Tag: hindu unity

  • RSS: জাতপাতের ঊর্ধ্বে উঠে ঐক্যের আহ্বান সংঘ প্রধান মোহন ভাগবতের

    RSS: জাতপাতের ঊর্ধ্বে উঠে ঐক্যের আহ্বান সংঘ প্রধান মোহন ভাগবতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশবাসীর কাছে জাতপাত, ভাষা ও সম্পদের ভিত্তিতে বিভাজনের মানসিকতা ছেড়ে ঐক্যের পথে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানালেন আরএসএসের (RSS) প্রধান মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। তিনি বলেন, গোটা দেশটাই সবার, এবং এই ভাবনাই প্রকৃত সামাজিক সম্প্রীতির ভিত্তি। ছত্তিশগড়ের রায়পুর জেলার সোনপাইরি গ্রামে আয়োজিত এক হিন্দু সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ভাগবত বলেন, সমাজে অন্তর্ভুক্তিমূলক মানসিকতা গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি। তাঁর মতে, প্রকৃত সৌহার্দ্য প্রতিষ্ঠার প্রথম ধাপ হল মানুষের মন থেকে বৈষম্যের বোধ দূর করা। দেশকে দেখতে হবে ঐক্যের দৃষ্টিভঙ্গিতে। মন্দির, জলাশয় ও শ্মশানঘাটের মতো জনসাধারণের পরিকাঠামো সব হিন্দুর জন্যই উন্মুক্ত থাকা উচিত।

    এই দেশ সবার (RSS)

    ভাগবত বলেন, “এই দেশ সবার। এই অনুভূতিই প্রকৃত সামাজিক সম্প্রীতি। কাউকে জাত, সম্পদ, অঞ্চল বা ভাষার ভিত্তিতে বিচার করা উচিত নয়।” তিনি সবাইকে একে অপরকে নিজের লোক হিসেবে গ্রহণ করার আহ্বান জানান। এই দৃষ্টিভঙ্গিকে তিনি ‘সামাজিক সমরসতা’ (Samajik Samrasta) বলে অভিহিত করেন। পারিবারিক বন্ধন পুনরুজ্জীবিত করার প্রয়োজনীয়তার কথাও বলেন তিনি। সরসংঘচালকের মতে,  প্রতিটি পরিবারে অন্তত সপ্তাহে এক দিন সবাইর একসঙ্গে সময় কাটানো উচিত। এক সঙ্গে খাবেন, প্রার্থনা করবেন ও অর্থপূর্ণ আলোচনাও করবেন। এই ধরনের আলোচনাকে তিনি ‘মঙ্গল সংলাপ’ (Mangal Samvad) বলে উল্লেখ করেন।আধুনিক জীবনে একাকীত্বের ক্রমবর্ধমান সমস্যার প্রসঙ্গ তুলে ধরে ভাগবত বলেন, পরিবারের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ থাকলে মানুষ ক্ষতিকর অভ্যাস থেকে দূরে থাকতে পারে। তাঁর কথায়, “মানুষ যখন একা (RSS) অনুভব করে, তখনই অনেক সময় কু-অভ্যাসে জড়িয়ে পড়ে। পরিবারের মধ্যে নিয়মিত আলোচনা ও যোগাযোগ এই প্রবণতা রোধ করতে পারে।”

    ‘কুটুম্ব প্রবোধন’

    ‘কুটুম্ব প্রবোধনে’র (Kutumb Prabodhan) উল্লেখ করে প্রত্যেক নাগরিককে আত্মসমালোচনার আহ্বানও জানান ভাগবত। প্রতিদিন কে, কতটা সমাজ ও দেশের জন্য সময় ও শ্রম দিচ্ছেন, তা ভেবে দেখার অনুরোধও করেন তিনি (Mohan Bhagwat)। ভাগবত বলেন, পারস্পরিক সংলাপ ও বোঝাপড়ার মাধ্যমে সব সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করতে হবে। ঐক্যের নামে কখনও সংঘাত বা বিবাদ হওয়া উচিত নয়। বিশ্ব উষ্ণায়ন ও পরিবেশগত ক্ষতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে আরএসএস প্রধান সাধারণ মানুষকে ব্যক্তিগত স্তর থেকেই পরিবেশ সংরক্ষণ শুরু করার আহ্বান জানান (RSS)। তিনি জল সংরক্ষণ, বৃষ্টির জল সংগ্রহ, একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক কমানো এবং আরও বেশি গাছ লাগানোর ওপরও গুরুত্ব দেন। ঘরে মাতৃভাষার ব্যবহার, ভারতীয় পোশাকের প্রতি সম্মান এবং ওষুধের মতো জরুরি প্রয়োজন ছাড়া দেশীয় পণ্য ব্যবহারের মাধ্যমে স্বদেশিকে সমর্থন করার কথাও বলেন সরসংঘচালক।

