Tag: Hindu Dharma

Hindu Dharma

  • Hindus Under Attack: হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ অব্যাহত, দেখে নেওয়া যাক এ সপ্তাহের ছবি

    Hindus Under Attack: হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ অব্যাহত, দেখে নেওয়া যাক এ সপ্তাহের ছবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বন্ধ হয়নি হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ। দেশ তো বটেই, বিদেশেও ঘনঘন ঘটছে হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ (Hindus Under Attack)। বিশ্বের বহু অঞ্চলে এই নির্যাতন ধীরে ধীরে একপ্রকার গণহত্যার রূপ নিচ্ছে। দশকের পর দশক ধরে বিশ্বের একটা বড় অংশ এই আক্রমণগুলির প্রকৃত গভীরতা ও বিস্তার উপেক্ষা করেছে, যা উদ্বেগজনক হিন্দু-বিরোধী পক্ষপাতের ফল বলেই দাবি ওয়াকিবহাল মহলের। হত্যা, ধর্মান্তর, জমি দখল, উৎসব-অনুষ্ঠানে বাধা, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণামূলক বক্তব্য, যৌন হিংসা, প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য—এসবের মাধ্যমে হিন্দুরা তাঁদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণের মুখোমুখি হচ্ছে বলেই অভিযোগ। এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক ১৯ এপ্রিল থেকে ২৫ এপ্রিল, ২০২৬ পর্যন্ত এমন কিছু ঘটনার ছবি। বিশ্বজুড়ে আরও বেশি করে মানুষ যাতে এই মানবাধিকার সঙ্কট সম্পর্কে সচেতন হোন, তা-ই এই সাপ্তাহিক প্রতিবেদন।

    ভারতের ছবি (Hindus Under Attack)

    প্রথমেই দেখে নেওয়া যাক ভারতের ছবিটা। “হাউ আয়াপ্পান ওয়েন্ট ফ্রম এ লোকাল ফরেস্ট ডেইটি টু কেরালাজ মোস্ট কন্ট্রোভার্সিয়াল গড” শীর্ষক লেখাটি লিখেছেন অনিরুদ্ধ কানিসেট্টি (Hindus Under Attack)। লেখাটির শিরোনামটি ভগবান আয়াপ্পাকে নিয়ে, যিনি লাখ লাখ ভক্তের কাছে ব্রহ্মচারী যোদ্ধা দেবতা ধর্মশাস্তা, হরিহরসূত (বিষ্ণু ও শিবের পুত্র), এবং ধর্ম ও তপস্যার প্রতীক, তাঁকেই ‘বিতর্কিত’ রূপে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে সমালোচনা করা হয়েছে (Roundup Week)। মধ্যপ্রদেশের এক প্রত্যন্ত গ্রামে “চেঙ্গাই- ফেথ হিলিং” সমাবেশের পর গ্রেফতার করা হয়েছে দুই পাদ্রীকে। তারা ‘লাইট অফ জেসাস চার্চে’র সঙ্গে যুক্ত বলে অভিযোগ। পুলিশ বৃহত্তর ধর্মান্তর এই নেটওয়ার্কের তদন্ত করছে। হুব্বলির এক তরুণীর অভিযোগ, মুফিস মিয়ানাভার নামে এক ব্যক্তি সম্পর্ক গড়ার অছিলায় তাঁকে ধর্ষণ, ব্ল্যাকমেল ও দীর্ঘদিন ধরে শোষণ করে আসছে। কেশ্বাপুর থানায় দায়ের হয়েছে অভিযোগ (Hindus Under Attack)।

    মন্দিরের টন টন সোনা

    এদিকে, ক্যাথলিক পুরোহিত ফাদার পল থেলাক্কাট প্রশ্ন তোলেন, কেন মন্দিরের টন টন সোনা জনসেবায় ব্যবহার করা হয় না। বিদেশি অনুদানের ওপর নজরদারি নিয়ে খ্রিস্টান প্রতিষ্ঠানগুলির পক্ষে কথা বলতে গিয়ে এই মন্তব্য করেন তিনি। ফের খবরের শিরোনামে নাসিকের টিসিএস। এক মহিলা কর্মীর অভিযোগ, কর্মক্ষেত্রে তাঁকে আলাদা করা, চাপ দেওয়া এবং মানসিকভাবে বারংবার হয়রান করা হয়েছে।ভোপালের এক মামলায় অভিযোগ উঠেছে, তিনজন অপ্রাপ্তবয়স্ক হিন্দু কিশোরীকে প্রলোভন দেখিয়ে যৌন নির্যাতন, ধর্মান্তর ও বিয়ের জন্য চাপ দেওয়া হয়েছিল (Hindus Under Attack)।

    লাভ জেহাদ!

    ইন্দোরে বছর উনিশের এক কলেজছাত্রীর অভিযোগ, এক মুসলিম ব্যক্তি হিন্দু পরিচয় দিয়ে তাঁকে প্রতারণা করে, মাদক খাইয়ে ধর্ষণ করে। শুধু তা-ই নয়, ওই ব্যক্তি আপত্তিকর ভিডিও দিয়ে ব্ল্যাকমেল করে এবং ইসলাম ধর্ম গ্রহণ এবং বিয়ের জন্য চাপ দেয় (Roundup Week)। নাগপুর পুলিশ একটি এনজিও পরিচালনাকারী রিয়াজ কাজিকে গ্রেফতার করেছে। অভিযোগ, সমাজসেবার আড়ালে সে হিন্দু মহিলাদের ধর্মান্তরের জন্য চাপ দিত এবং হয়রান করত। গুরুগ্রামে আসিফ মোহাম্মদ নামে এক কোচিং সেন্টার মালিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ, ভাষা প্রশিক্ষণের অছিলায় বছর ছাব্বিশের এক হিন্দু ছাত্রীকে যৌন নির্যাতন করে। শুধু তা-ই নয়, জোর করে দু’বার গর্ভপাতও করায় (Roundup Week)।

    বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর আক্রমণ

    এদিকে, বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর আক্রমণ অব্যাহত রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। অভিযোগ, সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়কে ধীরে ধীরে দেশছাড়া করার লক্ষ্যেই এই নির্যাতন চালানো হয়। দিনাজপুর জেলার বীরগঞ্জ উপজেলায় এক আদিবাসী সম্প্রদায়ের ওপর হামলা ও একটি মন্দির ভাঙচুরের অভিযোগে উত্তেজনা ছড়ায়। ১৫০–২০০ জনের একটি দল কালীমন্দিরে হামলা করে মূর্তি ভেঙে ফেলে দেয় বলে অভিযোগ। কক্সবাজারের পাহাড়ি এলাকায় তিনদিন নিখোঁজ থাকার পর এক হিন্দু সন্ন্যাসীর মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। মৃতের নাম নয়ন দাস (৩৫)। তিনি স্থানীয় এক মন্দিরের সেবায়েত ছিলেন।

    ঘৃণাজনিত অপরাধ

    অন্যদিকে, ইউএসসিআইআরএফ, সাভেরা, সিএসওএইচ, এইচএফএইচআর, ইক্যুয়ালিটি ল্যাবসের মতো (Roundup Week) কিছু সংগঠনের তথাকথিত গবেষণা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবাসী হিন্দু সমাজ ও ভারতকে নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করছে বলে অভিযোগ (Hindus Under Attack)। প্রসঙ্গত, অনেক ঘৃণাজনিত অপরাধ নির্দিষ্ট ধর্মীয় শিক্ষা ও রাজনৈতিক মতাদর্শ থেকে উৎসাহিত হয় বলে দাবি করা হয়। ইসলামি রাষ্ট্রগুলিতে হিন্দু-বিরোধী ঘৃণা প্রকাশ্যে হলেও, ভারতের মতো তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রগুলিতেও সূক্ষ্মভাবে হিন্দু-বিরোধী মনোভাব দেখা যায়। দীপাবলিতে আতশবাজি নিষেধাজ্ঞাকে এর উদাহরণ হিসেবে দেখানো হয়েছে—বাহ্যিকভাবে দূষণ নিয়ন্ত্রণের যুক্তি দেওয়া হলেও, বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে এটি দ্বৈত মানদণ্ড বলেও সমালোচনা করা হয়েছে (Hindus Under Attack)।

     

  • Hindus Under Attack: বিপন্ন হিন্দুরা, সাপ্তাহিক ঘটনায়ই উঠে এল এমন ছবি  

    Hindus Under Attack: বিপন্ন হিন্দুরা, সাপ্তাহিক ঘটনায়ই উঠে এল এমন ছবি  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর অব্যাহত আক্রমণ। দেশ কিংবা বিদেশ সর্বত্রই এমনতর ঘটনা ঘনঘন এবং নিরন্তর চলছে। বিশ্বের অনেক অঞ্চলে এই (Hindus Under Attack) নির্যাতন ধীরে ধীরে একটি গণহত্যার রূপ নিচ্ছে। বহু দশক ধরে বিশ্ব এই আক্রমণের প্রকৃত গভীরতা ও ব্যাপ্তিকে উপেক্ষা করেছে, যা উদ্বেগজনক হিন্দু-বিরোধী বিদ্বেষ দ্বারা প্রভাবিত। হত্যা, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, উৎসবে-অনুষ্ঠানে হামলা, আক্রমণ, মন্দির-মূর্তির অবমাননা, ঘৃণামূলক বক্তব্য, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য—হিন্দুরা তাদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণের সম্মুখীন হচ্ছে। এটি অভূতপূর্ব হিন্দু বিদ্বেষের পরিচায়ক (Roundup Week)।

