Tag: Hamid Ansari

Hamid Ansari

  • Hamid Ansari: হিন্দু দক্ষিণপন্থী সাম্প্রদায়িকতা নিয়ে হামিদ আনসারির মন্তব্যে বিতর্ক, তীব্র আক্রমণ ইমাম ইলিয়াসির

    Hamid Ansari: হিন্দু দক্ষিণপন্থী সাম্প্রদায়িকতা নিয়ে হামিদ আনসারির মন্তব্যে বিতর্ক, তীব্র আক্রমণ ইমাম ইলিয়াসির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতি হামিদ আনসারির (Hamid Ansari) “হিন্দু দক্ষিণপন্থী সাম্প্রদায়িকতা” সংক্রান্ত মন্তব্যকে ঘিরে রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। তাঁর মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছেন অল ইন্ডিয়া ইমাম অর্গানাইজেশনের প্রধান ইমাম উমর আহমেদ ইলিয়াসি (Imam Ilyasi)। তাঁর অভিযোগ, এই ধরনের মন্তব্য দেশের সামাজিক সম্প্রীতি নষ্ট করতে পারে।

    গত ১৯ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লির ইন্ডিয়া ইসলামিক কালচারাল সেন্টারে প্রয়াত সংবিধান বিশেষজ্ঞ তথা লেখক এজি নূরানির স্মরণে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন আনসারি। সেখানে তিনি নূরানির ২০১৯ সালের বই ‘দ্য আরএসএস: আ মেনেস টু ইন্ডিয়া’র প্রসঙ্গ তুলে ধরেন এবং প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর একটি পুরনো বক্তব্যের উল্লেখ করেন। আনসারি বলেন, নেহরুর মতে ভারতের জন্য প্রকৃত বিপদ সাম্যবাদ নয়, বরং হিন্দু দক্ষিণপন্থী সাম্প্রদায়িকতা। পাশাপাশি সাম্প্রতিক বছরগুলিতে নাগরিক জাতীয়তাবাদের প্রতিষ্ঠিত ধারণার পরিবর্তে সাংস্কৃতিক জাতীয়তাবাদের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, এই প্রবণতার মাধ্যমে ধর্মীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতাকে নির্বাচনী সংখ্যাগরিষ্ঠতার সঙ্গে এক করে রাজনৈতিক ক্ষমতা একচেটিয়া করার চেষ্টা হতে পারে। আনসারি আরও বলেন, এর ফলে ধর্মের ভিত্তিতে নাগরিকদের মধ্যে পার্থক্য তৈরি করা, অসহিষ্ণুতাকে উৎসাহ দেওয়া এবং সমাজে অন্যত্ব, অস্থিরতা ও নিরাপত্তাহীনতার পরিবেশ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

    ইমাম ইলিয়াসির আক্রমণ (Hamid Ansari)

    আনসারির বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেন ইলিয়াসি। তাঁর অভিযোগ, মুসলিম সমাজের মধ্যে নিজের ভাবমূর্তি পুনর্গঠনের উদ্দেশ্যেই আনসারি এই ধরনের মন্তব্য করেছেন। ইলিয়াসি বলেন, “আমি এই বক্তব্যের তীব্র নিন্দা করছি। হামিদ আনসারি সাহেব আবার মুসলিমদের কথা মনে করেছেন। তিনি যখন ক্ষমতায় ছিলেন এবং গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন, তখন তিনি ধর্মনিরপেক্ষ ছিলেন। আজ তিনি মুসলিমদের কথা মনে করছেন।” তিনি আরও বলেন, “মুসলিমরা তাঁর সম্পর্কে জানতে চাইছেন না। তাঁদের মধ্যে নিজের ভাবমূর্তি উন্নত করার জন্যই তিনি এই ধরনের মন্তব্য করেছেন।” দেশের পরিবেশ নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করে ইলিয়াসির মন্তব্য, “আমার মনে হচ্ছে, কোথাও না কোথাও দেশের পরিবেশ নষ্ট করার জন্য এটি একটি বড় ষড়যন্ত্র।”

    ভাগবতের বক্তব্য সমর্থনের পরামর্শ

    ইলিয়াসি বলেন, মুসলিম সমাজ নিয়ে আলোচনা করার পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের প্রধান মোহন ভাগবতের কিছু বক্তব্যকেও স্বীকৃতি দেওয়া উচিত। তিনি বলেন, “মোহন ভাগবতজি যখন বলেছেন যে সব ভারতীয়ের ডিএনএ এক, মসজিদের নীচে শিবলিঙ্গ খোঁজা উচিত নয় এবং সম্প্রতি আমেরিকা সফরের সময় মুসলিমদের অধিকারের পক্ষে বক্তব্য দিয়েছেন, তখন সেই বক্তব্যগুলিকেও সমর্থন করা উচিত (Hamid Ansari)।”

