Tag: hindu student

  • Bangladesh: বাংলাদেশে এবার দুই মেধাবি পড়ুয়ার খুন, ইউনূসের রাজত্বে আর কত হিন্দু মায়ের কোল হবে খালি?

    Bangladesh: বাংলাদেশে এবার দুই মেধাবি পড়ুয়ার খুন, ইউনূসের রাজত্বে আর কত হিন্দু মায়ের কোল হবে খালি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের বাংলাদেশে (Bangladesh) দুই মেধাবি হিন্দু (Hindu Student) পড়ুয়ার রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। একজনের মৃতদেহ সাতদিন ধরে নিখোঁজ থাকার পর নদীতে উদ্ধার হয়েছে। দ্বিতীয় জনের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেস থেকে। দুই ক্ষেত্রে হত্যা করে আত্মহত্যা বা দুর্ঘটনার শিকার বলে উল্লেখ করার চেষ্টা হয়েছে। তবে অভিযোগের তির কট্টর মৌলবাদী সংগঠনের দিকেই। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে সাধারণ নির্বাচন তাই নির্বাচনের আগে সংখ্যা লঘু হিন্দুদের টার্গেট করে ভয় ভীতির পরিবেশ গড়তে চাইছে।

    কালীতলা শ্মশানের কাছে উদ্ধার দেহ (Bangladesh)

    শনিবার বাংলাদেশের নওগাঁ জেলার একটি নদী থেকে নিখোঁজ এক কলেজ ছাত্রের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওইদিন বিকেলে নওগাঁ শহরের কালীতলা শ্মশানের কাছে একটি নদীতে মৃতদেহটি পাওয়া যায়। প্রাথমিকভাবে নিহতের পরিচয় নিশ্চিত করা যায়নি। পরে মৃতদেহটি অভির নামে শনাক্ত করা হয়। এই ছাত্র জেলার একটি সরকারি কলেজের ব্যবস্থাপনা (ম্যানেজমেন্ট) বিভাগের ছাত্র। অনার্স ডিগ্রির চতুর্থ বর্ষের ছাত্র ছিল।

    সোশ্যাল মিডিয়ায় খবর ছড়িয়ে পড়ে

    নিহতের পরিবার জানিয়েছে, ১১ জানুয়ারী ঝগড়ার পর বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর সে নিখোঁজ হয়ে যায়। মৃতদেহটি পাওয়া যাওয়ার পর, সোশ্যাল মিডিয়ায় খবরটি ছড়িয়ে পড়ে, যার ফলে অভির পরিবার খোঁজ করতে করতে নদীর তীরে ছুটে যায়। পরিবারের সদস্যরা বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় তার পরা পোশাক দেখে মৃতদেহটি শনাক্ত করে। তবে মৃত্যুর কারণ এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। অভি বগুড়া (Bangladesh) জেলার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহারের বাসিন্দা রমেশ চন্দ্রের ছেলে। নওগাঁ সদর থানার ওসি নিয়ামুল ইসলাম বলেন, “মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।”

    মেসে উদ্ধার মৃত দেহ!

    অন্যদিকে, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন মেধাবি হিন্দু ছাত্রের রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় দেশজুড়ে নতুন করে আতঙ্ক তৈরি করেছে। যদিও কর্তৃপক্ষ দাবি করছে এই ঘটনার পেছনে কোনও সাম্প্রদায়িক কারণ নেই, কিন্তু হিন্দু সংখ্যালঘুদের ওপর একের পর এক হামলার ঘটনায় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। ২১ জানুয়ারি রাতে ঢাকার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (Bangladesh) থিয়েটার বিভাগের ছাত্র আকাশ সরকারের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি ফরিদপুর জেলার বাসিন্দা ছিলেন। ১৮ জানুয়ারি পুরাতন ঢাকার একটি মেস থেকে তার ঝুলন্ত মৃতদেহ (Hindu Student) উদ্ধার করা হয় বলে পুলিশ জানালেও, সামাজিক মাধ্যমে এবং স্থানীয় স্তরে অভিযোগ উঠেছে যে এটি একটি সুপরিকল্পিত হত্যা। কট্টর মৌলবাদীরা তার ওপর বর্বরতা চালিয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

