Tag: Hate Crime

  • Hindus Under Attack:  হিন্দুদের ওপর হামলা নিয়ে সাপ্তাহিক প্রতিবেদন, ভারতজুড়ে একাধিক ঘটনার অভিযোগ

    Hindus Under Attack:  হিন্দুদের ওপর হামলা নিয়ে সাপ্তাহিক প্রতিবেদন, ভারতজুড়ে একাধিক ঘটনার অভিযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত ও বিদেশে হিন্দু এবং হিন্দু ধর্মের (Hindus Under Attack) ওপর হামলার ঘটনা নিয়মিত ঘটছে বলেই অভিযোগ। বিভিন্ন অঞ্চলে হিন্দুদের ওপর নিপীড়ন, ধর্মান্তরে বাধ্য করা, জমি দখল, ধর্মীয় উৎসবে হামলা, মন্দির ও মূর্তি (Weekly Round up) অপবিত্র করা, বিদ্বেষমূলক বক্তব্য, যৌন হিংসা এবং প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্যের মতো অভিযোগ সামনে এসেছে। সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদনের দাবি, এই ঘটনাগুলির সামগ্রিক মাত্রা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে যথেষ্ট আলোচনা হয়নি।

    ৯ অগাস্ট থেকে ১৫ অগাস্ট ২০২৬ পর্যন্ত সময়ের একটি সাপ্তাহিক প্রতিবেদনে ভারতে হিন্দুদের ওপর হামলা ও বৈষম্যের অভিযোগে ছ’টি ঘটনা তুলে ধরা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাই করার সম্ভব হয়নি।

    অবৈধ অভিবাসনবিরোধী পুলিশের অভিযান (Hindus Under Attack)

    বেঙ্গালুরুতে অবৈধ অভিবাসনবিরোধী পুলিশের অভিযানে বৈধ নথিপত্র ছাড়া বসবাসকারী বাংলাদেশি নাগরিকদের উপস্থিতির বিষয়টি সামনে এসেছে।

    শনিবার শহরের বিভিন্ন এলাকায় যৌথ অভিযান চালায় পুলিশ। ইলেকট্রনিক সিটি ও হোয়াইটফিল্ড বিভাগের অভিযানে যাচাই ও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ২,৮৯৪ জন বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করা হয়। অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা, জননিরাপত্তা এবং আইনশৃঙ্খলা জোরদারের পাশাপাশি অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত করাই অভিযানের উদ্দেশ্য ছিল বলে জানানো হয়েছে।

    হিন্দুত্ববাদী কর্মীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

    আহিল্যানগর পুরসভার বিদ্যুৎ দফতরের চুক্তিভিত্তিক কর্মী ধীরজ কাচারুসিংহ রাজপুত ওরফে পরদেশিকে মুকুন্দনগরে একদল মুসলিম মারধর করে বলে অভিযোগ। পরে তাঁর মৃত্যু হয়।

    তাঁর স্ত্রী ও কয়েকটি হিন্দু সংগঠনের অভিযোগ, মুসলিম-অধ্যুষিত এলাকায় কপালে তিলক পরায় তাঁকে আলাদা করে চিহ্নিত করে মারধর করা হয়েছিল। ঘটনাটিকে তাঁরা পরিকল্পিত হামলা হিসেবে দাবি করেছেন। তবে অভিযোগের বিষয়ে স্বাধীন তদন্তের ফল প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।

    কানওয়ার যাত্রা নিয়ে সংবাদমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক

    প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে, বামপন্থী সংবাদমাধ্যমের একটি অংশ নিয়মিতভাবে কানওয়ারিয়া ও কানওয়ার যাত্রাকে নেতিবাচকভাবে তুলে ধরে। এর মাধ্যমে মুসলিমদের প্রতি সহানুভূতি প্রদর্শন এবং ধর্মনিরপেক্ষতার একটি বিশেষ রাজনৈতিক ব্যাখ্যা প্রচার করা হচ্ছে বলেও প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

    দ্য ওয়্যারের বিরুদ্ধে স্পষ্ট হিন্দুবিদ্বেষী প্রচারের অভিযোগ তোলা হয়েছে। অন্যদিকে, দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের একটি লেখাকে তুলনামূলকভাবে পরোক্ষ পদ্ধতিতে একই ধরনের বক্তব্য তুলে ধরার উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, লেখক আকাশ জোশী প্রথমে উচ্চ-মধ্যবিত্ত ও গাড়ির মালিকদের দৃষ্টিতে কানওয়ারিয়াদের যানজট এবং নিরাপত্তার জন্য সমস্যা হিসেবে দেখিয়েছেন। পরে তিনি দাবি করেন, ২০১৪ সালের পর, অর্থাৎ কেন্দ্রে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে সরকারি কর্তৃপক্ষ কানওয়ার যাত্রীদের যাত্রা সহজ করার চেষ্টা করছে।

