Tag: Hemant Soren

Hemant Soren

  • Hemant Soren: ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে ইডির হানা, গ্রেফতার হবেন সোরেন?

    Hemant Soren: ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে ইডির হানা, গ্রেফতার হবেন সোরেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রীর (Hemant Soren) বাড়িতে ইডির হানা। শনিবার সকালে রাঁচির কাঁকের রোডে মুখ্যমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনে যান ইডির তিন আধিকারিক। জানা গিয়েছে, আর্থিক তছরুপে অভিযুক্ত সোরেনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচবার তলব করেছিল ইডি। কোনওবারই ইডির দফতরে হাজিরা দেননি ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার নেতা হেমন্ত। সেই কারণে এদিন ইডি হানা দেয় হেমন্তর সরকারি বাসভবনে।

    আর্থিক তছরুপ মামলায় জিজ্ঞাসাবাদ

    সূত্রের খবর, রাঁচিতে জমি কেনাবেচায় যে আর্থিক তছরুপ হয়েছিল, সেই মামলায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে সোরেনকে। গত ডিসেম্বরে তাঁকে ডেকে পাঠানো হয়েছিল পঞ্চমবারের জন্য। সেবারও সশরীরে হাজিরা দেননি তিনি। এরপর ১৩ জানুয়ারি তাঁকে চিঠি দিয়ে বলা হয় তাঁর বয়ান রেকর্ড করা হবে। ১৬-২০ জানুয়ারি যেন সময় দেন তিনি। এর পরেই পাল্টা চিঠিতে ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী (Hemant Soren) জানিয়ে দেন, ২০ জানুয়ারি সরকারি বাসভবনে থাকবেন তিনি। সেই মতো এদিন কাঁকের রোডে সোরেনের বাসভবনে পৌঁছান ইডির তিন আধিকারিক।

    সোরেন অনুগামীদের বিক্ষোভ

    এদিন ইডির আধিকারিকরা সোরেনের বাসভবনে পৌঁছতেই বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন তাঁর অনুগামীরা। তবে পশ্চিমবঙ্গের সন্দেশখালির ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে এদিন প্রস্তুত হয়েই এসেছিলেন ইডি আধিকারিকরা। তাই বিক্ষোভের জল গড়ায়নি বেশি দূর। প্রসঙ্গত, বেআইনি জমি কেলেঙ্কারি ও অর্থ পাচার মামলায় শেষবারের মতো সমন জারির পর সোরেনের উদ্দেশে কড়া বার্তা দিয়েছিল ইডি। এরই পাল্টা হিসেবে ১০ জানুয়ারি সরকারের সব দফতরে কড়া নির্দেশিকা পাঠিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী।

    আরও পড়ুুন: রাম মন্দির উদ্বোধনের আগে নজরুলগীতির ভিডিও পোস্ট প্রধানমন্ত্রীর!

    সরকারের সব আধিকারিক ও কর্মীদের নির্দেশ দিয়েছিলেন, ইডির আধিকারিকদের প্রশ্নের জবাব যেন দেওয়া না হয়। ইডি কোনও নথি চাইলেও, তা যেন দেওয়া না হয় বলেও জারি করা হয়েছিল নির্দেশিকা। এনিয়ে ইডির সঙ্গে ঝাড়খণ্ড সরকারের সংঘাত চরমে ওঠে। তার পর এদিন মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনে হানা দেয় ইডি। ওই মামলায় এখনও পর্যন্ত ১৪ জনকে গ্রেফতার করেছে ইডি। ধৃতদের মধ্যে একজন আবার ২০১১ ব্যাচের আইএএস অফিসার। তিনি ঝাড়খণ্ডের সমাজকল্যাণ বিভাগের পরিচালক ও রাঁচির ডেপুটি কমিশনার হিসেবে কাজ করেছিলেন। এবার কি তবে খোদ মুখ্যমন্ত্রীর (Hemant Soren) পালা? উঠছে প্রশ্ন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Hemant Soren: ‘ছোট ভাই’ সাংমাকে  মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর অভিনন্দন জানালেন ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী

    Hemant Soren: ‘ছোট ভাই’ সাংমাকে মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর অভিনন্দন জানালেন ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মেঘালয়ের বিধানসভা নির্বাচনে জয়ী হয়েছে আঞ্চলিক দল ন্যাশনাল পিপলস পার্টি। শুরু থেকেই মেঘালয়ে ত্রিশঙ্কু পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। তবে এনপিপিকে সমর্থন করে গেরুয়া শিবির। পরে আরও দুটি আঞ্চলিক দলের সমর্থন পেয়ে যায় কনরাড সাংমার দল। আজকে মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রী পদে দ্বিতীয়বার শপথ নিলেন কনরাড সাংমা। এই বিশেষ দিনে তাঁকে অভিনন্দন জানালেন ‘দাদা’ হেমন্ত সোরেন। ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী এবং মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক সম্পর্ক রয়েছে। দিনটিকে ‘আনন্দের দিন’ হিসাবে উল্লেখ করেছেন ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন (Hemant Soren)। মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রী কনরাড সাংমাকে শপথ নেওয়ার জন্য অভিনন্দন জানিয়েছেন তিনি।

    ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার এই নেতাও শিলংয়ে শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন। হেমন্ত সোরেন (Hemant Soren) বলেন, “এটি একটি আনন্দের দিন। আমিও এই অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার সুযোগ পেয়েছি, সাংমা পরিবারের সঙ্গে আমাদের পারিবারিক সম্পর্ক রয়েছে। একজন ছোট ভাই যখন শপথ নেয় তখন আপনি আনন্দের কথা কল্পনা করতে পারেন। আমি তাকে শুভকামনা জানাই।” 

    এদিন ন্যাশনাল পিপলস পার্টির প্রধান কনরাড সাংমা শিলংয়ে (Hemant Soren) দ্বিতীয় মেয়াদে মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর তিনি বলেন, “রাজ্যের উন্নয়নের জন্য আমরা গত পাঁচ বছরে যে ভিত্তি স্থাপন করেছি তার ওপর আমরা কাজ করে যাব। আমরা যুব সমাজ ও কর্মসংস্থানকে গুরুত্ব দিচ্ছি। সামগ্রিক দক্ষতার সঙ্গে বিভিন্ন প্রকল্পের সুফল মানুষের কাছে পৌঁছেছে।”

    শিলংয়ের রাজভবনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Hemant Soren) এবং বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার উপস্থিতিতে আজ শপথ নিলেন কনরাড সাংমা। জানা গিয়েছে, কনরাড সাংমার উপমুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিয়ে নিয়েছেন প্রিস্টন তিনসোং এবং স্নিয়াভালাং ধর। পাশাপাশি বিজেপির আলেকজান্ডার লাল্লু হেক, ইউডিপির পল লিংদো এবং কিরমেন শাইলা, এইচএসপিডিপির শাকলিয়ার ওয়াজ্রি মন্ত্রী পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন আজ।

    আরও পড়ুন: অনুব্রত বেরোতেই গোবরজল ছিটিয়ে জেল চত্বর ‘শুদ্ধিকরণ’ আসানসোলে, আবীর খেলে উদযাপন বিজেপির

    ফল প্রকাশের আগেই অবশ্য কনরাড সাংমা গুয়াহাটি গিয়ে অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মার সঙ্গে নৈশভোজ সেরে এসেছিলেন। জল্পনা তখন থেকেই ছিল। এরপর ফল প্রকাশ হতেই ফের বিজেপির সঙ্গে হাত মেলায় এনপিপি। মাঝে কংগ্রেস ও তৃণমূল ইউডিপিকে সঙ্গে নিয়ে সব ছোট দলগুলিকে একজোট করার চেষ্টা করেছিল। তবে সেই সব চেষ্টা ফলপ্রসূ হয়নি।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
  • Hemant Soren: খনি দুর্নীতি মামলায় অস্বস্তিতে ঝাড়খন্ডের মুখ্যমন্ত্রী, ইডি দফতরে তলব হেমন্ত সোরেনকে