    প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এই ধরনের ঘটনাগুলোকে ‘অসাম্প্রদায়িক’ বা সাধারণ অপরাধ হিসেবে গণ্য করছে। সরকারি তথ্যমতে, ২০২৫ সালে সংখ্যালঘুদের ওপর ঘটা ৬৪৫টি ঘটনার মধ্যে মাত্র ৭১টিকে সাম্প্রদায়িক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। তবে মানবাধিকার সংগঠনগুলো এই পরিসংখ্যান মানতে নারাজ।

    বাংলাদেশে লাগাতার হিংসা অভ্যাহত

    বাংলাদেশের (Bangladesh) বিভিন্ন জেলায় সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে ক্রমবর্ধমান হিংসা এবং খুনের ঘটনা ঘটেই চলছে। ধারাবাহিক এই হিংসাত্মক হামলায় বাংলাদেশজুড়ে কমপক্ষে ১৭ জন নিহত হয়েছেন। এখনও পর্যন্ত ১৪টি মামলা দায়ের করা হয়েছে, ২১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, এবং চারটি মামলায় এখনও কোনও গ্রেফতার হয়নি। বেশ কয়েকটি হত্যার ঘটনা ঘটেছে উন্মত্ত জনতার সম্মিলিত আক্রমণে। তার সবচেয়ে নৃশংস ঘটনার মধ্যে রয়েছে দীপু চন্দ্র দাসকে হত্যা, যাঁকে ময়মনসিংহে পিটিয়ে হত্যা করে প্রকাশ্যে আগুন দিয়ে দেওয়া হয়েছিল। খোকন চন্দ্র দাসের ওপর পেট্রোল ঢেলে পুড়িয়ে মারার চেষ্টা হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃতু হয় তাঁর।  যশোরে সাংবাদিক ও ব্যবসায়ী রানা প্রতাপ বৈরাগীকে হত্যা করা হয়, যার মধ্যে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্যদিকে নরসিংদীতে শরৎ মণি চক্রবর্তীকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে, যার ফলে চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রণোদনা কর্মকার নামে একজন জুয়েলারিকে তার বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে গুলি করে হত্যা করা হয়। ফরিদপুরে মাছ ব্যবসায়ী উৎপল সরকারকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে, এবং তিনজন সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ হেফাজতে প্রলয় চাকিকেও নির্মম ভাবে হত্যা করা হয়।

    জানুয়ারিতেই লাগাতার হত্যাকাণ্ড

    রাজবাড়ীতে রিপন সাহা নামে এক হিন্দু পেট্রোল পাম্প কর্মীকে এসইউভি দিয়ে পিষে হত্যা করা। সিলেটে হিন্দু শিক্ষক বীরেন্দ্র কুমারের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ। পাবনায় পুলিশ হেফাজতে হিন্দু সংগীতশিল্পী প্রলয় চাকীর মৃত্যু। চট্টগ্রামে সমীর কুমার দাস নামে এক অটোচালকের ওপর গণপিটুনি ও ছুরিকাঘাত। বাংলাদেশ (Bangladesh) হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের মতে, গত ছয় সপ্তাহে অন্তত এক ডজন হিন্দু হত্যার শিকার হয়েছেন। ভারত সরকারও বাংলাদেশে হিন্দুদের ক্রমবর্ধমান নিরাপত্তাহীনতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং সংখ্যালঘুদের সুরক্ষায় কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

  • Bipin Joshi: খোঁজ নেই হামাসের হাতে বন্দি নেপালি শিক্ষার্থীর, হিন্দুরা নীরব কেন?