    বেঙ্গালুরুতে কৌতুক অনুষ্ঠান বাতিল

    বেঙ্গালুরুর চার্চ স্ট্রিটের দ্য কমেডি থিয়েটারে নাসিফ আখতারের প্রস্তাবিত কৌতুক অনুষ্ঠান “ডিসরাপ্টেড” অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। হিন্দু সংগঠনগুলির আপত্তির পর অনুষ্ঠানটি বাতিল করা হয় (Hindus Under Attack)।

    সংগঠনগুলির আশঙ্কা ছিল, অনুষ্ঠানের বিষয়বস্তু হিন্দু ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করতে পারে। তাঁদের আপত্তির পরেই অনুষ্ঠান বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে খবর।

    তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে ধর্মীয় মতাদর্শ নিয়ে বিতর্ক

    তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে সাম্প্রতিক টানাপোড়েন এখন মতাদর্শের ক্ষেত্রেও প্রভাব ফেলছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। তামিলাগা ভেত্রি কাজাগমের প্রতিষ্ঠাতা তথা মুখ্যমন্ত্রী বিজয় জোসেফ  সংবিধাননির্ভর ধর্মনিরপেক্ষতার প্রতি তাঁর আনুগত্যের কথা বলেন। তবে একই সঙ্গে তাঁর দল রাজনৈতিক পরিসরে খ্রিস্টধর্মকে ক্রমশ বেশি করে জায়গা দিচ্ছে বলে প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

    দিল্লিতে কিশোরকে হত্যা, কানওয়ার যাত্রার যোগসূত্রের দাবি

    দিল্লির আদর্শনগরের লালবাগ বস্তিতে ১২ অগাস্ট বুধবার রাতে ১৬ বছর বয়সী নীরজকে প্রথমে ছুরি মেরে এবং পরে গুলি করে খুন করা হয় বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। আমান মুল্লার সঙ্গে বিবাদের পর এই হামলা ঘটে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, নীরজ একটি কারখানায় কাজ করতেন। ১১ আগস্ট কানওয়ার যাত্রা থেকে ফিরেছিলেন তিনি। তাঁর কানওয়ার যাত্রায় অংশগ্রহণের বিষয়টিকে কেন্দ্র করে হামলার সম্ভাবনার কথাও প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে।

    প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়েছে, কিছু ধর্মীয় শিক্ষা ও রাজনৈতিক মতাদর্শের মধ্যে থাকা হিন্দুবিদ্বেষী মনোভাব থেকে বিভিন্ন বিদ্বেষমূলক অপরাধের জন্ম হয়। একই সঙ্গে বলা হয়েছে, কেবল প্রকাশ্য ধর্মীয় বিদ্বেষ নয়, আপাতদৃষ্টিতে ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠান ও জনপরিসরে থাকা সূক্ষ্ম বৈষম্যও হিন্দুবিদ্বেষকে উৎসাহিত করতে পারে।

    দীপাবলিতে আতশবাজি ব্যবহারে ধীরে ধীরে আরোপিত নিষেধাজ্ঞাকে এর একটি উদাহরণ হিসেবে প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিবেদনের যুক্তি, নিষেধাজ্ঞার পেছনে দূষণ নিয়ন্ত্রণের কারণ দেখানো হলেও, আদতে হিন্দু উৎসবগুলির ওপর আরোপিত অন্যান্য বিধিনিষেধের সামগ্রিক প্রেক্ষাপট বিবেচনা করলে বিষয়টি নিয়ে দ্বৈত মানদণ্ডের প্রশ্ন উঠতে পারে (Hindus Under Attack)।

    প্রতিবেদনে উল্লিখিত ঘটনাগুলির ক্ষেত্রে অভিযোগ, রাজনৈতিক বক্তব্য এবং মতামতকে তথ্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার আগে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ, আদালতের নথি এবং স্বাধীন সংবাদসূত্র দিয়ে যাচাই করা প্রয়োজন (Weekly Round up)। বিশেষ করে ধর্মীয় বিদ্বেষ, হত্যাকাণ্ড ও অবৈধ অভিবাসনসংক্রান্ত অভিযোগের ক্ষেত্রে নিরপেক্ষ তদন্তের ফল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ (Hindus Under Attack)।

     

  • Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর নিরবচ্ছিন্ন আক্রমণ, অস্তিত্বের সঙ্কটে সনাতনীরা!

    Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর নিরবচ্ছিন্ন আক্রমণ, অস্তিত্বের সঙ্কটে সনাতনীরা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর অব্যাহত নিরবচ্ছিন্ন আক্রমণ। দেশ তো বটেই, বিদেশেও নিত্য ঘটে চলেছে হিন্দুদের ওপর অত্যাচার (Hindus Under Attack)। বিশ্বের অনেক অঞ্চলে এই নির্যাতন ধীরে ধীরে চলতে থাকা এক ধরনের গণহত্যার রূপ নিচ্ছে। কয়েক দশক ধরে বিশ্বের অনেক অংশ এই আক্রমণের প্রকৃত ব্যাপ্তি ও গভীরতাকে উপেক্ষা করেছে, যা মূলত হিন্দু-বিরোধী বিদ্বেষ ও পক্ষপাতদুষ্টতার জের (Roundup Week)। হত্যা, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, ধর্মীয় উৎসবে হামলা, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণামূলক বক্তব্য, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য পর্যন্ত—হিন্দুরা আজ তাদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণ ও নজিরবিহীন হিন্দু-বিদ্বেষের মুখোমুখি হচ্ছেন। চলতি বছরের ৮ মার্চ থেকে ১৪ মার্চ পর্যন্ত সময়ে যেসব ঘটনা ঘটেছে, এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক সেগুলি। বিশ্বজুড়ে মানুষ যাতে এই মানবাধিকার সঙ্কট সম্পর্কে সচেতন হয়, তাই।

    ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ (Hindus Under Attack)

    ‘দ্য কেরালা স্টোরি’ চলচ্চিত্র সিরিজের দ্বিতীয় অংশের শুরুতেই একটি দৃশ্যে দেখা যায় এক তরুণী আত্মহত্যা করেছে, তার মাথা মুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। ২০১৫ সালে আনুজা নামের এক তরুণীর বাস্তব ঘটনাই এই দৃশ্যের নেপথ্যের কাহিনি বলে উল্লেখ করা হয়েছে। কৌতুক অভিনেতা নাসির আখতারের একটি স্ট্যান্ড-আপ কমেডি শো, যেটি ৮ মার্চ বেঙ্গালুরুর কোরামাঙ্গালায় ‘মিনিস্ট্রি অব কমেডি’তে হওয়ার কথা ছিল, তা বাতিল করা হয়। হিন্দু সংগঠনগুলির অভিযোগ, তিনি আগে হিন্দু ধর্মীয় অনুভূতিকে অপমান করেছেন। দিল্লিতে তরুণ তরুণ কুমার বুটোলিয়াকে হত্যা করেছে কয়েকজন মুসলিম। অভিযোগ, ১১ বছরের এক নাবালিকার ছোড়া জলভরা রঙিন বেলুন দুর্ঘটনাবশত এক মুসলিম মহিলার গায়ে পড়ে যায় (Hindus Under Attack)। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ঘটে তরুণ হত্যার ঘটনা। যা বড়জোর একটি পাড়ার ঝগড়া হওয়ার কথা ছিল, সেটিই শেষ পর্যন্ত আকার নেয় গণপিটুনির।

    ইসলামপন্থী যুবকদের অত্যাচার

    রাজস্থানের আলওয়ার জেলার আরাবল্লি বিহার এলাকায় একটি প্রাচীন শিব মন্দিরে শিবলিঙ্গ ভাঙচুর করা হয়। মন্দির লাগোয়া এলাকায় মেলে মৃত বাছুর। ঘটনার জেরে এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায় (Roundup Week)। কর্নাটকের কপ্পাল জেলায় ভেঙ্কটেশ নামের এক ব্যক্তিকে ইসলামপন্থী যুবকদের একটি দল মারধর করে বলে অভিযোগ। তিনি তাঁর মুসলিম বন্ধু আজির এবং তাঁর স্ত্রী আফিয়ার পারিবারিক বিরোধ মেটানোর চেষ্টা করেছিলেন (Hindus Under Attack)। এই রাজ্যেরই বাগালকোট জেলায় সাফিক নামে এক মুসলিমের বিরুদ্ধে অভিযোগ, সে এক হিন্দু মহিলাকে নাম ভাঁড়িয়ে বিয়ে করে। তাঁকে ইসলাম ধর্ম গ্রহণে বাধ্য করে। পরে নগদ টাকা ও সোনার গয়না নিয়ে পালিয়ে যায় ওই ব্যক্তি।