    ভারতের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করে (Hindus Under Attack)

    গত ৫ থেকে ১১ এপ্রিল, ২০২৬ পর্যন্ত পর্বে আমরা এমন কিছু ঘটনার ছবি তুলে ধরতে চাই, যাতে বিশ্বব্যাপী মানুষ এই মানবাধিকার সঙ্কট সম্পর্কে সচেতন হয়। এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক ছবিটা। ইউনাইটেড স্টেটস কমিশন অন ইন্টারন্যাশনাল রিলিজিয়াস ফ্রিডম (USCIRF) তাদের ২০২৬ সালের বার্ষিক প্রতিবেদনে একটি নজিরবিহীন পদক্ষেপ করেছে। তারা ভারতের বৃহত্তম সাংস্কৃতিক সংগঠন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (RSS)-এর ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞার সুপারিশ করেছে। ইউনাইটেড স্টেটস কমিশন অন ইন্টারন্যাশনাল রিলিজিয়াস ফ্রিডম প্রায়ই এমন প্রতিবেদন প্রকাশ করে যা আদতে ভারতের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করে।

    ইমরান শেখ গ্রেফতার

    দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল ভুবনেশ্বর থেকে ইমরান শেখ নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে, সে উগ্রপন্থী গোষ্ঠীর সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলছিল বলে অভিযোগ। ২২ বছর বয়সী শেখকে ওড়িশার রাজধানীর ইউনিট-৬ এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। মহারাষ্ট্রের নাসিকের একটি বহুজাতিক আইটি সংস্থায় যৌন হয়রানি ও ধর্মীয় নিপীড়নের ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। সাত মহিলা পুলিশ কর্মী ছদ্মবেশে সেখানে ঢুকে দেখেন, হিন্দু মহিলা কর্মীরা হয়রানি ও ধর্মীয় নিপীড়নের শিকার হচ্ছেন। অভিযানে অভিযুক্তদের হাতেনাতে ধরা হয় এবং গ্রেফতার করা হয়। মোট ৯টি মামলা দায়ের হয়েছে, গ্রেফতার হয়েছে ৭ জন।

    তৃণমূল কংগ্রেসের কাউন্সিলরের ‘দাদাগিরি’

    কলকাতার ভবানীপুরে ভোলানন্দ গিরি আশ্রমে তৃণমূল কংগ্রেসের কাউন্সিলর অসীম বসু ঢুকে পড়ে সেখানকার সাধুদের জোর করে বের করে দেন। বিভিন্ন জেলা থেকে আসা সাধুদের অভিযোগ, তাঁদের হুমকি দেওয়া হয়েছিল এবং আশ্রমের বিদ্যুৎ ও জল সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়েছিল (Hindus Under Attack)। দিল্লির ত্রিনগরে একটি ‘লাভ জেহাদ’ মামলাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। সেখানে বছর পনেরোর এক হিন্দু কিশোরী ও বছর চৌত্রিশের এক মুসলিম ব্যক্তির মধ্যে সম্পর্কের অভিযোগ ওঠে। ওই কিশোরীর পরিবারের দাবি, ওই ব্যক্তি পরিচয় গোপন করে ‘সৌরভ রাইডার’ নামে পরিচয় দিয়েছিল। তিনি নৃত্য প্রশিক্ষক। পড়াতে গিয়ে ওই মেয়েটির সঙ্গে পরিচয় হয় তাঁর।

    বেশিরভাগ ঘৃণামূলক অপরাধ হিন্দু-বিরোধী বিদ্বেষ থেকে উদ্ভূত, যা কিছু ধর্মীয় শিক্ষা ও রাজনৈতিক মতাদর্শে নিহিত। ইসলামিক দেশগুলিতে এই বিদ্বেষ স্পষ্ট হলেও, ভারতের মতো তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ দেশগুলিতেও একটি সূক্ষ্ম হিন্দু-বিরোধী মনোভাব আজও রয়ে গিয়েছে, যা এই ধরনের অপরাধকে উৎসাহ দেয় (Roundup Week)। দীপাবলিতে পটকা নিষিদ্ধ করার বিষয়টি এর একটি উদাহরণ। একে পরিবেশ বাঁচানোর কারণ বলে মনে করিয়ে দিয়ে  হয়। বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে এটি হিন্দু উৎসবগুলির ওপর বিধিনিষেধ এবং দ্বৈত মানদণ্ডের ইঙ্গিত দেয় (Hindus Under Attack)।

     

  • Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু- হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ, দেখুন এই সপ্তাহের ছবি

    Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু- হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ, দেখুন এই সপ্তাহের ছবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশ-বিদেশে অব্যাহত হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ। বিশ্বের বহু অঞ্চলে এই নির্যাতন ধীরে ধীরে একটি গণহত্যার রূপ নিচ্ছে, যা আমাদের চোখের সামনেই ঘটছে। দশকের পর দশক ধরে বিশ্ব এই আক্রমণের প্রকৃত গভীরতা ও বিস্তার উপেক্ষা করেছে। অথচ এটি উদ্বেগজনক হিন্দুবিরোধী পক্ষপাতিত্ব দ্বারা (Roundup Week) পরিচালিত।

    খুন-জখম-রাহাজানি (Hindus Under Attack)

    খুন, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, উৎসবের ওপর আক্রমণ (Hindus Under Attack), মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণামূলক বক্তব্য, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য পর্যন্ত—হিন্দুরা তাদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণের মুখে পড়ছে, শিকার হচ্ছে নজিরবিহীন হিন্দুবিদ্বেষের। এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক ২৯ মার্চ থেকে ০৪ এপ্রিল, ২০২৬ পর্যন্ত সময়ের ছবিটা। বিশ্বজুড়ে আরও মানুষ যাতে এই মানবাধিকার সঙ্কট সম্পর্কে সচেতন হয়, তাই এই প্রচেষ্টা।

    খবরে কর্নাটক

    প্রথমে দেখে নেওয়া যাক ভারতের ছবিটা। ফের বিতর্ক সৃষ্টি করেছেন কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধারামাইয়া। দিন কয়েক আগে তিনি প্রকাশ্যে বলেন, তিনি উগাদি এবং মহাশিবরাত্রির মতো পবিত্র হিন্দু উৎসবের দিনেও আমিষ খাবার খান। বিধানসভায় বাজেট আলোচনার জবাবে দেওয়া এই বক্তব্য শাসক দলের হিন্দু প্রথার প্রতি অবহেলার বিষয়ে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। মধ্যপ্রদেশের রাজধানী ভোপাল থেকে একটি উদ্বেগজনক ঘটনা সামনে এসেছে।  সেখানে এক কলেজছাত্রীর অভিযোগ, এক মুসলিম ব্যক্তি ভুয়ো হিন্দু পরিচয়ে ইনস্টাগ্রামে তার সঙ্গে পরিচয় করে, তাকে ধর্ষণ করে, ব্যক্তিগত ছবি এবং ভিডিও দিয়ে ব্ল্যাকমেল করে। শুধু তা-ই নয়, পরে তাঁকে ধর্মান্তরিত হয়ে নমাজ আদায়ের জন্য চাপ দেয়। অভিযুক্ত শাদাব ‘আদিত্য’ নাম নিয়ে করে প্রতারণা করেছিল (Hindus Under Attack)।

    উদ্বেগজনক ঘটনা

    ধারওয়াড়ের মারাঠা কলোনিতে একটি উদ্বেগজনক ঘটনা প্রকাশ পেয়েছে, যেখানে একজন ইসলামপন্থী জিম প্রশিক্ষক মোহাম্মদ সাবিরের বিরুদ্ধে হিন্দু মহিলাদের যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে এবং বজরং দল কর্মীরা প্রতিবাদ হিসেবে জিমটি বন্ধ করে দেন। পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে (Roundup Week)। উত্তরপ্রদেশের হাপুরে মেঘালয় থেকে আসা এক তরুণীর অভিযোগ, স্থানীয় এক মুসলিম যুবক তাকে ধর্ষণ করেছে, ব্ল্যাকমেল করেছে এবং অশ্লীল ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দিয়েছে। ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুনে জেলার মাঞ্চারে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে একটি ঐতিহাসিক ‘বারাভ’ (ধাপ কূপ, যা স্থানীয়দের মতে পাণ্ডব যুগের এবং ১২শ শতকে পুনর্নির্মিত) তা ওয়াকফ বোর্ডের নথি থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। স্থানীয়দের দীর্ঘ আন্দোলনের ফলে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় (Hindus Under Attack)।

    বাংলাদেশ

    বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর আক্রমণ অব্যাহত। চলছে পরিকল্পিতভাবে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের দেশ থেকে ধীরে ধীরে মুছে ফেলার প্রয়াস (Roundup Week)। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল বরকতের একটি গবেষণা অনুযায়ী, প্রাতিষ্ঠানিক ও ব্যবস্থাগত নির্যাতনের কারণে ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে কোনও হিন্দু অবশিষ্ট থাকবে না। মন্দির ভাঙচুর, জমি দখল, মিথ্যা ধর্মনিন্দার অভিযোগ তুলে হামলা, ধর্ষণ ও জোরপূর্বক ধর্মান্তর, এবং ঘৃণাসূচক বক্তব্য—এসবই হিন্দুদের ভয় দেখিয়ে দেশ ছাড়তে বাধ্য করার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

