটাউনের হাসপাতাল প্রকল্পটি বাস্তবায়নে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। প্রকল্পের জন্য প্রয়োজনীয় ১০০ শতাংশ বিনিয়োগ আদানি গোষ্ঠী নিজেদের তহবিল থেকেই করবে বলেও জানিয়েছেন শুভেন্দু। এই হাসপাতাল বাস্তবায়িত হলে নিউটাউন তথা কলকাতার স্বাস্থ্য পরিকাঠামোয় একটি বড় সংযোজন হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে ১ হাজার শয্যায় বিনামূল্যে চিকিৎসার পরিকল্পনা কার্যকর হলে অর্থনৈতিক ভাবে পিছিয়ে থাকা মানুষের জন্য উন্নত চিকিৎসার সুযোগ বাড়বে।

    ডানকুনি থেকে পুরুলিয়া, শিল্প বিনিয়োগের বিস্তার

    রাজ্য সরকারের দাবি, নতুন শিল্প প্রকল্পগুলি শুধু কলকাতা ও হলদিয়াকে কেন্দ্র করে সীমাবদ্ধ থাকছে না। ডানকুনি থেকে পুরুলিয়া—রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় কয়েক হাজার কোটি টাকার একাধিক বিনিয়োগ প্রকল্পের কাজ এগোচ্ছে। শিল্প পরিকাঠামো তৈরির পাশাপাশি এই প্রকল্পগুলির মাধ্যমে স্থানীয় স্তরে কর্মসংস্থান এবং আনুষঙ্গিক শিল্পের প্রসার ঘটানোর লক্ষ্য রয়েছে সরকারের। এরই মধ্যে রবিবার গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্সে প্রতিরক্ষা উৎপাদন ক্ষেত্রেও প্রায় ৩,৪০০ কোটি টাকার প্রকল্পের ঘোষণা হয়েছে। কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহের উপস্থিতিতে ওই ঘোষণা হওয়ায় রাজ্যে প্রতিরক্ষা শিল্পের সম্ভাবনাকেও নতুন করে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

    পুজোর আগে বিনিয়োগের একাধিক বার্তা

    সব মিলিয়ে, পুজোর আগে পরপর শিল্প প্রকল্পের উদ্বোধন, হলদিয়ায় বড় বিনিয়োগ, নিউটাউনে আদানি গোষ্ঠীর হাসপাতাল প্রস্তাব এবং প্রতিরক্ষা উৎপাদন ক্ষেত্রে নতুন প্রকল্প—এই একাধিক পদক্ষেপকে রাজ্যের শিল্পায়নের গতি বাড়ানোর প্রচেষ্টা হিসেবে তুলে ধরছে নবান্ন। রাজ্য সরকারের প্রত্যাশা, নতুন প্রকল্পগুলি বাস্তবায়িত হলে বাংলায় বিনিয়োগের পরিবেশ আরও শক্তিশালী হবে। একই সঙ্গে শিল্প উৎপাদন, পরিকাঠামো, স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে তৈরি হবে নতুন সুযোগ। পুজোর মরসুমের আগে এই ধারাবাহিক ঘোষণার মাধ্যমে শিল্পক্ষেত্রে ‘বিনিয়োগবান্ধব বাংলা’র বার্তাই আরও জোরালো করতে চাইছে রাজ্য সরকার।

  • West Bengal Assembly Election: ‘‘তৃণমূলের চিট ও চিটিংবাজি বন্ধ করবে বিজেপি”, হলদিয়ার জনসভায় বললেন প্রধানমন্ত্রী

    West Bengal Assembly Election: ‘‘তৃণমূলের চিট ও চিটিংবাজি বন্ধ করবে বিজেপি”, হলদিয়ার জনসভায় বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “পাঁচ বছর আগে পরিবর্তনের পথ দেখিয়েছিল নন্দীগ্রাম। এ বার তার পুনরাবৃত্তি হবে ভবানীপুরেও। গোটা পশ্চিমবঙ্গে পরিবর্তন হবে।” বৃহস্পতিবার পশ্চিমবঙ্গের হলদিয়ায় আয়োজিত জনসভায় এক নিঃশ্বাসে কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এদিন তিনি প্রচার শুরু (West Bengal Assembly Election) করেন হলদিয়া থেকেই। আবহাওয়া প্রতিকূল হওয়ায় সভায় পৌঁছতে খানিক দেরি হয় প্রধানমন্ত্রীর। শুভেন্দু অধিকারী-সহ ১৪ পদ্ম প্রার্থীর সমর্থনে প্রচার করেন তিনি।