    Bipin Joshi: খোঁজ নেই হামাসের হাতে বন্দি নেপালি শিক্ষার্থীর, হিন্দুরা নীরব কেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুকে এক রাশ স্বপ্ন নিয়ে নেপাল থেকে ইজরায়েলে গিয়েছিলেন নেপালের হিন্দু তরুণ শিক্ষার্থী বিপিন জোশী (Bipin Joshi)। তিনি গিয়েছিলেন ইজরায়েলে উন্নত কৃষি প্রযুক্তির তালিম নিতে। গত অক্টোবরে হামাস (Hamas) জঙ্গিরা হামলা চালায় কিবুটজে। হামাসের গুলি বর্ষণের মধ্যে পড়ে গিয়েছিলেন ১৭ জন নেপালি হিন্দু ছাত্র। তাঁদের মধ্যে ১০জনকেই সেখানে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। বাকিরা প্রাণভিক্ষে করেছিলেন। সেই দলে ছিলেন বিপিনও। জঙ্গিরা তাঁকে হিড়হিড় করে টানতে টানতে নিয়ে গিয়েছিল তাদের ডেরার। নভেম্বরে প্রকাশিত এক ভয়ঙ্কর ভিডিওতে দেখা যায়, অপহরণকারীরা গাজার শিফা হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছে বিপিনকে। তার পর থেকে আর কোনও খোঁজ নেই নেপালি এই হিন্দু পড়ুয়ার।

    অদ্ভূতভাবে নীরব হয়ে রয়েছে ভারত (Bipin Joshi)

    বিপিনের মতো হামাসের হাতে বন্দিদের মুক্তির দাবিতে সোচ্চার হয়েছে তামাম বিশ্ব। হলুদ ফিতে পরে জানিয়েছে সমবেদনা। অথচ বিপিন হিন্দু হওয়া সত্ত্বেও অদ্ভূতভাবে নীরব হয়ে রয়েছে ভারত। যখন ইহুদি শিল্পীরা মহাদেশজুড়ে বন্দিদের জন্য ক্যাম্পেন চালাচ্ছেন, তখন ভারতের শিল্পী, চলচ্চিত্র তারকা এবং তথাকথিত মানবাধিকার কর্মীরা। এখানেই উঠেছে মোক্ষম প্রশ্নটি। বিপিন যদি ভারত কিংবা নেপালের একজন মুসলিম যুবক হতেন, তবে কি একই রকম প্রতিক্রিয়া হত? জেএনইউ থেকে গেটওয়ে অফ ইন্ডিয়া পর্যন্ত কি মোমবাতি মিছিল হত না? গলা ফাটাতেন না মানবাধিকার কর্মীরা? এখন তাঁরা কোথায় গেলেন? কিন্তু বিপিন হিন্দু হওয়ায় তাঁকে নিয়ে মাথাব্যথা নেই তথাকথিত এলিট শ্রেণির।

    বিপিনের ঘটনা কোনও একক ট্র্যাজেডি নয়

    নয়াদিল্লির প্যালেস্তাইন দূতাবাসের সামনে কোনও প্রতিবাদ নেই, নেই কোনও আন্তর্জাতিক ক্ষোভও (Bipin Joshi)। মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র বলতেন, “যে কোনও জায়গার অবিচার মানেই সর্বত্র অবিচার।” তবে একজন হিন্দু যখন ইসলামি জেহাদি সন্ত্রাসের শিকার হয়, তখন কেন এই সত্য প্রযোজ্য হয় না? বিপিনের ঘটনা কোনও একক ট্র্যাজেডি নয়, এটা আমাদের সকলের সামনে ধরা একটি আয়না (Hamas)। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে সনাতন ধর্ম অসংখ্য আক্রমণের মুখোমুখি হয়েছে, তবুও আমাদের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা শত্রুর তলোয়ার নয়, বরং হিন্দুর হিরন্ময় নীরবতা। তাই একজোট হতে হবে হিন্দুদের। বিশ্বের প্রতিটি প্রান্তে আওয়াজ তুলতে হবে ‘বিপিন জোশীকে (Bipin Joshi) মুক্তি দাও’।

LinkedIn
Share