Tag: Harish Parvathaneni

  • India: নিরাপত্তা পরিষদ-সহ বৈশ্বিক শাসন কাঠামোয় দ্রুত সংস্কারের আহ্বান ভারতের, কী বলল দিল্লি?

    India: নিরাপত্তা পরিষদ-সহ বৈশ্বিক শাসন কাঠামোয় দ্রুত সংস্কারের আহ্বান ভারতের, কী বলল দিল্লি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রসংঘের (UN Security Council Reform) বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে দ্রুত ও বিস্তৃত সংস্কারের দাবি ফের জোরালোভাবে তুলল ভারত (India)। নিরাপত্তা পরিষদের সংস্কার, সাধারণ পরিষদকে আরও কার্যকর করে তোলা এবং অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের ভূমিকা আরও শক্তিশালী করার ওপর জোর দিয়ে ভারত বলেছে, বর্তমান বিশ্বের বাস্তবতার সঙ্গে তাল মিলিয়ে বহুপাক্ষিক ব্যবস্থাকে ভবিষ্যতের উপযোগী করে গড়ে তুলতে হবে।

    গোলটেবিল বৈঠকে সোচ্চার ভারত (India)

    স্থানীয় সময় ১৪ জুলাই রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ পরিষদের বৈঠকে ‘ভবিষ্যতের উপযোগী বহুপাক্ষিক ব্যবস্থা গড়ে তোলা’ শীর্ষক মন্ত্রী পর্যায়ের গোলটেবিল বৈঠকে বক্তব্য রাখেন রাষ্ট্রসংঘে ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত হরিশ পর্বতানেনি। তিনি বলেন, “ভারতের কাছে ভবিষ্যতের উপযোগী বহুপাক্ষিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার অর্থ হল, বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে বর্তমান বিশ্বের বাস্তবতার প্রতিফলন ঘটাতে সক্ষম করা। সেই কারণেই নিরাপত্তা পরিষদের সর্বাত্মক সংস্কার, সাধারণ পরিষদের পুনরুজ্জীবন এবং অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের আরও শক্তিশালী ভূমিকা অত্যন্ত জরুরি। অর্থনৈতিক, সামাজিক এবং পরিবেশগত— টেকসই উন্নয়নের এই তিনটি ক্ষেত্রেই তাদের কার্যকর ভূমিকা থাকা প্রয়োজন।”

    রাষ্ট্রসংঘের প্রতি মানুষের আস্থা কমেছে

    রাষ্ট্রসংঘের কার্যকারিতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি জানান, সাম্প্রতিক সময়ে নিরাপত্তা পরিষদ বিশ্বের বিভিন্ন সংঘাত মোকাবিলায় কার্যকর ভূমিকা গ্রহণ করতে ব্যর্থ হওয়ায় রাষ্ট্রসংঘের প্রতি মানুষের আস্থা কমেছে। তাঁর কথায়, “বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে চলতে থাকা সংঘাত থামাতে এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ কমাতে নিরাপত্তা পরিষদ কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পারেনি। ফলে আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষার যে মূল লক্ষ্য নিয়ে রাষ্ট্রসংঘ প্রতিষ্ঠা হয়েছিল, তা আজ প্রশ্নের মুখে পড়েছে (India)।” নিরাপত্তা পরিষদের বর্তমান কাঠামোকেই এই ব্যর্থতার অন্যতম কারণ বলে উল্লেখ করেন হরিশ। তিনি বলেন, “আশি বছর আগের বাস্তবতা মাথায় রেখে তৈরি করা কাঠামো বর্তমান বিশ্বের জটিল চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য আর যথেষ্ট নয়। রাষ্ট্রসংঘ এখনও নিরাপত্তা পরিষদের সংস্কারের ক্ষেত্রে কোনও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করতে পারেনি। আন্তঃসরকারি আলোচনার কাঠামোয় দীর্ঘদিন ধরে শুধু প্রস্তুত বক্তব্যই দেওয়া হচ্ছে। ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনার ৩৯ থেকে ৪১ নম্বর পদক্ষেপও মূলত কাগজেই রয়ে গিয়েছে। এই পরিস্থিতির পরিবর্তন হওয়া প্রয়োজন।”