    তৃণমূল সরকারের বিদায়ের ঝড় (West Bengal Assembly Election)

    এদিনের মঞ্চে ছিলেন রাজ্যের বিদায়ী বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও। এই সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এটি পরিবর্তনের ঝড়, তৃণমূল সরকারের বিদায়ের ঝড়। পাঁচ বছর আগে নন্দীগ্রাম পরিবর্তনের পথ দেখিয়েছিল। এ বার তার পুনরাবৃত্তি হবে ভবানীপুরে। গোটা পশ্চিমবঙ্গে পরিবর্তন হবে।” সভায় ‘বিকশিত বাংলা’র আশ্বাসও দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, ‘‘পশ্চিমবাংলার নির্বাচন সামান্য নয়, বাংলার বৈভব স্থাপনের নির্বাচন। নির্মম সরকারের বিদায় হলেই বিকশিত বাংলা হবে।’’ তিনি বলেন, ‘‘পৃথিবীতে সবচেয়ে দ্রুত গতিতে উন্নয়ন হচ্ছে ভারতে। অনেক রাজ্য উন্নতির পথে চলছে, কিন্তু তৃণমূলের নির্মম সরকার বাংলাকে ক্রমশ নীচের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। আর তাই হলদিয়ার কারখানায় তালা ঝুলছে।’’

    রোজগার মেলা

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বিজেপি-শাসিত রাজ্যে রোজগার মেলা হয়। বিজেপি পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় আসার পরে এ রাজ্যেও শুরু হবে রোজগার মেলা।” তিনি বলেন, “যার যা অধিকার, সেটাই দেবে বিজেপি। এটাই মোদির গ্যারান্টি।” বিজেপি সরকার সংবিধান মেনেই কাজ করবে বলেও প্রতিশ্রুতি দেন প্রধানমন্ত্রী। রাজ্যে ডাবল ইঞ্জিন সরকার প্রতিষ্ঠা কেন প্রয়োজন, এদিন সেই কৈফিয়তও দেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “প্রধানমন্ত্রী-মুখ্যমন্ত্রী এক সঙ্গে কাজ করলেই বাংলার লাভ। তাই রাজ্যে চাই ডাবল ইঞ্জিন সরকার।” রাজ্যের শাসক দল তৃণমূলকে নিশানা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘তৃণমূলের সরকার শুধু অনুপ্রবেশকারীদের সংখ্যা বাড়িয়েছে। তৃণমূলের নির্মম সরকার শুধু নকল নথি বানিয়েছে। তৃণমূলের রাজনীতি শুধু ভয়ের ওপর নির্ভরশীল। মা-বোনেদের জীবন এবং মানসম্মানের ওপর আর কিছুই হতে পারে না। আর এই গ্যারান্টিই দেয় বিজেপি।”

    ‘পিএম’ শব্দে আপত্তি তৃণমূলের!

    মৎস্য উৎপাদনে স্বনির্ভর নয় বাংলা। সে প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বাংলায় মাছের এত চাহিদা, কিন্তু এই রাজ্য মৎস্য উৎপাদনে স্বনির্ভর (West Bengal Assembly Election) নয়। চাহিদা মেটাতে অন্য রাজ্য থেকে মাছ আমদানি করতে হয়। গত ১৫ বছরে মৎস্য উৎপাদনে তৃণমূল সরকার কোনও উদ্যোগই নেয়নি।” তৃণমূলের ‘চিটিংবাজি’ও বন্ধ করার আশ্বাস দেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, ‘‘তৃণমূলের চিট ও চিটিংবাজি বিজেপি বন্ধ করবে। সরকারি চাকরি নির্দিষ্ট সময়ে হবে। সব চাকরি হবে দুর্নীতিমুক্ত। চাকরির জন্য কোনও কাটমানি নয় (PM Modi)। এটা হবে বিজেপির আমলে।’’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ইংরেজিতে ‘প্রাইম মিনিস্টার’ শব্দের দুই আদ্যক্ষর ‘পিএম’ শব্দে আপত্তি রয়েছে তৃণমূলের। তাই কেন্দ্রীয় প্রকল্পের আগে ‘পিএম’ লেখা থাকলে তৃণমূল সরকার তা রাজ্যে চালু করে না। পিএম শব্দটিও পছন্দ করে না তৃণমূল। তাই পিএম নাম বাদ দিয়েছে। আয়ুষ্মান ভারত, পিএম জনআরোগ্য যোজনার মতো প্রকল্প এখানে চালু হতে দেয়নি।”