    মসজিদের কাছ থেকে উদ্ধার হিন্দুর দেহ

    চট্টগ্রামের বাঁশখালি উপজেলায় একটি মসজিদের কাছ থেকে উদ্ধার হয় বছর পঞ্চাশের স্বপন দাসের মৃতদেহ। নিখোঁজ হওয়ার প্রায় ২৪ ঘণ্টা পরে মিলল তাঁর দেহ। তিনি পটিয়া উপজেলার পূর্ব ডেঙ্গা পাড়ার বাসিন্দা ছিলেন। ২৭ মার্চ সকাল ১০টার দিকে নিখোঁজ হন তিনি। অনেক খোঁজাখুঁজির পর ২৮ মার্চ বিকেলে তাঁর দেহের হদিশ মেলে (Hindus Under Attack)। বেশিরভাগ ঘৃণাজনিত অপরাধ হিন্দুবিরোধী পক্ষপাতিত্ব দ্বারা চালিত, যা কিছু ধর্মীয় শিক্ষা ও রাজনৈতিক মতাদর্শে নিহিত। ইসলামিক দেশগুলিতে এই বিদ্বেষ স্পষ্ট হলেও, ভারতের মতো তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রগুলি প্রতিষ্ঠান ও জনপরিসরেও সূক্ষ্ম হিন্দুবিরোধী মনোভাব রয়েছে, যা হিন্দুবিদ্বেষ ও ঘৃণাজনিত অপরাধকে উৎসাহিত করে (Roundup Week)।

    এই সূক্ষ্ম, দৈনন্দিন বৈষম্য সহজে চোখে পড়ে না, যদি না আইন ও সামাজিক প্রবণতাগুলি বিশ্লেষণ করা হয়। দীপাবলিতে আতশবাজি নিষিদ্ধ করার বিষয়টি একটি উদাহরণ। আপাতদৃষ্টিতে এটি পরিবেশগত মনে হলেও, আদতে এটি বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে দেখা যায় হিন্দু উৎসবগুলির ওপর একতরফা বিধিনিষেধ আরোপের সিদ্ধান্তে (Hindus Under Attack)।

     

  • Hindus Under Attack: ভারত ও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে হিন্দু-হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ অব্যাহত

    Hindus Under Attack: ভারত ও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে হিন্দু-হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ অব্যাহত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত ও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ (Hindus Under Attack) চলছে অবাধে। বিশ্বের অনেক অঞ্চলে এই নির্যাতন এমন একটি পর্যায়ে গিয়ে পৌঁছেছে যে তা ধীরে ধীরে গণহত্যার মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে (Roundup Week)। কয়েক দশক ধরে বিশ্ব এই আক্রমণের প্রকৃত গভীরতা ও ব্যাপকতাকে উপেক্ষা করেছে, যার পেছনে রয়েছে উদ্বেগজনক হিন্দু-বিরোধী বিদ্বেষ। হত্যা, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, উৎসবে হামলা, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণামূলক বক্তব্য, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য – সব মিলিয়ে হিন্দুরা অস্তিত্বের সংকটে। যার জেরে নজিরবিহীনভাবে চড়ছে হিন্দুদের বিরুদ্ধে ঘৃণার পারদ। ১ মার্চ থেকে ৭ মার্চ, এই সময়ে দেশ-বিদেশে কী কী ঘটনা ঘটেছে, তা একবার দেখে নেওয়া যাক, যাতে বিশ্বব্যাপী মানুষ এই মানবাধিকার সংকট সম্পর্কে সচেতন হতে পারে।

    হৃষিকেশ কীর্তন ফেস্ট (Hindus Under Attack)

    প্রথমে দেখে নেওয়া যাক এই সপ্তাহের ছবিটা। হৃষিকেশ কীর্তন ফেস্ট, ২০২৬ থেকে ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিও ব্যাপক বিতর্কের সৃষ্টি করেছে। ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, এক ভারতীয় অনুষ্ঠানের প্রবেশদ্বারে একজন বিদেশি কর্মীর সঙ্গে তর্কাতর্কি করছেন। অভিযোগ, স্থানীয় দর্শনার্থীদের প্রবেশে বাধা দিয়ে বিদেশিদের অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছিল। দেরাদুন র’ নামের একটি ইনস্টাগ্রাম পেজে ভিডিওটি শেয়ার হওয়ার পর কয়েক দিনের মধ্যে এটি ৩,৭৮,০০০-এরও বেশি ভিউ পায় এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে। মাডিকেরি তালুকের নাপোকলু গ্রামে জনৈক গৌতমকে আক্রমণ করে একদল মুসলিম যুবক। হিন্দু যুবকেরা একটি পিকআপ গাড়িতে করে বললামাভাট্টিতে অনুষ্ঠিতব্য হিন্দু সমাবেশ সম্পর্কে মাইকিং করছিলেন। অভিযোগ, কিছু ইসলামপন্থী যুবক মাইক ব্যবহারের বিরোধিতা করে এবং নাপোকলু শহরের পোনাড সুপারমার্কেটের কাছে কর্মীদের ওপর হামলা চালায়। গুরুতর জখম অবস্থায় গৌতমকে চিকিৎসার জন্য মাডিকেরির জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয় (Roundup Week)।

    সংবাদমাধ্যমগুলির প্রবণতা

    এদিকে, ভারতের প্রধান ইংরেজি সংবাদমাধ্যমগুলির এক দশকের প্রতিবেদনে একটি নির্দিষ্ট প্রবণতা দেখা গিয়েছে। ২০১৬ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে অন্তত ১২টি বড় সংবাদমাধ্যম হোলি উৎসবকে বিপদ, রোগ, পরিবেশগত ক্ষতি এবং জনশৃঙ্খলার ঝুঁকি হিসেবে তুলে ধরেছে। অন্যদিকে, এই একই পর্বে রমজানকে প্রায় একচেটিয়াভাবে পবিত্র, স্বাস্থ্যকর, শান্ত ও দান-ধ্যানের মাস হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। এই বৈপরীত্য কেবল তথ্য বা বিজ্ঞানের বিষয় নয়, এটি একটি বর্ণনাগত পক্ষপাতকে ইঙ্গিত করে (Hindus Under Attack)।

    হোলিকা দহন উপলক্ষে উত্তেজনা

    জনৈক চন্দ্রশেখরকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেইনি সম্পর্কিত একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টের কারণে ইসলামপন্থী যুবকদের একটি দল আক্রমণ করে বলে অভিযোগ। ঘটনায় কর্নাটকের কপ্পাল জেলার গঙ্গাবতী শহরে উত্তেজনা ছড়ায়। রাজকোটের ভাগবতীপাড়া এলাকায় হোলিকা দহন উপলক্ষে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, দুই মুসলিম যুবক মোটরসাইকেলে করে আগুনের কাছে বিপজ্জনকভাবে স্টান্ট করছিল। এতে উৎসবে উপস্থিত লোকজনের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিলে সংঘর্ষ শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মোতায়েন করা হয় পুলিশ। পুথিলা পরিবার সংগঠনের কর্মীদের অভিযোগ, পুত্তুরে চলচ্চিত্র “দ্য কেরালা স্টোরি ২”-এর বিনামূল্যে প্রদর্শনী বন্ধ করার উদ্দেশ্যে বিদেশ থেকে এসেছে হুমকিমূলক ফোন। আয়োজকদের মতে, ফোনকলগুলিতে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয়, দেওয়া হয় হুমকিও (Hindus Under Attack)।

    হোলি উদযাপনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ

    গত ৪ মার্চ দেরাদুনের গান্ধী গ্রাম এলাকায় হোলি উদযাপনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, এক মুসলিম ব্যক্তি বছর পঁয়ষট্টির এক হিন্দু মহিলাকে চড়-থাপ্পড় মারেন। ঘটনাটির ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতেই উত্তেজনা ছড়ায়। দাবি ওঠে দ্রুত পুলিশি ব্যবস্থা নেওয়ার (Roundup Week)। এদিকে, বাংলাদেশে অব্যাহত হিন্দুদের ওপর আক্রমণ। ধীরে ধীরে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের দেশছাড়া করার মতো পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে অভিযোগ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল বরকতের একটি গবেষণা অনুযায়ী, ধারাবাহিক ও প্রাতিষ্ঠানিক নির্যাতনের কারণে ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে হিন্দুদের অস্তিত্ব বিলুপ্ত হয়ে যেতে পারে।

    দেশছাড়া করার কৌশল

    মন্দির ভাঙচুর, জমি দখল, মিথ্যা ধর্মনিন্দার অভিযোগে গণআক্রমণ, ধর্ষণ ও জোরপূর্বক ধর্মান্তর এবং ঘৃণামূলক বক্তব্য—এসবই হিন্দুদের আতঙ্কিত করে দেশছাড়া করার কৌশল হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে (Hindus Under Attack)। ভোলায় কীর্তন শেষে বাড়ি ফেরার পথে এক হিন্দু বোবা মহিলাকে সারারাত ধরে ধর্ষণ ও নির্যাতন করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনায় নাম জড়ায় মোহাম্মদ রাকিব, মোহাম্মদ শাকিল ও মোহাম্মদ রাসেলের। রাত প্রায় ১১টার দিকে তিনি একটি অটোরিকশায় উঠেছিলেন। চালক রাকিব তাঁকে বাড়ি না নিয়ে গিয়ে শশীগঞ্জ গ্রামের একটি নির্জন সুপারি বাগানে নিয়ে যায়। সেখানেই তাঁকে দীর্ঘ সময় ধরে নির্যাতন করা হয় বলে অভিযোগ (Roundup Week)।

