Tag: hindu temple

hindu temple

  • Khalistan: কানাডায় ফের হিন্দু মন্দিরে হামলা খালিস্তানপন্থীদের, দেওয়ালে ভারত-বিরোধী পোস্টার

    Khalistan: কানাডায় ফের হিন্দু মন্দিরে হামলা খালিস্তানপন্থীদের, দেওয়ালে ভারত-বিরোধী পোস্টার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের হিন্দু মন্দিরে হামলা খালিস্তানপন্থীদের (Khalistan)। ভাঙচুর করা হল আস্ত একটা মন্দির। দেওয়ালে সাঁটিয়ে দেওয়া হল খালিস্তানের দাবি সম্বলিত পোস্টার। ঘটনাস্থল সেই কানাডা। এনিয়ে চলতি বছরে এ পর্যন্ত চারটি হিন্দু মন্দির ভাঙচুর করল খালিস্তানপন্থীরা।

    মন্দিরে হামলা

    কানাডার সারে এলাকায় রয়েছে লক্ষ্মী-নারায়ণের মন্দির। ব্রিটিশ কলম্বিয়া এলাকায় যে ক’টি পুরনো হিন্দু মন্দির রয়েছে, এই মন্দিরটি তার অন্যতম। শনিবার রাতে এই মন্দির ভাঙচুর করে খালিস্তানপন্থীরা। ভারত-বিরোধী স্লোগানও দিতে থাকে। সারে প্রশাসনের দাবি, খালিস্তানপন্থীরা লক্ষ্মী-নারায়ণ মন্দিরের দেওয়ালে খালিস্তানের দাবিতে পোস্টার সাঁটায়। জুনের ১৮ তারিখে মৃত্যু হয় খালিস্তানপন্থী জঙ্গি হরদীপ সিং নিজ্জরের। খালিস্তান (Khalistan) টাইগার ফোর্সের মাথা ছিলেন এই নিজ্জর। কানাডিয়ান আর্ম অফ শিখস ফর জাস্টিসেরও প্রধান ছিলেন তিনি। ১৮ জুন অজ্ঞাত পরিচয় দুষ্কৃতীদের গুলিতে খুন হন তিনি। এই ঘটনায় ভারতের হাত দেখছে খালিস্তানপন্থীরা।  

    খালিস্তানপন্থীদের পোস্টার

    ওই ঘটনায় ভারতের কোনও ভূমিকা রয়েছে কিনা, তা জানতে কানাডা সরকারকে তদন্ত করার অনুরোধও করেছে খালিস্তানপন্থীরা। সিসি ক্যামেরায় ধরা পড়েছে, ওই রাতে মুখোশ পরা দুজন মন্দিরের দেওয়াল ও গেটে পোস্টার সাঁটাচ্ছে। চলতি বছরের এপ্রিল মাসে স্বামী নারায়ণের মন্দিরে ভাঙচুর চালায় খালিস্তানপন্থীরা। মন্দিরটি রয়েছে ওন্টারিও এলাকায়। মিশিসুয়াগা এলাকায় একটি রাম মন্দিরেও হামলা চালায় খালিস্তানপন্থীরা। সেটা হয়েছিল ফেব্রুয়ারি মাসে। জানুয়ারি মাসে ব্রাম্পটনে একটি হিন্দু মন্দিরের দেওয়াল বিকৃত করা হয়। ভারত-বিরোধী স্লোগানে ভরিয়ে দেওয়া হয় মন্দিরের দেওয়াল।

    আরও পড়ুুন: “আমরা দেশের জন্য বাঁচি, কেউ থামাতে পারবে না”, গুজরাটের অনুষ্ঠানে বললেন শাহ

    কানাডায় খালিস্তানপন্থীদের (Khalistan) বাড়বাড়ন্তে উদ্বেগ প্রকাশ করে ভারত। কেবল কানাডা নয়, আমেরিকা এবং ইংল্যান্ডেও ভারত বিরোধী স্লোগান দিতে দেখা যায় খালিস্তানপন্থীদের। কানাডায় খালিস্তানপন্থীদের কার্যকলাপের জেরে কড়া প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে ভারত। সে দেশে খালিস্তানপন্থীদের জায়গা দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করে নয়াদিল্লি। যদিও ভারতের দাবি নস্যাৎ করে কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো বলেন, “কানাডা সব সময় সন্ত্রাসবাদের (Khalistan) বিরুদ্ধে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ned Price: ‘জঙ্গিবাদের নিন্দা করে আমেরিকা’, হিন্দু মন্দিরে হামলা প্রসঙ্গে জানালেন মার্কিন মুখপাত্র