    ‘ছয় গ্যারান্টি’

    হলদিয়ার জনসভায় ‘ছয় গ্যারান্টির’ কথাও বলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “১) ভয়ের জায়গায় ভরসা দেওয়া হবে (West Bengal Assembly Election)। ২) সরকার মানুষের কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য থাকবে। ৩) দুর্নীতি এবং মহিলাদের ওপর অত্যাচারের সব ফাইল খোলা হবে। ৪) রাজ্যের যে-ই দুর্নীতি করুন, তাঁর জায়গা হবে জেলে। মন্ত্রিসান্ত্রী হলেও আইন অনুযায়ী পদক্ষেপ হবে। তৃণমূলের কোনও গুন্ডাকে ছাড়া হবে না। পয়সা খেতে দেওয়া হবে না। ৫) যাঁরা শরণার্থী, তাঁদের সব অধিকার মিলবে। দেশ থেকে বের করে দেওয়া হবে অনুপ্রবেশকারীদের। ৬) বিজেপি রাজ্যে ক্ষমতায় এলে চালু হবে সপ্তম পে কমিশন।”

    এদিন এ রাজ্যে আরও দুটি সভা করার কথা প্রধানমন্ত্রীর। একটি সভা হবে আসানসোলে, অন্যটি সিউড়িতে (PM Modi)। এদিকে, শুক্রবার পশ্চিম মেদিনীপুরের ডেবরা এবং  খড়গপুর সদরে সভা করার কথা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের। শনিবার ফের একবার পশ্চিমবঙ্গে আসবেন প্রধানমন্ত্রী। এদিন তিনি জনসভা করবেন (West Bengal Assembly Election) কৃষ্ণনগর, জিয়াগঞ্জ ও কুশমণ্ডিতে।

  • Suvendu Adhikari: বিজেপি ক্ষমতায় এলে মহিলারা মাসে পাবেন ৩ হাজার, বড় ঘোষণা শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: বিজেপি ক্ষমতায় এলে মহিলারা মাসে পাবেন ৩ হাজার, বড় ঘোষণা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি (Bengal BJP) ক্ষমতায় এলে মহিলাদের মাসে ৩ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। রবিবার হলদিয়াতে এমনই আশ্বাস দিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এছাড়াও ২০০ ইউনিট ফ্রি বিদ্যুত্‍ দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। প্রসঙ্গত, বিজেপি শাসিত একাধিক রাজ্যে মহিলাদের মাসে ভাতা দেওয়ার প্রকল্প চালু রয়েছে। সেটাকেই কাজে লাগাতে চায় বিজেপি। এদিন লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়েও মন্তব্য করতে শোনা যায় শুভেন্দু অধিকারীকে। তিনি বলেন, ‘‘২০২৬ সালে বাংলায় ক্ষমতায় এলে মায়েদের – দিদিদের – বোনেদের ১ হাজার টাকা নয়, ৩ হাজার টাকা দেবে বিজেপি।’’

    প্রতিবছরই হবে নিয়োগ ঘোষণা করলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)

    সম্প্রতি, তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন হলদিয়ার বিজেপি বিধায়ক তাপসী মণ্ডল। রবিবার হলদিয়াতেই জনসভা করেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। সেখান থেকেই শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বললেন, ক্ষমতায় এলে তাঁরা কী কী করতে চান। একইসঙ্গে বিজেপি ক্ষমতায় এলে হাতে-পায়ে ধরে টাটাকে রাজ্যে ফেরানো হবে বলেও ঘোষণা করেন শুভেন্দু। এর পাশাপাশি, নন্দীগ্রামের বিধায়ক বলেন, ‘‘২০০ ইউনিট বিদ্যুত ফ্রি দেওয়া হবে। এক লক্ষ নয়, তিন লক্ষ বাড়ি দেবে বিজেপি সরকার। প্রতি বছরই এসএসসি নিয়োগ হবে। সব জেলাতেই প্রাইমারি পরীক্ষা হবে।’’