    চাঁদা আদায়কারীদের হামলা

    চট্টগ্রামে চাঁদা আদায়কারীদের হামলায় নিহত হয়েছেন আকাশ দাস। তিনি ধোপাপাড়া এলাকার বাসিন্দা বাবুল দাসের ছেলে। চট্টগ্রামের চান্দনাইশ উপজেলায় ডাকাতদের গুলিতে নিহত হন বছর সত্তরের চন্দন দে (Hindus Under Attack)। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার অরুয়াইল গ্রামে মন্দিরের জমি উদ্ধারের দাবিতে বিক্ষোভকারীদের ওপর হামলায় অন্তত ১০ জন জখম হন, যাঁদের মধ্যে এক মহিলাও ছিলেন। বস্তুত, বেশিরভাগ ঘৃণাজনিত অপরাধ হিন্দু-বিরোধী বিদ্বেষ দ্বারা প্রভাবিত, যা কিছু ধর্মীয় শিক্ষা ও রাজনৈতিক মতাদর্শের মধ্যে নিহিত। ইসলামি দেশগুলিতে এই ঘৃণা স্পষ্ট হলেও, ভারতের মতো তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রগুলির প্রতিষ্ঠান এবং জনপরিসরেও একটি সূক্ষ্ম হিন্দু-বিরোধী মনোভাব দেখা যায়।

    এই সূক্ষ্ম বৈষম্য অনেক সময় চোখ এড়িয়ে যায়, যদি না আইন ও সামাজিক প্রবণতাগুলি গভীরভাবে বিশ্লেষণ করা হয়। উদাহরণ হিসেবে দীপাবলিতে আতশবাজি নিষিদ্ধ করার ধীরে ধীরে বাড়তে থাকা প্রবণতার কথা উল্লেখ করা যায়। আপাতদৃষ্টিতে এটি পরিবেশগত সিদ্ধান্ত বলে মনে হলেও, বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে দেখা যায় যে হিন্দু উৎসবগুলির ওপর (Roundup Week) বিভিন্ন বিধিনিষেধ আরোপ করা হচ্ছে, সবসময় যার যুক্তিসঙ্গত ব্যাখ্যা মেলে না (Hindus Under Attack)।

     

  • Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ, ঝলকে এই সপ্তাহের ছবি

    Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ, ঝলকে এই সপ্তাহের ছবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত ও বিদেশ উভয় জায়গায়ই হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ অব্যাহত রয়েছে। বিশ্বের বহু অঞ্চলে এই নিপীড়ন আমাদের চোখের সামনেই ধীরে ধীরে গণহত্যার রূপ নিচ্ছে (Hindus Under Attack)। বহু দশক ধরে বিশ্বের দৃষ্টি এই ধরনের আক্রমণের প্রকৃত গভীরতা ও ব্যাপ্তির দিকে যায়নি, যার পেছনে রয়েছে উদ্বেগজনক হিন্দু-বিরোধী বিদ্বেষ। হত্যা, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, উৎসবে হামলা, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণামূলক বক্তব্য, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য—সব মিলিয়ে হিন্দুরা তাঁদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণ এবং নজিরবিহীন হিন্দু-বিদ্বেষের সম্মুখীন হচ্ছেন (Roundup Week)। ২১ থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সময়কালের এই সাপ্তাহিক সংক্ষিপ্ত বিবরণে এই ধরনের অপরাধের একটি সামগ্রিক চিত্র তুলে ধরা হল। শুধু তাই নয়, বিশ্বজুড়ে মানুষকে এই মানবাধিকার সংকট সম্পর্কে সচেতন করা যাবে বলেও ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

    মাদ্রাজ হাইকোর্টের রায় (Hindus Under Attack)

    প্রথমে দেখে নেওয়া যাক ভারতের ছবিটা। একটি প্রাচীন মন্দিরের বাণিজ্যিক ব্যবহারের বিরুদ্ধে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে মাদ্রাজ হাইকোর্টের মাদুরাই বেঞ্চ ‘অরুলমিগু কন্যাকুমারী ভাগবতী আম্মান তিরুকোভিলে’র ‘কন্নিয়াম্বালম’ কল মণ্ডপম থেকে অবিলম্বে সব দখলদারি অপসারণের নির্দেশ দিয়েছে এবং কাঠামোটি সিল করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিচারপতি জি জয়চন্দ্রন ও বিচারপতি কেকে রামকৃষ্ণনের সমন্বয়ে গঠিত ডিভিশন বেঞ্চ হিন্দু রিলিজিয়াস অ্যান্ড চ্যারিটেবল এন্ডাওমেন্টস (HR&CE) দফতরকে কঠোরভাবে ভর্ৎসনা করে মন্তব্য করে যে ঐতিহ্যবাহী মন্দিরটি “আর্থিক লাভের জন্য” ব্যবহার করা হয়েছে এবং মণ্ডপমের ভেতরে নির্মাণসামগ্রী ও ধ্বংসাবশেষ সংরক্ষণ করা হচ্ছিল।

    শিবাজি জয়ন্তীর শোভাযাত্রায় পাথর

    ১৯ ফেব্রুয়ারি রাতে কর্নাটকের বাগালকোট শহরে কিলা ওনি এলাকায় শিবাজি জয়ন্তীর শোভাযাত্রায় পাথর ও জুতো ছোড়ার ঘটনায় উত্তেজনা ছড়ায়। ছত্রপতি শিবাজি মহারাজের স্মরণে আয়োজিত শোভাযাত্রাটি উদ্‌যাপনের মধ্যে দিয়ে অগ্রসর হচ্ছিল, এমন সময় এই ঘটনা ঘটে, যা অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করে এবং পুলিশ তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপ করে (Roundup Week)। ‘দ্য নিউজ মিনিটে’ সম্প্রতি বিনু করুণাকরণের একটি প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে, যেখানে তিরুনাভায়ার মহা মাঘ মহোৎসবকে “গেরুয়া চিত্রনাট্য” এবং “হিন্দুত্বের রাজনৈতিক নাটক” বলা হয়েছে। দাবি করা হয়েছে, এটি ২০২৮ সালের নির্বাচনের আগে কেরলকে মেরুকরণ করতে পূর্ণাঙ্গ কুম্ভমেলার রূপ নেবে। সমালোচকদের মতে, অন্য ধর্মের বৃহৎ জনসমাবেশের ক্ষেত্রে নীরব থেকে এই ধরনের মন্তব্য ভণ্ড-ধর্মনিরপেক্ষতার পরিচায়ক (Hindus Under Attack)।

    ধর্মীয় স্বাধীনতা দমনের অভিযোগ

    এদিকে, ওয়ারাঙ্গলের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি (NIT)-এ ছাত্রদের ধর্মীয় স্বাধীনতা দমনের অভিযোগে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনে (NHRC) একটি পিটিশন দাখিল হয়েছে। অভিযোগ, এনআইটি ওয়ারাঙ্গলের ১.৮কে হস্টেলে থাকা ছাত্ররা প্রায় এক বছর ধরে প্রতি মঙ্গলবার সন্ধ্যায় পনেরো মিনিট ধরে হনুমান চালিশা পাঠ করছিলেন। পিটিশনে দাবি করা হয়েছে, প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্তারা হস্টেলে গিয়ে প্রার্থনা সভা ভেঙে দেওয়ার নির্দেশ দেন এবং যাঁরা সাংবিধানিক ধর্মীয় অধিকারের কথা উল্লেখ করে প্রশ্ন তোলেন, তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা, এমনকি বহিষ্কারের হুমকিও দেওয়া হয় (Roundup Week)। কর্নাটকের শিবমোগ্গা জেলার উর্গাদুর এলাকায় নাবালক ইসলামপন্থী যুবকদের মধ্যে সংঘর্ষে হস্তক্ষেপ করতে গিয়ে ১৬ বছর বয়সী সংকেত নামে এক হিন্দু কিশোরকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। তিনি তাঁর বন্ধু গিরিশকে রক্ষা করতে গিয়ে প্রাণ হারান (Hindus Under Attack)।

    মোবাইল স্ক্রিন গার্ড কেনা নিয়ে তর্কের জের

    কর্নাটকের চিত্রদুর্গ শহরের সন্থে ময়দানের কাছে মোবাইল দোকান মালিক বিক্রম চৌধুরীকে মোবাইল স্ক্রিন গার্ড কেনা নিয়ে তর্কের জেরে এক ইসলামপন্থী যুবক ছুরিকাঘাত করে। দেশের পাশাপাশি বিদেশের ছবিটাও এক ঝলক দেখে নেওয়া যাক। বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর আক্রমণ অব্যাহত এবং তা ধীরে ধীরে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের দেশছাড়া করার উদ্দেশ্যে পরিচালিত হচ্ছে বলে অভিযোগ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল বরকতের এক গবেষণায় বলা হয়েছে, প্রাতিষ্ঠানিক নিপীড়নের কারণে ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে কোনও হিন্দু অবশিষ্ট থাকবে না (Roundup Week)। মন্দির ভাঙচুর, জমি দখল, ভুয়ো ধর্ম অবমাননার অভিযোগে গণআক্রমণ, ধর্ষণ ও জোরপূর্বক ধর্মান্তর, এবং ঘৃণামূলক বক্তব্য—এসবই হিন্দুদের ভয় দেখিয়ে তাড়িয়ে দেওয়ার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে বলে অভিযোগ (Hindus Under Attack)।