    Hemant Soren: খনি দুর্নীতি মামলায় অস্বস্তিতে ঝাড়খন্ডের মুখ্যমন্ত্রী, ইডি দফতরে তলব হেমন্ত সোরেনকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবারে খনি দুর্নীতি মামলায় (Illegal Mining Case) সরাসরি ঝাড়খন্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনকে (Hemant Soren) তলব করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টোরেট (ED)। আগামীকাল অর্থাৎ ৩ নভেম্বর রাঁচি শহরে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টোরেট দফতরে সকাল ১১:৩০ মিনিটের মধ্যে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে হেমন্তকে। ইতিমধ্যেই সমন পাঠানো হয়েছে তাঁকে।

    এর আগেই ঝাড়খন্ডে বেআইনি খনি খাদান ও আর্থিক তছরুপের মামলায় নাম জড়িয়েছিল মুখ্যমন্ত্রীর (Hemant Soren)। অভিযোগ ছিল নিয়ম ভেঙে নিজের নামে খনির লিজ নিয়েছিলেন হেমন্ত সোরেন। আর এই ঘটনা ঘিরেই শুরু হয় বিতর্ক। এমনকি মুখ্যমন্ত্রীর আসনও খোয়াতে বসেছিলেন তিনি। তবে কোনওমতে আস্থাভোটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করে মুখ্যমন্ত্রীর পদ বাঁচান সোরেন। কিন্তু প্রথম থেকেই কেন্দ্রীয় তদন্তকারীর নজরে ছিলেন তিনি। আর এবারে সরাসরি তাঁকে তলবও করা হল।

    আরও পড়ুন: বিজেপির ওয়াক আউট, ঝাড়খণ্ডে আস্থাভোটে জয়ী হেমন্ত সোরেন

    এর আগে হেমন্ত সোরেনের (Hemant Soren) ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত পঙ্কজ মিশ্রকে এই মামলায় গ্রেফতার করেছিল ইডি। পঙ্কজের থেকেই হেমন্ত সোরেনের সই করা কতগুলি চেক এবং পাসবই পেয়েছেন বলে জানিয়েছে ইডি। এরপরেই গত ১৯ জুলাই বেআইনি আর্থিক তছরুপ মামলায় গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। গত মার্চ মাসে ঝাড়খণ্ডের সাহিবগঞ্জ জেলায় পঙ্কজ মিশ্র ও তাঁর সহকারীদের বিরুদ্ধে আর্থিক তছরুপের মামলা দায়ের হয়। আর এরপরই তদন্ত শুরু করেছিল ইডি। আবার পঙ্কজ মিশ্রের পাশাপাশি তাঁর দুই সহকারী বাচ্চু যাদব ও প্রেম প্রকাশের নামও উল্লেখ করা হয়েছে এই মামলায়। গত ৪ ও ২৫ অগাস্ট ওই দুই অভিযুক্তকেও গ্রেফতার করে ইডি। বর্তমানে বিচার বিভাগীয় হেফাজতেই রয়েছেন অভিযুক্তরা।

    ইডি সূত্রে খবর, তদন্ত চলাকালীন, ইডি ভারত জুড়ে ৪৭টি তল্লাশি অভিযান চালিয়েছিল। এর জেরে ৫.৩৪ কোটি টাকা নগদ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল। তাছাড়া একাধিক ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ১৩.৩২ কোটি টাকার হদিশ পান তদন্তকারীরা। সেই ব্যাংক অ্যাকাউন্টগুলি ফ্রিজ করা হয়। এছাড়া একটি MV Infralink-III নামক ছোট জাহাজ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল। পাঁচটি স্টোন ক্রাশার, দুটি হাইভা ট্রাক ছাড়াও অপরাধমূলক নথিপত্র এবং দুটি একে ৪৭ অ্যাসল্ট রাইফেল বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল। আর এই আবহেই জিজ্ঞাসাবাদ করতে চান ঝাড়খন্ডের মুখ্যমন্ত্রীকে। ফলে আগামীকাল হেমন্ত সোরেন (Hemant Soren) ইডির তলবে সাড়া দেবেন কিনা সেটিই এখন দেখার।