    হিন্দুরা শুধু বাড়ি থেকে বের হন

    এর পাশাপাশি, এদিন বিরোধী দলনেতা (Bengal BJP) আবারও জোর দেন হিন্দু ভোটের দিকে। শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) সাফ কথা, হিন্দুরা একটু দয়া করলেই রাজ্যে সরকার বদলে যাবে। আবার সব হিন্দু ভোট দিতে যান না বলেও আক্ষেপ শোনা যায়  বিরোধী দলনেতার গলায়। এদিন তিনি বলেন, ‘‘সিপিএম লড়ছে। কিন্তু পারছে না। ৩০ শতাংশ হিন্দু ভোট দিতে যায় না। ৬৫ থেকে ৬৮ শতাংশ হিন্দু ভোট দিতে যায়। আপনারা শুধু বাড়ি থেকে বেরোবেন। তারপর কী করতে হয়, আপনারা জানেন। একটু দয়া করবেন, উল্টে দেব আমরা।’’

  • Suvendu Adhikari: ‘‘কোনও সনাতনী মমতাকে ভোট দিতে পারে না’’, হলদিয়ায় তোপ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘‘কোনও সনাতনী মমতাকে ভোট দিতে পারে না’’, হলদিয়ায় তোপ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দলবদল করেছেন বিধায়ক তাপসী মণ্ডল। এই আবহে হলদিয়াতে গিয়ে হুঙ্কার দিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এর পাশাপাশি একহাত নিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও। বিরোধী দলনেতা বলেন, ‘‘কোনও সনাতনী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভোট দিতে পারে না, পারে না, পারে না….সরস্বতী পুজো, মহকুম্ভকে মৃত্যু কুম্ভ বলার পর কেউ ভোট দেবে না। মানুষ প্রস্তুত এই রাজ্য মোদীজির হাতে তুলে দেওয়ার জন্য।’’ শুভেন্দ অধিকারী বলেন, ‘‘ক্ষমতায় এলে বিজেপি মায়েদের ৩০০০ টাকা দেবে। যার মধ্যে ২০০ ইউনিট বিদ্যুত ফ্রি। এক লক্ষ টাকার নয় বরং তিন লক্ষের বাড়ি দেবে। প্রতিবছর এসএসসি হবে, সব জেলাতেই প্রাইমারি পরীক্ষা হবে। হাতে পায়ে ধরে টাটাকে ফিরিয়ে আনা হবে।’’

    এই বাংলাও বাংলাদেশ হবে

    শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) কণ্ঠে এদিন উঠে আসে বাংলাদেশ ইস্যু। তিনি বলেন, ‘‘বাংলাদেশে হিন্দুদের উপর অত্যাচার হচ্ছে। এখনও যদি ঐক্যবদ্ধ না হন তাহলে এই বাংলাও বাংলাদেশ হবে। ২৬-এ যদি তৃণমূল যদি লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের লোভ দেখিয়ে, মুসলিমদের জুটিয়ে আমাদের কিছু হিন্দুকে এদিক-ওদিক করে জিতে যায়। তাহলে একই অবস্থা এই অবস্থা হবে। জাত-পাত-রাজনীতি দূরে সরিয়ে রাখো।’’

    ঝাঁটা গেছে একেও ঝেঁটিয়ে বিদায় করতে হবে

    মমতাকে তো দেগে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘‘অরবিন্দ কেজরিবাল যেমন দিল্লিতে একটার সঙ্গে একটা মদ ফ্রি করেন। তেমন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারের লাইসেন্স দিয়ে মদময় করেছেন মমতা। মদের প্রভাব যদি কারও উপর পড়ে তাহলে নারীদের উপর। ঝাঁটা গেছে একেও ঝেঁটিয়ে বিদায় করতে হবে। আমরা পুরো সাংগঠনিক জেলা ডাকিনি (Haldia)। আজ প্রচুর মানুষ এসেছেন। সবাই একাট্টা হয়েছেন।’’

