Tag: Hindu devotees

  • Bangladesh: ঢাকার উল্টো রথযাত্রায় নাশকতার ছক কষেছিল দুষ্কৃতীরা, ছাতার ভেতরে মিলল শক্তিশালী IED!

    Bangladesh: ঢাকার উল্টো রথযাত্রায় নাশকতার ছক কষেছিল দুষ্কৃতীরা, ছাতার ভেতরে মিলল শক্তিশালী IED!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের (Bangladesh) রাজধানী ঢাকায় উল্টো রথযাত্রাকে ঘিরে বড়সড় নাশকতার ছক ভেস্তে দিল পুলিশ। শোভাযাত্রার নির্ধারিত পথের পাশে একটি ছাতার ভিতরে লুকিয়ে রাখা শক্তিশালী ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস (IED) উদ্ধার হওয়ায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ এড়ানো সম্ভব হয়েছে। পুলিশের দাবি, হিন্দু ভক্তদের লক্ষ্য করেই এই বিস্ফোরকটি রাখা হয়েছিল।

    শোভাযাত্রা পৌঁছানোর আগেই উদ্ধার বিস্ফোরক

    শুক্রবার সন্ধ্যায় মতিঝিল মেট্রোরেল স্টেশনের নীচে সন্দেহজনক একটি ছাতা পড়ে থাকতে দেখেন কয়েকজন পথচারী। ছাতার ভেতর থেকে আলো জ্বলতে-নিভতে দেখে বিষয়টি ট্রাফিক বিভাগকে জানানো হয়। পরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ডিএমপি কন্ট্রোল রুমের আধিকারিকরা। সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিট নাগাদ এসআই মির্জা মহম্মদ মুক্তার নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে এলাকা ঘিরে ফেলে। মেট্রোরেল স্টেশনের জেনারেটর রুমের পাশে রাখা ছাতাটি পরীক্ষা করে তার ভিতরে বিস্ফোরক থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হন বোমা বিশেষজ্ঞরা।

    আতঙ্ক এড়াতে কৌশলী পদক্ষেপ পুলিশের

    শোভাযাত্রায় অংশ নেওয়া ভক্তদের মধ্যে যাতে আতঙ্ক না ছড়ায়, সেজন্য পুলিশ জানায় ওই এলাকায় বিদ্যুতের ত্রুটি হয়েছে। এরপর রথযাত্রার পথ সামান্য পরিবর্তন করে ভক্তদের নিরাপদে স্বামীবাগ আশ্রমের দিকে নিয়ে যাওয়া হয়। ফলে বিস্ফোরকটির কাছাকাছি দিয়ে কাউকেই যেতে হয়নি। উল্লেখ্য, উল্টো রথযাত্রাটি ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির থেকে শুরু হয়ে মতিঝিলের শাপলা চত্বর হয়ে স্বামীবাগ আশ্রমে যাওয়ার কথা ছিল।

    নিষ্ক্রিয় করা হয় আইইডি (IED)

    শোভাযাত্রা নিরাপদে এলাকা ছেড়ে যাওয়ার পর ডিএমপির বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরণের মাধ্যমে আইইডিটি (IED) ধ্বংস করে। তবে এই অভিযানের সময় মিরাজ আহমেদ (৬৬) নামে এক পথচারী জখম হন। তাঁর বাঁ চোখে স্প্লিন্টারের আঘাত লাগে। প্রথমে তাঁকে বাংলাদেশের (Bangladesh) ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য আগারগাঁওয়ের জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটে স্থানান্তরিত করা হয়।

    কীভাবে তৈরি করা হয়েছিল বিস্ফোরক?

    শনিবার সন্ধ্যায় ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার ও সিটিটিসি প্রধান মহম্মদ শামসুল হক জানান, “এটি ছিল একটি পাইপ বোমা। এর ভিতরে সালফার, প্রচুর ধারালো ধাতব টুকরো এবং কাঁটা পেরেক ভরা ছিল, যাতে বিস্ফোরণের পর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। বিস্ফোরকটি একটি ব্যাটারি ও বৈদ্যুতিক সার্কিটের সঙ্গে যুক্ত ছিল। ছাতার বোতামে চাপ দিলেই বিস্ফোরণ ঘটবে, এমনভাবে সেটি তৈরি করা হয়েছিল। সময় মতো এটি উদ্ধার না হলে বহু মানুষের প্রাণহানি ঘটতে পারত।”

    মামলা দায়ের, তদন্ত শুরু

    ঘটনার পর মতিঝিল থানার এসআই মির্জা মহম্মদ মুক্তা অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক আইনে মামলা দায়ের করেছেন। কারা এই বিস্ফোরক রেখেছিল, তাদের উদ্দেশ্য কী ছিল এবং এর পিছনে কোনও সংগঠিত নাশকতা চক্র জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখছে তদন্তকারী সংস্থাগুলি। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষকে আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে পুলিশ।