    আন্তর্জাতিক আর্থিক কাঠামো সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা

    তিনি আরও বলেন, “ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনায় আন্তঃসরকারি আলোচনার বিষয়ে যে সুপারিশগুলি রয়েছে, সেগুলি ওই আলোচনার সহ-সভাপতিরা তৈরি করেছিলেন, পরিকল্পনার সহ-সমন্বয়কারীরা নন। ওই অংশ নিয়ে ভারতের গুরুতর আপত্তি থাকলেও, গঠনমূলক মনোভাব থেকেই ভারত এই কর্মপরিকল্পনা সমর্থন করেছে (UN Security Council Reform)।” আন্তর্জাতিক আর্থিক কাঠামোর সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি। বলেন, “টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছতে গেলে পর্যাপ্ত, সাশ্রয়ী এবং নিশ্চিত অর্থায়ন অত্যন্ত প্রয়োজন। আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে আরও প্রতিনিধিত্বমূলক, দ্রুত সাড়া দিতে সক্ষম এবং উন্নয়নমুখী হতে হবে। একই সঙ্গে তাদের মূল দায়িত্বও অক্ষুণ্ণ রাখতে হবে।” বৈশ্বিক শাসন ব্যবস্থার সংস্কারে ভারতের অঙ্গীকারের কথা মনে করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, “নিরাপত্তা পরিষদ এবং আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান-সহ বৈশ্বিক শাসন কাঠামোর সংস্কারের লক্ষ্যে সব আন্তরিক উদ্যোগকে ভারত (India) সমর্থন করে যাবে। বর্তমান এবং ভবিষ্যতের মানবিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এই প্রতিষ্ঠানগুলিকে আরও সক্ষম ও কার্যকর করে তোলাই আমাদের যৌথ লক্ষ্য হওয়া উচিত (UN Security Council Reform)।”

     

  • India Slams Pakistan: রাষ্ট্রসঙ্ঘে পাকিস্তানকে ধুয়ে দিল ভারত, ‘ফিতনা আল হিন্দুস্তান’ তকমাকে বলল রাষ্ট্রীয় বিভ্রান্তি ছড়ানোর কৌশল

    India Slams Pakistan: রাষ্ট্রসঙ্ঘে পাকিস্তানকে ধুয়ে দিল ভারত, ‘ফিতনা আল হিন্দুস্তান’ তকমাকে বলল রাষ্ট্রীয় বিভ্রান্তি ছড়ানোর কৌশল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রসঙ্ঘে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয়ভাবে বিভ্রান্তিকর প্রচার চালানোর অভিযোগ তুলল ভারত (India Slams Pakistan)। সোমবার রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদে (UN Security Council) আফগানিস্তানের পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত বৈঠকে ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত হরিশ পার্বতানেনি বলেন, “পাকিস্তান নিজেদের দেশের জঙ্গি সংগঠনগুলিকে ‘ফিতনা আল হিন্দুস্তান’ নামে অভিহিত করে ভারতের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন প্রচার চালাচ্ছে।”

    পাকিস্তানকে তোপ ভারতের (India Slams Pakistan)

    গত বছর পাকিস্তান নিজেদের ভূখণ্ডে সক্রিয় একাধিক জঙ্গি সংগঠনকে এই নামে চিহ্নিত করে দাবি করেছিল যে, তারা ভারতের মদতপুষ্ট। যদিও এই দাবির স্বপক্ষে ইসলামাবাদ কোনও প্রমাণ দাখিল করেনি। এ প্রসঙ্গে ভারতের প্রতিনিধি বলেন, “ধর্মীয় পরিভাষার আড়ালে এই নামকরণ আসলে পাকিস্তানের সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত বিভ্রান্তি ও অপপ্রচারের অংশ।” তিনি বলেন, “পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠী নিজেদের জনগণ এবং আন্তর্জাতিক মহলকে বিভ্রান্ত করতে এই ধরনের প্রচার চালাচ্ছে।” তাঁর দাবি, ভারতের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ জিইয়ে রেখে পাকিস্তান আসলে নিজেদের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সঙ্কট থেকে মানুষের দৃষ্টি ঘোরানোর চেষ্টা করছে।