    শুধু বাড়ি থেকে বের হবেন

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন,‘‘২০১৯-এ ভোট পড়েছে ৬১ শতাংশ। এবার পড়েছে ৬৬ শতাংশ। দিল্লিতে ১০ শতাংশ লোক বাড়তি বাড়ি থেকে বেরিয়েছে। তাতেই ঝাঁটা সাফ। শুধু বাড়ি থেকে বেরবেন। তারপর কী করতে হয় আপনারা জানেন। আমার বলার দরকার নেই। শুধু ডায়মন্ড হারবারেই ১০ লক্ষ ছাপ্পা আছে। কেশপুরেও ছাপ্পা আছে। এখানেও আছে ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে ছাপ্পা আছে। এখানে অভিজিৎবাবুকে ঢুকতে দেয়নি। একটা বিশেষ সম্প্রদায়ের লোক।’’

  • Nandakumar: রথের দিন থেকেই গমগম করছে ‘মিনি চিৎপুর’, সামাজিক যাত্রাপালার বুকিং তুঙ্গে

    Nandakumar: রথের দিন থেকেই গমগম করছে ‘মিনি চিৎপুর’, সামাজিক যাত্রাপালার বুকিং তুঙ্গে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলার যাত্রাপাড়া হিসেবে বহুল পরিচিত কলকাতার চিৎপুর। একের পর এক নামজাদা যাত্রাদল রয়েছে এই এলাকায়। বহু নামজাদা অভিনেতা-অভিনেত্রী এই যাত্রাদলগুলির সঙ্গে যুক্ত। তবে, কলকাতার পর যাত্রাদলের বুকিংয়ের ক্ষেত্রে অত্যন্ত জনপ্রিয় জায়গা পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দকুমার (Nandakumar) বাজার। এখানে জাতীয় সড়কের ওপর গোল চৌকি রাস্তার পূর্ব পাড়ে রয়েছে একাধিক যাত্রা বুকিংয়ের অফিস। পূর্ব মেদিনীপুরের পাশাপাশি আশপাশের বিভিন্ন জেলা থেকে নন্দকুমারে ছুটে আসেন যাত্রাপ্রেমীরা। যে কারণে এই জায়গা ‘মিনি চিৎপুর’ নামে পরিচিত। প্রতি বছর রথের দিন থেকে যাত্রাপালা বুকিংয়ের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়।

    কয়েক ঘণ্টাতেই বুকিংয়ের সংখ্যা ৫০ পেরিয়েছে (Nandakumar)

    করোনার সময় থেকে যাত্রাপালা বুকিংয়ে ভাটা পড়েছিল। গত কয়েক বছর সেভাবে বুকিং পায়নি পূর্ব মেদিনীপুরের এই ‘মিনি চিৎপুর’ (Nandakumar)। এবার রথ উৎসবের দিন থেকে চিত্রটাই বদলে গিয়েছে। নন্দকুমারে যাত্রার বুকিং করতে এলে অনেকেই পরিচিত এজেন্টদের মাধ্যমে যোগাযোগ করেন। তেমনই এক এজেন্ট বলেন, “প্রতি বছরের মতো এ বারও রথের দিন সকাল থেকে আমরা অফিস সাজিয়ে বসেছিলাম। অন্যান্য বছর বেলা ১২টা থেকে বুকিংয়ের জন্য বিভিন্ন মেলা কমিটি এবং আয়োজকরা আসেন। এ বার সকাল ৭টা থেকে আয়োজকদের ভিড়ে উপচে পড়েছে অফিস। কয়েক ঘণ্টায় একটি অফিসে ১৬টি বুকিং পেয়েছি। বেশ কয়েকটি বুকিং অফিস মিলিয়ে রথের দিনের প্রথম কয়েক ঘণ্টাতেই বুকিংয়ের সংখ্যা ৫০ পেরিয়ে গিয়েছে।”

    আরও পড়ুন: ঢাকায় আওয়ামি লিগ কাউন্সিলরের নেতৃত্বে সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপর হামলা, জখম ৬০