  • Jharkhand Political Crisis: বিজেপির ওয়াক আউট, ঝাড়খণ্ডে আস্থাভোটে জয়ী হেমন্ত সোরেন

    Jharkhand Political Crisis: বিজেপির ওয়াক আউট, ঝাড়খণ্ডে আস্থাভোটে জয়ী হেমন্ত সোরেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিগত একমাস ধরে টালমাটাল চলার পর সোমবার আস্থাভোটে জয়ী হলেন ঝাড়খণ্ডের (Jharkhand) মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন (Hemant Soren)। তাঁর পক্ষে ভোট পড়েছে ৪৮টি। এদিন আস্থাভোটের আগেই বিজেপি বিধায়করা ওয়াক আউট করে। বিজেপির শরিকদল AJSU এর দুই নির্দল বিধায়কও ‘ওয়াকআউট’ করেন বিধানসভা থেকে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের অভিযোগ, বিজেপি (BJP) ঝাড়খণ্ডে সরকার ফেলার চেষ্টা চালাচ্ছে।

    এদিন বিধানসভায় বিজেপি বিধায়কদের স্লোগান ও চিৎকারের মাঝেই সোরেন জানিয়েছেন, ‘বিরোধীরা গণতন্ত্রকে ধ্বংস করেছে। কিন্তু আমরা আমাদের শক্তি দেখাব।’ প্রসঙ্গত, ৮১ আসনের ঝাড়খণ্ড বিধানসভায় সোরেনের ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা (JMM) একক বৃহত্তম দল। তাদের অধিকারের রয়েছে মোট ৩০টি আসন। কংগ্রেসের কাছে আছে ১৮ এবং আরজেডির রয়েছে একজন বিধায়ক। এদিকে বিজেপির হাতে রয়েছে ২৬ জন বিধায়ক। ম্যাজিক ফিগার ৪১-এর থেকে অনেকটাই বেশি ছিল জোটের আসন সংখ্যা। এদিন আস্থাভোটে গরিষ্ঠতা প্রমাণ করতে তাই কোনও অসুবিধা হয়নি মুখ্যমন্ত্রী সোরেনের।

    আরও পড়ুন: দেশ কোনও সাহায্য করেনি, ৩২ বছর পর পাকিস্তান জেল থেকে ফিরে জানালেন ভারতীয় গুপ্তচর

    হেমন্ত সোরেনের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই ‘অফিস অফ প্রফিট’-এর অভিযোগ উঠেছে। এই মামলায় নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে একটি রিপোর্ট পাঠানো হয় রাজ্যপালের কাছে। এই রিপোর্টে হেমন্ত সোরেনের বিধায়ক পদ খারিজের সুপারিশ করেছে কমিশন। উল্লেখ্য, নির্বাচন কমিশন সোরেনকে অযোগ্য বলে রাজ্যপাল বেইসের কাছে রিপোর্ট জমা করে। এর পরই মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে সোরেনের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। এই পরিস্থিতিতে দুর্নীতিমুক্ত সরকারের দাবি জানায় বিজেপি। বিরোধী দল বিজেপি দাবি করে, খনির ইজারা দিয়ে নির্বাচনী নিয়ম ভেঙেছেন হেমন্ত। তাই খারিজ করা হোক তাঁর বিধায়ক পদ। জেএমএম পাল্টা অভিযোগ করে, অসময়ের সুযোগ নেওয়ার চেষ্টা করছে বিজেপি। রাজ্যের শাসক জোটের বিধায়কদের ভুল বোঝানো হচ্ছে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Jharkhand Politics: পদত্যাগ করছেন না হেমন্ত সোরেন! রাজ্যপালের সঙ্গে বৈঠকের পর সিদ্ধান্ত জানাল ঝাড়খণ্ডের শাসকজোট