    Ned Price: ‘জঙ্গিবাদের নিন্দা করে আমেরিকা’, হিন্দু মন্দিরে হামলা প্রসঙ্গে জানালেন মার্কিন মুখপাত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে তো বটেই, বিদেশেও মাথাচাড়া দিচ্ছে খালিস্তানি (Khalistani) আন্দোলন। নিরন্তর নিশানা করা হচ্ছে হিন্দু মন্দিরগুলিকে (Hindu Temples)। খালিস্তানিদের এই আন্দোলনের তীব্র নিন্দা করল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (US)। মার্কিন বিদেশ দফতরের মুখপাত্র নেড প্রাইস (Ned Price) বলেন, যে কোনও ধরনের হিংসা এবং জঙ্গি কার্যকলাপের নিন্দা করে আমেরিকা। তিনি বলেন, আমেরিকার একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মূল্যবোধ হল ধর্মীয় বহুত্ববাদ। নেড প্রাইস বলেন, যারা এর উল্টো কার্যকলাপ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তাদেরও নিন্দা করে।

    নেড প্রাইস (Ned Price) বলেন…

    অস্ট্রেলিয়া, কানাডা সহ বিভিন্ন দেশে হিন্দু মন্দিরে হামলা চালাচ্ছে খালিস্তানিরা। এদিন সে প্রসঙ্গে মার্কিন বিদেশ দফতরের মুখপাত্র (Ned Price) বলেন, হিংসার যে কোনও ধরনের রূপেরই আমরা নিন্দা করি। হিংসার হুমকি দেওয়ারও নিন্দা করি। যে কোনও ধরনের হিংসা, জঙ্গি কার্যকলাপেরও নিন্দা করি। তিনি বলেন, আমেরিকা এমন একটি দেশ যাদের কিছু গুরুত্বপূর্ণ মূল্যবোধ রয়েছে। এরই একটি হল, ধর্মীয় বহুত্ববাদ। সব ধর্মের মানুষের প্রতি সহনশীলতাও রয়েছে। যাঁরা কোনও ধর্মপথের অনুসারীও নন, তাঁদেরও আমরা শ্রদ্ধা করি। তিনি বলেন, যাঁরা এর উল্টো পথের যাত্রী, তাঁদের আমরা নিন্দা করি।

    কানাডার ব্রাম্পটনে রয়েছে গৌরী শঙ্করের মন্দির। চলতি বছরের জানুয়ারির প্রথম দিকে ওই মন্দিরে ভাঙচুর চালায় কেউ বা কারা। মন্দিরের দেওয়ালে লেখা হয় ভারত বিরোধী স্লোগান। ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছিলেন কানাডায় নিযুক্ত ভারতীয় রাষ্ট্রদূত। দূতাবাসের তরফে বিবৃতি জারি করে বলা হয়েছিল, ব্রাম্পটনের গৌরী শঙ্করের মন্দির ভারতীয় ঐতিহ্যের প্রতীক। সেই মন্দিরের দেওয়ালে যে ভারত বিরোধী স্লোগান লেখা হয়েছিল, আমরা তার তীব্র নিন্দা করি। মন্দির ভাঙচুরের এই ঘৃণ্য ঘটনা কানাডায় বসবাসকারী হিন্দুদের ভাবাবেগে আঘাত করেছে। কানাডা সরকারের কাছে আমরা এ ব্যাপারে আমাদের উদ্বেগও প্রকাশ করেছি।

    আরও পড়ুুন: ‘এপাং ওপাং ঝপাং…’, মমতার অস্ত্রেই তৃণমূল বধ সুকান্তর!

    কেবল কানাডা নয়, অস্ট্রেলিয়ায়ও একাধিক হিন্দু মন্দিরে হামলা চালিয়েছে খালিস্তানিপন্থীরা। মেলবোর্নের অ্যালবার্ট পার্কে থাকা হিন্দু মন্দিরে ভাঙচুর চালানো হয় ২৩ জানুয়ারি। মন্দিরের দেওয়ালে লিখে দেওয়া হয় ভারত বিরোধী স্লোগান। অস্ট্রেলিয়ারই ক্যারাম ডাউনে শিব বিষ্ণুর মন্দিরেও ভাঙচুর চালিয়েছে খালিস্তানিরা। সেখানেও মন্দির গাত্রে লেখা হয়েছে ভারত বিরোধী স্লোগান।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • Bhojshala Hindu Temple: ভোজশালার সরস্বতী মন্দির ভেঙেও গড়ে উঠেছিল মসজিদ? 