    সামাজিক যাত্রাপালায় আগ্রহ বেশি

    এখন পালাগান বুকিংয়ের ক্ষেত্রে সামাজিক যাত্রাপালার বিষয়ে বেশি আগ্রহী আয়োজকদের। রাজনীতির কচকচানি অথবা পৌরাণিক ঘটনা নিয়ে পালাগানে সে ভাবে আর আকৃষ্ট হচ্ছেন না দর্শক। ইন্টারনেটের যুগেও যে যাত্রাশিল্প হারিয়ে যায়নি, তা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে বলে দাবি করেছেন বুকিং এজেন্টরা। হলদিয়ার একটি কালীপুজো কমিটির সদস্য সুদীপ্ত মণ্ডল বুকিংয়ের জন্য এসেছিলেন নন্দকুমার (Nandakumar)। তিনি বলেন, “এখনও সাধারণ মানুষের কাছে যাত্রার বিপুল চাহিদা রয়েছে। অন্যান্য অনুষ্ঠানের তুলনায় যাত্রা দেখতে অনেক বেশি মানুষ ভিড় জমান। তাঁদের দাবি মতো আমরা এ বারেও যাত্রা বুকিং করে এসেছি।”

    প্রথমদিনেই ২২টি বুকিং!

    জয়গুরু নাট্য কোম্পানির মালিক অভিনেত্রী জয়া ভট্টাচার্য বলেন, “আমি প্রায় ২৫ থেকে ৩০ বছর ধরে যাত্রা করেছি। অনেক চড়াই-উতরাই পেরিয়েছি আমরা। মাঝে একটা সময়ে যাত্রাশিল্পে (Yatra) চরম দুর্দশা তৈরি হয়েছিল। তারপর তিনবছর হল আমরা নিজেরাই দল গড়েছি। প্রথম বছর ১৭৫টি শো করেছিলাম। গত বছর ১৬১টি যাত্রাপালা (Yatra) করেছি। এ বার প্রথম দিনেই ২২টি বুকিং পেয়েছি। আশা করছি, গত ২ বছরের রেকর্ড ছাড়িয়ে যাবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Civic Volunteer: পুলিশের সার্টিফিকেট জাল করে ধৃত দুই গুণধর সিভিক ভলন্টিয়ার

    Civic Volunteer: পুলিশের সার্টিফিকেট জাল করে ধৃত দুই গুণধর সিভিক ভলন্টিয়ার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টাকার বিনিময়ে জাল পুলিশ ভেরিফিকেশন সার্টিফিকেট গছিয়ে দেওয়ার অভিযোগে দুই সিভিক ভলেন্টিয়ারকে (civic volunteer) গ্রেফতার করল দুর্গাচক থানার পুলিশ। অভিযুক্তরা হলেন সঞ্জয় মান্না ও অনির্বাণ দাস। ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব মেদিনীপুরের হলদিয়ায় (Haldia)।

    কী অভিযোগ

    পুলিশ সূত্রে খবর কারখানায় কাজের জন্য পুলিশ ভেরিফিকেশনের প্রয়োজন ছিল বাহাদুর চন্দ্র দাসের। সেই মত তিনি দুর্গাচক (Durgachak) থানায় পৌঁছে যান। ওই ব্যক্তির কাছ থেকে টাকা নেওয়ার পর তাদেরকে জাল সার্টিফিকেট গছিয়ে দেয়। পুলিশের জাল শংসাপত্র (Fake certificate) দেওয়ার পাশাপাশি নকল স্ট্যাম্প ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে। সার্টিফিকেট জাল বুঝে বাহাদুর চন্দ্র দাস থানার দ্বারস্থ হন। দুই গুণধর সঞ্জয় মান্না ও অনির্বাণ দাসের নামে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। এরপর ওই দুই গুণধরকে গ্রেফতার করে পুলিশ। সমস্ত তথ্য প্রমাণ খতিয়ে দেখে ছয় দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।

    আরও পড়ুন: বাইরে তাপপ্রবাহ! সুস্থ থাকতে কী করবেন, কী করবেন না, নির্দেশিকা কেন্দ্রের