    Jharkhand Politics: পদত্যাগ করছেন না হেমন্ত সোরেন! রাজ্যপালের সঙ্গে বৈঠকের পর সিদ্ধান্ত জানাল ঝাড়খণ্ডের শাসকজোট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিচ্ছেন না হেমন্ত সোরেন (Hemanta Soren)। বৃহস্পতিবার রাতে একথা স্পষ্ট জানিয়ে দেয় ঝাড়খন্ডের (Jharkhand) শাসকজোট। খনি মামলার জেরে বর্তমানে রাজ্যের নেতৃত্বে থাকাই চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে হেমন্ত সোরেনের। মুখ্যমন্ত্রী সহ ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা-কংগ্রেসের জোট সরকারকে একহাত নিয়েছে বিজেপি (BJP)। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যপালের অফিস থেকে তথ্য ফাঁস করা হচ্ছে বলে রাজ্যপাল রমেশ বাইসকে চিঠি দিল ইউপিএ (UPA)। জোট সরকারকে অপদস্থ করার চেষ্টায় মিথ্যা প্রচার চালানো হচ্ছে বলে দাবি করেন ইউপিএ নেতারা।

    বৃহস্পতিবার বিকেল চারটে নাগাদ রাজ্যপাল রমেশ বাইসের সঙ্গে রাজভবনে গিয়ে দেখা করে ইউপিএ জোটের বিধায়কদের প্রতিনিধি দল। তবে মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন  সেই দলে ছিলেন না বলেই খবর। কংগ্রেস ইতিমধ্যেই পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছে, সোরেনের ইস্তফা দেওয়ার কোনও সম্ভাবনা নেই। বৈঠকের পর রাজ্য কংগ্রেসের সভাপতি বান্ধু তিরকে  জানিয়েছেন, “মুখ্যমন্ত্রী ইস্তফা দিচ্ছেন না। রাজ্যপাল আশ্বাস দিয়েছেন আর দু’দিনের মধ্যে পরিস্থিতি পরিষ্কার হয়ে যাবে। তাঁর কাছে আমরা জানতে চেয়েছি কী করে কিছু বিশেষ তথ্য এভাবে ফাঁস হয়ে গেল। তিনি দাবি করেছেন, তাঁর অফিস থেকে কোনও খবর বাইরে যায়নি।”

    আরও পড়ুন: নির্বাচনী বিধিভঙ্গের অভিযোগে কাঠগড়ায় হেমন্ত সোরেন, বিধায়ক পদ খারিজের সুপারিশ

    প্রসঙ্গত, খনি দুর্নীতি মামলায় হেমন্ত সোরেনকে অস্বস্তিতে পড়তে হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশন রিপোর্ট পেশ করার পর থেকেই তাঁর বিধায়ক পদ খারিজ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। এই পরিস্থিতিতে দুর্নীতিমুক্ত সরকারের দাবি জানায় বিজেপি। ৮১ সদস্যের ঝাড়খণ্ড বিধানসভায় জেএমএম বিধায়ক ৩০ জন। এছাড়াও কংগ্রেসের ১৮ বিধায়ক ও একজন আরজেডি বিধায়ক রয়েছেন সরকারে। ইতিমধ্যেই বিজেপি দাবি করেছে, হেমন্ত সোরেনের উচিত নৈতিক দিক বিবেচনা করে নির্বাচনের দিকে যাওয়া। এখনই বিধানসভা ভেঙে ৮১টি কেন্দ্রেই নির্বাচন হোক। 

