Tag: healthy habits

healthy habits

  • Eyesight Problems: স্ক্রিন টাইম নয়, দৃষ্টিশক্তি কমার নেপথ্যে দায়ী এই সাধারণ অভ্যাস!

    Eyesight Problems: স্ক্রিন টাইম নয়, দৃষ্টিশক্তি কমার নেপথ্যে দায়ী এই সাধারণ অভ্যাস!

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    কমছে দৃষ্টিশক্তি! আট থেকে আশি, চোখের সমস্যায় কাবু! স্কুলের চৌকাঠে ঢোকার আগেই অনেক শিশুর চোখে চশমা! অনেকের দূরের জিনিস ঝাপসা দেখেন। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, জীবন যাপনের অভ্যাসের জেরেই চোখের সমস্যা বাড়ছে। কর্ণিয়া ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। দৃষ্টিশক্তি কমছে। তবে সাম্প্রতিক গবেষণা উদ্বেগ আরও বাড়াচ্ছে। দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়ার নেপথ্যে এক সাধারণ অভ্যাস রয়েছে বলেও জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল।

    কী বলছে সাম্প্রতিক গবেষণা?

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক কলেজ অফ অপ্টোমেট্রি-র গবেষকেরা এক পরীক্ষা চালিয়েছেন। তার সাম্প্রতিক রিপোর্ট বিশ্ব জুড়ে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। ওই গবেষণায় বলা হয়েছে, ২০৫০ সালের মধ্যে বিশ্বের অর্ধেকের বেশি মানুষের দৃষ্টিশক্তি হ্রাস পাবে। বিশেষত, দূরের জিনিস স্পষ্ট ভাবে দেখার ক্ষমতা কমবে। শিশুদের মধ্যেও এই সমস্যা প্রবল ভাবে বাড়বে। দৃষ্টিশক্তি হ্রাসের সমস্যা আর বয়সের সীমারেখায় আটকে থাকবে না। এই সমস্যার জেরে কর্নিয়া ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। যা চোখের দীর্ঘমেয়াদি জটিল সমস্যা তৈরি করতে পারে।

    কোন অভ্যাসের জেরে এই সমস্যা বাড়ছে?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, আধুনিক জীবনে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হোক কিংবা অবসর যাপনের সঙ্গী হলো ল্যাপটপ, মোবাইলের মতো ইলেকট্রনিক গ্যাজেট। ল্যাপটপ কিংবা মোবাইলে দীর্ঘ সময় তাকিয়ে থাকার জেরে চোখের ক্ষতি হচ্ছে। কিন্তু সাম্প্রতিক গবেষণায় বলা হয়েছে, এর থেকেও বেশি বিপদ বাড়াচ্ছে এক সাধারণ অভ্যাস। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, অনেকেই অন্ধকার ঘরে কিংবা আবছা আলোয় ল্যাপটপ‌ কিংবা মোবাইল দেখেন। অনেকেই কাজে মনোযোগ বাড়ানোর জন্য ঘর অন্ধকার করে দেন। রাতে বিনোদনের জন্য মোবাইলে সময় কাটানোর সময় অন্ধকার ঘর বেশিরভাগ কম বয়সি ছেলেমেয়েদের পছন্দ। আর তাতেই বিপদ বাড়ছে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, অন্ধকারে কোনও জিনিস দেখার সময় চোখের পেশিতে মারাত্মক চাপ পড়ে। অতিরিক্ত চাপ দিয়ে চোখের পেশি সংকুচিত হয়। সেই সংকোচনের ফলেই প্রতিফলিত হয়ে, আমরা যে কোনও বস্তু দেখতে পাই। দিনের পর দিন দীর্ঘ সময় চোখের পেশিতে বাড়তি চাপ পড়লে কর্ণিয়া ক্ষতিগ্রস্ত হয়। দৃষ্টিশক্তি কমে। এর ফলে, চোখ ঝাপসা হয়। দূরের জিনিস দেখার ক্ষমতাও কমে যায়।

    বিপদ এড়াতে কী পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল?

    চক্ষুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, চোখের শক্তি অক্ষুন্ন রাখতে কয়েকটি অভ্যাস বদল জরুরি। তাঁরা জানাচ্ছেন, রাতে ঘর অন্ধকার করে ঘণ্টার পর ঘণ্টা মোবাইল বা ল্যাপটপের স্ক্রিনে তাকিয়ে থাকার অভ্যাস বদল জরুরি। ল্যাপটপে কাজ করা হোক কিংবা মোবাইলে সিনেমা দেখা, ঘরে আলো জ্বালানো জরুরি। তাহলে চোখের পেশির উপরে বাড়তি চাপ পড়বে না। স্ক্রিন টাইম নিয়ে সচেতনতা জরুরি। দিনের কতটা সময় একটানা ল্যাপটপ কিংবা মোবাইলের স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকব, সে নিয়ে সতর্ক থাকা জরুরি। আধ ঘণ্টার বেশি একনাগাড়ে স্ক্রিনের দিকে থাকা চলবে না। চোখে বারবার জল দিতে হবে। কয়েক ঘণ্টা ল্যাপটপে বা মোবাইলের স্ক্রিনে সময় কাটালে, অন্তত আট ঘণ্টা বা চল্লিশ মিনিট বাগানে বা গাছে ঘেরা এলাকায় থাকতে হবে। তাছাড়া লেবু ও বেরি জাতীয় ফল নিয়মিত খেতে হবে, এতে দৃষ্টিশক্তি ভালো থাকে। বিশেষজ্ঞদের একাংশের পরামর্শ, নিয়মিত পর্যাপ্ত ঘুম জরুরি। তাহলে চোখের স্নায়ু ও পেশির প্রয়োজনীয় বিশ্রাম হবে। চোখের ক্ষমতা বজায় থাকবে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • Healthy Habits: ১০০ বছর বা তারও বেশি বাঁচতে চান? আজ থেকেই শুরু করুন এই ৫ টি কাজ