    পুলিশ সূত্রে জানা গেছে হলদিয়ায় কোন কারখানায় কাজ করতে গেলে পুলিশ ভেরিফিকেশন সার্টিফিকেট বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। সেই সার্টিফিকেটের জন্যই কুমার চকের বাসিন্দা বাহাদুর বাবু দুর্গাচক থানায় গিয়েছিলেন। তার দাবি সিভিক ভলেন্টিয়ার সঞ্জয় মান্না আধার কার্ডের জেরক্স, দুটি ছবি ও ৫০০ টাকা দাবি করে। এরপর তাকে একটি মোবাইল নম্বর দেওয়া হয়। ওই মোবাইল নম্বরে একাধিকবার ফোন করা হলেও কেউ ফোন ধরেনি। সঞ্জয় তাকে যে সার্টিফিকেট দেয় যাতে দুর্গাচক থানার স্ট্যাম্প ও আধিকারিকের সই ছিল। কিন্তু থানার সঙ্গে যোগাযোগ করে তিনি জানতে পারেন তাকে যে সার্টিফিকেট গছিয়ে দিয়েছে থানার সিভিক ভলেন্টিয়ার তা জাল। তিনি সঞ্জয় মান্নার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। পরে পুলিশ সঞ্জয়কে গ্রেফতার করে এবং জিজ্ঞাসাবাদ করে। অনির্বাণের জড়িত থাকার ঘটনা জানতে পারে পুলিশ তাকেও গ্রেফতার করে। পুলিশ খতিয়ে দেখছে কোথা থেকে এই জাল সার্টিফিকেট এবং ভুয়া স্টাম্প তৈরি করা হয়েছিল। এই ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • TMC: চাকরির নামে আর্থিক দুর্নীতি ও প্রতারণা! অভিযুক্ত আরও এক শাহজাহান, চেনেন তৃণমূল নেতাকে?

    TMC: চাকরির নামে আর্থিক দুর্নীতি ও প্রতারণা! অভিযুক্ত আরও এক শাহজাহান, চেনেন তৃণমূল নেতাকে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালির শাহজাহানের মতো এবার পূর্ব মেদিনীপুরের আরেক তৃণমূল (TMC) নেতা শাহজাহানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে শোরগোল পড়েছে। দুই জনের নামের যেমন মিল তেমনি রাজনৈতিক দলও এক। এই তৃণমূল নেতার একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। সেখানে তাঁকে স্পষ্ট বলতে শোনা যাচ্ছে, “আমার ২০০০ টাকা লাগবে।” তবে ভিডিও কয়েক বছরের পুরাতন হলেও লোকসভার আগে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

    এলাকার মানুষের অভিযোগ (TMC)

    শিল্পাঞ্চল হলদিয়ার একটি বাড়িতে ভিডিও রেকর্ড করা হয় বলে জানা গেছে। সেখানকার এক বাড়ির মালিক শেখ ইব্রাহিম আলি বলেছেন, “আমার এক আত্মীয়ের সরকারি চাকরির জন্য তৃণমূল নেতা (TMC) শেখ শাহজাহানকে পাঁচ লক্ষ টাকা দিয়েছিলাম। তিনি আমার বাড়িতে এসে বলেন, দুই হাজার টাকা গাড়িভাড়া হিসাবে অতিরিক্ত দিতে হবে। বাকি পুরো টাকাটা সরকারি আধিকারিককে দিতে হবে। কিন্তু টাকা দেওয়ার ৩ থেকে ৪ বছর অতিক্রান্ত হলেও এখনও চাকরির খোঁজ নেই। আমি আমার টাকাও ফেরত পেলাম না।”

    টাকা নিয়ের চাকরির প্রতারণা (TMC)

    এলাকার প্রতারণার শিকার আরও এক ব্যক্তি সমরেশ সামন্ত বলেন, “তৃণমূল (TMC) নেতা শাহজাহান আমাকে বলেছিলেন খাদ্য দফতরের চাকরি করে দেবেন। সেই জন্য ৫ লাখ টাকা দিয়েছিলাম। কিন্তু আজও কাজ মেলেনি।” আবার শেখ কামরুল আলম অভিযোগ করে বলেন, “আমাকে সরকারি চাকরি করে দেওয়ার নাম করে ৫০ হাজার টাকা নিয়েছিল। আরও ৫ লাখ টাকা চেয়েছিলেন। কিন্তু দিতে পারব না বলে জানিয়েছিলাম। কিছু টাকা ফেরত পেলেও এখনও অনেক টাকা বাকি।” এলাকার মানুষ ডায়মণ্ডহারবারে পুলিশের কাছে অভিযোগ করলে পুলিশ অভিযোগ নিতে অস্বীকার করে।

    পুলিশের বক্তব্য

    ভোটের মুখে সেই ভিডিও ভাইরাল হলে প্রতারণার শিকার ব্যক্তিরা থানায় গিয়ে অভিযোগ করলে পুলিশ নিতে চায়নি। এরপর হলদিয়া এসডিপিওকে সংবাদ মধ্যম ফোন করলে তিনি বলেন, “২০২০ সালের ঘটনা। এই বিষয়ে এখন কিছু বলার নেই। তবে এই তৃণমূল নেতার (TMC) বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ জমা দিলে পুলিশ তদন্ত করবে।”