    গণধর্ষণের অভিযোগ

    বরিশাল জেলায় এক বিবাহিত হিন্দু মহিলাকে অপহরণ ও গণধর্ষণের অভিযোগে একটি গুরুতর ঘটনা সামনে এসেছে। স্থানীয় সূত্রে খবর, তিনি কীর্তনের অনুষ্ঠান শেষে বাড়ি ফেরার পথে একদল হামলাকারীর কবলে পড়েন এবং তাঁকে অপহরণ করে শারীরিক নির্যাতন ও গণধর্ষণ করা হয়। গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর উপজেলার জলিরপাড় ইউনিয়নের কলিগ্রাম গ্রামে নিশান্ত বৈদ্য নামে এক ব্যক্তিকে বাড়ি থেকে টেনে বের করে নির্মমভাবে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ। পরে তাঁর মরদেহ ফেলে দেওয়া হয়, যা সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়েছে।

    প্রসঙ্গত, অধিকাংশ ঘৃণাজনিত অপরাধের পেছনে হিন্দু-বিরোধী বিদ্বেষ কাজ করে, যা কিছু ধর্মীয় শিক্ষাব্যবস্থা ও রাজনৈতিক মতাদর্শে প্রোথিত বলে অভিযোগ। ইসলামি দেশগুলিতে এই বিদ্বেষ প্রকাশ্যে এলেও ভারতের মতো তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রগুলির প্রতিষ্ঠান ও জনপরিসরেও সূক্ষ্মভাবে হিন্দু-বিরোধী মনোভাব কাজ করে বলে দাবি করা হয়। এই ধরনের দৈনন্দিন বৈষম্য সহজে চোখে পড়ে না, যদি না প্রচলিত আইন ও নীতির ধরণ বিশ্লেষণ করা হয়। উদাহরণ হিসেবে দীপাবলিতে আতশবাজি নিষেধাজ্ঞার প্রসঙ্গ উল্লেখ করা হয়। আপাতভাবে (Roundup Week) এটি দূষণ-সংক্রান্ত মনে হলেও বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে হিন্দু উৎসবের ওপর বিধিনিষেধ এবং যুক্তির অসামঞ্জস্য নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয় (Hindus Under Attack)।

     

  • Hindus Under Attack: দেশ-বিদেশে অব্যাহত হিন্দুদের ওপর আক্রমণ

    Hindus Under Attack: দেশ-বিদেশে অব্যাহত হিন্দুদের ওপর আক্রমণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত ও বিদেশে হিন্দু এবং হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ অব্যাহত। বিশ্বের বহু অঞ্চলে এই নির্যাতন আমাদের চোখের সামনে ধীরে ধীরে (Roundup Week) সংঘটিত এক প্রকার গণহত্যার মতো (Hindus Under Attack)। বহু দশক ধরে বিশ্ব এই আক্রমণের প্রকৃত গভীরতা ও বিস্তারকে উপেক্ষা করেছে, যার নেপথ্যে কাজ করছে উদ্বেগজনক হিন্দুবিরোধী পক্ষপাত। খুন, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, উৎসবের ওপর আক্রমণ, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণামূলক বক্তব্য, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য—সব মিলিয়ে হিন্দুরা তাঁদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণ ও নজিরবিহীন ঘৃণার মুখোমুখি হচ্ছেন। ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, এই সপ্তাহে আমরা এমন ঘটনাগুলির একটি চিত্র তুলে ধরছি, যাতে বিশ্বজুড়ে আরও মানুষ এই মানবাধিকার সঙ্কট সম্পর্কে সচেতন হন।

    পশ্চিমবঙ্গের ছবি (Hindus Under Attack)

    প্রথমেই দেখে নেওয়া যাক ভারতের ছবিটা। পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার জেলার মেখলিগঞ্জ থানার জামালদহ এলাকায় এক মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, দীর্ঘদিনের হুমকি ও ব্ল্যাকমেইলের পর ১৫ বছরের এক কিশোরী আত্মহত্যা করে। মৃতা শেফালি বর্মন, জামালদহের বাসিন্দা ও জামালদহ তুলসী দেবী উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রী। পরিবারের অভিযোগ, হুমায়ুন কবির মিঞা নিজের প্রকৃত পরিচয় গোপন করে সম্পর্ক গড়ে তোলে এবং সত্য প্রকাশ পাওয়ার পর বিচ্ছেদের জেরে শেফালিকে হুমকি দিতে থাকে (Hindus Under Attack)। দিল্লির পীরাগড়ি এলাকায় একটি পার্ক করা গাড়ির ভেতর তিন হিন্দুর মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় এক স্বঘোষিত মুসলিম তান্ত্রিককে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্তকারীদের অনুমান, উত্তরপ্রদেশ ও রাজস্থানে আরও পাঁচটি অনুরূপ মৃত্যুর সঙ্গে তার যোগ থাকতে পারে (Roundup Week)।

    কর্নাটকের ঘটনা

    কর্নাটকের শিবমোগা জেলার ভদ্রাবতীতে জোরপূর্বক খ্রিস্টধর্মে ধর্মান্তরের অভিযোগ উঠেছে। বি বিনয় নামে এক ব্যক্তির অভিযোগ, তাঁর স্ত্রী প্রিয়াথা আর খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করে তাঁকে ও তাঁদের দুই নাবালিকা কন্যাকে একই ধর্ম অনুসরণে চাপ দিচ্ছেন। পেপার টাউন থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। শুরু হয়েছে তদন্ত (Hindus Under Attack)। বিজয়পুরায় আর একটি ঘটনা সামনে আসে। নিশা চৌহান নামে এক তরুণী বাড়ি ছেড়ে ফিরে এসে পুলিশের সামনে জানান, তিনি তাঁর স্বামী মহম্মদ সেলিম সুতারের সঙ্গেই থাকবেন। গান্ধী চক থানার বাইরে তাঁর বাবা-মা কান্নায় ভেঙে পড়ে মেয়েকে বাড়ি ফেরার অনুরোধ করলেও তিনি রাজি হননি। কর্নাটকের গদাগ জেলার মুন্দারগি তালুকের শিংগাতালুর গ্রামের ঐতিহাসিক শ্রী রামালিঙ্গেশ্বর মন্দিরে মহাশিবরাত্রির সকালে মূর্তি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় স্থানীয় ভক্তদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ছড়ায় (Hindus Under Attack)।

    খবরে উত্তরপ্রদেশও

    উত্তরপ্রদেশের আমরোহায় মহাশিবরাত্রির প্রাক্কালে কানওয়ার যাত্রার শিবিরের কাছে সংঘর্ষে অন্তত পাঁচজন জখম হন, যার মধ্যে এক পুলিশ কনস্টেবলও রয়েছেন। অভিযোগ, মুসলিম যুবকেরা পাথর নিক্ষেপ করে। ২৯ জনের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হয়েছে (Roundup Week)। কংগ্রেস মুখপাত্র লক্ষ্মী রামচন্দ্রন তামিলনাড়ুর মন্ত্রী উদয়নিধি স্টালিনের সনাতন ধর্ম সম্পর্কিত বিতর্কিত মন্তব্যকে সমর্থন করে রাজনৈতিক বিতর্ক উসকে দেন।

    বাংলাদেশের ছবি

    এদিকে, বাংলাদেশেও হিন্দুদের ওপর আক্রমণ অব্যাহত। অভিযোগ, প্রাতিষ্ঠানিক নির্যাতনের ফলে ২০৫০ সালের মধ্যে সে দেশে হিন্দুরা বিলুপ্ত হতে পারে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল বরকতের এক গবেষণায় এমনই দাবি করা হয়েছে। মন্দির ভাঙচুর, জমি দখল, মিথ্যা ধর্মদ্রোহের অভিযোগে গণআক্রমণ, ধর্ষণ ও জোরপূর্বক ধর্মান্তর—এসবের মাধ্যমে হিন্দুদের দেশত্যাগে বাধ্য করা হচ্ছে বলে অভিযোগ (Hindus Under Attack)। নোয়াখালির হাতিয়া উপজেলার সোনাদিয়া ইউনিয়নে ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ৭২ ঘণ্টার মধ্যে একাধিক হিন্দু পরিবারের বাড়িতে হামলা, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনার প্রতিবাদে হয় মানববন্ধন (Roundup Week)।

    কালাপানি পারের দেশেও চলছে হিন্দু নির্যাতন

    কালাপানি পারের দেশেও চলছে হিন্দু নির্যাতন। পিটারবরো শহরের একমাত্র মন্দির ও কমিউনিটি সেন্টার বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে বলে ভারত হিন্দু সমাজের অভিযোগ। স্থানীয় কাউন্সিলের সিদ্ধান্তে জায়গাটি একটি ইসলামিক সংস্থাকে দেওয়া হতে পারে বলে আশঙ্কা। সম্প্রদায়ের সদস্যরা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হস্তক্ষেপ চেয়েছেন (Hindus Under Attack)। হিন্দু কানাডিয়ান ফাউন্ডেশন ব্রাম্পটনের মেয়র প্যাট্রিক ব্রাউন ও ন্যাশনাল পোস্টের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে যে কানাডায় তোলাবাজি সংক্রান্ত একটি নিবন্ধে হিন্দু ধর্মীয় চিত্র ব্যবহার করা হয়েছে, যা বিষয়টির সঙ্গে সম্পর্কহীন।

    লেখাটিতে বলা হয়েছে, অধিকাংশ ঘৃণাজনিত অপরাধের পেছনে হিন্দুবিরোধী পক্ষপাত ও কিছু ধর্মীয় ও রাজনৈতিক মতাদর্শ কাজ করে। ইসলামিক দেশগুলিতে প্রকাশ্য হিন্দুবিরোধী মনোভাবের পাশাপাশি তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রেও সূক্ষ্ম বৈষম্য বিদ্যমান বলে দাবি করা হয়েছে। উদাহরণ হিসেবে দীপাবলিতে আতশবাজি নিষেধাজ্ঞার প্রসঙ্গ (Roundup Week) তুলে ধরা হয়েছে, যেখানে দ্বৈত মানদণ্ডের অভিযোগ করা হয়েছে (Hindus Under Attack)।

     

  • Hindus Under Attack: দেশে-বিদেশ লাগাতর হিন্দু নির্যাতন অব্যাহত! বাংলাদেশের পরিস্থিতি কতটা খারাপ?