    কী বললেন ভাগবত

    নাগরিক শৃঙ্খলার ওপর জোর দিয়ে ভাগবত বলেন, সংবিধান মেনে চলা, প্রস্তাবনা (প্রিঅ্যাম্বল), মৌলিক কর্তব্য ও নাগরিক দায়িত্ব নিয়মিত পাঠ করা জরুরি। এই মূল্যবোধগুলিকে বয়োজ্যেষ্ঠদের সম্মান করা ও বিপন্নদের সাহায্য করার মতো ঐতিহ্যবাহী সামাজিক আচরণের সঙ্গে সমন্বয় করে চলার আহ্বানও জানান তিনি। আরএসএসের যাত্রাপথের কথা উল্লেখ করে ভাগবত জানান, নাগপুরে একটি ছোট শাখা হিসেবে শুরু হওয়া এই সংগঠন আজ সারা ভারতে বিস্তৃত। তিনি বলেন, “আজ কাশ্মীর, মিজোরাম, আন্দামান, সিকিম, কচ্ছ থেকে শুরু করে ভারতের উত্তর, দক্ষিণ, পূর্ব ও পশ্চিম—সব জায়গায়ই আরএসএস স্বেচ্ছাসেবকদের উপস্থিতি রয়েছে।” এই বিস্তারের কৃতিত্ব তিনি সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা কেশব বলিরাম হেডগেওয়ারকে দেন এবং তাঁর আজীবন ত্যাগ ও নিষ্ঠার প্রশংসা করেন। ভাগবতের মতে, ১০০ বছর পূর্ণ হওয়াটা (RSS) বড় সাফল্য নয়, বরং সারা দেশে সংঘের কাজ পৌঁছে যাওয়াই আসল অর্জন (Mohan Bhagwat)।

  • Mithun Chakraborty: ট্রেলার দেখিয়েছে বাংলাদেশ! এক হোন হিন্দু বাঙালিরা, আহ্বান মিঠুনের

    Mithun Chakraborty: ট্রেলার দেখিয়েছে বাংলাদেশ! এক হোন হিন্দু বাঙালিরা, আহ্বান মিঠুনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ট্রেলার দেখিয়েছে বাংলাদেশ! হিন্দু বাঙালিরা এক হোন। ঠিক এই ভাষাতেই হিন্দু ঐক্যের (Hindu Unity) আহ্বান জানালেন মিঠুন চক্রবর্তী (Mithun Chakraborty)। বৃহস্পতিবার রাজ্যে বিজেপির একটি দলীয় কর্মসূচিতে হাজির ছিলেন মিঠুন চক্রবর্তী। এই সভায় যোগদান করে হিন্দু বাঙালিদের উদ্দেশে সতর্কবার্তাও দিলেন অভিনেতা। এদিন মিঠুন চক্রবর্তীর ভাষণে ছিল আগাগোড়াই হিন্দুত্বের ছোঁয়া। অভিনেতা বলেন, ‘‘আমি কিন্তু বলি, গর্ব করে বলো যে আমি সনাতনী। আমরা সনাতনী। যদি ভগবান সনাতনী হিসাবে জন্ম দিয়ে থাকেন তাহলে মরব সনাতন হিসাবে। কিন্তু অন্য হাতে ওই ভাবে মার খেয়ে মরব না।’’

    বারাকপুরের বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা আয়োজন করে বসন্ত উৎসব

    এদিন সন্ধ্যায় নিউ বারাকপুরের কৃষ্টি ভবনে বারাকপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা মিলে আয়োজন করেছিলেন বসন্ত মিলন অনুষ্ঠান। সেখানেই মিঠুন চক্রবর্তী (Mithun Chakraborty) বলেন, ‘‘বাংলাদেশ ট্রেলার দেখিয়ে দিয়েছে। যদি না জিততে পারেন তাহলে পশ্চিমবাংলায় হিন্দু বাঙালি বলে কেউ থাকবে না। এখনও ৯ শতাংশ হিন্দু আমাদের ভোট দেন না। এবার ওরা জিতে এলে কিন্তু নির্বংশ করে দেবে।’’ প্রসঙ্গত, এদিন অনুষ্ঠানের প্রধান বক্তা হিসেবে হাজির ছিলেন মিঠুন। এছাড়াও বারাকপুরে বিজেপির এই দলীয় কর্মসূচিতে হাজির ছিলেন অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষ সমেত ওই লোকসভা কেন্দ্রের বিভিন্ন মন্ডল ও জেলাস্তরের বিজেপি নেতা-কর্মী-সমর্থকরা।