    বিজেপি এবং বিশ্ব হিন্দু পরিষদেরও সমালোচনা

    আনসারির মন্তব্যের সমালোচনা করেছে বিজেপি এবং বিশ্ব হিন্দু পরিষদও। বিশ্ব হিন্দু পরিষদের নেতা বিনোদ বনসলের অভিযোগ, উপরাষ্ট্রপতি পদে থাকার সময়ে আনসারি উগ্রপন্থী সংগঠন হিসেবে বর্ণিত পিএফআই এবং এসডিপিআইয়ের আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন। বনসল বলেন, “ভারতের সংখ্যাগরিষ্ঠ হিন্দু সমাজের কাছ থেকে কোনও হুমকি নেই। হুমকি তাদের কাছ থেকে, যারা উগ্র মানসিকতা নিয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠ ও সংখ্যালঘুর বিভাজনের বিষ ছড়ায় এবং যারা উগ্রপন্থাকে উৎসাহ দেয়, তাদের রক্ষা করার চেষ্টা করে।” বিজেপির অভিযোগ, আনসারির বক্তব্য কংগ্রেসের তথাকথিত হিন্দু-বিরোধী রাজনীতির প্রতিফলন। সোশ্যাল মিডিয়ায় দেওয়া এক বার্তায় রাহুল গান্ধীর অতীতের হিন্দু সংগঠন ও সন্ত্রাসবাদ সংক্রান্ত মন্তব্যের প্রসঙ্গও টেনে আনে পদ্ম শিবির। ঘটনায় (Imam Ilyasi) রাজনৈতিক বিতর্কের পাশাপাশি নাগরিক জাতীয়তাবাদ, সাংস্কৃতিক জাতীয়তাবাদ এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নিয়ে নতুন করে শুরু হয়েছে (Hamid Ansari) চর্চা।

     

  • BJP Condemns Ansari’s Remark: ‘ঘজনি ভারতীয়’! হামিদ আনসারির মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা বিজেপির

    BJP Condemns Ansari’s Remark: ‘ঘজনি ভারতীয়’! হামিদ আনসারির মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতি হামিদ আনসারির (BJP Condemns Ansari’s Remark) মাহমুদ ঘজনিকে নিয়ে করা মন্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছে ভারতীয় জনতা পার্টি (BJP)। বিজেপির জাতীয় মুখপাত্র সিআর কেশবন শুক্রবার বলেন, ঘজনিকে “বিদেশি আক্রমণকারী নন, ভারতীয়” বলে উল্লেখ করা ইতিহাসের নির্মম সত্যকে আড়াল করার শামিল। তিনি প্রশ্ন তোলেন, কংগ্রেস নেতৃত্ব ও বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi) কি এই বক্তব্যের সঙ্গে একমত?

    কংগ্রেসের সমালোচনায় কেশবন

    এক্স (পূর্বতন টুইটার)-এ একটি ভিডিও শেয়ার করে কেশবন অভিযোগ করেন, কংগ্রেস ইসলামিক আক্রমণকারীদের নৃশংসতা “সাদা রং” করে দেখাতে চাইছে। তাঁর দাবি, অষ্টম শতক থেকে শুরু হওয়া ইসলামিক আক্রমণগুলিতে পরিকল্পিতভাবে হিন্দু ধর্মীয় স্থাপনাগুলিকে লক্ষ্য করা হয়েছিল। তিনি বলেন, একাদশ শতকে মাহমুদ ঘজনি ১৭ বার ভারত আক্রমণ করেন, মথুরার মন্দির ধ্বংস করেন এবং সোমনাথ মন্দিরের জ্যোতির্লিঙ্গ ভেঙে দেন। কেশবনের প্রশ্ন, সোমনাথ মন্দির পুনর্নির্মাণের বিরোধিতা করা নেহরুর কংগ্রেস কি এই ধরনের মন্তব্যে সম্মতি জানায়, যা সনাতন সংস্কৃতির ভিত্তি ধ্বংসের প্রচেষ্টাকে স্বাভাবিক করতে চায়?

    কংগ্রেস সবসময় হিন্দুবিদ্বেষীদের প্রশংসা করে

    এ প্রসঙ্গে বিজেপির আরেক মুখপাত্র শেহজাদ পুনাওয়ালা কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ করেন। সংবাদসংস্থা এএনআই-কে তিনি বলেন, “কংগ্রেস ইকোসিস্টেম সবসময় হিন্দুবিদ্বেষীদের প্রশংসা করে এবং তাদের অত্যাচারকে ধামাচাপা দেয়। হামিদ আনসারি (BJP Condemns Ansari’s Remark) বলছেন, ঘজনি নিষ্ঠুর ছিলেন না, তিনি নাকি ভারতীয়। যারা ভারত ভাঙার কথা বলে—শারজিল, ইয়াকুব, আফজল বা উমর—কংগ্রেস তাদের পাশেই দাঁড়ায়। এতে তাদের মানসিকতার হিন্দুবিদ্বেষ স্পষ্ট।” পুনাওয়ালা আরও অভিযোগ করেন, রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi) গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে অনুপস্থিত থেকে পরিবারতন্ত্রকে সংবিধানের ঊর্ধ্বে রাখছেন। তিনি বলেন, “বিটিং রিট্রিট, উপরাষ্ট্রপতির শপথগ্রহণ, প্রধান বিচারপতির শপথগ্রহণ বা ১৫ আগস্টের অনুষ্ঠানে অনুপস্থিত থাকা দেখায় যে রাহুল গান্ধীর কাছে ‘সংবিধান তন্ত্র’-এর চেয়ে ‘পরিবার তন্ত্র’ বেশি গুরুত্বপূর্ণ।”

LinkedIn
Share