    অন্যদিকে বৃহস্পতিবার মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠকে ঝাড়খণ্ডে পুরনো পেনশন স্কিম কার্যকর করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। রাজনৈতিক সঙ্কটের মধ্যে ৫ সেপ্টেম্বর একদিনের জন্য বিধানসভার বিশেষ অধিবেশন ডাকার কথা  ভাবা হয়েছে। সূত্রের খবর, হেমন্ত সোরেনের সরকার আস্থা ভোট আনার কথা ভাবছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
  • Jharkhand Politics: সরকার বাঁচাতে জোটের বিধায়কদের নিয়ে অতিথিশালায় সোরেন, ফের কোথায় যাচ্ছেন জানেন?

    Jharkhand Politics: সরকার বাঁচাতে জোটের বিধায়কদের নিয়ে অতিথিশালায় সোরেন, ফের কোথায় যাচ্ছেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিজের নামে কয়লা খনি (Coal Mine) লিজ দিয়ে নির্বাচনী বিধিভঙ্গ করেছেন খোদ ঝাড়খণ্ডের (Jharkhand) মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন (Hemant Soren)। বিজেপির (BJP) তরফে এই অভিযোগ ওঠায় মুখ্যমন্ত্রীর বিধায়ক পদ খারিজের জন্য রাজ্যপালের কাছে সুপারিশ করেছে নির্বাচন কমিশন। বিপদ আঁচ করে এবার জোট সরকারের বিধায়কদের নিয়ে ঝাড়খণ্ডের লাট্রাটু বাঁধ (Latratu Dam) এলাকার একটি অতিথিশালায় আশ্রয় নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী স্বয়ং।

    ঝাড়খণ্ড বিধানসভার মোট আসন সংখ্যা ৮১। এর মধ্যে ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার দখলে রয়েছে ৩০টি আসন। কংগ্রেসের দখলে ১৮টি। আর আরজেডির হাতে রয়েছে একটি আসন। কংগ্রেস এবং আরজেডিকে নিয়ে জোট গড়ে সরকার চালাচ্ছে ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা। এদিকে, ওই বিধানসভায় বিজেপির বিধায়কের সংখ্যা ২৬।

    মুখ্যমন্ত্রীর বিধায়ক পদ খারিজ হতে পারে আশঙ্কা করে শনিবার বিকেলে বৈঠকে বসেন জোট সরকারের বিধায়করা। তার পরেই তিনটি বাসে করে লাট্রাটু বাঁধের দিকে রওনা দেন তাঁরা। সূত্রের খবর, সেখানকার একটি অতিথিশালায় আশ্রয় নিয়েছেন বিধায়করা। নিশ্চিদ্র নিরাপত্তার জেরে মাছি গলারও জো নেই সেখানে। কংগ্রেসের একটি সূত্রের খবর, জোট সরকারের বিধায়কদের পশ্চিমবঙ্গ কিংবা ছত্তিশগড় নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা হয়েছে। এজন্য ছত্তিশগড়ের বারমুডা ও রায়পুর এবং বাংলার কয়েকটি জায়গাও চিহ্নিত করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন : নির্বাচনী বিধিভঙ্গের অভিযোগে কাঠগড়ায় হেমন্ত সোরেন, বিধায়ক পদ খারিজের সুপারিশ

    এক ট্যুইট বার্তায় এদিন কেন্দ্রকে একহাত নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন। তিনি লিখেছেন, কেন্দ্র কতটা বিদ্বেষপূর্ণ আচরণ করতে পারে, তাতে কিছু যায় আসে না। আমি উপজাতি সন্তান। আমি ঝাড়খণ্ডের ভূমিপুত্র। আমরা ভয় পাই না, লড়াই করি। হেমন্ত বলেন, রাজনৈতিকভাবে আমাদের সঙ্গে এঁটে উঠতে না পেরে আমাদের বিরোধীরা সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে ব্যবহার করছে।আমাদের সরকারের স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে তারা ইডি, সিবিআই, লোকপাল এবং আয়কর দফতরকে ব্যবহার করছে। এতে আমরা উদ্বিগ্ন নই। বিরোধীরা নয়, আমাদের ক্ষমতায় এনেছে জনগণ।