    অন্য দলের হিন্দুরা কী করবেন, না – করবেন আমরা জানি না

    মিঠুনের (Mithun Chakraborty) সভা ঘিরে কর্মী সমর্থকদের মধ্যে আগ্রহ ছিল একেবারে তুঙ্গে। গোটা সভাগার ছিল ভর্তি। সভা মঞ্চ থেকে এদিন মিঠুন চক্রবর্তী বলেন, ‘‘অন্য দলের হিন্দুরা কী করবেন, না করবেন আমরা জানি না। কিন্তু বিজেপির হিন্দু বাঙালিরা থাকবে না, এটা কিন্তু মনে করে চলবেন। এরা তৈরি হয়ে বসে আছে, আবার যদি জিতে আসি, নির্বংশ করে দেব। সেজন্য কিছু না ভেবে জিতুন।’’ রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, সাম্প্রতিক বাংলাদেশে যেভাবে সংখ্যালঘু সমাজের ওপর আক্রমণ আঘাত নেমে এসেছে তাতে উদ্বিগ্ন হয়েছে বিভিন্ন মহল। প্রশ্ন উঠেছে ইউনূস জমানার আইন-শৃঙ্খলার পরিস্থিতি নিয়েও। এই আবহে নিজের ভাষণে মিঠুন, মমতা ও ইউনূসের শাসনকে এক করে দেখাতে চাইলেন।

    এখনও ৯ শতাংশ হিন্দু ভোট দেয় না, আমি চিৎকার করে অনুরোধ করছি, এবার ভোট দিন

    বারাকপুরে দলীয় কর্মসূচি শেষ করে মিঠুন চক্রবর্তী (Mithun Chakraborty) সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন। তিনি বলেন, ‘‘এখনও ৯ শতাংশ হিন্দু ভোট দেয় না। আমি চিৎকার করে তাঁদের অনুরোধ করছি, এবার ভোট দিন। বাংলাদেশ একটা ট্রেলার দেখিয়েছে আপনাদের। এর পর পশ্চিমবঙ্গে হিন্দু বাঙালি থাকবে কি না তা নিয়ে আমার মনে প্রশ্ন আছে। এটা আমাদের অস্তিত্বের লড়াই। যে ৯ শতাংশ হিন্দু এখনও ভোট করে না, তাঁদের অনুরোধ করছি, এবার ভোট করুন। নইলে আসন্ন নির্বাচনে, যদি আমরা জিততে না পারি, তাহলে হিন্দু বাঙালি যাঁরা রয়েছেন, তাঁদের জন্য খুবই কষ্টের দিন আসতে চলেছে। খুব সাবধানে থাকুন। কারণ যে সব মিটিং চলছে সেগুলো আপনারা খবর রাখেন না। প্রকাশ্যে সেটা বলতে পারব না। বিজেপি বিরোধী দলগুলো যে মিটিং করছে শুনলে গায়ে কাঁটা দেবে। কিছুদিন পর সব বেরিয়ে যাবে মার্কেটে। বেরিয়ে আসুন, ভোট দিন। এটা আমাদের অস্তিত্বের লড়াই।’’

    হিন্দু ঐক্যের আহ্বান জানিয়ে মাঠে নেমেছে গেরুয়া শিবির, তারই প্রতিধ্বনি মহাগুরুর গলায়!

    বছর ঘুরলেই বিধানসভা ভোট। এই আবহে হিন্দু ঐক্যের আহ্বান জানিয়ে মাঠে নেমেছে গেরুয়া শিবির। কলকাতার পাশাপাশি একাধিক জেলা, শহরতলিতে হিন্দু হিন্দু ভাই ভাই পোস্টারও সামনে এসেছে। একইসঙ্গে গেরুয়া শিবিরের একাধিক সভায় বার্তা দেওয়া হয়েছে হিন্দু ঐক্যের। দিনকয়েক পরেই রয়েছে রামনবমী। সেই রামনবমীকে কেন্দ্র করে চড়ছে বঙ্গ রাজনীতির পারদ। এবারের রামনবমীকে কেন্দ্র করে রেকর্ড সংখ্যক ভিড় হতে পারে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। রামনবমীর উৎসবকে সফল করতে কোমর বেঁধে নেমেছে গোটা সংঘ পরিবার। গতকাল বৃহস্পতিবারই হাইকোর্টের অনুমতি নিয়ে বারুইপুরে সভা করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। সেখানেও তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছে রামনবমী নিয়ে। বারুইপুরের সভা থেকেই ভালো করে রামবনবমী পালনের বার্তা দিয়েছেন বিরোধী দলনেতা। তিনি বলেন, হিন্দুরা জেগে গেছেন। এবার বড় করে রামনবমী হবে, তারপর পালন করা হবে হনুমান জয়ন্তী। ঠিক এই আবহে হিন্দু ঐক্যের বার্তা দিয়ে বক্তব্য রাখতে শোনা গেল মিঠুন চক্রবর্তীকেও (Mithun Chakraborty)।

LinkedIn
Share