    পাকিস্তানের সমালোচনা

    তিনি পাকিস্তানের রাজনৈতিক কাঠামো ও সেনাবাহিনীর ভূমিকার সমালোচনাও করেন। পার্বতানেনির অভিযোগ, সাম্প্রতিক সাংবিধানিক পরিবর্তনের মাধ্যমে দেশটিতে সামরিক বাহিনীর প্রভাব আরও বেড়েছে। আফগানিস্তানের ভেতরে পাকিস্তানের সামরিক অভিযানেরও তীব্র সমালোচনা করে ভারত। পার্বতানেনি সাফ জানিয়ে দেন, অসামরিক মানুষের মৃত্যু ঘটিয়ে কোনও অভিযানকে সন্ত্রাসবিরোধী পদক্ষেপ বলা যায় না। তিনি এও বলেন, “আন্তর্জাতিক আইন ও ইসলামি সংহতির কথা বললেও, রমজান মাসে আফগানিস্তানে বিমান হামলা চালিয়ে পাকিস্তান ভণ্ডামির পরিচয় দিয়েছে।” ভারতের প্রতিনিধি দাবি করেন, প্রতিবেশী দেশগুলির ওপর নিজেদের ব্যর্থতার দায় চাপানোর দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে পাকিস্তানের।

    পাক-আফগান সীমান্তে উত্তেজনা

    উল্লেখ্য, চলতি বছরের শুরুতে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে আফগানিস্তানে পাকিস্তানের বিমান হামলায় নারী ও শিশু-সহ অন্তত ১৩ জন সাধারণ মানুষের মৃত্যু হওয়ার তথ্য সামনে আসে। এরপর দুই দেশের মধ্যে সীমান্ত সংঘর্ষ ও পাল্টা সামরিক অভিযান শুরু হয়। মার্চ মাসে রাষ্ট্রসঙ্ঘ জানিয়েছিল, সংঘর্ষে আফগানিস্তানে অন্তত ৪২ জন নিহত ও ১০৪ জন আহত হয়েছেন, বাস্তুচ্যুত হয়েছেন এক লাখেরও বেশি মানুষ (India Slams Pakistan)। এরপর আফগান কর্তৃপক্ষ পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কাবুলের একটি মাদক পুনর্বাসন কেন্দ্রে বিমান হামলা চালানোর অভিযোগ তোলেন। তাঁদের দাবি, ওই হামলায় ৪০০-এরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে, যদিও রাষ্ট্রসঙ্ঘ (UN Security Council) অন্তত ২৬৯ জনের মৃত্যুর খবর যাচাই করেছে। আপাতত উত্তেজনা কিছুটা কমলেও, সীমান্তে এখনও ঘটছে বিচ্ছিন্ন সংঘর্ষের ঘটনা (India Slams Pakistan)।

     

  • India Slams Pakistan: ‘কলঙ্কিত গণহত্যার ইতিহাস’ স্মরণ করিয়ে রাষ্ট্রসংঘে পাকিস্তানকে ধুয়ে দিল ভারত