  • Telangana News: হায়দরাবাদে রাতের অন্ধকারে পুলিশ ভাঙল মন্দির, সরানো হল মূর্তি, বাধা উৎসবে, বিক্ষোভ হিন্দুদের

    Telangana News: হায়দরাবাদে রাতের অন্ধকারে পুলিশ ভাঙল মন্দির, সরানো হল মূর্তি, বাধা উৎসবে, বিক্ষোভ হিন্দুদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত ২৪ জুলাই ভোরে রাতের অন্ধকারে হায়দরাবাদে ভেঙে ফেলা হল এক মন্দির। কোনওরকম সরকারি নোটিশ ছাড়াই ভাঙা হয় পবিত্র পেদ্দাম্মা থাল্লি মন্দির (Telangana News)। তেলেঙ্গনা রাজ্যের একাধিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে, এই ভাঙচুর অত্যন্ত গোপনে করা হয়েছিল এবং মন্দিরের অভ্যন্তরে থাকা ভগবানের মূর্তিটি পিছনের গেট দিয়ে পাচার করা হয়েছিল। ওই মন্দিরের ভক্তরা এই অভিযান সম্পর্কে কিছুই জানতেন না এবং পরবর্তীকালে সকালে তাঁরা যখন এ বিষয়ে জানতে পারেন, তখন মন্দিরের সামনে ব্যাপক বিক্ষোভ (Peddamma Thalli Temple) দেখাতে থাকেন।

    বাধা উৎসবে (Telangana News)

    প্রসঙ্গত, এ বছর ২৯ জুলাই এই মন্দিরে বনালু উৎসব উদযাপন হওয়ার কথা ছিল। এটি তেলেঙ্গনার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিন্দু অনুষ্ঠান। কিন্তু এই উৎসবের ওপরেও সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয় এবং বেশ কয়েকজন হিন্দু ভক্তকে গৃহবন্দি করেও রাখা হয়। ওই মন্দিরটিকে ভাঙচুর করার পরেই পুলিশ প্রশাসনের তরফে অভিযোগ অস্বীকার করা হয়। তারা বলে যে সেখানে কোনও মন্দিরই ছিল না — এমন অদ্ভুত দাবি করতে থাকে পুলিশ। অর্থাৎ, হিন্দু রীতিনীতি ও ধর্মের এভাবেই (Telangana News) বিরোধিতা করল তেলেঙ্গনা প্রশাসন।

    হিন্দু ধর্মীয় ঐতিহ্যকে মুছে ফেলার ষড়যন্ত্র, বলছেন ভক্তরা

    ভক্তরা এই ধরনের ঘটনাকে হিন্দু ধর্মীয় ঐতিহ্যকে মুছে ফেলার এক ষড়যন্ত্র হিসেবে ব্যাখ্যা করছেন। স্থানীয়রা জানাচ্ছেন, পেদ্দাম্মা থাল্লি মন্দির প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে এক গুরুত্বপূর্ণ হিন্দু ধর্মকেন্দ্র হিসেবে সেখানে প্রতিষ্ঠিত ছিল। ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক এবং সামাজিক এক মিলনস্থল হয়ে উঠেছিল ওই মন্দির — বিশেষ করে বনালু উৎসবের সময় এখানে খুবই জমজমাট মেলাও দেখা যেত (Peddamma Thalli Temple) এবং হাজার হাজার ভক্ত ভিড় করতেন।

    গোপনে মূর্তি অপসারণ (Telangana News)

    অনেকেই বলছেন যে সরকার মন্দির ভাঙতে রাতের অন্ধকারকে বেছে নিল — এতেই প্রমাণ হচ্ছে যে তারা ঠিক কতটা চক্রান্ত করেছে। ভোর সাড়ে তিনটের সময় এই মন্দির ভাঙা হয় বলে খবর, যখন গোটা হায়দরাবাদ শহর ঘুমিয়ে ছিল। এর পরেই ভগবানের মূর্তি গোপনে (Telangana News) পাচারও করে দেওয়া হয়। এক্ষেত্রে অনেকেই বলছেন, যেভাবে আমাদের মন্দিরের অস্তিত্ব মুছে ফেলা হচ্ছে, আমাদের দেবতাদের অসম্মান করা হচ্ছে, আমাদের কণ্ঠস্বরকে স্তব্ধ করা হচ্ছে — সেখানে মনে হচ্ছে যে হিন্দু হওয়াটাই অপরাধ। ভক্তরা আরও বলেন, হিন্দু হিসেবে পবিত্র কর্তব্য হল নিজেদের জমি, মন্দির এবং ভগবানকে রক্ষা করা।

LinkedIn
Share