    মহারাষ্ট্রে বিজেপির সঙ্গে জোট গড়ে সরকার চালাতে চাইছিলেন শিবসেনার বিদ্রোহী বিধায়ক একনাথ শিন্ডে। তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে তাতে রাজি না হওয়ায় অনুগত বিধায়কদের নিয়ে শিন্ডে উড়ে গিয়েছিলেন প্রথম গুজরাট ও পরে বিজেপি শাসিত আর এক রাজ্য আসামে। সেখানকার একটি নামকরা হোটেলে ছিলেন তাঁরা। এবার সরকার বাঁচাতে জোট সরকারের বিধায়কদের নিয়ে রিসর্টে আশ্রয় নিলেন হেমন্ত সোরেন।

    রিসর্ট সংস্কৃতি এসেছে ফিরিয়া!

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Hemant Soren: নির্বাচনী বিধিভঙ্গের অভিযোগে কাঠগড়ায় হেমন্ত সোরেন, বিধায়ক পদ খারিজের সুপারিশ

    Hemant Soren: নির্বাচনী বিধিভঙ্গের অভিযোগে কাঠগড়ায় হেমন্ত সোরেন, বিধায়ক পদ খারিজের সুপারিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘোর বিপাকে ঝাড়খণ্ডের (Jharkhand) মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন (Hemant Soren)! নির্বাচনী বিধিভঙ্গের (Electoral Law) অভিযোগে তাঁর বিধায়ক পদ কেড়ে নেওয়ার সুপারিশ করল নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। এই মর্মে রাজ্যপালকে (Govornor) রিপোর্টও পাঠিয়েছে কমিশন। বৃহস্পতিবারই রাজ্যপাল এ ব্যাপারে তাঁর সিদ্ধান্তের কথা জানাতে পারেন বলে সূত্রের খবর।

    ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্তের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে খনি লিজ দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। এর পরেই তদন্ত শুরু করে নির্বাচন কমিশন। শুনানি শেষ হয় ১৮ অগাস্ট। তার আগে ১২ অগাস্ট হেমন্তের আইনজীবীরা নির্বাচন কমিশনের সামনে তাঁদের মতামত তুলে ধরেছিলেন। তাঁদের দাবি, এই মামলা জনপ্রতিনিধিত্ব আইন ১৯৫১র ধারা ৯ এর অন্তর্ভুক্ত নয়। পাল্টা সওয়াল করেন বিজেপির আইনজীবীরা। এ ব্যাপারে সুপ্রিম কোর্টের একাধিক রায়ের উল্লেখও করেন তাঁরা। এর পরেই নির্বাচনী বিধিভঙ্গের অভিযোগ তুলে রাজ্যপালের কাছে রিপোর্ট পাঠায় নির্বাচন কমিশন।

    মুখ্যমন্ত্রী হেমন্তের অধীনে রয়েছে খনি দফতরও। ক্ষমতার অপব্যবহার করে তিনি অবৈধভাবে খনির লিজ দেন বলে অভিযোগ। এর জেরেই তাঁর বিরুদ্ধে ওঠে নির্বাচনী বিধিভঙ্গের অভিযোগ। সংবিধানের ১৯২ নম্বর ধারা অনুযায়ী, আইনসভার কোনও সদস্যের যোগ্যতা বা পদ থাকবে কিনা, সেই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে রাজ্যপালের। বলা হয়েছে, এ নিয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে রাজ্যপালকে তা জানাতে হবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে। রাজ্যপাল নির্বাচন কমিশনের সুপারিশ জানবেন এবং সেই অনুযায়ী পদক্ষেপ করবেন।