    লাভ জেহাদ

    পুনে জেলার নহাভি গ্রামের নিউ ইংলিশ স্কুলে অভিযোগ ওঠে যে কপালে তিলক লাগানো ছাত্রদের ক্লাসে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় হিন্দু সংগঠনগুলির মধ্যে ক্ষোভ দেখা গিয়েছে। মোনালিসা ভোঁসলে নামে ১৮ বছরের এক হিন্দু তরুণীর কেরালায় গিয়ে জনৈক ফারমান খানকে বিয়ে করা নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ, সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে সম্পর্ক গড়ে তুলে তাকে প্রভাবিত করা হয়েছে (Hindus Under Attack)। উত্তরপ্রদেশের সন্ত কবীর নগরে ২২ বছরের এক হিন্দু তরুণী পরিবারের সদস্যদের ঘুমের ওষুধ খাইয়ে নগদ টাকা ও গয়না নিয়ে পালিয়ে যায় মুসলিম প্রেমিকের সঙ্গে। পরিবারের অভিযোগ, এটি ‘লাভ জেহাদে’র ঘটনা (Roundup Week)।

    বাংলাদেশেও হিন্দুদের ওপর আক্রমণ

    এ তো গেল সপ্তাহান্তে দেশের ছবিটা। বাংলাদেশেও হিন্দুদের ওপর আক্রমণ চলছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল বরকতের একটি গবেষণায় দাবি করা হয়েছে, ধারাবাহিক নির্যাতনের ফলে ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে হিন্দুদের অস্তিত্ব লুপ্ত হয়ে যেতে পারে। মন্দির ভাঙচুর, জমি দখল, মিথ্যা ধর্ম অবমাননার অভিযোগে হামলা, মহিলাদের ধর্ষণ ও জোরপূর্বক ধর্মান্তর এবং ঘৃণামূলক বক্তব্য—এসবকে হিন্দুদের ভয় দেখিয়ে দেশ ছাড়তে বাধ্য করার উপায় হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। কুমিল্লা শহরের কালীগাছতলা মন্দিরে একটি হাতবোমা হামলায় মন্দিরের পুরোহিত কেশব চক্রবর্তী-সহ অন্তত তিনজন জখম হন। শনি পুজো চলার সময় তিনজন অজ্ঞাত ব্যক্তি মন্দিরে ঢুকে বোমা ছোড়ে বলে জনান প্রত্যক্ষদর্শীরা।

    হিন্দু খুন

    নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা বাড়বে বলে আশা করা হলেও, আদতে তা হয়নি। বরং পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে। নতুন সরকারের মাত্র ২০ দিনের মধ্যে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সাতজন নিহত হয়েছে বলে খবর।ফেনীতে ১৬ বছর বয়সী হিন্দু অটোরিকশা চালক শান্ত সাহা ডাকাতদের হাতে নিহত হয়েছে। কক্সবাজারে গণেশ পাল নামে এক হিন্দু ব্যক্তি চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় তাঁকে ছুরি দিয়ে খুন করা হয়েছে বলে খবর। সাতক্ষীরা শহরের ‘মায়ের বাড়ি’ নামে পরিচিত একটি বড় মন্দির কমপ্লেক্সে চুরি হয়েছে। বিগ্রহের সোনার গয়না এবং দানবাক্সের টাকা চুরি হওয়ায় স্থানীয় হিন্দুদের মধ্যে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে (Roundup Week)।

    প্রি-স্কুলে হোলি উদযাপন নিয়ে বিতর্ক

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে একটি প্রি-স্কুলে হোলি উদযাপন নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। এক মার্কিন নাগরিক ওই অনুষ্ঠান নিয়ে সমালোচনা করায় তা নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক শুরু হয়েছে। বস্তুত, অনেক ঘৃণাজনিত অপরাধ হিন্দু-বিদ্বেষ দ্বারা প্রভাবিত বলে অভিযোগ করা হয়। কিছু ধর্মীয় শিক্ষা ও রাজনৈতিক মতাদর্শে এই বিদ্বেষকে উৎসাহিত করা হয় বলে দাবি সমালোচকদের। ইসলামি দেশগুলিতে হিন্দুদের বিরুদ্ধে ঘৃণা দেখা গেলেও, ভারতের মতো তথাকথিত কিছু ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠান ও জনপরিসরেও সূক্ষ্মভাবে হিন্দু-বিদ্বেষ দেখা যায় বলে অভিযোগ (Hindus Under Attack)। এই ধরনের দৈনন্দিন বৈষম্য অনেক সময় চোখ এড়িয়ে যায়। উদাহরণ হিসেবে দীপাবলিতে আতশবাজি নিষিদ্ধ করার বিষয়টির উল্লেখ করা হয়। যা আপাতভাবে দূষণ নিয়ন্ত্রণের কারণ হলেও, সমালোচকদের মতে এতে রয়েছে দ্বৈত মানদণ্ড।

     

LinkedIn
Share