    Bhojshala Hindu Temple: ভোজশালার সরস্বতী মন্দির ভেঙেও গড়ে উঠেছিল মসজিদ? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার ভোজশালা (Bhojshala) স্মৃতিস্তম্ভ প্রাঙ্গনে মুসলমানদের নমাজ পড়া স্থগিত চেয়ে আবেদন গ্রহণ করল মধ্যপ্রদেশ (Madhya pradesh) হাইকোর্ট। মধ্যপ্রদেশের ধর জেলায় রয়েছে ওই স্মৃতিস্তম্ভ। সম্প্রতি আদালত মধ্যপ্রদেশ সরকার, কেন্দ্রীয় সরকার ও ভারতের পুরাতত্ত্ব সংরক্ষণ বিভাগকেও (Archeological survey of India) সমন পাঠিয়েছে। মামলাটি করেছিল হিন্দু ফ্রন্ট ফর জাস্টিস (Hindu front for justice)।

    ভোজশালা কমপ্লেক্সে দেবী সরস্বতীর (saraswati) মন্দির ছিল বলে হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের দাবি। তাই হিন্দু সংগঠনটি ওই কমপ্লেক্সে সরস্বতীর মূর্তি স্থাপনের পাশাপাশি কমপ্লেক্সের শিলালিপির রঙিন ছবি তৈরির অনুরোধ জানায়। স্মৃতিস্তম্ভে থাকা পুরাকীর্তি এবং ভাস্কর্যগুলির রেডিওকার্বন ডেটিং (Radio Carbon dating) করার অনুরোধও জানানো হয়েছিল।  

    আরও পড়ুন : অযোধ্যা, মথুরা ও কাশী বিবাদের নিষ্পত্তি একসঙ্গে করা উচিত ছিল, মত উমা ভারতীর

    দেশে শিক্ষা প্রসারে উদ্যোগী রাজা ভোজ জ্ঞান ও প্রজ্ঞার দেবী সরস্বতীর মন্দির নির্মাণ করেছিলেন। পারমার বংশের এই রাজা শিক্ষা প্রসারে একটি কলেজও প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। এই কলেজটি ভোজশালা নামে পরিচিত। দূরদুরান্ত থেকে ছাত্ররা পড়তে আসত ভোজশালায়। সঙ্গীত, সংস্কৃত, জ্যোতির্বিদ্যা, যোগব্যায়াম, আয়ুর্বেদ ও দর্শনের পাঠ নিতে আসতেন পড়ুয়ারা। হাজার হাজার পড়ুয়া ও বুদ্ধিজীবীদের থাকার ব্যবস্থাও ছিল ভোজশালায়। সরস্বতীর মন্দির গড়ে উঠেছিল ধর জেলায়, ভোজশালা কমপ্লেক্সে। এই ধর জেলাই এক সময় রাজা ভোজের রাজধানী ছিল।

    হিন্দুত্ববাদীদের দাবি, বর্তমান কামাল মাওলানা মসজিদ, যেটি মন্দির ধ্বংস করার পর নির্মাণ করেছিলেন মুসলিমরা, তাতে ভোজশালার প্রাচীন নিদর্শন রয়েছে। মসজিদে ব্যবহৃত খোদাই করা স্তম্ভগুলি ভোজশালায় ব্যবহৃত হয়। মসজিদের দেওয়ালে খোদাই করা পাথরের স্ল্যাবগুলিতেও এখনও মূল্যবাহ কারুকার্য রয়েছে। শিলালিপিগুলিতে সংস্কৃত ব্যাকরণের জ্ঞানও উৎকীর্ণ রয়েছে। কিছু শিলালিপিতে রাজা ভোজের পরবর্তীকালের শাসকদের প্রশস্তি খোদাই করা রয়েছে। রাজা ভোজ প্রতিষ্ঠিত মন্দিরের সরস্বতীর মূর্তিটি বর্তমানে রয়েছে লন্ডনের মিউজিয়ামে।

    আরও পড়ুন : ধাক্কা খেল মসজিদ কমিটি, জ্ঞানবাপী মামলায় বড় নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    ইতিহাসবিদদের একাংশের দাবি, ১৩০৫, ১৪০১ ও ১৫১৪ সালে মুসলমান শাসকরা ভোজশালার মন্দির ও শিক্ষাকেন্দ্র ধ্বংস করে। ১৩০৫ সালে প্রথম ধ্বংসলীলা চালায় অত্যাচারী মুসলিম শাসক আলাউদ্দিন খিলজি। ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করতে অস্বীকার করায় ভোজশালায় ১২০০ হিন্দু ছাত্র ও শিক্ষককে হত্যা করা হয়। ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় মন্দির কমপ্লেক্স। পরবর্তীকালে হামলা হয়েছে আরও দুবার। তারও পরে নির্মাণ হয় কামাল মওলানা মাকবারা। এর ভিত্তিতেই ভোজশালাকে দরগাহ বলে দাবি করা হচ্ছে।

    ১৯৫২ সালে কেন্দ্রীয় সরকার ভোজশালা তুলে দেয় ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণের হাতে। বর্তমানে কেবল বসন্ত পঞ্চমীতে সরস্বতী পুজোর দিন ভোজশালায় প্রবেশ ও পুজো করতে পারেন ধর্মপ্রাণ হিন্দুরা। ২০০৩ সালের এপ্রিল মাসে হিন্দুদের জন্য ভোজশালা খুলে দেওয়া হয়। তবে উপাসনার জন্য সম্পূর্ণ প্রাঙ্গণ পুনরুদ্ধারের জন্য পিটিশন দাখিল করা হয়।

     

LinkedIn
Share