    Hindus Under Attack: দেশে-বিদেশ লাগাতর হিন্দু নির্যাতন অব্যাহত! বাংলাদেশের পরিস্থিতি কতটা খারাপ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত এবং বিদেশে হিন্দু ধর্মাবলম্বী ওপর লাগাতার আক্রমণের ঘটনা ঘটেই চলেছে। বিশ্বের অনেক অঞ্চলে, এই নিপীড়ন আমাদের চোখের সামনে ধীরে ধীরে গণহত্যার মতো প্রকাশ পাচ্ছে। কয়েক দশক ধরে বিশ্ব এই আক্রমণগুলি উপেক্ষা করে আসছে। অথচ হিন্দু-বিরোধী (Hindu Dharma) ধর্মান্ধতার কারণে খুন, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, উৎসবে আক্রমণ, মন্দির ও মূর্তি অপবিত্রকরণ, ঘৃণ্য বক্তব্য এবং যৌন সহিংসতা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য পর্যন্ত, হিন্দুরা (Hindus Under Attack) তাদের অস্তিত্বের উপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণের শিকার হয়েই চলছে। ২৫ জানুয়ারি থেকে ৩১ জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত সময়ের মধ্যে কোথায় কোথায় আক্রমণ হয়েছে আসুন এক নজরে দেখে নিই।

    কোচবিহারে হিন্দু নির্যাতন (Hindus Under Attack)

    স্থানীয় ক্ষোভ ও বিক্ষোভের কারণে একটি উদ্বেগজনক ঘটনা ঘটেছে কোচবিহার জেলার মেখলিগঞ্জের জামালদহ এলাকায়। মাত্র ১১ বছর বয়সী এক হিন্দু মেয়েকে (Hindus Under Attack) ধর্ষণের অভিযোগে ৬৩ বছর বয়সী এক বৃদ্ধকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এনামুল মিঞা নামে এক অভিযুক্ত ব্যক্তি হামলা চালানোর আগে ধারালো অস্ত্র দিয়ে নাবালিকা হিন্দু মেয়েটিকে মারার হুমকি দিয়েছিল বলে জানা গেছে।

    দক্ষিণ ভারতে অবমাননা

    শবরীমালা সোনা চুরি মামলায় অর্থ পাচারের অভিযোগের তদন্তের অংশ হিসেবে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) কেরালা, কর্ণাটক এবং তামিলনাড়ু জুড়ে ব্যাপক তল্লাশি শুরু করেছে। দেবস্বম বোর্ডের প্রাক্তন প্রধান এবং সিপিআইএম নেতার সম্পত্তি সহ ২১টি স্থানে ইডি তল্লাশি চালিয়েছে।

    পালাক্কাদে সাম্প্রতিক প্রতিবাদ মিছিলের দৃশ্যগুলি প্রতিবাদের আচরণ এবং সাংস্কৃতিক সংবেদনশীলতা নিয়ে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে যখন একটি স্কুল হোস্টেলে একজন ছাত্রের মৃত্যুর পর এই বিক্ষোভটি হয়েছিল। এই প্রতিবাদটি স্টুডেন্টস ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়া (SFI) দ্বারা সংগঠিত হয়েছিল। রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (RSS) এর সঙ্গে যুক্ত একটি সংগঠন পালাক্কাদের স্কুল পরিচালিত হতো। প্রতিবাদের সময়, ওম প্রতীক যুক্ত হিন্দু আস্থার (Hindus Under Attack) উপরে চরম আঘাত হানে বামপন্থীরা।

    ছত্তিশগড়ে লাভ জিহাদ

    ছত্তিশগড়ের সুরগুজা জেলার পুলিশ বিহারের পাটনার বাসিন্দা মোহাম্মদ মাহফুজকে গ্রেফতার করেছে। যিনি জনজাতি মহিলাদের প্রতারণা ও শোষণের জন্য হিন্দু পুরুষ (Hindu Dharma)  সেজেছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। ভুয়া সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইল এবং রেলওয়ে অফিসার হওয়ার মিথ্যা পরিচয়ের অভিযোগ রয়েছে। হিন্দু মেয়েদের লক্ষ্য করে প্রতারণামূলক সম্পর্কের বিষয়ে চলমান উদ্বেগকে তুলে ধরা হয়েছে। এটা সম্পূর্ণ ভাবে লাভ জিহাদের ঘটনা।

    কাশ্মীরে হামলার ছক

    উত্তরপ্রদেশ সন্ত্রাসবিরোধী স্কোয়াড (ATS) এবং জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ সন্দেহভাজন ইসলামী সন্ত্রাসী মোহাম্মদ উজাইদ কুরেশিকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান শুরু করেছে। সন্দেহভাজন ব্যক্তি মিরাটের বাসিন্দা এবং আল-কায়েদা দ্বারা অনুপ্রাণিত একটি সন্ত্রাসী নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত বলে অভিযোগ রয়েছে। তদন্তকারীরা একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ আবিষ্কার করেছেন যেখানে ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনীর উপর ফেদায়িন (আত্মঘাতী) হামলার অভিযোগ মিলছে।

    হরিয়ানায় ছক

    গুরুগ্রামের রাজীব নগর এলাকা থেকে লাভ জিহাদের মতো একটি মর্মান্তিক ঘটনা সামনে এসেছে। বিহারের এক হিন্দু মহিলা (Hindu Dharma) দাবি করেছেন, “এক ব্যক্তি মন্দিরের অনুষ্ঠানে তাকে বিয়ে করার জন্য তার মুসলিম পরিচয় গোপন করেছিলেন, পরে তাকে আক্রমণ করেছিল। ইসলামে ধর্মান্তরিত করার দাবি করেছিলেন। অভিযুক্তের নাম আরিফ খান, যিনি ভিকটিমকে প্রতারণা করার জন্য আরভের পরিচয় দিয়েছিলেন।

    মাদিকেরি গ্রামীণ পুলিশ নাপোকলু গ্রামের ২১ বছর বয়সী এক কলেজ ছাত্রকে একাধিক মহিলার সাথে যৌন কার্যকলাপে লিপ্ত হওয়ার, তার মোবাইল ফোনে সেই কার্যকলাপ রেকর্ড করার এবং ভিডিওগুলি সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার করেছে । অভিযুক্ত ব্যক্তি বেঙ্গালুরুর একটি কলেজে অধ্যয়নরত একজন বিবিএ ছাত্র, পুলিশ নিশ্চিত করেছে।

    বাংলাদেশ

    বাংলাদেশে হিন্দুদের (Hindus Under Attack) উপর আক্রমণ অব্যাহত এবং ধীরে ধীরে দেশ থেকে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নির্মূল করার লক্ষ্যে পরিচালিত হচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল বারাকাত-এর এক গবেষণায় দেখা গেছে, পদ্ধতিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক নির্যাতনের কারণে ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে কোনও হিন্দু অবশিষ্ট থাকবে না। মন্দির অপবিত্রকরণ, জমি দখল, মিথ্যা ধর্ম (Hindu Dharma) অবমাননার অভিযোগের পর জনতার আক্রমণ, নারীদের ধর্ষণ, জোরপূর্বক ধর্মান্তরকরণ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্য হিন্দুদের ভয় দেখানো এবং তাড়িয়ে দেওয়ার হাতিয়ার।

    বাংলাদেশে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়ে দেওয়া এক মর্মান্তিক ঘটনায়, ২৩ বছর বয়সী এক হিন্দু মেকানিককে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে, যেখানে তিনি ঘুমাচ্ছিলেন এমন সময়েই আগুন দেওয়া হয়। চঞ্চল চন্দ্র ভৌমিক নামে পরিচিত ওই যুবক তাঁর পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ছিলেন এবং নরসিংদী শহরের একটি স্থানীয় গাড়ি মেরামতের কারখানায় কাজ করতেন।

  • Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু নির্যাতন! এই সপ্তাহে কোথায় কোথায় অত্যাচার?

    Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু নির্যাতন! এই সপ্তাহে কোথায় কোথায় অত্যাচার?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত এবং ভারতের বাইরে বিদেশে হিন্দু ধর্মের (Hindus Under Attack) উপর আক্রমণ অবিরাম গতিতে হয়ে চলছে। আমাদের চোখের সামনেই বিশ্বের অনেক অঞ্চলে হিন্দু ধর্মের নিপীড়ন ধীরে ধীরে গণহত্যার মতো প্রকাশ পাচ্ছে। কয়েক দশক ধরে আন্তর্জাতিক বিশ্ব এই ধারাবাহিক আক্রমণগুলিকে উপেক্ষা করে আসছে। হিন্দু-বিরোধী ধর্মান্ধতা (Hindu Dharma) এবং কট্টরপন্থীদের দৌরাত্ম্য ব্যাপক আকার রূপ নিয়েছে। হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর খুন, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, উৎসবে আক্রমণ, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণ্য বক্তব্য এবং যৌন হেনস্থার মতো নানা ঘটনা ঘটে চলছে। প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্যের মতো নানা ঘটনায় হিন্দুরা নিজেদের অস্তিত্বের উপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণের সম্মুখীন হচ্ছে। সম্প্রতি বাংলাদেশে ইসালাম বিরোধী গুজব রটিয়ে বাংলাদেশের এক হিন্দু যুবককে নির্মম ভাবে জীবন্ত পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে।

    চলতি মাসে ১৪ ডিসেম্বর থেকে ২০ ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত সময়ের জন্য এই সাপ্তাহিক সারসংক্ষেপ এখানে তুলে দেওয়ার চেষ্টা করব। বিশ্বজুড়ে মানবাধিকার সংকট কতটা ভয়াবহরূপ ধারণ করছে এই আলোচনায় উল্লেখ করা হয়েছে।

    দক্ষিণ ভারতে হিন্দু নির্যাতন (Hindus Under Attack)

    হাসান জেলার সাকলেশপুর তালুকের বেলাগোডু হোবলির চিক্কানায়াকানাহল্লি গ্রামে সরকারি ষড়যন্ত্রে জমি দখলের একটি উদ্বেগজনক ঘটনা সামনে এসেছে। শেখ মোহাম্মদ জাল রেকর্ডের মাধ্যমে সিদ্দাম্মা নামে এক তফসিলি জাতির মহিলার সঙ্গে প্রতারণার ঘটনা সামনে এসেছে। তাঁকে জীবিত অবস্থায় মৃত ঘোষণা করে তাঁর জমি বেআইনিভাবে নিজের নামে হস্তান্তর করেছে দুর্বৃত্তরা।

    তিরুপতির শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে হিন্দুদের (Hindus Under Attack) লক্ষ্য করে খ্রিস্টান ধর্মপ্রচারের ঘটনায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ইতিমধ্যে দুটি হাই-প্রোফাইল মামলা হয়েছে। তিরুমালা মন্দিরের কাছাকাছি সরকারি কলেজগুলিতে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী সদস্যদের দ্বারা ধর্মান্তরিত করার অভিযোগ প্রকাশ্যে এসেছে। শ্রীভেঙ্কটেশ্বর সরকারি পলিটেকনিক কলেজের শিক্ষক প্রভাষক মাধবী এবং শ্রী ভেঙ্কটেশ্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক চ চাঙ্গাইয়া যীশু খ্রিস্টের প্রচারের জন্য শ্রেণীকক্ষকে রীতিমতো ব্যবহার করার অভিযোগ ব্যাপক ভাবে শোরগোল ফেলেছে। হিন্দু ছাত্রদের ধর্মান্তরের (Hindu Dharma) কৌশল থেকে রক্ষা করার জন্য দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হিন্দু গোষ্ঠীগুলি ব্যাপক ভাবে প্রতিবাদ জানিয়েছে।

    মহারাষ্ট্রে হিন্দু নির্যাতন

    মহারাষ্ট্রের নান্দেরে একজন নিবেদিতপ্রাণ হিন্দু (Hindus Under Attack) কর্মী হর্ষ ঠাকুর বছরের পর বছর ধরে অবিরাম নির্যাতন সহ্য করেছেন। তিনি নিজে অনলাইনে ভয়াবহ বর্বর শারীরিক অত্যাচারের কথা তুলে ধরেছেন। আবার রূপেশ দুবে মুম্বাইয়ের মীরা-ভায়ন্দর এলাকার একজন সুপরিচিত ব্যক্তি। হিন্দু (Hindu Dharma) অধিকারের পক্ষে দাঁড়ানোর জন্য তিনি এখন ভীম-মিম জোটের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছেন। একটি প্রতিবেদন থেকে জানা গিয়েছে পুলিশের একটি অংশ ভীম-মিম জোটের পক্ষে কাজ করছে। ইচ্ছাকৃত ভাবে রূপেশের মতো সমাজকর্মীদের হেনস্থা করা হচ্ছে।

    এই রাজ্যে বেআইনি ধর্মান্তরকরণ এবং ইসলামি কট্টর মৌলবাদী কর্তৃত্বের সংগঠিত আরেকটি মামলায় পুলিশ একজন জাহাদি ধর্মগুরু মৌলভীকে গ্রেফতার করেছে। তিনি গ্রামের এক মহিলাকে প্রলোভন দেখিয়ে জোরপূর্বক ধর্মান্তরিত করে বিয়ে করার মতো অভিযোগে অভিযুক্ত। পুলিশের তদন্তে জানা গিয়েছে, জব্বার ওরফে হাফিজ ওরফে মৌলভী কেবল ধর্মান্তরকরণ নয়, তার বাইরে গিয়ে সরাসরি অবৈধ বিবাহকে সহজ করতে বিশেষ ভূমিকা পালন করেছিলেন। ইতিমধ্যে তাঁর নামেও একটি মামলায় দায়ের করা হয়েছে।

    হরিয়ানা-কর্নাটকে আক্রমণ

    হরিয়ানার যমুনানগরে জাতীয় মহাসড়কের বাহাদুরপুর গ্রামের কাছে একটি জনপ্রিয় নার্সারিতে ২৫ বছর বয়সী এক হিন্দু মহিলার (Hindus Under Attack) মাথাবিহীন এবং অর্ধ-উলঙ্গ দেহ উদ্ধার হয়েছে। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড পুরো অঞ্চলকে হতবাক করে দিয়েছে। উত্তর প্রদেশের সাহারানপুরের বাসিন্দা উমা নামে ওই মহিলা ১৩ বছর বয়সী এক ছেলের মাও ছিলেন। তবে নিজে খুনির সঙ্গে দুই বছরের লিভ-ইন সম্পর্কের মধ্যে ছিলেন। স্বামী এবং পরিবার অনেক আগেই ত্যাগ করেছিলেন। পুলিশ অবশ্য জানিয়েছে, সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং অভিযুক্তের অন্য মহিলার সঙ্গে আসন্ন বিবাহের কারণে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটেছে।

    স্কুলছাত্রীদের যৌন হয়রানির অভিযোগে কর্ণাটকের হাভেরি জেলায় এক উদ্বেগজনক ঘটনা ঘটেছে। প্রাতিষ্ঠানিক সুরক্ষা ব্যবস্থা ব্যর্থ হলে শিশুদের সুরক্ষায় স্থানীয় মানুষের সচেতন ভূমিকা তুলে ধরার দৃষ্টান্ত পাওয়া গিয়েছে। একটি প্রতিবেদন অনুসারে জানা গিয়েছে, সাভানুর শহরে, নাবালিকা মেয়েদের বারবার হয়রানির অভিযোগে অভিযুক্ত একজন সরকারি উর্দু উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে ব্যাপক বিক্ষোভের ঘটনা ঘটেছে। এলাকার সকল বাসিন্দারা নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন, সাহস দেন। এরপর ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

    পশ্চিমবঙ্গের কুলপি বিধানসভা কেন্দ্রের রামকৃষ্ণপুর এলাকায় সিঙ্গির হাট মোড়ের কাছে বজরঙ্গবলী মন্দিরে শ্রী বজরঙ্গবলীর মূর্তির শিরোচ্ছেদ করার অভিযোগে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছিল। সেই সঙ্গে আক্রমণ করে মন্দিরের আরতির সরঞ্জাম এবং সাউন্ড সিস্টেমও ভাঙচুর করা হয়।

    বাংলাদেশে নির্যাতন

    বাংলাদেশে হিন্দুদের (Hindus Under Attack) উপর আক্রমণ অব্যাহত। ধীরে ধীরে দেশ থেকে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নির্মূল করার লক্ষ্যে পরিচালিত হচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল বারাকাত-এর এক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, পদ্ধতিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক নির্যাতনের কারণে ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে কোনও হিন্দু অবশিষ্ট থাকবে না। মন্দির ভাঙচুর, জমি দখল, মিথ্যা ধর্ম অবমাননার অভিযোগের পর হিন্দু নির্যাতন, নারীদের ধর্ষণ, জোরপূর্বক ধর্মান্তরকরণ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্য হিন্দুদের ভয় দেখানোর মতো অজস্র ঘটনা ওই দেশে হিন্দুদের নির্মূল করার পক্ষে ঘটনা।

    ইসলাম ধর্ম অবমাননার মিথ্যা অভিযোগে ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা উপজেলায় এক হিন্দু (Hindus Under Attack) যুবককে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করা হয় এবং পরে তাঁর দেহকে গাছে ঝুলিয়ে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার মন্তব্য ছিল ভুয়ো। পরিকল্পনা করে খুন করা হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা অভিযোগ করে জানিয়েছেন, হত্যার আগে যুবককে লাঠি ও রড দিয়ে নির্মমভাবে আঘাত করা হয়েছে। আক্রমণকারীরা প্রমাণ মুছতে এবং ভয় সৃষ্টি করার জন্য দেহে আগুন ধরিয়ে দেয়।