    India Slams Pakistan: ‘কলঙ্কিত গণহত্যার ইতিহাস’ স্মরণ করিয়ে রাষ্ট্রসংঘে পাকিস্তানকে ধুয়ে দিল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে (UNSC) পাকিস্তানকে ধুয়ে দিল ভারত। বুধবার নয়াদিল্লির প্রতিনিধি সাফ জানিয়ে দেন, পাকিস্তানের ‘দীর্ঘদিনের কলঙ্কিত’ গণহত্যার ইতিহাস প্রমাণ করে যে (India Slams Pakistan) তারা নিজেদের অভ্যন্তরীণ ব্যর্থতা আড়াল করতে দেশীয় ও সীমান্তের বাইরে হিংসার আশ্রয় নেয়। ‘সশস্ত্র সংঘাতে সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা’ শীর্ষক খোলা বিতর্কে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এই মন্তব্য করেন রাষ্ট্রসংঘে ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি হরিশ পার্বথানেনি (Harish Parvathaneni)। এই বিতর্কে অংশ নিয়েছিলেন পাকিস্তানের প্রতিনিধিও। জম্মু-কাশ্মীরের প্রসঙ্গ তোলেন তিনি। পরে বক্তব্য রাখতে গিয়ে হরিশ বলেন, “এটা অত্যন্ত বিদ্রূপাত্মক যে পাকিস্তান, যার দীর্ঘদিনের গণহত্যামূলক কর্মকাণ্ডের ইতিহাস রয়েছে, তারা ভারতের সম্পূর্ণ অভ্যন্তরীণ বিষয়ে মন্তব্য করছে।”

    বর্বর বিমান হামলা (India Slams Pakistan)

    চলতি বছরের শুরুতে আফগানিস্তানে পাকিস্তানের হামলার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “বিশ্ব ভুলে যায়নি যে চলতি বছরের মার্চ মাসে, পবিত্র রমজান মাসে—যা শান্তি, আত্মবিশ্লেষণ ও করুণার সময়—পাকিস্তান কাবুলের ওমিড অ্যাডিকশন ট্রিটমেন্ট হসপিটালে (Omid Addiction Treatment Hospital) বর্বর বিমান হামলা চালায়।” রাষ্ট্রসংঘের আফগানিস্তান সহায়তা মিশনের (UNAMA) তথ্য উদ্ধৃত করে ভারতের প্রতিনিধি বলেন, “এই কাপুরুষোচিত ও নৃশংস হামলায় ২৬৯ জন সাধারণ মানুষ নিহত হন। জখম হন ১২২ জন। হাসপাতালের মতো একটি প্রতিষ্ঠানকে কোনওভাবেই সামরিক টার্গেট বলা যায় না।” তিনি বলেন, “পাকিস্তানের পক্ষে আন্তর্জাতিক (India Slams Pakistan) আইনের উচ্চ নীতির কথা বলা ভন্ডামি। কারণ তারা অন্ধকারে নিরীহ সাধারণ মানুষকে টার্গেট করে।”

    রাষ্ট্রসংঘের আফগানিস্তান সহায়তা মিশনের মূল্যায়ন

    প্রসঙ্গত, রাষ্ট্রসংঘের আফগানিস্তান সহায়তা মিশনের তথ্য অনুযায়ী, এই বিমান হামলা তারাবির নামজের পরপরই হয়েছিল, যখন বহু রোগীও মসজিদ থেকে বের হচ্ছিলেন। হরিশ বলেন, “রাষ্ট্রসসংঘের আফগানিস্তান সহায়তা মিশনের মূল্যায়ন অনুযায়ী সীমান্তপারের সশস্ত্র হিংসার কারণে ৯৪,০০০-এরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। পাকিস্তানের এই ধরনের আগ্রাসন আশ্চর্যের কিছু নয়, কারণ এটি এমন একটি দেশ যারা নিজেদের জনগণের ওপর বোমা বর্ষণ করে, চালায় পরিকল্পিত গণহত্যাও।” তাঁর অভিযোগ, ১৯৭১ সালে অপারেশন সার্চলাইট (Operation Searchlight) চালানোর সময় পাক সেনাবাহিনী ৪ লাখ মহিলার ওপর পরিকল্পিত গণধর্ষণ চালায়। এর পরেই ভারত সাফ (UNSC) জানিয়ে দেয়, পাকিস্তানের কাশ্মীর প্রসঙ্গ তোলাটা ভারতের অভ্যন্তরীণ (India Slams Pakistan) বিষয়ে হস্তক্ষেপের নামান্তর। তাই এই গ্রহণযোগ্য নয়।

     

LinkedIn
Share