    শাহজাহানের বক্তব্য

    এই বিষয়ে শাহজাহান নিজের আর্থিক লেনদেনের কথা স্বীকার করে বলেন, “আমি কাউকে চাকরির প্রতিশ্রুতি দেইনি। যার বাড়িতে টাকা নেওয়া হয়েছে সেখানে আমাকে সাক্ষী হিসাবে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। আমি মাত্র ২০০০ টাকা নিয়েছিলাম। এর থেকে বেশী টাকা আমি চাইনি।” এইবিষয়ে স্থানীয় তৃণমূল (TMC) নেতা শেখ শাহানুল্লাহ খান বলেন, “বিষয়টি আমি শুনেছি। তবে সত্যতা এখনও জানিনা। অনুসন্ধান করে বলব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Haldia: পানীয় জলের সমস্যা নিয়ে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষ, রণক্ষেত্র এলাকা

    Haldia: পানীয় জলের সমস্যা নিয়ে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষ, রণক্ষেত্র এলাকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পানীয় জলের সমস্যাকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রের চেহারা নিল পূর্ব মেদিনীপুরের হলদিয়ার (Haldia) বিষ্ণুরামচক এলাকা। গোষ্ঠীকোন্দলে জড়াল তৃণমূল। বাঁশ, লাঠি, লোহার রড নিয়ে চলল হামলা. পাল্টা হামলা। গ্রামের একাধিক বাড়িঘরেও চলে ভাঙচুর। তৃণমূলের দু’পক্ষের সংঘর্ষে আহত হয়েছেন একাধিক। পরে, পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়। একাদশীর দিনেই শিল্পতালুক হলদিয়াতে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে উত্তেজনা ছড়াল।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Haldia)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, হলদিয়ার (Haldia) বিষ্ণুরামচক এলাকায় পানীয় জলের টিউবওয়েলে কেউ বা কারা নোংরা আবর্জনা ফেলে দেন। তা থেকে ঘটনার সূত্রপাত। এলাকায় বেশ কয়েকটি কল এই পরিস্থিতির শিকার হওয়াতে বিপাকে পড়েন মানুষ। এলাকার নেতৃত্বের তত্ত্বাবধানে পুরসভার পানীয় জলের গাড়ি পাঠানো হলেও সেই গাড়ি কার জায়গা দিয়ে যাবে তা নিয়েই শুরু হয় বচসা। তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে গন্ডগোল বাধে। মূলত প্রাক্তন জেলা সভাপতি দেবপ্রসাদ মণ্ডলের সঙ্গে তমলুক সাংগঠনিক জেলার বর্তমান জেলা যুব সভাপতি অজগর আলির অনুগামীদের দ্বন্দ্ব শুরু হয়। একে অপরের বাড়ি ভাঙচুর করে বলে অভিযোগ। অনুগামীদের মারধর করারও অভিযোগ রয়েছে দুই পক্ষের মধ্যে। ইতিমধ্যে সমগ্র ঘটনা শীর্ষ নেতৃত্বকে জানানো হয়। গ্রামে পুলিশ টহল দিচ্ছে। তবে, অষ্টমীতেও গ্রামের একাধিক বাড়িতে ভাঙচুর হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠছে। সমগ্ৰ ঘটনার কথা জানিয়ে হলদিয়া থানায় লিখিত ভাবে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এই বিষ্ণুরামচক এলাকায় বিদ্যুৎ পৌঁছানোর জন্য তৃণমূলের এক শীর্ষস্থানীয় নেতা খুব চেষ্টা করেছিলেন এবং বিদ্যুৎ পৌঁছেও যায়। কিন্তু, সেখানকার রাজনৈতিক নেতৃত্বের একাংশ জানিয়েছেন, ওই এলাকায় এখন ক্ষমতা দখলের লড়াই জারি রয়েছে। আর তার জেরেই সামান্য পানীয় জলের সমস্যাকে কেন্দ্র করে গোটা এলাকা উত্তাল হয়ে ওঠে। এই বিষয়ে তৃণমূল নেতৃত্বের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share