    হিন্দু-বিরোধী মনোভাবের আরও সূক্ষ্ম রূপ

    বেশিরভাগ ঘৃণামূলক অপরাধই ঘটে হিন্দু-বিরোধী (Hindu Dharma) গোঁড়ামির কারণে। কট্টর মৌলবাদীদের নির্দিষ্ট ধর্মীয় শিক্ষা এবং রাজনৈতিক মতাদর্শের মধ্যে লুকিয়ে আছে এই বিদ্বেষের বীজ। পার্শ্ববর্তী ইসলামিক দেশগুলিতে হিন্দু-বিরোধী ঘৃণা স্পষ্ট। আবার ভারতের মতো আপাতদৃষ্টিতে ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রগুলির প্রতিষ্ঠান এবং জনসাধারণের মধ্যেও হিন্দু-বিরোধী মনোভাবের আরও সূক্ষ্ম রূপ রয়েছে। সরকারি ব্যবস্থার আড়ালে ঘৃণামূলক অপরাধের প্রবণতা অনেক বেশি। প্রচলিত আইন এবং অভিযোগকে সূক্ষ্ম ভাবে বিচার না করলে হামলার মানসিকতা বোঝা সম্ভব নয়।

    আমরা সকল পাঠকদের অনুরোধ করছি যে, এই সময়ে আমরা যেসব হিন্দু-বিরোধী ঘৃণামূলক অপরাধের ঘটনাগুলিক উল্লেখ করতে পারিনি তাঁরা আমাদের কমেন্ট সেকশেনে গিয়ে মতামত এবং ঘটনার কথা উল্লেখ করুন। হিন্দু মানবাধিকার রক্ষায় আমরা সকলেই এক।

  • Mohan Bhagwat: “আরএসএস নীতিকে সমর্থন করে, কোনও ব্যক্তি বা রাজনৈতিক দলকে নয়”, সাফ জানালেন ভাগবত

    Mohan Bhagwat: “আরএসএস নীতিকে সমর্থন করে, কোনও ব্যক্তি বা রাজনৈতিক দলকে নয়”, সাফ জানালেন ভাগবত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আরএসএস (RSS) নীতিকে সমর্থন করে, কোনও ব্যক্তি বা রাজনৈতিক দলকে নয়”। এমনই মন্তব্য করলেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। তিনি বলেন, “কংগ্রেস যদি অযোধ্যায় রামমন্দিরের দাবি সমর্থন করত, তাহলে আরএসএস কর্মীরা কংগ্রেসকেই সমর্থন করতেন।”

    কী বললেন সরসংঘচালক (Mohan Bhagwat)

    সরসংঘচালক বলেন, “আমরা কোনও রাজনৈতিক দলকে সমর্থন করি না। আমরা নির্বাচনী রাজনীতিতে অংশ নিই না। সংঘ সমাজকে একত্রিত করার কাজ করে, আর রাজনীতি সমাজকে বিভক্ত করে। আমরা ব্যক্তি বা দলের নয়, নীতির সমর্থক। উদাহরণ হিসেবে বলতে পারি, আমরা অযোধ্যায় রামমন্দির চেয়েছিলাম। তাই আমাদের স্বয়ংসেবকেরা তাঁদের ভোট দিয়েছেন যাঁরা মন্দির নির্মাণের পক্ষে ছিলেন।” তিনি জানান, বিজেপি সেই দাবি মেনে নিয়েছিল। এর পরেই সংঘ প্রধান বলেন, “কংগ্রেস যদি সমর্থন করত, তাহলে আমাদের স্বয়ংসেবকেরা কংগ্রেসকেই ভোট দিতেন।” তিনি বলেন, “আমাদের কোনও একটি নির্দিষ্ট দলের প্রতি বিশেষ অনুরাগ নেই। সংঘের কোনও দল নেই, কোনও দলও আমাদের নয়। আবার সব দলই আমাদের, কারণ তারা ভারতীয় দল। আমরা ‘রাষ্ট্রনীতি’কে সমর্থন করি, ‘রাজনীতি’কে নয়। আমাদের নিজস্ব মত আছে এবং আমরা চাই দেশ একটি নির্দিষ্ট পথে এগিয়ে যাক। যে দল দেশকে সেই পথে নিয়ে যাবে, আমরা তাদেরই সমর্থন করব।”

    আরএসএসে মুসলমানরা

    মুসলমানরা আরএসএসে যোগ দিতে পারেন কি না, এই প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে ভাগবত (Mohan Bhagwat) বলেন, “সংঘে কোনও ব্রাহ্মণকে আলাদা করে অনুমতি দেওয়া হয় না, কোনও জাতির মানুষকে আলাদা করে অনুমতি দেওয়া হয় না, কোনও মুসলিমকে আলাদা অনুমতি দেওয়া হয় না, কোনও খ্রিস্টানকেও নয়। বিভিন্ন ধর্মমতের মানুষ, সে তিনি মুসলিমই হোন বা খ্রিস্টান, সংঘে আসতে পারেন, যদি তাঁরা তাঁদের ধর্মীয় পরিচয় সরিয়ে রেখে আসেন। শাখায় আসার সময় সবাইকে ভারত মায়ের সন্তান হিসেবেই আসতে হয়। মুসলিম ও খ্রিস্টানরা শাখায় আসেন, কিন্তু আমরা তাঁদের গণনা করি না (RSS)। আমরা কখনওই জিজ্ঞেস করি না তাঁরা কোন ধর্মের (Mohan Bhagwat)।”

  • Attacks on Hindus: হিন্দু নির্যাতনের ঘটনা বেড়েই চলেছে ভারত-বাংলাদেশে, বলছে রিপোর্ট

    Attacks on Hindus: হিন্দু নির্যাতনের ঘটনা বেড়েই চলেছে ভারত-বাংলাদেশে, বলছে রিপোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় উপমহাদেশে হিন্দুদের ওপর আক্রমণ বেড়েই চলেছে। এর মধ্যে রয়েছে খুন, জোরপূর্বক ধর্মান্তকরণ, জমি দখল, হিন্দু উৎসব গুলিতে আক্রমণ, মন্দির ভাঙচুর (Attacks on Hindus)। এমনটাই দাবি হিন্দু পোস্ট পত্রিকার। তাদের প্রতিবেদনে গত ২৫ মে থেকে ১ জুন ২০২৫ পর্যন্ত বিভিন্ন হিন্দু নির্যাতনের ঘটনা তুলে ধরা হয়েছে।

    হিন্দু পোস্ট পত্রিকায় প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, ভারত এবং বাংলাদেশে যে হিন্দুদের উপর আক্রমণের একটি সংক্ষিপ্ত বিবরণ নিচে দেওয়া হল-

    ভারতে ঘটা ঘটনা (Attacks on Hindus)

    অজ্ঞাত পরিচয় দুষ্কৃতীরা পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনার জেলার হালিশহরে একটি হিন্দু মন্দিরের আক্রমণ চালায় এবং শিবলিঙ্গ ভাঙচুর করে বলে অভিযোগ।

    পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার জেলাতে এক হিন্দু মেয়েকে অপহরণ করে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় বাপ্পা মিয়ার নামে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    গুজরাটের জামনগর থেকে যৌন নির্যাতনের একটি ঘটনা সামনে এসেছে। এখানে আম-আদমি পার্টির সক্রিয় কর্মী মহম্মদ আক্রামকে গ্রেফতার করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, সে বিয়ের মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে এক হিন্দু মহিলাকে ধর্ষণ করে ও ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করতে বাধ্য করে।

    শনিবার ২৪ মে অন্ধপ্রদেশের কাডাপা জেলায় রহমত উল্লাহ নামে এক ধর্ষণে অভিযুক্ত ব্যক্তির বাড়ি ভাঙচুর করে উত্তেজিত জনতা। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ যে তিন বছর বয়সি এক দলিত মেয়েকে ধর্ষণ করে সে।

    উত্তরপ্রদেশে জোর জবরদস্তি করে ইসলামিক ধর্মীয় রীতিনীতি মানতে বাধ্য করা হয় এক ব্যক্তিকে। এর পাশাপাশি তার হিন্দু পরিচয় (Attacks on Hindus) সম্পূর্ণ রূপে ত্যাগ করার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন কুলদীপ কুমার। তিনি পেশায় একজন টোটো চালক। জানা গিয়েছে, ২০২৩ সালেই তিনি আলফিয়া নামে একজন মুসলিম মহিলাকে বিয়ে করেন। কিন্তু তারপর থেকে শ্বশুরবাড়ির লোকেরা তাঁকে মুসলিম ধর্ম গ্রহণের জন্য চাপ দিতে থাকে। ২০২৫ সালেই তাঁর নাম রশিদ রাখতে বাধ্য করে তারা।

    মধ্যপ্রদেশের বালুদা নামের একটি গ্রামে পাকিস্তানের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তি এবং হিন্দু মহিলাকে যৌন নির্যাতনের জন্য সে রাজ্যের পুলিশ মোবারক মন্ত্রী নামে একজনকে গ্রেফতার করে।

    অন্যদিকে একই চিত্র ধরা পড়ছে পার্শ্ববর্তী বাংলাদেশেও

    সম্প্রতি, মানিকগঞ্জ জেলায় একটি মন্দিরকে ভাঙচুর করে উগ্র মৌলবাদীরা। অভিযোগ দেবদেবীর মূর্তিও জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। মানিকগঞ্জ জেলার গড়পাড়া ইউনিয়নে অবস্থিত মন্দিরটি। বাংলাদেশের গবেষক আবুল বারাকত জানাচ্ছেন, যে ধরনের অত্যাচার শুরু হয়েছে হিন্দুদের ওপর তাতে ২০৫০ সালের মধ্যে, বাংলাদেশ আর কোনও হিন্দু থাকবে না (Hindu Dharma)।

LinkedIn
Share