    Healthy Habits: ১০০ বছর বা তারও বেশি বাঁচতে চান? আজ থেকেই শুরু করুন এই ৫ টি কাজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুন্দর ও সুস্থভাবে বাঁচতে বিশ্বের প্রায় সব মানুষই চান। অনেকে তো আবার ১০০ বছর পর্যন্তও বেঁচে থাকতেন চান। কিন্তু কতজনই বা বাঁচেন। খুব বেশি হলে ৯০, এর বেশি বয়সেও মানুষ বেঁচে আছেন এমনটা খুব কমই দেখা যায়। তবে, ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের মতে ২০২১ সালে সারা বিশ্ব থেকে ১০০ বছর বা তারও বেশি বয়সী ৫০০,০০০ এরও বেশি লোক ছিল।

    ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম প্রকাশ করে যে শুধুমাত্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ৯৭,০০০ শতবর্ষী বাস করে,  সুতরাং এখানেই বেশি শতবর্ষী মানুষ বাস করে। এরপরে জাপানের স্থান। এখানে ৭৯০০০ শতবর্ষী বাস করেন। ১১৯ বছর বয়স পর্যন্ত বেঁচে ছিলেন জাপানের এক বসবাসকারী। যার নাম ছিল কেন তানাকা। এরপর ২০২২ সালের এপ্রিলে তানাকার মৃত্যুর পর, লুসিল র‌্যান্ডন নামে এক সন্ন্যাসী যিনি সিস্টার আন্দ্রে নামেও পরিচিত ছিলেন, তিনি ১১৮ বছর পর্যন্ত বেঁচেছিলেন। ফলে তাঁর নাম যা গিনেস ওয়ার্ল্ড বুকে লেখা হয়েছিল।

    আরও পড়ুন: প্রাণঘাতী রোগ থেকে মুক্তি পেতে চান? প্রতিদিনের ডায়েটে রাখুন দানা শস্য বা হোল গ্রেন

    সুতরাং বিশেষজ্ঞদের মতে, ১০০ বছর বা তারও বেশি বয়স পর্যন্ত বেঁচে থাকা যায়। তবে মেনে চলতে হবে কিছু স্বাস্থ্যকর অভ্যাস।

    1. দীর্ঘ জীবন যাপনের চাবিকাঠি হল সুস্থ জীবনযাপন করা। অবশ্যই, একটি ফিট, স্বাস্থ্যকর জীবনধারা বজায় রাখার ক্ষেত্রে ডায়েট এবং ব্যায়ামের গুরুত্ব অপরিসীম। তবে সিস্টার আন্দ্রে থেকে কিছু অনুপ্রেরণা নিতে বলা হয়েছে। কারণ তিনি প্রতিদিন এক গ্লাস রেড ওয়াইন ও চকোলেট খেতেন। তাই মনে করা হয়েছে, তাঁর দীর্ঘায়ুর পেছনে চকোলেট ওরেড ওয়াইনের অবদান থাকতে পারে।
    2. একটি সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে যে ব্যক্তিরা খুব হাঁটা-চলা করা যায় এমন এলাকায় বসবাস করেন তাদের বয়স ১০০-এ পৌঁছানোর সম্ভাবনা বেশি থাকে। সুতরাং সামাজিক এবং পরিবেশগত কারণগুলিও দীর্ঘায়ুতে উল্লেখযোগ্যভাবে অবদান রাখে।
    3. জীবনে সবসময় পজিটিভ বা ইতিবাচক থাকতে হয়, দীর্ঘ জীবনের পেছেনে এই পজিটিভিটিই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
    4. বেশি সময় ধরে বেঁচে থাকার জন্য চিনাবাদামের গুরুত্ব অনেক। কারণ একটি সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, যারা প্রতিদিন নিয়মিতভাবে চিনাবাদাম খেয়ে থাকেন, তাঁদের তাড়াতাড়ি মৃত্যুর সম্ভবনা কমে যায়।
    5. দীর্ঘায়ুর জন্য সবসময় ফিট থাকতে হবে। আর ফিট থাকার জন্য কোনও না কোনও অ্যাক্টিভিটির মধ্যে থাকা উচিত। বিভিন্ন খেলা টেনিস, ফুটবল, সুইমিং, দৌড়ানো ইত্যাদির মাধ্যমে অ্যাক্টিভ থাকা যায় ও বেশিদিন পর্যন্ত বাঁচার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।
LinkedIn
Share