    আরও পড়ুন : ভারতীয় সেনার উপর আত্মঘাতী হামলা চালাতে টাকা দিয়েছিল পাক কর্নেল! জেরায় স্বীকার ধৃত জঙ্গির

    জানা গিয়েছে, এ ব্যাপারে বৃহস্পতিবারই সিদ্ধান্ত নিয়ে পারেন রাজ্যপাল রমেশ ব্যাস। সূত্রের খবর, একটি মুখবন্ধ খামে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ তাঁর কাছে এসে পৌঁছেছে। এদিন দুপুর দুটো নাগাদ দিল্লি থেকে রাঁচি পৌঁছবেন রাজ্যপাল। তার পরেই সিদ্ধান্ত নেবেন তিনি। 

    যদিও মুখ্যমন্ত্রীর দফতর থেকে জারি করা এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিধায়ক পদ খারিজের বিষয়ে নির্বাচন কমিশন ঝাড়খণ্ডের রাজ্যপালকে চিঠি পাঠিয়েছে বলে যে খবর ছড়িয়েছে, তা ঠিক নয়। এ ব্যাপারে নির্বাচন কমিশন কিংবা রাজ্যপালের তরফে সিএমওর সঙ্গে কোনওরকম যোগাযোগ করা হয়নি। এদিকে, একটি সূত্রের খবর, হেমন্তের বিধায়ক পদ খারিজ হলে তিনি আর মুখ্যমন্ত্রী থাকতে পারবেন না। সেক্ষেত্রে তাঁর স্ত্রী কল্পনা সোরেনকে ওই পদে বসানো হতে পারে।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Tata Steel Plant: জামশেদপুরে টাটার কারখানায় ভয়াবহ আগুন, আহত ৩ শ্রমিক

    Tata Steel Plant: জামশেদপুরে টাটার কারখানায় ভয়াবহ আগুন, আহত ৩ শ্রমিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জামশেদপুর টাটার ইস্পাত কারখানায় ভয়াবহ আগুন। আহত হয়েছেন অন্তত ৩ জন শ্রমিক। কর্তৃপক্ষের তরফে পরে জানানো হয়, ২ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। একজন চিকিৎসাধীন। জানা গেছে, একটি বিস্ফোরণের পরই কারখানার কোক প্ল্যান্টে আগুন লাগে। বিস্ফোরণ ও আগুন ঘিরে আতঙ্ক কারখানা চত্বরে। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে দমকল।

     

     

    আহত তিন জনকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে কারখানার কাছেই টাটা মেডিক্যাল হাসপাতালে। টাটা কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আরেক কর্মী বুকে ব্যথা অনুভব করায় তারও চিকিৎসা চলছে হাসপাতালে। অন্য এক সূত্র মারফৎ খবর, বিষাক্ত গ্যাসেও কয়েকজন শ্রমিক অসুস্থ বোধ করলে, তাঁদেরও চিকিৎসা শুরু হয়।

    [tw]


    [/tw]

    শনিবার বেলা ১০টা বেজে ২০ নাগাদ একটা বিস্ফোরণের শব্দে চমকে ওঠে সকলে। মূহূর্তে ছড়িয়ে পড়ে আগুন। কারখানা কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কোক প্লান্টের ব্যাটারি ৬-এর ফাইল গ্যাসের পাইপলাইনে বিস্ফোরণ ঘটে। এই মুহূর্তে ব্যাটারি-৬ নিস্ক্রিয় বলে তার সরঞ্জাম খোলার কাজ চলছিল। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনও সঠিকভাবে জানা যায়নি। টাটা জানিয়েছে, দায়িত্বশীল সংস্থা হিসেবে কর্মীদের নিরাপত্তাই তাদের প্রথম অগ্রাধিকার।

    দ্রুত আগুন নেভানোর কাজ চলছে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন ট্যুইট বার্তায় জানিয়েছেন, প্ল্যান্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলছে সরকার।

    [tw]


    [/tw]

     

LinkedIn
Share